পৌরসভা নির্বাচন স্থগিত: পৌরবাসীর ক্ষোভ

দীর্ঘ ১৩ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দোহার পৌরসভা নির্বাচনকে নিয়ে যে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছিল তাতে ভাটা পরলো হাইকোর্টের এক নির্দেশে। দোহার পৌরসভার ৪ন নাম্বার ওয়ার্ডের সাথে মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় স্থগিত হওয়ার পথে দোহার পৌরসভা নির্বাচন।

অনুন্নয়নের বেড়া জালে আটকে থাকা দেশের সবচেয়ে দ্রুত প্রথম শ্রেনীতে উন্নীত এই পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে দোহার পরিনত হয়ে উঠেছিল উৎসবের এলাকায়। ১৩ বছরের ইতিহাসে এই পৌরসভা নাগরিকদের কাছ থেকে উচ্চ হারে কর গ্রহণ করা ছাড়া আর তেমন কিছুই করে নি বললে চলে।

উন্নয়নস্থবিরতায় বিরক্ত পৌরবাসী এই নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে আশা দেখেছিল, নির্বাচনকে সবাই পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসাবে নিয়েছিল। ঠিক তখনই ৪নাম্বার ওয়ার্ডের ভোটার তালিকার উপর ৩ মাসের স্থগিতাদেশ আসায় নির্বাচন নিয়ে শুরু হয়েছে দোলাচাল।

নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পৌরবাসীরা। অনেকের মতে এটি একটি ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। পৌর এলাকায় দেখা দিয়েছে পৌরসভার ফান্ডে থাকা টাকা নিয়ে বিভিন্নমুখী গুজব।

দীর্ঘদিন অনুন্নয়নের বেড়া জালে আটকে থাকা পৌরবাসী চায় অতি দ্রুত নতুন পৌরপ্রধান যিনি শক্ত হাতে পৌরসভার উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন।

স্থগিত হতে যাচ্ছে দোহার পৌর নির্বাচন

গত কয়েকদিন ধরেই দোহার পৌরসভা নির্বাচন স্থগিত হওয়ার বিভিন্ন গুজব ভাসছিল পৌর এলাকার আনাচে কানাচে। দীর্ঘ এক যুগ পরে হতে যাওয়া এই নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হওয়া উৎসবে বেজে ঊঠে বেদনার সুর। বহু কাঙ্ক্ষিত এই নির্বাচন স্থগিতের আশঙ্কায় জনগনের মাঝে দেখা দেয় হতাশা।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়,   বিগত ০২/১২/২০১২ তারিখে প্রকাশিত সরকারি গেজেটে লিপিবদ্ধ পৌরসভার পুর্নগঠিত ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চর লটাখোলা গ্রামকে সংযুক্ত করায় এর  বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চর লটাখোলা গ্রামের অধিবাসী আব্দুস সোবহান গং হাই কোর্টে ৪৩৮৮/২০১৩ নং রিট পিটিশনটি দায়ের করেন।

পরবর্তীতে গত ০৭/০৫/২০১৩ ইং তারিখে হাই কোর্টের বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহম্মেদর সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশনাল বেঞ্চ উক্ত রিট পিটিশনটি শুনানী শেষে প্রতিপক্ষদের উপর রুল ইস্যু করেন এবং  দোহার পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে চর লটাখোলা গ্রামের সংযুক্ততা ও ভোটার তালিকার উপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেন। বাদী পক্ষে  এই রিট পিটিশনটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট তৌফিক ইনাম।

এই স্থগিতাদেশের কারনে আগামী ২৫ শে মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দোহার পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।

সাভার ট্র্যাজেডির দুই বোনের পাশে দোহারের তরুনেরা

সাভারের রানা প্লাজা ধসে নিহত দোহারের দুই বোনের পাশে এসে দাড়াল দোহারের বিভিন্ন বিদ্যালয়। একদল অদম্য প্রাণ তরুনের উদ্যোগে দোহারের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে নিহত দুই বোন লতিফা ও শরিফার পরিবারের হাতে তুলে দেন দোহারের বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা।

দোহারের দুই বোন রানা প্লাজায় নিহত হবার খবরে আলোড়ন সৃষ্টি করে দোহারের প্রতিটি এলাকায়। এলাকার দায়বদ্ধতা থেকে দোহারের একদল উদ্যোমী তরুনের সহায়তায় তাদের সাহায্যের জন্য প্রতিটি স্কুলে সাহায্যের জন্য হাত পাতে। এই সময় তাদের এই কার্যক্রমে সাহায্য করেন জয়পাড়া মডেল হাই স্কুলের শিক্ষক নজরুল ইসলাম। এই কার্যক্রমে অংশগ্রহন করে দোহারের প্রায় প্রতিটি বিদ্যালয়।

উদ্যোক্তারার জানান এই কার্যক্রম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মিতুল, রাজীব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেহেদী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জামান, তেজগাঁ কলেজের আশরাফুল, জয়পাড়া কলেজের পারভেজ প্রমুখের অংশগ্রহন ছাড়া সম্পন্ন হতো না

নবাবগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা

আসিফ শেখ ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে মো. রাহিম (২২) নামে এক যুবক ৮ মে বুধবার বিষপাণ করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। মো. রাহিম এ বছর দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পরীক্ষা দিচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৮ মে বুধবার উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের শেখ সমশের আলীর ছোট ছেলে মো. রাহিম বিষপান করে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। বড় ভাই রহিমের কলহের জের ধরে তাদের মধ্য ঝগড়া হয়। ঝগড়া শেষে এক সময় মো. রাহিম টয়লেটে গিয়ে হারপিক খায় তার এই হারিপিক খাওয়ার দৃশ্য তার বড় ভাই রহিম দেখে এবং খুব শীঘ্রই তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চিকিৎসা দেওয়ার পর রাহিম সুস্থ্য হয়।

এ বিষয়ে রাহিমের বড় ভাই রহিমকে জিজ্ঞাসা করা হয় কেন তার সাথে ঝগড়া হয়? রহিম জানায় রাহিম পড়া লেখা ঠিকমত করে না তাই তাকে একটু বকাঝকা করা হয়।  রহিমের কাছে সত্য ঘটনা কি জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যায়।

পৌরবাসীদের মমতায় আগলে রাখতে চান শাহবুদ্দিন আহমেদ

নিউজ৩৯ :: স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় মোড়কে হলেও এই নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী বেশিরভাগ প্রার্থীই কোন না কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত থাকেন। আসন্ন দোহার পৌরসভা নির্বাচনের অনেক প্রার্থীই কোন না কোন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহবুদ্দিন আহমেদ প্রতিদ্বন্দ্বীতায় অংশগ্রহন করছেন দোহার পৌরসভা মেয়র পদে।

বিগত এক এগার সরকারের সময় পরম মমতায় আগলে রেখেছিলেন তিনি দোহার উপজেলা বিএনপিকে। তখন অনেক নেতা কর্মীই ছিলেন দেশের বাইরে। আবার অনেকেই ছিলেন ঢাকায়। শোনা যায় কোন কোন নেতা এসময় পর্যটক হিসাবে ঘুরে বেরিয়েছেন দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে। কেউবা রাত কাটিয়েছেন শাহ জালালের মাজারে। নাজমুল হুদার ঘনিষ্টজন হিসাবে পরিচিত, যারা নিজেকে নাজমুল হুদার ডান হাত, বাম হাত বলে পরিচয় দিতেন তারা যেন আলাদিনের দৈত্যের মত হয়ে গেলেন অদৃশ্য। কিন্তু একসময় বিমান বাহিনীর এই সৈনিক ছুটে বেরিয়েছেন কেন্দ্রীয় অফিসে। সংস্কার পন্থীদের চাপে ভেঙ্গে যাওয়া বিএনপি পূর্নগঠনে থেকেছেন তৎকালীন দলীয় মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ারের পাশে।

ঢাকা জেলা বিএনপিতে শাহবুদ্দিন আহমেদ অনুগত ব্যক্তির বলে পরিচিত। যিনি ব্যক্তিকে নয়, দলকে ভালবাসেন। ভালবাসেন শহীদ জিয়ার আর্দশের বিএনপিকে। বিগত ২০০১ সালে জয়পাড়া কলেজের উল্টোপাশে তার নিজস্ব দোকানে তিনি করেছিলেন দোহার থানা বিএনপির কার্যালয়। কিন্তু নির্বাচনের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে সেই কার্যালয়টি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছিল তৎকালীন সরকার সমর্থিত কিছু নেতা কর্মী। এরপর থেকে আজ অবধি নেই দোহার থানা বিএনপির  নিজস্ব কোন কার্যালয়।

দোহার উপজেলা বিএনপি যে স্পষ্ট দুই ধারায় বিভক্ত শাহবুদ্দিন আহমেদের নির্বাচনে অংশ নেয়াতে বিভক্তিটা আরো প্রকট হয়েছে। ঢাকা জেলা বিএনপি সভাপতি মান্নানপন্থী লোক হিসাবে পরিচিত এই নেতা বেশ ভাল ভাবেই আছেন নির্বাচনি রেসে। দল থেকে একক ভাবে কাউকে মনোনায়ন না দেওয়ায় তিনি অংশ নিচ্ছেন এই নির্বাচনে। আর এতে বিপাকে পড়েছেন বিএনপিপন্থী অপর প্রার্থীরা।

ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নানের ঘনিষ্ঠ এই নেতা কেন পৌরবাসী তাকে ভোট দিবে এই প্রশ্নের জবাবে নিউজ৩৯কে তিনি বলেন, আমি খুবই সাধারন। ধনী-গরিব যে কেউই যেকোন সময় আসতে পারে আমার বাড়িতে। পৌরপিতা নির্বাচিত হলে পৌরবাসীর জন্য সবার আগে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করবেন। তিনি আরো বলেন, উ্ন্নয়ন করবেন ড্রেনেজ ব্যবস্থার। সেই সাথে বিনোদনের জন্য একটি শিশু পার্ক নির্মান করার ঘোষনাও দিয়েছেন। সেই সাথে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত দোহার পৌরসভা গড়ার।

এছাড়া তিনি বলেন, আমি জয়পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছি। জয়পাড়া বাজারের ৪ তলা বিল্ডিং স্থাপনেও সহযোগীতা করেছি। বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবদান রেখেছি। ছিলাম বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গর্ভানিং বডির সদস্য।

নবাবগঞ্জের সাদাপুরে বিদ্যালয় ভবনে ফাটল, পরীক্ষা হচ্ছে স্কুলের বারান্দায়

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৮৯নং সাদাপুর প্রগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনে ফাটল ধরায় শিক্ষার্থীরা স্কুলের বারান্দায় পরীক্ষা দিচ্ছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৭ মে মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভবনটিতে ফাটল দেখতে পেয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে জানায়। সংবাদ পেয়ে উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী সুশীল চন্দ্র সরকার ভবনটি পরিদর্শণ শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বিদ্যালয়ের ভবনটি সাময়িকভাবে ব্যবহার না করার জন্য নির্দেশ দেন। প্রশাসনের নির্দেশ পেয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বুধবার ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে নিয়ে বিদ্যালয়ের বারান্দায় পরীক্ষা নেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মাহবুবুর রহমান জানান, সাময়িকভাবে ভবনটি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

দোহারে সাপের দংশনে এক জনের মৃত্যু

আসিফ শেখ♦ ঢাকার দোহার উপজেলায় বিষাক্ত সাপের দংশনে শেখ খোরশেদ (৪০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ৭ মে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার আন্ধার বিলের একটি ডাঙায় ঝোপঝাড় পরিস্কার করতে গেলে তাকে সাপে দংশন করে। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর মিডফোর্ড হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। শেখ খোরশেদ উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের মইতপাড়া গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে।

নিহতের স্বজনরা জানায়, ৭ মে মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে মইতপাড়া গ্রামের শেখ খোরশেদ স্থানীয় আন্ধার বিলের একটি ডাঙায় ঝোপঝাড় পরিস্কার করতে যায়। সে সময়ে একটি বিষাক্ত সাপ তার পায়ে দংশন করে। তাৎক্ষণিক বাড়িতে ফিরে তার পরিবারকে জানালে স্থানীয় সাপুড়ে দিয়ে ঝাড়ফোঁক করে। সন্ধ্যার দিকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার স্বজনরা মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষাণা করেন।

তরুনদের সাথে নিয়ে একটি সুন্দর দোহার গড়ে তুলতে চাই- মাসুদ মোল্লা

দীর্ঘ ১৩ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দোহার পৌরসভা নির্বাচনে তরুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসাবে একটি বড় অংশ এই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করছেন। এর মাধ্যে অন্যতম ঢাকা জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ আহম্মেদ মোল্লা। পৌর এলাকার যুবকদের অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে তাদের নিয়ে দোহার পৌরবাসীকে একটি আধুনিক পৌরসভা হিসাবে গড়ে তুলতে চান তিনি।

সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার কারনে দীর্ঘ ১৩ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী সুতারপাড়া গ্রামের মোল্লা বাড়ীর ফিরোজ মোল্লার সন্তান মাসুদ আহম্মেদ ওরফে মাসুদ মোল্লা। দীর্ঘ দিন ধরে আওয়ামী যুব রাজনীতির সাথে জড়িত থাকা এই যুবনেতা এবারই প্রথম অংশ গ্রহন করছেন কোন স্থানীয় নির্বাচনে। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসাবে পরিচিত এই যুবনেতা এইবার তরুন প্রজন্ম ও যুবকদের সাথে নিয়ে পাল্টে দিতে চান পৌরসভার দৃশ্যপট।


নামে ও করের দিক থেকে দোহার পৌরসভা প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হলেও অবকাঠামো বলতে কিছুই নেই এই পৌরসভায়। পৌরসভা স্থাপনের যেই মূল বিষয় সুপেয় পানির ব্যবস্থা, পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ১৪ বছর হয়ে গেলেও পানির লাইন বসাতে পারেনি পৌরসভা। এখনও পর্যন্ত করতে পারে নি পৌরসভার নিজস্ব একটি শিশু পার্ক। এই সব বাস্তবতাকে সামনে রেখে পৌরসভার উন্নয়নে তিনি রাখতে চান ব্যাপক ভূমিকা। এই ভূমিকা রাখার জন্য তিনি পাশে চান পৌর এলাকার সৎ, শিক্ষিত ও সুনাগরিক যুবসমাজকে।


সমাজ পরিবর্তনের অঙ্গিকার নিয়ে সামনে এগিয়ে চলা মাসুদ মোল্লা নিউজ৩৯ কে জানান, তিনি সবাইকে সাথে নিয়ে  এইটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে চান। এর জন্য প্রয়োজন হলো সমাজে ন্যায়, সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠা এবং সেই সাথে তিনি দোহার পৌরসভার অবহেলিত অঞ্চলগুলোর উন্নয়নের মাধ্যমে সবার সামনে নিয়ে আসতে চান। যাবতীয় নাগরিক সুবিধা সমুহ তিনি দোহার পৌরসভার প্রত্যেক নাগরিকের কাছে পৌছে দিতে তিনি অঙ্গিকার বদ্ধ।


সেই সাথে তিনি তাঁতি সম্প্রদায়ের অনেক দিনের দাবি জয়পাড়াস্থ তাতঁ কলটি পুনরায় চালু করতে চান। এই জন্য তাঁতি সম্প্রদায়ের কাছে তিনি সহযোগীতা চান। তিনি তাঁতি সম্প্রদায়ের জন্য তাত বোর্ড চালুসহ বিভিন্ন কাজ করতে বদ্ধপরিকর।

সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতির বিকাশ অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন তিনি খেলাধুলাকে পৌরসভার জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিবেন এবং সাংস্কৃতিক বিকাশে ব্যাপক অবদান রাখবেন।

নবাবগঞ্জের পাতিলঝাপে প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার ৩৬ নং পূর্ব পাতিলঝাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনে ফাটল দেখা দেয়ায় পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। ৬ মে সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তারা পরিদর্শন শেষে এ ঘোষণা দেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে নির্মিত উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের পূর্ব পাতিলঝাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনটির বিভিন্নস্থানে সম্প্রতি ফাটল ও পলেস্তা খসে পড়তে থাকে। বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ভীতির সৃষ্টি করে। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উপজেলা প্রশাসনকে জানালে ৬ মে সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা পরিদর্শন শেষে ভবনটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসেন আলী খান নিউজ৩৯কে জানান, বিদ্যালয়ের তিনটি ভবন ছিল একটি টিনকাঠের পরিত্যক্ত ঘর, আরেকটি একটি এক তলা পাকা ভবন, অপরটি দ্বিতল ভবন যেটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হল। এখন আমার ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস করবে কোথায়।

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী সুশিল চন্দ্র সরকার নিউজ৩৯কে বলেন, ভবনটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ভবনটিতে পাঠদানে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

নবাবগঞ্জে ২ ডাকাত আটক: অস্ত্র উদ্ধার

আসিফ শেখ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কাশিয়াখালী বেরীবাধের চেগারঘোনা নামক স্থানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে এলাকাবাসী ও পুলিশ ২ ডাকাতকে আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ২রাউন্ড গুলিসহ একটি শর্টগান ও একটি  পিস্তল উদ্ধার করে।


স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৫ মে রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেরীবাধ এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানে করে ৮/১০ জনের একটি ডাকাতদল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবাবগঞ্জ থানার টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এসময় এলাকাবাসীর সহায়তায় উপজেলার বারুয়াখালী ইউনিয়নের দীর্ঘগ্রামের শেখ লাবলু (৪০) ও বারুয়াখালী গ্রামের মোজ্জাফর দেওয়ান (৪৫) কে আটক করে। পরে তাদের তল্লাশি করে একটি শর্টগান একটি বিদেশী পিস্তল ও ২রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। বাকিরা পালিয়ে যায়। এঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।


নবাবগঞ্জ থানার এস আই আব্দুল মান্নান ফকির নিউজ৩৯কে জানান, অস্ত্র গুলি, পিকআপ ও ২ ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পালিয়ে যাওয়া ডাকাত সদস্যদের গ্রেফতারের ব্যবস্থা নেয়া হবে।