তারেক রহমানের খালাসে দোহারে বিএনপি’র আনন্দ মিছিল

0

স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ৩৯.নেট :: অর্থপাচার মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দোশ প্রমাণীত হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত । আর খালাস পাওয়ায় দোহার উপজেলা বিএনপি মিষ্টি বিতরন ও আনন্দ মিছিল করেছে। 

আনন্দ মিছিলটি জয়পাড়া কলেজ মোড়ে মিষ্টি বিতরণ ও মিষ্টিমুখ করে। পরে নেতা-কর্মীরা কলেজ মোড় থেকে শুরু করে জয়পাড়া বাজারের ভিতর দিয়ে লটাখোলায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতা-কর্মীরা তারেক জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে।

মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাসুদ পারভেজ, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মুহসিন উদ্দীন খান মাসুম, দোহার থানা জাসাস সভাপতি বজলুর রহমান পপি, জয়পাড়া কলেজের সাবেক ভিপি আতিকুর রহমান সুয়েম, স্বেচ্ছাসেবক নেতা মাসুদ দেওয়ান, জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক মো. সেলিম দেওয়ান সহ প্রায় শতাধিক নেতা-কর্মী।

এ রায় ঘিরে দোহারে নিরাপত্তা বাহিনী নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে সতর্ক অবস্থায় ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

দোহারে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

0

সবুজ শাহীন নিউজ৩৯.নেট ♦ দোহারে মোটর বাইক দূর্ঘটনায় মারা গেছেন ফুলতলা পুলিশ ফাঁড়ীর সদস্য মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু (৪০)। এতে গুরুতর আহত হন এস আই জহিরুল ইসলাম (৪০)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুলতলা পুলিশ ফাঁড়ী হতে একটি মোটর বাইক ঢাকা মেট্রো হ-১৪৬৫৭১ নিয়ে বের হয়ে তারা পুলিশি তদন্তে যচ্ছিলেন। ফুলতলা ফ্যামস স্কুলের সামনে দানেশ ব্যাপারীর স’মিলের সামনে জয়পাড়াগামী একটি গতি গাড়ীকে ওভারটেকিং করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারান। তখন বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইটভর্তি ট্রাকের তলায় পিষ্ট হন। তাকে দ্রুত ফুলতলাস্থ আব্দুর রাজ্জ্বাক হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় এস আই জহিরুল ইসলামকে হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

মঞ্জুরুল ইসলামের গ্রামের বাড়ী মানিকগঞ্জ জেলার সদর থানার হামলি গ্রামে। তার পিতার নাম মৃত আলিম মাস্টার।

 এ ঘটনায় ট্রাক চালক ও হেল্পারকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করে থানা সূত্র।

সালাউদ্দিন মোল্লার বাসায় পুলিশি অভিযান: আটক ২

0

নিউজ৩৯ ♦ জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দোহার উপজেলা বিএনপির সমন্বয়ক সালাউদ্দিন মোল্লার বানাঘাটার বাসায় শনিবার সকাল ১১টায় অভিযান চালিয়েছে দোহার থানা পুলিশ। সকালে সালাউদ্দিন মোল্লার বাসার সামনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে মিছিল বের করে দোহার উপজেলা বিএনপি’র আব্দুল মান্নানের সমর্থকেরা। এসময় এস আই শিব শংকরের নেতৃত্বে পুলিশ উপস্থিত হলে মিছিলটি পণ্ড হয়ে যায় এবং সালাউদ্দিন মোল্লার বাসায় অভিযান চালায়। এসময় বাসা থেকে ২ টি মটর সাইকেল আটক করেছে পুলিশ।

সালাউদ্দিন মোল্লা তার বাসায় পুলিশের অভিযান সম্পর্কে বলেন “ একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে আমি তো একটা সুষ্ঠ নির্বাচন চাইতেই পারি। এটি আমার মৌলিক অধিকার। একটি সুষ্ঠ নির্বাচন জন্য এই আয়োজিত এই বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ হামলা চালায়। আমি কোন রকমে বাড়ির পকেট দরজা দিয়ে পালিয়ে যাই। এরপর আমার বাসায় তল্লাশীর নামে তাণ্ডব চালিয়ে ভাংচুর করেছে, বাড়ির মহিলাদের সাথে অসভ্য ব্যবহার করেছে। সেই সাথে দুই জন দলীয় কর্মীকে গ্রেফতার  করেছে। আমরা কি সভ্য দেশে বাস করছি।আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই”

এই ব্যাপারে দোহার উপজেলা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত  কর্মকর্তা কামরুল হাসান নিউজ৩৯কে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ মিথ্যা,সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমাদের কাছে তথ্য ছিল  গত মাসের ২৭ তারিখে দায়েরকৃত মামলার একজন আসামী তার বাড়িতে লুকিয়ে ছিল । তাকে আটক করতে আমরা এই অভিযান পরিচালনা করি। কিন্তু অন্য কোন ঘটোনা সেখানে ঘটেনি। আমরা সে আসামী গ্রেফতার করার পর চলে আসি। আর সে সময় আমাদের সাথে দোহার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন, আপনারা তার কাছ থেকেও সত্যতা যাচাই করতে পারেন।

দোহার-নবাবগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল: আটক ২

0

নিউজ৩৯ ♦ দোহার ও নবাবগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে এই বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেন এই দুই উপজেলার মান্নান পন্থী নেতারা বলে জানান তার রাজনৈতিক সচিব রফিকুল ইসলাম। দোহারের বানাঘাটায় ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় এই মিছিল সংগঠিত হয়। এতে দোহারে পুলিশি অভিযানে ২ জন আটক হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাসাস কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সালাহউদ্দীন মোল্লা।

এদিকে নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির মান্নান পন্থী গ্রুপের নেতারা নবাবগঞ্জ বিএনপির সভাপতি আবেদ হোসেন ও সাধারন সম্পাদক হারুনর রশিদের নেতৃত্বে নবাবগঞ্জ উপজেলা থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি উপজেলা প্রদক্ষিন করে শুরগঞ্জে বিএনপি’র নিজ অফিসে গিয়ে শেষ হয়। এই সময় বিএনপি নেতা কর্মীরা খালেদা জিয়া ও আব্দুল মান্নানের পক্ষে শ্লোগান দিতে থাকে।

বিক্ষোভ শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, আর ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই। দেশ বাঁচাতে, মানুষ বাঁচাতে ও বাকশালী সরকারের হাত থেকে গণতন্ত্র রক্ষা করতে সকল নেতা-কর্মি ও জনগণকে ঘর  ছেড়ে বের হওয়ার আহবান জানান তারা। একই সাথে স্বাধীনতা ও সার্বভৌম রক্ষা করতে এই দূর্নীতিবাজ জালেম সরকারের হাত থেকে দেশ বাচতে সবাইকে এক হওয়ার আহবান জানানো হয়।

কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান পন্থী নেতা কর্মীরা দোহার উপজেলার করমআলীর মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল করার প্রস্তুতি নেয়, কিন্তু জয়পাড়া পূর্ব বাজার বাজার সমিতির নির্বাচন থাকায় স্থান সরিয়ে বানাঘাটায় জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দোহার উপজেলা বিএনপি’র সমন্বয়ক সালাউদ্দিন মোল্লার বাসার সামনে মিছিল আয়োজন করে। এই সময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ উপস্থিত হয়ে মিছিলে বাধা প্রদান করে এবং সেখান থেকে দুইজন বিএনপি কর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এরা হলেন স্বপন ও শাহজাহান কাজী। এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ এর কাছে দেয়া সাক্ষাৎকারে সালাউদ্দিন মোল্লা এই হামলা ও গ্রেফতারের ঘটনাকে কাপুরুষিত ও নোংরা বলে উল্লেখ করেন।

নবাবগঞ্জে মান্নান-আশফাক গ্রুপের সংঘর্ষ

0

আসিফ শেখ, নিউজ৩৯.নেট ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির দু’গ্রুপের নেতাকর্মীরা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া  গুলিবর্ষন, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাংচুর করেছে । শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টায় উপজেলা মাঝির কান্দার নিসকান্দা মোড় এলাকায় খন্দকার আবু আশফাকের গ্রুপের বান্দুরা ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভা ও যোগদান সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে ফেরার পথে আব্দুল মান্নান গ্রুপের নেতাকর্মীদের সাথে এই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। 

স্থানীয় ও প্রতক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলা মাঝির কান্দার নিসকান্দা মোড় এলাকায় খন্দকার আবু আশফাকের গ্রুপের বান্দুরা ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভা ছিল। সভা শেষে আশফাক গ্রুপ মিছিল নিয়ে ফেরার পথে পিছন দিক থেকে আব্দুল মান্নান গ্রুপের নেতাকর্মীরা ধাওয়া করে।  এসময় দুগ্রুপের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে। মান্নান গ্রুপের নেতাকর্মীরা ৪ থেকে ৫টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।  এরপর ৩/৪ রাউন্ড গুলিবর্ষন হয়। কিছুক্ষণ পর মাঝির কান্দা  বাসস্ট্যান্ডে ৫/৬ টি মোটরসাইকেল ভাংচুর ও মান্নান গ্রুপের বিএনপি অফিস ভাংচুর হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় ।

মান্নান গ্রুপের উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন বলেন, আবু আশফাকের নেতাকর্মীরা অর্তকীত হামলা চালিয়ে বিএনপির অফিস ভাংচুর করেছে।

অপরদিকে আশফাক গ্রুপের উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মানোয়ার হোসেন ভাংচুরের কথা অস্বীকার করে জানান, ওরা মামলা সাজানোর উদ্দেশ্য নিজেদের অফিস নিজেরাই ভাংচুর করেছে। কর্মীসভা শেষে আমরা  শান্তি পূর্ণ মিছিল করে আসার সময় আব্দুল মান্নান গ্রুপের নেতাকর্মীরা পিছন থেকে আমাদের উপর হামলা চালায়।  

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মান্নান ফকির জানান,  ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আছে। 

নবাবগঞ্জে ছাত্রলীগসহ অর্ধশত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

0

আসিফ শেখ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছে। শুক্রবার বিকাল ৫টায় বান্দুরা ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত কর্মী সভায় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইফতেখার আল ফারুকী, সহ-সভাপতি ওয়াহিদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আহম্মেদ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবুল কালাম, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক পবন মাহমুদ, শ্রমিকদল সভাপতি মো. শাহিন প্রমূখ।

নবাবগঞ্জে চুরির গাড়ীসহ আটক ২

0

 আছিফ শেখ♦ নবাবগঞ্জ উপজেলার চুড়াইন বাজার সংলগ্ন বাংলালিংক টাউয়ারের চুরি করার সময়ে একটি পিকআপ ভ্যান, ২৪টি ব্যটারীসহ মাসুদ হোসেন (২৩) ও গাড়ীর ড্রাইভার রানা (২৪) কে আটক করেছে থানা পুলিশ।    

আটককৃত মাসুদ হোসেন রাজধানীর মধ্য বাড্ডা এলাকার মো. সেলিমের ছেলে ও রানা মাদারীপুর জেলার হোসনাবাদ গ্রামের মজিবর বেপারীর ছেলে।     

পুলিশ জানায়, ১৫ নভেম্বর শুক্রবার ভোরের দিকে পুলিশ ঐ এলাকায় টহল দেয়ার সময়ে চুড়াইন বাজার সংলগ্ন বাংলালিংক টাউয়ারের সামনে আসলে ৭/৮ জনের একটি দল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় মাসুদ হোসেন ও পিকআপ গাড়ীর ড্রাইভার রানা তাদের ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যান গাড়ী এবং ২৪টি ভলবো রেগুলেটেড লিড এসিড ব্যটারীসহ তাদের আটক করা হয়।      

নবাবগঞ্জ সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. শামীম জানান, বাংলালিংক অফিসে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর দেয়া হয়েছে। তারা আসলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নবাবগঞ্জে ইজিবাইক চালক খুন

0

আছিফ শেখ♦ নবাবগঞ্জ উপজেলায় আক্কাস বেপারী (৩০) নামে এক ইজিবাইক চালককে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার কাহুর এলাকার রাস্তা থেকে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে। নিহত আক্কাস বেপারী উপজেলার কলাকোপা বাগহাটি গ্রামের জয়নাল বেপারীর ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের কাহুর এলাকার রাস্তায়, ইজিবাইক চালক আক্কাস বেপারী রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। এসময় তার ইজিবাইকটি রাস্তার পাশে পড়ে ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে লাশ থানায় নিয়ে যায়। শুক্রবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মিডফোর্ট হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিহতের পিতা জয়নাল বেপারী জানান, অটো বাইক চালক আক্কাস বেপারী বৃহস্পতিবার বিকেলে অটো নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। গভীর রাত গড়িয়ে গেলে বাড়ির লোকজন তাকে খোঁজ করতে বের হয়। শুক্রবার সকালে সংবাদ পেয়ে থানায় ছুটে আসেন।নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মন্তোষ পাল জানান, নিহতের মাথা, চোঁখ ও বুকে ছুড়িকাঘাতের চিহ্ন ছিল এবং গলায় মাপলার পেঁচিয়ে শাসরোধের দাগ দেখা গেছে। এ বিষয়ে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

সুবিধাভোগী ও কোন্দলে দ্বিধাবিভক্ত দোহার বিএনপি

রহমান সজল ♦ চরম সুবিধাভোগী, পদপ্রত্যাশী ও কোন্দল এবং নেত্রিত্বহীনতায় দ্বিধা বিভক্ত হয়ে পড়েছে দোহার উপজেলা বিএনপি। আর তৃণমূল র্পযায়ের নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে দিশাহীন দোহার বিএনপি। একদিকে নাজমুল হুদা, অন্যদিকে আবু আশফাক ও আরেক দিকে আব্দুল মান্নান। প্রতিটি ইউনিয়নে রয়েছে একাধিক কমিটি। এক কমিটির সাথে আরেক কমিটির সদস্যরা মাঝে মাঝে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে। এই ত্রিমুখী কোন্দলে নাজেহাল দেশের অন্যতম বৃহত্তম এই রাজনৈতিক দল। কারও সাথে কারও নেই মুখ দেখা-দেখি, ফলে কেন্দ্র অথবা স্থানীয় বা জাতীয় দিবস বা যে কোন ধরনের কার্‍্যক্রমে নেই তাদের তেমন কোন অবস্থান। বরং অনেকটাই ক্লাব পার্টিতে পরিণত হয়েছে দোহার নবাবগঞ্জ তথা দোহার বিএনপি। একটা সময় বিএনপি’র ঘাটি বলে পরিচিত দোহারে বিএনপি পরিচালিত হতো সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার ইশারায়। কিন্তু দলের সংকটকালীন সময়ে দল থেকে বেড়িয়ে এসে তিনি গঠন করেন নতুন রাজনৈতিক দল বিএনএফ। আর বিএনএফ গঠন করার পর বিএনপি থেকে তিনি বহিস্কৃত হন। আর এতে অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়ে দোহার উপজেলা বিএনপি।

বিএনএফ যে সরকারের ছত্রছায়ায় বিএনপি’কে পর্যদুস্ত করতে গঠিত হয়েছিল তা বোঝা যায় বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের আচরণে। বিএনপি থেকে তিনি বহিস্কৃত পর তিনি হারান ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতির পদও। তারপর সেই পদে ভারপ্রাপ্ত হয়ে আসেন সাবেক বিমানমন্ত্রী নবাবগঞ্জ উপজেলার সাবেক এম.পি ও খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুল মান্নান। আর তখন থেকেই দোহার উপজেলায় শুরু হয় বিএনপির কোন্দল সুপষ্ট। শুধু 5 Star বলে পরিচিত একটি গ্রুপ ও মুকসুদপুর ইউনিয়ন বিএনপি রয়ে যায় নাজমুল হুদার পাশে। তবে এখনো দোহার-নবাবগঞ্জে জনগণের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতার নাম ব্যা. নাজমুল হুদা। এছাড়া আব্দুল মান্নানের জামাতা বিএনপি’র কেন্দ্রীয় মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যা. নাসিরুদ্দীন অসীম। ব্যা. অসীম নিজে বেগম জিয়া ও তারেক জিয়ার আইনজীবী হওয়ায় তার অবস্থান অনেক দৃঢ়। এদিকে বিএনপি’র নেতা র্কমীদের দলে ভেড়াতে শুরু হয় রাজনীতি। হঠাৎ করেই ঘোষিত হতে থাকে স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির কমিটি। আর কমিটি ঘোষিত হতে থাকে মান্নান পন্থী নেতা কর্মীদের নিয়ে। ফলে নাজমুল হুদা পন্থীদের উপর নেমে আসে হতাশার কালো মেঘ। ফলে দোহারের বিএনপির রাজনীতিতে প্রথম শুরু হয় কোন্দল। ফলশ্রুতিতে আন্দোলন শুন্য ও কমিটি কেন্দ্রীক হয়ে দোহার বিএনপির রাজনীতি। এই রকম এক প্রেক্ষাপটে দোহারের বিএনপির রাজনীতিতে আরও বেশি সক্রীয় হন নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি কেন্দ্রীয় র্নিবাহী কমিটির সদস্য আবু আসফাক।

নবাবগঞ্জে বিএনপিতে শক্ত অবস্থানে থাকলেও দোহারের বিএনপির রাজনীতিতে তিনি নতুন। কিন্তু ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার একসময়ের ভাবশিষ্য হিসাবে পরিচিত আবু আশফাক তার অনুসারী তৈরী করতে বেশ তৎপর। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা পন্থী নেতা কর্মীরা ধীরে ধীরে যোগ দিতে থাকেন আবু আশফাকের সাথে। ফলে ত্রিমুখি সংকটে হতাশা ও দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়ে ঢাকা-১ আসন খ্যাত দোহার উপজেলা বিএনপি’র রাজনীতি। দলীয় কর্মসুচিতে কেউ নাই অথচ সবাই ব্যাস্ত বিভিন্ন কমিটির পদ নিতে এবং নিজের ব্যবসায়িক কাজে সময় দিতে। এসবের মাঝে কিছুটা প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ভবিষ্যতে এমপি অথবা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাসাসের কেন্দ্রীয় নেতা সালাহউদ্দীন মোল্লা। এক সময় নাজমুল হুদার নিকটজন এই নেতা বর্তমানে আব্দুল মান্নানের কাছের জন। আবার আব্দুল মান্নানের গ্রুপে রয়েছে উপ-গ্রুপিং। এখানে সভাপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদের সাথে আছেন সাধারণ সম্পাদক আলমগীর। কিন্তু দ্বন্দে তাদের থেকে দূরে রয়েছেন ডালু খন্দকার। যদিও আব্দুল মান্নান নিজেকে দাবী করেছেন, ঢাকা জেলা বিএনপি’র সভাপতি। কিন্তু গণমাধ্যম তাকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বলেই জানে। আব্দুল মান্নানের এই কমিটির কোন বৈধতা বা অনুমোদন কেন্দ্র থেকে নেই বলে জানিয়েছেন আবু আশফাক।  আর দোহারে বিএনপি’র রাজনীতিতে কোন্দলকে আরো উসকে দেয় বিভিন্ন অংগ-সংগঠনের কমিটি ঘোষণা দেয়া নিয়ে। দ্বন্দ প্রকট হতে থাকে নিজেদের মধ্যে। এরই মধ্যে দোহারে রয়েছে ছাত্রদল, শ্রমিকদল ও যুবদলের দুটি করে কমিটি। সবাই নিজেকে বৈধ কমিটি বলে দাবি করলেও কার যে বৈধতা আছে তা নিয়ে সন্দিহান নিজ অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরাই। এই গ্রুপিংএর ভিতরেও সৃষ্টি হয়েছে একটি গ্রুপ। সুবিধাভোগী বলে পরিচিত এই গ্রুপের কাজ হচ্ছে সবার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে দলের ভিতরে পদ বাগিয়ে নেয়া। এদের সকাল বেলা হয়তো দেখা যায় আবু আশফাকের বাসায়, বিকালে নবাবগঞ্জের গালিমপুরে আব্দুল মান্নানের বাসায় আবার রাতে শাইনপুকুরে নাজমুল হুদার সাথে। অথবা ঢাকায় আলাদা আলাদা ভাবে সবার সাথে ভাব রেখে চলেছেন এই নেতারা। আন্দোলনে নেই তারা। বিএনপি’র বিগত ৬০ ঘণ্টা, ৬০ ঘণ্টা ও ৮৪ ঘণ্টার হরতালে দেখা যায় নি নূন্যতম কোন পিকেটিং বা বিক্ষোভ। এর মাঝে ১৮দলীয় জোটের একটি প্রতিবাদের আয়োজন করে ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাসুদ পারভেজ ও জয়পাড়া কলেজ সাবেক জিএস সেণ্টু ভূইয়া। কিন্তু নিজ দলের মাত্র ৮/১০ জন নেতা কর্মী থাকায় তা বাতিল করা হয়। আর সর্বশেষ ১১ই নভেম্বর, সোমবারের হরতালে সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বিদ্যুৎ জয়পাড়া বাজারে মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশের উপস্থিতিতে তা পন্ড হয়। পরে রাতে পুলিশ তার বাসায় অভিযান চালালেও বিদ্যুৎ কে আটক করতে পারে নি। এই হল বিএনপি’র আন্দোলন পরিস্থিতি। যদিও অনেককে দেখা যায় রাজনীতি নিয়ে কথা বলায় বা রাজপথে সংগ্রাম করার প্রচন্ড অনীহা। অথচ এদেরকেই বিগত জোট সরকারের আমলে বড় বড় টেন্ডারে সবার আগে দাদা’র (নাজমুল হুদা) পাশে দেখা গেছে। যারা তেমন সুবিধা নেয় নি আজ তারাই চায় আন্দোলন করতে। শুধু একজন নেতা দরকার! কোন কোন শীর্ষনেতা আছেন বাড়ীর সামনের হাটা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলে পাঠিয়ে দিচ্ছেন পত্রিকা অফিসে, ফোন করে বলছেন তারা ব্যাপক বিক্ষোভ করেছেন। মাঝে মাঝে ছবি বাদে ফোন করছেন যে তারা আন্দোলন করছেন অথচ যার কোন সত্যতা নেই। এসব নির্লজ্জ সুবিধাভোগীদের খপ্পরে প্পড়ে তৃনমূল বিএনপি আজ দিশেহারা অথচ সমর্থকএর দল বলে পরিচিত বিএনপি’র তৃনমূলে নেই কোন বিভেদ। কিন্তু নেতৃত্বের এই পলায়ন ও বেহাল দশার কারণে হতাশা নেমে এসেছে স্থানীয় বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতা কর্মীদের মাঝে। মাঠের নেতা কর্মীরা হতাশ এই তৈলাক্ত রাজনীতি নিয়ে। ত্যাগী নেতা কর্মী বলে যারা স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিত তাদের খুজে পাওয়া যাচ্ছে না মাঠ পর্যায়ে। বরং সুবিধা ভোগীর রাজনীতি থেকে বের হয়ে এসে তারা সরে এসে ব্যস্ত রয়েছেন নিজেদের প্রাত্যহিক কাজে।

স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপি’র রাজনীতির ফায়দা লোটার জন্য অপেক্ষায় আছে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা। স্থানীয় পর্যায়ের এই কোন্দলের কারনে হয়তো এবারও এই সংসদীয় আসনটি হারাতে পারে বিএনপি। এতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বিএনপির ক্ষতি হবে, ক্ষতি হবে স্থানীয় পর্যায়ের বিএনপিরও। পাল্টে যেতে পারে ঢাকা জেলায় বিএনপি’র অবস্থান। আর এই নেতৃত্বহীনতার জন্য ভুগছে ঢাকা মহানগর বিএনপিও। ফলে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি হয়তো স্বপ্নই থেকে যাবে দোহার উপজেলার ত্যাগী বিএনপি নেতা কর্মীদের জন্য।

দৈনিক যুগান্তরে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ ও প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

0

দৈনিক যুগান্তরে “মিথ্যা ও ভিত্তিহীন” সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ। ১২ নভেম্বর দৈনিক যুগান্তরে পরিবেশিত “মোতা বাহিনীর কথায় ওঠবস করে দোহার উপজেলা প্রশাসন” ও ১৩ নভেম্বর পরিবেশিত “দলের নামে লিজ নেওয়া জমিতে মোতা খানের বহুতল ভবন” সংবাদ দুটির আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা।

উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সাবেক দোহার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও দোহার পৌরসভার ওয়ার্ড কমিশনার রাকিবুল হাসান রাহিম, ১২ ও ১৩ নভেম্বর দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানের ভাই মোতালেব খানবে জড়িয়ে যেই সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। এই সংবাদের আমরা নিন্দা জানাচ্ছি।

এই সময় দোহার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল মিয়া বলেন, মন্ত্রী মহোদয়ের সুপারিশ ক্রমে সবকিছু বরাদ্দ করা হয় এতে মোতালেব খানের কোন প্রভাব নেই।
দোহার পৌরসভার উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ময়েজউদ্দিন বলেন, দোহার পৌরসভার কাজের মান শতভাগ ঠিক আছে। এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

আর দোহার পৌরসভার কাজে মোতালেব খানের কোন হস্তক্ষেপ নেই বলে জানান প্যানেল মেয়র আলমাস উদ্দিন, প্যানেল মেয়র ও ওয়ার্ড কমিশনার আদিল শিকদার ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার ডাঃ বোরহান উদ্দিন জানান, মুক্তিযোদ্ধা ভবনের জন্য উপজেলা প্রশাসন ৯ শতাংশ জায়গা মুক্তিযোদ্ধা্ সংসদের নামে লিজ দেয়। সেখানে বর্তমানে ৪ তরা ফাউন্ডেশনের ভবনের কাজ চলছে এবং ৩ তরা সম্পন্ন হয়েছে।
এই সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী শাফিউদ্দিন, নারিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম, সুতারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সুরুজ ব্যাপারী, আলমগীর মোল্লা, জহিরুদ্দিন জহির ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রাজীব শরিফ।