দোহারে কামরুল হুদা ও নবাবগঞ্জে আবু আশফাক এগিয়ে

0

উপজেলা নির্বাচনে দোহারে ৬৫টি কেন্দ্রের প্রকাশিত ফলে চেয়ারম্যান পদে কামরুল হুদা দোয়াত-কলম মার্কা নিয়ে এগিয়ে আছেন, ভাইস-চেয়ারম্যান পদে মাসুদ পারভেজ সিংহ মার্কা নিয়ে ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে শামীমা রাহিম হাঁস মার্কা নিয়ে এগিয়ে আছেন।

এর আগে পাওয়া ৩৩ প্রকাশিত ফলে কামরুল হুদা ১৯৬৮৭টি ভোট  পেয়ে ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব (১১৯৭১ ভোট)-এর চেয়ে এগিয়ে ছিলেন।

নবাবগঞ্জে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক এগিয়ে আছেন। ৫৮ কেন্দ্রের পাওয়া ফলে আবু আশফাক ৩৬,৭৪৭ ও আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী ঝিল্লু ২৪,২১১ টি ভোট পেয়েছেন।

নবাবগঞ্জের দু’টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত

0

নবাবগঞ্জে দুটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছে, কেন্দ্র দুটি হল মাঝিরকান্দা ও কৈলাইলের দরিকান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র।

নবাবগঞ্জ উপজেলা রিটার্নিং অফিসার দেওয়ান মাহমুবুর রহমান জানিয়েছেন যদি অন্যসব কেন্দ্রের ফলে কোনো প্রর্থী এই কেন্দ্রগুলির মোট ভোট সংখ্যার চেয়ে বেশি ব্যবধানে এগিয়ে থাকে তবে ওই দু’টি কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে না।

বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক নিউজ৩৯কে বলেছেন, “একটি কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করা হয়েছে আর অপর কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়া হচ্ছিল।“ বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনার পর কেন্দ্র দু’টিতে নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

আওয়অমী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নাজির উদ্দিন ঝিলু কে ফোনকল করলে বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার একান্ত সহকারী টুটুল আহমেদ জানান, “আমরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করব বিধায় কোনো একটি মহল ভোটকে বাধাগ্রস্থ করার জন্য এই অপপ্রচার চালাচ্ছ।“

দোহারের পৃজাইডিং অফিসার বরখাস্ত

0

আজ অনুষ্টেয় উপজেলা নির্বাচনে ঢাকার দোহার উপজেলার দোহার ঘাটা-১ এর নির্বাচন কেন্দ্রের পৃজাইডিং অফিসারকে বরখাস্ত করেছে উপজেলা রিটার্নিং অফিসার।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ নির্বাচনের আগের রাতে কেন্দ্রে অবস্থান না করে নিজ বাড়ীতে ছিলেন।

দোহার বিলাসপুরের নির্বাচন কেন্দ্রের পৃজাইডিং অফিসারকেও একই কারণে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।

 

দোহার-নবাবগঞ্জে সেনা মোতায়েন হচ্ছে আজ

0

নিউজ৩৯.নেট ♦ চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম দফায় ঢাকা জেলার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা সহ ৯৭ উপজেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন হচ্ছে আজ সোমবার থেকে। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি এসব উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সে অনুযায়ী আজ থেকে নির্বাচন পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনী অবস্থান করবে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের আগের দুই দিন এবং নির্বাচনের পরের দুই দিন ও নির্বাচনের দিনসহ মোট ৫ দিন সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আজ থেকে সেনাবাহিনীসহ র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার এবং পুলিশ সদস্যদের প্রথম দফার উপজেলাগুলোতে মাঠে নামার কথা রয়েছে। তবে গতকাল রোববার  থেকে এসব উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাচনের আগে বিশেষ সাক্ষাতকারে ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব

0

ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব, কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয়ের বাইরে যে গুটিকতক প্রার্থী উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রত্যাশা করছেন জনগণ যোগ্যতার ভিত্তিতে তাকে নির্বাচিত করবে। সম্প্রতি নিউজ৩৯ তার নির্বাচন ভাবনা নিয়ে কথা বলেছে ইঞ্জিনিয়ার মেহবুবের সাথে, তা পাঠকের জন্য তুলে দেয়া হল:

নিউজ৩৯: আপনার শিক্ষাজীবন কোথায় কিভাবে কেটেছে?

ইঞ্জি. মেহবুব: আমি  বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড স্কুল থেকে এসএসসি, রাইফেলস পাবলিক স্কুল থেকে এইচএসসি পাশ করছি। অতঃপর SAARC Scholarship নিয়ে পাকিস্তানের সিন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিটার সায়েন্সে স্নাতক করি। এরপর কানাডা, জার্মান, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও ভারত থেকে ইলেক্ট্রনিক্স টুলস এন্ড ওয়েট স্কিলে উচ্চতর ডিগ্রী নিয়েছি।

নিউজ৩৯: আপনি বর্তমানে কি পেশায় নিয়োজিত আছেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: বর্তমানে আমি গুলশানে আমাদের পারিবারিক ইঞ্জিনিয়ারিং, কন্সট্রাকশন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ATT ( Asian Traffic Technology) গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসাবে কর্তব্যরত আছি।

নিউজ৩৯: আপনি মতাদর্শের দিক থেকে কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক। আমরা যতটুকু জানি, আপনি দলীয়ভাবে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: আমি আসলে স্বতন্ত্র প্রার্থী। সকল দলের সাথেই আমার সু-সম্পর্ক। আমার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ও সাবেক বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে ছবি ও সরাসরি সম্পর্ক আছে। এখন কেউ যদি আমাকে তাদের দলের ভেবে থাকেন এটা তাদের ব্যাপার।

নিউজ৩৯: কেন নির্বাচন করছেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: সত্যিকার অর্থে আমি দীর্ঘদিন ধরেই জনকল্যাণ মুলক কাজের সাথে জড়িত। আমার কোম্পানীতে দোহারের প্রায় পাঁচ শতাধিক লোক কাজ করে। এছাড়া নারিশায় আমার নিজের অর্থায়নে চারতলা একটি হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড ছাড়াও মাদ্রাসা-স্কুলে চেষ্টা করি পাশে থাকতে। তাই সামাজিক সেবামূলক কর্মকান্ডে আরও জনসম্প্রিক্ততা বাড়াতে প্রশাসনিকভাবে জড়িত থাকলে কাজ করাটা সহজ। আর আমারতো সেখান থেকে সুবিধা নেয়ার কিছু নেই। আল্লাহ আমাকে অনেক দিয়েছেন তাতেই আমি সন্তুষ্ট। শিক্ষা,স্বচ্ছতা ও দলমত নিরপেক্ষতার মাধ্যমে একটি আধুনিক দোহার গড়ে উঠবে। 

নিউজ৩৯: দোহারে নদী ভাঙ্গন একটি স্থায়ী সমস্যা। সবাই আশ্বাস দিলেও কেউই এর প্রতিকার করেনি কার্যকরভাবে। এক্ষেত্রে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে কি উদ্যোগ নিবেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: আপনি জানেন উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা অনেক সীমিত। এছাড়া নদী ভাঙ্গনের কোন ফান্ড উপজেলা পরিষদের হাতে ন্যাস্ত থাকে না। তবুও আমি সাধ্যের মধ্যে চেষ্টা করবো। সরকারের কাছে দাবী জানাবো দ্রুত ব্যবস্থা নিতে। ব্যক্তিগতভাবে ও প্রশাসনিকভাবে চেষ্টা করবো ভাঙ্গন কবলিত এলাকার পূনর্বাসন করতে।

নিউজ৩৯: দোহারে যুব সমাজ দিন দিন মাদকের প্রতি আশঙ্কাজনকভাবে আসক্ত হচ্ছে। এ ব্যাপারে ভূমিকা কি থাকবে?

ইঞ্জি. মেহবুব: Next Generation কে নিরাপদ রাখতে সবার আগে আমি সামাজিক সচেতনতা ও আন্দোলন শুরু করবো। এছাড়া বিভিন্ন খেলার মাঠগুলো সংরক্ষণ করে নতুন নতুন খেলা ধুলার প্রতিযোগিতার আয়োজন করবো। সর্বপরি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারীর সাথে সমন্বয় করে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে একটি নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ গড়ে তুলবো। মাদকের রুটগুলো চিহ্নিত করে তা বন্ধ করতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিব।

নিউজ৩৯: দোহারের সার্বিক আইন- শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপারে কি ব্যবস্থা নিবেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য ও আইন- শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যা যা করা লাগে সবই করবো। কঠোরভাবে অপরাধ ও অপরাধীকে দমন করবো।

নিউজ৩৯: নারী সমাজের উন্নতির ব্যাপারে কি পদক্ষেপ নিবেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: নারীরা মায়ের জাতি। আমি নিয়িমিত দেশে আসি আমার মায়ের কবর জিয়ারত করতে। মায়ের প্রতি ভালোবাসা থেকেই আমি এখানে হাসপাতাল নির্মাণ করেছি। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক সচেতনতা, সামাজিক আন্দোলন ও অপরাধীকে দমনের মাধ্যমে আমি তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবো। এছাড়া চেষ্টা করবো তাদের কর্মসংস্থানের ব্যাপারে আমার নিজের ও সরকারী উদ্যোগ নিতে।

নিউজ৩৯: যুবকদের কর্ম-সংস্থানের ব্যাপারে কি করবেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: কারিগরী শিক্ষার মাধ্যমে স্ব-কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সহ ডিপ্লোমা শিক্ষার ব্যবস্থা করা। যা দক্ষ জনশক্তি হিসাবে দেশে – বিদেশে তাদের চাকুরী পেতে সহায়তা করবে।

নিউজ৩৯: গ্রামীণ জনপদসহ রাস্তা-ঘাট সংস্কারে কি করবেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: যে রাস্তাগুলো আছে তা মেইটেন্যান্সসহ সংস্কার করা, এলজিডি ও লিঙ্কসরোডহ যে ফান্ড বরাদ্দ হবে তার সুষ্ঠূ ব্যবহার নিশ্চিত করা।

নিউজ৩৯: প্রায় পনের হাজার তরুণ ভোটারের উদ্দ্যশে কিছু বলবেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: আমি তরুণদের বলবো দলমত নির্বিশেষে তোমরা শিক্ষা-সচেতনতায় জেগে উঠো। আমি স্বপ্ন দেখি হয়ট বাংলাদেশেও একদিন ভারতের আম আদমি পার্টির মতো আম জনতার দল গড়ে উঠবে। জনগণই হবে প্রকৃত ক্ষমতার মালিক।

নিউজ৩৯: কেন্দ্রীয় সরকারে আওয়ামীলীগ, স্থানীয় এমপি জাতীয় পার্টি’র। এক্ষেত্রে পনি কিভাবে সমন্বয় করে কাজ করবেন আর তাদের কাছে কি ধরনের সহযোগীতা পাবেন বলে মনে করেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: সকলের সাথে সহমর্মিতা ও পারস্পারিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে আমি কাজগুলো সম্পাদন করবো বলে আশা রাখি।  আর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সকলের সহযোগীতা পাবো বলে আশা রাখি।

নিউজ৩৯: নির্বাচনে কাকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বলে মনে করেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: নিঃসন্দেহে কামরুল হুদা, কেননা তার একটা ব্যাকগ্রাউন্ড আছে।

নিউজ৩৯: একজন ব্যবসায়ী হিসাবে, নির্বাচিত হলে উপজেলা পরিষদে কতটুকু সময় দিত পারবেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: জনসেবা করতে হলেতো সময় দিতেই হবে। আর আমার পারিবারিক ব্যবসা । ফলে আমাকে সময় দিতে হবে বেটা তারা জানে। তাই আমাকে জনগণ কাছে পাবে সর্বদা।

নিউজ৩৯: কোন জন প্রতিনিধি নির্বাচনে পরাজিত হলে সে আর এলাকার সাথে সম্পর্ক রাখে না। সে ক্ষেত্রে আপনি কি করবেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: আমি ৯ (নয়) বছর ধরে এলাকা বাসীর সাথে আছি। আমি সব সময়ই সাথে থাকবো।

নিউজ৩৯: সর্বশেষ সবার উদ্দেশ্যে কিছু বলবেন?

ইঞ্জি. মেহবুব: আমি জনগণের উদ্দেশ্যে বলবো সকল প্রার্থীকে বিচার-বিবেচনা করে যদি তারা মনে করেন যে আমি যোগ্য তবে তারা যেন আমাকে নির্বাচিত করেন।

নিউজ৩৯: নিউজ৩৯ এর পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ।

ইঞ্জি. মেহবুবঃ আপনাদেরও ধন্যবাদ। দেশে বিদেশে নিউজ৩৯ এর সকল পাঠককে ধন্যবাদ; আমাকে জনগনের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য আপনাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদ-প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাকের সাক্ষাৎকার

0

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী  কমিটির অন্যতম সদস্য, নবাবগঞ্জের বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আবারও চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। ২০০৯ সালে উপজেলা নির্বাচনে নিকটতম প্রর্থীর চেয়ে ২৫ হাজার বেশি ভোট পান তিনি। নবাবগঞ্জে যে সময় আওয়ামীলীগের জোয়ার সে সময় একাই ৬৫ হাজার ভোট পেয়ে আলোচনায় আসেন তিনি।
নিউজ৩৯-এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন তার পারিবারিক, রাজনৈতিকসহ অনেক না বলা কথা। তার এই এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন নিউজ৩৯-এর স্টাফ রির্পোটার আসিফ শেখ। নিউজ৩৯ এর পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হল:

নিউজ৩৯: কখন, কোন স্কুলে পড়ালেখা শুরু করেন?
আবু আশফাক: আমি কলাকোপা কোকিলপ্যারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। তারপর ১৯৮০ সালে নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৮২ সালে তিতুমীর সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি, ১৯৮৩ সালে ঢাবিতে পরিসংখ্যানে অনার্স ভর্তি হই ১৯৮৯ সালে বিএসসি অনার্স , ১৯৯০ সালে এম.এস.সি পাশ করি। শহীদ জিয়ার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ১৯৮১ সালে ছাত্র দলের সাথে সম্পৃক্ত হন। ১৯৮৬  সালে ছাত্র দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং ১৯৯০ সালে ডাকসু নির্বাচনে ফজলুল হক হল থেকে ভিপি নির্বাচিত হই।

নিউজ৩৯: আপনার পারিবারিক জীবন সম্পর্কে কিছু বলবেন কি?
আবু আশফাক: আমি ১৯৯৭ সালে তৎকালিন বগুড়া জেলা বর্তমান জয়পুরহাট জেলায় বিবাহ করি। আমার স্ত্রী আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছে। আমার দুই মেয়ে ও এক ছেলে। সবকিছু নিয়ে আমরা একটি সুখী পরিবার।

নিউজ৩৯: আপনার কর্মজীবন সর্ম্পকে বিছু বলুন?
আশফাক: আমার কর্ম জীবন ব্যবসা দিয়ে শুরু করি। আমার বিভিন্ন রকমের ব্যবসা রয়েছে। কর্ম জীবনে আমি একজন সফল ব্যবসায়ী।

নিউজ৩৯: কেন নির্বাচন করবেন?
আশফাক: নবাবগঞ্জের উন্নয়ন ও জনগনের সেবা করার জন্য সব সময় যেন জনগনের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে পারি মূলত এর জন্যই আমি নির্বাচনে আসছি।

নিউজ৩৯: বিগত ৫ বছরে নবাবগঞ্জ উপজেলায় কি কি উন্নয়ন করেছেন?
আশফাক: বিগত ৫ বছরে আমি উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে নবাবগঞ্জে তেমন কোন উন্নয়ন করতে পারি নি। কারন একটি উপজেলায় উন্নয়ন করার জন্য যে পরিমান ফান্ড থাকা উচিত তার অনেক কিছুই আমরা পাই নি আর নবাবগঞ্জ একটি অবহেলিত এলাকা এ এলাকার উন্নয়ন করতে প্রচুর ফান্ডের প্রয়োজন হয় সে তুলনায় আমরা কিছুই পাই নি। আমি যতটুকু ফান্ড পেয়েছি তার পুরোটাই ছোট ছোট রাস্তা-ঘাট কালভার্ট, বাজার নির্মান করেছি।  ১৪ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আর্সেনিক মুক্ত টিউবওয়েল স্থাপন করেছি। গত ৫ বছরে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সম্মানী ভাতা এবং গাড়ির তেল বাবদ যে টাকা বরাদ্দ পেয়েছি তার সম্পূর্ণই মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে ব্যায় করেছি। কাজ করেছি।

নিউজ৩৯: কাকে শক্ত প্রতিপক্ষ বলে মনে করেন?
আশফাক: আমি মনে করি আমার কোন প্রতিপক্ষ নেই আমি আমার মত কাজ করে যাচ্ছি জনগন বিচার করবে।

নিউজ৩৯: আবার নির্বাচিত হলে নবাবগঞ্জের উন্নয়নের জন্য কি কি কাজ করবেন?
আশফাক: রাতারাতি নবাবগঞ্জ কে পারির্বতন করে দিবো যদি বলি তা মিথ্যা বলা হবে। আমাদের নবাবগঞ্জের মানুষ খুবই শান্তি প্রিয়। এরা কারো কাছে ২ টাকার জন্য বসে থাকে না। নবাবগঞ্জের মানুষ চায় সন্ত্রাস, মাদক মুক্ত এলাকা ও রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন। এ উপজেলার জনগনের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন  গ্যাস সংযোগ স্থাপন করা যা আজ পর্যন্তা পাওয়া সম্ভব হয় নি। ঢাকা থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করেও কোন সরকারই গ্যাস আনতে পারেনি। এ উপজেলায় অনেক বড় বড় মন্ত্রী-এমপি ছিলেন কিন্তু তারা কখনই গ্যাস সংযোগ স্থাপনের আগ্রহ করেননি। আল্লাহ যদি আমাকে সুযোগ দেয় তা হলে নবাবগঞ্জে গ্যাস সংযোগ স্থাপন করার জন্য আমি চেষ্টা করবো।

নিউজ৩৯: জনগন কেন আপনাকে ভোট দিবে বলে মনে করেন?
আশফাক: জনগন চায় নিরাপত্তা বিগত ৫ বছরে আমি নবাপবগঞ্জে মাদক মুক্ত, সন্ত্রাস নির্মুল এবং দুর্নীতি মুক্ত রাখার চেষ্টা করেছি এবং জনগনের দ্বারে দ্বারে পৌঁছাবার চেষ্টা করেছি। কিছুটা হলেও সক্ষম হয়েছি এ কারনে জনগন আমাকে পছন্দ করে এবং আমাকে ভোট দিয়ে পুনরায় নির্বাচিত করবে।

নিউজ৩৯: কেন্দ্রীয় সরকার আওয়ামীলীগ, স্থানীয় এমপি জাতীয় পার্টি, সে ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কতটা সহযোগীতা পাবেন বলে মনে করেন?

আশফাক: এখানে আমি সরকারের একটা ব্যার্থতা তুলে ধরবো। কারন স্থানীয় প্রতিনিধিকে সরকার যে ভাবে সাজাবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বা নিয়ম নীতি ছিল সেটা সরকার রাখেনি। কেন্দ্রীয় সরকার আওয়ামীলীগ, স্থানীয় এমপি জাতীয় পার্টি, আমি যদি বিএনপি হয়ে আসি তাহলে মনে হয় এর কোন প্রভাব আমার উপর পড়বে না কারন কেন্দ্রীয় সরকার আওয়ামীলীগ ও স্থানীয় এমপি আওয়ামীলীগ হতেন তা হলে হয় তো আমার ওপর একটু প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করতেন সুতরাং আমি নির্বাচিত হলে এদের রোষানলে পড়বো এটা আমি মনে করিনা।

নিউজ৩৯: নিউজ৩৯’র মাধ্যমে আপনার নির্বাচনী এলাকাবাসীর উদ্দেশে কিছু বলতে চান?
আশফাক: নিউজ৩৯’র মাধ্যমে আমি আমার নির্বাচনি এলাকার জনগন উদ্দ্যেশে বলতে চাই বিগত ৫ বছরে পূর্বে আপনাদের কাছে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলাম তার অনেক কিছুই আমি পূরর্ণ করতে পারেনি অনেক কিছু পূরর্ণ করতে পেরেছি যে গুলো পূরর্ণ করতে পারেনি এ জন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত কারন এটা আমার কাজে কোন অবহেলা ছিল না। এটা সরকারের ফান্ডডের অভাবে আমি করতে পারে নি। আশা করি জনগন যদি আমাকে পুনোরায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে বেছে নেয় তা হলে অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে পাবো ইনশাল্লাহ।

নিউজ৩৯: সত্যিকারের জননেতা হওয়ার জন্য কি করা উচিত?
আশফাক: একজন জনপ্রতিনিধির সত্যিকারের জননেতা হওয়ার জন্য সততা, একনিষ্ঠা, আন্তরিকতা থাকা প্রযোজন এবং মানুষের সুখে, দুখে পাশে থাকার মাধ্যমেই সত্যিকারের জননেতা হওয়া যায়।

নিউজ৩৯: বিগত ৫ বছরে নবাবগঞ্জে মাদকমুক্ত করার ক্ষেত্রে কি কি ভূমিকা পালন করেছেন?
আশফাক: বিভিন্ন উপজেলার মত এক সময় নবাবগঞ্জ উপজেলায়  মাদক ও সন্ত্রাসে ভরে গিয়ে ছিল আমরা প্রতিটি পরিষদ মিটিং এ, আইনশৃঙ্খলা মিটিং এ এগুলো নিয়ে আলোচনা করতাম। উপজেলা নির্বাহি অফিসার, থানার নির্বাহি অফিসার কে আমরা অনুরোধ করতাম আপনা মাঠে থেকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে যে কোন মুল্যে এগুলো নির্মূল করবেন। সে অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট বসিয়ে যারা মাদক ব্যবসা করে তাদের কে গ্রেফতার করা হয়েছে অনেককে ভ্রাম্যমান আদালতে জেল জরিমানা করা হয়েছে। তার ফলশ্রুতিতে  আমাদের এখানে নেশা ও মাদক অনেকটা কমে গিয়েছে।

নিউজ৩৯: রাজনৈতিক জীবনে আপনার সফলতা কতটুকু?
আশফাক: রাজনৈতিক জীবনে এশটি বিশাল অঙ্গ এর শেষ বলতে কিছু নেই। তবে আমি রাজনৈতিক জীবনে যতটুকু জনগনের ভালোবাসা পেয়েছি এজন্য আমি নিজেকে ধন্য বলে মনে করি।

নিউজ৩৯: কোন জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে পরাজিত হলে সে জনগনের সাথে আর সর্ম্পক রাখে না, সে ক্ষেত্রে আপনি জনগনের সাথে থাকবেন কি’না?
আশফাক: আমি এসেছি জনগনের সেবা করার জন্য এখানে নির্বাচন টা মূখ্য বিষয় নয়। আমি ছোটবেলা থেকেই সমাজ বিভিন্ন সেবা মুলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করে থাকতাম। আমার জীবনের বাকি অংশটুকু জনগনের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই।

নিউজ৩৯: নবাবগঞ্জের অবহেলিত গ্রামগেুলোর জন্য কি কি উন্নয়ন করেছেন।
আশফাক: নবাবগঞ্জের রুপার চর একটি প্রত্যন্ত গ্রাম সেখানে একটি  মসজিদের কাজে সহযোগীতা করেছি। একটি বাজার করে দিয়েছি এবং ছোট খাট রাস্তা করেছি। উপজেলার আরেকটি প্রত্যন্ত  গ্রাম চক পারাগ্রাম সেখানে রাস্তা ঘাট ও একটি মসজিদের উন্নয়ন কাজ করেছি। বিগত এমপি মন্ত্রী কেউ অবহেলিত গ্রামে উন্নয়ন করেনি। যদি আল্লাহ আমাকে কোদিন সুযোগ দেয় তাহলে সর্বপ্রথম নবাবগঞ্জের অবহেলিত পশ্চিম এলাকাসহ প্রত্যন্ত গ্রাম গুলোকে উন্নয়ন করার চেষ্টা করবো।

নিউজ৩৯: পুনোরায় বিজয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে কতটুকু আশাবাদী।
আশফাক: জনগনের ভালাবাসায় আমি মোটামুটি শতভাগ আশাবাদি।

নিউজ৩৯: সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়কে কি প্রতিশ্রুতি দিতে চান?
আশফাক: নবাবগঞ্জে রাজনীতিতে হানাহানি নেই। সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়ের উপর অত্যাচার কিন্তু আওয়ামীলীগের আমলে এবং আওয়ামীলীগের লোকজন দ্বারাই হয়ে থাকে। আমরা যারা বিএনপি করি সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়কে সেভ করার জন্য তাদের পাশে সবসময় ছায়ার মত থাকি। আমি তাদের পাশে বিগত দিনে ছিলাম এখনও আছি ভবিষ্যতেও  থাকব।

নিউজ৩৯: ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহের ক্ষেত্র আপনার কি ধরনের প্রতশ্রুতি থাকবে?
আশফাক: ইভটিজিং এর ক্ষেএে আমরা বিভিন্ন স্কুলের-কলেজের সামনে সিভিলে পুলিশ টহল দিয়েছি এবং গ্রেফতার করে কতাদের সাজা দেওয়া হয়েছে। বাল্যবিবাহ একটি সামাজিত ব্যাধি এটি বন্ধ করার জন্য আমরা বিভিন্ন প্রদক্ষেপ প্রহন করেছি।

নিউজ৩৯: আপনার ব্যাস্ততার মাঝে নিউজ৩৯ কে সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ?
আশফাক: নিউজ৩৯ কে সততা ও নিষ্ঠার সাথে মানব কল্যানে কাজ করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমি জনগণের কামাল ভাই-ই থাকতে চাই: কামরুল হুদা

0

কামরুল হুদা, দোহার-নবাবগঞ্জে রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম। সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ও বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে বিএনএফ এর আহবায়ক ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার ছোটভাই হিসাবে তার পরিচিতিটা বেশি। শিক্ষানুরাগী, ক্রীড়াপ্রেমী ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব হিসাবে তার খ্যাতি রয়েছে। ক্লাস নাইনে পড়াকালে একজন বোলিং অলরাউন্ডার হিসাবে  পাকিস্তান ক্রিকেট একাডেমির বয়স ভিত্তিক ক্যাম্পে  ডাক পেয়েছিলেন। বর্তমানে ঢাকা জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে কামরুল হুদা সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত দোহার গড়তে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে।

নিউজ৩৯ এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন তার অতীত, বর্তমানের বিভিন্ন কথাসহ ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে – সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আছিফুর রহমান সাথে ছিলেন জাকির হোসেন পলাশ। 

নিউজ৩৯: আপনার শিক্ষাজীবন কোথায় কেটেছে?

কামরুল হুদা: ব্যাচেলার অব সাইন্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

নিউজ৩৯:  বর্তমানে আপনি কোন  পেশায় যুক্ত আছেন?

কামরুল হুদা:  ব্যবসায়।

নিউজ৩৯: রাজনীতিতে আসার পিছনের ঘটনা যদি বলেন?

কামরুল হুদা: আমাদের পরিবার শুরু থেকেই রাজনৈতিক পরিবার। সালমান এফ রহমানের বাবা ফজলুর রহমান সাহেব ছিলেন আমার চাচাত দাদা। ফজলুর রহমান সাহেব ছিলে  পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শিল্প ও শিক্ষা মন্ত্রী। আর তখন থেকেই আমরা রাজনীতি সচেতন পরিবার ছিলাম।

তারপর আমার ভাই ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা রাজনীতিতে এলেন। তখন থেকেই তাকে আমার সার্পোট দিতে হত। কারন নেতৃত্বগুণ আমার জন্মগত ভাবে ছিল। আমি কলেজে কলেজ ক্যাপ্টেন ছিলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নটরডেম কলেজ থেকে ব্যাচেলর অব সাইন্স ডিগ্রি নেয়ার পর আমি বিদেশে চলে যাই। কারন আমাদের শিল্প-কারখানাগুলো দেখা শোনা করার জন্য আমাকে বাইরে চলে যেতে হয়। জুট টেকনলজির উপর আমি প্রাক্টিকাল শিক্ষার জন্য আমার এই প্রবাসে যাওয়া। এছাড়া বেলফেস্টের কুইন্স ইউনিভার্সিটিতে আমি ব্যবস্থাপনার উপর কোর্স কমপ্লিট করি। কিন্তু কম বয়স হওয়ার কারনে আমি পরীক্ষা দিতে পারিনি। তারপর আমি দেশে ফিরে এসে কর্মজীবনে প্রবেশ করি।

নিউজ৩৯: আমরা জানি, আপনি স্বাধীনতাপূর্ব সময়ে পাকিস্থান ক্রিকেট একাডেমিতে ডাক পেয়েছিলেন।

কামরুল হুদা: আমি তখন ক্লাস নাইনের ছাত্র। আরমানীটোলা স্কুলের ছাত্র ছিলাম । তখন আমাকে বিখ্যাত ব্যাটসম্যান ও তৎকালীন পাকিস্থানের প্রধান নির্বাচক মুস্তাক মোহাম্মদ আমার খেলা দেখে পাকিস্তান ক্রিকেট একাডেমীর বয়স ভিত্তিক ক্যাম্পে ডেকেছিলেন। করাচিতে আমার ডাক পড়লো। আমি একজন বোলিং অলরাউন্ডার ছিলাম। আমরা বাঙ্গালীরা কিন্তু অনেক আবেগী। যখন করাচি যাওয়ার ডাক পড়লো তখন আমার মা আমাকে যেতে দিলেন না।

নিউজ৩৯: আপনি যেহেতু খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন । তাই উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে কতটুকু অবদান রাখতে পারবেন দোহারের ক্রীড়াক্ষেত্রে।

কামরুল হুদা: উপজেলা পরিষদের সুযোগ সুবিধা অনেক কম। সাধ থাকলেও সাধ্য অনেক কম। একটা সময় আমার ছোটভাই মরহুম বদরুল হুদার নামে একটি ক্রিকেট টূর্নামেন্ট আয়োজন আমরা করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে সেটা আর হয় নি। আমি আমার সাধ্যে যতটুকু আছে তার সবই করবো ব্যাক্তিগত ও জাতীয় পর্যায় থেকে।

নিউজ৩৯: আপনি জানেন, দোহার বর্তমানে জাতীয় মাদক পাচারের রুটে পরিনত হয়েছে। এর বিরুদ্ধে আপনি কি ব্যবস্থা নিবেন?

কামরুল হুদা: এটি শুধু বর্তমানে না। পূর্বেও ছিল। নয়াবাড়ি একসময় এর প্রধান রুটে পরিণত হল। পরবর্তীতে বিএনপি যখন শেষবার ক্ষমতায় আসে তখন আমি তা বন্ধ করেছিলাম। বর্তমানে তা আবার মাথাচারা দিয়ে উঠেছে। এখন ঔষধ কোম্পানীগুলোর বিক্রয় প্রতিনিধির মতো মাদক বিক্রয় প্রতিনিধিও তৈরী হয়ে গেছে। আমার প্রধান টার্গেট হবে এই মাদক পাচার বন্ধ করা। এর আগে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরকে সাথে নিয়ে আমি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাও গিয়েছিলাম।

একটা কথা আসতে পারে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এটি ঘটছে কি’না! তবে আমি আপনাদের চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি আমাদের সময় এটি হয় নি। আর বর্তমানের কথা বললে সেটা আপনারাই ভাল জানেন। আমি নির্বাচিত হলে জনগনকে সাথে নিয়ে এটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। এটি প্রতিরোধ বা সচেতনতা একা কারও পক্ষে করা সম্ভব নয়। জনগনকে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে আমাদের জয়ী হতেই হবে। আমার সর্ব্বোচ চেষ্টা থাকবে প্রশাসনকে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে দোহার থেকে মাদক উচ্ছেদ করা ।

নিউজ৩৯: নদী ভাঙ্গন বর্তমানে দোহারের সবচেয়ে বড় সমস্যায় পরিনত হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যানের সীমিত ক্ষমতার মধ্যে আপনি কতটুকু কি করতে পারবেন বলে আশা করছেন?

কামরুল হুদা: আসলে আমার ভাই ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার সময় দোহারে প্রচুর উন্নয়ন কাজ হলেও আমার ভাইও কিন্তু নদী ভাঙ্গনের জন্য কিছু করতে পারেন নি। এটি সম্পূর্ন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপর ন্যাস্ত। ওখান থেকেই বাজেট নির্ধারণ করা হয়। মিনিস্ট্রির উপর নির্ভর করবে এই সব কর্ম। যদি আমি নির্বাচিত হতে পারি তাহলে আমি নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবো বলে আশা করি। যদিও মন্ত্রণালয়ের অবস্থা আপনারা জানেন। আমি আমার সাধ্যের ভিতরে সবটুকু করবো।

নিউজ৩৯: দোহারের অন্যতম প্রধান সমস্যার মধ্যে অন্যতম ভঙ্গুর রাস্তা। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার সময় সড়ক নির্মান ও সংস্কারের পর আর কোন উন্নয়নের ছোয়া এখানে লাগে নি। রাস্তা ঘাট উন্নয়নের ব্যাপারে আপনি কি করবেন?

কামরুল হুদা: আমি তো মন্ত্রী না। আমার ভাই মন্ত্রী থাকার সময় রাস্তা ঘাটের প্রভুত উন্নয়ন করেছি। পরবর্তীতে সংস্কারের অভাবে এটি আর উন্নত হয় নি। এটি খুব দুঃখ জনক। সরকার যদি উন্নয়নের অংশীদার হতে চায় তাহলে আমি এই রাস্তাঘাট গুলোর দ্রুত সংস্কার করতে পারবো। তাছাড়া উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে সাথে আমি নতুন প্রজেক্ট হাতে নিব ইনশাল্লাহ। আর বিএনপির শেষ আমলে যে রাস্তাঘাট হয়েছে তাতে আমি তো বিভিন্ন কাজের তদারকি করেছি।

নিউজ৩৯: বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে ও  শিক্ষাক্ষেত্রে দোহার এখনো অনগ্রসর । এর বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নিবেন?

কামরুল হুদা: দোহারে আগের থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেড়েছে। কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড়লেও বিভিন্ন কারনে দোহারে দক্ষ শিক্ষকের স্বল্পতা রয়েছে। বিভিন্ন সুবিধা আমরা দিতে পারি না বলে দক্ষ শিক্ষকরাও এখানে আসতে চান না। আর চরাঞ্চলে অভিভাবকেরা দারিদ্র্যতার কারনে ও শহরে নিরাপত্তার কারণে অনেকে মেয়েদের নির্দিষ্ট বয়সের পূর্বেই বিয়ে দিয়ে দেন। আর ছেলেদের কাজে পাঠিয়ে দেন। শিক্ষার অনগ্রসরতাও এখানে অন্যতম একটি কারণ। এসব কারণে শিক্ষার অগ্রগতি চরাঞ্চলে কম। কিন্তু বাধ্যতামূলক শিক্ষা ব্যাপারটা যদি যথাযথ প্রয়োগ করা হয় তাহলে এই সমস্যার কিছু সমাধান আসবে। দ্রুততো আর বাড়বে না। আস্তে আস্তে বাড়বে।

নিউজ৩৯: দোহারের ১৫ হাজার তরুন ভোটার। এদের উদ্দেশ্যে আপনার বক্তব্য কি?

কামরুল হুদা: তরুনদের কর্মসংস্থানে যে বিষয়টি সবচেয়ে কাজে লাগতে পারে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কিছু সমবায় সমিতি চালু হয়েছে। এবং তারা যথেষ্ট তৎপর। দোহারে আমি সমবায় সমিতি গঠনের ব্যাপারে সবাইকে উৎসাহিত করবো। সেই সাথে জনগণকে আত্ম-কর্মসংস্থান ও শিল্পপতিদেরকে শিল্প স্থাপনে  উৎসাহিত করবো। আর অর্থনৈতিক উন্নয়নে আমি আমার সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

নিউজ৩৯: সরকার আওয়ামী লীগের, স্থানীয় এমপি জাতীয় পার্টির। উপজেলা নির্বাচনে জয়লাভ করলে এদের কাছ থেকে আপনি কতটুকু সহায়তা পাবেন বলে আশা করছেন?

কামরুল হুদা: সরকার আওয়ামী লীগের। সরকার চাইবে দেশকে স্থিতীশীল রাখতে। এর জন্য গুড গভার্নেস একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আমরা দেখেছি তাদের মন্ত্রীদের যাদের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। এখানে কে ক্ষমতায় তা ব্যাপার না। স্থানীয় সরকার পদ্ধতি একটু ভিন্ন। এখানে ব্যাপারটা হচ্ছে উন্নয়ন। দেশের উন্নয়নে যদি তারা আমাকে ব্যবহার করতে পারে, তাহলে দোহারের উন্নয়নে এটি কোন বড় প্রতিবন্ধকতা হিসাবে থাকবে না। আমি নির্বাচিত হলে সীমিত ক্ষমতার মধ্যে সবটুকু উজাড় করে দিতে সচেষ্ট থাকবো।

নিউজ৩৯: রাজনৈতিক মতাদর্শে আপনি বিএনপি’র কর্মী। সেই সাথে ঢাকা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতিও। আপনার ভাই ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বিএনএফের প্রতিষ্ঠাতা। অপরদিকে সালাউদ্দিন মোল্লা দোহার উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির একক প্রার্থী হিসাবে নিজেকে দাবী করেন। এখন আপনি আসলে কোন দলের সমর্থিত প্রার্থী?

কামরুল হুদা: আমি ঢাকা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। দলীয় কোন নির্দেশনায় এখানে নির্বাচন হচ্ছে না। এখানে দলীয় মনোনয়নের কোন ব্যাপার আছে বলে জানা নেই। সবাই জানে আমি বিএনপির কট্টরপন্থী একজন নেতা। সেখানে সালাউদ্দিন মোল্লা মানুষকে কনফিউজ করছে। আমি যতদুর জানি কেউ তাকে ব্যবহার করছে। মাঠ পর্যায় থেকে আমি যতটুকু তথ্য পাচ্ছি কেউ একজন তাকে সাপোর্ট দিচ্ছে আমার বিরুদ্ধে টিকে থাকার জন্য। এতে বিএনপির কিছু ক্ষতি হবে। এবং থার্ড পার্টি এতে লাভবান হতে পারে। কিন্তু বিএনপি’র কর্মী হিসাবে জয় আমারই হবে ইনশাল্লাহ।

নিউজ৩৯: দোহারের শেষপ্রান্তে আপনার বাস। সেই সাথে আপনি একজন ব্যবসায়ী। উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আপনি কি উপজেলায় নিয়মিত সময় দিতে পারবেন?

কামরুল হুদা: ব্যবসা দেখার জন্য তো ম্যানেজার আছে। আমি উপজেলায় সময় দিতে পারবো বলেই তো নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। আমি দোহারের মাটির কাছের মানুষ। তাই উপজেলায় আমাকে সব সময় পাওয়া যাবে।

নিউজ৩৯: নির্বাচনের পর কি জনগন একজন প্রশাসক কামরুল হুদাকে পাবে, না সবার প্রিয় কামাল ভাইকে পাবে?

কামরুল হুদা: আমার মনে হয় কামাল ভাই উপাধি আমার থেকেই যাবে। আমি খুব বন্ধুবাৎসল। আমি সবার সাথে কথা বলি, সবার কথা শুনি। সেই কারনে মনে হয় আমি সবার কাছে কামাল ভাই-ই থেকে যাব।

নিউজ৩৯: কঠিন প্রতিপক্ষ কাকে মনে করছেন?

কামরুল হুদা: একজন আমাকে একটি কথা বলেছিল, আপনি চা খাবেন, পানি চুলায় আছে। বলকাচ্ছে। এখন আপনি এই পানি দিয়ে কি করবেন সেটা আপনার ব্যাপার। চাও খেতে পারেন আবার চাল দিয়ে  ভাত রাধতে পারেন, সেটা আপনার ব্যাপার। জনগন ভাল কিছু গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আমি সবাইকে শ্রদ্ধার চোখে দেখি। কঠিন প্রতিপক্ষ কে তা ভোটের ময়দানে প্রমাণ হবে।

নিউজ৩৯: নিউজ৩৯ ও এর সামাজিক সংগঠন ভয়েস৩৯ এর পাঠকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন।

কামরুল হুদা: আমি মনে করি, নিউজ৩৯  তারুণ্যের গর্ব। সেক্ষেত্রে নিউজ৩৯ স্বচ্ছতা-সততায় দোহার–নবাবগঞ্জবাসীকে সদা সর্বদা সত্য সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে চারিপাশ সম্পর্কে সচেতন করবে বলে আশা রাখি। এছাড়া তাদের সকল সামাজিক কর্মকান্ডে আমাকে ও আমার পরিবারকে তারা পাবে বলে প্রত্যাশা করছি। আমি উনাদের দোয়া কামনা করবো। এবং তাদের সহ সবাইকে নিয়ে আমি দোহারের উন্নয়নের কাজ করতে চাই।

নিউজ৩৯: আমাদের সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

কামরুল হুদা: আপনাদেরকেও ধন্যবাদ, সব সময় যোগাযোগ থাকবে বলে আশা রাখি এবং জনগণের কাছে আমার কথা পৌঁছে দেবার জন্য আবারও আন্তরিক  ধন্যবাদ।

বৃহস্পতিবার নুরুউল্লাহপুর মেলার ধামাইল

0

নিউজ৩৯♦ ৪০০ বছরের অধিক প্রাচীন দোহারের নুরুউল্লাহপুর দরবার শরীফের কাল ৪২২ তম ধামাইল অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে দুর দুরান্ত থেকে ভক্তবৃন্দ উপস্থিত হতে শুরু করেছে নুরুইল্লাহপুর দরবার শরীফে। সেই উপলক্ষে বসছে সপ্তাহব্যাপী মেলা।
দোহারের অন্যতম পুরোনো এই উৎসবকে কেন্দ্র করে দোহার নতুন করে সাজতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে ভক্তবৃন্দদের বাসায় বাঁশ যাওয়া শুরু হয়েছে। প্রতিটি ফকির বাড়ি থেকে ৭টি করে বাশঁ বের হয়েছে। ভক্তবৃন্দদের বাড়িতে বাঁশ নাচানোর পর বৃহস্পতিবার রাতে পূর্নিমার মাধ্যে এই বাঁশ নাচিয়ে ধামাইল করা হবে।  গত ৪০০ বছরের ধারাবাহিকতায় এবারো তার ব্যতিক্রম হবে না। বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন এই মেলা অনুষ্ঠিত করতে প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে নির্বাচন উপলক্ষে এই বারের মেলা বেশি জমজমাট হবে না বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় মানুষেরা।

দোহারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বাল্যবিয়ে বন্ধ: ৩ জনের কারাদন্ড

0

নিউজ৩৯♦ ঢাকার দোহার উপজেলার পূর্ব ধোয়াইর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদাতের অভিযানে একটি  বাল্যবিয়ে বন্ধ হয়েছে। এ সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩ জনকে আটক করে প্রত্যেককে ১ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন।
গত শনিবার বিকাল ৫ টায় উপজেলার নয়াবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব ধোয়াইর এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিয়ের আসর থেকে কনের চাচা ফজর আলী মেল্লা (৭০), বর আনোয়ার হোসেন মোল্লা (২৬) এবং বরের পিতা হযরত মোল্লা (৪৯) কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট শামীমুল হক পাভেলের আদালতে হাজির করলে আসামীরা তাদের অপরাধ স্বীকার করলে আদালত প্রত্যেককে এক মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, পূর্ব ধোয়াইরের  সফিউদ্দিনের মেয়ে ও বাহ্রা হাবিলউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী  বিথী আক্তার (১৪) কে বড় রামনাথপুর এলাকার হযরত মোল্লার পুত্র আনোয়ার হোসেন মোল্লার সাথে বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। তারা ভুয়া এফিডেভিটের মাধ্যমে কনেকে কোর্টে হাজির না করে কনের বয়স বাড়িয়ে নেয়।

দোহার উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

0

নিউজ৩৯ ♦ আসন্ন দোহার উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করেছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার দুপুরে প্রার্থীদের মধ্যে এই প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। কাপ পিরিচ নিয়ে নির্বাচনে লড়াই করবেন আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী খোকন শিকদার, দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন কামরুল হুদা, মটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়াই করবেন সালাউদ্দিন মোল্লা এবং আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে সিংহ মার্কা নিয়ে নির্বাচনে লড়াই করবেন মাসুদ পারভেজ, টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেন আওয়ামী লীগ মনোনিত ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সালাউদ্দিন।