বাংলাদেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেবে আমিরাত

 

শিগগিরই বাংলাদেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর ফলে বাংলাদেশি শ্রমিকদের দেশটির ভিসা পেতে আর কোনো জটিলতা থাকবে না। আমিরাতে সফররত বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে আরব আমিরাতের বন্ধ ভিসা চালু করার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন আমিরাতের মানবসম্পদ ও উন্নয়ন বিষয়কমন্ত্রী সাকর ঘোবাস সাঈদ ঘোবাস।

২০১২ সালে বাংলাদেশের ওপর যে ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল তা শিগগিরই তুলে নেবে কাতার। বুধবার এমন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন নুরুল ইসলাম বিএসসি। ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন কোনো শ্রমিক বাংলাদেশ থেকে আমিরাতে যাবার অনুমতি পাননি। তবে যারা আগে থেকেই আমিরাতে কাজ করছিলেন তারা আগের মতই কাজ করছেন। তাদের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, বর্তমানে আরব আমিরাতে অনেক বাংলাদেশি অবৈধভাবে বসবাস করছেন। তাদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ঢাকার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আমিরাত সরকার। সেখানে অনেক অবৈধ বাংলাদেশির বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণেই ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আমিরাত।

৭ লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক আমিরাতে নির্মানশিল্পের বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করছেন। নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০২০ সালের একটি প্রকল্পের কাজের অংশ হিসেবে আরো শ্রমিক প্রয়োজন আমিরাতের।

তিনি আরো বলেন, আমরা আমিরাতের কাছ থেকে বেশ ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। শিগগিরই বাংলাদেশি শ্রমিকদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নতুন ভিসা চালু করতে যাচ্ছে আমিরাত।নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভিসা নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেক শ্রমিক এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানিতে চাকরি পরিবর্তন করতে পারতেন না। কিন্তু আমিরাতের মানবসম্পদ ও উন্নয়ন বিষয়কমন্ত্রী আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে এই সমস্যারও খুব শিগগিরই সমাধান করা হবে এবং বাংলাদেশি শ্রমিকরা তাদের চাকরি পরিবর্তনও করতে পারবেন। বিভিন্ন কোম্পানি বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাজ দিতে আগ্রহী।

কি পরিমাণ বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে আমিরাত সে সংখ্যা স্পষ্টভাবে না বললেও নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বহু শ্রমিককে নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

দোহারে পদ্মা বাঁধ নির্মাণ কাজে ধীরগতির অভিযোগ

দোহারের পদ্মা বাঁধ নির্মাণ কাজের ধীরগতি ভাবিয়ে তুলেছে নদী ভাঙন কবলিত মানুষকে।  নিকটবর্তী দোহার উপজেলার নয়াবাড়ী ইউনিয়নটি পদ্মা তীরে অবস্থিত। গত দুই যুগে ২০ হাজার পরিবার আবাসস্থল হারিয়ে ছিন্নমূল হয়েছে। এসব পরিবার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে একনেকে দোহারে পদ্মা নদীর বাঁধ নির্মাণে ২১৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার বিল পাস হয়। ২০১৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর শুরু হয় বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ।

গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর কার্যাদেশ পেয়ে সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘হোসেন অ্যান্ড সন্স’ কাজটি শুরু করে। আগামী বছরের ৩০ জুন কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা ঝিমিয়ে পড়েছে। ধীর গতিতে কাজ করায় পদ্মাপাড়ের মানুষের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। তাদের মতে, আগামী বর্ষা মৌসুমে কাজ বন্ধ থাকলে এটি আরও দীর্ঘসূত্রতায় পড়বে। ফলে ভাঙনের আতঙ্কে দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়নের সাধারণ বাসিন্দাদের। অরঙ্গাবাদ থেকে বাহ্রাঘাট পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার নদীর তীর সংরক্ষণ কাজ কবে শেষ হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। খোদ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ কাজে ধীরগতির কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, কাজের মান নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। তবে ব্লক তৈরিতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের কথা বললে কর্মকর্তা প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, বাঁধের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় আগামী বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই ভেঙে যেতে পারে নির্মাণাধীন বিভিন্ন অংশ। এতে আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে পদ্মাপাড়ের মানুষ।

সরেজমিন দেখা গেছে, স্বল্পসংখ্যক শ্রমিক দিয়ে চলছে বাঁধের কাজ। ২০১৮ সালের জুন নাগাদ কাজ শেষ করা সম্ভব নয় বলে দাবি এক নির্মাণ শ্রমিকের। ১৬ লাখ বালুর বস্তা ফেলে ডাম্পিংয়ের কাজ করার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত মাত্র ৫ লাখ বস্তা ফেলা হয়েছে। এরই মধ্যে পদ্ম নদীতে শুরু হয়েছে জোয়ার। এ মৌসুমে আর কাজ করার পরিবেশ নেই। ফলে আতঙ্কে নয়াবাড়ী ইউনিয়নের ৭টি গ্রামের বাসিন্দারা।

সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘হোসেন অ্যান্ড সন্স’-এর স্বত্বাধিকারী এমএ হালিম বলেন, আমি এখন ব্যস্ত আছি। দুই তিন দিন পরে কাজের সাইডে আসব। তখন দেখা কইরেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য বলেন, কাজের গুণগতমান ঠিক রেখে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে তাগিদ দেওয়া হবে।

 

সৌদি আরবে হৃদরোগে দোহারে এক ব্যক্তির মৃত্যু

রিয়াদ থেকে ৮০কিলোমিটার দূরে হোরাইমালা নামক এলাকায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রবিজাল ইসলাম (৫০) নামে এক বাংলাদেশী মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৬মে) সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে দ্রুত স্থানীয় হোরাইমালা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মারা যান  রবিজাল ইসলাম মৃধা।
রবিজাল ইসলাম মৃধা উরফে রবি মৃধা ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের জহের আলী মৃধার ছেলে। তিনি হোরাইমালাতে একটি কৃষি খামার ভাড়া নিয়ে চাষাবাদ করতেন।
রবিজাল মৃধা ২৯ বছর আগে জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরব আসেন এবং গত ১৩ বছর যাবত স্ত্রী সন্তান নিয়ে সৌদি আরবে বসবাস করে আসছিলেন। তার লাশ  বর্তমানে হোরাইমালা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।

নবাবগঞ্জে ৬০০ ইয়াবাসহ যুবসংহতির সভাপতি আটক

ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে ছয়শ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলেন- উপজেলার কোমরগঞ্জ ঋষিপাড়া এলাকার আবুল হোসেন (৪৫) ও ছোট রাজপাড়া গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে বাহার মিয়া (৫৫)।

সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার আগলা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন গালিমপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানান নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. মোস্তফা কামাল।

আবুল হোসেন জাতীয় পার্টির যুব সংগঠন যুবসংহতির উপজেলা সভাপতি বলে নবাবগঞ্জ জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর চোকদার জানিয়েছেন।

ওসি মোস্তফা বলেন, গোপন সংবাদে তাদের আটক করা হয়্। এ সময় তাদের দেহ তল্লাশি করে ছয়শ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনের মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান।

ধোঁকা দিয়ে স্ত্রীকে সৌদি নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ 

মনের আক্রোশ মেটাতে স্ত্রীকে ছলনার ফাঁদে ফেলে সৌদি আরব নিয়ে গিয়ে মরুভূমির নির্জন ঘরে দেড় মাস আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে তারই স্বামী। শুধু তাই না পাশাপাশি স্ত্রীকে দিয়ে অনৈতিক কাজ করিয়ে টাকা উপার্জনেরও চেষ্টা চালানো হয়। ঘটনাটি ঘটিয়েছেন দোহারেরই এক প্রবাসী।

চার বছর আগে ঢাকার দোহারের মাঝিরচর গ্রামের সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বিয়ে হয় পাশের ঝনকি গ্রামের রিতার। বিয়ের পর স্ত্রী জানতে পরে স্বামী জাহাঙ্গীর একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হবার কারণে দেশের বাইরে থাকে। এরই মধ্যে পরিবারের আরো নানা বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে তিক্ততা বাড়ে রিতার। এরপর দুজনের মধ্যে অনেক দিন যোগাযোগও বন্ধ থাকে।

গেলো মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে স্বামী জাহাঙ্গীর নানা ছলনার আশ্রয় নিয়ে স্ত্রীকে নতুন করে সংসার সাজানোর প্রলোভন দেখিয়ে সৌদি নিয়ে যায়। যাবার পরপরই রিতার উপর স্বামীর ভয়ঙ্কর নির্যাতন শুরু হয়। রিতাকে দিয়ে অনৈতিকভাবে টাকা উপার্জনেরও চেষ্টা চালায় জাহাঙ্গীর।

কিন্তু কোনভাবেই স্ত্রীকে রাজী করতে না পারায় বাধ্য হয়ে মে মাসে রিতাকে বাবার বাড়ি রেখে যেতে দোহার আসে জাহাঙ্গীর। পূর্বের ঘটনা জানতে পেরে সেখান থেকেই জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

দোহার থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ জানান, ঘটনার সত্যতা পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে থানায় আনার পর দেখা যায় সে একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।

অন্যদিকে, এ বিষয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরের পরিবারে সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা কথা বললে রাজি হননি।
বর্বর এ ঘটনার যথোপযুক্ত বিচারের দাবি করেছেন, স্থানীয়রা।

নবাবগঞ্জে স্কুলছাত্রীসহ দুজনের আত্মহত্যাঃ লাশ উদ্ধার

 নবাবগঞ্জ উপজেলায় স্কুলছাত্রী ঝুমা রানী মণ্ডল (১৪) ও গৃহবধূ সাথী আক্তার (১৮) নামে দুজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার সকালে উপজেলার দক্ষিণ শোল্লা ও আজগোড়া গ্রাম থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করেন নবাবগঞ্জ থানার এসআই আজাহার ইসলাম। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নিহত স্কুলছাত্রী ঝুমা রানী মণ্ডল উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ শোল্লা গ্রামের প্রকাশ চন্দ্র মণ্ডলের মেয়ে এবং গৃহবধূ সাথী আক্তার আজগোড়া গ্রামের ঝন্টু বেপারীর মেয়ে। ঝুমা রানী মণ্ডল শোল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন ও গৃহবধূ সাথীর স্বামী প্রবাসে থাকায় তিনি তার বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাতে স্কুলছাত্রী ঝুমা রানী মণ্ডল তার বাবা-মায়ের কাছে বায়না ধরে গতকাল রোববার সকালে মামার বাড়ি বেড়াতে যাবে বলে কিন্তু রোববার স্কুল খোলা থাকায় বাবা-মা তাকে মামার বাড়ি যেতে দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে ঝুমা অভিমান করে রাতের কোনো এক সময় নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। পরদিন সকালে মা-বাবা অনেক ডাকাডাকির পরও ঝুমা দরজা না খুললে স্বজনরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ঝুমার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অপরদিকে গৃহবধূ সাথী আক্তারের বিয়ের কিছু দিন পরই স্বামী বিদেশে চলে যায়। তার পর থেকেই সাথী তার বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। শনিবার রাতের কোনো এক সময় সাথী নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে সকালে সাথীর ঘরের দরজা বন্ধ পেয়ে স্বজনরা তাকে অনেক ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে লাশ নামিয়ে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় সেটি বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

স্কুলছাত্রীর বাবা প্রকাশ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, কি কারণে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে তা ঠিক বুঝতে পারছি না। তবে শনিবার রাতে মামার বাড়িতে যাওয়ার জন্য বায়না ধরেছিল।

সাথীর মা-ময়না বেপারী বলেন, বিয়ের পর থেকেই সাথী আমাদের সঙ্গে থাকত। কিন্তু কি কারণে সে আত্মহত্যা করল তা বলতে পারছি না।

নবাবগঞ্জ থানার এসআই আজাহার ইসলাম লাশ উদ্ধারের কথা স্বীকার করে বলেন, কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর এবং এ ঘটনায় থানায় দুটি পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সমস্যা জর্জরিত ॥ রোগীরা সেবাবঞ্চিত

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সংকট থাকার কারনে ব্যাহত হচ্ছে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান কার্যক্রম।চিকিৎসক ও নার্স সংকট থাকার কারনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীরা এসেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়ায় অভিযোগ করেছেন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা।

অপরদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সমকালকে চিকিৎসক সংকটের সত্যতা স্বীকার বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৮২ জন রোগী ইনডোরে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন

সরেজমিনে দেখা যায়, দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দীর্ঘদিন ধরে ৩০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ১০০ শয্যার হাসপাতালটি।বাস্তবে ২০ শয্যার জনবলও নেই হাসপাতালটির। ১৮টি চিকিৎসকের মধ্যে রয়েছেন ৫জন ডাক্তার, ৫ জন নার্স ও পরিছন্ন কর্মি মাত্র ২জন তাও বয়সের ভারে ন্যুজ। নারী ও শিশু ওয়ার্ডের অবস্থা আরোও নাজুক।ভবনটি সংস্কারের অভাবে বেশ কয়েক জায়গায় ফাটল ধরেছে।বৃষ্টিতে ভবনের ফাটল চুয়ে পানি পড়ে। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে ৮২ জন রোগী ইনডোরে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন।ভর্তি রোগীদের খাবারের পরিবেশ ভালো হলেও হাসপাতালে বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে।এ কারনে বাইরে থেকে মিনারেল ওয়াটার কিনে খাবার পানির প্রয়োজন মিটাতে হয়। হাসপাতাল থেকে কয়েকটা ওষুধ পাওয়া গেলেও সব ধরনের ওষুধ বাইরে থেকে কিনে নিতে হয়।হাসপাতালে আল্টাসনোগ্রাম,রক্ত,এক্্ররে ও ইসিজি মেশিন থাকলেও তা বিকল হয়ে আছে রোগীর সংখ্যা বেশী থাকলেও অতিরিক্ত বেড না থাকাতে অভাবী রোগীরা শয্যার অভাবে নারী-পুরুষ মেঝেতে পাশাপাশি শুয়ে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান রোগীরা।এছাড়াও হাসপাতালে সুইপারের অভাবে বিরাজ করছে দুর্গন্ধময় পরিবেশ।এতে একদিকে যেমন সাধারন মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রমও ভেঙে পড়েছে।

রোগী রিনা বেগম জানান, গাইনি ডাক্তারদের প্রাইভেট ছাড়া পাওয়া যেন দুরূহ ব্যাপার।এছাড়াও পরীক্ষা-নিরীক্ষার কোন ব্যবস্থাই নাই।হাসপাতালের বাইরে ১০০গজের মধ্যে আছে আধুনিক পরীক্ষার ব্যবস্থা।সেখানে ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৬ হাজার টাকার মধ্যে আছে সব ধরনের ব্যবস্থা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ইয়াহিয়া ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, ছোট ছোট কাটা-ছেঁড়া, জ্বর,শর্দি-ঠা-া রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। সিজারিয়ান ও বড় ধরনের অপারেশনের ক্ষেত্রে এ্যানেসথেসিয়ার চিকিৎসক না থাকায় বন্দ রয়েছে এই বিভাগের কার্যক্রম।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.জসিম উদ্দিন জানান,হাসপাতালে তীব্র ডাক্তার সংকট ও পরিছন্ন কর্মি ২ জন থাকাতে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।তাছাড়া সংস্কারের অভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি দিনদিন সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আল-আমিন বলেন, জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালে চিকিৎসক নিয়োগ সহ সংস্কার প্রয়োজন।আমাদের এডিবি’র ফান্ড থেকে এক লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে যা তুলনায় সামান্য।

চুড়াইনে টেকনিক্যাল কলেজ হবে: সালমা ইসলাম 

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, দোহার ও নবাবগঞ্জের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। উদ্যমী হয়ে কাজ করতে হবে তরুণ প্রজন্মকে। সোমবার দুপুরে ঢাকায় যুগান্তর কার্যালয়ে নবাবগঞ্জের আগলা ইউনিয়ন ও আশপাশের এলাকা থেকে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মীর জাতীয় পার্টিতে যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সালমা ইসলাম বলেন, আধুনিক নবাবগঞ্জ গড়তে চুড়াইনে একটি টেকনিক্যাল কলেজ স্থাপন করা হচ্ছে। এটা নির্মাণ হলে শুধু নবাবগঞ্জ নয়, দোহার, শ্রীনগর ও সিরাজদিখানের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ পরিবারের সন্তানরা কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ গড়ার কাজে নিজেদের আত্মনিয়োগ করতে পারবে। এ বিষয়ে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে এসএম মোস্তারীম মিথুন, জনি ও দীপকের নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী সালমা ইসলামের হাতে ফুল দিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। এ সময় সালমা ইসলাম তাদের তৃণমূলে দলের কাজ করে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলেন।

একই দিন ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি নুরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপির সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় সালমা ইসলাম সাংবাদিকদের তথ্যনির্ভর ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সংবাদ বেশি করে পরিবেশনে সাংবাদিকদের সোচ্চার হতে বলেন তিনি। এ সময় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ইব্রাহীম খলিল ও সাধারণ সম্পাদক আজহারুল হকসহ সব নেতা উপস্থিত ছিলেন।

নবাবগঞ্জে ২ নারীর লাশ উদ্ধার

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় স্কুলছাত্রী ঝুমা রানী মণ্ডল (১৪) এবং গৃহবধূ সাথী আক্তার (১৮) নামে দুই নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। রবিবার সকালে উপজেলার দক্ষিণ শোল্লা ও আজগোড়া গ্রাম থেকে লাশ দু’টি উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, নিহত স্কুলছাত্রী ঝুমা রানী মণ্ডল উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ শোল্লা গ্রামের প্রকাশ চন্দ্র মণ্ডলের মেয়ে এবং গৃহবধূ সাথী আক্তার আজগোড়া গ্রামের ঝন্টু বেপারীর মেয়ে। ঝুমা রানী মণ্ডল শোল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ও গৃহবধূ সাথীর স্বামী প্রবাসে থাকায় তার বাবার বাড়ীতে থাকতেন।

 স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে স্কুলছাত্রী ঝুমা রানী মণ্ডল বাবা-মায়ের কাছে বায়না ধরে রবিবার সকালে মামার বাড়িতে বেড়াতে যাবে। রবিবার স্কুল খোলা থাকায় বাবা-মা তাকে মামা বাড়িতে নিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে ঝুমা অভিমান করে রাতের কোন এক সময়ে নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে বৈদ্যুতিক পাখায় সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।

অপরদিকে গৃহবধূ সাথী আক্তারের বিয়ের কিছু দিন পরই স্বামী বিদেশে চলে যায়। তারপর থেকেই সাথী তার বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে রাতের কোন এক সময়ে সাথী নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা যায়।

 নবাবগঞ্জ থানার এসআই আজাহার ইসলাম লাশ উদ্ধারের কথা স্বীকার করে বলেন, কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় থানায় দুটি পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

 

মারামারি ও হাতাহাতিতে পণ্ড ঢাকা জেলা বিএনপির সম্মেলন

নিউজ৩৯, রাজনৈতিক প্রতিবেদকঃ ঢাকা জেলা বিএনপির প্রতিনিধি সভায় নেতা-কর্মীদের দুই গ্রুপে হাতা-হাতি ও মারা-মারি কারণে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে প্রধান অতিথির বক্তব্য না দিয়ে হল ছাড়তে হল। রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের আইইবি মিলনায়তনে রোববার বিকেলে ঢাকা জেলা বিএনপির প্রতিনিধি সভা-২০১৭ এর অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন।

রোববার বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, সভা বিকেলে শুরু হয়ে ভালোভাবেই চলছিল। শেষ দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখার প্রাক্কালে একদল যুবক অনুষ্ঠানে আকস্মিকভাবে পানির বোতল ছুঁড়ে মারে। একপর্যায়ে তুমুল হট্টগোল বেধে যায়। প্রতিনিধি সভায় নেতাকর্মীদের দুই গ্রুপে হাতাহাতি ও মারামারি কারণে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বক্তব্য না দিয়েই হল ছেড়ে যান।

দলটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. খন্দকার মাহবুব হোসেনের বক্তব্য দেওয়ার পর অনুষ্ঠান সঞ্চালক ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক এর দেওয়া বক্তব্যের জের ধরে প্রথমে হাতাহাতি পরে মারা-মারির ঘটনা ঘটে।

সভায় হাতাহাতি প্রসঙ্গে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক নিউজ৩৯কে বলেন, আমান উল্লাহ আমান ছাত্রলীগ-যুবলীগের ভাড়াটে লোক দিয়ে পরিকল্পিতভাবে প্রতিনিধি সম্মেলনে হামলা চালিয়েছে।

তিনি নিউজ৩৯কে আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর ঢাকা জেলা বিএনপির নতুন কমিটি হওয়ার পর আমরা নবোদ্যমে কাজ শুরু করি। কিন্তু আমান উল্লাহ আমানের তা সহ্য হচ্ছে না। এ কারণেই তিনি এই মারামারির ঘটনা ঘটিয়েছেন।

দুই দফায় হাতাহাতি ও মারামারির পর গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বের হয়ে যান। এরপর খন্দকার মাহবুব হোসেন বের হয়ে যান। শেষে আমান উল্লাহ আমান বের হতে গেলে বাধার সম্মুখীন হন। পরে মিলনায়তনের ভিতরে ফিরে এসে খানিক অপেক্ষা করে লোকজন নিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। তিনি যখন মিলনায়তনের ভিতরে অবস্থান করছিলেন তখন বাইরে নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যেই হামলা ও পালটা হামলায় লিপ্ত হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা বলেন, মারামারি হয় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আমান উল্লাহ আমানের সমর্থকদের মধ্যে। তারা দুজনই কেরানীগঞ্জের নেতা।

এ সময় দেখা যায় মঞ্চের সামনে বসে থাকা নেতা-কর্মীরা পানির বোতল ছুড়ে মাড়ছেন মঞ্চের দিকে। এ সময় মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন, ডাকসুর সাবেক ভিপি ও বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, অ্যাড. খন্দকার মাহবুব হোসেন, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া মিলনায়তনের মধ্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আমান উল্লাহ আমানের সমর্থকরাসহ ঢাকা জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা প্রচুর নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দুই দফায় হাতাহাতি ও মারামারির পর গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বের হয়ে যান। এরপর খন্দকার মাহবুব হোসেন বের হয়ে যান। শেশে আমান উল্লাহ আমান বের হতে গেলে বাধার সম্মুখীন হন। পরে মিলনায়তনের ভিতরে ফিরে এসে খানিক সময় অপেক্ষা করে পরে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। তিনি যখন মিলনায়তনের ভিতরে অবস্থান করছিলেন তখন বাইরে নেতা-কর্মীরা নিজেদের মধ্যেই হামলা ও পালটা হামলায় লিপ্ত হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা বলেন, মারামারি হয় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আমান উল্লাহ আমানের সমর্থকদের মধ্যে। তারা দুই জনই কেরানীগঞ্জের নেতা।

অনুষ্ঠান চলাকালে মিলনায়নের ভিতর দেখা যায়, নেতা-কর্মীদের মধ্যে কোনো ধরনের শৃঙ্খলা ছিল না। প্রচুর নেতা-কর্মী মিলনায়তনের ভিতর প্রবেশ করেছে। এসময় তারা মঞ্চের চার দিকে দিয়ে দাঁড়ানোয় মিলনায়তনের ভিতর ঢুকেও মঞ্চে বসা কাউকেই দেখা যাচ্ছিল না। এমনকি সাংবাদিকদের জন্য বসার নির্ধারিত জায়গাও বিভিন্ন নেতা-কর্মীরা দখল করেন। ফলে উপস্থিত সাংবাদিকদের পিছিনে গিয়ে বসতে হয় এবং পেশাগত কাজ করতে বেশ বেগ পেতে হয়।