শ্রীনগরে আরাম বাস দুর্ঘটনা: ৩ শিশু আহত

0

এম,এ,সবুজ♦ শনিবার সকালে আরাম পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় তিন শিশু আহত হয়। শ্রীনগর উপজেলার জাহানাবাদ গ্রামে শনিবার সকাল ৭.৪৫ মিনিটে দোহার থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী আরাম পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-জ ১৪-০৭০০) কাদেরের দোকানের সামনে এলে স্কুলগামী ৩  শিশুকে ধাক্কা দেয়। এরা হল মীম(৬) , ফাতেমা (১১), শাহিন(১৫) । এদের মধ্যে ফাতেমা গুরুতর আহত হয়। সে মাথায় ও মুখে আঘাত পেয়েছে।

এলাকাবাসী বাসটিকে আটক করলেও বাস চালক ও হেলপারকে আটক করতে পারে নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সকাল শিশু তিনটি স্কুলে যাওয়ার জন্য রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকে। এ সময় আরাম বাস দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকা শিশুদের উপর দিয়ে চালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের ফুলতলা আব্দুর রাজ্জাক হাসপাতালে নিয়ে যায়। এসময় এলাকার বিক্ষুব্ধ জনগণ রাস্তা অবরোধ করে রাখে। পরে বাসপরিবহনের মালিকদের অনুরোধে বেলা ১.00 টার দিকে অবরোধ তুলে নেয়।

সকালে নিউজ ৩৯ এর রিপোর্টার তথ্য নিতে গেলে এলাকার জনগণ রিপোর্টারের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। পরে তাদের সাথে কথা বলার পর তারা ক্যামেরা ফেরত দেয়।

নবাবগঞ্জে ইসলামী ব্যাংক ভাংচুর

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় হরতাল বিরোধী মিছিল করেছে উপজেলা ও দোহার-নবাবঞ্জ কলেজ শাখার ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। বুধবার দুপুরে জামায়াতের ডাকা হরতাল প্রতিরোধে উপজেলা সদরে তারা এ মিছিল করে। এসময় বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা উপজেলা সদরের ইসলামী ব্যাংক ও ঢাকা মার্কেন্টাইল কো- অপারেটিভ ব্যাংকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাংচুর চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার দুপুরে সাড়ে ১২টায় হরতালের বিপক্ষে ছাত্রলীগ একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি নবাবগঞ্জ উপজেলার সদরের ইসলামী ব্যাংক নবাবগঞ্জ শাখায় ও ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের সামনে আসলে বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা কাঁচের জানালা লক্ষ করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মাকের্ন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ম্যানেজার আলমগীর চৌধুরী বলেন, মিছিল থেকে ইট পাটকেল ছুড়ে তার অফিসের ৬টি জানালা ভাংচুর করেছে।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি মাসুদ করিম বলেন, পরিস্থিতি শান্ত আছে। ব্যাংকের আশপাশে পুলিশ  মোতায়েন আছে।

ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার আব্দুর রহমান বলেন, কিছু গ্লাস ভাংচুর হয়েছে। পুলিশ আসায় বড় ধরনের কোন ক্ষতি হয় নি।

কাদের মোল্লার রায়ে দোহার আওয়ামী লীগের সমাবেশ ও আনন্দ মিছিল

0

বুধবার বিকালে কাদের মোল্লার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্দ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ ও আনন্দ মিছিলে রতন স্বাধীনতা ভাস্কর্যে আয়োজিত সমাবেশ গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুল মান্নান খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয় নাই, কাদের মোল্লার রায়ের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের শেষ অধ্যায় শুরু করেছে সরকার। কাদের মোল্লার রায় কাযর্কর করার মাধ্যমে সরকার দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের শেষটা শুরু করবে বলে ঘোষনা দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দন্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। এর রায়ের প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠে দেশের বামপন্থী দলগুলো। শাহবাগে ৫ ফেব্রুয়ারী থেকে আন্দোলন গড়ে তোলে বামপন্থী দল গুলো। এর কারনে আইন পরিবতর্ন করে সরকার। এবং উচ্চ আদালতে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার উচ্চ আদালত রায় পরিবর্তন করে ফাশিঁর আদেশ দেয় কাদের মোল্লার। এর রায়ের প্রতিবাদে সারাদেশে ৪৮ ঘন্টার হরতাল ডাকে জামায়াত ইসলামী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মান্নান খান বলেন, বতর্মান সরকারের আমলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকর করা হবে। জামায়াত শিবির স্বাধীনতা বিরোধী উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাষ করে না। তারা পাকিস্থান প্রেম এখনও ভুলতে পারে নি। তাই তারা হরতালের মাধ্যমে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে দেশে একটা অস্থিতীশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছে। তারা দেশের সম্পদ নষ্ট করছে। মানুষের জীবনমালের ক্ষতি করছে। তিনি সমাজের ভিতর লুকিয়ে থাকা জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। এবং সবাইকে নিয়ে সমাজের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা জামায়াত শিবির নেতাকর্মীদের খুজে বের করার আহ্বান জানান।
আগামী নির্বাচনের ব্যাপারে তিনি সম্পর্কে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই আগামী নির্বাচন সম্পন্ন হবে। খালেদা জিয়া ও তার দোসরদের কোন ষড়যন্ত্র নির্বাচনকে রুখতে পারবে না। বাংলার মুসলিম, হিন্দু, বোদ্ধ ও খ্রিস্টান সবাইকে নিয়েই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কেউ এই নির্বাচন রুখতে পারবে না।

কাদের মোল্লার ফাশিঁর আদেশ দেওয়ার উপলক্ষে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করে।

সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ফজলুর রহমান, নারিশা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ডাঃ আবুল কালাম, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সুরুজ আলম সুরুজ, যুবলীগ নেতা আবুল কালাম, ছাত্রলীগ নেতা রাজীব শরিফ, আওলাদ হোসেনসহ স্থানীয় আওয়া্য়ী লীগের নেতাকর্মী বৃন্দ। সমাবেশ শেষে মন্ত্রীর নেতৃত্বে মিছিল জয়পাড়া বাজার প্রদক্ষিন করে।

এন মল্লিক পরিবহনের বাস ভাংচুর: আহত ৩

0

আসিফ শেখ, নিউজ৩৯.নেট ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় দোহার নবাবগঞ্জ কলেজের ছাত্ররা এন মল্লিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় ২ যাত্রী ও ১ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা সদর মহাকবি কায়কোদ চত্বরের স্বাধীনতা ভাস্কর্যের সামনে হামলা চালিয়ে বাস ভাংচুর করা হয়। পরে ছাত্ররা ১ ঘন্টা ঢাকা-বান্দুরা উপ-মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানায়, দুপুরে ডিএন কলেজ ছাত্ররা কলেজ চত্বর থেকে এন মল্লিক গাড়ির সুপারভাইজার, চালক, হেলপারের বিরুদ্ধে একটি মিছিল নিয়ে উপজেলা সদর মহাকবি কায়কোদ চত্বরের স্বাধীনতা ভাস্কর্যের সামনে আসে। এসময় বান্দুরা থেকে ছেড়ে আসা এন মল্লিক পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস নবাবগঞ্জ পৌছলে ছাত্ররা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

আতংকিত যাত্রীরা বাস থেকে নেমে যেতে থাকলে কাঁচের টুকরোর আঘাতে ২ যাত্রী আহত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে ইটের আঘাতে মো. ইকবাল নামে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়। আহতদের নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়। তাবে তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের নাম জানা যায় নি।

এ ঘটনার পরিপেক্ষিতে বিকাল ৩টা থেকে এন মল্লিক পরিবহনের শ্রমিকরা সব বাস বন্ধ করে দিয়ে টিকরপুর এলাকায় জমাট করে ধর্মঘট ডাকে। এতে ঢাকা-বান্দুরা উপ-মহাসড়কের যাত্রীদের কিছুটা দূর্ভোগে পড়তে হয়।

এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মুশফিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। বাসটি উদ্ধার করে পুলিশ প্রহরায় রাখা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এন মল্লিক পরিরবহনের চেয়ারম্যান নার্গিস মল্লিক বলেন, যাত্রী সেবা উন্নত করার কারণে একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবত এন মল্লিক পরিবহন বন্ধ করার পায়তারা করছে। তারা ছাত্রদের ব্যবহার করে স্বার্থ হাসিল করতে চায়।

দোহার নবাবগঞ্জ কলেজের উপাধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। সমাধান করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উদ্যোগী হয়েছেন। সময় নির্ধারণ করে তিনি আমাদের ডাকবেন।

দোহারে বিএনপির ঝাড়ু মিছিল : আশফাকের কুশপুত্তলিকা দাহ

0

মামুন ইসলাম / সোহেল বাবু, নিউজ৩৯ ♦ ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা বিএনপি নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আবু আশফাকের শাস্তি দাবী করে বিক্ষোভ ও জুতা- ঝাড়ু মিছিল করেছে। এছাড়াও দোহার উপজেলার সামনে রতন স্বাধীনতা ভাস্কর্যে আবু আশফাকের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে উপজেলা বিএনপির আ. মান্নান সমর্থিত গ্রুপের ছাত্রদল যুবদল।

এ মিছিলে  উপস্থিত ছিল আ. মান্নান সমর্থিত প্রায় ৩৫/৪০ জন যুব ও ছাত্র নেতা-কর্মী। মিছিলটি জয়পাড়া কলেজ থেকে বের হয়ে জয়পাড়া পূর্ব বাজার প্রদক্ষিণ করে রতন সস্বাধীনতা ভাস্কর্যে শেষ হয়।
এ সময় বক্তারা আবু আশফাককে ষড়যন্ত্রকারী বলে উল্ল্যেখ করে তাকে বহিস্কারের দাবী জানান। 

রোববার  দুপুরে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক গ্রুপের কয়েক হাজার নেতা-কর্মী নবাবগঞ্জ বিএনপি’র নব গঠিত কমিটি বাতিলের দাবীতে মিছিল করে। এ সময় ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নান ও সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানের কুশপুত্তলিকা দাহ করে। এর প্রতিবাদে দোহার উপজেলা বিএনপির আ. মান্নান সমর্থিত গ্রুপের ছাত্রদল যুবদল আবু আশফাকের শাস্তি ও বহিস্কারাদেশ দাবী করে বিক্ষোভ ও জুতা- ঝাড়ু মিছিল করেছে।

এ ব্যাপারে আবু আশফাক রাজশাহীতে খালেদা জিয়ার সফর সঙ্গী থাকা অবস্থায় নিউজ৩৯-কে মোবাইলে বলেন, “আমি দোহার নবাবগঞ্জে বিএনপি’র  বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। প্রতি আন্দোলন ও সংগ্রামে কে রাজপথে থেকেছে জনগণ তা দেখেছে। যে কমিটির বৈধতা নেই সে কমিটির কোন এখতিয়ারও নেই নতুন কোন কমিটি গঠনের। আর ১০/১৫ জন অল্প বয়সী নতুন মুখ কি করলো আমার নিকট সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়। দল জানে আমি দলের জন্য কি করি।”

এ ব্যাপারে বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ নিউজ৩৯ কে বলেন, “দলের সাথে, দলের সিদ্ধান্তের সাথে যারা বিরোধীতা করে তারা কীভাবে দলকে ভালবাসতে পারে? আবু আশফাক যত বড়ই নেতা হোন তিনি সরাসরি দলের সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে শৃঙ্খলা ভংগ করেছেন। আর দোহার নবাবগঞ্জের অনেক নেতাই যারা নিজেকে বড় মনে করে দলের বাইরে গেছেন হয় তারা হারিয়ে গেছেন কালের স্রোতে নতুবা তারা আবার ক্ষমা চেয়ে ফিরে এসেছেন। আশা করছি, তার শুভ বুদ্ধির উদোয় হবে।”

এ বিষয়ে ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

নবাবগঞ্জে বিএনপির ঝাড়ু মিছিল : মান্নান ও আমানের কুশপুত্তলিকা দাহ

0

রুদ্র গোমেজ ও মো. তাইয়িমা,নিউজ৩৯ ♦ ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটি বাতিলের দাবিতে ও কমিটি গঠন অগণতান্ত্রিক দাবি করে বিক্ষোভ ও ঝাড়ু মিছিল এবং আ. মান্নান ও আমানের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে উপজেলা বিএনপির আশফাক সমর্থিত গ্রুপ। 

রোববার  দুপুরে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক গ্রুপের কয়েক হাজার নেতা-কর্মী এ মিছিল করে। মিছিলটি উপজেলা সদর বিএনপির কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাগমারা উচ্চবিদ্যালয় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে কার্যালয়ে ফিরে এসে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরের সামনে শেষ হয়। সেখানে বিক্ষুব্ধ নেতা কর্মীরা দলীয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নান ও সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানের কুশপুত্তলিকা দাহ করে। পরে তারা কার্যালয়ে প্রতিবাদ সভা করেন।

এসময় নেতাকর্মীরা তাদের বক্তব্যে নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি কমিটি গঠনের জন্য ঢাকা জেলা বিএনপির  কমিটির সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক বলে উল্লেখ করে কমিটি বাতিলের দাবি জানান। গত সপ্তাহে জানা যায়, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান ও সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান স্বাক্ষরিত  এক বিজ্ঞপ্তিতে আবেদ হোসেন কে সভাপতি ও হারুন-উর-রশিদকে সাধারণ সম্পাদক করে নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে একক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঢাকা জেলা বিএনপি’র সভাপতি আ. মান্নান অনেক ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতাকে বাদ দিয়ে এই কমিটি গঠন করেছেন। 

এ ব্যাপারে আবু আশফাক নিউজ৩৯ কে জানান, “যে কমিটির বৈধতা নেই সে কমিটির কোন এখতিয়ারও নেই নতুন কোন কমিটি গঠনের। আর দলকে বিভক্তির চেষ্টার এই প্রতিবাদে রোববার সকালে নবাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মি ও জনগণ এক প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।”

বিএনপি’র প্রবীণ নেতা ইফতেখার আল ফারুকী বলেন, অগণতান্ত্রিকভাবে কোনো কমিটি অনুমোদন দেওয়া হলে আমরা তা মেনে নেব না।

নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ আহম্মদ খান  বলেন, বর্তমান ঢাকা জেলা কমিটির সভাপতি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভারপ্রাপ্ত সভাপতির কমিটি অনুমোদন দেয়ার কোন বৈধতা  নেই এবং উপজেলা কমিটি উপজেলায় হতে হবে ধানমন্ডির বাসায় কেন কমিটি হবে।

ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আশফাক গ্রুপের উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ইফতেখার আল ফারুকী, সহসভাপতি আবদুল ওয়াহিদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আহমেদ খান, যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকার, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক পবন মাহমুদ, ছাত্রদল সভাপিত রাকিবুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল, কলেজ শাখার সভাপতি আব্দুল আওয়াল, সাধারণ সম্পাদক অমিত হাসান, মহিলা দলের সভাপতি বিলকিছ চৌধুরী প্রমুখ।

পদ্মায় ভাঙ্গন ও পানি বৃদ্ধি: দোহারের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

0

ইমরান ফয়েজ / মোঃ তাইমিয়াঃ
ধীরে ধীরে ছোট হয়ে আসছে দোহারের মানচিত্র। অনেকের আশংকা বাংলাদেশের মানচিত্র হতে একসময় মুছে যাবে দোহার উপজেলার নাম। শুধু আলোচনা-সমালোচনা আর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও ভোটের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ দোহারের ভাঙ্গন বা প্লাবন। প্রতি বছরই ছোট হয়ে আসছে দোহার আর বর্ষা চলে গেলেও দেখার কেউ থাকে না। সবচাইতে নির্মম, ভাঙ্গন আর প্লাবন দেখতে অনেকটা পর্যটন কেন্দ্রে মতো সবাই ভ্রমণে আসে। আর এতে সমস্যাই পড়ছে সেখানে রাস্তার পাশে অথবা পাড়ে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোর নারী-পুরুষ বা তরুণীদের কোন রকম অসহায়ভাবে সম্ভ্রম নিয়ে বেচে আছে ।

গত কয়েকদিনের ধারাবাহিক পদ্মার পানি বৃদ্ধি ও ভাঙ্গনের কারণে দোহার উপজেলায় নদী তীরবর্তী চারটি ইউনিয়নের ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানিতেবন্দী এই পরিবারগুলো পরিজন ও গবাদি পশু নিয়ে অবর্ণণীয় বিপাকে পড়েছে।

গত কয়েকদিনে প্রায় বিশ হাজার পরিবার নদী ভাঙ্গনে উদ্বাস্তু হয়েছে। বর্তমানে তীব্র ভাঙ্গন শুরু হয়েছে দোহার উপজেলার মধুরচর, নয়াবাড়ী এবং নারিশা। ধীরে পদ্মা এগিয়ে আসছে জয়পাড়া থানার মৌড় ও মেঘলা বাজারের নিকটে। নারিশা, বাহ্রা বাজার, বাহ্রাঘাট, বাংলাবাজার ও মেঘুলা বাজার হুমকির মুখে রয়েছে।

নিউজ৩৯ টিম সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখেছে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের নারায়নপুর, মাহমুদপুর, মৈনট, শ্রীকৃষ্ণপুর, রামনাথপুর, হরিচন্ডী, চরবিলাশপুর এবং কুসুমহাটি ইউনিয়নের চর পুরুলিয়া ও দেওভোগ এলাকায় প্রায় সকল ঘর-বাড়ী ডুবে আছে ৪/৫ ফুট পানির তলে। এদিকে বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর, বিলাশপুর, হাজারবিঘা, আলীনগর, চর লটাখোলা, ছোট রামনাথপুর, কৃষ্ণদেবপুর, নারিশা জোয়ার ও সুতারপাড়া ইউনিয়নের মধুরচর, কাজীরচর এবং নয়াবাড়ী ইউনিয়নের পানকুন্ডু, অরঙ্গবাদ গ্রামসহ ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এ ব্যাপারে দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান নিউজ৩৯ কে জানান, ভাঙ্গন ও প্লাবন প্রবণ অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা প্রণয়ণসহ ত্রাণ কার্যক্রম চলছে। ভাঙ্গনের বিষয়টি কতৄপক্ষকে জানানো হয়েছে ; বর্ষা মৌসুম চলে গেলে শীঘ্রই তা রোধে দ্রুত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

বিলাশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লা নিউজ৩৯কে বলেন, বানের পানি ধেয়ে এসে দ্রুত নতুন নতুন এলাকা ডুবে ঘরবাড়ী তলিয়ে যাচ্ছে। অনেকে গবাদি পশু নিয়ে উঁচু রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে জনগণের দূর্ভোগের সীমা থাকবে না। এছাড়া চর বিলাশপুর ও হরিচন্ডী প্রাথমিক বিদ্যালয় ডুবে যাওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে, বলেও তিনি জানান।

জয়পাড়া মডেলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র আসলাম নিউজ৩৯কে জানায়, খানাখন্দ রাস্তায় পানিতে মাঝ মাঝে পড়ে গিয়ে সমস্যা হয়। প্রায় ২/৩ ফুট পানি পাড়িয়েই তাদের স্কুলে যেতে হয়। মাহমুদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন কাঁচা-পাকা রাস্তা ডুবে গিয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীদের দূর্ভোগ বেড়েছে।

একাধারে পদ্মার ভাঙ্গন ও নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে। এছাড়া ফসলী জমি ও মাঠ প্লাবিত হয়েছে। উজানের নেমে আসা পানিতে প্রতিদিনই ফসলী জমি, বাড়ীঘর ও রাস্তাঘাট ডুবছে।

দোহার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. হাবিবুল্লাহ মিঞা বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দের ব্যবস্থা করা হবে।

এন মল্লিকের আড়াই লক্ষ টাকা নিয়ে লাপাত্তা ক্যাশিয়ার

0

আসিফ শেখ, নিউজ৩৯.নেট ♦ ঢাকা-বান্দুরা রোডের এন মল্লিক পরিবহনের ক্যাশিয়ার আ. মালেক (২৮) ১১ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে টিকেট বিক্রির প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে। মালেকের বাড়ি বগুরা সদরে এবং শশুর বাড়ি ফরিদপুর ভাঙ্গা থানায়।

এন মল্লিক পরিবহনের এক স্টাফ জানায়, ক্যাশিয়ার মালেক প্রতিদিন বিকেলে প্রধান কাউন্টার বান্দুরাসহ রোডের সকল কাউন্টারের টিকেট বিক্রির টাকা সংগ্রহ করে ঢাকা হেড অফিসে জমা দিতেন। কিন্তু ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবারের টিকেট বিক্রির টাকা সংগ্রহ করে ঢাকা হেড অফিসে জমা দেয় নি।

বুধবার সকাল ৯টার দিকে ক্যাশিয়ার মালেক টিকেট বিক্রির প্রায় আড়াই লক্ষ টাকাসহ সপরিবারে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায়।

ক্যাশিয়ার মালেক সম্পর্কে আরো জানা যায়, সে মাত্র সাড়ে তিনমাস আগে এন মল্লিক পরিবহনে ক্যাশিয়ার হিসেবে যোগ। প্রথমে সে এন মল্লিক পরিবহনে ইনচার্জ রুবেলের বাসায় ভাড়া থাকতো। গত ৩/৪ দিন আগে সে বান্দুরা হলিক্রশ হাই স্কুলের পিছনে এক বাড়ি ভাড়া নেয়।

ঘটনার দিন সকালে আগেই মালেকের স্ত্রীর ভাড়া করা সিএনজি করে টাকা নিয়ে ফরিদপুরে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অন্য একটি সূত্রে জানা যায়, তিন দিন আগে দোহার নবাবগঞ্জ কলেজের ছাত্রদের সঙ্গে এন মল্লিক পরিবহন বান্দুরা কাউন্টারে হামলা হয়েছে। তখন এন মল্লিক পরিবহনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় ক্যাশ থেকে প্রায় দুই লাখ টাকার মতো ছাত্ররা লুট করেছে। টাকা লুটপাটের ঘটনাটি সাজানো হতে পারে এবং ছাত্রদের ভয়ে বান্দুরা কাউন্টারের ক্যাশিয়ার আ. মালেক পালিয়ে যায়।

দোহারে নদী ভাঙনে বিস্তীর্ণ জনপদ বিলীন

0

ঢাকা দোহার উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীতে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। ঢাকার দোহারে পদ্মার ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নয়াবাড়ী, সুতারপাড়া, বিলাসপুর ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের ১০ হাজার পরিবার।

গত এক সপ্তাহে পাঁচ শতাধিক স্থাপনা পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। বসত ভিটা হারানো পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে মানবেতন জীবনযাপন করছে। অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে আরো এক হাজার স্থাপনা।

উপজেলা প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে চারটি ইউনিয়নের পাঁচ শতাধিক স্থাপনা পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। এর মধ্যে সুতারপাড়ার মধুরচরে ২০০টি, বিলাসপুরের আলীনগর, কুতুবপুর ও মাইটা গ্রামের ১৭৫টি, নয়াবাড়ীর অরঙ্গাবাদ, পানকুন্ডু, ধোয়াইর ও বাহ্রা গ্রামের ৪০টি ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর ও চর বিলাসপুরের শতাধিক ঘরবাড়ি।

এছাড়া পদ্মায় বিলীন হয়েছে ১১টি দোকান, তিনটি মসজিদ, দু’টি সেতু ও একটি বিদ্যালয়। ঝুঁকির মুখে রয়েছে নয়াবাড়ীর বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি ছোট বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভিটেমাটি, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারানো পরিবারগুলো রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় পলিথিন টানিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। অনেককে আবার আহাজারি করতে দেখা গেছে।

দোহারের মানচিত্র হতে হারিয়ে যাচ্ছে সুতারপাড়া ইউনিয়নের মধুরচর গ্রাম। মধুরচরের সোনামদ্দিন (৭০) অভিযোগ করেন, গত কয়েক দিনের অব্যাহত ভাঙ্গনে ভিটেমাটি সব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছি।

এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং সুতারপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কেউই কোন খোঁজ-খবর নেন না। বর্তমান সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী বেরীবাঁধ দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও কোন বাস্তবায়ন হয় নাই, এই বলে দুঃখ করেন তারা।

দোহার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ মিয়া জানান, ভাঙ্গন কবলিত প্রতি পরিবারকে ১৫ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। আরো সাহায্যের জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পাউবোর ঢাকা অঞ্চলের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল মান্নান বলেন, পদ্মার ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ছোট তহবিল দিয়ে হবে না। সরকার ও এডিবির উদ্যোগে প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। বরাদ্দ পাস হলেই কাজ করা সম্ভব। তবে সেটা কবে নাগাদ হবে, তিনি বলতে পারেননি।

 

স্বাধীন বাংলাদেশে এরশাদই সর্বশ্রেষ্ঠ সংস্কারক: সালমা ইসলাম

0

“দেশ স্বাধীন হওয়ার পরবর্তীকালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদই হচ্ছেন বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ সংস্কারক।”জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, যমুনা গ্রুপের পরিচালক, যুগান্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি একথা বলেছেন। আরও বলেন “তার নয় বছরের শাসনামলে দেশে যত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে তার সিকি ভাগও আগের বা পরের কোনো আমলে হয় নি। তিনি দেশের উন্নয়নের রূপকার। তার চিন্তা, চেতনা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে বাংলাদেশ অতি দ্রুত মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।”

সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে সালমা ইসলাম বলেন, “নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত সমঝোতায় আসুন। সেটা দেশ, গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য মঙ্গলজনক হবে। সমঝোতা না হলে বড় দুই দলকেই কঠিন মাশুল দিতে হবে।”

তিনি বলেন, “দোহার-নবাবগঞ্জের নতুন প্রজন্মকে সঠিক পথে এনে নাগরিক সেবা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই আমার স্বপ্ন। তাই নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করে আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।”

বুধবার বিকালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার পূর্ব বাহ্রা গ্রামে জাতীয় পার্টিতে যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে মো. মাইনুদ্দিন মেম্বারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি সালমা ইসলাম এমপি বলেন, মহাজোটে জাতীয় পার্টি সীমাহীন রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার। অন্যকারও ব্যর্থতার দায়ভার জাতীয় পার্টি কখনও বহন করবে না। জনগণ এবার ব্যালটের মাধ্যমে তাদের সমুচিত রায় দেবে। জনগণ দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে আগামী নির্বাচনে।

তিনি বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জে বারবার অনেকেই মন্ত্রী-এমপি হয়েছেন। কিন্তু এলাকার তেমন কোনো উন্নয়ন হয় নি। কেরানীগঞ্জে গ্যাস থাকা সত্ত্বেও এলাকার মানুষের ভাগ্যে গ্যাস সংযোগের সুবিধা জোটেনি। অতিষ্ঠ জনগণ গভীর সংকট থেকে মুক্তির আশায় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে আবারও ক্ষমতায় আনতে চায়।

সালমা ইসলাম আরও বলেন, “দোহার-নবাবগঞ্জের সন্তান, যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান, শিল্পপতি নুরুল ইসলাম একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে গিয়ে দেশের জন্য প্রাণ বাজি রেখে তিনি দেশ স্বাধীন করেছেন। কিন্তু স্বাধীনতার ৪২ বছরেও মানুষ সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতার ফসল ভোগ করতে পারেনি। তিনি এলাকার জনগণকে একত্রিত করে রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে এলাকার উন্নয়ন করতে চান। এতে আপনাদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পার্টির অগ্রগতি ঠেকাতে ষড়যন্ত্রকারীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গণতন্ত্রের প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন একদিন না একদিন ঘটবেই।” স্বাধীনতা রক্ষা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পার্টিকে আবারও ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।

যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- নবাবগঞ্জ উপজেলার সদস্য সচিব শরফুদ্দিন আহম্মেদ শরীফ, উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির, জুয়েল আহম্মেদ, মো. ওমর ফারুক মোল্লা, মো. কফিল উদ্দিন দেওয়ান, আবদুল মান্নান মাস্টার, মো. শাহজাহান, মো. জাহাঙ্গীর চোকদার, শেখ ফরিদ আহম্মেদ, একেএম আবদুল হালিম, দোহার জাতীয় পার্টির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. ওহাব তালুকদার, মো. বশির আহম্মেদ খান, কৃষক পার্টির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, এমএ মজিদ, যুব সংহতির সভাপতি শেখ আবুল হোসেন আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, বোরহান উদ্দিন, মহিলা পার্টির সভাপতি শেখ রেশমী আক্তার, মনোয়ারা মান্নান, মো. তাজুল ইসলাম, মো. মতিন মেম্বার, মো. মহসিন মিয়া, মো. জালাল উদ্দিন, মো. ফরিদ হোসেন, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. রতন মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম রুবেল, ছাত্র সমাজের সভাপতি এমএ সেলিম মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস হোসেন, লুনা আক্তার, পারভীন বেগম, তুষার আহম্মেদ, সিরাজুল ইসলাম টুরিস্ট, মো. সৈকত হোসেন, মো. শাহিনুজ্জামান, মাসুদুর রহমান মাসুদ, দেওয়ান খলিলুর রহমানসহ স্থানীয় জাতীয় পার্টি, যুব সংহিত, মহিলা পার্টির ছাত্রসমাজের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

যারা যোগদান করেন : মো. মিজানুর রহমান ও মো. লুৎফর রহমানের নেতৃত্বে বিভিন্ন দল থেকে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী জাতীয় পার্টি ও সহযোগী সংগঠনে যোগদান করেন। তারা হলেন- আলেয়া রহমান রত্না, রিনা আক্তার, মোসা. ফাতেমা আক্তার, ফারজানা আক্তার রিনা, মো. হুমায়ুন খান, মো. হৃদয় হোসেন, জেকে রাব্বি হোসেন, মো. বাপ্পী, মো. সাব্বির হোসেন, নয়ন, রঞ্জয়, রনি, ঋতু, অমিত, শুব্রত, বিশ্বজিৎ, মো. তাহের হোসেন, তুষার আহম্মেদ, মো. আরিফ হোসেন, মো. শাহিন মিয়া, সুমন, হাসান মিয়া, অনীল, প্রসেনজিৎ বিকাশসহ অন্যরা।