দোহারে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে এক যুবকের আত্মহত্যা

শরিফ হাসান, news39.net: দোহারে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এক যুবক। জানা যায়, দোহার উপজেলার দক্ষিণ ইউসুফপুর গ্রামে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে রোমান (১৯) নামের এক যুবক গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। নিহত রোমান দক্ষিণ ইউসুফপুর গ্রামের মুনসের আলী বেপারীর ছেলে।

জানা যায়, সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে Az Roman ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেয়। সেখানে লেখা ছিল, “হারিয়ে যাচ্ছি যদি ভুল করে থাকি, মাফ করে দিয়ো। প্রিয়জন বলতে কেউ নেই# সবকিছুর সমাধান আত্মহত্যা। থাকতে কেউই বোঝে না, হারিয়ে গেলে সবাই খোঁজে।”

প্রতিবেশীদের সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় একটি ওয়েল্ডিংয়ের দোকানে রোমান চাকরি করতো। গত এক সপ্তাহ আগে রোমান ইউসুফপুরে আসে। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় রোমানদের নিজস্ব বাড়ির নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের সিঁড়ির রডের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ স্বজনরা নামায়।

নিহত রোমানের মা জানায়, রাত ১০টার পরে রোমানকে ফোন দেওয়া হয়। ফোন না ধরলে পুনরায় ফোন দিতেই নির্মাণাধীন ভবন থেকে রিংটোনের আওয়াজ আসতেই কাছে গিয়ে দেখি, রোমান বিল্ডিংয়ের রডের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় ঝুলে আছে।

দোহার থানা পুলিশ মঙ্গলবার ঘটনাটি অবহিত হওয়ার পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ দোহার থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি(তদন্ত) কামরুজ্জামান জানান, লাশের সুরহতাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকায় মিটফোর্ট হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে মৃত্যুও প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

পৌরসভা এলাকায় প্রবেশ করলেই দিতে হবে দশ টাকা

ঢাকা জেলার দোহার পৌরসভায় পৌর টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে আওয়ামী মোটর চালক লীগের মানববন্ধন ও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে তারা ২৫ জানুয়ারি মঙ্গলবার চাঁদা আদায় এর জন্য
মানববন্ধন ও কর্মসূচি পালন করেন।

রবিবার সকাল ১০টায় লটাখোলা পালবাড়ি থেকে জয়পাড়া বাজারে মিছিল নিয়ে আসার সময় দোহার থানার পুলিশ মিছিলে বাঁধা দেয়। সে সময় আওয়ামী মোটর চালক লীগের লোকজন পুলিশের উপর ক্ষুব্ধ হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি দোহার উপজেলা লটাখোলা বাজারে আসলে এস আই ইব্রাহিম তাদেরকে থানায় আসতে বলেন এবং তাদেরকে আশ্বাস দেন তাঁদের বিষয়টি দেখবেন বলে।

সেসময় বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন বলেন, ‘দোহার পৌরসভা কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে চাঁদা তুলছে। তারা চাঁদা তুলতে গিয়ে আমাদের লোকজনের গায়ে হাত তুলছে। আমরা দিন আনি, দিন খাই। আমাদের পেটে লাথি দিচ্ছে তারা। সরকারের জন্য আমরা জীবনবাজি রেখে মিছিল-মিটিং করি। আর এখন আমাদের ওপরই চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। আর এই চাঁদার ভাগ প্রভাবশালী একজন রাজনৈতিক নেতা এবং বাজার কমিটির একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি পৌরসভার সঙ্গে যোগসাজশে তুলছেন।’ সব টাকা পৌর ফান্ডে জমা হচ্ছে না বলেও তাঁরা অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী মোটর চালক লীগ দোহার উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিপন শিকদার বলেন, ‘আমরা কামাই করে খাই। আমরা কেন তাদের টাকা দেব? প্রয়োজনে একটা বার্ষিক লাইসেন্স ফি নিক আমরা সেটা দিব। তাঁরা প্রতিদিন আমাদের কাছ থেকে প্রতি অটোরিকশা বাবদ ১০ টাকা করে নেয়। এভাবে তারা অন্যায়ভাবে টাকা আদায় করেন আমাদের কাছে থেকে। তারা আমাদের কাছ থেকে সময় নিয়েছিল কিন্তু তারা আমাদের না জানিয়ে আবার টাকা তুলতেছে। সে জন্য আমরা আজ এই বিক্ষোভ মিছিল করেছি পুনরায়।

শিপন শিকদার আরও বলেন, আমরা দোহার থানার পুলিশ তদন্ত এসএম কামরুজ্জামানের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাদেরকে জানিয়েছেন আপনাদের প্রতিদিন একটা অটোরিকশা থেকে ১০ টাকা করে নিবে এটা সরকারি আইন।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা উপজেলার লটাখোলা রোডে কোনো অটোরিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা ঢুকতে দেননি। যে অটোরিকশা চালকেরা যাত্রী নিয়ে এসেছিলেন, তাঁদের গাড়ি থেকে নামিয়ে ফিরিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। সে সময় জনসাধারণ ব্যাপক বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েন।

এবিষয়ে দোহার থানার পুলিশ তদন্ত কর্মকর্তা এসএম কামরুজ্জামান বলেন, তাদেরকে বলা হয়েছে পৌরসভার ভিতরে টুকলেই দশ টাকা করে টোল দিতে হবে গাড়ি প্রতি। আর এই বিষয় নিয়ে তারা গতমাসে লিখিত অভিযোগ করলে। তাদের গাড়ি প্রতি বিশ টাকার জায়গায় দশ টাকা করা হয়। এটি সরকারি আইন তাই তাদেরকে মানতে হবে।

দোহারে ইয়াবা ও হিরোইনসহ ৬ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঢাকার দোহার উপজেলার রাইপাড়া ইউনিয়নে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২০ পিস ইয়াবা ও ৫.৮৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার সহ ৬ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে নয়টার ও সাড়ে দশটায় পৃথক দুটি অভিযানে দোহার থানা ওসি তদন্ত এসএম কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে এসআই সাইফুল ইসলাম ও এএসআই নান্টু কৃষ্ণ মজুমদারের সহায়তায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে মাদকের সাথে জড়িত থাকায় ৬ জনকে আটক করে।

আটককৃতরা হলেন, রাইপাড়া এলাকার আছের উদ্দিনের ছেলে শাহিন দেওয়ান (৩৫), একই এলাকার বাবুল খানের ছেলে সিজান খান (২৫), হাবিবুর রহমানের ছেলে তাহমিন রহমান হৃতিক (২৫), সিদ্দিক বাউলের ছেলে রাসেল (২৫), মো. হালিমের ছেলে রিফাত (১৮) ও নবাবগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকার সিদ্দিক গাজীর ছেলে সোহাগ গাজী (২৫)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের ধারাবাহিক অভিযানে রাইপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন দোহার থানা পুলিশের একটি দল, এসময় মাদক সেবন ও পরিবহনকালে বিপুল পরিমানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৬ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। ২২০ পিস ইয়াবা,২৯৪ পুরিয়া হিরোইন যার ওজন ৫.৮৮ গ্রাম। হিরোইনের বাজার মূল্য প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার ১ শত টাকা।

দোহার থানা ওসি তদন্ত এসএম কামরুজ্জামান জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করা হবে এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অনলাইনে পণ্য বিক্রিতে লাগবে বিশেষ আইডি

0

ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে চালু হলো ইউনিক বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন (ইউবিআইডি) নম্বর। ই-কমার্স খাতের ব্যবসা করতে এখন থেকে ইউবিআইডি নম্বর বাধ্যতামূলক। রবিবার সকালে সচিবালয়ে ডিজিটাল কমার্স ব্যবসার সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা সভা হয়। এরপর দুপুর ১টায় অ্যাপের উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি, ই-কমার্সের টাকাগুলো ফেরত দেওয়ার। ইতিমধ্যে কিউকমের কিছু টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। বাকিটাও আমরা চেষ্টা করছি।’

ইউনিক বিজনেস আইডি উদ্বোধনকালে চালডাল লিমিটেড, আজকের ডিল, রকমারি.কমসহ ১১টি প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

জানা যায়, ই-কমার্স খাতের ব্যবসা করতে এখন ইউবিআইডি নম্বর বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ইউবিআইডি অ্যাপস নামে একটি অ্যাপস তৈরি করা হয়েছে। ফলে ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যারা ব্যবসা করবেন তাদেরও নিবন্ধনের আওতায় আসতে হবে। এছাড়া ইউবিআইডির পাশাপাশি নিবন্ধিত অনলাইন প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা নিষ্পত্তির জন্য চালু করা হচ্ছে সেন্ট্রাল লজিস্টিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিসিএমএস)। এছাড়া ‘বিনিময়’ নামে একটি ডিজিটাল আন্তঃলেনদেন প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজও চলছে।

ডিজিটাল কমার্স ব্যবসার সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান মাসুদ বিশ্বাস, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, ই–কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, পুলিশের সিআইডি, এসবি, ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ডাক অধিদপ্তরসহ মোট ১৬টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

নবাবগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার দোহার-নবাবগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের সকাল সাড়ে নয়টায় মাঝিরকান্দা চালনাই নামক স্থানে বালু বোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় ভ্যান চালক শাহ আলম( ৩৮) নিহত হয়েছে। তিনি দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর এলাকার চান্দা হাওলাদারের ছেলে। শুক্রবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে দোহার থেকে মালামাল নিয়ে নবাবগঞ্জে যাওয়ার সময় পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শাহ আলমের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে বলে জানান নিহতের স্বজনরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালু বোঝাই ট্রাক ঢাকা মেট্রো টি ২০-৩৯১৩ গাড়ীটি পিছন দিক থেকে ধাক্কা দিলে ভ্যানচালক শাহ আলম রাস্তায় পড়ে যান। ভ্যানচালকের উপর দিয়ে গাড়ি চালানোর সময় ঘটনা স্থলেই ভ্যানচালক দুর্ঘটনা স্থলেই মারা যায়। দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে সুরতহালের জন্য নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ঘাতক ট্রাক আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

অপরদিকে নবাবগঞ্জ বান্দুরা সড়কের তালতলা নামক স্থানে রাতে ট্রাক চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ড্রাইভার নয়ন ( ২৫) নামে একজন নিহত হয়েছে। নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক অজিত কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এবিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিরাজুল ইসলাম শেখ জানান, ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে। ট্রাকের চালক ও মালিককে আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। নিহতের পরিবার কোনো মামলা না করায় লাশ ময়না তদন্ত ছাড়া তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

দোহার-নবাবগঞ্জের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের সাথে সালমান এফ রহমানের মতবিনিময় সভা

৬ষ্ঠ ধাপে ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে গত ৩১ জানুয়ারি বিপুল ভোটে বিজয় হয়েছেন ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৯টি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয় হবার পর পুরো ইউনিয়ন জুড়ে চলে জনতার উল্লাস।  বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবন “পার্লামেন্ট মেম্বার ক্লাব” এসব নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হওয়া চেয়ারম্যানদের নিয়ে ঢাকা-১ আসনের সাংসদ এবং প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এর সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সে সময় তিনি বলেন, আমাদের ঢাকা-১ আসনের সাংসদ এবং প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান তিনি শুধু কথা বলেন না কাজ করে দেখান। সেটি আপনারা ইউপি নির্বাচনে দেখেছেন যার কারনে দোহার ও নবাবগঞ্জে ১৯টি ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছে। তিনি কথায় বিশ্বাসি নন কাজে বিশ্বাসী।

সালমান এফ রহমান বলেন, আমাদের আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী সংগঠনের লোক এক সাথে কাজ করার কারনে আমরা নৌকা প্রতিকের ইউপি চেয়ারম্যানদের বিজয় করতে পারেছি। যারা বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন আমি তাদেরকে বলেছি আপনরা আওয়ামী লীগেও করবেন আবার বিদ্রোহী হয়ে নির্বাচন করবে সেটা হয় না। আপনারা আওয়ামী লীগ থেকে রিজাইন দিয়ে তারপর নির্বাচন করুন। আমাদের নয়াবাড়ি ইউনিয়নের নৌকা প্রতিক চেয়েছিলেন আমাদের সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জুর গুহ ভাই কিন্তু তিনি পাননি। তার ভাই পরে আর নমিনেশন জমা দেননি। নির্মল রঞ্জুর গুহ ও তার ভাই নৌকার হয়ে কাজ করেছে আর এটাই হলো দলের জন্য ত্যাগ। যারা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তারা সবাই জনগণের হয়ে কাজ করবেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুল হক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিক গ্রুপ এর কর্ণধার মোঃ নূর আলী, সাবেক অর্থ সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক এর চেয়ারম্যান আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ (এম.পি), সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবুর রহমান, সাবেক আই.জি.আর খান মোঃ আব্দুল মান্নান, ফজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের মহাসচিব আব্দুর রউফ মোল্লাসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

দোহারে পাচঁটি ইউনিয়নেই নৌকা বিজয়ী

শরিফ হাসান ও মোঃ আল-আমিন, news39ঃ ঢাকার দোহার উপজেলায় প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোহারে অনুষ্ঠিত ৫টি ইউনিয়নের সব কয়টিতেই নৌকা বিজয়ী হয়েছে। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

তবে বিভিন্ন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সহকারী প্রিজাইডিং এবং প্রিজাইডিং অফিসারগন জানিয়েছেন, যাদের বয়স একটু বেশী হয়ে গিয়েছে, তাদের হাতের ফিংগার মিলতে সময় নেয়। আর যাদের হয়না আমরা তাদেরকে হেক্সিসল দিয়ে হাতের আঙ্গুল পরিষ্কার করে তারপর ভোট দেওয়া ব্যবস্থা করেছে।

তবে, কয়েকটি ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন বলে জানা গেছে। মুকসুদপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডায়মন্ড শিকদার এবং এম এ রহিম সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জন করেছেন। বিলাশপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হোসেন ভোট বর্জন করেছেন। বিলাশপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলাউদ্দিন মোল্লা বলেন, কেন্দ্র ঘুরলেই দেখবেন, কি অবস্থা। আমার আর বলতে হবে না। সবখানে আমার এজেন্ট বের করে দিয়েছে। নয়াবাড়িতে শামীম হান্নান ভোট বর্জন করে জানিয়েছেন আমার সব এজেন্ট বুথ থেকে বের করে দিয়েছে সে জন্য আমি দুপুর ১ টার পর ভোট বর্জন করেছি।

ইভিএম এর বিষয় দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার বলেন, জনগণ সুষ্ঠু ভাবে ভোট প্রদান করেছে। আমরা দেখেছি পুরুষদের থেকে মহিলারা বেশী ভোট প্রদান করতে এসেছে। ইভিএমে যে সিরিয়াল নিয়ে এসে ভোট দিতে হয় সেটি আমাদের আগে জানানো হয়নি। সে কারনে আমাদের ভোট কাস্ট কম হয়েছে।

বাংলাদেশ আওয়ামি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, সবাই সুন্দর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচন অবাধ এবং সুষ্ঠু হচ্ছে। আশা করি, জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিয়ে এবং সাংসদ সালমান এফ রহমানের উন্নয়ন কাজে শরিক হতে, সবাই নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করবেন।

নয়াবাড়ি ইউনিয়নে প্রথম বার ইভিএমে ভোট দিতে আসা আনোয়ারা বেগম বলেন,আমার ভালই লাগলো হাতের ছাপ দিয়ে ভোট দিতে পেরে। আমি আমার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে ভাল লাগছে।

নারিশা ইউনিয়নের মাসুদ রানা বলেন, প্রথমবার ইভিএম এ ভোট দিলাম। খুব ভালো লেগেছে। আশা করছি যাকে ভোট দিয়েছি, তিনিই বিজয়ী হবেন।

পাঁচটি ইউনিয়নের মধ্যে নয়াবাড়ি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১৩৯৭৫ জন। নয়াবাড়ি ইউনিয়নের নৌকা প্রতিক নিয়ে তৈয়বুর রহমান তরুণ ৫৩৪৪ ভোট পেয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম আহাম্মেদ হান্নান আনারস মার্কা নিয়ে ১৮৩৮ ভোট পেয়েছে। বেশি ভোট পাওয়া নৌকা প্রতিক নিয়ে তৈয়বুর রহমান তরুণ বিজয়ী হয়েছেন।

কুসুমহাটি ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ১৯৬৪৬ জন ভোটার। নৌকা প্রতিক নিয়ে কাদের মণ্ডল ৫২২৫ ভোট পেয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আমজাদ হোসেন আজাদ আনারস মার্কা নিয়ে ৩৭৩২ ভোট পেয়েছে । বেশি ভোট পাওয়া নৌকা প্রতিক নিয়ে আবদুল কাদের মণ্ডল বিজয়ী হয়েছেন।

বিলাশপুর ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ১১৫৩৬
নৌকা প্রতিক নিয়ে রাশেদ চোকদার ৫৩৩৩ ভোট পেয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আলাউদ্দিন মোল্লা আনারস মার্কা নিয়ে ৭৬৫ ভোট পেয়েছে ও মোঃ আবুল হোসেন মোটরসাইকেল প্রতিক ২৪৪ ভোট পেয়েছে। বেশি ভোট পাওয়া নৌকা প্রতিক নিয়ে রাশেদ চোকদার বিজয়ী হয়েছেন।

নারিশা ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ৩২০৩৬ জন।নৌকা প্রতিক নিয়ে আলমগীর হোসেন ১০৭৮৪ ভোট পেয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ ঘটু খালাসি আনারস মার্কা নিয়ে ৩০৮৬ ভোট পেয়েছে ও সালাউদ্দীন দারানী মোটরসাইকেল প্রতিক ৩১১০ ভোট পেয়েছে। বেশি ভোট পাওয়া নৌকা প্রতিক নিয়ে আলমগীর হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।

বিজয়ী হতে পেরে স্রষ্টার কাছে কৃতী প্রকাশ করেন আলমগীর হোসেন। একইসাথে, তিনি জনগনকে ধন্যবাদ জানান তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করায়। তিনি সাংসদ সালমান এফ রহমান এবং উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান নৌকা প্রতীকে তার উপর আস্থা রাখা জন্য। একইসাথে, সবাইকে সাথে নিয়ে একটি পরিকল্পিত, উন্নত, শিক্ষিত, আধুনিক নারিশা ইউনিয়ন গড়বেন বলে প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেন।

মুকসুদপুর ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ২২৫৬২ জন। নৌকা প্রতিক নিয়ে অধ্যাপক এমএ হান্নান ৯৪১৯ ভোট পেয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা মার্কা নিয়ে মোঃ হালিম বেপারী ৬৭১ ভোট পেয়েছে। এমএ রহিম আনারস মার্কা নিয়ে ১৯৫ ভোট পেয়েছে ও ডায়মন্ড শিকদার টেলিফোন প্রতিক ১২৫১ ভোট পেয়েছে। বেশি ভোট পাওয়া নৌকা প্রতিক নিয়ে অধ্যাপক এমএ হান্নান বিজয়ী হয়েছেন। এ নিয়ে অধ্যাপক আব্দুল হান্নান পরপর ২বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন।

কুসুমহাটি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের কাদের মন্ডল বিজয়ী

শরিফ হাসান ও মোঃ আল-আমিনঃ দোহারে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুসুমহাটি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আব্দুল কাদের মন্ডল চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫,২২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের আমজাদ হোসেন আজাদ পেয়েছেন ৩৭৩২ ভোট। অপর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চশমা প্রতীকের সম্রাট চিশতী পেয়েছেন ১০২৬ ভোট।

১নং ওয়ার্ড, উত্তর শিলাকোঠাঃ নৌকা – ৭৪৭, আনারস – ২৭০
২নং ওয়ার্ড, দক্ষিণ শিলাকোঠাঃ নৌকা – ৯৭৩, আনারস – ২৮৭
৩নং ওয়ার্ড, সুন্দরীপাড়াঃ নৌকা – ১০৭৭, আনারস – ১৭৫
৪নং ওয়ার্ড, কার্তিকপুরঃ নৌকা – ৬২২, আনারস – ৩১৮
৫নং ওয়ার্ড, বাস্তাঃ নৌকা – ৪১০, আনারস – ২০৬
৬নং ওয়ার্ড, বাবুরডাংগীঃ নৌকা – ৩২০, আনারস – ৪২৭
৭নং ওয়ার্ড, চর কুশাইঃ নৌকা – ৫৯৩, আনারস – ৫৭১
৮নং ওয়ার্ড, দক্ষিণ চরকুশাইঃ নৌকা – ১০৯, আনারস – ৬২৩
৯নং ওয়ার্ড, আওলিয়াবাদঃ নৌকা –৩১৮, আনারস – ৬০৯

নারিশা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আলমগীর হোসেন বিজয়ী

শরিফ হাসান ও মোঃ আল-আমিনঃ দোহারে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নারিশা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আলমগীর হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১০,৭৬৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের সালাহউদ্দিন দরানি পেয়েছেন ৩১১০ ভোট। অপর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের মোহাম্মদ আলী ঘটু পেয়েছেন ৩০৮৬ ভোট।

১নং ওয়ার্ড, ঝনকিঃ নৌকা – ৫৪০, মোটরসাইকেল – ১১৮৮, আনারস – ১০৩
২নং ওয়ার্ড, উত্তর শিমুলিয়াঃ নৌকা – ৪৪৯, মোটরসাইকেল – ১১০, আনারস – ১৩৬৩
৩নং ওয়ার্ড, মালিকান্দাঃ নৌকা – ৭২২, মোটরসাইকেল – ৮৫৯, আনারস – ৪২৯
৪নং ওয়ার্ড, মেঘুলাঃ নৌকা – ৯৭৬, মোটরসাইকেল – ৪০৮, আনারস – ৩৭১
৫নং ওয়ার্ড, দক্ষিণ শিমুলিয়াঃ নৌকা – ১৫৯৯, মোটরসাইকেল – ১৩, আনারস – ১৩৯
৬নং ওয়ার্ড, পশ্চিমচরঃ নৌকা – ৩০৩৮, মোটরসাইকেল – ১৮, আনারস – ৫২
৭নং ওয়ার্ড, নারিশাঃ নৌকা – ১০১০, মোটরসাইকেল – ৮৯, আনারস – ১৪৯
৮নং ওয়ার্ড, চৈতাবাতরঃ নৌকা – ১১৫৯, মোটরসাইকেল – ১৯১, আনারস – ২৪০
৯নং ওয়ার্ড, সাতভিটাঃ নৌকা – ১২৭১, মোটরসাইকেল – ১২৭, আনারস – ৭৮

বিজয়ী হতে পেরে স্রষ্টার কাছে কৃতী প্রকাশ করেন আলমগীর হোসেন। একইসাথে, তিনি জনগনকে ধন্যবাদ জানান তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করায়। তিনি সাংসদ সালমান এফ রহমান এবং উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান নৌকা প্রতীকে তার উপর আস্থা রাখায়। তিনি ধন্যবাদ জানান প্রেসিডিয়াম আব্দুল মান্নান খান এবং ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানকে। একইসাথে, তিনি তার সমর্থনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় মুক্তিযোদ্ধা তাবারক বেপারি সহ নুরুলহক বেপারিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা বিথীর প্রতি। তিনি বলেন, আমি এখন আপনাদের সবার আলমগীর, সাধারণের আলমগীর।

তিনি সবাইকে সাথে নিয়ে একটি পরিকল্পিত, উন্নত, শিক্ষিত, আধুনিক নারিশা ইউনিয়ন গড়বেন বলে প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেন। তিনি বলেন, আমার বড় ভাই সালাহউদ্দিন দরানি এবং ঘটু খালাসীসহ, স্থানীয় মুরুব্বী সকলকে নিয়ে কাজ করবো। এখানে জয় পরাজয় বা ভেদাভেদ কোন কথা নয়। আমি নারীশাবাসীর পাশে থেকে সেবা করতে চাই। আমার নিজদল বাংলাদেশ আওয়ামিলীগসহ অন্যান্য দলের যারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, সবাই কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

মুকসুদপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের অধ্যাপক আব্দুল হান্নান বিজয়ী

শরিফ হাসান ও মোঃ আল-আমিনঃ দোহারে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মুকসুদপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের অধ্যাপক আব্দুল হান্নান চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯,৪১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টেলিফোন প্রতীকের ডায়মন্ড শিকদার পেয়েছেন ১২৫১ ভোট। এইনিয়ে অধ্যাপক আব্দুল হান্নান পরপর ২ বার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলেন।

বিজয়ী হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক আব্দুল হান্নান news39.net কে জানান, বিজয়ী হতে পেরে স্রষ্টার কাছে কৃতী প্রকাশ করেন । একইসাথে, তিনি জনগনকে ধন্যবাদ জানান তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করায়। তিনি সাংসদ সালমান এফ রহমান এবং উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান নৌকা প্রতীকে তার উপর আস্থা রাখায়।

তিনি আরও বলেন, সবাইকে সাথে নিয়ে আরও পরিকল্পিত, উন্নত, শিক্ষিত, আধুনিক মুকসুদপুর ইউনিয়ন গড়বেন বলে প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেন।