সরকার শেয়ারবাজার স্বাভাবিক করতে আন্তরিক: দোহারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত

শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ‘শেয়ারবাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। সরকার শেয়ারবাজার স্বাভাবিক করতে আন্তরিক। সেই সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অধিকার রক্ষায়ও সচেষ্ট।’

শনিবার দুপুরে ঢাকার দোহার উপজেলায় একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারের জন্য জমি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।  এ সময় দোহারে অর্থমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে তাকে অভ্যর্থনা জানান দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

জমি দেখে দুপুর বারটায় অর্থমন্ত্রী স্থানীয় এম.পি ও গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুল মান্নান খানের বাসায় আসেন। এসময় তিনি মান্নান খানের নতুন বাড়ির নির্মান কাজ দেখেন। এসময় স্থানীয় জনসাধারনের পক্ষ থেকে নদী ভাঙ্গন রোধের জন্য দ্রুত বিল পাশ করানোর অনুরোধ জানালে তিনি এই ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিবেন বলে জানান।

নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এই সরকারের মেয়াদ শেষেই নির্বাচন করা হবে এবং তা হবে ডিসেম্বর বা জানুয়ারীতে।”

জমি দখল এখন একটি কালচার হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। আরও বলেন, “এটা শুধু আওয়ামী লীগের না, সকলেরই যার একটু ক্ষমতা আছে সেই জমি দখলের চেষ্টা করে। এ সব ব্যাপারে আমাদের বদনাম আছে। আমাদের সাবধান হতে হবে।” স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের জমি দখলের ও চাদাবাজির অভিযোগ আছে উল্লেখ করে তিনি তাদের এই পথ থেকে সরে আসতে আহ্বান জানান। সাম্প্রতিক চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে  আওয়ামী লীগের পরাজয় থেকে শিক্ষা নিতে তিনি স্থানীয় নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান।

আব্দুল মান্নান খান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, বিগত ৪ বছরে তিনি দোহারের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন করতে পেরেছেন। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কোন মামলা দেয়া হয় নি।

এসময় অর্থমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ উপ কমিটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পনীরুজ্জামন তরুন,  ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সুরুজ আলম সুরুজসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

শ্রীনগর-দোহার রাস্তার কাজ শুরু

ঢাকা জেলার দোহার ও মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজলোর প্রধান রাস্তার কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহরে মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কাজ শুরু হবে বলে জানয়িছেনে সড়ক ও জনপদ বিভাগের এক র্কমর্কতা।তিনি জানান, আগামী সপ্তাহে দোহার ও শ্রীনগর উপজলোর প্রধান সড়কের কাজ শুরু হব। ইতোমধ্যে সকল যন্ত্রপাতি দোহারে চলে এসছে। প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যয় এ রাস্তাটি ৫ ইঞ্চি ঢালাই হবে । এটি শ্রীনগর বাইপাস হতে দোহারের জয়পাড়া র্পযন্ত ৩৮ কি.মি. দীর্ঘ হবে।

কাল দোহার আসছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত

শনিবার দোহার আসছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র করার জন্য জমি দেখতে আড়িয়াল বিল আসছেন তিনি।

আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর করার কথা থাকলেও জনগনের বাধার মুখে এই প্রকল্প প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় সরকার। এই আড়িয়াল বিলেই আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র করার জন্য জমি দেখতে আসছেন অর্থমন্ত্রী। কাল দুপুরে তিনি আড়িয়াল বিল পৌছাবেন বলে জানা গেছে। দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তাকে অভ্যার্থনা জানানোর কথা বরেছেন দোহার উপজেলার ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। জমি দেখা শেষে তিনি আড়িয়াল বিল থেকেই ঢাকা চলে যাবেন বলে যানা গেছে।

পাঁচ বছর পর জয়পাড়া কলেজে ছাত্রদলের অস্তিত্ব প্রকাশ

পাঁচ বছর পর জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের পা পরলো। ডিগ্রি প্রথম বর্ষের নবীনদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মিছিল করেছে এই ছাত্রসংগঠন। এর মাধ্যমে জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিলো ছাত্র সংগঠনটি। উল্লেখ্য বর্তমান সরকার আসার পর জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যায় কলেজে ছাত্রদলের কলেজ শাখার কোন কার্যক্রম দেখা যায় নি।

দোহারের অন্যতম পুরাতন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জয়পাড়া কলেজ দোহার উপজেলা ছাত্র রাজনীতির প্রান কেন্দ্র। এক সময় দোহারের ছাত্র রাজনীতি নিয়ন্ত্রীত হতো এখান থেকে। সবদলের অংশগ্রহনে সরগরম ছিল এই কলেজ প্রাঙ্গন। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই সহবস্থান আজ আর নেই। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের আমলে এই প্রথম জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে নিজেদের অবস্থান জানান দিল জয়পাড়া করেজ ছাত্রদল।

ডিগ্রি প্রথম বর্ষের নবীন বরনকে কেন্দ্র করে নবীনদের অভিনন্দন জানিয়ে মিছিল করেছে জয়পাড়া কলেজ ছাত্রদল। এই সময় অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মীসহ মিছিলে নেতৃত্ব দেন জয়পাড়া কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নুর সালাম এবং কলেজ ছাত্রদল নেতা রাসেল, করিম।  

দোহার-নবাবগঞ্জ থেকে ক্রমে হারিয়ে যাচ্ছে গোলা

গ্রামাঞ্চলে ডোল বা গোলা খুব পরিচিত একটি জিনিস। বাশ দিয়ে তৈরি এই ধান সংরক্ষণের বিশাল পাত্রটি চেনে না এমন মানুষ গ্রামে খুঁজে পাওয়া যাবে না।

সারা বছরের ধান সংরক্ষণ করতে এ পাত্র যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ধানের মৌসুমে ধান কেটে শুকিয়ে গোলাজাত করা হয়। প্রয়োজনের সময় গোলা থেকে ধান নিয়ে আবার রোদে শুকিয়ে ধান চুরানো (মিলিং) করা হয়।

দেশের মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। ধান মিলিং করে ঘরের গোলা থেকে অপেক্ষাকৃত ছোট পাত্রে চাউল রাখা হয়। সেই পাত্র থেকে চাউল নিয়ে প্রতি বেলায় ভাত রান্না করা হয়। গোলা ভর্তি ধান না থাকলে এক সময় গ্রামের গৃহস্থরা সেই বাড়ীতে ছেলেমেয়েদের বিয়ে পর্যন্ত দিত না। এই কথা এখনো মানুষের মুখে মুখে।

গোলা ভর্তি করে ধান রেখে সেই গোলার মুখ বন্ধ করে রাখা হয়, যাতে ধান নষ্ট না হয়। এক সময় বর্তমানের মত সমাজ ব্যবস্থা উন্নত ছিল না। তখন চোর ডাকাতের ভয়ে গোলার ধানের মধ্যে স্বর্ন ও টাকা পয়সা গোলার ভেতর সংরক্ষণ করে রাখত। মানুষ প্রয়োজনের সময় গোলা বা ডোল থেকে ধান নিয়ে মিলিং করে পরিবারের ভাত রান্নার জন্য জমা করে রাখত। আবার টাকার প্রয়োজন হলে গোলা থেকে ধান নিয়ে বিক্রি করত।

গোলা বা ডোল ঠিক একই জিনিস নয়। গোলা অপেক্ষাকৃত মজবুত, দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। বাঁশের নিল দিয়ে গোলা তৈরী করা হয়। এই গোলাকে স্থান ভেদে কাইজ্জ্যাও বলা হয়। আর ডোল তৈরী করা হয় বাঁশের বুকের বা ভেতরের অংশ দিয়ে। বাশের ভেতরের দিকটা নরম হওয়ায় অপেক্ষাকৃত কম মজবুত। ডোলের স্থায়িত্বও কম। কিন্তু ডোল সহজে বহনযোগ্য।

 গোলা যেহেতু অপেক্ষাকৃত মজবুত সেহেতু এটা ভারী। বহনও একটু পরিশ্রমের ব্যাপার এবং কষ্টসাধ্য। গোলা বা ডোল বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে। ২০, ৩০, ৫০, ৬০ এমনকি শত আড়ি ধান সংরক্ষণ করার মত। 

গৃহস্থ পরিবারের প্রয়োজন অনুসারে ডোল/গোলা তৈরী করা হয়। যার যত বড় প্রয়োজন, যেন তার প্রয়োজন মত গোলা বা ডোল কিনতে পারে। তবে গোলা/ডোলে ধান সংরক্ষণ করলে ইঁদুর ধান নষ্ট করে বেশী। গ্রামের প্রত্যেক বাড়ী ঘরে সব সময় ইঁদুরের উৎপাত থাকে। ইঁদুরের অন্যতম প্রধান খাদ্য ধান। তাই গোলায় ধান রাখলে ইঁদুর অধিকাংশ খেয়ে কিংবা নষ্ট করে এই কারণে সম্প্রতি বাঁশের ডোল/গোলার ব্যবহার কমে গেছে।

বাঁশের তৈরী ডোল, গোলা কিংবা কাইজ্জ্যার স্থান দখল করে নিয়েছে স্থায়ী পাকা অথবা টিনের গোলা। এই গোলা ঘরের বাইরে রাখা যায় বলে ঘরের জায়গা নষ্ট হয় কম। বাঁশের তৈরী ডোল/গোলা ঘরের বাইরে রাখা যায় না। ধানের গোলা বাইরে রাখলে চুরি হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে।

টিনের গোলানিরাপদ হওয়ায় টাকা বেশী খরচ হলেও অপেক্ষাকৃত গৃহস্থ কৃষক পরিবার টিনের অথবা পাকা গোলা ঘরের বাইরে স্থাপন করা করে।টিনের গোলার ধান ইঁদুরের নষ্ট করারও আশংকা কম থাকে, তাই নিরাপদ। টিনের গোলায় রাখা ধান চুরানোর সময় তেমন রোদেও শুকাতে হয় না। এসব কারনে বাঁশের তৈরী ডোল/গোলার ব্যবহার ইদানিং কমে যাচ্ছে।

 এছাড়া বাঁশ ক্রমে হারিয়ে যাচ্ছে। আর পাওয়া গেলেও দাম অতাধিক চড়া। সম্প্রতি বেশীরভাগ বাঁশ কিংবা গ্রামে বিত্তশালীদের পাকা স্থাপনা বহুতল ভবন নির্মানে সহায়ক সামগ্রী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিত্তশালীরা চড়া দামে বাঁশ কিনে নিয়ে যাচ্ছে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে। আর বাঁশের আবাদও কমে যাচ্ছে। উৎপাদন কমে যাওয়ায়,চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁশের দাম বেড়ে যাচ্ছে। গোলা/ডোল তৈরীর প্রধান উপকরন বাঁশের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। তাই বর্ধিত মূল্যে উৎপাদিত গোলা/ডোল বিক্রি করতে হচ্ছে। তাছাড়া স্থায়িত্ব কম হওয়ায় অনেকে টিনের গোলা তৈরী করার ফলে বাঁশের তৈরী গোলা/ডোলের চাহিদা কমে গেছে। চাহিদা কমে যাওয়ায় গোলা/ডোল তৈরীর কারিগরগনও তাদের বংশীয় পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। পেশার পরিরর্তন করে অন্য পেশায় চলে গেছে। এ পেশার কারিগরও এখন বলতে গেলে নেই। তাছাড়া এ পেশা মৌসুমী হওযায় অনেকের পেশার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। নতুন প্রজম্ম এ পেশায় আসতে তেমন আগ্রহীও নয়। তাছাড়া অনেকে পরিশ্রমের ভয়েও গোলা/ডোল কিংকা কাইজ্জ্যা তৈরীর পেশায় আসতে চাচ্ছে না।

 সর্বপরি গোলা/ডোলের ব্যবহার এখন বলতে গেলে নেই। নতুন প্রজম্ম হয়তো এই গোলা ও ডোল চিনবে না। আর কোন স্থানে তৈরী এসব জিনিস দেখলে হয়তো নতুন প্রজম্ম কৗতুহলের সাথে জিজ্ঞেসা করবে এটা কি কাজে ব্যবহৃত হয়!

গালিমপুরে আগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ছাই

নবাবগঞ্জ উপজেলার গালিমপুরের একটি বাড়িতে আগুনে লেগে ৩টি বসতঘর, এনজিও থেকে তোলা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার, ঘরের আসবাবপত্রসহ ৭টি ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবী।

১৫ জুন শনিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলা গালিমপুর গুচ্ছ গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জনি মিয়ার বাড়ির রান্নাঘরের আগুন থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জনি মিয়ার বাড়ির রান্নাঘর আগুন দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। আগুনের লেলিহান শিখা নিমিষেই তার বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসী ৪ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে পারলেও ততক্ষণে ৩টি বসতঘরসহ সব পুড়ে যায়।

জনি মিয়ার জানান, তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে তার চে বড় চিন্তা কিভাবে এনজিওর ঋণ পরিশোধ করবেন।

নবাবগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মসফিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পাড়ে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

মাঝিরকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ১৫ জুন শনিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাঝিরকান্দায় মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মানিকগঞ্জের সিংঙ্গাইর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নজরুল ইসলাম (৪৫) নিহত হয়েছেন। অপর একজন হামিদুর রহমান (৪৭) নামে আহত হয়েছেন। নিহতের পিতার নাম সাকু মিয়া।

নিহত নজরুল ইসলাম সিংঙ্গাইর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার। আহত হামিদুর রহমান নবাবগঞ্জ উপজেলার মাতাবপুর গ্রামের কোমর মোল্লার ছেলে।

প্রত্যক্ষদশীরা জানায়, ১৫ জুন শনিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাঝিরকান্দা এলাকায় মটরসাইকেলটি একটি যাত্রীবাহী বাসকে পাশকাটিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। স্থানীয়রা নজরুল ইসলাম ও হামিদুর রহমানকে আহত অবস্থায় নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক নজরুল ইসলামকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মসফিকুর রহমান নিউজ৩৯ কে জানান, নিহত নজরুল ইসলাম পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল থেকে লাশ বাড়ি নিয়ে গেছে। নিহতর পরিবারের সদস্যরা থানায় এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ করে নি।

শিকারীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন পরিত্যক্ত চার বছর ধরে

দীর্ঘ ৪ বছর ধরে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পরে আছে নবাবগঞ্জ উপজেলার ১নং শিকারীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর অর্থায়ানে ৪১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় ভবনটি নির্মান করা হয়। ২০০৮ সালের নভেম্বরের ২৯ তারিখে ভবনটি উদ্বোধন করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী। সে সময়ের শিকারীপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন এম.এ জব্বর মোল্লা।

উদ্বোধনের পরে শিকারীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আফজাল হোসেন ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে ১০/১২ দিন অফিস করার পর তাকে আর ওই ভবনে অফিস করতে দেখা য়ায় নি।

বর্তমান চেয়ারম্যান আলিমোর রহমান খান পিয়ারা ইউনিয়ন পরিষদের কাজ চালাচ্ছেন তার নিজ বাড়ি হাগ্রাদী থেকে। মাঝে মাঝে ইউনিয়ন পরিষদে বিচার-সালিশ ও কারিতাসের সভা হয়, এছাড়া আর অন্য কোন দাপ্তরিক কাজ সেখানে চলে না।

অন্যদিকে দিনের বেলায় যদিও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটিতে কোন প্রকার না চললেও সন্ধার পরে কিছু স্থানীয় যুবকেরা তাদের নেশার কার্যক্রম চালায় প্রায় প্রতিদিনই। সন্ধা হলেই আশেপাশে এলাকার যুবকেরা এক সঙ্গে বসে নেশাদ্রব্য সেবন করে।

বাহ্রা ঘাটে পল্লী উন্নয়ন সমিতিতে চুরি

দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নের সরকারি নিবন্ধীত এইচ বি এ পল্লী উন্নয়ন সমিতির কার্যালয়ে চুরি করেছে দূর্বত্তরা। বৃহস্পতিবার রাতে সংগঠিত এই চুরিতে সমিতির ৩০ টাকার মাল পত্র খোয়া গেছে বলে জানিয়েছে কতৃপক্ষ।

দোহার উপজেলার অন্যতম প্রাচীন ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় কার্যালয় থেকে নিবন্ধিত এই সমিতি এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজে জড়িত। এই কার্যলয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এই চুরি সংগঠিত হয়। এসময় চোর সমিতির সদস্যদের বিনোদনের জন্য ব্যবহৃত একটি ২১ ইঞ্চি এল জি কালার টেলিভিশন এবং একটি জিএফসি ফ্যান চুরি করে নিয়ে যায়। সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, “এলাকার তরুনদের সুপথে আনতে এই সমিতি গড়ে উঠেছে। এই সমিতিতে এই রকম চুরি অনভিপ্রেত।”

এবার রমজানে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে- দোহার পল্লীবিদ্যুৎ এর নতুন ডিজিএম

আসন্ন রমজান মাস উপলক্ষে দোহারে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে বলে জানিয়েছেন দোহার পল্লী বিদ্যুৎ এর নব নিযুক্ত ডিজিএম মোঃ আব্দুল লতীফ। রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সাবেক এই কমকর্তা নিউজ ৩৯কে জানান আগামী মাস থেকে দোহারে লোডসেডিং এর হার অনেক কমে যাবে। এবং লাইন আপগ্রেডিং এর জন্য বর্তমানে দোহারে বিদ্যুৎ এর যে সমস্যা দেখা দিয়েছে তা এই সপ্তাহের মধ্যে দূর হয়ে যাবে বলে তিনি জানান।

১৭ মেগাওয়াটের বিপরিতে দোহারে বর্তমানে ১২ থেকে ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ হয় বলে জানিয়ে তিনি বলেন এবারের রমজানে জাতীয় গ্রেডে কোন রকম বিপর্যয় না ঘটলে সেহেরী ও ইফতারের সময় এবার দোহার বাসী বিদ্যুৎ পাবে।

আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বিদ্যূৎ সংযোগ দেয়া হবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন এবারের এই কার্যক্রমে সবগুলো আবেদকারীকেই বিদ্যূৎ সংযোগ দেয়া বলে তিনি নিউজ৩৯ কে নিশ্চিত করেছেন।