মাসুদ পারভেজকে সামর্থন দিলেন নাজমুল হুদা

0

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাসুদ পারভেজকে সমর্থন দিলেন বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা। নিউজ৩৯ এর সাথে নাজমুল হুদার ফোনালাপের মাধ্যমে নাজমুল হুদা নিউজ৩৯কে মাসুদ পারভেজকে সমর্থন দেয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত করেন।

রবিবার রাতে নাজমুল হুদা সমর্থক দুই নেতা করিম ব্যাপারী ও মাসুদ পারভেজের সাথে একান্ত বৈঠকের পর নাজমুল হুদা মাসুদ পারভেজকে সমর্থন দেন। এবং তার পক্ষে কাজ করার জন্য সকল বিএনপি নেতাকর্মীকে আহ্বান জানান।

আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে স্পস্টত দুই ভাগে বিভক্ত দোহার উপজেলা বিএনপির একাধিক প্রার্থী নির্বাচন করছে। এরমধ্যে আব্দুল মান্নান গ্রুপের নেতাকর্মীরা চেয়ারম্যান পদে সালাউদ্দিন মোল্লাকে মনোনিত করছে। একই সাথে নাজমুল পন্থীরা চেয়ারম্যান পদে নাজমুল হুদার ভাই কামরুল হুদার পক্ষে কাজ করছে। কিন্তু ভাইস চেয়ারম্যান পদে নাজমুল হুদার কাছের দুই জন নেতা মনোনয়ন পত্র জমা দিলে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে নাজমুল হুদা পন্থীরা। এই সমস্যা সমাধানে তাদের সাআকায় বৈঠক করেন নাজমুল হুদা এবং ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাসুদ পারভেজকে সমর্থন দেন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

খোকন শিকদারই আওয়ামী লীগের চুড়ান্ত প্রার্থী

0

খোকন শিকদারকেই আসন্ন দোহার উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করেছে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা কর্মী নিজেকে আওয়ামী লীগের মনোনিত এক মাত্র প্রার্থী দাবি করলেও শেষ পর্যন্ত কাউন্সিলের মাধ্যমে খোকন শিকদারকে একক প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ। দোহার উপজেলা নির্বাচনে দোহার উপজেলা থেকে নির্বাচন করছে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা। এর মধ্যে আছেন দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক খোকন শিকদার, দোহার উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপজেলা নির্বাচনে একক প্রার্থী নির্ধারন করার জন্য প্রতি উপজেলায় চিঠি পাঠালে নড়ে চড়ে বসে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ। কাউন্সিলের ভোটের মাধ্যমে নির্দারিত হয় দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন। নির্বাচনে ৩১ জন কাউন্সিলর ভোট দেন। এর মধ্যে বিভিন্ন জটিলতার কারনে ৪ জন ভোট দিতে পারেন নি এবং ৩ জন ভোট দানে বিরত থাকেন। কাউন্সিলরদের ভোটের মধ্যে ২৬ ভোট পেয়ে মনোনয়ন অর্জন করেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান খোকন শিকদার।

একক প্রার্থীর খোজে দোহার বিএনপি: চলছে সমঝোতার চেষ্টা

0

আসন্ন দোহার উপজেলা নির্বাচনে চরম সংকটে পড়েছে দোহার উপজেলা বিএনপি। প্রতিপক্ষ আওয়ামীলীগ কাউন্সিলের মাধ্যমে প্রার্থী চূড়ান্ত করলেও এখনো কোন প্রার্থী এককভাবে চূড়ান্ত করতে পারেনি উপজেলা বিএনপি। ঢাকা জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদার কনিষ্ঠ ভাই কামরুল হুদা ও  জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং দোহার থানা বিএনপি’র সমন্বয়ক সালাহউদ্দীন মোল্লা উভয়েই লড়ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদে। বিষয়টি নিয়ে সমাধান করার জন্য দু’পক্ষই সমঝোতার চেষ্টার করছে দলীয়ভাবে একক প্রার্থী দিতে।

এ ব্যাপারে বিএনপি’র একটি দায়িত্বশীল সূত্র নাম না প্রকাশ করার শর্তে নিউজ৩৯কে জানিয়েছে, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশ রয়েছে দলীয়ভাবে একক প্রার্থী দিতে ও তার পক্ষে নির্বাচন করতে। এরই ধারাবাহিকতায় ১লা ফেব্রুয়ারী শুক্রবার বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মহানগর বিএনপি’র প্রভাবশালী নেতা মীর্জা আব্বাসের বাসায় বৈঠকের কথা রয়েছে। সেখানে সমঝোতার মাধ্যমে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে একটী দলীয় প্যানেল দিতে। আর এই বৈঠককে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষই কেন্দ্রীয় নেতাদের দারস্থ হচ্ছেন।

উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার ( ২৮শে জানুয়ারী) দোহার পৌরসভা মেয়র আব্দুর রহিম মিয়ার বাড়ীতে সন্ধ্যার দিকে বৈঠক করে উভয় পক্ষ। এতে দীর্ঘদিন পরে দেখা হয় নাজমুল হুদা ও অন্যান্য নেতা কর্মিদের। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাঃ নাজমুল হুদা, কামরুল হুদা, পৌরসভা মেয়র আব্দুর রহিম মিয়া,সুতারপাড়া ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, দোহার উপজেলা বি এন পি সভাপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর ব্যাপারী, সাঙ্গগাঠনিক সম্পাদক ডালু খন্দকার, সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ভুলুসহ শীর্ষ স্থানীয় প্রায় সকল নেতা।   সভায় রাগ অভিমান ও দোষারোপ সবই হয়। শুধু হয়নি সমঝোতা। তাই উভয়পক্ষ আবারো সমঝোতার জন্য বসছে কেন্দ্রীয় নেতা মীর্জা আব্বাসের বাসায়।

জয়পাড়া মডেল স্কুলে প্রধান শিক্ষক অপসারণের গুজব

0

নিউজ৩৯  জয়পাড়া মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রজিৎ পালকে দূর্ণীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অপসারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্কুলের একটি সূত্র।  তার এক্সটেনশনের মেয়াদ পূর্তির পূর্বেই তাকে অপসারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরেই জয়পাড়া মডেল স্কুলে শিক্ষকদের মাঝে দু’টি ধারাইয় বিভক্ত ছিল। এ নিয়ে তাদের মাঝে শারিরিক লাঞ্চনার ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রজিৎ পাল ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মোশতাক আহমেদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরেই দ্বন্দ বিরাজ করছিল। আর এতে আরো বেশি প্রকট হয়ে পড়ে তাদের মধ্যকার বিভাজন। এছাড়া রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রসাশনিক প্রভাব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে শিক্ষা কার্যক্রমকে।এরই সাথে যুক্ত হয় শিক্ষকদের ছাত্রদের জিম্মি করে প্রাইভেট বাণিজ্য, যা বাড়িয়ে শিক্ষকদের মধ্যকার রেশারেশি। এক সময়ের আলোকিত দোহারের প্রধান এই বিদ্যাপিঠ হারিয়ে ফেলে তার সুনাম। বরংচ আলোচিত হয়ে পড়ে শিক্ষকদের মধ্যকার দ্বন্দ নিয়ে। ফলে মডেল স্কুল ঘোষিত হলেও এস এস সি, যে এস সি বা পি এস সি’তে ফলাফল হয়নি আশানুরূপ। প্বার্শবর্তী বেগম আয়েশা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কলেজের অনুমোদনের ক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেও পিছিয়ে পড়ে অনেকের ভালোবাসার স্কুল জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।

একটি অসমর্থিত সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ৯ই ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এস এস সি পরীক্ষার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড হতে কেন্দ্র সচিব করা হয় সহকারী প্রধান শিক্ষক মোশতাক আহমেদকে। যেহেতু ইন্দ্রজিৎ পাল চাকুরীর মেয়াদ শেষে এক্সটেনশনে আছেন তাই বিধি অনুযায়ী বোর্ড এই ব্যবস্থা গ্রহণ করে। তবে অসমর্থিত সূত্র থেকে জানা যায়, মোশতাক আহমেদ বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নিকট অভিযোগ করেন যে, সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে প্রধান শিক্ষকের নিকট বিদ্যালয়ের আলমারী ও কক্ষের চাবি থাকায় তিনি দায়িত্ব পালনে নিরাপদ নন। সেই মোতাবেক বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নির্দেশ মোতাবেক স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দোহার থানা নির্বাহি কর্মকর্তা শামীমুল হক পাভেল জরুরী সভা ডেকে ইন্দ্রজিৎ বাবুকে বলেন “ You are not more here.” আপনি আগামিকাল এসে রেজ্যুলেশন করে দায়িত্ব সহকারী পধান শিক্ষকের নিকট বৃহস্পতিবার দায়িত্ব বুঝিয়ে দিবেন।

তবে বৃহস্পতিবার ইন্দ্রজিৎ বাবু পস্কুলে আসেননি বলে জানা যায়।

বিষয়টি বর্ত্মানে এই অবস্থায় ঝুলন্ত আছে, যা অনিশ্চিত করেছে হাজার হাজার এস এস সি পরিক্ষার্থীর জীবনকে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, ১১২ বছরের পুরানো প্রাচীন এই বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির কারো কারো নিয়ে ছিল দূর্নীতির বিস্তর অভিযোগ। আবার সহকারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি কোন প্রসাশনিক আদেশ সহজে মানেন না। এইসব নিয়ে স্থানীয় একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে প্রধান শিক্ষকের ইমেজকে। পত্রিকাটি স্কুলের ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত অর্থনইতিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করে।

নবাবগঞ্জের চুড়াইনে ডাকাতি

0

 ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ চুড়াইন গ্রামে আবুল কাসেম ও মো. ইসমাইলের ভাড়া বাসা থেকে সোমবার দিবাগত রাতে একটি ডাকাতদল ৬৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আবুল কাসেম ও মো. ইসমাইল জানান, সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ৫/৬ জনের একটি ডাকাতদল দেশিয় অস্ত্র নিয়ে দক্ষিণ চুড়াইন গ্রামের আমেরিকা প্রবাসী মিজানুর রহমানের ভাড়াটিয়া ইসমাইলের ঘরে হানা দেয়। এসময় বসত ঘরের টিনের বেড়া কেটে ভিতরে প্রবেশ করে। ঘরে থাকা আবুল কাসেম ও মো. ইসমাইলকে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে।

এসময় তাদের ঘরে থাকা নগদ ৬৫ হাজার টাকা লুটে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঐ রাতে প্রবাসীর পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিল না বলে স্থানীয়রা জানায়। মঙ্গলবার সকালে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক সোহাগ রানা ডাকাতির ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, এটি সিধেল চুরির ঘটনা।

বিলাসপুরের খুনের মামলায় ২০ জনের জামিন

0

দশম সংসদ নির্বাচনের পরদিন দোহারে বিলাসপুরে সংঘটিত খুনের মামলায় ২০ জনের জামিন হয়েছে, জানিয়েছেন দোহার থানা ডিবি কর্মকর্তা ফারুকউজ্জামান। মূলত বয়স্ক ও মহিলাদের জামিন হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলার আলোচিত আসামী উপজেলা  যুবলীগের সভাপতি আলমাস উদ্দিনের জামিন হয় নি।

জয়পাড়ার ইমাম ঢাকায় নিখোঁজ

0

ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়ার চৌধুরীপাড়ার হাই মিয়ার মসজিদের ইমাম ইলিয়াস হোসেন গত মঙ্গলবার থেকে নিখোঁজ। পরিবার সূত্র জানিয়েছে তিনি ঢাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন।

তার এক ব্যবসায়ী বন্ধুর কাছে সাত লাখ টাকা পেতেন। সেই বন্ধু ইমাম ইলিয়াস হোসেনের একাউন্টে টাকা জমা করার কথা জানিয়েছিল, কিন্তু তিনি সকালে ব্যাংকে গিয়ে টাকা জম হয় নি জানতে পান। তারপর তাকে টাকা আনতে ঢাকা যেতে বলা হয়।

তিনি দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়ীতে ফোন করে কথা বলেন। এর পর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়, এবং এখন পর্যন্ত আর কোনো হদিস পাওয়া যায় নি।

তার পরিবার থানা প্রশাসন ও র‍্যাব-কে এবিষয়ে জানিয়েছে। ইলিয়াস হোসেনের বাড়ী দোহারের নারিশা গ্রামে, তিনি তার কর্মস্থল জয়পাড়ায় মসজিদের কাছে বাড়ী করেন।

তার পরিবার উৎকণ্ঠায় সময় কাটাচ্ছে এবং সেই বন্ধুকে পরিবারের কেউ চেনে না বা ঠিকানা জানে না।

নবাবগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য আটক

0

আসিফ শেখ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জের চুড়াইন মুসলেমহাটি গ্রামে গভীর রাতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য শামীম ও নয়নসহ ৩ জনকে  আটক করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে রামদা, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
শনিবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার মুসলেমহাটি গ্রামের আবদুল মাজেদের পরিত্যক্ত বাড়িতে বসে ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার সময় গোপন সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাদের আটক করে। এ গ্রুপের আরো ৮/১০ জন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। আটককৃতরা হলো- আন্তঃজেলা ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য মুসলেমহাটি এলাকার আ. সামাদের ছেলে শামীম, গালিমপুর এলাকার মো. মিজান শেখের ছেলে নয়ন শেখ এবং গোবিন্দপুর এলাকার আঃ বাতেন মিয়ার ছেলে খোকন।

দেশ ও জাতির উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির বিকল্প নেই: নবাবগঞ্জে এ্যাড: সালমা ইসলাম

0

আসিফ শেখ, নিউজ৩৯.নেট ♦ সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। দেশ ও জাতির উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির বিকল্প নেই। তাই সব শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি চর্চার প্রয়োজন। তিনি ২৭ জানুয়ারী সোমবার সকালে মরহুম ডা. মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী মরহুম জাহানারা বেগমের স্মরণে চুড়াইন সাংস্কৃতিক সংঘের আয়োজনে নবাবগঞ্জ উপজেলার চুড়াইন আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির ভাষণ এ কথা বলেন।

সালমা ইসলাম তার ভাষণে মজিবুর-জাহানারা দম্পতির স্মৃতিচারণ করে বলেন, যারা জনগণের উন্নয়নে নিস্বার্থভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন মৃত্যুর পরও তারা স্মরণীয় হয়ে থাকেন। সেজন্যই আজও হাজার হাজার মানুষ এই দম্পতিকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। আমি তাদের স্মৃতির প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তিনি ছাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, নারী শিক্ষা বিস্তারে ডা. মজিবুর ও জাহানারা বেগম অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই বিদ্যালয়টি গড়ে তুলেছেন। আমি আশা করি এ বিদ্যালয়ে ভালো করে লেখাপড়া শিখে তোমরা মানবতার সেবায় যথাসাধ্য করবে যেভাবে করেছেন মজিবুর-জাহানারা দম্পতি।

তিনি আরও বলেন, নবাবগঞ্জের কৃতী সন্তান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দিরসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সাধ্যানুযায়ী উন্নয়ন করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমি নির্বাচিত এমপি হয়ে দোহার-নবাবগঞ্জে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাব। এলাকায় শিল্প-কারখানা স্থাপন করতে হলে গ্যাস প্রয়োজন হবে। রাস্তা-ঘাট ও গ্যাস সংযোগসহ বিভিন্ন উন্নয়ন করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাটি ও নাড়ির টানে প্রতি সপ্তাহে দোহার নবাবগঞ্জের আনাচে-কানাচে আমি ঘুরে বেড়াচ্ছি। অবহেলিত মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, ‘আমি ও আমার স্বামী নুরুল ইসলাম যেভাবে আমাদের পরিবারকে সাজিয়েছি। তেমনিভাবে দোহার নবাবগঞ্জও সাজাতে চাই।’ এ ব্যাপারে তিনি এলাকার সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, চুড়াইন সাংস্কৃতিক সংঘের সভাপতি ও চুড়াইন ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ বদিউল আলম শহীদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মাহবুবুর রহমান। নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো.সায়েদুর রহমান, আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ-সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন মোড়ল, চুড়াইন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবু সাঈদ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লিয়াকত হোসেন, নবাবগঞ্জ উপজেলার জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক জুয়েল আহম্মেদ, নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

নবাবগঞ্জে উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবেদের মনোনয়নপত্র বাতিল

0

নিউজ৩৯ ♦ তথ্য জালিয়াতির অভিযোগে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবেদ হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে তিনি উপজেলার আগলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আবেদ হোসেন চেয়ারম্যান পদের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষের দিনে তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস যাচাই-বাছাইকালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল না করা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপনের দায়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবেদ হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছে। কারণ আবেদ হোসেন নিজেকে এইচএসসি পাস দাবি করলেও কোনো সার্টিফিকেট দাখিল করেননি। সার্টিফিকেটের পরিবর্তে তিনি গালিমপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করেছেন। স্কুলের প্রত্যয়নপত্রে তার নাম লেখা হয়েছে মো. ওমর ফারুক (আবেদ হোসেন) এবং কলেজের প্রত্যয়নপত্রে লেখা এসএম ওমর ফারুক। কলেজের প্রত্যয়নপত্রে তার রোল নম্বর লেখা হয়েছে ১৫১৭৯। কিন্তু ২৪ জানুয়ারি রাজধানীর রামপুরা থানায় দায়েরকৃত এক সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) রোল নম্বর উল্লেখ করেছেন ১৫৩৩২। জিডিতে তিনি দাবি করেছেন, ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বাসায় আগুন লেগে তার সার্টিফিকেট পুড়ে গেছে। বাসায় আগুন লাগার প্রায় দুই বছর পর জিডি করার ঘটনাটি রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন নবাবগঞ্জের বাসিন্দারা। জানা গেছে, উপজেলার মহনপুর গ্রামের ৮৭ নম্বর সিরিয়ালে ভোটার নম্বর ২৬০১৬১৩০৭০৩৯-তে তার নাম আবেদ হোসেন। এছাড়া ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি আবেদ হোসেন নামেই সব কার্যাদি পরিচালনা করছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, আবেদ হোসেন বরাবরই আবেদ হোসেন নামে পরিচিত। তার নাম কখনও ওমর ফারুক ছিল এটা কারও জানা নেই। কিভাবে তিনি ওমর ফারুক নামে স্কুল-কলেজের প্রত্যয়নপত্র জোগালেন সেটা রহস্যজনক।

মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৫ জানুয়ারি। এদিন তিনি তার নাম এফিডেভিট করেছেন। এতে তিনি দাবি করেন তার প্রকৃত নাম আবেদ হোসেন। ভুলক্রমে তার শিক্ষাগত সার্টিফিকেটে মো. ওমর ফারুক নাম উদ্ধৃত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, আবেদ হোসেনের দাবি অনুযায়ী তিনি এসএসসি পাস করেছেন ১৯৭০ সালে। এরপর একই নামে এইচএসসিও পাস করেন। তখন তো নামের সংশোধন করেননি। তাই ৪৫ বছর পর নামের সংশোধন নিয়ে এলাকায়ও প্রশ্ন উঠেছে।