দোহার পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

দোহার পৌরসভা আগামী ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের জন্য ৩৫ কোটি ৩৪ লক্ষ ৩৭ হাজার ২৯৭ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় দোহার পৌরসভার মেয়র আব্দুর রহিম মিয়া এই বাজেট ঘোষণা করেন।

বাজেটে কোন কর বৃদ্ধি না করে নিজস্ব আয়ের লক্ষ মাত্রা ধার্য করা হয়েছে ৫ কোটি ৭৮ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬৪০ টাকা। এর মাঝে হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ ৯১ লক্ষ ১৩ হাজার ৬৯৪ টাকা ও পরোক্ষ কর বাবদ ২ কোটি ১৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।

বাজেটে উন্নয়ন খাতে আয়ের লক্ষ মাত্রা ধার্য করা হয়েছে ২৬ কোটি ৩১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব তহবিল থেকে ৪ কোটি ৮২ লাখ, বিএমডিএফ থেকে ১২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা ও অন্যান্য প্রকল্প থেকে ৮ কোটি ৪১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

উন্নয়ন খাতে ব্যয়ের সর্বমোট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৫ কোটি ৯২ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। এর ভেতর রাজস্ব তহবিল থেকে ৪ কোটি টাকা, সরকারের উন্নয়ন সহায়তা তহবিল বাবদ ১ কোটি ৫০ লাখ, বিএমডিএফ প্রকল্প বাবদ ১৪ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫০ হাজার অন্যান্য প্রকল্প থেকে ৮ কোটি ২৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা আয়ের লক্ষ মাত্রা ধার্য করা হয়েছে।

পানি সরবরাহ খাতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৪ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা। এর ভেতরে রাজস্ব খাত হতে ৬২ লক্ষ টাকা ও পানি সরবরাহ খাতে আয় ধরা হয়েছে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। প্রস্তাবিত অর্থ বছর হতে পরীক্ষামুলক ভাবে ক্ষুদ্রপরিসরে পানি সরবরাহের কার্যক্রম শুরু হবে।

মুকসুদপুর ইউনিয়নে বাজেট ঘোষণা

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার সাত নম্বর মুকসুদপুর ইউনিয়নের ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২৮ মে মুকসুদপুর ইউনিয়ন কার্যালয়ে বাজেট ঘোষণা করা হয়।

বাজেট ঘোষণা করেন মুকুসুদপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান হাজী আব্দুল হালিম। বাজেটে ২০১৪-২০১৫ সালে মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের আয় ধরা হয় ৯৫,৯৮,৫০০ টাকা। ব্যয় ধরা হয় ৯৫,৯২,৫০০ টাকা ও সম্ভাব্য উদ্বৃত্ত ছয় হাজার টাকা।

এতে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব রাজস্ব ৬,৪০,৫০০ টাকা ও বাকি ৮৯,৫৮,০০০ টাকা আসবে সরকারী অনুদান থেকে।

বক্তনগরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পাঁচ জন আহত

আসিফ শেখ, নিউজ৩৯.নেট ♦ নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের বক্তারনগর গ্রামে পূর্ব শক্রুতার জেরে দু’পক্ষের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ৫ জন গুরুত্ব আহত হয়েছে। আহতরা হলেন সোমর বর্মন (৪০), অসীত বর্মন (২৫), পলাশ বর্মন (২৬), সুদর্শন বর্মন (৪০) ও মলি বর্মন (২৪)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে সোমর বর্মন ও তার ভাই অসীত বর্মন নদী থেকে গোসল করে আসতে ছিল সুদর্শন বর্মনে বাড়ীর উপর দিয়ে। হঠাৎ তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির মধ্য দিয়ে হাতাহাতি শুরু হয় এ সময় সুদর্শন বর্মন ও তার ভাই সবুজ বর্মন ঘরে থেকে লোহার রড, রামদা দিয়ে সোমর ও অসীত বর্মন এর উপর হামলা চালায়।

সোমর ও অসীত বর্মনের পরিবারে লোকজন খবর পেয়ে ঘটনা স্থানে আসলে দু’পক্ষের মধ্যে তুমুল সংর্ঘষ বাধে। এ সময় গুরুত্ব আহত অবস্থায় সোমর ও অসীত বর্মনকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে সুদর্শন বর্মনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তাকেও ঢাকা প্রেরণ করা হয়।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. সায়েদুর রহমান বলেন সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পযর্ন্ত থানায় কোন মামলা হয় নি।

ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনায় আক্রান্ত দোহার নবাবগঞ্জ

বাংলাদেশ বিশ্বকাপে না থাকলেও ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় পিছিয়ে নেই এই দেশের সাধারন মানুষ। সারা দেশের মতো দোহারেও লেগেছে বিশ্বকাপের হাওয়া। প্রতিবার প্রিয় দলের সামর্থন পতাকার ভিতরে সীমাবদ্ধ থাকলেও এবার শুধু তা পতাকার ভিতরে আটকে নেই। এবার পতাকার পাশাপাশি স্থান করে নিয়েছে ডিজিটাল ব্যানার। গ্রামে গ্রামে পতাকার পাশাপাশি ডিজিটাল ব্যানারের আধ্যিক্য এবার চোখে পড়ার মতো।

সারা দেশের মতো বিশ্বকাপ জোয়ারে ভাসছে দোহার উপজেলাও। উপজেলার প্রায় বাড়িতেই উড়ছে প্রিয় দলের পতাকা। সামর্থনের দিক থেকে আর্জেন্টিনার পতাকাই বেশি চোখে পরে। পিছিয়ে নেই ব্রাজিল ভক্তরাও, তারাও আর্জেন্টিনার ভক্তদের সাথে পাল্লা দেয়ার জন্য তৈরী। তারা উড়াচ্ছে পতাকা। প্রতিযোগীতা হচ্ছে কে কার চেয়ে কত বড় পতাকা বানাতে পারে। শুধু পতাকার ভিতরেই আটকে নেই, শুরু হয়েছে ডিজিটাল ব্যানার তৈরীর প্রতিযোগীতা। নিজেদের নাম ছবি সহ ব্যানার তৈরী করে এলাকার ব্যস্ততম রাস্তা বা বাজারের টানানো হচ্ছে এই ব্যানার। সেই সাথে প্রিয় দলের খেলার দিন খিচুরী বা কেক কাটার রেওয়াজও শুরু হইছে এবারের বিশ্বকাপে। তাছাড়া বড় পর্দায় প্রজেক্টরের সাহায্যেও দেখা হচ্ছে প্রিয় দলের ম্যাচ। সব মিলিয়ে ফুটবল জ্বরে ভুগছে দোহার বাসী।

জয়পাড়া পাইলটের ৯ ছাত্রকে টিসি

ঢাকার দোহার উপজেলার প্রধান বিদ্যাপীঠ জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির ৯ শিক্ষার্থীকে কোনো কারণ ছাড়াই ছাড়পত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। প্রবেশপত্র থাকা সত্ত্বেও গতকাল থেকে শুরু হওয়া প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। এদিকে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুন্নী হোসেন এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে অবৈধ ও অমানবিক বলে জানিয়েছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার ক্লাস শেষে জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির ৯ শিক্ষার্থীকে ডেকে ছাড়পত্রের কাগজ হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়। তবে কী কারণে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হল তা জানায়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। এর আগে ওইদিনই সকালে শিক্ষার্থীদের বেতনের সঙ্গে প্রথম সাময়িক পরীক্ষার (চলমান) ফি আদায় করা হয়। দেওয়া হয় ১১ জুন থেকে অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষার প্রবেশপত্র। ছাড়পত্র পাওয়া শিক্ষার্থীরা হল, অষ্টম শ্রেণির মধুসূদন শাখার রেজুয়ান আহম্মেদ রাতুল ও রিফাত হোসেন, নজরুল শাখার মো. রায়হান আহমেদ দিপু ও মেহেদি হাসান টুটুল। এছাড়া সপ্তম শ্রেণির চামেলি শাখার আসিফ আহমেদ, বেলি শাখার মো. মোস্তাকিন, আল-আমিন ও পলাশ হোসেন এবং ষষ্ঠ শ্রেণির পদ্মা শাখার সাগর হোসেন।
বিষয়টি শিক্ষার্থীরা তাদের অভিভাবকদের জানালে তারা শঙ্কিত হয়ে গত মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে যান। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ছাড়পত্র দেওয়ার কারণ সম্পর্কে তাদেরকে কিছু বলা হয়নি। অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মোস্তাক আহম্মদ খন্দকার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিজেকে জাহির করার জন্য এ ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা করে যাচ্ছেন। এছাড়া শিক্ষক আলম সরদারের কাছে প্রাইভেট না পড়ায় তিনি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক যোগসাজশে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহম্মদ খন্দকার এ প্রতিবেদককে বলেন, গত এপ্রিল মাসে স্কুলের একটি টিনের বেড়া ভেঙে ফেলার অপরাধে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এদিকে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুন্নী হোসেন এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে অবৈধ ও অমানবিক আখ্যা দিয়ে বলেন, রেজিস্ট্রেশনভুক্ত কোনো শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়ার ক্ষমতা স্কুল কর্তৃপক্ষ রাখে না। কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা শিক্ষা বোর্ডে জানানোর নিয়ম। বোর্ডই একমাত্র সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

নবাবগঞ্জে ছয় মাদক ক্রেতা-বিক্রেতার কারাদণ্ড

আসিফ শেখ, নিউজ৩৯.নেট ♦ নবাবগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম খুরশিদ-উল-আলম তাদের এ সাজা প্রদান করেন।

নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক সোহেল রানা জানান, মাদকবিক্রেতা উপজেলার দিঘিরপাড় গ্রামের মো. সিদ্দিকের ছেলে মো. হারুন(৪০) কে এক বছর, একই গ্রামের তাইজদ্দিনের ছেলে আইয়ুব আলী(৩৫) কে দুই বছর, সমসাবাদ গ্রামের মহন ফকিরের ছেলে মতিলাল (২৬) কে দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া মাদকসেবী মো. জসিম উদ্দিন (১৮), তামিম হোসেন (১৯) ও মোস্তফা আমিন (১৮) প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

আর্সেনিক আক্রান্তদের চিকিৎসার দাবীতে নবাবগঞ্জে বিক্ষোভ

নবাবগঞ্জ উপজেলায় আর্সেনিকোসিস রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা ও নিরাপদ পানির উৎস আদায়ের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও স্বারকলিপি প্রদান করেছেন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আর্সেনিক মিটিগেসন কমিটি এবং সার্বিক মানব উন্নয়ন সংগঠন। 

রোববার সকালে উপজেলার বক্সনগর, কলাকোপা, বান্দুরা, নয়নশ্রী, যন্ত্রাইল, বারুয়াখালী, শিকারীপাড়া ও জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ৩৬জন আর্সেনিক আক্রান্ত রোগী ও সংগঠনের সদস্যরা এ কর্মসূচী পালন করেন। সকাল ১১টায় উপজেলা সদর শহিদ মিনার চত্তর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা উপজেলা চত্তরে প্রবেশ করে। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম খোরশিদ-উল-আলমের হাতে স্বারকলিপি তুলে দেয়া হয়।

পরে উপজেলা চত্তরে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ডা. নূরে আলম সিদ্দীকি, বক্সনগর আর্সেনিক মিটিগেসন কমিটি সভাপতি আব্দুর রশিদ, শিকারীপাড়া আর্সেনিক মিটিগেসন কমিটি সভাপতি ইয়াকুব মোল্লা, সার্বিক মানব উন্নয়ন সংগঠনের সভাপতি নরেশ চন্দ্র শীল প্রমূখ।

জয়পাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

ঢাকার দোহার উপজেলায় জয়পাড়ায় হাসপাতাল সড়কে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল সাতটার দিকে দোহার বাজার নিবাসী চা দোকানদার শাহ জাহান(৫০)  বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করুন মৃত্যু বরণ করেছেন।

 স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সড়কে তার দোকান খোলেন, সাটার উঠানোর সময় বৈদ্যুতিক তারের সাথে যুক্ত হয়ে শাহজাহান বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়, এসময় স্থানীয় দোকানদাররা তাকে ধরে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।  কর্তব্যরত ডাক্তার মো. জসিম তাকে  মৃত ঘোষণা করেন।

ফজলুর রহমানের সমালোচনায় মাহবুবুর রহমান

আছিফুর রহমান♦ “যাকে হাতে ধরে রাজনীতি শিখিয়েছি, কোথাও গেলে তার জন্য আমার পাশে নিজে একটা সিট রেখেছি, সেই লোক আমার নামে কুৎসা রটায় যে আমি আওয়া্মী লীগের রাজনীতি করি না। সারা জীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে নিজের হাতে তৈরী করা একজন নেতার মুখে যদি এই কথা শুনতে হয়, তখন খুবই দূঃখ পাই” মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দোহার উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান।

গতকাল বিকেলে নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী সভায় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ফজলুল রহমানকে উদ্দ্যেশ্য করে তিনি একথা বলেন।

নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নতুন আহবায়ক কমিটি নিয়ে বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একটি অংশ। তারই পরিপ্রেক্ষিতে নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এই কর্মী সভা ডাকা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুবু বলেন, “সেই ৭১ থেকে আওয়ামী লীগের সাথে আছি, আছি দোহারের মানুষের সাথে। দোহারের মানুষকে সাথে নিয়ে স্বৈরাচারী খালেদা-নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি, জেল জুলুমের শিকার হয়েছি। কিন্তু সব সময়ের বঙ্গবন্ধুর আর্দশের রাজনীতি করেছি। কিন্তু কেউ কেউ আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটায়, সেটা অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে, সেই শাহীন খন্দকার থেকে শুরু, মান্নান খানে শেষ। কেউ আমার জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র আঘাত হানতে পারেন নি।”

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ফজলুর রহমানকে বন্ধা নেতা উল্লেখ করে মাহবুবুর রহমান বলেন, “সে তার জীবনে এক জন কর্মীও তৈরী করতে পারেন নি। সে বরাবরই দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। আজ সেই আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাকে আমি কখনোই পাই নি দলের প্রয়োজনে, সে সব সময় ছিল মান্নান খানের পরিবারের আস্থাভাজন, তা্‌ই দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিকে যখন মোতালেব খাঁ লাঞ্চিত করেছিল তাকে আমরা পাই নি। সে সব সময় নিজের আখের গোছানোয় ব্যস্ত ছিল।”

নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন

আছিফুর রহমান♦ ঝিমিয়ে পড়া ইউনিয়ন পর্যায়ের আওয়ামীলীগকে আরো চাঙ্গা ও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে গঠিত হলো নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক কমিটি। শেখ শাহাবুদ্দিনকে আহবায়ক ও শাহজাহান মোল্লা ও রাহাদুজ্জামান রাজুকে যুগ্ম-আহবায়ক করে ৫১ সদস্যের এই আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

মেঘুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার এই আহবায়ক কমিটির নাম ঘোষণা করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।গত সপ্তাহে নারিশা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের কমিটি ভেঙ্গে নতুন আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে সভা করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একটি অংশ। সেই ধারাবাহিকতায় আজকে সভা আহবান করে নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ।

সভায় অংশ গ্রহণ করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা। সেই সাথে উপস্থিত হন আওয়ামী জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে থাকা নারিশা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা। 

সভা শুরু হলে আলী আহসান খোকন বলেন, “আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক দল, কোন ব্যক্তি বিশেষের হাতের ইশারায় আওয়ামী লীগ চলে না। আজকে বলা হয়, এই কমিটি মাহবুবুর রহমানের ইশারায় হয়েছে, আমি তাদের বলে দিতে চাই, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি কারো আঙ্গুলের ইশারায় গঠিত হয় নি। ঢাকা জেলা আমাদের নির্দেশ দিয়েছে, সেই অনুযায়ী আমরা কাজ করছি। তাই এই কমিটির যদি কোন দায় থাকে সেটা আমার ও দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুলের, আর কারো নয়। আওয়ামী লীগকে আরো শক্তিশালী করাই এই কমিটির উদ্যেশ্য।“

এই সময় দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল বলেন যারা এই কমিটির বিরোধিতা করে, তারা আওয়ামী লীগের কেউ না, তারা এক ব্যক্তির অনুসারী।

এসময় এই কমিটির সাথে একাত্বতা ঘোষণা করেন ঢাকা জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাহবুবুর রহমান ব্যাপারী সহ উপস্থিত আওয়ামী লীগের প্রায় হাজার খানেক নেতা কর্মী।কর্মী সভায় এছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির।