উপজেলা নির্বাচনে দোহার আওয়ামী লীগ প্রার্থী ঘোষণা করেছে

0

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দোহার উপজেলার জন্য দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে। শুক্রবার সন্ধায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভায় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে।

উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন দোহার উপজেলা পরিষদের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন। আর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়াই করবেন বিথী।

নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ২৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

0

আসিফ শেখ, নিউজ৩৯.নেট ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দানের শেষ দিনে তিনটি পদে ২৫ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৯জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক, বর্তমান ভাইস-চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা শেখ হান্নান উদ্দিন, আওয়ামীলীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহম্মেদ ঝিলু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবেদ হোসেন, জাতীয়পার্টির সাবেক নেতা মাসুদ খান মজলিশ, নাসির উদ্দিন আহম্মেদ পান্নু, বারেকুর রহমান বারী, মো. মিনাল হোসেন মনোনয়নপত্র জমা দেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা দীপঙ্কর সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা হুমায়ূন কবির, যুবদল নেতা আমজাদ হোসেন আজাদ, সাবেক ছাত্রদল নেতা মহসীন রহমান আকবর, যুবলীগ নেতা মাসুদ মোল্লা, সাবেক যুবদল নেতা নাসির আহসান পলাশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা নেতা নুরুল আলম আতিকী, সাবেক ছাত্রদল নেতা মনিরুজ্জামান মনির, সাবেক যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান ভূইয়া, মো. শাহীন ইকবাল, বোরহান হোসেন, সাগর, মো. স্বপন বেপারী, আব্দুস সামাদ মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইয়াসমিন আক্তার ও মরিয়ম জালাল মনোনয়নপত্র জমা দেন।

নির্বাচন

নবাবগগঞ্জে মনোনয়নপত্র কিনেছেন ২৫ জন

0

আসিফ শেখ, নিউজ৩৯.নেট  ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনের মনোনয়ন ক্রয়ের ২য় দিনে তিনটি পদে মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন ২৫ জন প্রার্থী।

এর মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৮ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন মনোনয়নপত্র ক্রয় করেন।

তারা হলেন- উপজেলা চেয়ারম্যান পদে  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খোন্দকার আবু আশফাক, নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, আব্দুল বাতেন মিয়া, আবেদ হোসেন, নাসির উদ্দিন আহমেদ পান্নু, মাসুদ খান মজলিশ ও মো. মিনাল।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শেখ হান্নান উদ্দিন, মহসীন রহমান আকবর, নাসির আহসান পলাশ, মো. শাহীন ইকবাল, হুমায়ূন কবির, নুরুল আলম আতিকী, মো. আজিজুর রহমান, মনিরুজ্জামান মনির, আব্দুস সামাদ, আমজাদ হোসেন আজাদ, মাসুদ মোল্লা, দীপঙ্কর সরকার, স্বপন বেপারী ও সাগর।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মরিয়ম মোস্তফা ও ইয়াসমিন আক্তার।

নবাবগঞ্জে প্রবাসীর রহস্যজনক মৃত্যু

0

স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ৩৯.নেট  ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ওমান প্রবাসী মো. মহসিন (৩৫) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহত মহসিন উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের বলমন্তচর গ্রামের লালমদ্দি ডিলারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মহসিন ১৯ জানুয়ারী ওমান থেকে দেশের বাড়িতে আসে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে মহসিনদের ৩ ভাইয়ের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। রাতের কোন এ সময়ে মহসিন তার বোনের বাড়ির বসত ঘরের পাশের একটি আম গাছের ডালে গলায় রশিতে ঝুলে “আত্মহত্যা” করে। রাতেই নিহতের লাশ আমগাছ থেকে নামিয়ে ফেলা হয়।

নিহতের স্ত্রী তাহমিনা ও বড় ভাই মো. শাহজাহান জানান, “হৃদযন্ত্রের ক্রিয়াবন্ধ হয়ে মহসিনের মৃত্যু হয়েছে। রাতে তাকে উপজেলা সদরের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।”

নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সায়েদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।

নবাবগঞ্জে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের সংবাদ সম্মেলন

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলরুমে দোহার-নবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের নিয়ে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কমবয়সী সকল শিশুকে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা ক্যাম্পেইনের সংবাদ সম্মেলন করেছেন ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন। ২২ জানুয়ারী বুধবার দুপুরে হাম-রুবেরা টিকাদান ক্যাম্পেইনের গণসচেতনতার লক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারী সারাদেশের মতো ঢাকা জেলার ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী ২২ লাখ ৩১ হাজার ৯৫৫ শিশুকে এ টিকাদানের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রথম সপ্তাহে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং ২য় ও ৩য় সপ্তাহে টিকাদান কেন্দ্র গুলোতে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল মালেক মৃধা হাম ও রুবেলা সম্পর্কে বলেন, হাম একটি ভাইরাস জনিত মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এই রোগ সাধারণত একজন আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসা অন্যদের মধ্যে হাঁচি কাশির মাধ্যমে অতি দ্রুত ছড়ায়। শিশু ছাড়াও যে কোন বয়সে হাম হতে পারে। তবে শিশুদের মাঝেই এর প্রকোপ, জটিলতা এবং মৃত্যু বেশি দেখা যায়। তাই সঠিক সময়ে হামের টিকা দিয়ে এ রোগ বাঁচানো  সম্ভব।

অপর দিকে রুবেলা একটি ভাইরাস জনিত অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। এই রোগের জীবাণু প্রধানত বাতাসের সাহায্যে শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে সুস্থ শরীরে প্রবেশ করে এবং রুবেলা রোগের লক্ষণ দেখা যায়। গর্ভবতী মায়েরা গর্ভের প্রথম ৩ মাসের সময় রুবেলা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে শতকরা ৯০% ভাগ ক্ষেত্রে মা থেকে গর্ভের শিশু আক্রান্ত হতে পারে।

এই রোগের প্রকোপ থেকে সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) মাধ্যমে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে এমআর টিকা সংযুক্ত করেছেন। তাই সরকার বাংলাদেশে পোলিওমুক্ত অবস্থা বজায় রাখার লক্ষ্যে ২১তম জাতীয় টিকা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পূর্বের ন্যায় ০-৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে পোলিও টিকা খাওয়ানো এই জাতীয় টিকা দিবসের উদ্দেশ্য। ২০১৬ সালের মধ্যে  হামের টিকার হার জাতীয় পর্যায়ে ৯৫ ভাগ উন্নীত করে হাম দূরীকরণ অবস্থায় পোঁছানো ও রুবেলা টিকার হার জাতীয় পর্যায়ে ৯৫ ভাগ উন্নীত করে রুবেলা রোগের হার ২০১০ সালের তুলনায় ৯০ ভাগ কমানো এবং ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে হাম ও রুবেলা টিকা প্রাপ্তির ২য় সুযোগ নিশ্চিত করা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সিভিল সাজন অফিস কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতা ডা.গঙ্গাগোবিন্দ পাল, দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম, ডা. মোহাম্মদ হোসেন, ডা. শহীদুল ইসলামসহ দোহার ও নবাবগঞ্জ প্রেস কাবের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দোহার উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা

0

গতকাল বুধবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে দোহার আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নেতাদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অনেকের নাম উঠে আসে।

চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন: বর্তমান ভাইস-চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আহসান খোকন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, উপজেলা যুবগলীগ সেক্রেটারী আব্দুর রহমান আকন্দ, উপজেলা আওয়ামীলীগের জয়েন্ট সেক্রেটারী এইচ. এস. করম আলী ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি বিল্লাল মোল্লা।

ভাইস-চেয়ারম্যান পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, আব্দুল হান্নান, হায়াদার বেপারী, মোহাম্মদ শাহীন।

মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, বর্তমান মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান আনার কলি পুতুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রহিমা বেগম, সাথী আক্তার, শাহনাজ, শামীম আরা বীথি, রুমা আক্তার, ফেরদৌসী বেগম।

সভায় সভাপততিত্ব করেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান,  উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম বাবুল,  সুরুজ আলম সুরুজ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. দীন ইসলাম সহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।

 

কামরুল হুদা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী

0

দোহারের নাজমূল হুদা পন্থী বিএনপি আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে ঢাকা জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি কামরুল হুদাকে মনোনিত করেছে, এবং আব্দুল মান্নানপন্থী বিএনপি ক্যাপ্টেন জহিরকে চেয়ারম্যান পদে মনোনিত করেছে।

ভাইস-চেয়ারম্যান পদে চারজন: খোকন ব্যাপরী, কবির শেখ, জামাল উদ্দিন, মু. শামীম। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুইজন: রুবিনা, উম্মে সালমা সীমা’র নাম শোনা যাচ্ছে।

১৯ ফেব্রুয়ারী দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

0

ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ১৯ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত  হয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি ঢাকা জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটানিং কর্মকর্তা মো. শাহ আলম সাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০১৩ এর বিধি ১৩ অনুযায়ী সময়সূচী ধার্য করে প্রজ্ঞাপণ জারী করা হয়। এতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রত্যেক পদের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৫ জানুয়ারি, বাছাইয়ের তারিখ ২৭ জানুয়ারি, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ০৩ ফেব্রুয়ারী, ভোট গ্রহণ ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ সাল নির্ধারণ করে বিধি ১৪ অনুযায়ী গণবিজ্ঞপ্তি জারী করেন।

নেতৃত্ব ব্যার্থতায় ক্ষোভ বাড়ছে বিএনপির মান্নানের ওপর, পূরণ হয়নি হুদার অভাব

0

জাকির হোসেনঃ
৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাব্য কারণগুলো খতিয়ে দেখতে গিয়ে বিএনপির পর্যবেক্ষণে সবার আগে উঠে এসেছে ঢাকা জেলা বিএনপির ব্যর্থতার চিত্র। নেতৃত্ব ব্যার্থতায় নেতা কর্মিদের ক্ষোভ বাড়ছে ঢাকা জেলা  বিএনপি সভাপতি আব্দুল মান্নানের ওপর। আর বিএনপি থাকলেও বিএনএফ এর চেয়ারম্যান নাজমুল হুদার অভাব  পূরণ হয়নি  এখনও। আর এইসব কারণেই ‘রোড মার্চ ফর ডেমোক্রেসিসহ” মহানগরীর আন্দোলন সফল হয়নি বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

মহানগীর বিএনপির ব্যর্থতার পাশাপাশি আশপাশের এলাকা; বিশেষ করে ঢাকা জেলা বিএনপির সীমাহীন ব্যর্থতা এবং সংশ্লিষ্ট নেতাদের রহস্যময় নীরবতা দলটিতে এখন প্রধান আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে- সব মিলিয়ে সরকারের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব হয়নি। ফলে ব্যর্থ হয়েছে দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে চালিয়ে আসা সরকারবিরোধী আন্দোলন।
তাই গত তিন মাসের কঠিন আন্দোলনে মান্নান এবং জেলা সভাপতি আমানউল্লাহ আমানের রহস্যময় আচরণ দলের মধ্যে সংশয় ও নানা জল্পনার জন্ম দিয়েছে। অনেকের মতে, ধানমণ্ডির  বাড়িতে বসেই সময় কাটাতে পছন্দ করা আবদুল মান্নানকে হঠাৎ করেই ঢাকা জেলা বিএনপির দায়িত্ব দেয়া ঠিক হয়নি। কারণ তার নেই সাংগঠনিক দক্ষতাও। ফলে তাকে গুরুত্বপূর্ণ এই পদ দেয়ায় জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা হতাশ হয়েছেন।
আর আন্দোলনে রাজপথে না থাকার কারণ হিসাবে তৃণমূলের অভিযোগ ক্ষমতায় থাকাকালে গড়ে তোলা সম্পদের পাহাড় রক্ষা, পুলিশি হয়রানি ও জেল-জুলুমের ভয় এবং কোনো রকম ভূমিকা পালন ছাড়াই এমপি-মন্ত্রী হওয়া যাবে- ঢাকা জেলার নেতা এই পদাধিকার বলে। নেতাদের এমন আত্মবিশ্বাসের কারণেই সরকারবিরোধী আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের মতে, তৃণমূলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে উঠলেও ঢাকা জেলা ও মহানগর বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের গা-বাঁচিয়ে চলা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণেই রাজধানীতে আন্দোলন জমাট বাঁধতে পারেনি।
দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা দুই নেত্রীর সংলাপের আলটিমেটাম দিয়ে ২০১২ সালে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন। তার শূন্যস্থান পূরণের জন্য বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দেয়া হয় ঢাকা জেলা বিএনপির দায়িত্ব। কিন্তু সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর যোগ্যতা ও দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেননি মান্নান। অভিযোগ আছে, আন্দোলনের সময় এলেই তিনি ধানমণ্ডির বাড়িতে লুকিয়ে থাকেন। আর হরতালের সময় তারই সমর্থকদের দিয়ে দু’চারটি ইটপাটকেল নিক্ষেপ করিয়ে তা মিডিয়ায় প্রচারের ব্যবস্থা করেন। অথচ কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে না গুলশান কার্যালয়ের কোনো সভায় কোথাও গত কয়েক বছরে দেখা মেলেনি মান্নানের। পাশাপাশি গত দু’বছরে ঢাকা জেলায়ও কোনো সভা-সমাবেশে তার খুব একটা দেখা মেলেনি।

বরংচ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময় তুখোড় ছাত্রনেতা ও জহুরুল হক হলের ভিপি আবু আশফাক সমর্থকরা আন্দোলন করেছে ঢাকা দক্ষিণে। আগামীতে সাহসী ও তারুণ্যের জনপ্রিয় নেতাদেরকে সামনে না অনেকেরই আশংকা অস্তিত্ব সঙ্গকটে পড়তে যাচ্চ বিএনপি। 

মাঝে মধ্যে নিজের নির্বাচনী এলাকা দোহার-নবাবগঞ্জে গেলেও জনবিচ্ছিন্নতার কারণে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ তেমন করেন না আব্দুল মান্নান। এড়িয়ে চন সাংবাদিকদেরও। তাছাড়া স্থানীয় নবাবগব্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আশফাকের সঙ্গে দ্বন্দ্ব থাকায় নিজ এলাকায় নিজের অবস্থান তৈরি করতেও ব্যর্থ হয়েছেন আবদুল মান্নান।

এদিকে বিএনপির আমলে এমপি-মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার সঙ্গে দ্বন্দ্ব থাকায় এলাকায় কোনো উন্নয়ন করতে পারেননি মান্নান। নাজমুল হুদা নিজ উদ্যোগে উন্নয়ন করতে গেলেও ইগো প্রবলেমের কারণে তাকে তা করতে দেননি তিনি। এসব নানামুখী কারণে এলাকার লোকজনকে নিয়ে সরকারবিরোধী শক্ত আন্দোলন গড়ে তোলা মান্নানের পক্ষে সম্ভব হয়নি। তাই আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে তার কাছ থেকে বিএনপির প্রাপ্তি প্রায় শূন্য। কেবল নিজ এলাকায় নয়, বিএনপির চরম সংকটকালে গুলশান অফিস বা দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনেও কখনও দেখা যায়নি আয়েশি এ নেতাকে। বিএনপির এই বিলাসী নেতা সম্পর্কে বেশিরভাগ নেতাকর্মীর ধারণা হল- ক্ষমতায় থাকাকালীন যে পরিমাণ অর্থ-সম্পদ করেছেন তা রক্ষা করতে হলে আন্দোলন কর্মসূচি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ মাঠে নামলেই সরকারের কোপানলে পড়ে অবৈধ পথে অর্জিত সম্পদ হাতছাড়া হতে পারে- এমন আতংক রয়েছে তার মধ্যে। তাই দলের অবস্থা যাই হোক না কেন, সম্পদ রক্ষায় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাই শ্রেয় বলে মনে করে দলের দুঃসময়ে চুপ থাকেন মান্নান।

এছাড়া বিএনপি ক্ষমতায় এলে তার জন্য মন্ত্রিত্ব নিশ্চিত বলেও তিনি মনে করেন। আর সে কারণেই কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে ঢাকার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলার সর্বোচ্চ পদে বহাল তবিয়তে থাকার কৌশল নিয়েছেন তিনি।
এ ব্যাপারে নিউজ৩৯ এর পক্ষ থেকে তাকে ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
তবে নিউজ৩৯ এর সাথে ফোনালাপে ব্যাঃ নাজমুল হুদা বলেন, সময়ই বলে দেবে কি করতে হবে। আর কোনটা সঠিক আর কোনটা ভূল। তবে আমাদেরকে তো দলে এক পাশে করে রেখে দেয়া হয়েছে। তাই দলে থাকলেও বিএনএফ কে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবো জাতীয়তাবাদী শক্তিকে এগিয়ে নিতে। তবে নেত্রীর প্রয়োজন হলে সাড়া দেব।

এদিকে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানের অবস্থাও প্রায় একই রকম। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দরাজ গলায় কড়া বক্তব্য দিলেও এখন তিনি চুপ। মিছিল-মিটিং-আন্দোলনে ডাকসুর সাবেক এই ভিপিকে আর দেখা যায় না। সম্প্রতি এক অবরোধ কর্মসূচিতে কয়েকটি মিডিয়া ডেকে নিয়ে সাভারের আমিন বাজারে ১৫ মিনিটের পিকেটিংই ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের এবারের আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। অনেকের মতে, পুলিশের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আমানের রয়েছে আত্মীয়তার সম্পর্ক। তারা তাকে দূরে সরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। আবার কারও কারও মতে সরকারের সঙ্গে লিয়াজোঁ করেই চুপ রয়েছেন আমান।

আর এ কারণেই ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের কয়েকদিন আগে হাওয়া হয়ে যান আমান। একটি সূত্রের মতে, নির্বাচনের দু’দিন আগেই তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন। অনেকের মতে, সরকারের সঙ্গে আঁতাত করেই তিনি আত্মগোপনে যান। অবশ্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কাছেও এখন আমানের আর সেই কদর নেই। আমানকে তিনি চিনে ফেলেছেন। পদ যা দেয়ার তাও আগেই দিয়ে ফেলেছেন। কৌশলগত কারণে পদে রাখা হলেও দলে আর তার ভবিষ্যৎও নেই। কারণ দুর্নীতির কারণে বিএনপির যেসব নেতা আলোচিত আমানের নাম তাদের সবার আগে। আর ক্ষমতায় গেলেও বিএনপির দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান স্পষ্ট করেই বিশ্ব সম্প্রদায়কে রাজি করাতে হবে। সব মিলিয়ে আমানের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
ঢাকা জেলার মতো ঢাকা মহানগর বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের অবস্থাও তথৈবচ। মহানগর কমিটিতে আনুষ্ঠানিক পদ না থাকলেও নানা কারণেই দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ নেতা মনে করা হয়। কিন্তু সাম্প্রতিককালে সরকারবিরোধী আন্দোলনে এই নেতাকেও দেখা যায়নি। আড়ালে তিনি আন্দোলন না হওয়ার জন্য মহানগরী আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকাকে দায়ী করেন। অথচ নিজে কোনো দায়িত্ব নেন না। উপরন্তু মহানগরী কমিটির বিরুদ্ধে সারাক্ষণ প্রচারণায় ব্যস্ত থাকেন। এবার আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে আব্বাসও গা-ঢাকা দেন। অনেকে মনে করেন, এ নেতাও জেল-জুলুম, পুলিশি হয়রানি এবং ক্ষমতায় থাকাকালে অবৈধ পথে অর্জিত সম্পদ রক্ষায় দলের স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে নিরাপদ দূরত্বে রয়েছেন। আব্বাসের ঘনিষ্ঠজনরা নাকি প্রায়ই বলেন, আন্দোলন-কর্মসূচিতে মাঠে থাকুন আর না থাকুন বিএনপি ক্ষমতায় এলে তাকে (আব্বাস) মন্ত্রিত্ব না দিয়ে কোনো উপায় নেই। তাই রাজনীতিকে পুঁজি করে ধনকুবের বনে যাওয়া মির্জা আব্বাসও রাস্তায় নেমে মার খেতে রাজি নন। সে কারণেই ঢাকা মহানগরে সরকারবিরোধী আন্দোলন জমাতে পারেনি বিএনপি। দলের তৃণমূল কর্মীরা মনে করেন, এসব সুবিধাবাদী নেতার কারণেই কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে তুমুল জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপি।

ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকাকে নিয়েও আছে নানা গুঞ্জন। যে মুহূর্তে আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার কথা ঠিক সেই মুহূর্তে ‘দা-কুড়াল’-এর বক্তব্য দিয়ে আত্মগোপনে চলে যান খোকা। অবশেষে ধরা পড়েন ডিবি পুলিশের হাতে। অনেকে মনে করেন, এ ধরা পড়ার ঘটনাটাও সাজানো নাটক। আর এ ধরনের নাটকের বলি হয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি। ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবদুল সালামও আন্দোলনের পুরো সময় ছিলে লোক-চক্ষুর অন্তরালে। আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে তিনিও চলে যান আত্মগোপনে। খালেদা জিয়ার সমাবেশগুলোতে রাজা-উজির মেরে একাকার করলেও নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার ক্ষেত্রে তিনি পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন বলেই মনে করেন মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এভাবে ঢাকা মহানগর ও ঢাকা জেলার শীর্ষ নেতাদের ব্যক্তিগত লাভালাভের কাছে হেরে গেছে বিএনপির আন্দোলন। তাই সরকারবিরোধী আন্দোলনে এই মুহূর্তে কাক্সিক্ষত ফল পেতে ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নানসহ অযোগ্য-অদক্ষ ও সুবিধাবাদী নেতাদের সরিয়ে পরীক্ষিত ও ত্যাগি নেতাদের হাতে দায়িত্ব দেয়ার বিষয়টি দলের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

শিলাকোঠা বিদ্যালয়ের প্রথমবারের মত ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

0

দোহার উপজেলার শিলাকোঠা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষে নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ১৭ বছর পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নি। নির্বাচন না হওয়ায় রাজনৈতিক ভাবে কমিটি গঠন করা হতো।

এবার ভোটার ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশা করেন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নের স্বার্থে নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও স্বচ্ছ কমিটি গঠন করা হোক। কিন্তু এবারও একটি মহল সিলেকশনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের প্রচেষ্টা করছেন।

একজন অভিভাবক সদস্য প্রার্থী মোরাদ হোসেন বলেন, “আমি পিছোনের দরজা দিয়ে কমিটিতে আসতে চাই না। আমরা নির্বাচন চাই।”

অভিভাবক সদস্য প্রার্থী জানে আলম খান বলেন, “এবারও সিলেকশনে কমিটি গঠনের প্রসেস চলছে যদি না হয় তবে আমি নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা করবো।”

নির্বাচনের রির্টানিং অফিসার ও উপজেলা মধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুন্নি হোসেন বলেন, নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি চলছে।

তফসিল ঘোষনা অনুযায়ী আগামী ৫ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৮ থেকে ২০ জানুয়ারী মনোনয়নপত্র বিতরন ও জমা। ২০ জানুয়ারী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। ২৩ জানুয়ারী যাচাই-বাছাই এবং প্রত্যাহারের শেষ দিন। বৈধ ও চুড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৬ জানুয়ারী।