নবাবগঞ্জে যুবককে কুপিয়ে হত্যা: দুই বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার গালিমপুর মিয়াহাটি গ্রামে গতকাল রোববার সকাল ১১টায় মো. শাহিন (১৮) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এঘটনায় আহতহয়েছে ৫ জন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়নের মিয়াহাটি এলাকায় ২৫ থেকে ৩০ বছর আগে নির্মিত একটি রাস্তায় এলাকাবাসী চলাচল করে আসছে। মোজাহার পাঠান নামে স্থানীয় এক প্রভাবশালী কিছু বখাটে যুবক ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে রাস্তা বন্ধের চেষ্টা চালায়। এসময় স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে উভয়পক্ষে ঝগড়া বাধে। এক পর্যায়ে মোজাহারের লোকজন ধারালো ছুরি দিয়ে রাস্তার কাজে বাধাদানকারী শাহিন নামে এক যুবককে কুপিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

শাহিন মিয়াহাটি গ্রামের সাহেদ আলীর ছেলে। শাহিনকে বাচাঁতে আসলে সন্ত্রাসীরা তাজুল ইসলাম (২৫) , বাহারুল ইসলাম (৩০), ও সাইফুল ইসলাম (৩০) সহ পাঁচজনকে কুপিয়ে আহত করে। এলাকাবাসী তাদেরকে নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। শাহিনকেও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

হাসপাতাল থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য মিটফোর্ড মর্গে প্রেরণ করে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ হত্যার ঘটনা বুঝতে পেরে ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পরিকল্পিতভাবে মোজাহার পাঠান ও সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির ৫ টি ঘরে অগ্নিসংযোগ করে তারা পালিয়ে যায়।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তপন মোল্লা বলেন, দীর্ঘদিনের এ রাস্তা বন্ধ করতে মোজহার পাঠান তার লোক দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে অতিরিক্তি পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়।

নবাবগঞ্জ থানার এস আই মুশফিকুর রহমান জানান, মামলা প্রক্রিয়াধীন। দোষীদের গ্রেফতারে পুলিশীঅভিযান অব্যাত আছে। নিহতের বাবা সাহেদ আলী বলেন, সন্ত্রাসীরা তার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলাকরে। মোজাহার পাঠানের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী লোটাস ও উজ্জ্বলের নেতৃত্বে তার ছেলেকে হত্যা করা হয়। তিনি এ হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।

আমি অবশ্যই নির্বাচন করব: নাজমুল হুদা

0

ধোয়াশা কাটছে না বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে নিয়ে। গত কয়েক দিন ধরে তাকে নিয়ে ছড়িয়া পড়া কোন গুজবেরও কোন উত্তর মিলছে না। তিনি নিজেও খোলাসা করছেন না আসলে তিনি কোথায় যাবেন। গত শনিবার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে জয়পাড়া আসার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে  দলে যোগ দেয়ার দাবীতে স্লোগান দেয়।

জবাবে ব্যরিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, প্রতীক যেটাই থাকুক আপনাদের জন্য যারা কাজ করতে পারে তাদেরকেইতো আপনারা ভোট দিবেন, আপনারা আমাকে ভালবাসেন আমিও আপনাদের ভালবাসি এবং আপনাদের জন্য কাজ করে যাব।

তিনি আরো বলেন, আমি অবশ্যই নির্বাচন করব এবং আপনারা আমাকে ভোট দিবেন। আমি জিয়াউর রহমান এর রাজনীতিতে আছি এবং তিনি আমার আদর্শ।  আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনারা চিন্তা করবেন না। আমি একটি কৌশল নিয়ে এগোচ্ছি সেখানে আপনারা যদি চাপ প্রয়োগ করেন তাহলে আমার কৌশল অনুযায়ী সেভাবে এগোতে পারবনা। বিএনপি থেকে পদত্যাগ করার অবশ্যই কারন রয়েছে।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি নিউজ৩৯ কে বলেন, বর্তমানে দেশের খুবই নাজুক অবস্থা এবং যে কোন সময় বিষ্ফোরণ ঘটবে।

বিএনপিতে যোগদান করবেন কিনা এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি রাজনীতিতে আছি এবং থাকব।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল ঢাকা জেলার ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাসুদ পারভেজ, দোহার থানা যুবদলের সহ-সভাপতি করিম বেপারী,  স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান বিদ্যুৎ, ফারুক পত্তনদার , ছাত্রদলের সভাপতি আবুল হাসেম, সাধারণ সম্পাদক সেন্টু ভুইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহবুব, জয়পাড়া কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, পৌরসভা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল মোল্লা সহ প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী।

কমিটি বাতিলের দাবীতে দোহার বিএনপি’র বিক্ষোভ

0

মার্চের ১৯ তারিখে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির কাউন্সিল উপলক্ষে ঢাকা জেলা বিএনপি’র সভাপতি আঃ মান্নান মনোনীত কমিটির বিরোধীতা ও বাতিলের দাবীতে দোহার থানা বিএনপি সকাল ১০টায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এ সময় তারা শ্লোগান দেয়, ‘এই কমিটি মানিনা, মানবো না। এই কমিটি বাতিল কর, করতে হবে।‘ এ সময় বিএনপি নেতা হালিম চেয়ারম্যান, ছাত্রদল নেতা সেণ্টু ভূইয়া সহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতা কর্মী জয়পাড়া বাজার ও মেইন রোড প্রদক্ষিণ করে।

উল্লেখ্য গত ১৩ই ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক বিমান মন্ত্রী আঃ মান্নান দোহার থানা বিএনপি’র কমিটি ঘোষণা করেন। এতে সভাপতি পদে জনাব সাহাবুদ্দীন, সহ-সভাপতি পদে ভুলু চেয়ারম্যান, সেক্রেটারী পদে আলমগীর ব্যাপারী, সাধারণ সম্পাদক পদে ডালু খন্দকারকে মনোনয়ন দেন। এছাড়া পৌর সভাপতি আব্দুর রহিম মিয়া মনোনয়ন দেন। আর শুরু থেকেই নাজমুল হুদা পন্থিরা এই কমিটির বিরোধীতা করে আসছিল।

নবাবগঞ্জে বরযাত্রীবাহী গাড়িতে হামলা, ভাংচুর

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বরযাত্রীবাহী একটি বাসে বখাটে যুবকরা হামলায় চালিয়ে রাবিয়া (২৫), সোহাগী (১৫)সহ ৪ নারী ও কালাম (২৮) নামে ঐ গাড়ির চালককে মারধর করে আহত করেছে। গত বুধবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার হরিসকুল এলাকার কনের বাড়ি থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার ভবেরচর এলাকায় ফেরার পথে নবাবগঞ্জ-যন্ত্রাইল সেতুর উপরে এ হামলা চালায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানায়, বুধবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলার ভবেরচর এলাকা থেকে বরযাত্রীসহ একটি বাস উপজেলার নবাবগঞ্জ-যন্ত্রাইল সেতু পার হয়ে হরিসকুল এলাকায় কনের বাড়ি যাওয়ার পথে রাস্তার উপরে থাকা ডিস লাইনের তার ছিড়ে যায়। এসময় স্থানীয় ১০/১৫ জন বখাটে যুবক গাড়ি থামিয়ে লাঠিসোটা দিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করে। স্থানীয় কয়েকজন মুরব্বি তা সমাধান করলে বরযাত্রীরা কনের বাড়ি চলে যায়। বিয়ে শেষে কনে নিয়ে ফেরার পথে ঐ যুবকরা যন্ত্রাইল সেতুর উপরে বরযাত্রীদের নামিয়ে মারধর করে। এসময় রাবিয়া, সোহাগীসহ ৪ নারী ও গাড়ির চালক কালাম আহত হয়।

স্থানীয়রা গাড়ি চালক কালামকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নিয়ে ভর্তি করে এবং আহত ৪ নারীকে স্বজনরা অন্য গাড়ি ভাড়া করে মুন্সিগঞ্জে চলে যায়। নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ করিম জানান, ঘটনার পর থেকে ঐ স্থানে পুলিশ রয়েছে। বিস্তারিত জেনে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নবাবগঞ্জে সাহেব আলী হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে বিক্ষোভ

0

আসিফ শেখ, নিউজ৩৯ ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার উত্তর বালুখন্ড গ্রামের বালু ব্যাবসায়ী সাহেব আলী হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

১২ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার দুপুর ১টায় উপজেলার উত্তর বালুখন্ড বাস স্ট্যান্ডের সামনে এ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এলাকাবাসী বাস স্ট্যান্ডের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আটকাহনিয়া মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে। প্রদিক্ষণ শেষে একই যায়গায় ফিরে এসে মানববন্ধন করে। এ সময় নিহতের আত্মীয় স্বজন ছাড়াও স্থানীয় শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নিহতের ভাই সাইফুল ইসলাম জানান, হত্যাকারীরা আমার ভাইকে নির্মমভাবে হাত-পা কেটে হত্যা করেছে। আমরা হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা হলে ১জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বাকিরা পলাতক রয়েছে।

গত ২৭ জানুয়ারি ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয় সাহেব আলী। ১৪ দিন পর গত ৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মহেশদিয়া এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।

দোহার বিএনপি’তে “ধোলাই পর্ব” শুরু

0

চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নির্বাচনী আসন হিসাবে আবারও ঢাকা-১ আসন হওয়ায় দোহার বিএনপি’তে চলছে চরম অরাজকতা ও বিশৃংখলা। অনেকে একে বলছেন ‘গণধোলাইয়ের মাধ্যমে শুদ্ধি অভিযান’ আবার কেউবা একে বলছেন, ‘সুবিধাবাদীদের সনাক্তকরণ পর্ব।‘ আর এর প্রধান কারণ হচ্ছে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী নাজমুল হুদার বিএনপি’তে ফিরে আসার গুজব। বেশ কিছুদিন ধরেই রাজনৈতিক গুজব আছে ব্যাঃ নাজমুল হুদা সুবিধাজনক সময়ে বিশেষতঃ এপ্রিল মাসে আবারও বিএনপি’তে ফিরে আসছেন। আর এর ফলে, এতোদিন যারা নাজমুল হুদাকে ছেড়ে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন অথবা ঢাকা জেলা বিএনপি’র বর্তমান সভাপতি আঃ মান্নানের সাথে রাজনীতি করেছেন বা জাসাসের কেন্দ্রীয় নেতা সালাহউদ্দীন মোল্লার পক্ষে রাজনীতি করেছেন তারা আজকাল শাইনপুকুরে নাজমুল হুদার বাসায় যাতায়াত শুরু করায়; ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন নাজমুল হুদার অনুসারীরা।

তাই গত ৪ই ফেব্রুয়ারি যুবদল সভাপতি উমায়ুনি ইসলাম খালেদকে ডালু খন্দকারের বাড়ীতে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ফেলে লাথি, ঘুষিসহ বেদম পেটানো হয়। এ সময় নাজমুল হুদা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরে তার হস্তক্ষেপে খালেদকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ৮ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার যুবদল নেতা কবিরসহ আরও কয়েকজনকে শাইন পুকুরে নাজমুল হুদার নিজ বাড়ীতে বেদম মার দেওয়া হয়। দুটি ঘটনাতেই আরও ৩/৪ গণধোলাইয়ের শিকার হন।
এ ব্যাপারে জাসাসের কেন্দ্রীয় এক নেতা নাম না প্রকাশ শর্তে নিউজ৩৯ কে জানান, যারা সুবিধাবাদী তাদেরকে বিএনপি’র নেতা কর্মীরা সুযোগ বুঝে একটু আদর-আপ্যায়ন করেছে তাদের অতীত কর্মকে মনে করিয়ে দিতে। আর এটা হচ্ছে ধোলাইয়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক শুদ্ধি অভিযান’। আশা করছি, এরকম আর ঘটবে না।

আর এ অবস্থায় আতঙ্কে রয়েছে অনেক নেতা কর্মী। এ ব্যাপারে দলীয় কেউই মুখ খুলতে রাজী হননি।

মুহাম্মদ ( স: ) সম্পর্কে বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও দার্শনিকগণের উক্তি

0

পৃথিবীর সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানব হলেন যিনি, সেই মুহাম্মদ ( স: ) সম্পর্কে ইহুদী-খ্রিষ্টানদের বড় বড় দার্শনিক মনিষীগণ এক বাক্যে একথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তাদেরই মোহাম্মদ (সঃ) কে নিয়ে বলা কিছু কথা আজ আপনাদের বলছি। কিছু লোক মুসলমানদের প্রিয় নবী (সা) কে নিয়ে যতই অবমাননা করুক,  কিছু মানুষের কাছে, কিছু যুক্তিবাদী লোকের কাছে, তাদের হৃদয়পটেই তিনি উপস্থিত থাকবেন আজীবন

স্যার জর্জ বার্নাড শ “ দ্য জেনুইন ইসলাম” বইয়ের ১ম খন্ডে লিখেছেন

মুহাম্মদের ধর্মের প্রতি আমি সবসময় সুউচ্চ ধারণা পোষণ করি কারণ এর চমৎকার প্রাণবন্ততা। আমার কাছে মনে হয় এটাই একমাত্র ধর্ম যেটা সদা পরিবর্তনশীল জীবনযাত্রার সাথে অঙ্গীভূত হওয়ার ক্ষমতা রাখে যা প্রত্যেক যুগেই মানুষের হৃদয়ে আবেদন রাখতে সক্ষম। আমি তাঁর(মুহাম্মদ) সম্বন্ধে পড়াশোনা করেছি– চমৎকার একজন মানুষ এবং আমার মতে খ্রিস্টবিরোধী হওয়া সত্বেও তাঁকে অবশ্যই মানবতার ত্রাণকর্তা বলতে হবে।

আমি বিশ্বাস করি তাঁর মতো ব্যক্তির নিকট যদি আধুনিক বিশ্বের একনায়কতন্ত্র অর্পণ করা হতো তবে এর সমস্যাগুলো তিনি এমনভাবে সফলতার সাথে সমাধান করতেন যা বহু প্রতিক্ষীত শান্তি ও সুখ আনয়ন করতো। আমি ভবিষ্যতবাণী করছি যে মুহাম্মদের ধর্মবিশ্বাস আগামীদিনের ইউরোপের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, যা ইতিমধ্যে বর্তমান ইউরোপে গ্রহণযোগ্যতা পেতে আরম্ভ করেছে।

থমাস র্কালাইল “ হিরোস, হিরো এন্ড হিরো ওয়ারসপ এন্ড হিরোইক ইন হিস্ট্রি” বইতে লিখেছেন

লোকটিকে (মুহাম্মদ) ঘিরে যে মিথ্যাগুলো (পশ্চিমা অপবাদ) পূন্জীভূত হয়ে আছে- যার ভালো অর্থ হতে পারে ধর্মান্ধতা, তা আমাদের নিজেদের জন্যই লজ্জাজনক।

মহাত্মা গান্ধী তার ইয়ং ইন্ডিয়া বইতে লিখেন

আমি জীবনগুলোর মধ্যে সেরা একজনের জীবন সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম যিনি আজ লক্ষ কোটি মানুষের হৃদয়ে অবিতর্কিতভাবে স্থান নিয়ে আছেন…….যেকোন সময়ের চেয়ে আমি বেশী নিশ্চিত যে ইসলাম তরবারির মাধ্যমে সেইসব দিনগুলোতে মানুষের জীবন-ধারণ পদ্ধতিতে স্থান করে নেয়নি। ইসলামের প্রসারের কারণ হিসেবে কাজ করেছে নবীর দৃঢ় সরলতা, নিজেকে মূল্যহীন প্রতিভাত করা, ভবিষ্যতের ব্যাপারে সতর্ক ভাবনা, বন্ধু ও অনুসারীদের জন্য নিজেকে চরমভাবে উৎসর্গ করা, তাঁর অটল সাহস, ভয়হীনতা, ঈশ্বর এবং তাঁর(নবীর) ওপর অর্পিত দায়িত্বে অসীম বিশ্বাস। এ সব-ই মুসলমানদেরকে সকল বাঁধা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। যখন আমি মুহাম্মদের জীবনীর ২য় খন্ড বন্ধ করলাম তখন আমি খুব দু:খিত ছিলাম যে এই মহান মানুষটি সম্পর্কে আমার পড়ার আর কিছু বাকি থাকলো না।

ড. উইলিয়াম ড্রেপার তার বই “হিস্ট্রি অব ইনটেলেকচুয়াল ডেভলপমেন্ট ইন ইউরোপ” বইতে লিখেন

জাস্টিনিয়ানের মৃত্যুর চার বছর পর, ৫৬৯ খ্রিস্টাব্দে আরবে একজন মানুষ জন্মগ্রহণ করেন যিনি সকলের চাইতে মানবজাতির ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন….অনেক সাম্রাজ্যের ধর্মীয় প্রধান হওয়া,মানবজাতির এক তৃতীয়াংশের প্রাত্যহিক জীবনের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করা– এসবকিছুই সৃষ্টিকর্তার দূত হিসেবে তাঁর উপাধির যথার্থতা প্রমাণ করে।

আলফানসো দ্য লে মার্টিনি তার বই “ দ্য হিস্টি দ্য লে টেরকি” তে বলেন

উদ্দেশ্যের মহত্ব, লক্ষ্য অর্জনের উপায়সমূহের ক্ষুদ্রতা এবং আশ্চর্যজনক ফলাফল যদি অসাধারণ মানুষের তিনটি বৈশিষ্ট্য হয় তবে কে মুহাম্মদের সাথে ইতিহাসের অন্য কোন মহামানবের তুলনা করতে সাহস করবে ? বেশীরভাগ বিখ্যাত ব্যক্তি শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, আইন এবং সাম্রাজ্য তৈরী করেছেন। তাঁরা যদি কিছু প্রতিষ্ঠা করে থাকেন সেটা কিছুতেই জাগতিক ক্ষমতার চাইতে বেশি কিছু নয় যা প্রায়ই তাদের চোখের সামনে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই মানুষটি শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, আইন, সাম্রাজ্য, শাসক, লোকবল-ই পরিচালনা করেননি সেইসাথে তৎকালীন বিশ্বের লক্ষ-লক্ষ মানুষের জীবনকে আন্দোলিত করেছিলেন; সবচেয়ে বড় কথাহলো তিনি দেব-দেবী, ধর্মসমূহ, ধারণাগুলো, বিশ্বাসসমূহ এবং আত্মাগুলোকে আন্দোলিত করেছিলেন।

দার্শনিক, বাগ্মী, বার্তাবাহক, আইনপ্রণেতা, নতুন ধারণার উদ্ভাবনকারী/ধারণাকে বাস্তবে রূপদানকারী, বাস্তব বিশ্বাসের পুনরুদ্ধারকারী…..বিশটি জাগতিক এবং একটি আধ্যাত্মিক সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা-এই হলো মুহাম্মদ। মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব পরিমাপের যত মাপকাঠি আছে তার ভিত্তিতে বিবেচনা করলে আমরা নিজেদেরকে প্রশ্ন করতে পারি- মুহাম্মদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কেউ আছে কি ?

পৃথিবী বিখ্যাত বই বিশ্বের একশ জন প্রভাবশালী বইয়ের লেখক মাইকেল এইচ হার্ট তার বইতে বলেন

মুহাম্মদকে সর্বকালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষস্থান দেয়াটা অনেক পাঠককে আশ্চর্যান্বিত করতে পারে এবং অন্যদের মনে প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে, কিন্তু ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সেকুলার এবং ধর্মীয় উভয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ সফল ছিলেন। সম্ভবত ইসলামের ওপর মুহাম্মদের তুলনামূলক প্রভাব খ্রিস্টান ধর্মের ওপর যীশু ও সেইন্ট পলের সম্মিলিত প্রভাবের চেয়ে বেশী।…. আমি মনে করি, ধর্মীয় ও সেকুলার উভয়ক্ষেত্রে প্রভাবের এই বিরল সমন্বয় যোগ্য ব্যাক্তি হিসেবেই মুহাম্মদকে মানবেতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী একক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভুত করেছে।

মন্টেগোমারী ওয়েট তার “মোহাম্মদ ইন মক্কা” বইতে বলেছেন

নিজ আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সকল প্রকার কষ্ট সহ্য করা, তাঁকে যারা বিশ্বাস করতো এবং নেতা হিসেবে অনুসরণ করতো তাদের সুউচ্চ চারিত্রিক গুণাবলি, এবং মুহাম্মদের অর্জনের বিশালত্ব- এ সবকিছুই তাঁর সততার সাক্ষ্য দেয়। মনে করুন মুহাম্মদ একজন অসাধু ব্যাক্তি যিনি সমাধানের চেয়ে সমস্যাই বেশী সৃষ্টি করেছেন। অধিকন্তু, আর কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বই মুহাম্মদের মতো পাশ্চাত্যে এতবেশী অবমূল্যায়িত হয়নি……শুধুমাত্র যা বর্ণিত হয়েছে তার ভিত্তিতে নয়, আমরা যদি মুহাম্মদকে সামান্য পরিমাণও বুঝতে চাই তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সহকারে তাঁকে বিচার করতে হবে। আমরা যদি আমাদের অতীত থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ভূলগুলো সংশোধন করতে চাই তবে এটা ভূলে গেলে চলবে না যে চুড়ান্ত প্রমাণ আপাতদৃষ্টিতে যা সত্য বলে প্রতীয়মান হয় তারচেয়ে অনেক কঠিন শর্ত। এবং এই ব্যাপারে প্রমাণ অর্জন সত্যিই দু:সাধ্য হবে।

ডি জে হোগার্থ তার আরব বইতে বলেছেন

গুরুত্বপূর্ণ অথবা তুচ্ছ, তাঁর দৈনন্দিন প্রতিটি আচার-আচরণ একটি অনুশাসনের সৃষ্টি করেছে যা লক্ষ-কোটি মানুষ বর্তমানকালেও সচেতনতার সাথে মেনে চলে। মানবজাতির কোন অংশ কতৃক আদর্শ বলে বিবেচিত আর কোন মানুষকেই মুহাম্মদের মতো এতো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করা হয়নি। খ্রিস্টধর্মের প্রতিষ্ঠাতার আচার-আচরণ তাঁর অনুসারীদের জীবন-যাপনকে নিয়ন্ত্রণ করেনি। অধিকন্তু, কোন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাই মুসলমানদের নবীর মতো এরকম অনুপম বৈশিষ্ট্য রেখে যায়নি।

গিবন তার দ্য ডিক্লেইন ফেইল অব রোমান এম্পেয়ার(১৮২৩) বইতে বলেছেন

মুহাম্মদের মহত্বের ধারণা আড়ম্বড়পূর্ণ রাজকীয়তার ধারণাকে অস্বীকার করেছে। স্রষ্টার বার্তাবাহক পারিবারিক গৃহকর্মে নিবেদিত ছিলেন; তিনি আগুন জ্বালাতেন; ঘর ঝাড়ু দিতেন; ভেড়ার দুধ দোয়াতেন; এবং নিজ হাতে নিজের জুতা ও পোষাক মেরামত করতেন। পাপের প্রায়শ্চিত্তের ধারণা ও বৈরাগ্যবাদকে তিনি অস্বীকার করেছেন। তাঁকে কখনো অযথা দম্ভ প্রকাশ করতে দেখা যায়নি, একজন আরবের সাধারণ খাদ্যই ছিলো তাঁর আহার্য।

নবাবগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে: নিহত ১

0

আসিফ শেখ ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ১১ ফেব্রুয়ারী সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা নবাবগঞ্জ উপজেলার বেনুখালী এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বিয়ের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায় এতে পুষ্প গমেজ (৪৫) নামে এক মহিলা নিহত হয় এবং বর জেরাল গমেজ ও কনে বাঁধন গমেজ সহ ৪০ জন আহত হন। নিহিত পুষ্প গমেজ ঢাকার কাফরুল এলাকার মৃত বাদশা গমেজের স্ত্রী। আহত বর জেরাল গমেজ  ঢাকার কাফরুল এলাকার মৃত হিউবার্ট গমেজের ছেলে এবং কনে বাধঁন গমেজ ঢাকার দোহার উপজেলার ইক্রাশী গ্রামের বাদল গমেজের মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে থেকে জানায়, ১১ ফেব্রুয়ারী সোমবার ঢাকা কাফরুল এলাকা বরের বাড়ি থেকে বর ও কনে সহ ৫০জন যাত্রী নিয়ে কনের বাড়ি দোহার উপজেলার ইক্রাশী গ্রামে আসার পথে বিকাল ৪টায় বান্দুরার দ্রুত পরিবহনের একটি বাস চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে নবাবগঞ্জ উপজেলার বেনুখালী এলাকায় বাসটি খাদে পড়ে যায়। এতে বর ও কনে সহ ৪০জন আহত হয়। বাসটি গাদে পড়ার সাথে সাথে স্থাণীয়রা আহত যাত্রীদের বাস থেকে বেড় করে নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক পুষ্প গমেজকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুসফিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নবাবগঞ্জে একদিনে তিনটি লাশ উদ্ধার

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবারে সকাল থেকে রাত দশটার মধ্যে তিনটি লাশ পাওয়া গেছে। শুক্রবার সকাল ৮টায় উপজেলার আগলা ব্রিজের নিচ থেকে হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত বৃদ্ধ, রাত ৮টায় কলাকোপা ইউনিয়নের বড় রাজপাড়া গ্রামের একটি ডোবা থেকে সুয়াইব ও রাত ১০টায় শোল্লা ইউনিয়নের মহিষদিয়া গ্রামের একটি সরিষা ক্ষেত থেকে শেখ সাহেব আলী নামে ৩ জনের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সকাল ৮টায় উপজেলার আগলা ব্রিজের নিচে পানিতে ভাসমান হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত বৃদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সকালে স্থানীয় এলাকাবাসী আগলা সেতুর নিচে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি মাসুদ করিম জানান, নিহত ব্যক্তির বয়স হবে আনুমানিক ৫০ বছর। লাশ শনাক্ত করতে কেউ আসে নি। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মিডফোর্ড হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

কলাকোপা ইউনিয়নের বড় রাজপাড়া গ্রামের একটি ডোবায় একটি শিশুর লাশ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। রাত সাড়ে ৮টায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে লাশটি উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়নের সোনাহাজরা গ্রামের সৌদি প্রবাসী মোশারফ হোসেনের ছেলে সুয়াইবেরবলে শনাক্ত করেন তার স্বজনেরা।

গত ২৯ জানুয়ারি নানাবাড়ি নবাবগঞ্জের বড় রাজপাড়া গ্রামে বেড়াতে এসে শোয়াইব নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় জিডি হয়েছিল।

এরপর রাত ১০টার দিকে উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের মহিষদিয়া গ্রামের একটি সরিষা ক্ষেতে শেখ সাহেব আলী (৪০) নামে এক ভেকু চালকের হাত-পা বিচ্ছিন্ন লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা গেছে, নিহত সাহেব আলী উদ্ধারের ১৪ দিন আগে নিখোঁজ হন। এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানায় অপহরণ মামলা হয়েছিল। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে মো. হামিদ নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শেখ সাহেব আলী শোল্লা ইউনিয়নের উত্তর বালুখণ্ড গ্রামের শেখ দরবেশ আলীর ছেলে। নবাবগঞ্জ থানার ওসি মাসুদ করিম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে।

নবাবগঞ্জে ডাকাতি প্রতিরোধে গ্রাম পাহারা

0

ডাকাতের হাত থেকে সাধারন গ্রাম বাসী ও পথচারীদের বাচাতে নবাবগঞ্জ পুলিশ গ্রাম বাসীদের সহায়তায় স্থানে স্থানে পাহারার ব্যবস্থা করবে বলে জানিয়েছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। গত কয়েক মাসের ডাকাতির মাত্রতিরিক্ত বৃদ্ধির কারনে নবাবগঞ্জ তানা পুলিশ এই উদ্যোগ নিয়েছে।

উল্লেখ্য জনবলের সংকটের কারনে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ এই উদ্যোগ নিয়েছে।

নবাবগঞ্জে ডাকাতির পরিমান উল্লেখযোগ্য পরিমানে বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে অতিষ্ঠ নবাবগঞ্জ বাসীকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে পারছিল না নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। পুলিশের লোকবর ও যানবাহন সংকটের কারনে নিয়মিত টহলও দিতে পারছিল না নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। তাই তারা গ্রাম বাসীদের নিয়ে এই গ্রাম পাহারার ব্যবস্থা করেছেন বলে জানিয়েছেন নবাবগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান।

নিউজ ৩৯ কে তিনি জানান, লোকবল ও পরিবহন সংকটের কারনে তারা সব জায়গায় নিয়মিত টহল দিতে পারে না। বিধায় তাদের গতি ও সিএনজি রিকুয়েঝিশন করতে হয় বাধ্য হয়। তাও অনেক সময় তাও পাওয়া যায় না। ফলে বাধ্য হয়ে এই গ্রাম পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি নিউজ ৩৯ কে লোকবলের সংকটের উদাহরন দিয়ে বলেন, বর্তমানে নবাবগঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য দুই জন পুলিশ বরাদ্দ। যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তাই বাধ্য হয়ে এই ব্যবস্থা করতে হচ্ছে।