বাংলাবাজারে আগুন: আহত ২

0

মো: জাকির ♦ ১৮ সেপ্টেম্বর রবিবার বেলা ১১টার দিকে বাংলাবাজারে মোহাম্মদ বাদশা মিয়ার হার্ডওয়্যারের দোকানে আগুন লাগে।

মোহাম্মদ বাদশা মিয়ার সাথে কথা বলে জানা যায় বেলা ১১টার দিকে একজন ক্রেতা তার চুলা পরীক্ষা করে নিতে চায়। সে চুলার সাথে গ্যাসের সংযোগ দিয়ে জ্বালাতে গিলে গ্যাস বাইরে বেরিয়ে আসে। সেই গ্যাসে আগুন লেগে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে করে তার দোকানে বেশ কিছু প্লাস্টিক পন্য আগুনে বিনষ্ট হয়। গ্যাসের মাধ্যমে আগুন ধরার জন্য বাজার জুড়ে আতঙ্ক ছরিয়ে পড়ে। বাদশা মিয়ার আশে পাশের দোকানগুলো দ্রুত বন্ধ করে ফেলে।

তবে লোকজন দ্রুত সহযোগিতা করার জন্য এগিয়ে আসায় আগুন বেশি বিস্তার লাভ করতে পারে নি। প্রথমে লোকজন গ্যাসের সিলিন্ডারটি দোকান থেকে বের করে ফেলে। এরপর সিলিন্ডারটি বালি দিয়ে চাপা দেওয়া হয়। তারপরও আগুন জ্বলতে থাকে। তারপর সিলিন্ডারের গ্যাস শেষ হয়ে গেলে আগুন নিমিষেই নিভে যায়। আগুন নেভানোর সময় দুই জন লোক আহত হয়। তবে তাদের আঘাত গুরুতর কিছু নয়।

গ্রীন হাউস ইফেক্ট: অজানা তথ্য

0

বিজ্ঞান ডেস্ক ♦ গ্রীনহাউজ ইফেক্ট সম্বন্ধে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এর ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাতাসে কার্বন-ডাই অক্সাইড এর উপস্থিতি এর জন্য দায়ী সেটাও আমরা সবাই জানি। তবে যে বিষয়গুলো সবাই জানে না সেগুলো অবগত করাই আজকের লেখাটির উদ্দেশ্য।

কার্বন-ডাইঅক্সাইড ছাড়াও গ্রীনহাউস ইফেক্টের জন্য দায়ী বেশ কিছু গ্যাস রয়েছে। এগুলো হচ্ছে মিথেন(১৯%), ক্লোরো-ফ্লোরো-কার্বন(১৭%), ওজোন(৮%), নাইট্রাস অক্সাইড(৪%), জলীয় বাস্প(২%)। বন্ধনীর ভিতরে লেখা সংখ্যাগুলো দ্বারা গ্রীনহাউজ ইফেক্টের জন্য কোন গ্যাস কতটা দায়ী সেটা দেখানো হলো। কার্বন-ডাইঅক্সাইড একা ৫০% দায়ী। অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে গ্রীনহাউজ ইফক্টের জন্য কার্বন-ডাইঅক্সাইড একা দায়ী নয়। এর পাশাপাশি আরো কিছু গ্যাসের দায়িত্ব আছে।

মিথেন:আমরা রান্না-বান্নার কাজে কিংবা সিনজি হিসেবে যে গ্যাস ব্যবহার করি সেটাই মিথেন গ্যাস। মাটির নীচে পোট্রোলিয়াম থেকে মিথেন গ্যাস সৃষ্টি হয় আবার জলাভূমির তলদেশ থেকেও অনেক সময় মিথেন গ্যাস নির্গত হয়। গবাদি পশুর গোবর মিথেন গ্যাসের একটি উৎকৃষ্ট উৎস। এই গোবর থেকেই বায়োগ্যাস উৎপাদন করা হয়। প্রতিবছর গরুর গোবর থেকে বিপুল পরিমান মিথেন গ্যাস বায়ুমন্ডলে নিঃসৃত হয়ে গ্রীন হাউজ ইফেক্টের পরিমান বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন: এটা CFC বা ফ্রেয়ন নামেও পরিচিত। এটা ওজন স্তর ধ্বংস করে সে ব্যাপারে অনেকেই অবগত। কিন্তু গ্রীনহাউজ ইফেক্টেও এর ভূমিকা কম নয়। একসময় এরোসল এবং রেফ্রিজারেটরে শীতলকারক হিসেবে CFC ব্যবহার করা হত। তবে বর্তমানে এর ক্ষতিকর প্রভাব অনুধাবন করায় এবং বিকল্প আবিষ্কৃত হওয়া নিঃসরনের পরিমান কমেছে।

ওজোন: এটা অক্সিজেনের একটি রূপভেদ। সাধারন অক্সিজেন গ্যাসের অনুতে দুটি অক্সিজেন পরমানু থাকে, কিন্তু ওজোন অনুতে তিনটি অক্সিজেন পরমানু থাকে। বায়ুমন্ডলের ওজোন-স্তর গঠিত হয় ওজোন দ্বারা। এটা সূর্য থেকে ক্ষতিকর আলট্রাভায়োলেট রশ্মি শোষণ করে আমাদেরকে রক্ষা করে। তবে গ্রীনহাউজ ইফেক্টের জন্য কিছুটা অভিযুক্ত।

নাইট্রাস অক্সাইড: নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনের একটি যৌগ। বজ্রপাতের সময় বাতাসের অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে তৈরি হয়।

জলীয় বাস্প: পানির গ্যাসীয় রূপ। মেঘ সৃষ্টি করে ও বৃষ্টিপাত ঘটায়।

তবে গ্রীনহাউজ ইফেক্ট নিজের গ্রীনহাউজ ইফেক্টের জন্য অনেকাংশে দায়ী! এই ব্যাপারটা কয়েকভাবে ঘটতে পারে।

প্রথমত, পৃথিবীর দুই মেরুতে এবং সুউচ্চ পর্বত-শৃঙ্গগুলোতে বিপুল পরিমান বরফ সঞ্চিত আছে। এই বরফের পৃষ্ঠগুলো বেশ মসৃন এবং এর ফলে বরফপৃষ্ঠ বেশ ভালো প্রতিফলক হিসেবে কাজ করে। ফলে সূর্য রশ্মির বেশ বড় একটা অংশ এই বরফপৃষ্ঠগুলোতে প্রতিফলিত হয়ে মহাশূন্যে ফিরে যায়। তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে যদি বরফ গলতে থাকে তাহলে এই প্রতিফলনের হার কমে যাবে এবং সূর্যরশ্মি আর আগের মত ফিরে যেতে পারবে না এবং সেই রশ্মি পৃথিবীতে শোষিত হয়ে উষ্ঞতা বাড়িয়ে দেবে।

দ্বিতীয়ত, পৃথিবীর মহাসাগরগুলো কার্বন-ডাইঅক্সাইডের সিংক হিসেবে কাজ করে। বাতাসের কার্বন-ডাইঅক্সাইড সগরের পানিতে দ্রবীভূত হয়ে বাতাসে এই গ্যাসের উপস্থিতি কম রাখতে সাহায্য করে। সাগরের গভীরে গিয়ে এই গ্যাস চুনাপাথর তৈরি করে এবং কঠিন পাথর হিসেবে সঞ্চিত থাকে। তবে বর্তমানে এত বেশী পরিমানে কার্বন-ডাইঅক্সাইড নিঃসৃত হচ্ছে যে মহাসাগরে দ্রবীভূত হওয়ার চেয়ে বাতাসে আগমনের হার অনেক বেশী। ফলস্রুতিতে পৃথিবীর উষ্ঞতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর উচ্চ তাপমাত্রার পানিতে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের দ্রবণীয়তা হ্রাস পায়। ফলে মহাসাগর গুলো কার্বন-ডাইঅক্সাইড সিংক হিসেবে আর ফলপ্রসুভাবে কাজ করতে পারছে না। অর্থাৎ গ্রীনহাউসের পরিমান বেড়ে যাচ্ছে।

তৃতীয়ত, তাপমাত্রা যত বাড়বে পানির বাষ্পীভবনের হারও তত বাড়বে। ফলে গ্রীনহাউজ ইফেক্টে জলীয় বাষ্পের প্রভাবও বেড়ে যাবে। তাছাড়া পৃথিবীর তাপমাত্রা যত বাড়তে থাকবে পৃথিবী থেকে বিকিরিত রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য তত কমতে থাকবে। আর জলীয়বাষ্প অপেক্ষাকৃত কম তরঙ্গদৈর্য্যের বিকিরন বেশী শোষণ করে।

এনার্জি সেভিং বাল্ব থেকে সাবধান

0

বিজ্ঞান ডেস্ক ♦ এনার্জি সেভিং বাল্ব এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই বাতি ব্যাবহারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। সম্প্রতি এনার্জি সেভিং বাতির বিষয়ে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন যে এই বাতিগুলো ভেঙে গেলে তা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে।

এসব বাল্ব কোনভাবে ভেঙে গেলে ঘরের সবাইকে সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ৈ যেতে হবে। কমপক্ষে ১৫ মিনিট ঘরের বাইরে থাকতে হবে। এসব বাল্বে আছে বিষাক্ত পারদ বা মার্কারী। এটি মাথাব্যাথ্যা, মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি নিশ্বাসের সাথে টেনে নেয়াও বিপজ্জনক।

এলার্জিগ্রস্থ লোকেরা এটি স্পর্শ করলে বা নিশ্বাসের সাথে টেনে নিলে ত্বকের মারাত্মক সমস্যা বা অন্যকোন বিপত্তিতে পড়বেন। আরো হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে যে, ভাঙা বাল্বের আবর্জনা ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সাহায্যে পরিষ্কারও করা যাবে না। কারণ এর ফলে দূষণ ছড়িয়ে পড়বে অন্যান্য কক্ষে।

সাধারণভাবে ঝাড়ু দিয়ে সাফ করতে হবে এসব আবর্জনা। তারপর ব্যাগে পুরে ডাস্টবিনে ফেলেদিয়ে আসতে হবে।

সীসা কিংবা আর্সেনিকের চাইতেও পারদ মানবদেহের জন্য বেশি মারাত্মক।

কী করতে হবে: পরিবেশ ও খাদ্যবিভাগের পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত হুঁশিয়ারী দেয়া হয়েছে :

  •     এনার্জি সেভিং বাল্ব ভেঙে গেলে দ্রুত ঘর থেকে বেড়িয়ে যান, কাচের ভাঙা টুকরো মাড়াবেন না।
  •     ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে পারদের ক্ষুদ্র কণা ছড়িয়ে পড়বে অন্যান্য কক্ষে।
  •     ঘর পরিষ্কার করার আগ হাতে দস্তানা পড়ে নিন।
  •     আবর্জনা একটি প্লাস্টিক ব্যাগে রাখুন। ব্যাগের মুখ বন্ধ করে দিন।
  •     এই ব্যাগ দূষিত আবর্জনা রাখার ডাস্টবিনে ফেলে আসুন।
  •     ভাঙা বাল্বের ধুলো কখনোই নিশ্বাসের সাথে টেনে নেবেন না।

গালিমপুরে বিয়ে নিয়ে প্রতারণা ! হিজড়া বিয়ে !!

0

মাজ্‌হারুল ইসলাম ♦

গালিমপুরে বিয়ে নিয়ে প্রতারণার শিকার হলেন নওশের আলি । অবশেষে হিজড়াকে বিয়ে করে দেশ ছেড়ে পালালেন। বর্তমানে তিনি সৌদি প্রবাসী।

জানা যায়, দুই বছর পূর্বে প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর নওশের আলি(৫৫) দেশে আসেন। দীর্ঘদিন পর দেশে এসে তার পুনররায় বিয়ে করার ইচ্ছ্বে জাগে। কিন্তু ছয় সন্তানের কেউই এতে রাজী না হলে তিনি বড় ছেলেকে বিয়ে দেন। ইতিপূর্বে তার চার মেয়েরও বিয়ে হয়।

দুই বছর পর এবার তিনি দেশে এসে আবারও বিয়ে করতে চাইলে ছেলে-মেয়েরা বাবাকে শিক্ষা দিতে; পাত্রী বাছাই শুরু করে। এরই জের ধরে তারা গালিমপুরের সোঁনাহাজরা গ্রামের এক মেয়ের (?) (৩৭) সাথে এক লক্ষ টাকা কাবিনে তার বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের রাতে নওশের আলি টের পান তার স্ত্রী একজন হিজরা। বিষয়টি নিশ্চিত হতে আত্নীয়-স্বজনেরা স্থানীয় ডাক্তার এনে পরীক্ষা করেন। ডাক্তার ও তাকে হিজড়া হিসাবে অভিহিত করলে আত্নীয়-স্বজন সহ সবাই অত্যন্ত বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন।

এদিকে নওশের আলি এর পরই যত দ্রুত সম্ভব দেশ ত্যাগ করেন। বর্তমানে তিনি তালাকের জন্য সবাইকে অনুরোধ করছেন। এদিকে তার স্ত্রী তার ঘরও ছাড়বেন না বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি সন্তান কর্তৃক পিতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করেছেন এলাকাবাসী। এদিকে সন্তনেরা এই মাকে মেনে নিয়েছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছ্বুক এক কন্যা জানান।   

দাউদপুরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যূ

0

মোঃ কাইয়ুম খান

নবাবগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর গ্রামে নদীতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির বয়স ১বছর ৫ মাস।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ১৩ তারিখ সকাল ৭টার দিকে শিশুটির মা গৃহস্থালী কাজ করার জন্য তাকে কোল থেকে নামিয়ে দিয়ে কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন। বাড়ির পাশে ইছামতি নদী, শিশুটি খেলতে খেলতে নদীর ধারে চলে আসে এবং একসময় পানিতে নেমে যায়।

এরমধ্যে শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে বাড়ির সবাই বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজি শুরু করে, একপর্যায়ে এক মহিলা নদীতে গোসল করতে নামলে পানির নীচে শিশুটির মৃত দেহ খুজে পান। চাঁদের মতো ফুটফুটে শিশুটির করুণ মৃত্যুতে বাড়িতে নেমে আসে শোকের ছায়া। শিশূটির করুণ মৃত্যুতে ও তার মা সহ আত্বীয়স্বজনের আহাজারীতে প্রত্যদর্শীদের কেউই চোখের পানি ধরে রাখতে পারে নি।   

দোহার-নবাবগঞ্জে কুকুর আতঙ্ক

0

কুকুর হতে সাবধান ! ১০০ হাত দুরে থাকুন – এখন ভাদ্রমাস। এমনই মানসিক অবস্থায় দোহার-নবাবগঞ্জসহ সমগ্র ঢাকা বাসী। প্রতিদিনই কুকুরের কামড়ের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

এক হিসাবে দেখা গেছে দোহার-নবাবগঞ্জে প্রতিদিন গড়ে ৫-৬ জন কুকুরের কামড়ে আক্রন্ত হচ্ছে। বর্তমানে কুকুরের প্রজননের সময় তার উপর প্রচন্ড গরমে কুকুর গুলো পাগলপ্রায়। এছাড়া খাদ্যভাবের জন্য এরা কারো হাতে কোন প্যাকেট দেখলেই এরা খাবারের প্যাকেট মনে করে কামড় দিচ্ছে। প্রতিদিনই এরা দোহার-নবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার মানুষদের কামড় দিচ্ছে। প্রতিদিনই আক্রান্তরা দোহার-নবাবগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ভীড় জমাচ্ছে।

পশু হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে , ভাদ্রমাস কুকুরের প্রজনন ঋতুর মাস হওয়ায় এতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

এদিকে দোহার পৌরসভা থেকে বর্তমানে কুকুর নিধনের কোন কার্যক্রম চোখে পড়ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার কর্মকর্তা জনান পূর্বে কুকুর নিধনের কর্মসূচি সফল হলেও তা বর্তমানে প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে সম্ভব হচ্ছে না। কেননা একটি কুকুর মারার জন্য তারা যে পারিশ্রমিক পান এবং যে পরিমান সময় তারা ব্যয় করেন তাতে তাদের জীবিকা নির্বাহ হয় না। এছাড়া কুকুর মারার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি ও কাজ তদারকিরও কোন ব্যবস্থা নেই।

এছাড়া প্রায় রাস্তা ঘাটে কুকুর বাচাতে গিয়ে ঘটছে বড় রকমের সড়ক দূর্ঘটনা। এমনই এক ঘটনায় জয়পাড়ার কুটি মুন্সি সিনেমা হলের সামনে এক সড়ক দূর্ঘটনায় একটি শিশু মটর সাইকেলের আঘাতে মারা যায়। মটর সাইকেল আরোহী অভিযোগ করেছিলেন যে কুকুর বাচাতে গিয়ে এই দূর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া নিহত শিশুর পরিবারকে ক্ষতিপূরন বাবদ ৪,০০,০০০ টাকা ও বাজাজ পালসার মটর সাইকেলটি দিয়ে দেয়া হয়।

ঈদের দিন পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

0

রাতুল ইসলাম ♦

ঈদের দিন পানিতে ডুবে এক শিশুর করুন মৃত্যু হয়েছে। দোহার থানার চর-লটাখোলা গ্রামের মো: হামেদ এর সাত বছরের ছেলে হামিম পানিতে ডুবে মারা যায়। তার দাদার নাম বাদশা মাদবর।

ঈদের দিন সকাল বেলা ছেলেটিকে নিয়ে তার খালা পশের এক নদীতে  গোসল করতে যায় এবং গোসল শেষে ছেলেটির খালা ভুলে ছেলেটি কে রেখে বাসায় চলে আসে। পরে ছেলেটি অন্য ছেলেদের গোসল করতে দেখে পানিতে নেমে যায় এবং ডুবে মারা যায়। কিন্তু ছেলেটির খালা বাসায় যাওয়ার অনেক পরে ছেলেটির কথা মনে পরে, সাথে সাথে দৌড়ে আসলে দেখতে পায় পাশের এক মাছ ধরা বাধে ছেলেটি ভেশে আছে ।

ঈদের দিন যখন ছেলেটির আনন্দ করার কথা, সেখানে ছেলেটি কে নিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পরে পুরো পরিবার। ঈদ যেন তাদের কাছে শোকের বার্তা নিয়ে এসেছে। পুরো গ্রামই শোকে ঈদকে বরণ করেছে।

ঈদে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর সাথে নিউজ৩৯ টিমের শুভেচ্ছা বিনিময়

0

ঈদ মোবারক! হাসি আনন্দের মাঝে কেটে গেল সবার ঈদ। ঈদের রেশ এখনো কাটেনি। নিউজ ৩৯ টিমের প্রথম ঈদ কাটল অন্যরকমভাবে। 

নিউজ ৩৯ টিম গিয়েছিল গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর কাটাখালীস্থ বাসায় ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মিসেস মান্নান খান, থানা নির্বাহী কর্মকর্তা রথীন্দ্রনাথ দত্ত। পরিচয়, কুশল বিনিয়ম ও কোলাকুলি শেষে একটি সহজ ও ঈদি পরিবেশে আড্ডা হয়। 

গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খানের বাড়ীর সামনে বিশল সবুজ কৃষি ক্ষেত্র। ছায়ময় খোলা পরিবেশে মাঠ থেকে আসা বাতাসে সবাই ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন।

পত্রিকার সম্পাদক তরেক রাজীব ও নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল্লাহ আবু সাইদ প্রতিমন্ত্রীকে নিউজ ৩৯ এর সমন্ধে বিস্তারিত জানান ও নেটবুকে পত্রিকার ওয়েবসাইট দেখান। এতে তিনি আনন্দ প্রকাশ করে বলেন তরুণ প্রজন্ম ও দোহারের ছেলেরা ভাল কিছু করলে তিনি খুশি হন, মিসেস মান্নান খানও অনলাইন পত্রিকার ব্যাপারে উৎসাহ প্রকাশ করেন। তিনি বর্তমান সময়ের সাথে অতীতের দোহারের তুলনা করতে গিয়ে তার ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করলেন। তিনি জানালেন পদ্মা সেতু হয়ে গেলে দোহার একটি পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হবে। দোহারের ভবিষ্যৎ পর্যটন প্যারিসের মতো সম্ভবনাময় বলে আশা প্রকাশ করলেন, বিশ্বের বিভিন্ন যায়গা থেকে এখানে মানুষ ভ্রমণ করতে আসবে।

Eid

একসময় সেখানে দোহার উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান আলী আহসান খোকন ও নবাবগঞ্জ উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা উপস্থিত হলে আনন্দঘন পরিবেশের  সৃষ্টি হয়। বিদায়ের সময় সবাই সাচ্ছন্দে হাসিমুখে ছবি তোলার জন্য পোজ দেন। সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী ইলিয়াস উদ্দিন খান সবুজ, ছাত্রলীগ নেতা রাজীব শরীফ ও অন্যান্য স্থানীয় নেতা কর্মীগণ।

চিত্রগ্রহণ: মোহাম্মদ মামুন

দোহারে বাড়ছে ভিক্ষুকের সংখ্যা: দেখার কেউ নেই

প্রবাসী অধ্যুসিত দোহার থানায় বাড়ছে ভিক্ষুকের সংখ্যা। আসছে ঈদ উপলক্ষে দোহারে স্রোতের মত ভিক্ষুক আসছে বিভিন্ন স্থান থেকে। ফলে  দোহারের বিভিন্ন মসজিদ ও প্রতিষ্ঠানের সামনে বেড়ে গেছে ভিক্ষুকের সংখ্যা।

ফলে এক দিকে সাধারণ মানুষের যেমন ভোগান্তি বাড়ছে সেরকমই বাড়ছে ভিক্ষুকের সংখ্যাও বাড়ছে যা দোহারের জন্য অশনি সংকেত। তবে সামজিক বৈষম্যের একটি করুণ চিত্র বলেই এটিকে মনে করা হচ্ছে। একই সাথে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি না হওয়াতে এ সমস্যা প্রকত আকার ধারণ করছে। সবাই বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের জন্য প্রশাসনের ও সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

মডেল বিদ্যালয়ে রুপান্তরিত হলো জয়পাড়া পাইলট

দোহারের প্রসিদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অবশেষে মডেল বিদ্যালয়ে পরিণত হলো। সারা বাংলাদেশের ৩০৬ টি মডেল বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যে উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করেছে তার প্রথম ২০টির একটি হিসাবে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে এই বিদ্যালয়

১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠিত জয়পাড়া পাইলট স্কুল দোহার- নবাবগঞ্জ থানার অন্যতম প্রাচীন একটি বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয় দোহার থানাকে উপহার দিয়েছে এক ঝাক আলোকিত মানুষ। যারা দোহার থানা তথা সারা বাংলাদেশের আলোকিত করছে তাদের জ্ঞানের আলো দিয়ে।

এই বিদ্যালয় থেকে বের হয়েছেন এ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানের মত সফল রাজনীতিবিদ। বিশ্বখ্যাত মেরিন সায়েন্স বিজ্ঞানী আঃ আজিজের মতো ইঞ্জিনিয়ার। এ বিদ্যালয়ে চাকুরি করেছেন জাতীয় চলচচিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা আবুল খায়ের। এ বিদ্যালয়ের-ই ছাত্র ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর জনাব আশরাফ আলী চৌধুরী ও তারই ভাই সাবেক অর্থ সচিব জনাব জি এস চৌধুরী।

১৯৮১ সালে সরকারের পাইলট প্রকল্প অনুযায়ী এই বিদ্যালয় পাইলট বিদ্যালয় রুপান্তর করা হয়। এর মাঝে এই বিদ্যালয়কে সরকারী করার কথা থাকলেও নানা কারনে তা করা হয়ে উঠেনি। এই বছর সরকার সারা দেশে যেসব উপজেলায় সরকারি বিদ্যালয় নেই সেখানে পাইলট বিদ্যালয় গুলোকে মডেল বিদ্যালয় রুপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তারই অংশ হিসেবে সারা দেশের ৩০৬ টি বিদ্যালয়কে মডেল বিদ্যালয়ে রুপান্তর করা হয়।

প্রথম ২০ টি বিদ্যালয়কে যে মডেল বিদ্যালয় পরিণত করা হবে তারই প্রকল্প অনুযায়ী জয়পাড়া পাইলট বিদ্যালয় অবশেষে মডেল বিদ্যালয়ে পরিনত হলো বলে জানান বিদ্যালয়ের শিক্ষক নজরুল ইসলাম, তিনি বলেন “জয়পাড়া পাইলট বিদ্যালয়কে মডেল বিদ্যালয়ে পরিনত করার ফলে এই বিদ্যালয়ের সুযোগ সুবিধা অনেক বৃদ্ধি পাবে যার ফলে ছাত্রদের রেজাল্ট আরো ভালো হবে।”

এর ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে ১০টি কম্পিউটার পেয়েছে এই সদ্য মডেল বিদ্যালয়ে পরিনত হওয়া বিদ্যালয়টি। যার ফলে বিদ্যালয়ে ছাত্ররা তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপারে অনেক তথ্য বিদ্যালয় থেকেই পাবে যা বর্তমান সরকারের ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশে তৈরিতে গুরত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করবে। ইতিমধ্যে বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবে যুক্ত হয়েছে কম্পিউটার গুলো।