যাত্রাবাড়িতে পেট্রোল বোমার আঘাতে দগ্ধ দোহারের তরুণ

0

ঢাকার যাত্রাবাড়িতে বাস লক্ষ্য করে নাশকতাকারীদের ছোড়া পেট্রোল বোমায় পুড়ে গেছে দোহারের এক তরুন। এসময় বাসে থাকা আরো ২৮ যাত্রী এই পেট্রোল বোমার আঘাতে পুড়ে যায়। হতভাগ্য এই তরুনের নাম আল আমিন অপু। বাড়ি দোহারের ইকরাশীতে।

একই বাসের আরেকজন আহত ব্যক্তি জানান, “বাসটা চলন্ত অবস্থায় ছিল। যেখানে ঘটনা সেখানে ছিল কিছুটা অন্ধকার। আমি বাসের বাঁ পাশের সিটে জানালার পাশে ছিলাম। হঠাৎ কইরা বাসের সামনের লাইটের আলোতেই দেখলাম দুইটা ছেলে কী যেন একটা ছুইড়া মাইরা দৌড় দিছে। সঙ্গে সঙ্গে দেখি আগুন আর আগুন। আমি জানালা দিয়া নাইমা পড়ি। তয় আমার ওই দুই খালু পুড়ে যায়। আমার বাবা ও বন্ধু সামান্য আহত হইছে।” ছেলে দুটো অল্পবয়সী, বয়স ১২ কি ১৩ হতে পারে বলে জানান আল আমিন।

আল আমিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। নিউজের প্রথম ছবিটিই আল আমিনের। 

ঘুরে আসুন ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন স্থাপনা সমৃদ্ধ নবাবগঞ্জ

0

ঢাকার পাশেই ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন স্থাপনা সমৃদ্ধ জায়গা নবাবগঞ্জ। এখানকার মূল আকর্ষণ ইছামতি নদী, বেশ কয়েকটি জমিদার বাড়ি, মন্দির আর গির্জা। ঢাকা থেকে সহজেই একদিনে এই জায়গায় বেড়িয়ে আসা যায়।

ইছামতি নদী

প্রথমেই বেড়াতে পারেন এখানে। নবাবগঞ্জ শহরের মহাকবি কায়কোবাদ মোড় থেকে পশ্চিম দিকে কলাকোপার দিকে শহরের সঙ্গী হয়ে বয়ে চলেছে ইছামতি। নদীর বুকে নৌকায় কিছুটা সময় বেড়াতে পারেন।

গান্ধী মাঠ

নবাবগঞ্জের কলাকোপায় রয়েছে ঐতিহাসিক গান্ধী মাঠ। সর্বভারতীয় সম্মেলন উপলক্ষে মহাত্মা গান্ধী ১৯৪০ সালে এই মাঠে এসেছিলেন। তারপর থেকেই গান্ধী মাঠ নামে পরিচিতি পায়। বর্তমানে বিশাল এই মাঠ পড়ে আছে অযত্ন আর অবহেলায়।

আর এন হাউজ

গান্ধী মাঠ ফেলে কিছুটা সামনে রয়েছে প্রাচীন একটি বাড়ি। এরই নাম আর এন হাউজ। ইট থেকে চুন সুরকি খসে ধ্বংসের প্রহর গুণলেও এখনও স্বগর্বে বাড়িটি তার জৌলুস জানান দিচ্ছে। জানা যায়, আড়াইশ বছর আগে রাধানাথ সাহা নামে হিন্দু এক জমিদার মুর্শিদাবাদ থেকে এসে এ বাড়ি তৈরি করেছিলেন। চারিদিকে কক্ষ ঘেরা এই বাড়ির সামনের অংশে ছিল অতিথিশালা, পেছনে অন্দর মহল এবং পাশেই মন্দির। মাঝে ছোট একটি খোলা জায়গা। বাড়ির সামনের দিকে বিশাল তোরণ আকৃতিতে তৈরি। আর এন হাউজের সামনে একেবারে ইছামতির তীর ঘেঁষে রয়েছে সুন্দর দোতলা বাড়ি। রাধানাথ সাহার ছেলের ছিল লবণের ব্যবসা। লিভারপুল থেকে লবণ আমদানি করতেন তিনি। সে ব্যবসার গদিঘর ছিল এ বাড়ি।

জগবন্ধু সাহা হাউজ

আর এন হাউজ থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার সামনে রয়েছে আরেকটি প্রাচীন ভবন জগবন্ধু সাহা হাউজ। এ বাড়ির বাসিন্দা কমলারানীর কাছ থেকে জানা যায় তার দাদা শ্বশুর জগবন্ধুসাহা তৈরি করেছিলেন এ প্রাসাদোপম বাড়ি। বিশাল আকৃতির দ্বিতল এ বাড়ির নির্মাণশৈলী খুবই আকর্ষণীয়।

খেলারাম দাতার বাড়ি

কলাকোপা থেকে ছোট্ট একটি সড়ক চলে গেছে বান্দুরার দিকে। সেখানে গাছগাছালিতে ঢাকা ধ্বংসপ্রায় প্রাচীন বাড়ির নাম খেলারাম দাতার বাড়ি। খেলারামকে নিয়ে এ অঞ্চলে অনেক কাহিনী প্রচলিত আছে। যেমন, খেলারাম দাতা ছিলেন বিখ্যাত ডাকাত সর্দার। তবে তার দানের হাত ছিল বেশ বড়। সে ডাকাতি করে গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করত।এই বাড়ি থেকে ইছামতির পার পর্যন্ত একটি সুড়ঙ্গ পথ ছিল। নদীপথে ধনসম্পদ এনে এ সুড়ঙ্গ পথেই বাড়িতে নিয়ে আসত খেলারাম দাতা। দোতলা বাড়ির নিচতলায় এখনও সুড়ঙ্গ পথের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। নিচতলায় অনেকগুলো কক্ষ থাকলেও এখন প্রায় সবই আবর্জনা আর মাটিতে ঢেকে আছে। দোতলায় চারপাশে ও ৪ কোণে বাংলা ঘরের আকৃতিতে এক কক্ষ বিশিষ্ট ৮টি ঘর। মাঝে রয়েছে মঠ আকৃতির আরেকটি ঘর। লোকমুখে শোনা যায় এই ঘরে অনেক মূল্যবান মূর্তি ও ধনসম্পদ ছিল।

ব্রজ নিকেতন

বান্দুরা-দোহার সড়কের পাশেই রয়েছে প্রাচীন একটি বাড়ি। দ্বিতল সুন্দর এ বাড়ির নাম ব্রজ নিকেতন। তবে হালে এ বাড়ি সবাই চিনেন জজ বাড়ি নামে। চোখ ধাঁধানো নির্মাণশৈলী দেখে কিছুক্ষণের জন্য হলেও যেকোনো পথিকের পা থমকে যাবে।

নতুন বাড়ি

বাড়ির লাগোয়া পুবে আরেকটি প্রাচীন বাড়ি। বিশাল পুকুরের সামনে সুপারি বাগানের মাঝে দ্বিতল এ বাড়ির নাম ‘নতুন বাড়ি’। পুকুর পারে একটি বাংলো আকৃতির বাড়িও আছে।

জপমালা রানীর গির্জা

নবাবগঞ্জের কলাকোপা থেকে কিছুটা সামনে বান্দুরায় আছে প্রাচীন গির্জা। জপমালা রানীর গির্জা নামে খ্রীস্টান ধর্মাবলম্বীদের এ উপসনালয় সর্বপ্রথম নির্মিত হয় ১৭৭৭ সালে। পরে ১৮৮৮ ও ২০০২ সালে দুইবার এর সংস্কার করা হয়। গির্জার পাশেই রয়েছে খ্রীস্টানদের একটি কবরস্থান ও সেন্ট ইউফ্রেটিজ কনভেন্ট নামে সিস্টারদের একটি থাকার জায়গা। একজন ফাদার ও একজন ডিকন পরিচালনা করেন এই গির্জার কার্যক্রম। বড়দিন, ইস্টার সানডে’তে এখানে বড় উৎসবের আয়োজন থাকে।

দোহারে ওয়ারেন্টভুক্ত ৫ আসামী আটক

0

ঢাকার দোহার উপজেলায় সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী জাকির(৩০), বাবুল(৬০), সাব্বির(২৪), ছালেহা বেগম(৪৮) এবং মাসুদা বেগমসহ ৫জন কে আটক করেছে দোহার থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হরিচন্ডি এবং দক্ষিণ জয়পাড়া গ্রামে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী জাকির(৩০), বাবুল(৬০), সাব্বির(২৪), ছালেহা বেগম(৪৮) এবং মাসুদা বেগম সহ ৫জন কে আটক করে।

আটককৃত জাকির উপজেলার হরিচন্ডি গ্রামের বাবুল শিকদারের ছেলে, বাবুল গনি শিকদারের ছেলে, সাব্বির গগন শিকদারের ছেলে, ছালেহা বেগম গগন শিকদারের স্ত্রী এবং মাসুদা বেগম দক্ষিণ জয়পাড়া গ্রামের ফজল শেখের স্ত্রী।

নবাবগঞ্জে পৌষপার্বণে গরুর দৌড় প্রতিযোগিতা

0

আসাদ সবুজ♦ বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে ঢাকার নবাবগঞ্জে পৌষপার্বণ ও সাকরাইন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের চন্দ্রখোলায় গরু দৌড় প্রতিযোগিতা ও মেলার আয়োজন করা হয়। পৌষপার্বণের মেলা উপলক্ষে বাড়িতে নানা পিঠাপুলির আয়োজন রয়েছে। চন্দ্রখোলা কালীমন্দির চত্বর ও ফসলের মাঠে আগে থেকেই গরু দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত রাখা হয় বড় এলাকাজুড়ে খোলা জায়গা।

উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী ও শিশু-কিশোরের উপস্থিতিতে অনাড়ম্বর পরিবেশে বিকাল ৩টা থেকে গরু দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হয়। উৎসুক জনতার ভিড়ে মাঠের চারপাশ ভরে ওঠে।

চন্দ্রখোলা এলাকার স্কুলশিক্ষক রঞ্জিত জানান, পৌষ মাসের শেষ দিনে প্রতি বছরই এ এলাকায় সাকরাইন উপলক্ষে মেলা ও গরু দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। গ্রাম বাংলার পুরনো সংস্কৃতি হিসেবে এ মেলা দেখতে মানুষ প্রতিবছরই এ দিনের অপেক্ষায় প্রহর গোণে।

যন্ত্রাইল এলাকার বাসিন্দা কৃষকলীগ নেতা শেখ আবুল কালাম আজাদ জানান, এ মেলা ও পৌষ সাকরাইন গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে আনন্দ বয়ে আনে। বিশেষ করে হিন্দু অধ্যুষিত এ এলাকার প্রতিটি ঘরেই পিঠাপুলির আয়োজনে অতিথি আপ্যায়ন করা হয়। তাই পৌষ সাকরাইনকে ঘিরে যেমন সংস্কৃতির উৎসব ঘটে তেমনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সৌহার্দ্যতাও বেড়ে যায়।

নবাবগঞ্জে বাস পুড়িয়ে ঘরছাড়া বিএনপি নেতাকর্মী, গ্রেপ্তার ৩

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় এন মল্লিক পরিবহনের দুটি বাস পোড়ানোর মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বান্দুরা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মজর আলীসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এদিকে প্রতিরাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। গ্রেপ্তার এড়াতে বিএনপি নেতাকর্মীরা ঘরছাড়া। 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জানুয়ারি রাতে ঢাকা-বান্দুরা সড়কের আগলা বাগবাড়ী এলাকায় গতকাল রাতে উপজেলা বান্দুরা হলিক্রস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে রাখা দুটি বাসে দুর্বৃত্তরা আগুন দেয়। এতে অজ্ঞাত ১২ জনকে আসামি করে পৃথক মামলা হয়।

এ ঘটনায় বান্দুরা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মজর আলী, উপজেলা বিএনপি নেতা আবুল হোসেন, যুবদল নেতা মো. শামীমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন আজাদ জানান, প্রায় প্রতি রাতেই পুলিশ তার বাড়িতে হানা দিচ্ছে। তাকে না পেয়ে পরিবারের লোকজনকে নানারকম হুমকি দিচ্ছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে তার অসুস্থ ছেলেকে দেখতে যেতে পারছেন না তিনি।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি সায়েদুর রহমান বলেন, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের ধরার প্রক্রিয়া চলছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

দেশে গুগল স্ট্রিট ভিউ চালু

0

গুগল স্ট্রিট ভিউতে সংসদ ভবন এলাকারাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্রগ্রামে আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু হয়েছে সার্চ ইঞ্জিন গুগলের সহজে রাস্তা খুঁজে পাওয়ার ব্যবস্থা গুগল স্ট্রিট ভিউ। শিগগিরই দেশের অন্যান্য জেলা স্ট্রিট ভিউয়ের আওতায় আসতে পারে। স্ট্রিট ভিউ দিয়ে স্মার্টফোনের সাহায্যে ছবি দেখে সহজেই নির্দিষ্ট জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে। বর্তমানে বিশ্বে ৫০ টি গুগল স্ট্রিট ভিউ সুবিধা দিচ্ছে গুগল। এ তালিকায় বাংলাদেশের নাম যুক্ত হয়েছে। ২০০৭ সালের ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের এ সুবিধা প্রথম চালু করে গুগল। 

স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে বসে যে কেউ এখন www. google. com/streetview ঠিকানায় গিয়ে ঢাকা ও চট্রগ্রামের নির্দিষ্ট স্থানগুলোর ছবিও দেখতে পারবেন। ঢাকা ও চট্টগ্রামে এ সেবাটি চালুর বিষয়ে ম্যাপিং বাংলাদেশে (www. mappingbd. org) প্রধান নির্বাহী ব্যবস্থাপক হাসান শাহেদ জানান, গুগল ম্যাপে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে আমরা অনেকদিন ধরেই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। এখন গুগল স্ট্রিট ভিউ চালুর ফলে আশা করছি আমাদের কাজ আরো উন্নত হবে এবং চাইলেই যে কেউ আরও সহজে সেবা পাবেন। গুগল স্ট্রিট ভিউ এমন একটি প্রযুক্তি সুবিধা, যার মাধ্যমে গুগল ম্যাপস এবং গুগল আর্থে প্যানারোমিক ভিউতে ছবি দেখার পাশাপাশি বিশ্বের যে কোন নির্দিষ্ট রাস্তার পূর্ণাঙ্গ চিত্র দেখা যায়। মূলত গুগলের একটি গাড়ি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাস্তায় গিয়ে ওই স্থানের ছবি তোলে। এ জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি একটি গাড়ি রয়েছে, যার সাহায্যে প্যানোরোমা সুবিধা ব্যবহার করে ছবি তোলা যায়। এ জন্য নয়টি ক্যামেরা রয়েছে, যেগুলোর সাহায্যে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউতে ছবি তুলতে পারে। সঙ্গে থাকে বিশেষ লেজার ও জিপিএস সুবিধা যেটি ছবি তোলার সঙ্গে সঙ্গে যেখান থেকে ছবি তোলা হলো সেখান থেকে ছবি তোলার স্থানটির দূরত্ব কতটুকু সেটি নির্ধারণ করে দেয়। নির্দিষ্ট একটি এলাকার ছবি তোলা শেষে ছবি ওই স্থানের তথ্য সংগ্রহ, একাধিক মান নির্বাচন শেষে যুক্ত হয় গুগল ম্যাপসে। গুগলের স্ট্রিট ভিউ ব্যবহারের সুবিধার্থে স্মার্টফোনের জন্য বিশেষ অ্যাপসও রয়েছে। যার মাধ্যমে এ সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন ব্যবহারকারীরা। 

গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার উত্তরা থেকে যাত্রা শুরু করে গুগলের স্ট্রিট ভিউ গাড়ি। গুগল ম্যাপে বাংলাদেশের পথঘাট, আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান ও বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের অবস্থান ও ছবি তুলে ধরা হয় এ সেবার মাধ্যমে। 

যে উপকারে লাগবে

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, গুগল স্ট্রিট ভিউর বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন বাংলাদেশের জনগণের নানা প্রয়োজন মেটাবে। এতে বাংলাদেশে পর্যটকদের সংখ্যাও বাড়বে বলেও আশাবাদী অনেকেই। স্ট্রিট ভিউর ছবিগুলো বাংলাদেশের ব্যস্ত রাস্তাকে নতুন আঙ্গিকে দেখার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটক এ দুটোকেই বাংলাদেশের দিকে আকৃষ্ট করবে। এ ছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকদের মানচিত্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে স্ট্রিট ভিউ যেকোনো দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি অবদান রাখতে পারে। 

গুগল ম্যাপে পরবর্তী সময় বাংলাদেশের ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরামিক ছবি শেয়ার করা হবে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া এই প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর জন্য সব ধরনের সুবিধা বজায় রাখার পাশাপাশি ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা কঠোরভাবে অনুসরণ করার পাশাপাশি গুগল মুখমণ্ডল ও গাড়ির নম্বরফলক ঝাপসা করার একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যেন সেগুলোকে শনাক্ত করা না যায়। এ ছাড়া ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে তাঁদের কোনো ছবি ঝাপসা করার অনুরোধ পেলে, গুগল তা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে।

মরন ফাঁদ কার্তিকপুর-বাঁশতলা সড়ক

0

ঢাকা-দোহার সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন কোন সংস্কার না হওয়ায় দূভোর্গে শিকার হচ্ছে এলাকাবাসী। সেই সাথে জয়পাড়া হাট-বাজারে আসা সাধারণ মানুষ। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংস্কারের আশ্বাসের নামে কাল ক্ষেপন করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

সরেজমিনে দেখা যায়, দোহারের মৈনট ট্রলারঘাট থেকে লটাখোলার করম আলীর মোড় পর্যন্ত প্রায় প্রায় ১০ কি.মি. রাস্তায় পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গেছে। এতে রাস্তা জুড়ে ডোবার ন্যায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যান চলাচলের সময় ধুলা-বালিতে পথচারিদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। একই অবস্থা ঢাকা-দোহার সড়কের মেঘুলা বাজার, নারিশা, বাঁশতলা, কার্তিকপুর, চরকুশাই, জয়পাড়া বাজার, থানার মোড়সহ অর্ধশতাধিক স্থানের।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অতি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির এ অবস্থা যেন প্রশাসন ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের কারোই নজরে আসছে না। দোহারের সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র জয়পাড়া হাট-বাজার। প্রতিদিনের বাজার ছাড়াও বৃহষ্পতিবার সাপ্তাহিক হাটের দিন দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মানিকগঞ্জের হরিরামপুর ও ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থেকে শত শত ব্যবসায়ীরা এ হাটে আসেন। কিন্তু হাট-বাজারে আসার মূল রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে গর্তগুলো ডোবায় পরিণত হয়। গাড়ীতে চলাচলকারী যাত্রীরা গর্তে উঠানামা করার সময়ে প্রায়ই আহত হন। গর্তে চাকা আটকে গিয়ে গাড়ীর ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়।

গতি পরিবহনের চালক মো. জামাল মিয়া বলেন, এ রাস্তায় গাড়ী চালাতে গিয়ে ইঞ্জিন চেসিস বিকল হয়ে যায়। ঝাঁকুনিতে যাত্রীদের গালিগালাজ খেতে হয়। শুধু তাই নয় ২০মিনিটের রাস্তা যেতে দুই থেকে এক থেকে দেড় ঘন্টা সময় লেগে যায়। এতে করে আমাদের আয়ও কমে যাচ্ছে।

জয়পাড়া বাজারের ব্যবসায়ী জালাল ব্যাপারী বলেন, জয়পাড়া হাটে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি আর এই রাস্তার এ দশা মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। ঢাকা যাতায়াতের প্রধান এ সড়কটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার কাজ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে দোহারসহ আশপাশের উপজেলার বাসিন্দাদের। তিনি দ্রুত এ রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানান।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল করিম ভূইয়া বলেন, রাস্তাটির অবস্থা খুবই করুণ। এবিষয়ে উপজেলা পরিষদের সভায় আলোচনা হয়েছে। সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষকে বার বার বলা হয়েছে।

স্থানীয় সাংসদ অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম বলেন, দোহার নবাবগঞ্জের সাথে ঢাকা যোগাযোগের সব রাস্তা এবং আঞ্চলিক সড়কের সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীদের তাগিদ দেয়া হয়েছে। যাতে খুব শীঘ্রই এসব রাস্তার কাজ সম্পন্ন সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল হোসেন বলেন, রাস্তাটির দরপত্র আহবান শেষে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু হবে।

ফিরে দেখা ২০১৪: ১ বছরে ২৯ ডাকাতি

0

ঢাকার দোহার উপজেলায় গত এক বছরে ২৯ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। পাঠকদের জন্য সেই ২৯ ঘটনার আজ থাওছে রিভিউ।

দোহার-নবাবগঞ্জ সীমানায় প্রায়ই ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনও রয়েছে বির্তকে। অধিকাংশ ঘটনার ক্ষেত্রেই দেখা দেয় দোহার ও নবাবগঞ্জ থানা প্রশাসনের সীমানা জটিলতা। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বেশ কয়েকটি ঘটনায় এ রকমই দেখা গেছে।

১ জানুয়ারি দিবাগত রাতে ঢাকা-গালিমপুর-দোহার আঞ্চলিক মহাসড়কের আরিয়ল বিল এলাকায়জয়পাড়া পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসসহ অন্তত ৪/৫টি গাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

৯ জানুয়ারী গত বুধবার দিবাগত রাতে দোহার উপজেলার বিলাশপুরের হাজার বিঘা গ্রামে একরাতে ৬ বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দিবাগত রাতে হাজার বিঘা গ্রামের ৫ প্রবাসীসহ ৬ বাড়িতে ডাকাতদল হানা দেয়।

স্থানীয় সূত্র ও ঘটনার শিকার হওয়া পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার রাত দেড়টার দিকে ১৪/১৫ জনের একটি মুখোশ পরিহিত ডাকাতদল আগ্নেআস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের হাজারবিঘা গ্রামে হানা আফজাল ফকির জানান, ডাকাতদল রাত ১টার দিকে ঘরে দরজার সামনে পুলিশ এসেছে দরজা খুলেন বলে ডাক দেয়। দরজা খোলার মাত্র ঘরে প্রবেশ করে সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার লুটে নেয় । পরে প্রবাসী আনোয়ার হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, আজিজ শেখ, আনুয়ার হোসেন ও বিল্লাল হোসেনের, হবি মৃধার, আলী সিকদারের বাড়িতে ডাকাতদল হানা দিয়ে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার লুটে নেয়।

গত ৫ই ফেব্রুয়ারী বুধবার দোহার উপজেলার রাইপাড়া গ্রামের আব্দুল মজিদ এর বাড়ীতে ডাকাত দল হানা দিয়ে প্রায় ৫০হাজার টাকার মালামাল লুট করে।

গত ২১শে ফেব্রুয়ারী শুক্রবার দিবাগত রাতে দোহার উপজেলার দুই প্রবাসীর বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। কুসুমহাটি ইউনিয়নের মৌলভিডাঙ্গি গ্রামের প্রবাসী মো. কিরন ও নারিশা ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের বাড়ীতে ডাকাত দল হানা দিয়ে প্রায় ১৪লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

গত ২৮ শে ফেব্রুয়ারী দোহার উপজেলার রাইপাড়া ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামের ব্যবসায়ী জসিম এর বাড়ীতে ২০/৩০ জন এর ডাকাত দল হানা দিয়ে প্রায় ৩০ ভুরি স্বার্ণালঙ্কার, নগদ ২ লাখ টাকা ও ফ্লেক্সিলোডের ৪টি মোবাইল সহ সর্বমোট ১৮ লাখ টাকার মালামাল লুট করে।

১ মার্চ গত শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ২০/২৫ জনের একটি স্বশস্ত্র ডাকাতদল উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের দুবলী বাজারে হানা দেয়। বাজারে পাহাড়ারত ব্যবসায়ী নুরউদ্দিন, আব্দুল শুকুর ও সালমান খানকে হাত-পা ও মুখ বেধে ফেলে । দুটি স্বর্ণের দোকানসহ এক বাজারের ৩২ দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। নগদ টাকা, স্বর্ণ সহ ২০ লাক্ষটাকার মালামাল লুট। খেলনা পিস্তল, ধারালো অস্ত্র ও মোবাইল সেট উদ্ধার।

৩ মার্চ গত শুক্রবার রাত ২টার দিকে দোহার উপজেলায় এক সংখ্যালঘু হিন্দু বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বাধা দেয়ায় নুপুর সাহা (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের মালিকান্দা গ্রামে ডা:স্বপন সাহার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে । এলাকাবাসী এগিয়ে এলে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ডাকাতদল এলাকা ত্যাগ।

গত ১৭এপ্রিল গত বৃহস্পতিবার ভোরে মৈনট ঘাট এলাকায় সংঘবদ্ধ একটি ডাকাতদল জেলেদের নৌকায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মো. ইসমান ও আলম নামে দুই জেলেকে কুপিয়ে যখম করে ২২হাজার টাকা ও দুইটি মোবাইল নিয়ে যায়।

গত ১৯এপ্রিল শনিবার রাতে উপজেলার আড়িয়াল বিলে জয়পাড়া পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। যাত্রীদের রোষানলে বাস চালক আরিফ(২৮) গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছে।

২২ শে এপ্রিল গত সোমবার দিবাগত গভীর রাতে দোহার উপজেলায় ২ বসত বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের কোপে সাবেক ইউপি সদস্যসহ ২ ব্যাক্তি আহত করে স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট করেছে। উপজেলা কুসুমহাটি ইউনিয়নের কার্তিকপুর গ্রামের সাঈদ মেম্বারের বাড়িতে বসত ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে এবং সুন্দরীপাড়া গ্রামের প্রবাসী দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে ডাকাতদল ঘরের জানালার কেটে ভিতরে প্রবেশ করে। বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে ডাকাতরা সাঈদ মেম্বার (৬৫) ও রাবেয়া খাতুন (৬০) কে কুপিয়ে জখম করে

গত ৮ মে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দোহার উপজেলায় সুন্দুরীপাড়া ও দক্ষিণ শিলাকোঠা প্রবাসী শেখ সালিম, আলেয়া বেগমর ও আ. রহিমের বাড়িতে একই রাতে তিন বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে এবং ডাকাতদল নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল সেটসহ প্রায় আট লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া

গত ২৭ই মে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দোহার উপজেলার দক্ষিন শিলাকোঠা ও সুন্দরীপাড়া গ্রামের চার বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। দক্ষিন শিলাকোঠার আব্দুর রহিম এর বাড়ীতে, আব্দুল হামিদ এর বাড়ীতে, প্রবাসী মো. সালিম এর বাড়ীতে এবং আবুল কালাম এর বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

গত ২৭ নভেম্বর শনিবার দিবাগত রাত আড়াই টার দিকে দোহার উপজেলায় ঝনকি গ্রামে প্রবাসি মফিজুল মাদবরের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে এবং ডাকাতদল নগদ টাকা, মোবাইল সেটসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ১৬ আক্টোবর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের সুন্দরীপাড়া গ্রামে সোবহান মল্লিক বাড়িতে ২০/২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল ঘরের কেচি গেটের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। ডাকাতদলকে বাধা দেয়ায় ছাহেরা খাতুন (৬৫) নামে এক বৃদ্ধাকে কুপিয়ে আহত করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল সেটসহ প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে

২৫ ডিসেম্বর গত বুধবার রাতে দোহার উপজেলায় একই রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে।এ ঘটনায় ডাকাতের পিটুনীতে জবেদা বেগম (৪৪) নামে এক নারী আহত হয়েছেন। এলাকাবাসী ধাওয়া করলে ডাকাত দল ৪ রাউন্ড বর্ষন করে বলে জানা যায়।

বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার খালপাড়-বৌ বাজার গ্রামে এ ডাকাতি ঘটনা ঘটে। আহত জবেদা বেগম ঐ গ্রামের সৌদি প্রবাসী মোবারক হোসেনের স্ত্রী।

ঢাকার দোহার উপজেলায় একই রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। এ ঘটনায় ডাকাতের পিটুনীতে জবেদা বেগম (৪৪) নামে এক নারী আহত হয়েছেন। এলাকাবাসী ধাওয়া করলে ডাকাত দল ৪ রাউন্ড বর্ষন করে বলে জানা যায়। আহত জবেদা বেগম খালপাড়-বৌ বাজার গ্রামের সৌদি প্রবাসী মোবারক হোসেনের স্ত্রী।

পরে জামাল বেপারী বসত ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে । ঘরে ঢুকেই ডাকাতরা বাড়ির লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১ ভরি স্বর্ণালংকার, রুপার আংটি ও চেইন, দুটি মোবাইল সেট লুট করে বাড় হতে বের হয়ে যায়। এসময় ঐ বাড়ির লোকজনের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসার চেষ্টা করলে তারা ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পালিয়ে যায়।

এবিষয়ে দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মো. মাহ্মুদুল হক জানান, আমার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে পূর্বের চেয়ে দোহার উপজেলা আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো এবং আমার দোহারে দায়িত্ব প্রায় ৮ মাস।

দোহারে ড্রেজার চালককে অর্থদণ্ড

0

ঢাকার দোহার উপজেলায় মো. দুলাল মিয়া নামে এক ড্রেজার চালককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামীম আরা নিপা তাকে এ অর্থদণ্ড দেন। 

মঙ্গলবার দুপুরে কুসুমহাটি ইউনিয়নে জামালচর ব্রিজের নিচ থেকে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে মাটি কাটার অপরাধে ড্রেজার চালককে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুলাল মিয়াকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

জানা যায়, সোমবার কুসুমহাটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামীম আরা নিপা এ অভিযান পরিচালনা করেন।

মান্নান খানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল ২ ফেব্রুয়ারি

0

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল মঙ্গলবার। কিন্তু দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় পরবর্তী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২ ফেব্রুয়ারির দিন ধার্য করেন আদালত। ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার নিপু মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন দোহার থানাকে। মামলায় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট সালমা ইসলামসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিজয় দিবস উপলক্ষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে আব্দুল মান্নান খানের নাম ঘোষণা না করায় আসামির নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন বেআইনিভাবে সমাবেশে লাঠিসোটা, হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে অনুষ্ঠানে অতর্কিত হামলা করে এবং মঞ্চে থাকা বঙ্গবন্ধুর ছবিসংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে পদদলিত করে। এ সময় বাধা দিলে আসামিরা বাদীকে মারধর করে এবং হাতঘড়ি ও চেইন ছিনিয়ে নেয়।

আব্দুল মান্নান খানের সন্ত্রাসী বাহিনী বাদীকে মেরে ফেলার উদ্দেশে মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে কিন্তু সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর আসামির সন্ত্রাসী বাহিনী বাদীকে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি মেরে বিভিন্ন স্থানে জখম করে। পরে ঘটনাস্থলে আসামিরা নৈরাজ্য সৃষ্টি করে এবং বোমা ও ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক তৈরি করে। মান্নান খানসহ অন্য আসামিরা সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের উপস্থিতিতে দোহার থানার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূরুল কবির ভূঁইয়াকে অপমান ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তাকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেয়।

বাদীসহ সাক্ষীরা এ সময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল মান্নান খান তাদের হত্যার হুমকি দেয় এবং এ বিষয়ে কোনো প্রকার মামলা করতে গেলে বাদীকে মেরে ফেলা হবে বলেও জানায়। এ ঘটনায় ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার নিপুর আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।