সাভারে অজ্ঞাত (৫০) এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের আমিনবাজারের তুরাগ নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, সকালে তুরাগ নদীতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মৃতদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে সাভার মডেল থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও জানান পুলিশ।
আন্তর্জাতিক কোরআন তেলাওয়াত মজলিসে বাংলাদেশি মারুফের চতুর্থ স্থান অর্জন
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ৫৯তম আন্তর্জাতিক কোরআন তেলাওয়াত মজলিসে কেরাত বিভাগে চতুর্থ পুরস্কার পেয়েছে কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি কিশোর মোহাম্মদ মারুফ হোসেন। গত ১৫-২০ মে সপ্তাহ ব্যাপি এ কোরআন তেলাওয়াত মসলিসে হাফেজ ও ক্বারি দুই বিভাগে ছেচল্লিশ দেশের মোট একানব্বই জন প্রতিযোগী অংশ নেন। এতে ক্বারি বিভাগে চতুর্থ স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করে কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি কিশোর হাফেজ-ক্বারি মোহাম্মদ মারুফ হোসেন।
মারুফ ১৯নভেম্বর ২০০৪ সালে ঢাকা সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে জন্মগ্রহণ করে। তার দাদার বাড়ি লক্ষীপুর সদরে। সাত বছর বয়সে সে পিতার সাথে কানাডা চলে যায়। তার পিতা ক্বারি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন পনের বছর ধরে কানাডা প্রবাসী। বর্তমানে তিনি কানাডার নাগরিক।
কানাডার টরেন্টোতে ‘কিরাতুল কোরআন সেন্টার’ নামে একটি ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালক তিনি। মারুফ সেখানেই কোরআনে হাফেজ ও ক্বারি হয়। মারুফ এ বছর মার্চে কাতারে অনুষ্ঠিত কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান ও এপ্রিলে ইরানে অনুষ্ঠিত কোরআন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে।
মসলিসের শেষ দিন (২০ মে) মারুফ পুরস্কার গ্রহণ করে মালয়েশিয়ার রাজা পঞ্চম মোহাম্মদ ও উপপ্রধানমন্ত্রী আহমদ জাহিদ হামিদির কাছ থেকে। এই কোরআন তেলাওয়াত মসলিসে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগী ক্বারি ও হাফেজদের মধ্যে মারুফ ছিল বয়সে সর্বকনিষ্ঠ।
দোহারে চিকুনগুনিয়া রোগে ৪ দিনে ৫০ রোগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
দোহার উপজেলায় চিকুনগুনিয়া রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। শিশুসহ সব বয়সের মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আক্রান্ত রোগীর শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা ও বমি বমি অনুভব করছে। গত ৪ দিনে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ রোগে আক্রান্ত কমপক্ষে ৫০ জন রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে এবং প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী আসছে। প্রাথমিক উপসর্গ ও লক্ষণ দেখে এসব রোগীকে চিকুনগুনিয়ার চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। যাদের চিকিৎসা দেয়ার পরও কোনো উন্নতি হচ্ছে না তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগে থেকে দোহার উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নারী ও শিশুসহ সব বয়সের মানুষই শরীরে প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। এসব রোগীর প্রাথমিক লক্ষণ দেখে চিকুনগুনিয়া রোগে আক্রান্ত বলে ধারণা করছেন। দোহার উপজেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ইয়াহিয়া মাহমুদ জানান, বেশির ভাগ রোগী জ্বর নিয়ে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হচ্ছে। আক্রান্ত রোগীর বেশির ভাগের চোখ লালচে, শরীরের অতিরিক্ত জ¦র ও সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা বিশেষ করে হাঁটুতে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। চিকিৎসা দেয়ার পর অনেক রোগি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে।
দোহারে যেহেতু চিকনগুনিয়া রোগ শনাক্ত করার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করার ব্যবস্থা নেই, তাই লক্ষণ দেখে আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছি। আর যাদের চিকিৎসা দেয়ার পর কোনো উন্নতি হচ্ছে না তাদের ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়ে দিচ্ছি। রোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আগে দিনে তারা জ¦রে আক্রান্ত হলেও এমন অবস্থা কখনোই অনুভূত হয়নি। জ্বরের যন্ত্রণা সইতে না পেরে তারা সারাক্ষণ ছটফট করছেন। চার দিন আগে উপজেলার নুরপুর এলাকার নজরুল শেখ নামে এক ব্যক্তি জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকেরা তাকে জানিয়েছেন তার শরীরে চিকনগুনিয়া রোগের লক্ষণ ধরা পড়েছে। তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা ও কয়েকবার বমি হয়েছে। উপজেলার সুতারপাড়া এলাকার ১০ বছরের শিশু সালমান প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে দোহার উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ১০ দিনেও কোনো উন্নতি না হওয়ায় রোগীর অভিভাবক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার চিন্তা করছেন। আবার কেউ কেউ অতিরিক্ত গরমের কারণে ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এ জন্য হাসপাতালের পক্ষ থেকে চিকনগুনিয়া মশাবাহিত রোগ হওয়ায় মশার কামড় থেকে ও অতিরিক্ত গরম জ¦র, কাশি ও সর্দি থেকে থেকে রক্ষার জন্য সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: জসিম উদ্দিন বলেন, হাসপাতালের পক্ষ থেকে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। তারপরও উপজেলা হাসপাতালে সব ধরনের ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি না নিয়ে ঢাকায় প্রেরণ করা হচ্ছে। ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো দোহার উপজেলার চরকুশাই এলাকায় একজন নারীর শরীরে চিকুনগুনিয়া রোগ ধরা পড়ে। এরপর থেকেই এ রোগের প্রকোপ বাড়তে থাকে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ঢাকা জেলা সহ ঢাকা বিভাগের ৭০ আসনে বিএনপির প্রার্থী ২১০ জন চূড়ান্ত
নিউজ৩৯ স্পেশাল রিপোর্টঃ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনের রোডন্যাপ অনুসারে নিজস্ব প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। ইতঃমধ্যে দলটি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির শুরু হিসাবে ৩০০ আসনের জন্য ৯ শতাধিক প্রার্থীর তালিকা প্রস্তুত কৌশলগত কারণে এক আসনে একাধিক প্রার্থীর নাম ঢাকার একটি আসনে খালেদা জিয়ার নামও রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার ৭০টি আসনে বিএনপির প্রার্থী তালিকায় স্থান পেয়েছেন ২১০ নেতা।
বিএনপির সিনিয়র এক নেতা জানান, বিএনপিকে বাইরে রাখতে এবারও ক্ষমতাসীনরা নির্বাচন করার চেষ্টা করবে। এর অংশ হিসেবে দলের অনেক তারকা নেতাকে মামলার জালে ফাঁসিয়ে নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টাও হতে পারে। তাই আগামী নির্বাচনের জন্য দলের একাদিক প্রার্থীকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। অপেক্ষাকৃত নবীন এবং অনভিজ্ঞ অনেক নেতাকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সঙ্গতকারণে প্রায় সব আসনেই বিএনপির একাধিক নেতার নাম থাকছে।
শেষপর্যন্ত সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থীর পক্ষে যদি নির্বাচন করা সম্ভব না হয় তাহলে বিকল্প প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হবে। তিনিও যদি নির্বাচন করতে না পারেন তাহলে পরবর্তী নেতা নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে কোনো আসনে কোনো অবস্থায় যাতে প্রার্থী সংকট না হয় সে জন্যই এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীর পাশে অপেক্ষকৃত জুনিয়র নেতারাও আছেন। প্রাথমিক তালিকায় ঢাকার একটি আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামও রয়েছে। নিচে ঢাকা জেলাসহ ঢাকা বিভাগের সকল সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম দেয়া হলো।
ঢাকাঃ
ঢাকা-১ (দোহার ও নবাবগঞ্জ): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান ও নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশরাফ। ক্লিন ইমেজ ও অপেক্ষাকৃত তরুণ হওয়ায় এবং জাতীয়তাবাদী উপজেলা চেয়ারম্যান পরিষদের সভাপতি হিসাবে এই আসনে খন্দকার আবু আশফাক পছন্দের তালিকায় এগিয়ে আছেন। অপরদিকে দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান ধানমন্ডী আসন অর্থাৎ ঢাকা – ১০ থেকেও প্রার্থী হতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ-কামরাঙ্গীরচর): চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপির সভাপতি মনির হোসেন।
ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ): বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও তার মেয়ে বিএনপির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক অপর্ণা রায়।
ঢাকা-৪ (শ্যামপুর): ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবদুল হাই ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন।
ঢাকা-৫ (ডেমরা-যাত্রাবাড়ী): বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সাবেক এমপি সালাউদ্দিন আহমেদ।
ঢাকা-৬ (সূত্রাপুর-কোতোয়ালি): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, তার ছেলে ইশরাক হোসেন এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার ও সহ-সাধারণ সম্পাদক হাজী লিটন।
ঢাকা-৭ (লালবাগ-চকবাজার): বিএনপির প্রয়াত নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর স্ত্রী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি নাসিমা আক্তার কল্পনা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাসেল।
ঢাকা-৮ (রমনা): বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলী ফালু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব।
ঢাকা-৯ (মুগদা-সবুজবাগ): স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুল হুদা।
ঢাকা-১০ (ধানম-ি): আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল লতিফ।
ঢাকা-১১ (বাড্ডা-ভাটারা): ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি এম এ কাইয়ূম ও তার স্ত্রী শামীম আরা বেগম।
ঢাকা-১২ (তেজগাঁও): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি মো. সাহাব উদ্দিন ও যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার।
ঢাকা-১৩ (মোহম্মদপুর-আদাবর): বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি আতিকুল ইসলাম মতিন, সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট খন্দকার জিল্লুর রহমান।
ঢাকা-১৪ (মিরপুর-শাহআলী): সাবেক এমপি ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এ খালেক ও তার ছেলে এস এ সিদ্দিক সাজু, নগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি মুন্সী বজলুল বাসিত আনজু, সহ-সভাপতি রবিউল আউয়াল।
ঢাকা-১৫ (কাফরুল): যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, ক্যান্টনমেন্ট থানা বিএনপি নেতা প্রিন্সিপাল লিয়াকত আলী।
ঢাকা-১৬ (পল্লবী): বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান।
ঢাকা-১৭ (গুলশান-ক্যান্টনমেন্ট): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল আলীম নকী।
ঢাকা-১৮ (উত্তরা): বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর।
ঢাকা-১৯ (সাভার): জেলা বিএনপির সভাপতি দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) মিজানুর রহমান।
ঢাকা-২০ (ধামরাই): চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ।
টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী): বিএনপির প্রার্থী তালিকায় আছেন দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ও সুপ্রিমকোর্ট শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, কানাডা প্রবাসী বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মাহবুব ভূঁইয়া (লতিফ), ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রেজাউল হক, মধুপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র শহিদুল ইসলাম সরকার (সরকার শহীদ)।
টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর): যুবদল সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ শামসুল আলম তোফা ও ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক ম-ল।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল): বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ, জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ শিল্পপতি মাইনুল ইসলাম ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান।
টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী): বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিল্পপতি লুৎফর রহমান মতিন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ) ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এসএমএ খালিদ, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের যুগ্ম সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আ. হালিম, এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র ও জেলা বিএনপি নেতা মো. শাফী খান, মালয়েশিয়া বিএনপির নেতা ইঞ্জিনিয়ার বাদলুর রহমান খান ও বিএনপি নেতা বেনজীর আহমেদ টিটু।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ শামসুল আলম তোফা।
টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার): বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গৌতম চক্রবর্তী, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রবিউল আওয়াল লাভলু, বিএনপি নেতা সাবেক মন্ত্রী নুর মোহাম্মদ খান, জেলা বিএনপি নেতা ও জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ইউসুব আলী, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আরফান আলী মোল্লা, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের নির্বাহী সদস্য আমিনুল ইসলাম মঞ্জু, উপজেলা বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন খান ও জেলা বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার সাদাত খান।
টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর): মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নেতা আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, উপজেলা বিএনপি নেতা শিল্পপতি একেএম আজাদ স্বাধীন, কেন্দ্রীয় নেতা সাইদুর রহমান সাঈদ সোহরাব ও জেলা বিএনপির সদস্য ফিরোজ হায়দার খান।
টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ) ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইয়ার মাহমুদ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ওবায়দুল হক নাসির ও সখীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সাজু।
কিশোরগঞ্জঃ
কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর): জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রেজাউল করিম খান চুন্ন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাাহ সোহল, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি মাসুদ হিলালি, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাজি ইসরাইল মিয়া ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওয়ালিউল্লাাহ রাব্বানী ।
কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদি-পাকুন্দিয়া): জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আসফাক আহমেদ জোন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রুহুল আমিন আকিল, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ইদ্রিস আলী ভূইয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শহীদুজ্জামান কাকন, কটিয়াদীর সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ ও পাকুন্দিয়ার সাবেক পৌর মেয়র অ্যাড. জালাল উদ্দিন ।
কিশোরগঞ্জ-৩ (তাড়াইল-করিমগঞ্জ): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. ওসমান ফারুক, জেলা যুব দলের সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা ও করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাবেক ভিপি সাইফুল ইসলাম সুমন।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম): চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, প্রিন্সিপাল হাবিবুল ইসলাম ভূইয়া, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আমীরুজ্জামান, সাবেক এমপি ফরহাদ আহমদ কাঞ্চনের ছেলে বর্তমানে ড্যাবের নেতা ডা. ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী।
কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর): জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ নাসির, বাজিতপুর পৌর বিএনপির সভাপতি এহসান কুফিয়া, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সালেহুজ্জামানু খান রুনু এবং সাবেক এমপি মজিবুর রহমান মঞ্জুর ছেলে মাহমুদুর রহমান উজ্জ্বল।
কিশোরগঞ্জ-৬ (কুলিয়ারচর-ভৈরব): জেলা বিএনপির সভাপতি শরিফুল আলম ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. গিয়াস উদ্দিন।
মানিকগঞ্জঃ
মানিকগঞ্জ-১ (দৌলতপুর-ঘিওর-শিবালয়): জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও এসএ জিন্নাহ কবীর, বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব অ্যাডভোকেট খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছোট ছেলে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট খন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলু, খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বড় ছেলে ও জেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. খন্দকার আকবর হোসাইন বাবলু।
মানিকগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর-হরিরামপুর): জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত।
মানিকগঞ্জ-৩ (সদর-সাটুরিয়া): জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপির নেতা আতাউর রহমান আতা।
মুন্সীগঞ্জঃ
মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর ও সিরাজদিখান): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন খান মোহন এবং শ্রীনগর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মমিন আলী ও সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী): বিএনপি কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ।
মুন্সীগঞ্জ-৩ (মুন্সীগঞ্জ সদর ও গজারিয়া): জেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুল হাই এবং সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম।
গাজীপুরঃ
গাজীপুর-১ (কালিয়াকৈর): জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. সাইয়েদুল আলম বাবুল, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য মো. মুজিবুর রহমান ও হুমায়ুন কবির খান।
গাজীপুর-২ (গাসিক ও ক্যান্টনমেন্ট): কেন্দ্রীয় নেতা মো. হাসান উদ্দিন সরকার, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের কার্যকরী সভাপতি মো. সালাহ উদ্দিন সরকার।
গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর-সদর): জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন সবুজ, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহজাহান ফকির, ওলামা দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পীরজাদা এসএম রুহুল আমিন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।
গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া): বিএনপির প্রয়াত নেতা আসম হান্নান শাহর ছেলে মো. রিয়াজুল হান্নান, কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন ।
গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ): বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম ফজলুল হক মিলন, ঢাবি শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. মনির হোসেন।
নরসিংদীঃ
নরসিংদী (সদর): বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনজুর এলাহী।
নরসিংদী-২ (পলাশ): বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মইন খান এবং অ্যাডভোকেট আবদুল বাছেদ ভূইয়া
নরসিংদী-৩ (শিবপুর): জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া।
নরসিংদী-৪ (বেলাব-মনোহরদী): সাবেক এমপি সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, লে. কর্নেল (অব.) মো. জয়নাল আবেদীন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েল।
নরসিংদী-৫ (রায়পুরা): সাবেক সাংসদ আবদুল আলী মৃধা, বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট এ কে নেছার উদ্দিন এবং ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল।
নারায়ণগঞ্জঃ
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ): জেলা বিএনপির সভাপতি কাজি মনিরুজ্জামান, বিএনপির চেয়ারপারসন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তফিজুর রহমান দিপু ভূইয়া।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার): বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান খসরু, সাবেক এমপি আতাউর রহমান আঙ্গুর ও কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম আজাদ।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও): সাবেক মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মান্নান।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ): সাবেক এমপি মো. গিয়াস উদ্দিন, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শাহ আলম, ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুল আলম সেন্টু, জেলা বিএনপি সদস্য ব্যারিস্টার পারভেজ।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর): সাবেক এমপি ও মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
রাজবাড়ীঃ
রাজবাড়ী-১ (সদর ও গোয়ালন্দ): সাবেক এমপি আলী নেওয়াজ মোহাম্মদ খৈয়ম, উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এম এ খালেক।
রাজবাড়ী-২ (পাংশা-কালুখালী-বালিয়াকান্দি): সাবেক এমপি নাছিরুল হক সাবু ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশিদ ।
ফরিদপুরঃ
ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী-মধুখালী-আলফাডাঙ্গা): বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর, সাবেক এমপি ও ফরিদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খন্দকার নাছিরুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা সাহাবুদ্দীন আহম্মেদ সতেজ।
ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা): বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর-বিভাগ) শামা ওবায়েদ, নগরকান্দা বিএনপির সাবেক সভাপতি কেএম জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ( ঢাকা বিভাগ) সহিদুল ইসলাম বাবুল।
ফরিদপুর-৩ (সদর): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ফরিদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জহুরুল হক শাহজাদা মিয়া, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুবুল হাসান পিংকু।
ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন): বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইয়াসমিন আরা হক, চরভদ্রাসন উপজেলা চেয়ারম্যানর বাদল আমীন, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আলী আজম।
গোপালগঞ্জঃ
গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী একাংশ): কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিমুজ্জামান, গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এফ ই শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর।
গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদরও কাশিয়ানী একাংশ): গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতা এম এইচ খান মঞ্জু, এম মসুনসুর আলী ও মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া): কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা এস এম জিলানী, মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা বিএনপি নেতা আফজাল হোসেন।
মাদারীপুরঃ
মাদারীপুর-১ (শিবচর): বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইয়াজ্জেম হোসেন রোমান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবু জাফর চৌধূরী, জেলা বিএনপির সদস্য খলিলুর রহমান ঠান্ডু চৌধুরী ও জেলা বিএনপির আরেক সদস্য নুরুদ্দিন মোল্লা।
মাদারীপুর-২ (সদর ও রাজৈর): মহিলা দল নেত্রী ও সাবেক এমপি হেলেন জেরিন খান, জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক আবু মুন্সি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহান্দার আলী জাহান।
মাদারীপুর-৩ (কালকিনি ও সদর একাংশ): সাবেক ছাত্রনেতা আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাশুকুর রহমান ও বিএনপি নেতা কালকিনি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান আজাদ।
শরীয়তপুরঃ
শরীয়তপুর-১ (সদর-জাজিরা): জেলা সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন কালু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলতাফ শিকদার।
শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর): জেলা সভাপতি শফিকুর রহমান কিরন, কেন্দ্রীয় নেতা জামাল শরিফ হিরু, সাবেক মন্ত্রী টি এম গিয়াস উদ্দিন।
শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-গোসারহাট-ভেদরগঞ্জ): মিয়া নুর উদ্দিন অপু, বিএনপির প্রয়াত নেতা হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গের স্ত্রী তাহমিনা আওরঙ্গ, জেলা সহ-সভাপতি ডা. এস এম কামাল উদ্দিন ও জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদ আহমেদ আসলাম।
দোহারে শাইনপুকুর তদন্ত কেদ্রের উদ্বোধন সম্পন্ন
বাংলাদেশের জনগনের নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে ঢাকার দোহার উপজেলার শাইনপুকুর তদন্ত কেন্দ্র ভবন এর শুভ উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান কামাল। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট শিল্পপতি সালমান এফ রহমান ও এডভোকেট সালমা ইসলাম এম পি।
নতুন চারতলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণের ফলে তদন্ত কেন্দ্রের সার্বিক কার্যক্রম গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম শেখ। ভবনটিতে সাময়িক জেলখানা ও পুলিশ স্টাফ কোয়ার্টার রয়েছে।
বাংলাদেশের উত্তরোত্তর উন্নয়ন করার জন্য উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়। নতুন এই তদন্ত কেন্দ্রের ভবনের কারনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরো তৎপর ভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে, এটাই আশা করে দোহারবাসী।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি শহীদুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জ এর ডিআইজি সফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান সাফিউর রহমান, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগির হোসেন, ঢাকা জেলা পরিষদ সদস্য শাহজাহান মোল্লা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ সম্পাদক জনাব সাগর আহম্মেদ শাহিন, নারিশা ইউপি চেয়ারম্যান সালাহুদ্দিন দরানি, মুকসুদপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এম এ হান্নান, আলী আহসান খোকন শিকদার, আনারকলি পুতুল, বেলাল হোসেন মোল্লা, গিয়াসউদ্দিন সোহাগ, হযরত হোসেনসহ অনেকে।
বাঁধের বাধা দেয়ার অভিযোগঃ নিরাপত্তাহীনতায় ঠিকাদার
দোহারের মানুষের বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা বাধের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে গেলেও স্থানীয় চাদাবাজদের কারনে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে দোহারের মানুষের এই বহুল প্রত্যাশিত বাঁধ। ধোয়াইর বাজারের স্থানীয় মোসলেম মাদবর ও মান্নান মাদবর বাধের কাজের জন্য চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাঁধের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার সোরহাব আহমেদ। এবং চাঁদা না দিলে তাকে বাধেঁর কাজ করতেও দিবে না বলে হুমকি দিয়েছেন মোসলেম মাদবর ও মান্নান মাদবর।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ভূমিদস্যু হিসাবে পরিচিত মোসলেম মাদবর ও মান্নান মাদবর এলাকায় বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকান্ডের জন্য পরিচিত। সময়ের সাথে সাথে রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করে সুবিধাভোগ কারী এই দুই ভাই এবার তাদের নোংরা হাত বাড়িয়ে দিয়েছে দোহার বাসীর স্বপ্নের পদ্মা বাঁধের দিকে। বাঁধের কাজের শুরু থেকেই বিভিন্ন ভাবে বাধা প্রদানকারী এই দুই ভাই এবার চাঁদা দাবি করেছেন বাধের ঠিকাদার সোরহাব আহমেদের কাছে। এবং চাঁদা না দিলে বাধেঁর কাজ বন্ধ করে দিবেন বলে হুমকিও দিয়েছেন এই দুই ভাই।
পরবর্তীতে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা সোরহাব আহমেদ স্থানীয় নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নানের কাছে ফোন দিলে তিনি সেখানে উপস্থিত হলে চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতেই ঠিকাদার ও চেয়ারম্যানের উপর তেড়ে যান এবং তাদের মারধোর করতে যান।
এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ এর কাছে শামীম আহমেদ হান্নান জানান, তারা তাদের কয়েক ভাই মিলেই বাধেঁর কাজের শুরু থেকেই এই কাজের বিরোধিতা করছে। এর আগে কয়েকবার তারা কাজের বাধাও সৃষ্টি করেছে। তাদের বাধার জন্য ধোয়াইর বাজারে বস্তার স্লোপিং করা যাচ্ছে না। এবং তারা বাধের এড়িয়ার মধ্যে ঘর করে রেখেছে। ফলে কোন কাজও এগিয়ে নেয়া যাচ্ছে না। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। তারা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে বলে জানিয়েছে।
এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ এর কাছে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আল আমিন বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর অফিসের কাজে ঢাকায় ব্যস্ত থাকায় ঘঠনাটি জানা হয় নি। তবে বাধেঁর কাজে কেউ যদি বাধা প্রদান করে থাকে তবে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি থানাকে অতি দ্রুত ব্যাপারটা নিশ্পত্তি করতে নির্দেশ দিবেন বলে জানান।
এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ এর কাছে দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ সিরাজুল ইসলাম লিটু বলেন, ব্যাপারটা একটু ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। এর বেশি কিছু না।
দোহারে শিশু বিক্রির দায়ে মাসহ আটক ৫
ঢাকার দোহার উপজেলার দক্ষিণ শিমুলিয়া এলাকা থেকে মো. আবির নামে দেড় বছরের এক শিশুকে বিক্রির দায়ে শিশুটির মা সাবিনা আক্তারসহ (২২) ৫ জনকে আটক করেছে দোহার থানাপুলিশ। আটক অন্যরা হলো মাখন লাল বৈদ্য ওরফে মাখন ডাক্তার (৫৫), আমেনা বেগম (৩৫), দিলরুবা আক্তার (৩৮) ও তার স্বামী নজরুল ইসলাম খান (৪৫)। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। শিশুটিকেও উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মে রাতে সাবিনা আক্তার দোহার থানায় স্বামীকে দিয়ে তার দেড় বছরের ছেলে আবির দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে চুরি গেছে বলে অভিযোগ দায়ের করান। অনুসন্ধানে পুলিশ জানতে পারে, শিশুটির মা সাবিনা আক্তার ২০ হাজার টাকায় দিলরুবা নামে এক মহিলার কাছে ঢাকার ধানমন্ডিতে বিক্রি করেছেন। এ কাজে সহযোগিতার অভিযোগে পুলিশ উপজেলার নারিশা সাতভিটা ফাস্ট গ্লোরী কিন্ডারগার্টেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মাখন লাল বৈদ্য ওরফে মাখন ডাক্তার, মেঘুলা বাজার প্রমিজ জেনারেল হাসপাতালের আয়া আমেনা বেগম, দিলরুবা ও তার স্বামী নজরুল ইসলামসহ মোট ৫ জনকে আটক করেছে। এ ব্যাপারে শিশুটির বাবা মো. জুলহাস বাদী হয়ে দোহার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
দিলরুবা আক্তার জানান, শিশুটিকে লালনপালন করতে পারবে না বলে আমার কাছে বিক্রি করে। আমার ভাই ধানমন্ডিতে এলাকার রাজ্জাকের ছেলে সন্তান নেই বলেই ওর জন্য আবিরকে কিনেছি।
দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা শিশুটিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার করেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে নিয়ে ভাবেনঃ নবাবগঞ্জে মির্জা আজম
পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে নিয়ে ভাবেন। তাদের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য নতুন নতুন চিন্তা-চেতনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। তার দক্ষ ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ঠিক সেই মুহূর্তে একটি চক্র দেশে দাঙ্গা সৃষ্টির পাঁয়তারা করেছে।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার নবাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমানকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। একই অনুষ্ঠানে ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫প্রাপ্ত ১২১ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ ও দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ শাখা ছাত্রলীগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ঢাকা জেলা পরিষদ সদস্য এসএম সাইফুল ইসলাম এতে সভাপতিত্ব করেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান। নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবিনা আক্তার তুহিন এমপি, আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাজী শওকত শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহসম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক লাবণ্য ভূঁইয়া, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
ক্রীড়াঙ্গন বিকশিত করতে তরুণদের উদ্যোগী হতে হবে: সালমা ইসলাম
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, ক্রীড়াঙ্গন বিকশিত করতে তরুণদের আরও উদ্যোগী হতে হবে। তারা যেন সামাজিক অপরাধ প্রবণতা থেকে দূরে সরে গিয়ে ভালো কাজে মনোনিবেশ করতে পারে। সারা বছরই যেন গ্রামগঞ্জের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায় মেতে থাকে সে বিষয়ে সমাজের দায়িত্বশীল সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। শুক্রবার বিকালে ঢাকার নবাবগঞ্জের আগলা চরচরিয়া চান্দারটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
হাজী মো. কায়কোবাদের সভাপতিত্বে সালমা ইসলাম এমপি আরও বলেন, আপনাদের সুখ-দুঃখে আমি আছি, থাকব। আপনারা আমার পাশে থেকে সহযোগিতা করলে নবাবগঞ্জের যে কোনো উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা সহজ হবে। এ সময় তিনি তার নিজ এলাকা চুড়াইনে একটি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণের কথা উল্লেখ করেন। উপস্থিত জনতা তাকে করতালি দিয়ে স্বাগত জানান।
সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম চরচরিয়া যুবসংঘকে ব্যক্তিগতভাবে নগদ ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেন। এছাড়া খেলায় অংশ নেয়া দুটি টিম ছাতিয়া আইডিয়াল ক্লাব ও সোনাহাজরা জাগরণী সংঘকে বেশ কিছু ক্রীড়া সামগ্রীও দেন তিনি। একই দিন তিনি নবাবগঞ্জ বর্ধনপাড়া জাতীয় পার্টির অফিসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত দিনে যারা ঢাকা-১ দোহার-নবাবগঞ্জ আসনে আপনাদের ভোটে এমপি-মন্ত্রী হয়েছিলেন তারা কতটুকু জনগণের স্বার্থ ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন তা আপনারা জানেন। ফলে তারা আজ জনবিছিন্ন হয়ে পড়েছেন। তাই আসুন চলমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে আগামী দিনের জন্য আমরা তৈরি হই ও একসঙ্গে এ অঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করি। বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।
এ সময় আগলা ইউপি চেয়ারম্যান আবেদ হোসেন, গালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান তপন মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন দিলু, গাজী বেলায়েত হোসেন, অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, আবদুল বাতেন উপস্থিত ছিলেন।
দোহারে মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল আটক
ঢাকার দোহারে মোঃ জুয়েল (২৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৫২ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দোহার থানা পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। উপজেলার দক্ষিন জয়পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মোঃ জুয়েল ঢাকার দোহার উপজেলা দক্ষিন জয়পাড়া গ্রামের মোঃ সাহের উদ্দিন এর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে উপজেলার দক্ষিন জয়পাড়া এলাকায় এস,আই সৈয়দ জহুরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে মোঃ জুয়েলকে আটক করে। পরে জুয়েল এর শরীর তল্লাশি চালিয়ে প্যান্টের পকেট থেকে ৫২ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে দোহার থানা পুলিশ। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দোহার থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ জানায়, জুয়েল এর নামে দোহার থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু করিয়া শনিবার সকালে তাকে কোর্টে প্রেরণ করা হয়।

