মান্নান খানকে বর্জনে প্রস্তুতি সভা: দ্বিধান্বিত ঢাকা-১ আওয়ামীলীগ

0

দশম জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ ) আসনে সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্র্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানকে বর্জনে প্রস্তুতি সভা করেছে ঢাকার দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ। উপজেলা সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুলের বাসায় তার সভাপতিত্বে শুক্রবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। আর এতে দ্বিধান্বিত হয়ে পড়েছে দোহার নবাবগঞ্জ আওয়ামীলীগ। সেক্ষেত্রে জাতীয় পার্টি প্রার্থী সালমা ইসলাম সুবিধা পেতে পারেন বলে মনে করছেন অনেকেই। 

এ ব্যাপারে দোহার উপজেলা আওয়ামিলিগের সভাপতি সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল নিউজ৩৯ কে বলেন, আমরা জনগণের পক্ষে। জনগণ ও নেতা-কর্মি বিচ্ছিন্ন কোন নেতাকে জনগণ মেনে নেবে না। আমরা বিষয়টি দলীয় ফোরামে তুলবো। নবাবগঞ্জেও আজ মান্নান খান  তার এহেন অন্যায় কৃত কর্মের জন্য ইতিমধ্যে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে দোহার-নবাবগঞ্জ আওয়ামী লীগকে রক্ষা করতে হলে তার নির্বাচন বয়কট করা খুবই জরুরি। তার দুর্নীতির দায় দোহার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা বহন করবে না।
দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলী আহসান খোকন শিকদার নিউজ৩৯ কে বলেন, সততার কথা বললেও আবদুল মান্নান খানের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিভিন্ন দিক আজ মিডিয়ার মাধ্যমে সারা দেশবাসী জানে আর তিনি এর কোন প্রতিবাদও করেননি। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে তার ভাই নেতা-কর্মিদের সাথে বাজে ব্যবহারও করেছেন। দল ক্ষমতায় থাকা সত্বেও নেতা-কর্মিরা কোন সুবিধা পায়নি। তাই জনগণ আজ আওয়ামীলীগের পক্ষে থাকলেও  মান্নান খানকে বর্জনে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবং  কারো অন্যায়ের দায়ভার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নেবে না।
ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক নিউজ৩৯ কে বলেন, আসলে নেত্রী যাকে মনোনীত করেছেন তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাটাই হচ্ছে দলীয় আনুগত্য। আমি দল করি অথচ সিদ্ধান্ত মানি না এটাতো দলীয় শৃঙ্খলা লংঘন। আর দলে যদি ভুল কেউ করে তবে তাকে সংশোধন করাটাইতো সর্বাগ্রে প্রয়োজন। তারপরও যদি আমাদের মাঝে কোন দূরত্ব থাকে তবে অবশ্যই আমরা তা দূর করবো। আর মনোনীত প্রার্থীর ব্যাপারে কারও কোন আপত্তি থাকলে উচিত ছিল আগেই বিষয়টি তোলা ও সমাধান করা।
এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানকে ফোন দিলেও তিনি তা রিসীভ করেননি। 


আগামী মঙ্গলবার দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ জয়পাড়াতে একটি বিশাল জন সমাবেশের মাধ্যমে মান্নান খানকে বর্জনের সভা করবে বলে
একটি নির্ভরশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে
দলীয় সূত্র নিউজ৩৯কে জানায়, শুক্রবার সভায় বক্তারা সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, নির্যাতন-নিপীড়ন, ক্ষমতার অপব্যবহার, নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন ও ভাই মোতালেব খানের নির্যাতনের প্রতিবাদে দোহার আওয়ামী লীগের নেতারা তার নির্বাচনী কর্মসূচি বয়কট করবে। আবদুল মান্নান খান আওয়ামী লীগের ব্যানারে মন্ত্রী হয়ে দুর্নীতি ও পরিবারতন্ত্রে মেতে উঠেন।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা বিশ্বস্ত মনে করে তাকে মন্ত্রী বানিয়েছেন। অবৈধ ক্ষুধার তারনায় তার অপকর্ম ও হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ঘটনা পত্রপত্রিকায় প্রকাশ পাওয়ায় দোহার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে নিয়ে লজ্জিত। সভায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের সব নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে নেতাদের অবমূল্যায়ন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
সভায় নেতারা আরও বলেন, ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে আওয়ামী লীগকে রক্ষা করতে হলে তার নির্বাচন বয়কট করা খুবই জরুরি। তার দুর্নীতির দায় দোহার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা বহন করবে না। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে মান্নান খানের নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়া হবে বলেও সভায় জানানো হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সহ-সভাপতি বজলুর রহমান কামাল, দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলী আহসান খোকন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আনার কলি পুতুল, সহ-সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, বিলাশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লা, সহ-সভাপতি মোল্লা মোঃ বেলাল হোসেন, করম আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, মোঃ আওলাদ হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইয়াহিয়া খান ঝুনু, জয়পাড়া কলেজ শাখার সভাপতি মোশাররফ হোসেন, পৌর যুগ্ম-আহ্বায়ক জয়সহ অঙ্গসংঠনের বিভিন্ন নেতা-কর্মীরা। 

জাতিসংঘের অর্থায়নে দোহারে বাঁধ নির্মাণ শুরু

0

অবশেষে সরকারী নয় জাতিসংঘের দূরযোগ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের অধীনে দোহার উপজেলার মাহমুদপুর আশ্রায়ন প্রকল্প থেকে কাটাখাল পরযন্ত সোয়া এক কিলোমিটার বাধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দোহার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শামীমুল হক পাভেল এই নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।

এ ব্যাপারে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল্লাহ নিউজ৩৯কে জানান, পদ্মার ভয়াল ভাঙ্গনে দোহার উপজেলার জনগণ মানবেতর জীবন যাপন করছে। আর জাতিসংঘের তথ্য মোতাবেক বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্থ দেশ। তাই জাতিসংঘের নিজস্ব উদ্যোগে ও সরকারের সহায়তায় ১৭ লাখ টাকা ব্যায়ে এই সোয়া এক কিলোমিটার বাধ নির্মাণ শুরু হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের ভিতরে তা শেষ হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। এ সময় দোহার উপজেলা প্রকৌশলী ফরহাদ হোসেন, মাহমুদপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তোফাজ্জ্বল হোসেন, নয়াবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। 

দোহারে বৃত্ত গ্রুপের অফিসে হামলা

0

দোহারে, ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান বৃত্ত গ্রুপের প্রধান অফিসে কে বা কারা শুক্রবার রাত ৩টায় হামলা চালিয়েছে। অফিসটি দোহার উপজেলার লটাখোলার করম আলী মোড়ে করম আলী টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত। বৃত্ত গ্রুপের অন্যতম পরিচালক মোঃ আলমগীর হোসেন নিউজ৩৯কে জানান, রাত ৩টায় মার্কেটের মালিক করম আলী তাকে ফোন করে জানান কে বা কারা তাদের অফিস লক্ষ্য করে বড় বড় ইট/পাথর নিক্ষেপ করে পালিয়ে গেছে। অতঃপর তারা ঘটনাস্থলে পৌছলে তাদের বাইরের দিকে কাচের ১০মিমি শীল্ড ভেঙ্গে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে। তিনি এতে ক্ষতির পরিমাণ ৩০/৩৫ হাজার টাকা বলে জানান। 

এ ব্যাপারে মার্কেটের মালিক করম আলী দোহার থানায় একটি জিডি করেছেন বলে জানান। জিডি নম্বর ৭২২/২০/১২/১৩ । দোহার থানা ওসি কামরুল ইসলাম শুক্রবার সকাল ১০টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
উল্লেখ্য করম আলী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসন বলে পরিচিত দোহার-নবাবগঞ্জ আসনের ওয়ার্কার্স পার্টি মনোনীত প্রার্থী।  

যুগান্তরের ধারাবাহিক প্রতিবেদনে ইমেজ সংকটে আব্দুল মান্নান খান

0

সাবেক গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খানকে নিয়ে আবার প্রতিবেদন করেছে দেশের শীর্ষ স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা যুগান্তর। ক্রমাগত গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রনালয় নিয়ে প্রতিবেদনের কারনে ইমেজ হারাচ্ছেন আব্দুল মান্নান খান। নিউজ৩৯ তার পাঠকদের জন্য প্রতিবেদনটি প্রকাশ করলো।

সাবেক গৃহায়ন ও পূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১ আসনের (দোহার-নবাবগঞ্জ) এমপি আবদুল মান্নান খানের পাঁচ বছরের ব্যবধানে সম্পদ বেড়েছে বহুগুণ। পাঁচ বছর আগে নিজের কাছে থাকা নগদ ৫১ হাজার টাকা এখন ৪০ লাখে পরিণত হয়েছে। আর প্রতিমন্ত্রী হওয়ার আগে ব্যাংকে মাত্র ১৭শ’ টাকা গচ্ছিত থাকলেও এখন শুধু এফডিআরের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭ লাখ টাকা। আগে গাড়ি ছিল না, এখন রয়েছে প্রায় ৫০ লাখ টাকা মূল্যের পাজেরো গাড়ি। আগে কোনো ফ্ল্যাট ছিল না। থাকতেন কলাবাগানের ভাড়া বাসায়। এখন সেখানে একাধিক ফ্ল্যাট। আর গ্রামের বাড়ির টিনের তৈরি চৌচালা ঘরের পাশে তৈরি হয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের সুরম্য অট্টালিকা। স্ত্রীর নামেও জমা হয়েছে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও আছে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ। নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া প্রদর্শিত সম্পদ বিবরণী থেকে এমন বিস্ময়কর তথ্য জানা গেছে। এছাড়া যদি এর বাইরে অপ্রদর্শিত কোনো সম্পদ ও নগদ অর্থ থাকে তাহলে হতবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

নিজের ও নির্ভরশীলদের আয় : সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান খান এবং তার ওপর নির্ভরশীলদের আয়ের উৎস সম্পর্কিত বিবরণীতে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালে তার কৃষি খাতে বার্ষিক আয় ছিল ১৫ হাজার টাকা, পাঁচ বছর পর এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার টাকা। ব্যবসা বলতে তখন তার কিছুই ছিল না। এখন তার নিজের ব্যবসা না থাকলেও নির্ভরশীলদের ব্যবসা থেকে বছরে আয় হয় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। পাঁচ বছর আগে তার কোনো শেয়ার, সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক আমানত ছিল না। এখন সেখানে প্রদর্শিত এসব অর্থ থেকেই বছরে আয় করেন ১ লাখ ১১ হাজার ৯০৮ টাকা এবং তার ওপর নির্ভরশীলরা এই খাত থেকে আয় করেন ১১ হাজার ৮৪৭ টাকা। পাঁচ বছর আগে আইন পেশা থেকে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর আয় ২ লাখ টাকা। এখন তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় দেখানো না হলেও নিজের আয় দেখানো হয়েছে ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৬শ’ টাকা। এই আয়ের বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়া না হলেও সম্ভবত তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বছরে যে বেতন-ভাতা পেয়েছেন সেই হিসাব দেখানো হয়েছে। পাঁচ বছর আগে তার অন্য কোনো আয় দেখানো না হলেও এবার বলা হয়েছে, তিনি মৎস্য ও রেমিটেন্স থেকে বছরে পেয়েছেন ১ কোটি ৪৪ লাখ ৬৩ হাজার ২২৭ টাকা। এছাড়া এ খাতে তার ওপর নির্ভরশীলদের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৫ টাকা। তবে এ প্রসঙ্গে কোনো ব্যাখ্যা কিংবা মৎস্য ও রেমিটেন্স থেকে পৃথকভাবে আসা টাকার হিসাব দেখানো হয়নি। বিদেশ থেকে কারা রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন তাও বলা নেই। হয়তো আয়কর ফাইলে থাকতে পারে। তবে এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয়, পাঁচ বছর আগে মৎস্য ও রেমিটেন্স খাতে কোনো অর্থের উৎস দেখানো না হলেও প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর এ দুটি খাত থেকে মোটা অংকের অর্থের জোগান হয়েছে।

অস্থাবর সম্পদ : অস্থাবর সম্পদ বিবরণীর হিসাবে পাঁচ বছর আগে তার নিজের কাছে নগদ টাকা ছিল মাত্র ৫১ হাজার এবং স্ত্রীর কাছে ২৫ হাজার টাকা। আর পাঁচ বছর পরে এখন তার নিজের কাছে নগদ টাকার পরিমাণ ৪০ লাখ এবং স্ত্রীর কাছে ১৫ লাখ টাকা। পাঁচ বছর আগে তার স্ত্রীর নামে কোনো শেয়ার না থাকলেও এখন রয়েছে ২ লাখ টাকার শেয়ার। পাঁচ বছর আগে তার ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৬৯১ টাকা এবং এখন পোস্টাল, সেভিংস সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানত ও বিনিয়োগের মধ্যে সঞ্চয়পত্র ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও এফডিআর রয়েছে ৩৭ লাখ টাকার। এছাড়া তার নামে রয়েছে সাড়ে ৬ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র। আগে তার কোনো গাড়ি ছিল না। এখন প্রায় ৫০ লাখ টাকা দামের একটি পাজেরো গাড়ি রয়েছে, যা তিনি প্রতিমন্ত্রী হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে কিনেছেন। পাঁচ বছর আগে তার কেনা স্বর্ণালংকারের পরিমাণ ছিল ১৫ ভরি এবং স্ত্রীর ২০ ভরি (বিয়ের সময় পাওয়া)। এখন নিজের অর্জনের ক্ষেত্রে আগের পরিমাণ দেখানো হলেও স্ত্রীর স্বর্ণালংকারের ক্ষেত্রে পরিমাণ উল্লেখ না করে বলা হয়েছে পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত, মূল্য অজানা। ইলেকট্রনিক সামগ্রী আগে ছিল ৪০ হাজার টাকা, এখনও একই পরিমাণ দেখানো হয়েছে। তবে স্ত্রীর নামে আগে কোনো ইলেকট্রনিক সামগ্রী দেখানো না হলেও এবার ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী রয়েছে বলে বলা হয়েছে। সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর নিজের নামে থাকা পাঁচ বছর আগে আসবাবপত্রের মূল্য দেখানো হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। এখনও তাই বলা হয়েছে। তবে স্ত্রীর নামে আগে কোনো আসবাবপত্র দেখানো না হলেও এবার বলা হয়েছে ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ফার্নিচার রয়েছে। এছাড়া মান্নান খানের নামে অন্যান্য অস্থাবর সম্পদের মধ্যে আগে কোনো সম্পদ না থাকার কথা বলা হলেও এবার দেখানো হয়েছে ৫০ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদ এবং স্ত্রীর নামে অ্যাপার্টমেন্টের জন্য অগ্রিম ৬০ লাখ টাকা।

স্থাবর সম্পদ : পাঁচ বছর আগে নিজ নামে কোনো কৃষি জমি ছিল না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। স্ত্রীর নামে পৈতৃক সূত্রে মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী যৌথভাবে ৩ ভাই ও ৫ বোনের প্রাপ্য জমি ৫ একর। এর থেকে ১ মেয়ের নামে যা আসে। পাঁচ বছর পর এবার পৈতৃক সূত্রে মান্নান খানের পাওয়া কৃষি জমির পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৫ একর। স্ত্রীর নামে ৫০ হাজার টাকা মূল্যের কৃষি জমি। যদিও সূত্র জানিয়েছে, স্ত্রীর নামে পিতার বাড়ির এলাকা বগুড়া সদরে প্রচুর জমি কেনা হয়েছে। অকৃষি জমির মধ্যে পাঁচ বছর আগে নিজ নামে দেখানো হয় পাঁচ কাঠা নাল জমি। স্ত্রীর নামে গুলশানে সোয়া ৮ শতক জমি। দাম ৯৫ হাজার টাকা। এছাড়া গুলশানের বেরাইদ মৌজায় ৩১ শতক নাল জমি, মূল্য ৫০ হাজার টাকা। পাঁচ বছর পর নিজের নামে থাকা অকৃষি জমির মূল্য দেখানো হয়েছে ৩১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর নামে থাকা জমির মূল্য ১ কোটি ৬৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। পাঁচ বছর আগে নিজের এবং স্ত্রীর নামে কোনো পাকা দালান ছিল না বলে বলা হয়। এখন সেখানে আবাসিক কাম বাণিজ্যিক দালানের (নূর আলী টাওয়ারে দুটি ফ্ল্যাট) মূল্য দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। অথচ এখানে দুটি ফ্ল্যাটের বাস্তব মূল্য কমপক্ষে ৬ কোটি টাকা। পাঁচ বছর আগে কোনো মৎস্য খামার ছিল না বলে বলা হলেও এবার বলা হয়েছে পৈতৃক সূত্রে মান্নান খান পেয়েছেন ৫ একর মৎস্য খামার ও স্ত্রীও পৈতৃক সূত্রে ৫ একর মৎস্য খামার পেয়েছেন।

নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ : নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া সম্পদ বিবরণীর এক স্থানে মান্নান খান লিখিতভাবে জানিয়েছেন, তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় জনগণের কাছে দেয়া সব প্রতিশ্র“তি শতভাগ পূরণ করেছেন। এক্ষেত্রে আইন-শৃংখলা, রাস্তাঘাট, নতুন রাস্তা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার ও নির্মাণ এবং মন্দিরে সহায়তা প্রদানে শতভাগ ওয়াদা রক্ষা করতে পেরেছেন।

যুগান্তর সূত্র জানিয়েছে, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান খানের দুই সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে ব্যাংক এশিয়াতে চাকরি করেন। সেখানে তিনি মাসিক বেতন পান প্রায় ৪২ হাজার টাকা। এছাড়া ছোট ছেলে পড়াশোনা করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্ত্রী পোলট্রি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। প্রতিমন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি রাজধানীর কলাবাগান লেকসার্কাস রোডে একটি সাধারণ বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সরকারি বাসায় ওঠার আগে এখান থেকে তিনি কয়েকদিন সচিবালয়ে যাওয়া-আসা করেন। গত পাঁচ বছরে শুধু প্রতিমন্ত্রী ও তার ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বাড়েনি, যারা মন্ত্রণালয়ে তার একান্ত সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন তাদেরও নগদ অর্থ ও সম্পদ বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

দোহারে জাল টাকাসহ আটক এক জন

0

নিউজ৩৯ ♦ দোহার উপজেলার জয়পাড়ায় জাল নোটসহ সেকান্দার আকন্দ (৪৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক কৃত সেকান্দার আকন্দ উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের হাজার বিঘা গ্রামের মমিন আকন্দের ছেলে। বুধবার বিকাল ৪টায় উপজেলাধীন ইসলামী ব্যাংক জয়পাড়া শাখায় টাকা জমা দেওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।

শাখা ব্যবস্থাপক মো. আলী আহসান নিউজ৩৯কে জানান, বুধবার বিকালে ইসলামী ব্যাংক জয়পাড়া শাখার একটি একাউন্টে ৫৬ হাজার টাকা জমা দিতে ক্যাশ কাউন্টাওে জমা দেন সেকান্দার আকন্দ। এ সময় কর্তব্যরত কর্মকর্তা তার জমাকৃত বান্ডেল থেকে ৮টি ১ হাজার টাকার জাল নোট সনাক্ত করেন। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সেকান্দার আকন্দকে পুলিশে সোপর্দ করে।
দোহার থানার ওসি কামরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সেকান্দার আকন্দ এর বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সনের মুদ্রা আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

লটাখোলা ব্রীজ ভেঙ্গে পড়লো

0

নিউজ৩৯♦ মাহমুদপুর ইউনিয়নের সাথে দোহার উপজেলার যোগাযোগের অন্যতম প্রধান সড়কের লটাখোলা ব্রীজটি ভেঙ্গে পড়েছে। ফলে দূর্ভোগে পড়েছে শতশত শিক্ষার্থীসহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের প্রায় দশ হাজার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে মাটি বোঝাই করা একটি ট্রাক ব্রীজে পাড় হওয়ার সময় ব্রীজটির পিলার দেবে যায়। এসময় মাঝখানে বিশাল ফাটল দেখা দেয়। পরবর্তীতে ব্রীজটির উপর দিয়ে যানবাহনের চলাচল বন্ধ করে দেয় এলাকাবাসী।
মাহমুদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল ইসলাম নিউজ৩৯কে জানান, এই বিষয়ে আমি দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করেছি। এবং তারা এটি পরিদর্শনও করে গেছেন। এলাকাবাসীর যাতায়াতের সুবিধার জন্য আমরা একটি বিকল্প রাস্তা ঠিক করেছি।”
স্থানীয় বাসিন্দা নুরু ব্যাপারী ব্রীজটির ঠিকাদারকে দায়ি করে বলেন, ব্রীজটি মাত্র ২৫ বছর আগে নির্মান হয়েছিল। কিন্তু এতো অল্প সময়ে এটি ভেঙ্গে গেল! 

নবাবগঞ্জের শোল্লায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

0

আসিফ শেখ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে শ্রাবন নামে সাড়ে ৩ বছরের এক ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৭ ডিসেম্বর  মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের মদনমহনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুটি একই ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের মো. সেলিমের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে শ্রাবন মদনমহনপুর গ্রামের মামা বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। পরিবারের অগোচরে শ্রাবন বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে যায়। বিকাল সাড়ে ৩টার স্থানীয়রা শিশুটির দেহ ভেসে থাকতে দেখেন। পরিবারের লোকজন তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আজ ভোট ডাকাতি হয়েছে, জনগন অধিকার হারিয়েছে: নাজমুল হুদা

0

নিউজ৩৯♦ “যাদের ভোট আজ ডাকাতি হয়েছে , যারা ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে , তারাই আগামী দিনে রাজপথ উত্তপ্ত করে তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করে ছাড়বে।” বলে মন্তব্য করেছেন ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শাইনপুকুরে এক আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাজমুল হুদা এই কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, “আমরা একটা শব্দ সম্পর্কে প্রায়ই শুনি আমরা মনে করি বিচারের নামে প্রহসন চলছে , আমরা বলি গনতন্ত্রের নামে প্রহসন , আমরা বলি সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে প্রহসন। আজকে এই প্রহসনের ব্যাপারে সম্পর্কে আপনারা ভুলে জানেন। কারন এ সরকার প্রহসনকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিয়েছে । আজ বাংলাদেশের জনগনকে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। আমি সাবধান করে দিতে চাই , যারা এই গনতন্ত্র কে নিয়ে খেলছেন আগামী দিনে আপনাদের মহাবিপদ।”
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে নাজমুল হুদা বলেন, তারা এই গনতন্ত্র বিশ্বাস করে না । আমি দেশনেত্রীকে বলতে চাই, আসুন আপনাকে জোর পদক্ষেপ নিতে হবে, জাতে করে নির্বাচনে কিংবা আন্দোলনে যে কোনো শত্রুর মোকাবেলা করতে পারি। বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান, আমাদের প্রত্যেকটি কমিটির শপথ নিতে হবে , আমরা গনতন্ত্রের মাধ্যমে আমরা দলকে সুসংগঠিত করব এবং প্রস্তুত থাকব নেত্রীর যেকোনো নির্দেশের জন্য।
তিনি আরো বলেন, “১৫৪ টা আসন আপনি ভোট ছাড়া জনগনের অধিকারকে বঞ্চিত করে জয় করে নিয়েছেন, আর বাংলাদেশের মানুষকে গনতন্ত্রের ধোঁকা দিবেন ? বাংলাদেশের জনগন অত বোকা নয়। তারা আপনাকে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে ফেলবে। বাংলাদেশের জনগন বাংলার রাজপথ উত্তপ্ত করে তাদের ভোটের অধিকার আদায় করবে।”

নাজমুল হুদা আরো বলেন, “বিএনপি দুটি চেতনায় বিশ্বাস করে। একটি জাতীয়তাবাদী চেতনা আরেকটি ধর্মীয় চেতনা। আমরা অবাঙ্গালী মুসলিম হতে চাই না আবার বাঙ্গালী হয়ে ধর্মকে ভুলে যেতে চাই না। ধর্ম কে বাদ দিয়ে ভাষা করা যাবে না, ভাষাকে বাদ দিয়ে ধর্মের কথা চিন্তা করা যায় না।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম ভুলু। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কামরুল হুদা, সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মেছের, রেজাউল হালিম, শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় নেতা ঈমান আলী, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান বানী মোল্লা, ঢাকা জেলা মৎসজীবি দলের সাধারন সম্পাদক আবুল হাসনাত, দোহার থানা যুবদলের সাধারন সম্পাদক মিরাজ খালাসী, মেঘুলা বাজার সভাপতি ও সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী রুবেল, ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাসুদ পারভেজ, দোহার উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবুল হাসেম,  সাধারন সম্পাদক সেন্টু ভুঁইয়া, দোহার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্মসাধারন সম্পাদক কামাল মোড়ল, জয়পাড়া কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সেক্রেটারী সিদ্দিকুর রহমান, পৌরসভা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সজীব হোসেন, দোহার পৌরসভা সেচ্ছাসেবকদলের সাধারন সম্পাদক মো: আব্দুল আজিজ, ছাত্রদল নেতা ফয়সাল আহম্মেদ, মোস্তাফিজুর রহমান নবীন,  বিএনপি নেতা জাহাঙ্গির বেপারি, হিটু মোল্লা, উপস্থিত ছিলেন।

নবাবগঞ্জে অটো চাপায় শিশুর মৃত্যু

0

আসিফ শেখ♦ নবাবগঞ্জ উপজেলায় অটোবাইকের চাপায় পড়ে অরপা (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার নুরনগর মীরেরডাঙি এলাকায় একটি অটোবাইক শিশুটিকে চাপা দিলে তার মৃত্যু ঘটে। নিহত অরপা ঐ গ্রামের কাজল দেওয়ানের মেয়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টায় উপজেলার নুরনগর মীরেরডাঙি গ্রামের শিশু অরপা বাড়ির পাশের রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতবেগে একটি অটোবাইক তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। স্থানীয়রা অরপাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে-ক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মন্তোষ পাল জানান, বিষয়টি কেউ পুলিশকে জানায়নি।

আকাশ-বিকাশ গ্রুপের আকাশ শ্রীনগরে নিহত

0

নিউজ৩৯♦ শ্রীনগরে দুর্ধর্ষ আকাশ-বিকাশ বাহিনীর অন্যতম প্রধান আকাশ প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে শ্রীনগরের তিনদোকান এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ গুলিবিদ্ধ লাশ উপজেলার জাহানাবাদ এলাকা থেকে উদ্ধার করে।

এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে ঢাকা-দোহা সড়কের তালুকদার বাড়ী এলাকায় আকাশ-বিকাশ গ্র“প আরাম পরিবহনের একটি বাসে উঠে যাত্রীদের জিম্মি করে ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। এ সময় ওই এলাকার রফিক নামের বাস যাত্রীর বাধার মুখে তারা ছিনতাইয়ে ব্যর্থ হয়। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে রফিককে মারধর করে বাস থেকে নেমে যায়। এ ঘটনার জেড় ধরে শক্রবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে জাহানাবাদ ব্রিজের ওপর রফিকের ছেলে নাহিদ (২৪) ও আজমল বাহিনীর সদস্য খায়রুল আকাশকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি করে। এতে আকাশ পেটে ও চোয়ালে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়। আকাশ বাঘরা এলাকার তাইজুদ্দিনের ছেলে।

শ্রীনগর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, আকাশের বিরুদ্ধে শ্রীনগর থানায় ছিনতাই-ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।