শোল্লায় ফসলি জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় জাল দলিলের মাধ্যমে ফসলি জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার শোল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার শোল্লা গ্রামের শোল্লা মৌজার আরএস ৩৮০ নং দাগের ২২৭৩২নং দলিল মূলে ১ একর ১৩ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে ভোগদখল করে আসছিলেন ওই গ্রামের মৃত মোহন মণ্ডলের ছেলে গোপীনাথ মণ্ডল গং। বৃহস্পতিবার সকালে একটি প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় স্থানীয় সুভাষ ভট্টাচার্য গং ওই জমির ফসলহানি করে জমির ওপর ঘর নির্মাণ করতে থাকে। জমিটি তারা ক্রয়সূত্রে মালিকানা দাবি করে আসছিল। দুপুরে গোপীনাথ মণ্ডল এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর নির্মাণ বন্ধ করে দেয়।

গোপীনাথ মণ্ডল অভিযোগ করেন, তার বাবা মোহন মণ্ডল ১৯৮০ সালে স্থানীয় নমেন্দ বালা দেবীর কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করেছিলেন। সেই সূত্রে ওই সম্পত্তি তারা ভোগদখলে আসছেন। সম্প্রতি ওই গ্রামের সুভাষ ভট্টাচার্য গং ১৩৭৯৫ নং দলিল মূলে জমি দাবি করে। কিন্তু ওই নম্বরের দলিল তল্লাশি করে তাতে তার পরিবারের নাম বা তার নামের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ওই দলিল দিয়ে ভূমি অফিস থেকে কিভাবে নামজারি করে নিয়েছেন বুঝতে পারছি না। এ বিষয়ে সুভাষ ভট্টাচার্য ওই সম্পত্তি তাদের দাবি করে বলেন, এটা তার কাকার সম্পত্তি। এতে তার পরিবারের হিস্যা রয়েছে। 

নবাবগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক মো. কামাল বলেন, বাদীর অভিযোগে ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। দুপক্ষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সংঘাতে না যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ায় এটি সমাধান করা হবে।

কেরানীগঞ্জ-নবাবগঞ্জ-দোহার রাস্তার বেহাল অবস্থা

0

ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলার অধিকাংশ রাস্তার অবস্থা বেহাল। কিন্তু এ দুরবস্থা দেখার কেউ নেই। জোড়াতালি দিয়ে কোনো রকমে এসব রাস্তা দিয়ে চলছে যানবাহন। তবে মেরামতের নামে ঠিকই পকেট ভারি হচ্ছে নেতাকর্মীদের। কাগজে-কলমে রাস্তা মেরামতের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

রাজনীতিবিদ কাম ঠিকাদার আর প্রকৌশলীদের সমঝোতায়ই চলছে এই এলাকার রাস্তা মেরামতের কাজ।রাজধানী ঢাকা থেকে বাবুবাজার হয়ে বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু পার হলেই ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলা। সোজা রাস্তা গেছে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের দিকে। আর ডান দিয়ে কেরানীগঞ্জ-নবাবগঞ্জ-দোহার যাওয়ার রাস্তা। কেরানীগঞ্জ-কদমতলী থেকে কেরানীগঞ্জের-তুলসীখালী সেতু পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার রাস্তা রয়েছে। এই রাস্তার দায়িত্বে রয়েছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগ ও মুন্সীগঞ্জ জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগ রয়েছে। দুই বিভাগের টানাটানিতে কেরানীগঞ্জের রাস্তার প্রাণ যায় যায় অবস্থা। ঢাকা বিভাগের আওতায় রয়েছে কেরানীগঞ্জের কদমতলী থেকে রোহিতপুর পর্যন্ত রাস্তা। আর রোহিতপুর থেকে নবাবগঞ্জ পর্যন্ত রাস্তার দায়িত্ব পড়েছে মুন্সীগঞ্জ জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের। কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকায় অবস্থিত কদমতলী চৌরাস্তা থেকে জনিটাওয়ার মোড়, ডাক পাড়া, আমিরাবাগ, কালীন্দি, নারিকেলবাগ, কোনাখোলা, রামেরকান্দা ও রোহিতপুর হয়ে নবাবগঞ্জ গেছে এই রাস্তা। কদমতলী থেকে রোহিতপুর পর্যন্ত বিটুমিনের সড়ক রয়েছে। আর রোহিতপুর থেকে নবাবগঞ্জ পর্যন্ত রয়েছে ডাবল বিটুমিন রাস্তা। কেরানীগঞ্জের রাস্তা যেনতেনভাবে তৈরি করার কারণে দ্রুত ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে। নিুমানের কাজের কারণেই কেরানীগঞ্জের রাস্তাগুলো এখন খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। যোগাযোগমন্ত্রী বার বার কেরানীগঞ্জ পরিদর্শন করলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে তড়িঘড়ি করে হাতের মুঠোয় করে কিছু বালু দিয়ে কাজের নমুনা দেখানো হয়।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন কোনো রকমের জোড়াতালি দিয়ে রাস্তা মেরামতের কারণে রাস্তাগুলো খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। তাই যানবাহন চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। শুকনা মৌসুমে রাস্তাগুলো কাঁচা রাস্তায় পরিণত হয়। আর বর্ষা মৌসুমে পরিণত হয় মিনি বুড়িগঙ্গায়। এই ভাঙা রাস্তা দিয়েই চলছে যানবাহন। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে ঢাকা থেকে দ্বিগুণ সময় লাগছে নবাবগঞ্জ-দোহার যেতে। কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ ও দোহারের জনগণ ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সব রাস্তা মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

মৈনটে চলছে মাটি কাটা, বর্ষায় মাহমুদপুর বিলীনের আশংকা

0

ঢাকার দোহারের মাহমুদপুর ইউনিয়নের মৈনটঘাট এলাকায় পদ্মা নদীর চর থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে বিক্রি করা হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন মুন্সী, ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর পদ্মার চর থেকে বালি উত্তোলন বন্ধে আবেদন করা হলেও কিছু হয়নি।

উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার নির্দেশে  ও  প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২ বার মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধ হলেও বর্তমানে তা চলছে অবাধে। পরবর্তীতে আর কোন প্রশাসনিক কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ এএসপি শামীমের পিতা এবং জজ কামালের ভাই এই অসাধু চক্রকে আশ্রয় দিচ্ছে। এদিকে এলাকার তরুণেরা এর প্রতিবাদ করায় প্রভাবশালী মহলের কারণে এরা বাড়ীতে থাকতে পারছে না। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বালি উত্তোলনের সুবিধার্থে মেশিন এবং ড্রেজার ব্যবহার করা হয়।

প্রতিদিন এখান থেকে প্রায় ১০০ ট্রাক বালি দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হয়। বালি স্তূপ করে রেখেও চড়া দামে বিক্রি হয়। ক্ষমতাসীন দলের লোকজনের ভয়ে কেউই এ কাজে বাধা দিতে সাহস পায় না। স্থানীয়রা জানান, মাহমুদপুর ইউনিয়নের চর হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুসুমহাটি ইউনিয়নের কার্তিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চরকুশাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুন্দরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুন্দরীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, জামালচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রায়পাড়া ইউনিয়নে লটাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আজাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা দিয়ে দিনভর বালিভর্তি ট্রাক চলাচলের কারণে স্থানীয় দোকানপাটসহ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। রাস্তার অবস্থা বেহাল হয়ে মানুষ ও যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেকে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অবাধে বালি পরিবহনের কারণে পুরো এলাকা হয়ে পড়েছে বালিময়।মৈনটঘাট এলাকার কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এভাবে বালি উত্তোলনের ফলে প্রতি বছর পদ্মা পাড়ের জমি ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দোহারের মানচিত্রে নয়াবাড়ী, মাহমুদপুর ও নারিশা ইউনিয়নের আয়তন পদ্মার ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে। এক বৃদ্ধ রিকশাচালক বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, আমাদের কথা কেউ শোনে না। আমরা ভাত খেতে পারি না, ভাতে বালি পাই। ঘুমাতে পারি না, সারা রাত ট্রাক চলে।’নদীর পাড় থেকে বালি উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এখানে তা উপেক্ষিত হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসন জেনেও না জানার ভান করছে বলে এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করে। স্থানীয় এক ইউপি সদস্য বলেন,  টাকা দিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করা হয়েছে। টাকার কাছে সবাই হেরে যায়। শামীম আহমেদ মোল্লা নামে স্থানীয় এক যুবক বলেন, এর সঙ্গে জড়িত কার্তিকপুর গ্রামের বাহের খান, আজাহার, লাল মিয়া, শেখ হোসেন, তোফাজ্জল শিকদার, চর পুরুলিয়ার আফজাল শিকদার, মাহমুদপুরের সুজন পেশকার, সোরহাবসহ একটি প্রভাবশালী মহল। প্রশাসনের লোকজন বালি উত্তোলন বন্ধের জন্য আসেন, তার পর টাকা নিয়ে চলে যান। তিনি বলেন, কয়েক মাস আগে ফিটনেসবিহীন ১০টি ট্রাকসহ পাঁচজনকে আটক করে প্রশাসন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে কোনো সাজা না দিয়ে পুলিশ ট্রাক ও আটকদের ছেড়ে দিলে বালি ব্যবসায়ীরা আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে।এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হক জানান, কেউ থানায় এসে অভিযোগ করলে বালি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুল কবির ভূঁইয়া জানান, বিষয়টি আমি দেখব।একই বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল হুদা বলেন, পদ্মার তীর থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন ও বিক্রি বন্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে, প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাহায্য নেয়া হবে। 

দুদকে হাজির হলেন না মান্নান খান

0

নিউজ৩৯ রাজনৈতিক প্রতিবেদকঃ সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খানদুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদকে) হাজির হননি । ৪ জানুয়ারির পর দুদকে হাজির হওয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়ে সময় চেয়েছেন তিনি। চলতিবছর ২১ আগস্ট মান্নান খানের বিরুদ্ধে ৭৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। এর দুমাস পর ২১ অক্টোবর সৈয়দা হাসিনা সুলতানার বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৪৫ লাখ ৫৩ হাজার ৬৪০ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করে। উক্ত জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন মামলায় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় মান্নান খানকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা ছিল। কিন্তু সময়মতো তলবি নোটিশ পড়তে পারেননি দাবি করে টেলিফোনে মৌখিকভাবে সময় প্রার্থনা করেন তিনি। ৪ জানুয়ারির আগে আর কোনো কার্যদিবস না থাকায় ৫ জানুয়ারি কিংবা তারও পরে দুদকে হাজির হবেন বলে জানান মান্নান। পৃথক মামলায় তলবি নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে ওইদিন মান্নান খানের স্ত্রী সৈয়দা হাসিনা সুলতানাকেও জিজ্ঞাসাবাদের কথা রয়েছে।২৯ ডিসেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক মো. নাসিরউদ্দিন স্বাক্ষরিত তলবি নোটিশ ওইদিনই দুদকের নিজস্ব বার্তাবাহকের মাধ্যমে মান্নান খানের এপার্টমেন্ট এ-৫, বাড়ি-৬, রোড নং-৯, ধানমণ্ডি, ঢাকার ঠিকানায় পৌঁছানো হয়। তিনি নোটিশ প্রাপ্তি স্বীকারও করেন। তবে ওইদিন নোটিশ হাতে পেলেও খুলে পড়ার সময় পাননি বলে জানান কমিশনকে। গতকাল সকালে মান্নান খান দুদকের একজন কমিশনারকে টেলিফোনে হাজির না হতে পারার ব্যর্থতার কথা জানান। নিজেকে দুদকের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দাবি করে পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন বলে প্রতিশ্র“তি দেন।দুই মামলায় পৃথকভাবে মান্নান দম্পতিকে তলব করা হলেও ৫ জানুয়ারি একসঙ্গেই দুজন দুদকে হাজির হতে পারেন।দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় অস্বাভাবিক সম্পদ বিবরণীর সূত্র ধরে ২২ জানুয়ারি মান্নান খান দম্পতির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। নির্বাচনে পরাজিত মান্নান খান হলফনামায় ১১ কোটি ৩ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। অথচ নবম সংসদের হলফনামায় তার সম্পদের পরিমাণ ছিল মাত্র ১০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে পাঁচ বছরে তার সম্পদ বাড়ে ১০৭ গুণ। 

শুরু হয়েছে ডিএনএসএমের কম্বল বিতরণ

0

২০১৪ সালের বছরের শেষ দিনে সবাই যখন নতুন বছরকে বরন করে নিতে খিচুরি আর সাউন্ড সিস্টেমের উদ্যম তালে তালে নতুন বছরকে বরন করে নেয়ার চেষ্টায়, ঠিক তখনই কম্বল হাতে নিয়ে জয়পাড়ার রাস্তায় বের হয়ে আসে ডিএনএসএমের এক দল উদ্যমী তরুন। 

দেশ বিদেশের ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর কাল রাতে শুরু হয় এই কম্বল বিতরন। দোহার পৌরসভা ও জয়পাড়া বাজারের ছিন্নমূলদের মাঝে এই কম্বল বিতরন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিউজ৩৯ এর সম্পাদক ও ডিএনএসএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তারেক রাজীব, নিউজ৩৯ এর এক্সিকিউটিভ এডিটর ও ডিএনএসএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এডভোকেট আব্দুল্লা আবু সাইদ কাঞ্চন, নিউজ৩৯ এর সিনিয়র রিপোর্টার ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আছিফুর রহমান, ডিএনএসএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহরিয়ার হোসাইন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অভিষেক পাল অন্তু, আমিনুল ইসলাম মানিক, হাবিব খান, ফয়েজ ইমরান, সোহেল হোসেইন।

এসময় ছিন্নমূলদের মাঝে ৪৫ টি কম্বল বিতরন করা হয়। 

নবাবগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সুমন নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৫ পিস ইয়াবাসহ নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে আটক করে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শহিদ উল্লাহর ভ্রাম্যমাণ আদালত এ কারাদণ্ড প্রদান করেন। সুমন দক্ষিণ চৌকিঘাটা গ্রামের অধিবাসী।

নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. তারেক জানান, সন্ধ্যায় উপজেলার বক্সনগর ইউনিয়নের দীঘিরপাড় খালপাড় মসজিদ মোড়ে ইয়াবা বিক্রি করার সময় ৫টি ইয়াবাসহ সুমনকে আটক করা হয়।

পরে রাত ৮টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শহিদ উল্লাহর আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে ১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

দোহারে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন থামছে না

0

দোহারের মাহমুদপুর ইউনিয়নের মৈনটঘাট এলাকায় পদ্মা নদীর চর থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে বিক্রি করা হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন মুন্সী, ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর পদ্মার চর থেকে বালি উত্তোলন বন্ধে আবেদন করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বালি উত্তোলনের সুবিধার্থে মেশিন এবং ড্রেজার ব্যবহার করা হয়। প্রতিদিন এখান থেকে প্রায় ১০০ ট্রাক বালি দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হয়। বালি স্তূপ করে রেখেও চড়া দামে বিক্রি হয়। ক্ষমতাসীন দলের লোকজনের ভয়ে কেউই এ কাজে বাধা দিতে সাহস পায় না। 

স্থানীয়রা জানান, মাহমুদপুর ইউনিয়নের চর হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুসুমহাটি ইউনিয়নের কার্তিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চরকুশাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুন্দরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুন্দরীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, জামালচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রায়পাড়া ইউনিয়নে লটাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আজাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা দিয়ে দিনভর বালিভর্তি ট্রাক চলাচলের কারণে স্থানীয় দোকানপাটসহ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। রাস্তার অবস্থা বেহাল হয়ে মানুষ ও যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেকে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অবাধে বালি পরিবহনের কারণে পুরো এলাকা হয়ে পড়েছে বালিময়।

মৈনটঘাট এলাকার কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এভাবে বালি উত্তোলনের ফলে প্রতি বছর পদ্মা পাড়ের জমি ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দোহারের মানচিত্রে নয়াবাড়ী, মাহমুদপুর ও নারিশা ইউনিয়নের আয়তন পদ্মার ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে।

এক বৃদ্ধ রিকশাচালক বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, আমাদের কথা কেউ শোনে না। আমরা ভাত খেতে পারি না, ভাতে বালি পাই। ঘুমাতে পারি না, সারা রাত ট্রাক চলে।’নদীর পাড় থেকে বালি উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এখানে তা উপেক্ষিত হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসন জেনেও না জানার ভান করছে বলে এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করে। স্থানীয় এক ইউপি সদস্য বলেন,  টাকা দিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করা হয়েছে। টাকার কাছে সবাই হেরে যায়।

শামীম আহমেদ মোল্লা নামে স্থানীয় এক যুবক বলেন, এর সঙ্গে জড়িত কার্তিকপুর গ্রামের বাহের খান, আজাহার, লাল মিয়া, শেখ হোসেন, তোফাজ্জল শিকদার, চর পুরুলিয়ার আফজাল শিকদার, মাহমুদপুরের সুজন পেশকার, সোরহাবসহ একটি প্রভাবশালী মহল। প্রশাসনের লোকজন বালি উত্তোলন বন্ধের জন্য আসেন, তার পর টাকা নিয়ে চলে যান।

তিনি বলেন, কয়েক মাস আগে ফিটনেসবিহীন ১০টি ট্রাকসহ পাঁচজনকে আটক করে প্রশাসন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে কোনো সাজা না দিয়ে পুলিশ ট্রাক ও আটকদের ছেড়ে দিলে বালি ব্যবসায়ীরা আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হক জানান, কেউ থানায় এসে অভিযোগ করলে বালি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুল কবির ভূঁইয়া জানান, বিষয়টি আমি দেখব।

একই বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল হুদা বলেন, পদ্মার তীর থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন ও বিক্রি বন্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে, প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাহায্য নেয়া হবে।

খাল ভরাট করে ইট ভাটা: ইসলামপুরের দুই জনকে জরিমানা

0

দোহার উপজেলার ইসলামপুর খালপাড় গ্রামে খাসজমি দখল ও খাল ভরাট করে ইটভাটা নির্মাণ করা এবং ভাটায় কাঠ পোড়ানোর অভিযোগে ইসলামপুরের ইসমাইল ভুঁইয়া ও আবুল হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামীম আরা নিপা এ অর্থদ- দেওয়ার নির্দেশ দেন। 

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামে অবৈধভাবে সরকারি জমি দখল ও খাল ভরাট করে ইটভাটা নির্মাণ করেন স্থানীয় প্রভাবশালী ইসমাঈল ভূঁইয়া ও আবুল হোসেন। শুধু তাই নয়, কয়েক দিন ধরে ভাটায় কাঠও পোড়ানো হচ্ছিল। এলাকাবাসীর এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে।

এতে খাসজমি দখল ও খাল ভরাট করে ইটভাটা নির্মাণ করা এবং ভাটায় কাঠ ব্যবহার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ইটভাটা মালিকদের ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- দেন। সেই সঙ্গে মালিক আবুল হোসেনকে দুদিনের মধ্যে এর কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, খাল ভরাট করায় খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে দুর্ভোগে পড়ে ওই গ্রামের পাঁচ শতাধিক পরিবার। শুষ্ক মৌসূমে পানি দূষিত হয়ে গ্রামবাসী পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আসছিল।

দোহারে পিএসি-তে পাশের হার ৯৯% এর বেশি

তানজিম ইসলাম আহাদ, নিউজ৩৯.নেট ♦ গতকাল প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিএসসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে দোহারের সামগ্রিক সাফল্য প্রায় শতভাগ। ২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দোহারের স্কুলগুলোর পাশের হার ৯.৮১ ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.৫১%।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় সর্বমোট ছাত্র-ছাত্রী ছিল ৫,১৫৭, এর মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছে ৪,৯২২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৮২ জন, জিপিএ ৪ পেয়েছে ১৬০৫ জন, জিপিএ ৩.৫ পেয়েছে ১০৪৫ জন, জিপিএ ৩ পেয়েছে ৮৮৩ জন, জিপিএ ২ পেয়েছে ৮৯৮ জন ও জিপিএ ১ পেয়েছে ১০০ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৯ জন, অনুপস্থিত ছিল ২৩৫ জন। বালকদের পাশের হার ৯৯.৭৮% ও বালিকাদের পাশের হার ৯৯.৮১%।

দোহারে ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় সর্বমোট ছাত্র-ছাত্রী ছিল ২১৩ জন, এর মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছে ১৯৪ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৯ জন, জিপিএ ৪ পেয়েছে ৮১ জন, জিপিএ ৩.৫ পেয়েছে ২৬ জন, জিপিএ ৩ পেয়েছে ২৬ জন, জিপিএ ২ পেয়েছে ৪৫ জন ও জিপিএ ১ পেয়েছে ৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ২ জন, অনুপস্থিত ছিল ১৯ জন। বালকদের পাশের হার ৯৯.০৫% ও বালিকাদের পাশের হার শতভাগ।

দোহার-নবাবগঞ্জে থার্টি ফার্স্ট নাইট, অবাধে ঢুকছে নেশার সামগ্রী

0

থার্টি ফার্স্ট নাইট বা পহেলা বৈশাখ আধুনিকতার সাথে সাথে দোহার-নবাবগঞ্জে একটি নতুন ধারা চালু করেছে। সে ধারায় খিচুড়ী পার্টির সাথে নতুন ধারায় যুক্ত হয়েছে সীসা পার্টি, ইয়াবা ও লাল পানি। আর এ ব্যাপারে তাদের সহায়তা করছে বিদেশে থাকা বড় ভাই / দুলা ভাইয়ের এনে দেয়া বোতল বা টাকা। মেয়েরা পারিবারিকভাবে সীসা বিশেষতঃ বিদেশ থেকে আনা ফ্রুটস সীসা সেবন করে থাকে। আর এই প্রোগ্রামগুলোতে পরিবারও টাকা দিয়ে থাকে এই ভেবে যে; এই বয়সের ছেলেরা এই-আধটু আনন্দ উৎসব করেই থাকে, ব্যাপার না।  

নতুন বছরকে স্বাগতম জানানোর রীতি বাংলাদেশে পুরাতন নয়। পুরনোকে পিছনে ফেলে নতুনকে উৎসব মুখোরভাবে বরন করে নেয়া বাঙ্গালীদের কাছে নতুন নয়। আবহমান কাল থেকে উৎসব প্রিয় জাতি হিসাবে আনন্দ আর উৎসবের ভিতরে নতুন বছরকে বরন করে নেয়ার যে সুস্থ্য সংস্কৃতি আমাদের ছিল সময়ের সাথে সাথে তার জায়গায় স্থান করে নিয়েছে অসুস্থ্য সংস্কৃতি। তার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের সমাজে স্থান নিয়েছে নেশার মতো ভয়ংকর ব্যধি। সেই সুত্রধরে আজ নতুন বছরকে বরন করে নেয়ার উৎসবের জন্য দোহারে আজ অবাধে ঢুকছে বিদেশী মদ।

উৎসবে মদ্যপানের যে রেওয়াজ দোহারে শুরু হয়েছে তার অন্যতম একটা ভাল সময় থার্টি ফার্স্ট নাইট। ইংরেজি নতুন বছরকে বরন করে নেয়ার যে বিজাতীয় সংস্কৃতি আমাদের সমাজে প্রবেশ করেছে তা আমাদের উপকারতো দুরের কথা সামান্যতম দেশীয় মূল্যবোধকেও সমূলে বিনাশ করে দিচ্ছে। উন্মুত্ত সাউন্ড সিস্টেমের সুরের তালে তালে এই মদ্যপানকে বর্তমানে ফ্যাশনে পরিনত করেছে এই বিশেষ শ্রেনীর যুব সমাজ। ফলে মদ্যপানকেও স্বাভাবিক করে ফেলেছে এরা।

নতুন বছরকে সামনে রেখে থার্টি ফার্স্ট নাইটকে আরো আনন্দময় করে তুলতে ইতি মধ্যে সাজ সাজ রব পরে গেছে এই বিশেষ সম্প্রদায়ে। এই উৎসবকে আরো রঙ্গিন করতে এই সমাজের একটা অংশ ইতিমধ্যে রওনা দিয়েছে ঢাকায়। উদ্দেশ্য বিশেষ লাল পানির ব্যবস্থা। আরেক গ্রুপ যারা অর্থনৈতিক ভাবে একটু দুর্বল তারা রওনা দিয়েছে নবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত মদ পল্লীতে। সেখান থেকে বাংলা মদ এনে তাদের নব বর্ষ বরনকে রঙ্গীন করে তোলায় তাদের উদ্দেশ্য। 

তাছাড়া স্থানীয় ভাবে আজ রাতের জন্য সংগ্রহ করা হচ্ছে গাঁজা, ইয়াবা, হিরোইন। উল্লেখ্য মঙ্গলবারই দোহারে হিরোইন সহ ধরা পড়েছে ৩ যুবক। ধারনা করা হচ্ছে থার্টি ফার্স্ট নাইটের উৎসবকে আরো রঙ্গীন করার জন্য আনা হয়েছিল এই হিরোইন। এরকম আরো কত হিরোইন আজ নেশার জন্য ব্যবহার করা হবে তা এখনো জানা নেই আমাদের। শুধু হিরোইন না নতুন ক্রেজ ইয়াবার পিছনেও ছুটছে নেশা গ্রস্থ এই সব তরুনেরা।  

দোহার নবাবগঞ্জে আজকের এই নেশা দ্রব্য প্রবেশে দোহার নবাবগঞ্জ পুলিশ কি ভূমিকা পালন করছে তার জন্য নিউজ৩৯ কথা বলে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুর রহমানের সাথে। তিনি জানান, আজকের এই নেশাদ্রব যাতে নবাবগঞ্জে প্রবেশ করতে না পারে তার সার্বিক ব্যবস্থা নিয়েছেন। কিন্তু বিশাল এরিয়া ও নবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল নিয়ে আজকের এই দিনে পরিস্থিতি তিনি কতটা সামাল দিতে পারেন তা নিয়ে তিনি সন্দিহান।

এদিকে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হক নিউজ৩৯ কে বলেন, নেশা দ্রব্যের প্রবেশ রোধে থানা প্রশাসন ব্যাপক ব্যবস্থা নিয়েছে। তারপরও যে কোন ধরনের সমস্যা মোকাবেলায় থানা প্রশাসন সব সময় প্রস্তুত থাকবে।