ঢাকার তিন উপজেলায় হরতালের সাড়া নেই

0

দোহার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ডাকা হরতালের কোনো সারা ছিল না। যান চলাচল ও অফিস আদালত সবই প্রতিদিনের ন্যায় স্বাভাবিক ছিলো।

ঢাকার দক্ষিণের তিন উপজেলা দোহার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছাত্রদলের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সারা কোনো এলাকায়ই ছিলো না। সেই সাথে ঢাকা-বান্দুরা আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল ছিলো স্বাভাবিক। বিএনপিসহ ২০দলের কোনো নেতা-কর্মীকে মাঠে দেখা যায়নি।

কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর, রামেরকান্দা, তুলসীখালী, সৈয়দপুর ও কদমতলী সড়কে যান চলছে পুরো দমেই। তবে রোববার রাতে রামেরকান্দা নামক স্থনে দুর্বৃত্তরা যমুনা সার্ভিসের এক বাসে আগুন দেয়। বাসটি দোহার-নবাবগঞ্জ-ঢাকা সড়কে চলাচল করে।

হরতালের কোনো উত্তাপ না থাকায় আইনশৃংখলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশকে বাদাম খেয়ে, পত্রিকা পড়ে, আর গল্প করেই সময় কাটাতে দেখা গেছে।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সায়েদুর রহমান নিউজ৩৯ কে বলেন, নবাবগঞ্জ কোনো হরতাল নেই শান্তিপূর্ণ ভাবে মানুষ চলাফেরা করছে। কোনো মিছিল বা পিকেটিং হয়নি।

কেরানীগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র এএসপি ডা. শহীদুল ইসলাম বলেন, দোহার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জের কোথাও কোনো মিছিল বা পিকেটিং চোখে পড়েনি। জনজীবনের সব কিছুই স্বাভাবিক ছিলো। বিএনপি বা ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীও রাস্তা নামেনি পরিবেশে এমনটাই মনে হয়েছে।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর-রশিদ উসমানি বলেন, পুলিশ মিথ্যা মামলা দিয়ে নেতা-কর্মীদের হয়রানির মধ্যে রেখেছে। প্রতি রাতেই নেতাকর্মীদের বাসায় হানা দিচ্ছে। এই ভয়ে অনেকেই বাড়ী ছাড়া। তবে নবাবগঞ্জে হরতাল জনগণ পালন করছে।

ছাত্রদলের সাবেক এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দলের সিনিয়র নেতারা আরাম আয়েশী হওয়াতে কর্মীরা তাদের উপর ভরসা রাখতে পারছে না। ঝূঁকি নিয়ে কে যাবে পিকেটিং আর মিছিল করতে।

দোহারে পদ্মায় বালুদস্যুতা নির্বিকার প্রশাসন

0

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নে পদ্মার মৈনটঘাট এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এর ফলে ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে ইউনিয়নের চরনারায়ণপুর, শ্রীকৃষ্ণপুর ও চরবৈতা গ্রামের হাজার হাজার মানুষের বসতভিটা।

জানা যায়, ১০ বছর আগে মাহমুদপুর ইউনিয়ন থেকে পদ্মা নদীর দূরত্ব ছিল প্রায় ৫ কিলোমিটার। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে পদ্মার তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার ফলে সে দূরত্ব আজ শূন্যের কোটায় পৌঁছেছে। এভাবে প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকা পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। গত বছর মাহমুদপুর ইউনিয়নের শত শত বিঘা ফসলি জমিসহ শতাধিক বাড়িঘর পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। কিন্তু তারপরও থেমে নেই ভূমিদস্যুরা। এলাকার কিছু চিহ্নিত ভূমিদস্যুÑ মোবারক হোসেন ওরফে মোবারক, সুজন পেশকার, আফজাল শিকদার, তোফাজ্জল শিকদার, বাহের খাঁ ও সোহরাবের নেতৃত্বে চলছে এই অবৈধ মাটি কাটার কাজ। তারা দৈনিক ২৫০-৩০০ ট্রাক মাটি পদ্মার তীর থেকে কেটে নিচ্ছে।

এ ব্যাপারে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেও কোনো লাভ হয়নি। ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর এলাকার তরুণদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরুল করিম ভূঁইয়া বরাবর অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ করার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে। তিনি দোহার থানার ওসিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। ইউএনওর স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি ওসির কাছে জমা দিলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু ওসি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ২৪ ডিসেম্বর ঢাকা জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এবং ওই দিনই ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপি দেয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত মাটি কাটা বন্ধ ছিল। কিন্তু এরপর গত ২ জানুয়ারি থেকে আবারও মাটি কাটা শুরু হয়।

বিষয়টি তাৎক্ষণিক দোহার উপজেলার ইউএনওকে ফোনে অবহিত করা হয়। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত মাটি কাটা বন্ধ হয়নি। পরে বিষয়টি নিয়ে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার এবং দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে আলাপ করার চেষ্টা করেও দেখা করা যায়নি।

মূলত ভূমিদস্যুরা স্থানীয় চেয়ারম্যান, এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি ও উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চালিয়ে যাচ্ছে এ অবৈধ কার্যক্রম। এভাবে আরও কিছুদিন চলতে থাকলে মাহমুদপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ তাদের সবকিছু হারিয়ে বাস্তুহারা হয়ে পড়বে। পাল্টে যাবে দোহারের মানচিত্র। হারিয়ে যাবে মাহমুদপুর ইউনিয়নের অস্তিত্ব। এ ছাড়া বালুর ট্রাক থেকে বালু উড়ে এলাকার পরিবেশও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে মাহমুদপুরের জীববৈচিত্র্য। ট্রাক থেকে ধুলাবালি ওড়ার কারণে পুরো এলাকা এখন বসবাস ও চলাফেরার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

অনলাইনে নিরাপদ থাকতে গুগলের টিপস

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অনলাইন নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন করতে তৎপর হয়েছে ওয়েবজায়ান্ট গুগল। এ লক্ষ্যে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য সম্প্রতি বেশ কিছু টিপস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

গুগলের এই টিপসগুলো অনলাইনে ব্যক্তিগত ও স্পর্শকাতর তথ্যের নিরাপত্তা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মন্তব্য করেছে প্রযুক্তিবিষয়ক ব্লগসাইট ম্যাশএবল ডটকম।

সার্চ ইঞ্জিন, ইন্টারনেট ব্রাউজার ও এমনকি মোবাইলের জন্য কিছু উল্লেখযোগ্য টিপস-

১. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন:

অনলাইনে সুরক্ষার জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের কোনো বিকল্প নেই। অনলাইনে প্রতিটি আলাদা সেবায় একটি পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিৎ। এজন্য বিভিন্ন পাসওয়ার্ড ম্যানেজিং সফটওয়্যারের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।

২. হ্যাকারদের হাত থেকে অ্যাকাউন্ট ও সেলফি রক্ষা করুন:

‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’ ফিচার ব্যবহারের পরামর্শ দিছে গুগল। এই পদ্ধতিতে সঠিক ব্যবহারকারী সনাক্ত করার জন্য ‘ভেরিফিকেশন কোড’ ব্যবহার করে গুগল। যেকোনো অপরিচিত ডিভাইস থেকে অ্যাকাউন্টে প্রবেশের সময় প্রদত্ত মোবাইল এ ‘ভেরিফিকেশন কোড’ আসে, এবং এই কোড ইনপুটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অ্যাকাউন্টের সঠিক মালিকানা যাচাই করে।

৩. ডিভাইসের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করুন:

নিজের মোবাইল ডিভাইসে পিন বা পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে গুগল। অবাঞ্ছিত ব্যক্তিদের হাত থেকে ডিভাইস নিরাপদ রাখতে এই সিকিউরিটি সিস্টেমগুলো বেশ কাজের।

৪. সন্দেহ হলেই ‘রিপোর্ট’ করুন:

কোনো সন্দেহজনক কন্টেন্ট পেলে সঙ্গে সঙ্গেই রিপোর্ট করা উচিত। এ ব্যাপারগুলোর উপর নজরদারির জন্য নিজস্ব কর্মী আছে গুগলের। পাশাপাশি অন্যান্য ব্যবহারকারীদের জন্যেও ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনতে পারে এই পদক্ষেপ।

৫. ব্রাউজার নিয়মিত আপডেট করুন:

ব্রাউজার আপডেটের নোটিফিকেশন বিরক্তিকর মনে হলেও হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচার জন্য নিয়মিত আপডেট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। পুরনো ব্রাউজারগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ত্রুটি থাকে বলে হ্যাকারদের পক্ষে তথ্য চুরি করা খুব সহজ যায়। তাই সবসময়ই ব্রাউজারের আপডেটেড সংস্করণটিই ব্যবহার করা উচিত।

ছবি: ম্যাশএবল ডট কম

ফিরে দেখা ২০১৪: দোহারে ৭ আত্মহত্যা

নিউজ৩৯♦ ২০১৪ সালে দোহারে ৭ টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। কিছু কিছু আত্মহত্যা রহস্যজনক ছিল। সেই ৭ আত্মহত্যার বিবরণ আজ পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো। 

গত ১৮ মার্চ বৃহষ্পতিবার রাতে দোহার উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে ওই বাসার গৃহশিক্ষক মনির হোসেনকে আটক করেছে দোহার থানা পুলিশ। উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের সুন্দরীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও শ্বশুর বাড়ীর লোকজনের অভিযোগ, এসময় মনিরের সাথে তার কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায় বাসায় ফিরে রাতের কোন এক সময় সে গলায় ফাঁস দিয়ে মারা যায়। নিহতের ৪র্থ শ্রেণীতে পড়–য়া মেয়ে জানায়, গত ৪ বছর ধরেই গৃহশিক্ষক মনির তাদের বাড়িতে পড়াতো।

দোহার থানার ওসি (তদন্ত) মাহমুদুল হক বলেন, এঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলা হয়েছে। মনিরের শরীরের বিভিন্ন অংশে নখের আঁচর দেখা গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

গত ২১এপ্রিল সোমবার দুপুরে দোহার উপজেলায় জ্যোস্না আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর আত্মহত্যা করেছে। উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের বাধানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি বাধানগর গ্রামের কাদির সরদারের ছেলে।

উপজেলায় নারিশা ইউনিয়নের উত্তর শিমুলিয়া গ্রামে দেলোয়ার বাদশার মেয়ের সাথে দু বছর আগে মোবাইলফোন এর মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, বিদেশ থেকে স্বামী হেলাল সরদার (২৮) দেশে আসলে তার সাথে ১৭ দিন আগে বিবাহ পড়ানো হয় এবং মেহেদীর রং মুছতে না মুছতে গৃহবধূর জ্যোস্না সিলিং ফ্যানের সাথে কাপড় পেচিয়ে আত্মহত্যায় করেছে বলে জানা যায়।

গত ২১এপ্রিল সোমবার সকালে দোহার উপজেলা চম্পা আক্তার (১৬) নামে দশম শ্রেণির ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। তিনি মধুরখোলা গ্রামের আ: বারেকের মেয়ে। উপজেলা মুকসেদপুর ইউনিয়নের মুধুরখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। চম্পা আক্তারকে পহেলা বৈশাখের শাড়ি কিনে না দেওয়া মা বাবার সাথে অভিমান করে বসত ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।

২৪ এপ্রিল গত বৃহস্পতিবার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের বাস্তা গ্রামে পরকীয়ার জের ধরে সোহেল খান (২৭) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করে। নিহত সোহেল ঐ গ্রামের রহমান খানের ছেলে।

১৪ ই মার্চ গত শুক্রবার দোহার উপজেলায় ওবায়দুল(২২) নামে এক যুবক গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। তিনি সুতারপাড়া গ্রামের করম আলীর ছেলে।

১০ই জুন গত মঙ্গলবার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের বেথুয়া গ্রামের কাওছার (১৭) নামের এক কিশোর আত্মহত্যা করে। সে ঐ গ্রামের ইউনুস মোল্লার ছেলে।

১২ ই আগস্ট গত মঙ্গলবার বিকালে দোহার উপজেলায় মা-বাবার সাথে অভিমান করে আল-আমিন (১১) নামে এক স্কুলছাত্র গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সে উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের নারিশা পশ্চিম চর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস সিপাহীর ছেলে। সে নারিশা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র।

ফুলতলায় শিশুর গলায় বেলুন ঢুকে মৃত্যু

মুখের ভেতর দিয়ে শ্বাসনালীতে বেলুন ঢুকে শ্বাস বন্ধ হয়ে সাবিয়া (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সাবিয়ার বাবা কুয়েত প্রবাসী। বাড়ি ঢালারপাড়, ফুলতলা, দোহার।

শিশুর স্বজনরা জানায়, শুক্রবার বিকেলে একটি বেলুন নিয়ে খেলছিল শিশু সাবিয়া। এসময় হঠাৎ বেলুটি তার গলায় ঢুকে যায়। বাড়ির লোকজন টের পেয়ে অনেক চেষ্টা করেও বেলুনটি গলার ভেতর থেকে বের করতে না পেরে সাবিয়াকে দোহার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেখানেও চেষ্টা করে শিশুটির গলার ভেতর থেকে বেলুনটি বের করা যায় নি। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে।

চিকিৎসকরা জানায়, বেলুনটি শ্বাসনালীতে ঢুকে পড়ায় দম বন্ধ হয়ে হাসপাতালে আনার পথেই শিশুটি মারা যায়।

২০১৪ সাল: দোহারে ১২ মাসে ৬ খুন

ঢাকার দোহার উপজেলায় গত এক বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ হত্যা, আত্মহত্যা ডাকাতি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। যৌতুকের কারনে হত্যা, পারিবারিক বিরোধের জেরধরে হত্যা, নির্যাতনসহ বিভিন্ন ভাবে ২০১৪ সালের এক বছরে ২৯ ডাকাতি, ৭ আত্মহত্যা ও ৬ জন খুনের শিকার হয়েছে। হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন শিশু যুবতী বৃদ্ধাও। প্রতিহিংসা, লালসা শিকার হয়েছে অনেক নারী ও শিশু। এর মাঝে নির্বাচনী সহিংসতায় ৩ জনের হত্যাকান্ডের ঘটনা পাঠকদের আগেই জানানো হয়েছে।

২০১৪ সালের ১২ মাসে ৬ জন নারী পুরুষ খুন ২৯ বসতবাড়ীতে ডাকাতি ৭ শিশুসহ গুহবধু আত্মহত্যা করেছে।

গত ১৮ মার্চ বৃহস্পতিবার রাতে দোহার উপজেলায় মো.মহন (২৫) নামে এক চালককে কুপিয়ে হত্যা করে অটোরিক্সাটি ছিনতাই করেছে দূর্বৃত্তরা। উপজেলা আড়িয়ল বিলের জালালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত চালক উপজেলা কাজিরচর গ্রামের ইয়ানুছ মোল্লার ছেলে।

গত ১ এপ্রিল গভীর রাতে জয়পাড়া পরিবহনের শ্রমিক মো. আসাাদ (২৫) কে হত্যার ঘটনায় এ হত্যার সঙ্গে জড়িত দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

এছাড়া দোহার উপজেলায় নুরজাহান (২০) নামের এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে দোহার থানায় অভিযোগ করেছেন নিহতের পিতা শেখ আবুল হোসেন। এঘটানায় স্বামী শফিকুল ইসলাম (২৫) ও তার নানী শুকুরী বেগম (৫০) কে আটক করে পুলিশ। রাত ১০ টার দিকে উপজেলার দোহার ঘাটার চান্দের বাজার গ্রামে বসত বাড়ির উঠান থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন পুলিশ।

ফিরে দেখা ২০১৪: বছর শুরু হয় রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড দিয়ে

ঢাকা দোহার উপজেলার বিলাশপুরের হাজারবিঘা গ্রামে ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ১ বছর পূর্ণ হয়েছে। গত বছর ৬ জানুয়ারি এই দিন সকালে পরাজিত প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খানের নৌকা সমর্থকরা বিজয়ী প্রার্থী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। এতে ৩ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়। আহতদের অনেকেই এখনো সুস্থ জীবনে ফিরতে পারেনি।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানায়, গত বছরের ৬ জানুয়ারি সকালে মান্নান খাানের সমর্থক বিলাশপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হুকুম আলী চোকদার ও তার লোকজন নিবার্চনে পরাজয়ের গ্লানি সইতে না পেরে হাজারবিঘা গ্রামে অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বিলাশপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লার অনুসারি জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের সমর্থক মোকসেদ ওরফে মোছা খন্দকার তার ছেলে মাসুদ খন্দকার ও দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি মকবুল হোসেন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে আজও মৃত্যুর প্রহর গুনছে অনেকে।

গত ৫ জানুয়ারি সোমবার বিকালে সরেজমিনে দোহারের হাজারবিঘা গিয়ে দেখা যায়, মৃত্যু বার্ষিকীর মাত্র একদিন আগে তাদের কারো মুখে কথা নেই। স্বজন হারানোর বেদনায় কাতর অনেককেই অশ্রুসিক্ত নয়নে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। তাদের দাবি স্বামী সন্তান হারালেও তাদের ন্যায় বিচারটুকু এখন শেষ ভরসা।

এদিকে, মামলাটি ডিবি’র তদন্ত শেষে গত বছরের ৯ মার্চ আদালতে চুড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এবি সিদ্দিক। তবে মামলার বাদী মোছা খন্দকারের বড় ছেলে মোতালেব খন্দকার ঘটনাটি জানতে পারেন ২০ মার্চ। মামলার অভিযোগপত্র দায়েরের সময় বাদ দেয়া হয় সাবেক প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খানের ছোট ভাই ও দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোতালেব খান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আলমাছ উদ্দিনসহ ৬ জনকে। মামলাটি এখন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

তবে স্বজনহারা পরিবার ও বাদীর আশংকা তারা ন্যায় বিচার পাবেন কি না।মামলার বাদী মোতালেব খন্দকার বলেন, তিনি তার বাবা ও ভাইয়ের হত্যাকারীদের শাস্তি চান। তবে প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে তার পরিবার ন্যায় বিচার পাবেন কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

নিহত মকবুল হোসেনের স্ত্রী শারমিন আক্তার বলেন, ২টি শিশু সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। সাংসদ সালমা ইসলাম তাদেরকে যে টাকা দিয়েছিলেন তা দিয়েই কিছুদিন চলেছেন। এরপর থেকে নাবালক দুই সন্তান নিয়ে কষ্টেই দিন কাটছে তাঁর পরিবারের।

হামলায় গুরুতর আহত শাহ আলম খন্দকার এখনো পঙ্গু জীবন কাটছে। তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে বলেন, আল্লাহ যদি আমাদের সহায় হয়। ‘জুলুমকারিদের বিচার যেন আল্লাহ করেন’।

জনগণ হত্যা করে কোন গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে

0

প্রান্ত ঘোষ♦ রাজনৈতিক হিংসা আমাদের দেশে বর্তমানে নতুন কোন খবর নয় কিন্তু এর নৃশংসতা এখন খবর। ২০১৩-এর শেষের দিকে এবং ২০১৪-এর শুরুতে দেখা যায় জনগণের জীবনকে পুঁজি করে ক্ষমতা আরোহনের চেষ্টা। কিছু রাজনৈতিক দল আন্দোলনের নামে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করছে সাধারণ মানুষের উপর।

অপরদিকে সেই আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য গুলি চালানো হচ্ছে সাধারন মানুষের উপর।অর্থাৎ উভয় সংকট সাধারন মানুষের।এই রাজনৈতিক সংঘর্ষের কারনে কারো প্রান গেলে দেখা যায়,হয় সে সাধারন ব্যাক্তি,না হয় রাজনৈতিক দলের সাধারন কর্মী।

সামান্য কিছু প্রাপ্তির আশায় বা কখনো তার অজান্তেই প্রান নাশের স্বীকার হতে হয়। ২০১৪-এর শুরুর দিকে তাকালে দেখা যায়,কত খারাপ অবস্থা সহ্য করতে হয়েছে সাধারন মানুষকে।২০১৪ সালে প্রকট আকার ধারন করে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ।এই পেট্রোল বোমা কখনওই কোন বড় রাজনৈতিক দলের নেতার গাড়িতে নিক্ষিপ্ত হয়নি,নিক্ষিপ্ত হয়েছে গন পরিবহনে। কোন বড় রাজনৈতিক নেতাকে এই পেট্রোল বোমার আঘাতে ঝ্বলসাতে হয়নি,ঝ্বলসাতে হয়েছে সাধারন মানুষকে যারা দিন আনে দিন খায়। আগুনে পুড়ার পর বার্ন ইউনিটে অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করতে হয়েছে সাধারন মানুষের,কোন রাজনৈতিক ব্যাক্তি-বর্গের না।

গনতান্ত্রিক আন্দোলনের নামে যা জনসাধারনের স্বাধীনতা হরন করে তা কি-রূপে গনতান্ত্রিক আন্দোলন।যে দিবসে জনগণ ভোগান্তিতে পরে,জনগনের স্বাধীনতা থাকে না তা কি-রূপে গনতন্ত্র রক্ষা দিবস।বাংলার মানুষ এমন গনতন্ত্র,এমন রাজনীতি চায় না। ৭১-এ বাংলার মানুষ এমন বাংলাদেশ প্রত্যাশা করে নি। তারা চেয়েছিল একটি সহিংসতা মুক্ত বাংলাদেশ। যা আজও বাংলার মানুষের স্বপ্নই রয়ে গেছে।

(লেখকঃ শিক্ষার্থী দ্বাদশ শ্রেনী, পদ্মা কলেজ)

দোহার-নবাবগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি

“ঠান্ডা থাকতে বাড়া বাইনা সাইরো ও সোনার বউঝি। ঢেঁকি করলে কেরুত কুরুত আড় সলইতে পানি দিবি সোনার বউ-ঝি। পার দিলে আতলা পাতলা, নষ্ট হবে ঢেঁকির কাঁতলা পরে টের পাবি সোনার বউঝি। দুই জনে মিলে এমনি ঝুমুর দিবি জমির বলে তাহলে তুই কাড়া চাল পাবি।” ঢেঁকি নিয়ে এমন গান গ্রামগঞ্জে এখন শোনা যায় না। ঢাকার দোহার-নবাবগঞ্জে ঘরে ঘরে ধান চিড়া মসলা ভাঙানোর কাজে ব্যবহৃত কাঠের তৈরি ঢেঁকির একসময় ব্যাপক ব্যবহার ছিল। আর সেই চিরচেনা ঢেঁকি এখন দোহার-নবাবগঞ্জ থেকে বিলুপ্তির পথে। যা এই অঞ্চলের ঐতিহ্যের অন্যতম অংশ। আধুনিক যন্ত্রের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে গেছে বহুল ব্যবহৃত ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি।

খোঁজ নিলে হয়তো এখনো দোহার-নবাবগঞ্জ এর কোনো অজপাড়াগাঁয়ে এর দেখা মিলতে পারে। আমাদের দেশে এক সময় বারো মাসে তেরো পার্বণ (উৎসব) হতো। সে পার্বণে পিঠা পায়েস, সন্দেশ তৈরিতে ধুম পড়ে যেত সর্বত্র। আর তা বানাতে ব্যবহার হতো চালের গুঁড়া। চালের গুঁড়া তৈরির জন্য ঢেঁকি ছিল একমাত্র উপাদান। সে সময় ঢেঁকির ঢে কু র ঢে কু র ছন্দময় শব্দে চারপাশে অন্য এক রকম আমেজ বিরাজ করতো।

দোহার-নবাবগঞ্জের কোনো কোনো পরিবারে এখনো ঢেঁকি থাকলেও এর ব্যবহার নেই বললেই চলে। অনেক সময় গ্রামের বউ-ঝিরা সারারাত ধরে ধান ভানত এবং পরের দিন তা বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করত। এখন আর সেই দৃশ্য কল্পনা ছাড়া দেখা যায় না। তবে অনেক চাল ব্যবসায়ী বা বয়োজ্যেষ্ঠতা মনে করেন, ঢেঁকিতে ভাঙানো চালের কদর এখনো কমে নি। ঢেঁকিতে ভাঙা চালের রান্না করা ভাতের মজাই আলাদা। তাদের মতে, ধানকে ঢেঁকিতে দিয়ে ছাঁটলে ধানের ওপরের আবরণটি পড়ে যাওয়ায় পর পুষ্টিগুণ পুরোটাই থেকে যায়।

ফলে ঢেঁকিতে ছাঁটানো চালের দাম মেশিনে ভাঙানো চালের চেয়ে তুলনামূলকভাবে একটু বেশি হয়ে থাকে। ঢেঁকি তৈরিতে ব্যবহার হয় মূলত গাব গাছের কাঠ এছাড়া বেল গাছ অন্য শক্ত গাছ দিয়ে ঢেঁকি তৈরি হয়ে থাকে। প্রতিটি ঢেঁকি অন্তত ৫ থেকে ৬ বা ৭ ফুট লম্বা হয়ে থাকে।

একটি ৫ থেকে ৭ ফুট লম্বা মোটাকৃতির কাঠের মাথায় আরেকটি গোলাকৃতির এক হাত সমান কাঠ (সিয়া) থাকবে ও কাঁঠের মাথায় টিন বা স্টিলের গোলপাত লাগানো থাকে। ৫ বা ৭ ফুট লম্বা কাঠটি লম্বা করে। মাথার যেদিকে আরেকটি কাঠ লাগানো হয়েছে। সে দিকটি মাটির দিকে মুখ করে রাখতে হয়। ঐ লম্বা কাঠটির অপর মাথায় যে দিকে মুনাই (চুড়ানি) লাগানো হয়েছে তার বিপরীত দিকে। যে কাঠটি লম্বা কাঠটির উপরে রাখা হয় সে কাঠের দুই প্রান্তে আরো দুটি ছোট মোটা ডাল মাটিতে পুঁতে দিতে হয়। এমন রাখতে হয় যেন পা দিয়ে মুনাইর ওপর প্রান্তে চাপ দিলে সামনের অংশটি উপরে উঠে যায়। পুঁতে রাখা কাঠটি যা জিকা গাছের মোটা ডাল বা যে কোনো গাছের একটি মোটা অংশ পুঁতে হয়েছিল তার নাম কাতলা। জিকা গাছের ডাল বেশি ব্যবহৃত হতো মাটিতে এর প্রাণ ফিরে পাওয়ার কারণে।

এরপর কাঠটির উপর দিয়ে রাখা লম্বা কাঠটিকে ঘরের আড়ার সাথে অথবা মাটিতে পুঁতে একটি বাঁশ দিয়ে ঝুলিয়ে দিতে হয়। পরে ঘরের পালায় ঝুলানো বাঁশের লাঠি দুই হাত দিয়ে ধরে দুইজন এক সাথে বা একজন এক পা দিয়ে লম্বা কাঠের উপরের দাঁড়ালে ঢেঁকির সামনের অংশ মাটিতে পড়বে।

আর সামনের অংশ যেখানে মাটিতে পড়বে (যাকে মুনাই বলে) ঠিক তার নিচে গর্ত করে দিতে হয় (গর্তকৃত অংশকে নোট বলে)। কারণ ধান বা চালের গুঁড়ি ঐ গর্তে রেখে কাড়াতে হয়। এইভাবেই ঢেঁকি তৈরি হয়ে থাকে। ঢেঁকিতে ধান ভানার সময় গ্রামের বউ-ঝিরা বিভিন্ন ধরনের গান গেয়ে থাকে।

আধুনিকতায় গা ভাসিয়ে দিয়েছে ঘরের বউ-ঝিরা। এখন আরাম আয়েশে থাকতে বেশি পছন্দ করে তারা। ফলে আধুনিক যন্ত্রের যুগে আমাদের আগামী প্রজন্মেও হয়তো ঘরে থাকা কম্পিউটার দিয়ে সার্স করে দেখবে বাংলার হারিয়ে ঐতিহ্যবাহী কিছু নিদর্শন। যার মধ্যে ঢেঁকিও থাকবে। জাদুঘরে সন্তানদের নিয়ে একদিন হয়তো ঢেঁকি দেখানো হবে। সেদিন আর হয়তো বেশি দূরে নয়।

নবাবগঞ্জের বাহ্রায় মাদক ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

0

নবাবগঞ্জ উপজেলায় শাহ্ মোয়াজ্জেম নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার ইউএনও আলমগীর হোসেনের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এ কারাদণ্ড দেয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত শাহ্ মোয়াজ্জেম উপজেলার বাহ্র পশ্চিমচর গ্রামের মৃত শেখ মিনহাজ উদ্দিনের ছেলে। 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাহ্রা বাজার এলাকায় মাদক বিক্রির সময় নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক কায়সার আহ্মেদ শাহ্ মোয়াজ্জেমকে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে।

পরে শনিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে হাজির করা হলে আদালত তাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।