বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রত্যাহারকারী আবার নাগরিকত্ব ফিরে পাবেন

নিউজ৩৯.নেট ♦ শপথবাক্য পাঠের মাধ্যমে কোন বাংলাদেশী বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করে ভিন দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে থাকলে তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ফিরে পাবেন। এ জন্য তাকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে। প্রস্তাবিত বাংলাদেশ নাগরিকত্ব আইন, ২০১১-তে এ বিধান করা হয়েছে।

খসড়া আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের কোন নাগরিক টানা ১০ বছর দেশের বাইরে থাকলে তিনি নাগরিকত্ব হারাবেন। কোন বাংলাদেশী বিদেশে নাগরিকত্ব পেলে নিজ দেশেও তার নাগরিকত্ব থাকবে। অর্থাৎ দ্বৈত নাগরিকত্ব বহাল থাকছে। ছিটমহলবাসীরা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাবেন।

ভারতের দখলে থাকা ১১১ ছিটমহল ভারত সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের চুক্তি হয়েছে। ছিটমহলগুলোর অধিবাসীদের বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়া হবে। ছিটমহলগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরিত হওয়ার পরই এ আইনের আওতায় তারা নাগরিকত্ব পাবেন। জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে খসড়া আইনটি বিল আকারে উত্থাপন ও পাস করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, কোন বাংলাদেশী একনাগাড়ে ১০ বছর বা তার অধিককাল বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিবন্ধন সূত্রে বা দেশীয়করণ সূত্রে অর্জিত তার নাগরিকত্বের অবসান ঘটবে। কোন সাবালক, সমর্থ নাগরিক হলফনামার দ্বারা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পরিত্যাগের ঘোষণা দিলে সরকার তা নিবন্ধন করবে। নিবন্ধনের পর তার নাগরিকত্বের পরিসমাপ্তি ঘটবে।

দুই বছর পর্যন্ত কোন পরিত্যক্ত শিশু বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে গণ্য হবে। নাগরিকত্বের ব্যাপারে কোন ব্যক্তি মিথ্যা তথ্য দিলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড ও সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেয়া যাবে।

খসড়া বাংলাদেশ নাগরিকত্ব আইনে বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী বিদেশী নাগরিকদের বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে। বাংলাদেশকে নিজের দেশ হিসেবে গ্রহণ করে নাগরিকত্ব লাভের জন্য নির্ধারিত ফরমে তাদের আবেদন করতে হবে। বাংলাদেশে নাগরিকত্ব প্রদান, নাগরিকত্ব বাতিলসহ প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘দ্য বাংলাদেশ সিটিজেনশিপ (টেম্পোরারি প্রভিশনস) অর্ডার, ১৯৭২ বলবৎ রয়েছে। এ সংক্রান্ত মূল আইন হচ্ছে ‘দ্য সিটিজেনশিপ অ্যাক্ট ১৯৫১। বহিরাগমন, নাগরিকত্ব অর্জন, সংরক্ষণ, পরিত্যাগ, অবসান ইত্যাদি বিষয়ের সমাধান দেয়া এই দু’টো আইনে সম্ভব হচ্ছে না। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দু’টো আইন একীভূত করে নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তি, যদি তার পিতা বা মাতা এই আইনের শুরুতে বা পরে অথবা ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ হতে এই আইন বলবৎ হওয়ার অব্যবহিত পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে উক্ত ব্যক্তির জন্মকালে বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকেন তাহলে তিনি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হবেন। তবে কোন ব্যক্তির পিতা বা মাতা কেবল বংশসূত্রে বাংলাদেশের হওয়ার কারণে উক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হবেন না। যদি না বাংলাদেশ কনস্যুলেট বা দূতাবাসে তার জন্মের এক বছর অথবা এই আইন বলবৎ হওয়ার এক বছরের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করা না হয়। অথবা তার মাতা বা পিতা তার জন্মকালে বাংলাদেশ সরকারের অধীনে চাকরিরত থাকেন।

খসড়া আইন অনুযায়ী কোন বাংলাদেশী প্রবাসে নাগরিকত্ব পেলে নিজ দেশে তার নাগরিকত্বের অবসান ঘটবে না। বাংলাদেশের কোন নাগরিক উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দেশসমূহ ও সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্দিষ্ট করা অন্য যে কোন দেশের নাগরিকত্ব ইতিপূর্বে গ্রহণ করে থাকেন বা গ্রহণ করেন এবং নাগরিকত্ব গ্রহণকালে শপথ বাক্য পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশের আনুগত্য প্রত্যাহার করতে না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বহাল থাকবে। এ জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে তাকে আবেদন করতে হবে। বাংলাদেশের কোন নাগরিকের স্ত্রী বা স্বামী বাংলাদেশের নাগরিক না হলে তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাবেন। তবে তাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে তিন বছর বাংলাদেশে বসবাস করতে হবে। তিন বছর পর নির্ধারিত পদ্ধতিতে সরকারের কাছে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ছিটমহল বিনিময় চুক্তি অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সরকারের তরফ থেকে ভারত সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে। ছিটমহল বিনিময় চুক্তির বিপক্ষে ভারতে প্রবল আপত্তি উঠেছে। তিনবিঘা করিডোর বাংলাদেশীদের জন্য সার্বক্ষণিক খোলা রাখা হলেও ছিটমহল হস্তান্তর বিলম্বিত হচ্ছে। এদিকে ছিটমহলবাসীরা নাগরিকত্ব না পাওয়ায় তাদের প্রতিনিয়ত নানা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

অ্যানোনিমাস: সাইবার জগতের রবিন হুড

0

39Tech ♦ ‘অ্যানোনিমাস’ নামের একটি হ্যাকার গোষ্ঠী চুরি করা হাজার হাজার ক্রেডিট কার্ডের নম্বর দিয়ে ১০ লাখেরও বেশি ডলার তুলে, তা রেড ক্রস, কেয়ার, সেইভ দ্য চিলড্রেনের মতো সংস্থাকে দান করে দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিরাপত্তা সংস্থা স্ট্রাটফরের গোপন তথ্যভাণ্ডার থেকে এ সব ক্রেডিট কার্ডের নম্বর চুরি করা হয়েছে। যাদের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য এ ভাবে অর্থ সংগ্রহের জন্য যোগাড় করা হয়েছে তাদের মধ্যে আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য এবং সাংবাদিকরাও রয়েছেন।

অ্যানোনিমাস বলছে, সাইবার হামলা করে তারা ৯০ হাজারের বেশি ক্রেডিট কার্ডের নম্বর, পাসওয়ার্ডসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাড়ির ঠিকানা হাতিয়ে নিতে পেরেছে।

স্ট্রার্টফরের গোপন তালিকায় মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর, সশস্ত্র বাহিনী, বিমান বাহিনী, বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, শীর্ষ স্থানীয় নিরাপত্তা ঠিকাদার এবং অ্যাপেল ও মাইক্রোসফটের মতো প্রযুক্তিনির্ভর বহু প্রতিষ্ঠানের অসংখ্য কর্মকর্তার ক্রেডিট কার্ডেরও বিবরণ ছিল।
অ্যানোনিমাস বলেছে,স্ট্রার্টফর এ সব গোপন তথ্য সুরক্ষার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়নি বলে তাদের পক্ষে তা খুব সহজেই হাতিয়ে নেয়া সম্ভব হয়েছে। অ্যানোনিমাসের এ তৎপরতায় ক্ষতিগ্রস্ত অনেকেই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে তাদের একাউন্ট থেকে অবৈধ ভাবে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

অ্যানোনিমাস বলেছে, ভবিষ্যতে তারা এ ধরণের আরো সাইবার হামলা চালাবে। এ জন্য তারা একটি বড় তালিকাও তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে।
এদিকে এ ঘটনার পর স্ট্রার্টফরের প্রধান ওয়েব সাইট বন্ধ রাখা হয়েছে।

অনুসন্ধানী ওয়েবসাইট উইকিলিকস গত বছর (২০১০সালে) হাজার হাজার কূটনৈতিক বার্তা প্রকাশ করে দেয়ার পর পেপল, ভিসা এবং মাস্টার কার্ড উইকিলিকসের সঙ্গে তাদের লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছিল। এরই প্রতিবাদে গত বছরেরর ডিসেম্বরে পেপলে কয়েকদফা মারাত্মক সাইবার হামলা করেছিল অ্যানোনিমাস ।

দোহারের জেএসসি’র ফলাফল ২০১১

0

স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ৩৯ ♦ দোহারের জয়পাড়া কেন্দ্রের অধীনে ১১টি স্কুলের পরীক্ষা হয়। জয়পাড়া কেন্দ্রের স্কুলগুলোর ফলাফল:

দোহারের জয়পাড়া কেন্দ্রের অধীনে ১১টি স্কুলের পরীক্ষা হয়। এর মধ্যে কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ফলাফল সবচে’ ভাল, তাদের পাশের হার ৯২.৭৮%, অপর দিকে ইকারাশী উচ্চ বিদ্যালয়ের সর্বনিন্ম ৫০.৩২% পাশের হার। জয়পাড়া কেন্দ্রের স্কুলগুলোর ফলাফল:

বিদ্যালয় মোট পরীক্ষার্থী কৃতকার্য অকৃতকার্য অনুপস্থিত পাশের হার
জয়পাড়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ২১২ ১৭৭ ২৯ ৮৩.৪৯ %
বেগম আয়শা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৪১৮ ২৬৮ ১২৬ ২৪ ৬৪.১১ %
সুন্দরীপাড়া জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় ৬০ ৪৪ ১৩ ৭৩.৩৩
আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় ৮৫ ৫৪ ২৯ ৬৩.৫৩
কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় ১৮০ ১৬৭ ১০ ৯২.৭৮
বাহ্রা হাবিলউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ২১৯ ১৬৬ ৫০ ৭৫.৮০
ইকরাশী উচ্চ বিদ্যালয় ১৫৩ ৭৭ ৬০ ১৬ ৫০.৩২
লটাখোলা জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় ৫৩ ৩৩ ১৭ ৬২.২৬
মধুরখোলা উচ্চ বিদ্যালয় ৭৮ ৭১ ০৭ ৯১.০৩
শিলাকোঠা উচ্চ বিদ্যালয় ৮৪ ৫৩ ২৯ ৬৩.১০
মাহমুদপুর জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় ৪৭ ২৫ ২০ ৫৩.১৯

 

মালিকান্দা কেন্দ্রের অধীনে ১০টি বিদ্যালয়ের পরীক্ষা হয়। মালিকান্দা কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ অনুপস্থিতির সংখ্যা জানাতে পারে নি।  

মালিকান্দা কেন্দ্রের অধীন বিদ্যালয় কৃতকার্য অকৃতকার্য জিপিএ ৫ প্রাপ্ত
সুতারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ৯৯ ৪০  
ইসলামাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় ১৩২ ৩১ ১ জন
মালিকান্দা উচ্চ বিদ্যালয় ১০৯ ২৩ ১ জন
কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয় ১৩৯ ১২  
নারিশা উচ্চ বিদ্যালয় ৯৬ ১২  
নারিশা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৬ ১ জন
মুকসুদপুর সামসুদ্দিন শিকদার উচ্চ বিদ্যালয় ১৭৮ ২৩ ১ জন
মুকসুদপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৬১ ১২  
মৌড়া উচ্চ বিদ্যালয় ৬৪  
ফ্যামস ইন্টারন্যাশনাল উচ্চ বিদ্যালয় ১৩  

বাড়ছে খেজুরের রস ও গুড়ের চাহিদা: কমে গেছে গাছ ও গাছি

0

জাকির হোসেন, নিউজ৩৯ ♦ জাকিয়ে বসেছে শীত। চারপাশের প্রকৃতি তাই নীরব ও নিথর, ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা। আর এই হাড় কাপানো শীতের সকালে প্রথমেই মনে আসে খেজুর গাছের রসের কথা। বুড়িগঙ্গা থেকে পদ্মা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা দোহার-নবাবগঞ্জ-কেরানীগঞ্জে আগে দেখা যেত প্রচুর খেজুর গাছ, রাস্তার ধারে, পুকুর পাড়ে, মাঠের পাশে, যত্রতত্র। কিন্তু সভ্যতার সাথে পাল্লা দিয়ে ইট পাথরের ইমারত যত বেড়েছে ঠিক ততই কমেছে খেজুর গাছ। গাছ কমেছে তাই কমেছে গাছি।

যার ফলে অনেকেই বঞ্চিত হচ্ছে খেজুর গাছের সুমিষ্ট রস থেকে, আর নতুন প্রজন্মের কাছে খেজুরের রস ‘মিথ’-এ পরিণত হয়েছে। এছাড়া রস দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য এখন সদূর পরহত সাধারণ মানুষের কাছে।

দোহার থানার পানকুন্ড গ্রামের আইয়ুব আলী পেশায় একজন গাছি। তার সাথে কথা বলে জানা গেল, আগে দোহার-নবাবগঞ্জে হাজার হাজার খেজুর গাছ ছিল। কিন্তু বর্তমানে তা কমতে কমতে একেবারে বিরল গাছের পর্যায়ে নেমে এসেছে। মানুষ বাড়ছে আর তাই মানুষের প্রয়োজনে কাটা হচ্ছে গাছ।

এখন গাছ কম থাকায় রসও কম পাওয়া যাচ্ছে। যার ফলে রসের গুড় উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি জানান নিউজ৩৯কে জানান।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে স্থানীয় গাছিদের উৎপাদিত খেজুরের গুড়ের চাহিদা অনেক বেশি। কিন্তু চাহিদা থাকা সত্বেও স্থানীয় গাছিদের উৎপাদিত গুড় অনেক কম। আর তাই এই এলাকার গুড়ের চাহিদা মেটাতে মানিকগঞ্জ ও ফরিদপুর থেকে আনা হচ্ছে নিম্ন মানের গুড়।

খেজুরের রস সংগ্রহ

রস সংগ্রহ করেছেন একজন গাছি

ঢাকা থেকে দোহারে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসা ইমরানের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি প্রতি বছর শীতে নানার বাসায় বেড়াতে আসেন শুধু মাত্র খেজুরের রসের নেশায়। রসের পাশাপাশি রসের তৈরি নানা রকম খাদ্য বস্তু ও পিঠাও তার কাছে অনেক ভালো লাগে।

জয়পাড়া-বিলাশপুর সংযোগ সড়কের বেহাল দশা

0

রাতুল ইসলাম, নিউজ৩৯  দোহারের জয়পাড়া থেকে বিলাশপুর যাতায়াতের সড়কটির ভেঙ্গেচুড়ে, পিচ উঠে গিয়ে বেহাল দশা। যাতায়াত মানে  কঠিত দূর্ভোগের পথে যাত্রা। দক্ষিন জয়পাড়ায় জহির চেয়ারম্যানের মোড় থেকে চর লটাখোলা পর্যন্ত প্রায় সম্পূর্ন রাস্তাই ভেঙ্গে গেছে।

যেকোনো সময় দূর্ঘটনায় পড়ার ঝুকি নিয়ে চলাচল করে এই পথে যাতায়াত করা বিভিন্ন ধরণের গাড়ী, হঠাৎ হঠাৎই গাড়ি খানাখন্দের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। গাড়ির যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে অসহনীয় কষ্ট। এমনকি মাঝে মাঝেই ঘটছে ছোটখাট দূর্ঘটনা।

মানুয় জীবন হাতে নিয়ে চলাচল করছে এই রাস্তায়। রাস্তার এই দূর্দশার কারণে অনেক গাড়ী চালক এপথে যেতেই চায় না। জরুরী সময়ে বা রাতে মানুষের চলাফেরা হয়ে পড়েছে অনেক কষ্ট সাধ্য।

উল্লেখ্য, এই রাস্তায় নতুন করে কাজের টেন্ডার দেয়া হয়েছে, কিন্তু এখনো কাজ শুরু করছে না ঠিকাদাররা।

এছাড়া নৌঘাট মৈনট থেকে বিলাশপুরে স্থানান্তর হবার পর বেড়ে গেছে এই রাস্তার যানচলাচল। এর ফলে রাস্তা ভেঙ্গে যাচ্ছে আরো এমনটাই অভিযোগ করলেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী প্রাত্যাশা করে আছে কবে শুরু হবে রাস্তা সংস্কারের কাজ।

Bilaspur

শিকারীপাড়ায় ডাকাতি: প্রায় ১০লাখ টাকার মালামাল লুট

0

শিকারী পাড়া প্রতিনিধি, নিউজ৩৯ ♦ ২৫ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের গরীবপুর গ্রামে এক দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

উক্ত গ্রামের কামরুল ও হিরুর বাড়ীতে ১৫/১৬জনের একদল ডাকাত  দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে এবং বাড়ীর বাসিন্দাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ২৬০০০টাকা, ৩০,০০০টাকার সমপরিমান সাউদি রিয়াল, প্রায় ১০/১২ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার, ১টি ডিজিটাল ক্যামেরা ও ৫টি মোবাইল সেট সহ প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

এছারাও ডাকাতরা বালিশের কভার, ৬/৭টি কম্বল, ২টি ইস্ত্রি ও ১০/১২টি শাড়ীসহ কসমেটিকস সামগ্রী  নিয়ে গেছে।

ডাকাতির আগে তারা আশপাশের প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজায় সিটকানি বাইরে থেকে আটকিয়ে দিয়ে আসে যাতে লোকজন বের হতে না পারে। ডাকাতদলের মধ্যে ৫জন ছিল মুখোশ পরিহিত, তবে বাড়ীর লোকজন কাউকে চিনতে পারে নি বলে জানিয়েছে।

অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলীমোর রহমান খান পিয়ারা পুলিশ সহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং এলাকার লোকজন কে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন।

এই সপ্তাহের ছবি: ইসলামপুর

0

ইটভাটা, ইসলামপুর

ইসলামপুর-সাবখালী এলাকায় গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি ইটভাটা, তারই একটি

 

খাল

পদ্মা ও ইছামতির মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী খাল

 

বাঁধা কপি

এখন শীতকাল, শাকসব্জির মৌসুম, বাঁধাকপির ক্ষেত

গাছ

একটি নিঃসঙ্গ গাছ: গ্রীষ্মের গরমে এটিই ক্লান্ত কৃষকের ছায়া

ছবি তুলেছেন: মোহাম্মদ মামুন

ডিভাইস: ফুজিফিল্ম, ফাইনপিক্স জেড৩০

কেরাণীগঞ্জের ভবিষ্যত কী?

0

মুহাম্মদ শাকিল উদ্দিন, নিউজ৩৯ :: ঢাকা জেলার অন্যতম উপজেলা কেরাণীগঞ্জ, দুটি থানায় বিভক্ত এ উপজেলার একটি মডেল থানা অন্যটি দক্ষিণ থানা নামে পরিচিত । বৃহত্তর দক্ষিণাঞ্চলের সাথে যোগাযোগের প্রধান সড়কপথ চলে গেছে এ উপজেলার মধ্য দিয়েই।
একদিকে বুড়িগঙ্গা আর অন্যদিকে ধলেশ্বরী নদী বেশ্ঠিত এ নগর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের এক অপরূপ লীলাভূমী । কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারনে এ সৌন্দর্য্য যেন মিলিয়ে যাচ্ছে দ্রুত। ছোট ছোট খালগুলো এরই মধ্যেই ভরাট প্রায়, ড্রেজিং মেশিনের কবলে ক্ষত-বিক্ষত ফসলী জমি। অপরিকল্পিত ভাবে যেখোনে সেখানে গড়ে উঠছে কল কারখানা, বিশাল বিশাল অট্টালিকা আর শপিংমল।
পর্যাপ্ত রাস্তা না রেখেই এক দালানের গা ঘেষে তৈরি হচ্ছে আরেক দালান, আর নতুন এক “পুরান ঢাকা” যেন অতি আদরে স্বজ্ঞানে তৈরি করছি আমরা। কিছু দূর পরপর নাকে রুমাল দিয়ে পথ চলাই যেন নিয়তি, কারন ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধ। যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা এ নগরীর অধিবাসীদের যেন অভ্যাস হয়ে গেছে, নেই কোন ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা।
বাড়ী তৈরী করেলেই ভাড়া গোনা যায়, আর এ লোভে ‍নিন্মমানের উপকরণ দিয়ে তৈরি হচ্ছে আবাসিক হোটেলরুপী ছোট ছোট রুম সর্বস্ব বড় বড় বাড়ী। পদ্মা সেতু হলে এ এলাকা হবে গুলশান বনানী, এই অজুহাতে জীবন যাত্রার মান এক গুন না বাড়লেও জমির দাম বেড়েছে কয়েক গুন।
ঢাকা মহানগরী থেকে এখানে থাকা অনেকটা কম খরচের হওয়ায় অধিকাংশ নিন্ম আয়ের মানুষ মাথা গুজার ঠাই হিসেবে বেছে নিচ্ছে জিঞ্জিরাকে। যে কারনে জন্ম হচ্ছে আরো অনেক নতুন নতুন সমস্যার।
ইতোমধ্যেই মাদক দ্রব্যের আখরায় পরিণত হয়েছে কেরানীগঞ্জের অনেক এলাকা। স্কুল বা মসজিদ কোথায় আছে তা অনেকে না বলতে পারলেও মাদক কোথায় পাওয়া যাবে সে তথ্য অনেকের নখদর্পণে। স্থানীয় অ-স্থানীয় অনেক শিশু কিশোর আক্রান্ত  হয়ে পড়ছে মাদকের কবলে।
রাস্তা ঘাটের কথা যদি বলতে শুরু করি, তাহলে উদাহরণ দিয়ে বলতে হয় কোন ক্লাশের একশত ছাত্রছাত্রীর মধ্যে একশতম যেমন, কেরাণীগঞ্জের রাস্তাঘাট মানের দিক দিয়ে অনেকটাই তেমন । বিশ্বরোড ছাড়া অন্য সকল রাস্তার অবস্থা এক কথায় জঘন্য । মাঝে মাঝে রাস্তা মেরামত করতে দেখা গেলেও রাস্তা ঠিক হওয়ার আগেই শ্রমিকদের কাজ কেন শেষ হয়ে যায় বোঝে আসে না।
এবার আসা যাক  আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে, সপ্তাহে এমন দিন কম যায় যে আমাদের এ উপজেলার অপরাধের কোন খবর জাতীয় দৈনিকে না আসে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অনেক তৎপর যার কারনেই এ খবরগুলো আসে তবে এরপরও মনে হয় অপরাধ সংঘটনের দিক দিয়ে অপরাধীরা একটু এগিয়ে থাকে । বুড়িগঙ্গা নদীর উপর কেরানীগঞ্জ বাসীর অবদানের কথা না বললে পরিবেশের বারটা বাজার ষোল কলা পূর্ণ হয় না  । আমরা এতটাই উজার করে এ নদী কে দিচ্ছি যে ইতোমধ্যেই এ নদীর পানি ফুটিয়েও পান করার অনুপযোগী হয়ে গেছে। 

দোহারে ট্রাকের চাপায় শিশু নিহত

0

স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ৩৯ ♦ দোহারের ইসলামপুর খালপাড়ে ট্রাকের চাপায় আশরাফুল নামের চার বছর বয়সী একটি শিশু মারা গেছে। আজ সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে ইসমাইল ইটভাটার একটি ট্রাক (ঢাকা মোট্রো-ড ১৪-৪৫৬০) যাচ্ছিল, এমন সময় সড়কের একপাশে খেলছিল ছেলেটি, তখন ট্রাকটি তাকে চাপা দেয়।

ঘটনাস্থলেই আশরাফুলের মৃত্যু ঘটে। তার বাবার নাম রাকিব। দূর্ঘটনার পরপরই চালক পালিয়ে যায়। তারপর বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রাকটি ভাংচুর করে।

ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে সালিশে ইসমাইল ইটভাটাকে ৪লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ইসমাইল ইটভাটার এই ট্রাকটি সাধারণত ইট বহন করলেও সেদিন বালি বহন করছিল। ট্রাক চালকের বাড়ী নবাবগঞ্জের মাঝিরকান্দায়।

ট্রাক

ঘাতক বাস

নবাবগঞ্জে ট্রাক চাপা পড়ে নিহত

0

স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ৩৯.নেট ♦ গতকাল ২৪শে ডিসেম্বর শনিবার রাতে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন ডা. মোতালেব । গত ২২ শে ডিসেম্বর নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পানিকাউর গ্রামে ডাঃ মোতালেব একটি ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন । তিনি রাস্তার পূর্ব পাশ থেকে পশ্চিমে যাবার সময় রাস্তার মাঝপথে এসে দাঁড়ালে চলমান ট্রাকটি তাকে আঘাত হানে ।

আহত অবস্থায় ডা. মোতালেবকে নবাবগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে জরুরী ভিত্তিতে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। স্কয়ার হাসপাতালে নেওযার পর বিভিন্ন পরিক্ষা নিরীক্ষা করার পর চিকিৎসক জানান তার পায়ের একটি এবং বুকের তিনটি হাঁড় ভেঙ্গে গেছে ।

অবস্থা গুরুতর দেখে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (ICO) তে রাখা হয় । নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে রাখা অবস্থায় গতকাল রাতে তিনি মারা যান।

ট্রাকের ড্রাইভার বাড়ী নবাবগঞ্জের জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের  ঘোষাইল গ্রামে, তার এক ভাইয়ের নাম মনি শংকর। ট্রাকের নাম্বার হচ্ছে ঢাকা মেট্রো ন ১৪১৫৪৪ ।

ডাঃ মোতালেবও একই গ্রামের বাসিন্দা । এ ঘটনায় কোন জিডি বা মামলা হয় নি । আজ ডা. মোতালেবের লাশ বাড়িতে আনা হয়েছে । বাড়িতে আনার পর স্থানীয় জনতা তার লাশ দেখতে ভীর করেন। তাদের অনেকে ট্রাক ড্রাইভারের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান।