ঢাকা-১ আসনের মোট ভোটার ৩,৭৮,৯৬৮

0

নিউজ৩৯ স্পেশাল: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দোহার-নবাবগঞ্জ আসনটি ঢাকা-১ আসন নামে পরিচিত। এটি ১৭৪ নম্বর সংসদীয় আসন নামে পরিচিত। নির্বাচন কমিশনের তথ্য মোতাবেক বর্তমানে এই আসনে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মান্নান খান, তার পিতার নাম – মোঃ মিসের খান, গ্রাম- কাটাখালী, ঘাটা দোহার, ঢাকা। তিনি নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে লড়াই করবেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সালমা ইসলাম, পিতা- মৃত আব্দুল খালেক, গ্রাম- কামারখোলা, ডাকঘর – চুরাইন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা। তিনি লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে লড়াই করবেন।

ঢাকা -১ আসনে মোট ভোটার ৩,৭৮,৯৬৮ জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৭৭টি, ভোট কক্ষের সংখ্যা ৭৬৪টি। সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার ২ নির্বাহি কর্মকর্তা।
আর নির্বাচনী তদন্ত কমিটির দায়িত্ব পালন করবেন ১। জনাব মোঃ ফজলে এলাহি ভূঁইয়া, যুগ্ম- জেলা জজ ঢাকা। ২। জনাব সাউদ হাসান, সিঃ সহকারী জজ, ঢাকা।  

ঢাকা-১ আসনে মান্নান-সালমার ভোটযুদ্ধ শুরু

0

মোহাম্মদ তাইমিয়া৩৯: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের ভোট যুদ্ধে মাঠে নেমেছেন আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নির্বাচনকালীন সরকারের শিশু ও মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট সালম ইসলাম।

এই আসনে সালমা  ইসলাম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরাসরি প্রথমবার অংশগ্রহণ করলেও বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আব্দুল মান্নান খান বিএনপি প্রার্থী আব্দুল মান্নানকে ৩৪ হাজার ৪৪৭ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে চমক সৃষ্টি করেন। তবে এবারের নির্বাচনে জাতীয় প্রার্টির মনোনীত প্রার্থী এ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম ও আওয়ামীলীগের প্রার্থী এ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানের সাথে ভোট যুদ্ধে প্রথম বারের মত মুখোমুখি হচ্ছেন তারা দু’জন। দুই প্রার্থীই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। আর সেই লক্ষ্যেই আওয়ামীলীগৈর নৌকা প্রতীক নিয়ে এ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান ও জাতীয় প্রার্টি (রওশন এরশাদের) লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন সালমা ইসলাম। সর্বশেষ দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে ধারণ করছেন দুই উপজেলার ভোটারগণ। বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলা এই দুই প্রার্থীর লড়াই হবে ১৯/২০। তবে নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আব্দল মান্নান খানকে বয়কট করেছেন। অপরদিকে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মান্নান খানের পক্ষে কাজ করছে না। এই হিসেবে জাতীয়পার্টির প্রার্থী সালমা ইসলাম এবারের নির্বাচনে জয়লাভ করবেন বলে সাধারন জনগন মনে করছেন। এই নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ, উপজেলা চত্ত্বর, স্থানীয় পার্টির অফিস, ও আশপাশের এলাকায় একাধিক মিটিং মিছিল করছে। ইতিমধ্যেই নির্বাচনী পোষ্টার শোভা পাচ্ছে দুই উপজেলার হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট সহ ওলি-গলিতে। প্রচারণার দিকে অনেকটাই এগিয়ে আছে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী এ্যাডভেকেট আব্দুল মান্নান খান। অপরদিকে জাতীয় পা্ির্টর পার্থী এ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে প্রচার ও প্রচারনা না করলেও গত ১৯ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার প্রচারণ শুরু করেছেন। আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের ম্যানেজ করে বিভিন্ন কৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন জাতীয় পার্টির এ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম। নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রথমে দিধাদন্ধ থাকলেও অবশেষে কৌশল নিয়ে মাঠে অবস্থান করছেন এই প্রার্থী। এই প্রার্থী প্রথম দিনেই নবাবগঞ্জ উপজেলা চূড়াইন, কামারখোলা, মুন্সীনগর, দূর্গাপুর, গবীন্দপুর, গালীমপুর, কোমরগঞ্জ, বক্সনগর, মাগমারা, নবাবগঞ্জের গণসংযোগ করে ভোটারদের সাথে।আগামী ৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১(দোহার-নবাবগঞ্জ) এই আসনে দুই প্রার্থীর মধ্যে বিজয়ী কে হবেন তা দেখার জন্য অপেক্ষা করছেন দুই উপজেলার ভোটাররা। নির্বাচনী ইস্তেহারে দুই প্রার্থীর মধ্যে  কে ভোটারদের আকৃষ্ট করতে পারবেন ও ভোটের হিসাব নিকাশে ফল বের করতে পারবেন এটাই এখন দেখার ব্যপার মনে করছেন স্থানীয়রা।

নবাবগঞ্জের বড় গোল্লায় বড়দিন উৎযাপিত

0

বিপুল উৎসাহ ও উদ্দিপনার মাঝে নবাবগঞ্জের বড় গোল্রায় উৎযাপিত হলো খ্রিষ্টানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড় দিন। বড়দিন উপলক্ষ্যে নবাবগঞ্জের বড় গোল্লা মিশনের ৬টি গ্রামের খৃষ্টানসহ সকলের মাঝে চলছে আনন্দের বন্যা। আর এ আনন্দ চলবে আগামী ১লা জানুয়ারী পর্যন্ত।

বড়দিন উপলক্ষ্যে প্রতিটি বাড়িতে তৈরী করা হয়েছে বিভিন্ন রকমের পিঠা। আর সেই সঙ্গে রয়েছে তাদের নিজের হাতের তৈরী কেইক। অতিথিদের আগমনে নানা রকম পিঠা দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। বিশেষ অতিথিদের আপ্যায়নে থাকে বিদেশী মদ।

বড়দিনের সবথেকে আকর্ষণীয় পর্বটি হলো কীর্ত্তন। আর এ কীর্ত্তনকে ঘিরে গ্রামের যুবক-কিশোর ও ছোটরা আনন্দে মেতে ওঠে। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও গোল্লা মিশনে ৬টি কীর্ত্তন দল গঠিত হয়েছে। কীর্ত্তন দলগুলো প্রতিটি গ্রামের ক্লাবের কর্মকর্তারা পরিচালনা করে থাকে। এ সকল কীর্ত্তণ দলের সখীরা  (বয়সে ছোট) নানা সাজে সজ্জিত হয়ে বাড়ি বাড়ি দলবেধে নাচ-গান করে বখশিস নিয়ে থাকে। কীর্ত্তনের গানগুলো সাধারণত রচিত হয় যীশু ও তার মা মারিয়াকে নিয়ে এবং এ গানগুলো তারা নিজেরাই লেখে এবং সুর দেয়। কোন গ্রামের কীর্ত্তন কত সুন্দর তা নিয়ে একটি অলিখিত প্রতিযোগিতা চলে যা কীর্ত্তনকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলে।

উল্লেখ্য বাংলাদেশের ক্যাথলিক খৃষ্টানদের মাঝে ১৮ গ্রাম বলে খ্যাত দোহার-নবাবগঞ্জের বড় গোল্লা মিশন অন্যতম একটি বৃহৎ খৃষ্টান অধ্যুষিত এলাকা। ১৯৭১’র মুক্তিযুদ্ধে এ মিশনের ফাদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হয়েছিলেন। ৬টি গ্রাম নিয়ে গঠিত এ মিশন। গ্রামগুলো হলো- বড় গোল্লা, ছোটো গোল্লা, দেওতলা, পাদরি কান্দা, বালির ডিগর ও মহব্বতপুর-পুরাতন বান্দুরা।

চুড়াইনে অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তার বাড়ি দখলের পায়তারা, মেয়েকে অপহরণের হুমকি

0

আসিফ শেখ♦ নবাবগঞ্জ উপজেলার চুড়াইনে প্রবাসীর জমি দখলের পায়তারা করে গাছপালা কেটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে সন্ত্রাসীরা ১০ লাখ টাকা দাবী করে। দাবী পূরণ না করলে স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে অপহরণের হুমকি দেয়। এ ঘটনার পর আতংকে দিন কাটছে অবসর প্রাপ্ত সেনা পরিবারটির।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চুড়াইন ইউনিয়নের চুড়াইন গ্রামের প্রবাসী অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা জালাল উদ্দিনের ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছে স্থানীয় আব্দুল কুদ্দুসের নেতৃত্বে কতিপয় প্রভাবশালী লোক। ২১ ডিসেম্বর  দুপুরে ২০/২৫ জন লোক নিয়ে আব্দুল কুদ্দুস জালালের বাড়ীতে হামলা করে ঘর-দরজা তছনছ করে। এ সময় তারা বাড়ীর পাশে ৫টি বাঁশ ঝাড়ের ৩ শতাধিক বাঁশ ১৩টি আম গাছ ৯টি মেহগনি গাছসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার গাছপালা কেটে নিয়ে যায়। পরিবারটির কাছে ১০ লাখ টাকাও দাবী করা হয়। টাকা না দিলে ৮ম শ্রেণীতে পড়ুয়া অপহরণের হুমকি দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ বিষয়ে আব্দুল কুদ্দুসের সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

জালাল উদ্দিনের স্ত্রী পারভীন আক্তার অভিযোগ করেন, এ ঘটনার পর নবাবগঞ্জ থানায় গেলে পুলিশ তাদের মামলা বা জিডি নেয়নি। সোমবার আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করা হয়। আদালত ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে কেরানীগঞ্জ সার্কেল এএসপিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

পারভীন বলেন, বিগত প্রায় ২০ বছর যাবৎ ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে এ জমিতে ভোগদখল করে আসছেন।

এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার ওসি সায়েদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এখানে নতুন এসেছি। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটিতে নুরে আলম ও সুরুজ আলম

0

নিউজ৩৯♦ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটিতে সহ-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দোহারের দুই তরুন নেতা। রাজনীতিতে ছাত্রলীগের মাধ্যমে প্রবেশ করা ছাত্রলীগের ঢাকা জেলার সাবেক আহ্বায়ক সুরুজ আলম সুরুজ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ-গবেষনা সম্পাদক নুরে আলম উজ্জলকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ সাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদের এই পদ-প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ছাত্রলীগের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে যোগ দেয়া সুরুজ আলম সুরুজ আওয়ামী লীগের তৃনমূল থেকে উঠে এসেছেন। রাইপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর দিনের দিনের পর দিন কাজ করে গেছেন সংগঠনের জন্য। ছাত্রলীগের দুঃসময়ে পালন করেছেন ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়কের দায়িত্ব। ছাত্ররাজনীতিতে অত্যন্ত সফল এই নেতা স্থান পেয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতেও। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র সুরুজ আলম সুরুজ ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি জড়িত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে। সেই সাথে যুক্ত ছিলেন ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটিতেও। করেছেন এরশাদের শাষনের সময় স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনও। রাজনীতির ময়দানে দক্ষ ও পরিক্ষিত এই নেতার সঠিক মূল্যায়নের দোহারে আওয়ামী লীগের রাজনীতি আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকগন।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ-গবেষনা সম্পাদক নুরে আলম উজ্জল ঢাকা-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফর্ম কিনে আলোচনায় আসেন। ছাত্রজীবনে মহানগর ও কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্ব তিনি পালন করেছেন দক্ষতার সাথে। বর্তমানে আইনজীবি লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা এই তুরন নেতাকেও মূল্যায়ন করেছে আওয়ামী লীগ। সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত “আইন ও বিধি-বিধান” নামে একটি আইনি পরামর্শ ভিত্তিক একটি অনুষ্ঠানের সঞ্চালকের দায়িত্বও পালন করেন।

বড়দিন: ঈশ্বরের অনবদ্য প্রেমগাঁথা

0

২৫ ডিসেম্বর বড়দিন। বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি খ্রিস্টধর্মাবলম্বী ভক্তের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যা পশ্চিমা বিশ্বে ক্রিসমাস হিসেবে পরিচিত। পাপে নিমজ্জিত মানব জাতিকে মুক্তি দিতে দুই হাজারেরও বেশি বছর আগে ঈশ্বর তাঁর একমাত্র পুত্রকে মানুষ হিসেবে এ জগতে প্রেরণ করেন- মানুষকে ভালোবেসে মানবরূপ ধারণ করে মানুষের মধ্যে বাস করতে এবং সময় পূর্ণ হলে মানুষকে পাপের দাসত্ব থেকে মুক্ত করতে ক্রুশে মৃত্যুও মধ্য দিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে।

ঈশ্বর এ জগতকে ও তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষকে এতই ভালোবাসলেন যে নিজ পুত্রকে তিনি অকাতরে দান করলেন। এর মাধ্যমে বহু বছর পূর্বে প্রবক্তা বা নবীগণের মুখে উচ্চারিত প্রতিশ্রুতির ভাববাণী ঈশ্বর পূর্ণ করলেন। ঘোর অমানিশায় উদিত হলো নতুন সূর্য, হতাশা-নিরাশার পৃথিবীতে জন্ম হলো আশার, রচিত হলো মানুষের প্রতি ঈশ্বরের ভালোবাসার পরম নিদর্শন, এক অসামান্য প্রেমগাঁথা। ঈশ্বরের এই অনবদ্য প্রেমের ঘটনা, তাঁর পুত্র যীশু খ্রিস্টের মানুষ হিসেবে জন্ম গ্রহণের কথাকে স্মরণ করেই প্রতি বছর মহাসমারোহে বড়দিন উৎসব পালন করা হয়।

যীশুর মানবদেহ ধারণ ও মানুষের মধ্যে বাস করা প্রমাণ করে মানুষের প্রতি সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বরের অকৃত্রিম ভালোবাসা। ঈশ্বরপুত্র হয়েও গোয়াল ঘরে যাবপাত্রে জন্মগ্রহণ মানব ইতিহাসে অসামান্য ও অদ্বিতীয় নম্রতার নিদর্শন স্থাপন করেছেন।

বাইবেল বলে, “তিনি তো স্বরূপে ঈশ্বর হয়েও ঈশ্বরের সঙ্গে তাঁ সমতুল্যতাকে আঁকড়ে থাকতে চাইলেন না বরং নিজেকে তিনি রিক্ত করলেন, দাসের স্বরূপ গ্রহণ কওে তিনি মানুষের মতো হয়েই জন্ম নিলেন (ফিলিপ্পীয় ২:৫-৮)।” মানুষের মধ্য দিয়েই  ঈশ্বরের মহান ও শ্বাশত প্রেম সবার কাছে প্রকাশিত হয়েছে। তাই তো জীবনবোধ ও মানবিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধ্যাত্মিক রসবোধ ও আনন্দে আপ্লুত হয়ে গেয়েছেন-

“তাই তোমার আনন্দ আমার ’পর
তুমি তাই এসেছ নিচে
আমায় নইলে, ত্রিভুবনেশ্বর,
তোমার প্রেম হত যে মিছে।”

স্রষ্টার সৃষ্টির এই প্রেমের প্রকাশ আনন্দের মধ্যে ও নতুন সৃষ্টি বিকাশে। জীবনের আনন্দরসের চেতনা স্বয়ং স্রষ্টার, সৃষ্টির মধ্যে তার প্রকাশ ও বিকাশ। তাঁর প্রেমময় সত্তায় আছে জীবন, আছে মহাশান্তি। জীবনে পূর্ণতা আনার জন্য ও পরমানন্দের অংশীদার হবার আকাংক্ষা বড়দিনের মনো-চেতনার অন্যতম অনুসঙ্গ।

শান্তি ও আনন্দের অনুভূতি নিয়ে অন্তরলোক আলোকিত করে প্রতি বছরই উদযাপন করা হয় যীশু খ্রিস্টের জন্মোৎসব ‘বড়দিন’। বিশ্বের সর্বত্রই বড়দিন অতি পরিচিত, জনপ্রিয় ও আনন্দোৎসব হিসেবে বিবেচিত। পরিবর্তনশীল মননে বড়দিনের উৎসবময়তায় এসেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। এই বড়দিনের আয়োজনে বিশ্বম-লের মানুষ ব্যস্ত হবে উৎসবের আনন্দে হৃদয়পাত্র পূর্ণ করায়। বাইবেলীয় ঘটনায় যীশু অতি দীনহীনভাবে নিঝুম শীতের রাতে গোয়াল ঘরে যাবপাত্রে জন্ম নিয়েছিলেন। একখ- বস্ত্রে জড়িয়ে নবজাত ত্রাণকর্তাকে তাঁর জননী মেরী শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষার প্রয়াস চালিয়েছিলেন।

ঈশ্বরপুত্রের মানবরূপে পরিগ্রহণে ন্ম্রতার যে অভূতপূর্ব নির্দশন ফুটে উঠে, তা আমাদের আহ্বান জানায় হৃদয়ের নম্র ও বিনয়ী হবার। যে রাতে যীশুর জন্ম হয় সে রাতে উৎসবের কোন আয়োজন ছিলো না। তবে দেবলোকের আনন্দ সঙ্গীতের সাথে সুর মিলিয়ে রাখাল ও পন্ডিতেরা এসেছিল খ্রিস্টকে প্রণাম জানাতে, উপহার দিতে। স্বর্গদূত বাহিনীর আনন্দধ্বনি শুনে রাখালরা খ্রিস্টের জন্মের প্রথম দর্শক ও প্রথম জন্মোৎসবকারী ভক্ত হিসেবে মানবত্রাতা শিশু যীশুর করকমলে ভক্তির অঞ্জলি নিবেদন করে।

এরপর প্রাচ্যদেশের তিনজন পন্ডিত মুক্তিদাতার জন্ম লক্ষণ হিসেবে আকাশে উদিত উজ্জল তারা দেখে এসেছিল রাজাধিরাজকে সম্মান ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে। সেই আনন্দ সংবাদ, মুক্তিদাতার জয়গানে জগৎ আজ মুখরিত।

খ্রিস্ট সর্বজনীন। তাঁর প্রেম, তাঁর মুক্তিদায়ী কাজও সর্বজনীন। খ্রিস্টধর্ম তাই সর্বজনীনতার ধর্ম। কেউ ধর্ম নিয়ে জন্মায় না। মানবধর্ম কিংবা সমাজধর্মে তাকে দীক্ষা নিতে হয়। সে যে ধর্মেরই হোক না কেন, মানব ধর্মই তার প্রথম ধর্ম। সে ‘মানুষ’ এটাই তার প্রথম  ও প্রধান পরিচয়। মানবতাবোধ না থাকলে কোন ধর্ম পালনই যথার্থ হয় না। এই বোধ সব ধর্মের সার হওয়ার আহ্বান, শ্রেষ্ঠতম আহ্বান। এটা সর্বজনীন আহ্বান।

খ্রিস্ট মানবতাকে সামনে এনে ধর্মীয় গোঁড়ামী, কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসকে বারংবার তিরস্কার করেছেন। নিয়ম-সর্বস্ব ও মৌলবাদী শাস্ত্রী, ফরিশী ও ধর্মনেতাদের অন্যায্য ও অমানবিক আচরণের কঠোর সমালোচনা করেছেন।

তিনি এসেছিলেন মানুষকে মুক্ত করতে। পাপ কালিমা আর অসত্যের ঘোর অন্ধকারে মানুষ যখন আচ্ছন্ন, মোহাবিষ্ট তখনই খ্রিস্ট এলেন আলো হয়ে। এই আলো মানুষের প্রয়োজন ছিলো। অনেকেই সেই আলোতে জীবনে সঠিক পথের সন্ধান পেলো। কিন্তু কিছু অকৃতজ্ঞ মানুষ তাঁকে চিনতে না পেরে প্রত্যাখ্যান করলো। জগতের পাপের বোঝা বয়ে তিনি ক্রুশের উপরে প্রাণ দিলেন, মানুষের প্রতি ভালোবাসার চরম পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে নিজের হত্যাকারীদের জন্য উচ্চারণ করলেন ক্ষমার বাণী। সৃষ্টি করলেন অনন্য আদর্শ, যা যুগে যুগে কালে কালান্তরে অনুকরণীয়। খ্রিস্টের আদর্শে জীবনে আলোকিত মানুষ হবার প্রেরণায় নশ্বর দেহ নয় বরং অবিনশ্বর আত্মার সৌন্দর্য বর্ধনের চেতনাই বড়দিনের অঙ্গীকার।

বড়দিনের আনন্দ চেতনা সর্বদা সুন্দর সহভাগিতাময় উপলব্ধিতে তাৎপর্যমন্ডিত। কেননা বড়দিন হলো মুক্তি, ক্ষমা ও আত্মশুদ্ধি, সর্বোপরি ভালোবাসার উৎসব। আত্মার সৌন্দর্য হলো ক্ষমা, ক্ষমার ফল মিলন এবং মিলনের আনন্দোৎসবই হলো বড়দিন। এই মহোৎসবের আনন্দ ও মাহাত্ম্য দিয়ে জীবন নতুনভাবে শুরু করা যায় এবং পূর্ণতার জন্য আজীবন সাধনা করে যেতে হয়। ক্যালেন্ডারের পাতায় বড়দিন যেভাবে উজ্জ্বল বর্ণে চিহ্নিত থাকে, তেমনি করে বড়দিনের আনন্দধ্বনি জ্বলজ্বল করে জ্বলুক সবার হৃদয়ে। বড়দিনের উৎসবমুখরতার মাঝে অকৃত্রিম প্রেমে প্রতিবেশী মানুষকে ‘ভাই-বন্ধু’ বলে বুকে টেনে নিতে পারলে সার্থক হবে আমাদের জীবনে ঈশ্বরের প্রেমের মহাকাব্য, গড়ে উঠবে ভালোবাসার মিলন সমাজ॥

– রক রোনাল্ড রোজারিও: লেখক ও সাংবাদিক

পালামগঞ্জে ভেজাল তেল ব্যবসায়ীকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা

0

মোরাদ৩৯♦ শনিবার দোহার উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক ভেজাল বিরোধী অভিযানে পালামগঞ্জ এক ভেজাল তেল ব্যবসায়ীকে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে। শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে দোহার থানা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিমুল হক পাভেল।

পালামগঞ্জ বাজারে পদ্মা অয়েল কোম্পানির নামে দীর্ঘদিন যাবত বাজারজাতকারী মোহাম্মাদ আলীকে ভেজাল সয়াবিন, সরিষার তেল বিক্রয়ের জন্য চার লক্ষ টাকা অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড তার জামাইকে পঁচাত্তর হাজার টাকা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড এবং দোকানের কর্মচারীকে পাঁচশত টাকা অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দেয়। 

ঘটনাস্থল থেকে দোহার থানা পুলিশ প্রায় ৩০০ লিটার ভেজাল তেল ও বেআইনিভাবে পদ্মা অয়েল কোম্পানির স্টিকার জব্দ করেছে । আশেপাশের লোকজনেরা নিউজ ৩৯ কে জানান মোহাম্মাদ আলী দীর্ঘদিন যাবত এই ধরনের ভেজাল ব্যবসা করে আসছিল। 

দোহারে তরুনীসহ তিন মাদকসেবী আটক

0

মাদকের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলছে দোহার নবাবগঞ্জে। উঠতি বয়সের তরুন তরুনীরা জড়িয়ে পড়ছে মাদকের এই কড়াল গ্রাসে। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার সন্ধ্যায় জয়পাড়া কলেজ মার্কেটে দোহার থানা পুলিশের কাছে হাতেনাতে ধরা পরলো দুই মাদকসেবী। তাদের দেয়া তথ্যর ভিত্তিতে আরো একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে  রবিবার বিকালে জয়পাড়ার কলেজ মার্কেটে অভিযান চালায় দোহার থানা পুলিশ। এসময় হিরোইন, গাজা ও ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেকজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন আলাউদ্দিন আহম্মেদের ছেলে মোঃ আরিফ (২২) ও আব্দুল খালেকের মেয়ে রেশমী আক্তার(২২)। পরে আটক করা হয় সোনিয়াকে। এসময় তাদের কাছে ১৪ পুরিয়া হিরোইন, ৫ পুরিয়া গাজা ও ২টি ইয়াবা ট্যাবলেট আটক করে পুলিশ।
পরে পুলিশ বাদি হয়ে থানায় ১৯৯০ সালের মাদক আইনের ১৯(১) তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

নির্বাচনী প্রচারণায় সালমা ইসলাম

0

আসিফ শেখ♦ সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঢাকা-১ (দোহার নবাবগঞ্জ) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন বর্তমান সর্বদলীয় সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, জাতীয়পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম।
২০ ডিসেম্বর শুক্রবার দুপুরে তার শশুরবাড়ির এলাকা নবাবগঞ্জ উপজেলার চুড়াইনের মরিচপট্টি গ্রাম থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এসময় তিনি ভোটারদের কাছে পার্টির প্রেসিডেন্ট হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের পক্ষে জাতীয়পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে তাদের ভোট ও দোয়া চান।
আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে সালমা ইসলামের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আওয়ামীলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান ও ওয়ার্কাস পার্টির করম আলী। তারা ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

নবাবগঞ্জে মান্নান খানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

0

সৌম্য রোজারিওঃ শনিবার দুপুরে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রস্তুতি সভায় রাজনৈতিক, সাংগঠনিক ও নির্বাচনকালীন প্রেক্ষাপট নিয়ে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পৃথক ২টি সভা করেন। এতে আলাদা আলাদাভাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আবদুল বাতেন মিয়া ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন ঝিলু । 

সভায় নেতাকর্মীরা সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খানের অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। সভা শেষে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে তারা বিক্ষোভ মিছিল করেন।
নবাবগঞ্জ সদর মুক্তিযোদ্ধা অফিস চত্বরে চুড়াইন ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন মোড়লের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা হয়। সভায় উত্তেজিত নেতাকর্মীরা সাবেক গৃহায়ন প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানের অনিয়ম, অবমূল্যায়ন, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কঠোর সমালোচনা করে নবাবগঞ্জে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। এ সময় বক্তারা আরও বলেন, গণতন্ত্রের মানস কন্যা শেখ হাসিনার বিশ্বাসকে ধ্বংস করে দোহার-নবাবগঞ্জের আওয়ামী লীগকে পথে বসিয়েছেন। আমরা তার নির্বাচন বয়কট করব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আবদুল বাতেন মিয়া, আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হান্নান উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশাররফ হোসেন দিলু, বাহ্রা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুবেদুজ্জামান সুবেদ, শিকারীপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলীমুর রহমান পিয়ারা, বকসনগর ইউনিয়নের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহীন খান, বাহ্রা ইউনিয়নের সভাপতি মোবারক হোসেন, গালিমপুর ইউনিয়নের সভাপতি হাজী আব্দুল মান্নান, আব্দুল ওয়াদুদ, শোল্লা ইউনিয়নের সভাপতি মাজাহারুল ইসলাম লেবু, মোশারফ হোসেন মোল্লা, বান্দুর ইউনিয়নের সভাপতি সামসুদ্দিন আহম্মেদ, জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সভাপতি আবুল হোসেন, আব্দুল মোতালেব, গিয়াস উদ্দিন, মোঃ জালাল উদ্দিন, কৃষক লীগের সভাপতি জাহিদ হায়দার উজ্জ্বলসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ।আলোচনা শেষে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

অপরদিকে শনিবার দুপুরে উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন ঝিলুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ কৃষক লীগের সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান ফকুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা আবদুল মান্নান খানের নিপীড়ন, নির্যাতন ও অনিয়মের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, মন্ত্রী হওয়ার পর কোনো নেতাকর্মী তার কাছে যেতে পারেনি। কাছে গেলেও নতুন করে পরিচয় দিতে হয়। গত ৫ পাঁচ বছরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্বেচ্ছাচার করেছেন, বিভিন্ন সময় নেতাদের গালিগালাজ করেছেন। এমনকি জুতা মেরে তার বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দিয়ে অপমান করেছেন। দলের দুঃসময়ে যারা আন্দোলন সংগ্রাম করে জেলজুলুম খেটেছে, মামলা, হামলার শিকার হয়েছে তাদের বারবার অবমূল্যায়ন করেছেন। অন্যদিকে নিয়মবহির্ভূতভাবে স্বার্থান্ধ ব্যক্তিদের সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। বক্তারা বলেন, আমরা এ ধরনের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারি না।
সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, উপজেলা দফতর সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল, দেওয়ান আওলাদ হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি এজাজ আহম্মেদ পান্নাসহ অনেকে।
উল্লেখ্য, গত ২০ ডিসেম্বর দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতারা সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানের দশম জাতীয় নির্বাচন বর্জন করবেন বলে ঘোষণা দেন।