বারুয়াখালীতে আন্ত:স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

তানজিম ইসলাম, নিউজ৩৯.নেট ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় কারিতাস ঢাকা অঞ্চলের উদ্যোগে বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় বারুয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্টিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করে উপজেলার তুইতাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বারুয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়।

প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল ”তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নয়নের সর্বশ্রেষ্ঠ উপায়”। এ প্রতিপ্রাদ্যের পক্ষে বারুয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও বিপক্ষে তুইতাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অংশ নেয়। মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন মি: জুয়েল পি.রিবেরু ।বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন জর্জ রোজারিও, পরেশ চন্দ্র পাল, পিটার শ্যামল রড্রিক্স, মিল্টন পালমা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বারুয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ ।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয় বিপক্ষ দল তুইতাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা বিপক্ষ দলনেত্রী ভিক্টোরিয়া গমেজকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। সর্বশেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়।

প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দুরা হলিক্রশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক জর্জ রোজারিও, তুইতাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সি. মেরী কিরণ(এসএমআরএ), সেলিনা আক্তার রেজিয়া, কারিতাস ঢাকা অঞ্চলের প্রতিনিধি জুয়েল পি. রিবেরু, মাঠ কর্মকর্তা প্রদীপ চন্দ্র দাস, মার্ক শ্যামল হাজরা, মিল্টন পালমা প্রমূখ।

পৌরবাসীর প্রতিবাদে পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যানের আশ্বাস মেয়রের (ভিডিও সংবাদ)

পৌরসভার নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের বিরুদ্ধে এবার মাঠে নেমেছে দোহার পৌরসভার ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের জনগণ। দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার যে মহাপরিকল্পনা দোহার পৌরসভার পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।

নতুন মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বসতভিটা হারানোর আশংকায় তারা আজ দোহার পৌরসভা বরাবর স্মরকলিপি প্রদান এবং পৌর মেয়র রহিম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী দোহার পৌরসভার ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের জমি অধিগ্রহন করে একটি স্টেডিয়াম, কলেজ, হাসপাতাল ও কমিউনিটি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা করছে দোহার পৌরসভা। যদি এসব নির্মাণ করা হয় তাহলে ক্ষতিগ্রস্থ হবে প্রায় তিরিশ হাজার মানুষ।

সোমবার ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পর মঙ্গলবার ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা প্রতিবাদ মিছিল ও স্মারক লিপি প্রদান করে। মিছিলে উত্তেজিত হয়ে রহিম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় এবং মহাপরিকল্পনার নামে সাধারণ মানুষের জমি জবরদখল করার ষড়যন্ত্র অভিহিত করে এর জন্য রহিম চেয়ারম্যানকে অভিযুক্ত করে।

ভিডিও: প্রতিবাদ ও মেয়রের বক্তব্য

পৌরসভার প্রাঙ্গনে মাইকে মেয়র আব্দুর রহিম যখন বলেন মাইকিং করে এই পরিকল্পনার নকশার কথা জানানো হয়েছে, তখন উপস্থিত জনতা প্রতিবাদ করে বলেন জানানো হয় নি।

মেয়র আরও বলেন, “আপনার যে প্রতিবাদ লিপি দিয়েছেন, যে স্মারকলিপি দিয়েছেন আমি সাদর গ্রহণ করেছি। এবং আমি কাউন্সিলরদের নিয়ে একটি বিশেষ সভা করে, অন্য যারা আবেদন করেছেন সকল বিষয় আলোচনা করে এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেব।“

বান্দুরায় ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধ খুন

তানজিম ইসলাম, নিউজ ৩৯. নেট ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের মৌলভীডাংগী গ্রামে ঘাতকের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন শফিউর রহমান উরফে মঙ্গল হাজী নামে এক ব্যক্তি। তিনি মৃত বলাই হাওলাদারের ছেলে।

নিহতের বড় ছেলে ওয়াসিম জানান, আজ সকালে তার বাবা ফজরের নামায আদায়ের জন্য মসজিদের উদ্দেশ্য রওনা হন। পথে এক ঘাতক তার বাবাকে ধারালো ছুরি দিয়ে মারাত্মকভাবে বেশ কয়েকটি আঘাত করে, তার বাবা চিৎকার করলে সে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং ঘাতক তাকে দেখে পালিয়ে যায়।

মঙ্গল হাজীকে ডাক্তারের কাছে নেয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন। কেন মঙ্গল হাজিকে খুন করা হয়ে থাকতে পররে সে সম্পর্কে জানতে চাইলে  ওয়াসিম নিউজ৩৯.নেট-কে জানান, “আমার বাবা ছিলেন একজন জনদরদি মানুষ। তিনি নানা রকম বিচার সালিশি করতেন, আমার বাবার কোন শত্রু ছিল না। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছ তা এখনো আমরা জানতে পারি নি।“

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে প্রেরণ করে। নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম জানান, “একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। কাউকে গ্রেফতার করা হয় নি, কিন্তু আমরা অতি দ্রুত  তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত খুনিকে গ্রেফতার করব।“

মিজানুর রহমান শমশেরীর দুটি কবিতা: প্রার্থনা, সুরঞ্জনা 

প্রার্থনা 

বুকের মধ্যে আজন্ম ভালোবাসা তোলপাড় করে, 

আমি ভালোবাসার পূর্ণতা পেতে চাই।

 

রাত্রির শরীর কেটে ক্রমশ বেড়ে ওঠে

সফেদ দুধের মতো রমণীর উন্মাদনা

অযথা শাণিত ঠোঁটে বক্ষে ঠোকর মেরে কেড়ে খায় ভালোবাসা।

 

আমি শিউলির কাছে সুবাস ছাড়াও কিছু সবুজতা চাই- 

কেননা, আমার শরীরে ঘামের গন্ধ ছাড়াও প্রাণ আছে-

আমি প্রাণের পূর্ণতা পেতে চাই।

 

সুরঞ্জনা 

 

আমি বুঝি না সুরঞ্জনা

প্রতিদিন কেন নিশীথে সিঁদুর আঁকো

চন্দনে রাঙা ঠোঁট লাল করে রাখো

এতো কী রঙের প্রবঞ্চনা!

 

কেন দেখি প্রতিদিন

প্রজাপতি-মন, স্পন্দিত বুক

অঞ্জনমাখা ঐ কালো চোখ

চপল দৃষ্টি পলকহীন!

দোহার পৌরসভায় পদোন্নতি না পেয়েও নির্বাহী প্রকৌশলী

দোহার পৌরসভার “নির্বাহী প্রকৌশলী” মশিউর রহমানের ভেতরের কাহিনী বের হয়ে আসছে দ্রুত। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া উপসহকারী প্রকৌশলী মশিউর রহমান কিভাবে পদোন্নতি না পেয়েও দোহার পৌরসভায় নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে নিয়োগ পেলেন তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল। 

দুর্নীতি ও জালিয়াতিকে হাতিয়ার করে আজ তিনি বসে রয়েছেন দোহার পৌরসভায় নির্বাহী প্রকৌশলী হয়ে। শুধু তিনি নন, তার মতো আরো কয়েকজন দেশের বিভিন্ন পৌরসভায় আসীন হয়েছেন দুর্নীতি ও জালিয়াতিকে হাতিয়ার করে। কিন্তু এই জালিয়াতি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় নরে বসেছে স্থানীয় সরকার প্রশাসন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে অতি দ্রুত। 

মশিউর রহমান চাকরি শুরু করেছিলেন কার্যসহকারী, নকশাকার বা সার্ভেয়ার হিসাবে। যার নিয়োগে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল এস এস সি, এইচ এস সি বা ডিপ্লোমাধারী। কিন্তু অনিয়ম ও জালিয়াতিকে পুজি করে তিনি আজ দোহার পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী।

যেখানে দায়িত্বে থাকবেন একজন বিসিএস প্রকৌশলী, সেখানে এক ডিপ্লোমা ডিগ্রীধারী প্রকৌশলী বসে থাকার কারণে পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পাচ্ছে না কোন গতি। এই ব্যাপারে উঠে এসেছে এই প্রকৌশলী নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, অতীতে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ দিতেন মূলত পৌরসভার মেয়ররা। ফলে দুর্নীতির মাধ্যমেই তিনি দোহার পৌরসভায় নিয়োগ পেয়েছেন বলে বলা যায়। 

তার এই তথ্য নির্দেশ করে দোহার পৌরসভার বর্তমান মেয়র আব্দুর রহিম মিয়াকেই। তার আমলেই নিয়োগ পেয়েছেন বর্তমান “নির্বাহী প্রকৌশলী” মশিউর রহমান। ফলে প্রকৌশলী নিয়োগের দুর্নীতির আঙ্গুল মেয়র রহিম চেয়ারম্যানের দিকেই তুলছে সবাই। 

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে এই সব নিয়োগে বিসিএস প্রকৌশলীদের আগ্রাধীকার দেয়া হচ্ছে। আর পদোন্নতিও ঢালাও ভাবে দেয়া হচ্ছে না। আর মশিউর রহমানের এই অনিয়মের এই ঘটনাটি উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার বিভাগের কারন দর্শানোর নোটিশও দেয়া হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, তাকে চুক্তিভিত্তিক ভাবে শাহজাদপুরে নিয়োগ দেয়া হলেও তাকে অস্থায়ী ভাবে দোহার পৌরসভায় নির্বাহী প্রকৌশলী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয় অথচ শাহজাদপুর পৌরসভা থেকে ১৯৯১ সালের ২৮ মে পাঠানো স্থানীয় সরকার বিভাগে পত্র পাঠানো হলে তা অনুমোদিত হয় নি। তারপরও তিনি পদোন্নতি হাসিল করেছেন যা সম্পূর্ণ অবৈধ। তার চাকরির নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিসম্মত হয় নি ফলে তা অবৈধ প্রমানিত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্তেও ঊঠে এসেছে এই অনিয়ম। 

কিন্তু নিউজ৩৯ এর কাছে মশিউর রহমান দাবী করেন, তার নিয়োগ ও পদোন্নতিতে কোন অনিয়ম ও জালিয়াতি হয় নি।  

সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দেয়ার জের: আগলায় ইউপি সদস্যকে হাতুড়ি পিটুনি

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সন্ত্রাসী চিনিয়ে দেয়ায় ইউপি সদস্যকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা আগলা ইউনিয়নের আগলা কালুয়াহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, গত ৯ মাস আগে আগলা পোস্ট অফিস এলাকার মুদি দোকানী আব্দুল কাদেরকে চাঁদার দাবিতে মারধর করে আগলা কালুয়াহাটি গ্রামের মো. বাদলের বখাটে ছেলে সাদ্দাম। বিষয়টি থানায় অভিযোগ হলে আগলা ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. আসলাম থানা পুলিশকে গ্রেপ্তারে সহায়তা করে।

পরে গ্রেপ্তারকৃত সাদ্দামকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয়। সম্প্রতি সাদ্দাম জেল থেকে ছাড়া পেয়ে এলাকায় আসে।

এরই জের ধরে শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগলা পোষ্ট অফিস সংলগ্ন আসলাম মেম্বারের জুতার কারখানায় হানা দেয় সাদ্দামসহ ২/৩ বখাটে। এসময় বখাটেরা কোন কথা ছাড়াই আসলাম মেম্বারকে হাতুড়ি দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতে  গুরুতর আহত করে।

দোহার পৌরসভার নতুন নির্মান পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

দোহার পৌরসভার নতুন নির্মান পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

ওহাব মোল্লা নারিশা বাজারের সভাপতি নির্বাচিত

রবিবার ১০ মে নারিশা বাজার বণিক সমিতির পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ওহাব মোল্লা।

মোট ৩১৪ ভোটের মাঝে ৩০১ ভোট কাস্ট হয়েছে বলে জানান প্রিজাইডিং কর্মকর্তা। এর মাঝে ১১৭ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন ওহাব মোল্লা (দেয়াল ঘড়ি)। তার নিকটতম প্রার্থী মঞ্জু মোল্লা পেয়েছেন ৭৪ ভোট। ইব্রাহিম মৃধা ও ইসহাক খান যথাক্রমে ৬০ ও ৫০ ভোট পেয়েছেন।

১৩১ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেম মোফাজ্জল বেপারী। শেখ শাহীন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ১৮৯ ভোট পেয়ে। কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন ফারুক হোসেন, তিনি পেয়েছেন ১৫০ ভোট।

১১ পদের মধ্যে  ৭ টি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত  হন। বাকি ৪ টি পদের জন্য লড়েছেন ১২ জন প্রার্থী।

নির্বাচনে কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটে নি। নির্বাচন চলাকালে ওহাব মোল্লার বিরুদ্ধে অন্যান্য প্রার্থীরা হালকা অভিযোগ করলেও সবাই বলেছেন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে।

ফলাফল ঘোষণার সাথে সাথে উল্লাসে ফেটে পড়েন নির্বাচিতদের সমর্থকরা। তার আগে উৎকন্ঠিত অবস্থা বিরাজ করছিল। বিজয় লাভের পর ওহাব মোল্লাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেয় তার সমর্থক ব্যাবসায়ীরা।

ওহাব মোল্লা বিজয়ের পর ব্যাবসায়ীদের সাথে সাক্ষাৎ করে তার অঙ্গিকার পুরণ করার আশ্বাস দেন। উল্লেখ্য, তিনি দুইটি টয়লেট, বণিক সমিতি অফিস স্থাপন, নিজ এবং সরকারি সহায়তায় নদী ভাঙ্গন থেকে বাজার রক্ষা ও নারিশা বাজার ট্রলার ঘাটের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

নারিশা বাজারে নির্বাচন: কেমন সভাপতি চাই?

নারিশা বাজার বণিক সমিতি নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকি। রাত পোহালেই নির্বাচন। আগামীকাল রবিবার সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকাল ৪:০০ টা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ।

শেষ মুহুর্তেও প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। কে হবে নতুন সভাপতি? এ নিয়ে সবাই কৌতুহলী। ভোটাররা চান যোগ্যতম প্রার্থী সভাপতি নির্বাচিত হোক। প্রার্থীরা দিয়েছেন নানা প্রতিশ্রুতি। এর মধ্যে মঞ্জু মোল্লা বাজারেকে নদী ভাঙ্গন রক্ষা করা, একটি টয়লেট, দুইটি আর্সেনিকমুক্ত টিউবওয়েল ও বণিক সমিতি অফিস স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ওহাব মোল্লা দুইটি টয়লেট, বণিক সমিতি অফিস স্থাপন, নিজ এবং সরকারি সহায়তায় নদী ভাঙ্গন থেকে বাজার রক্ষা ও নারিশা বাজার ট্রলার ঘাট এর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ইসহাক খান এর কাছে প্রতিশ্রুতির কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাসী না, কাজে বিশ্বাসী।”  তিনি আরো বলেন, নির্বাচিত হলে প্রথমেই বাজার রেজিস্ট্রেশন এর জন্য কাজ করবেন। নদী ভাঙ্গনের ব্যাপারেও তার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরেক সভাপতি প্রার্থী ও বর্তমান সভাপতি ইব্রাহিম মৃধা সাংবাদিকদের এর সাথে কথা বলতে রাজি হন নি।

ভোটারদের সাথে কথা বললে অধিকাংশ ভোটারই বলেন, “যে প্রার্থী নদী ভাঙ্গন থেকে বাজার রক্ষার কাজ করবে আমরা তাকেই এগিয়ে রাখব।”

দোহারে পোদ্দার বাড়ীর মাদক ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

তানজিম ইসলাম, নিউজ ৩৯.নেট ♦ ঢাকার দোহার উপজেলায় সাগর উরফে সিদ্দিক নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত রাতে উপজেলার পোদ্দার বাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে দোহার থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে এ সাজা দেন।

এ ব্যাপারে দোহার থানা ওসি মাহামুদুল হক নিউজ ৩৯- কে জানান “গত রাতে তারা ইয়াবাসহ সাগরকে আটকা করে। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে  কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত সাগর উপজেলার পোদ্দার বাড়ী এলাকার বাসিন্দা।