অবৈধভাবে মালয়েশিয়ার পথে কক্সবাজারে দোহারের যুবক আটক

0

রোববার সন্ধ্যায় ৪২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বিশেষ টহল দলের নায়েক সুবেদার ফুল মিয়ার নেতৃত্বে সদস্যরা টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া অস্থায়ী চেকপোস্ট এলাকায় টেকনাফগামী একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১১-১৬৯৪) তল্লাশি চালিয়ে দুই দালাল ও ৬ মালয়েশিয়াগামীকে আটক করে। এসময় আটক করা হয় দোহারের শিলাকোঠা এলাকার মো. সজল (১৯)।  

এছাড়া আটক দালালরা হচ্ছে, নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্দিরগঞ্জ, হাজীগঞ্জ পাঠানতলী এলাকার মো. ফারুকের ছেলে মো. শান্ত (১৬) ও টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাজমপাড়া এলাকার মৃত আবদুস সালামের ছেলে আবদুল গফুর (৩২)। ভিকটিমরা হচ্ছে, নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্দিরগঞ্জ, ফতুল্লা, পাঠানতলী এলাকার মো. ইমন (১৬), মো. শান্ত (১৫), নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্দিরগঞ্জ, লক্ষী নারায়ণ কর্টন মিলন, পাঠানতলী এলাকার মো. রাশেদুল ইসলাম (১৭), মো. সাইদুজ্জামান নয়ন (২১), পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ, মনিনাথ গোবিন্দ গৌহ ঘাঁটি এলাকার মো. জাহিদ হাসান (১৭)। 

৪২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আবুজার আল জাহিদ জানান, আটক দালাল ও ভিকটিমদের থানায় হস্তান্তর করে মানবপাচার আইনে মামলা করা হয়েছে অপর একটি অভিযানে দুই মানবপাচারকারী দালালকে আটক করেছে থানা পুলিশ। এরা হলো- টেকনাফ উপজেলার সাবরাং শাহপরীর দ্বীপ বাজারপাড়া এলাকার মৃত কালা মিয়ার ছেলে গোলাম হোসেন ও মৃত বাঁচা মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান।

দুর্ভোগের আরেক নাম ঢাকা-দোহার সড়ক

0

ঢাকা-দোহার সড়ক মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সড়কটির কোনো সংস্কার কাজ না হওয়ায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন পথচারী ও যাত্রীরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংস্কারের আশ্বাসের নামে কালক্ষেপণ করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

সরেজমিন দেখা যায়, দোহারের মৈনট ট্রলারঘাট থেকে লটাখোলার করম আলীর মোড় পর্যন্ত প্রায় ১০ কিমি. রাস্তায় পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গেছে। এতে রাস্তাজুড়ে অসংখ্য ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যান চলাচলের সময় ধুলোবালিতে পথচারীদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। একই অবস্থা ঢাকা-দোহার সড়কের মেঘুলাবাজার, নারিশা, বাঁশতলা, কার্তিকপুর, চরকুশাই, জয়পাড়া বাজার, থানার মোড়সহ অর্ধশতাধিক স্থানের। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঢাকা-দোহারের অতি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির এ অবস্থা যেন প্রশাসন সড়ক ও জনপথ বিভাগ কারোই নজরে পড়ছে না।

দোহারের সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র জয়পাড়া হাট-বাজার। প্রতিদিনের বাজার ছাড়াও বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক হাটের দিন দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মানিকগঞ্জের হরিরামপুর ও ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থেকে শত শত ব্যবসায়ী এ হাটে আসেন। কিন্তু হাট-বাজারে আসার মূল রাস্তার গর্তগুলোয় সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে যেন ডোবায় পরিণত হয়। গাড়িতে চলাচলকারী যাত্রীরা গর্তে উঠানামা করার সময় হোঁচট খেয়ে প্রায়ই আহত হন। গর্তে চাকা আটকে গিয়ে ইঞ্জিন প্রায়ই বসে বিকল হয়ে যায়।

গতি পরিবহনের চালক মো. জামাল মিয়া বলেন, “এ রাস্তায় গাড়ি চালাতে গিয়ে ইঞ্জিন চেসিস বিকল হয়ে যায়। ঝাঁকুনিতে যাত্রীদের গালিগালাজ খেতে হয়। শুধু তাই নয়, ২০ মিনিটের রাস্তা যেতে দেড় ঘণ্টা লেগে যায়। এতে করে আমাদের আয়ও কমে যাচ্ছে।”

জয়পাড়া বাজারের ব্যবসায়ী জালাল ব্যাপারী বলেন, জয়পাড়া হাটে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। তিনি দ্রুত এ রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানান।

জয়পাড়া কলেজের একজন প্রভাষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “রাস্তার উন্নয়নে বরাদ্দকৃত অর্থের বেশির ভাগই লুটপাট হয়। ফলে রাস্তা মেরামতের অল্প সময়ের মধ্যেই খানাখন্দ, গর্ত ও ডোবায় পরিণত হয়। তাই আমাদের ছাত্রছাত্রীদের কলেজে আসতে কষ্ট হয়।”

ঢাকা-দোহার সড়ক দুর্ভোগের ব্যাপারে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীলদের সাথে যোগাযোগ করে নিউজ৩৯.নেট। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, “রাস্তাটির অবস্থা খুবই করুণ। এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের সভায় আলোচনা হয়েছে। সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষকে বারবার বলা হয়েছে।”

স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম বলেন, “দোহার-নবাবগঞ্জের সঙ্গে ঢাকা যোগাযোগের সব রাস্তা এবং আঞ্চলিক সড়কের সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীদের তাগিদ দেয়া হয়েছে। যাতে খুব শিগগিরই এসব রাস্তার কাজ সম্পন্ন হয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

মুন্সীগঞ্জ অঞ্চলের সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল হোসেন বলেন, “রাস্তাটির দরপত্র আহ্বান শেষে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু হবে।”

দোহারে পদ্মার ভাঙনে বাড়ছে ভূমিহীন পরিবারের সংখ্যা

0

“কেউ কোন দিন ঘর বাইন্ধনা পদ্মা নদীর তীরে, আমির কে সে এক পলকে পথের ফকির করে।” এই কথার সত্যতা মিলেছে দোহার উপজেলার নয়াবাড়ী ইউনিয়নের নয়াডাঙ্গী গ্রামের হাজেরা বেগম (৫৫) নামে এক বৃদ্ধার জীবনে।

সকালে যিনি বাড়ি ও অনেক জমির মালিক বিকেলে সে সর্বহারা, কপালের লিখন না যায় খণ্ডন। “আমাগো কপালের এই লিখন আছিলো বাবা আক্ষেপ কইরে‌ কি হইবো। গরীব মানুষ্যের কষ্ট কারো যায় আসে না একদিন আগে তার বসত বাড়ি নদীতে ভেঙে নিয়ে গেছে”, ভাঙ্গনের শিকার বসত বাড়ীর অবশিষ্ট অংশে রান্না করছিলেন রহিমা বেগম। আর চোখের জল আঁচলে মুছতে মুছতে এভাবেই তার মনের কথা ব্যক্ত করছিলেন।

বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়নে পদ্মা ভাঙ্গনে দিশেহারা হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষ। গত কয়েক দিনে প্রায় ২৫/৩০ টি পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বাহ্রা গ্রামের বাসিন্দা আলম ব্যাপারী বলেন,বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে দোহারে তার নিবার্চনী সভায় দোহার-নবাবগঞ্জবাসীকে পদ্মার ভাঙ্গনরোধে বেড়ীবাঁধ নির্মাণের অঙ্গীকার করলেও ৬ বছরে ও প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয় নি। আমরা এখনো আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রত আমাদেরকে দেয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করবেন ।

সরকার ও জনপ্রতিনিধির পরিবর্তন হলেও দোহারের পদ্মা পাড়ের মানুষের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হচ্ছে না এমন দাবী তাদের। চলতি বর্ষা মৌসুমে কয়েকদিনের টানা বর্ষণের ফলে পদ্মার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সাথে বেড়েছে স্রোতের তীব্রতা। তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভাঙ্গন। এতে এলাকাবাসী রাতদিন আতংকে সময় কাটাচ্ছেন।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক দিনে নয়াবাড়ী ইউনিয়নের দেওয়ান বাড়ী মোড় ও নয়াডাঙ্গী গ্রামের প্রায় ১০০ টি পরিবার ভাঙ্গনের কবলে পড়ে সহায় সম্বল হারিয়েছে। এ স্থানে প্রায় ৪শ মিটার জায়গায় ব্যপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুল করিম ভূইয়া বলেন, ভাঙ্গন কবলিতদের খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। কিছু পরিবারকে ২০ কেজি করে চালও দেয়া হয়েছে। বিষয় উপরের মহলে জানানো হয়েছে ।

নবাবগঞ্জে ৬০ লিটার এসিডসহ আটক ১

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৬০ লিটার এসিডসহ সুব্রত কুমার পাল (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে উপজেলার বান্দুরা বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত সুব্রত পাল নয়নশ্রী ইউনিয়নের অনিল পালের ছেলে।

নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক কায়সার আহমেদ জানান, রোববার রাতে বান্দুরা বাজার স্বর্ণপট্টি এলাকায় এসিড বিক্রি করার সময় পুলিশ সুব্রতকে আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে ৬০ লিটার (২৯), সুলতানা (৫৫), গোবিন্দ সাহা (৫৫), অজ্ঞাত (৩০)।

শিক্ষিত জাতি গঠনে সরকার ব্যাপক ভূমিকা রাখছে: বান্দুরা হলিক্রসে প্রমোদ মানকিন

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন বলেছেন, শিক্ষিত জাতি গঠনে সরকার ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। ছাত্রছাত্রী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে উদ্বুদ্ধ করতে সরকারিভাবে বিনামূল্যে বই দেয়া হচ্ছে। নারী শিক্ষা অগ্রসরে উপবৃত্তির ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এক সময় ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পেত। এখন তা উন্নীত হয়ে ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে। সারা দেশে কমপক্ষে ৭০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চালু আছে। তিনি বিএনপি-জামায়াত জোটকে অরাজকতা না করে দেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা হলিক্রস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বর্ষপূর্তি ও কলেজ শাখার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি খোকন ভিনসেন্ট গমেজ এতে সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফাদার বেঞ্জামিন ডি কস্তা, হলিক্রস ব্রাদার প্রভিন্সিয়াল বিজয় হেরাল্ড রড্রিক্স, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল্লা আল-মাহমুদ। উপস্থিত ছিলেন মিজানুর রহমান, সুরুজ আলম, নির্মল রোজারিও, নিপু হিউবার্ড রোজারিও প্রমুখ।

দোহারে বাসে আগুন: সন্দেহ পরিবহন মালিকদের দ্বন্দ্ব

ঢাকা-দোহার পথে চলাচলকারী ডিএনকে পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় বাসে ঘুমিয়ে থাকা হেলপার মো. সেলিম আগুনে গুরুতরভাবে দগ্ধ হন। বুধবার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে দোহার উপজেলার লটাখোলা ব্রিজের ওপর থাকা ডিএনকে পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-জ-১৪-০২৫৮) বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে বাসটির ভেতরের সম্পূর্ণ অংশ পুড়ে যায়। এ সময় বাসের ভেতর ঘুমিয়ে ছিলেন বাসটির হেলপার হিসেবে থাকা সেলিম আগুনের তীব্রতা দেখে নেমে যান। ততক্ষণে তার দুটি হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।

আহত হেলপার মো. সেলিম জানান, আগুনের ভয়াবহতা দেখে তিনি দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে দেখতে পান একজন দৌড়ে ব্রিজের ওপর দিয়ে পালাচ্ছে। বাসটির মালিক মধু বাবু বলেন, অবরোধের মধ্যেও তাদের পরিবহন চলেছে এ কারণেও ঘটনা ঘটতে পারে নয়তো শত্রুতা করে কেউ বাসটিতে আগুন দিয়েছে।

দোহার থানার ওসি মাহমুদুল হক বলেন, “এটা রাজনৈতিক কোন ঘটনা নয় পরিবহন মালিকদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

নয়াবাড়ি ও কুসুমহাটিতে নদী ভাঙ্গন কবলিতদের মাঝে ডিএনএসএমের কম্বল বিতরণ

0

নিউজ৩৯.নেট ♦ “চলো কম্বল হাতে, নদী-ভাঙন কবলিত অসহায় শীতার্তদের পাশে” কার্যক্রমের কম্বল বিতরণের যে উদ‍্যোগ ডিএনএসএম নেয়, তার ফলশ্রুতিতে দোহারের নয়াবাড়ি ও কুসুমহাটিতে ২০০ টি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বিকাল ৪ টা থেকে শুরু হওয়া কম্বল বিতরণ রাত আটটা পর্যন্ত চলে। এ সময় নদী ভাঙ্গন কবলিত অসহায় মানুষদের বাড়ি বাড়ি যেয়ে কম্বল পৌছে দেয় ডিএনএসএমের কর্মীরা। 

নদী ভাঙ্গন কবলিত অসহায় মানুষের পাশে এসে দাড়ানোর যে উদ‍্যোগ দোহার নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট নেয় তার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে সাড়া বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা দোহার নবাবগঞ্জের প্রবাসীরা। এবং সেই সহায়তার ফসল প্রায় ২০০ টি কম্বল নিয়ে নয়াবাড়িতে পৌছায় ডিএনএসএমের কর্মীরা। এসময় নয়াবাড়িতে ডিএনএসএমের কর্মী নাহিদুল ইসলাম দ্বীপ কম্বল গ্রহণ করে। এসময় ডিএনএসএমের তালিকায় থাকা অসহায় নদী ভাঙ্গন কবলিতদের বাড়ি বাড়ি যেয়ে কম্বল পৌছে দেয়া হয়। এসময় অসহায় অনেক মানুষ কম্বল পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।

এই কম্বল দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন নিউজ৩৯-এর সম্পাদক ও ডিএনএসএমের কার্যকরী কমিটির সদস্য তারেক রাজিব, নিউজ৩৯-এর নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি ও ডিএনএসএমের কার্যকরী কমিটির সদস্য এডভোকেট আব্দুল্লাহ আবু সাইদ কাঞ্চন, নিউজ৩৯-এর বার্তা সম্পাদক মাসুম পারভেজ রবিন, নিউজ৩৯-এর সিনিয়র রিপোর্টার ও ও ডিএনএসএমের কার্যকরী কমিটির সদস্য আছিফুর রহমান, ডিএনএসএমের কার্যকরী কমিটির সদস্য শাহরিয়ার হোসেন, অভিষেক পাল অন্তু, সাগর রায়, আদনান দোহারি, জাকির হোসেন, আলিফ সালমান, নাহিদুল দ্বীপসহ স্থানীয় তরুন রাজা, হৃদয়, সুজনসহ আরো অনেকে। 

দোহারে যুবলীগের শোভাযাত্রা

0

৫ জানুয়ারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঘোষিত গনতন্ত্র রক্ষা দিবস উপলক্ষে দোহার উপজেলা যুবলীগ এক শোভাযাত্রার আয়োজন করে। দোহার উপজেলা যুবলীগ প্রায় এক হাজার নেতা কর্মী এই মিছিলে অংশ গ্রহন করে।

গত বছর ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে। সেই থেকে দলটি ৫ জানুয়ারিকে গনতন্ত্র রক্ষা দিবস ঘোষনা করে এবং এই বছর প্রথম বারের মতো দিবসটি পালন করে। এই উপলক্ষে সকাল ১১ টার দিকে দোহার উপজেলা যুবলীগ এই মিছিলের আয়োজন করে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাকা জেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি সালাউদ্দিন দ্বরানী, দোহার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ভিপি আলমাস, দোহার উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান আকন্দসহ দোহার উপজেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা।

এসময় মিছিলটি জয়পাড়া বাজার প্রদক্ষিন করে জয়পাড়া বাজার ওয়ান ব্যাংকের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে শেষ হয়। 

নবাবগঞ্জে ইছামতি বাঁচাও আন্দোলনের কমিটি গঠন

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ইছামতি নদী বাঁচাও আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাংগঠনিক সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। 

এতে ইছামতি বাঁচাও আন্দোলনকর্মী মেজর (অব.) সুধীর সাহাকে সভাপতি, মোতাহারুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক ও শফিউর রহমান তোতাকে সিনিয়র সহ-সভাপতি করা হয়। ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে বলে জানা যায়। 

এ সময় বক্তব্য রাখেন জহিরুল আলম ভূইয়া, দিপু পাল, মো. আক্তারুজ্জামান, নির্মল সাহা, মো. শাওন প্রমুখ।

আমার বয়স ১শ ৩ বছর, আর কত বছর হলে বয়স্ক ভাতা পামু?

0

১০৩ বছর বয়সের বৃদ্ধা হেলেনা বেগম। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতার মধ্যে কোনোটাই জোটেনি তার ভাগ্যে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সরকার আমার বয়স আর কত হলে আমাকে ভাতা দেবে। আশপাশে আমার ছেলের চেয়েও কম বয়সী লোকেরা ভাতা পায়। কিন্তু আমি কিছুই পাই না। একথাগুলো বলছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দ পুর এলাকার শত বছর বয়সী বৃদ্ধা হেলেনা বেগম যার জন্ম ১৯১২ সালের অক্টোবর মাসে।

খাতা কলমের হিসাবে একশত বছরের উপরে এ বৃদ্ধার বয়স।হেলেনা বেগম জানান, ২০ বছর আগে স্বামী আলাউদ্দিন মোল্লা মারা যায়। তার ১ ছেলে ও ৬ মেয়েসহ অভাবের সংসার। একমাত্র ছেলে মো. বাচ্চু মোল্লা (৫০) দিনমজুর। তার চার ছেলে-মেয়ে নিয়ে সংসারই চলে না। তাই হেলেনা বেগম অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনো রকমে জীবন যাপন করেন।

তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান বয়সের ভারে আমার হাঁটতে চলতে কষ্ট হয়। তারপরেও এক মুঠো খাবারের জন্য অন্যের বাড়িতে কাজ করতে হয়। আগের সরকারের আমলে বেশ কয়েকবার চাল গম ও ঈদের সময় নগদ টাকাসহ কাপড় পেয়েছিলাম। কিন্তু এখন নগদ টাকা কাপড়তো দূরের কথা একমুঠো চালও পাই নাই।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, হেলেনা বেগমকে একটা বয়স্ক ভাতার কার্ড দেয়া উচিৎ। কিন্তু রাজনৈতিক নেতারা মুখ চিনে ভাতা দেয়ার ফলে উপযুক্ত ভাতা পাওয়ার ব্যক্তিরা তা থেকে বঞ্চিত হয়।এ ব্যাপারে ঐ ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান নন্দলাল সিং জানান, বর্তমানে আমার হাতে কোনো নতুন বয়স্ক ভাতার কার্ড নেই তবে সরকার থেকে যদি নতুন করে কোনো কার্ড আসে তাহলে এই বৃদ্ধাকে (হেলেনা বেগম) বয়স্ক ভাতার কার্ড দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে।