ঢাকা-১ আসনে জামায়াত প্রার্থী ব্যারিস্টার নজরুল ইসলামের অসাধারণ কৃতিত্ব

0

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর ২০২৫: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী ব্যারিস্টার মো. নজরুল ইসলামকে নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।

শিক্ষাজীবনে অসামান্য সাফল্যের অধিকারী ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। তিনি শুধু বিভাগেই নয়, পুরো ফ্যাকাল্টিতেও প্রথম হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড স্থাপন করেন।

এই অনন্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হাত থেকে স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিরা তাঁর এই অসামান্য অর্জনে অভিভূত হন।

ছাত্রজীবনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম। পরবর্তীতে আইন পেশায় যুক্ত হয়ে ন্যায় ও আদর্শের পথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি।

দোহার ও নবাবগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, শিক্ষায়, নীতিতে ও নেতৃত্বগুণে ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম এ অঞ্চলের তরুণদের অনুপ্রেরণার উৎস। নির্বাচনে তাঁকে বিজয়ী করতে সাধারণ মানুষ ও তরুণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

এক স্থানীয় নেতা বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে ব্যারিস্টার নজরুল ইসলামের মতো শিক্ষিত ও নীতিনিষ্ঠ প্রার্থীই আমাদের প্রয়োজন।”

ঢাকার ২০টি আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাচ্ছেন যারা

0

নিউজ ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন আসনে প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। প্রার্থীদের অনেককে গ্রিন সিগন্যালও দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, রাজধানী ঢাকার ২০টি সংসদীয় আসনে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য বিএনপির অর্ধশতাধিক প্রার্থী মাঠে ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা ব্যাপক তৎপরতাও চালান। কোথাও কোথাও একই পরিবারের সদস্যরা একাধিক আসনে মনোনয়ন চান। তবে জনমত জরিপে যিনি এগিয়ে আছেন তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা-১ আসন

দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় নিয়ে গঠিত এই আসনে মাঠে ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও দোহার উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত আব্দুল মান্নানের মেয়ে ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান। আসনটিতে খন্দকার আবু আশফাক মনোনয়ন পাচ্ছেন।

ঢাকা-২ আসন

কামরাঙ্গীরচর ও হাজারীবাগ থানা, সাভার উপজেলার আমিনবাজার, তেঁতুলঝোড়া ও ভাকুর্তা ইউনিয়ন, কেরানীগঞ্জ উপজেলার হযরতপুর, কলাতিয়া, তারানগর, শাক্তা, রোহিতপুর, বাস্তা, কালিন্দী এবং আগানগর ইউনিয়ন নিয়ে আসনটি গঠিত। এখানে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডাকসু সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমান, তার ছেলে ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইরফান ইবনে আমান এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল করিম পল। আসনটিতে আমান উল্লাহ আমানকে মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

ঢাকা-৩ আসন

আসনটি কেরানীগঞ্জ উপজেলার জিনজিরা, আগানগর, তেঘরিয়া, কোন্ডা ও শুভাঢ্যা- এই পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে ধানের শীষ চান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও তার পুত্রবধূ ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। তবে দলের পক্ষ থেকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ঢাকা-৪ আসন

আসনটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৭, ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং শ্যামপুর থানা নিয়ে গঠিত। এ আসনে আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন। তাছাড়া তারই পিতা বিএনপি নেতা সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদও নির্বাচন করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। তবে এখানে তানভীর আহমেদ রবিনকে দল বেছে নিয়েছে।

ঢাকা-৫ আসন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬০, ৬১, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭০ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ঢাকা মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবী ও কেন্দ্রীয় বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ। তবে যেহেতু ঢাকা-৪ আসনে তানভীর আহমেদ রবিনকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হচ্ছে সেজন্য এই আসনটি নবী উল্লা নবীকে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

ঢাকা-৬ আসন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৪, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪, ৪৫ ও ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এ আসনে ধানের শীষ চান সাবেক মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার। তবে এই আসনে মনোনয়ন পাচ্ছেন খোকাপুত্র ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দলীয় মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনই।

ঢাকা-৭ আসন

বংশালের একাংশ, কোতোয়ালির একাংশ, চকবাজার, লালবাগ, হাজারীবাগ ও ধানমন্ডির একাংশ নিয়ে আসনটি গঠিত। এখানে দলীয় প্রার্থী হতে চান বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, সহ-যুববিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী, সাবেক এমপি প্রয়াত নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার।

জানা গেছে, এই আসনে যদি জোটের সঙ্গে সমঝোতা হয় তাহলে গণফোরাম নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরীকে দেওয়া হতে পারে। অন্যথায় এখানে প্রয়াত নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনাকে ধানের শীষ দেওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

ঢাকা-৮ আসন

মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা নিয়ে আসনটি গঠিত। এই আসনে প্রার্থী হতে চান বিএনপির হেভিওয়েট নেতা দলের স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য মির্জা আব্বাস, তার স্ত্রী ও মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী সোহেল। আসনটি অনেক আগেই মির্জা আব্বাসের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

ঢাকা-৯ আসন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ০১, ০২, ০৩, ০৪, ০৫, ০৬, ০৭, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪ ও ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে আসনটি গঠিত। এখানে ধানের শীষ চান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, তার স্ত্রী ও মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী সোহেল ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশীদ হাবীব। তবে এক পরিবারে এবার দুটি আসন দেওয়া হচ্ছে না। সেজন্য আসনটি হাবিব উন নবী খান সোহেল পাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ঢাকা-১০ আসন

আসনটি ঢাকা শহরের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এ আসনে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাছির উদ্দীন আহমেদ অসীম, নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ রবিউল আলম রবি। এই আসনটিতে ধানের শীষ পাচ্ছেন রবিউল আলম রবি এটা প্রায় নিশ্চিত।

ঢাকা-১১ আসন

বাড্ডা, ভাটারা, রামপুরা ও হাতিরঝিল থানার একাংশ এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১, ২২, ২৩,৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে আসনটি গঠিত। এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদক এম এ কাইউম এবং তার স্ত্রী। এখানে এমএ কাইয়ুম ধানের শীষের প্রার্থী হচ্ছেন।

ঢাকা-১২ আসন

আসনটি ঢাকা শহরের ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এ আসনে দলীয় মনোনয়ন চান কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার ও কেন্দ্রীয় সহ অর্থবিষয়ক সম্পাদক থেকে পদত্যাগ করা মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ। আসনটি সাইফুল আলম নীরবকে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ঢাকা-১৩ আসন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২. ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে আসনটি গঠিত। এ আসনে ধানের শীষ চান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী ও সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তবে তারা কেউ আসনটি পাচ্ছেন না। এখানে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

ঢাকা-১৪ আসন

আসনটি সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ইউনিয়ন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ০৭, ০৮, ০৯, ১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এ আসনে মনোনয়ন চান দারুস সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজু, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন ও যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জগলুল পাশা পাপেল। তবে দলীয় কেউ আসনটি পাচ্ছেন না। এখানে মায়ের ডাক খ্যাত সানজিদা তুলিকে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে।

ঢাকা-১৫ আসন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ০৪, ১৩, ১৪ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে আসনটি গঠিত। এ আসনে ধানের শীষ চান যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি মামুন হাসান ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম মিল্টন। আসনটির মনোনয়ন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। মামুন হাসানের পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকা-১৬ আসন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২, ৩, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এ আসনে ঢাকা উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হক একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন।

ঢাকা-১৭ আসন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৫, ১৮, ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানার ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে আসনটি গঠিত। বিএনপি নেতা কামাল জামাল মোল্লা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম আলোচনায় থাকলেও তারা কেউ মনোনয়ন পাচ্ছেন না। আসনটি বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থকে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা-১৮ আসন

আসনটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর ১, ১৭, ৪৩, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ নিয়ে গঠিত। এ আসনে দলীয় প্রার্থী হতে চান ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, কফিলউদ্দিন আহমেদ ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব হাজী মোস্তফা জামান। এ আসনে এসএম জাহাঙ্গীরের সম্ভাবনা বেশি। তবে এখনও চূড়ান্ত জানা যায়নি।

ঢাকা-১৯ আসন

সাভার উপজেলার শিমুলিয়া, ধামসোনা, পাথালিয়া, ইয়ারপুর, আশুলিয়া, বিরুলিয়া, বনগাঁও ইউনিয়ন এবং সাভার ইউনিয়ন ও সাভার পৌরসভা নিয়ে আসনটি গঠিত। এ আসনে ধানের শীষ চান ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু, হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ এবং কফিল উদ্দিন। তবে এই আসনে এরই মধ্যে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ডা. দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিনকে টেলিফোনে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঢাকা-২০ আসন

আসনটি ধামরাই উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ আসনে দৌড়ঝাঁপ করছেন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, ধামরাই উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান তমিজ উদ্দিন, তরুণ নেতা ইয়াসিন ফেরদৌস মোরাদ, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি। তবে আসনটি তমিজ উদ্দিনকে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সারাবাংলাকে বলেন, ‘কারও মনোনয়ন এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত করা হয়নি। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে জানানো হবে। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে যাদের বেশি অবদান ছিল, দলের পেছনে যারা শ্রম দিয়েছেন এবং জনমত জরিপে যারা জনপ্রিয় তাদেরকেই দল বেছে নেবে।’

দলীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ঢাকা-১ আসনে খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২ আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ তানভীর আহমেদ রবিন, ঢাকা-৫ নবী উল্লা নবী, ঢাকা-৬ ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭ সম্ভাব্য-অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৯ হাবিব উন নবী খান সোহেল, ঢাকা-১০ রবিউল আলম রবি, ঢাকা-১১ এম এ কাইয়ুম, ঢাকা-১২ সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৩ ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৪ সানজিদা ইসলাম তুলি, ঢাকা-১৫ সফিকুল ইসলাম মিলটন অথবা মামুন হাসান, ঢাকা-১৬ আমিনুল হক, ঢাকা-১৭ ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, ঢাকা-১৮ এসএম জাহাঙ্গীর/হাজী মোস্তফা জামান, ঢাকা-১৯ ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও ঢাকা-২০ আসনে তমিজ উদ্দিন মনোনয়ন পাবেন বলে জানা গেছে।

সভাপতি পদে নবাবগঞ্জ ক্রিকেট কোচিং একাডেমির দায়িত্ব নিলেন খন্দকার মাহমুদ আরশীন

ঐতিহ্যবাহী দোহার–নবাবগঞ্জ অঞ্চলে ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দিগন্তের সূচনা ঘটেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অনুমোদিত দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট দল “নবাবগঞ্জ ক্রিকেট কোচিং একাডেমি”-এর সভাপতি হিসেবে অফিসিয়াল দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক এসোসিয়েশনের অন্যতম সদস্য এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক খন্দকার মাহমুদ আরশীন।

জানাযায়, দীর্ঘদিন ধরে আরশীন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে একজন সংগঠক হিসেবে কাজ করে আসছেন। মাঠপর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরি, বিভিন্ন টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং তরুণদের ক্রীড়ায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তিনি দেশের ক্রীড়ার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

ইতিমধ্যে নবাবগঞ্জ ক্রিকেট কোচিং একাডেমির উদ্যোগে বিভিন্ন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা স্থানীয় ক্রীড়াবিদ, অভিভাবক ও ক্রীড়া অনুরাগীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে খন্দকার মাহমুদ আরশীন বলেন দোহার-নবাবগঞ্জের প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য পেশাদার মানের প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। ঢাকার এত কাছাকাছি থাকা সত্ত্বেও আমরা এখনো জাতীয় পর্যায়ে আমাদের ছেলে-মেয়েদের খেলার সুযোগ তৈরি করতে পারিনি—যা সত্যিই দুঃখজনক। তাই তৃণমূলের উদীয়মান ক্রিকেটারদের যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে যেতে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবো, ইনশাআল্লাহ। তিনি আরোও জানান, আমি দোহার-নবাবগঞ্জে ক্রিকেটের প্রসার ও উন্নয়নের জন‍্য বর্তমান বিসিবি প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সাথে ইতিমধ্যে বৈঠক করেছি, যাতে করে নবাবগঞ্জ ক্রিকেট কোচিং একাডেমিকে একটি দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

আওয়ামীলীগের হামলার বিচার দাবিতে দোহারে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

0

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী সমর্থকদের হাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের ওপর চালানো নৃশংস হামলার বিচার দাবিতে দোহার উপজেলার জামায়েত ইসলামি ও ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেলে দোহার জয়পাড়া থানার মোড় হয়ে জয়পাড়া  বাজার হয়ে করমআলী মোড়ে গিয়ে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় । এতে স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ জামায়াতে ও শিবিরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, “২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের সেই মর্মান্তিক ঘটনায় আমাদের ভাইয়েরা শহিদ হন, আহত হন অনেকে। কিন্তু দীর্ঘ ১৯ বছর পার হলেও এখনো সেই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হয়নি।”

তারা আরও বলেন, “আমরা চাই এই ইউনুস সরকার দোষীদের বিচার করবেন এবং আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই— প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।”

বিক্ষোভ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা মুসলমানদের ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে এমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।

এই বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা সহকারী সেক্রেটারি এবিএম কামাল হোসাইন, দোহার থানা আমীর ডাক্তার শহিদুজ্জামান (বুলু),থানার সেক্রেটারি নূরে আলম ঝিলু, পৌর আমির শাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ।

দোহারে উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা কাব হলিডে-২০২৫ অনুষ্ঠিত

মোঃ আল-আমিন, দোহার: “এশো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই”— এই স্লোগানকে ধারণ করে বাংলাদেশ স্কাউটস, দোহার উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা কাব হলিডে-২০২৫।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) দোহার উপজেলার পালামগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসফিক সিগবাত উল্লাহ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,দোহার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, নায়েব আলী,

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন,জাহাঙ্গীর আলম, কমিশনার, বাংলাদেশ স্কাউটস, দোহার উপজেলা।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, আকরাম আলী, কাব লিডার, বাংলাদেশ স্কাউটস, ঢাকা জেলা, নুরুল ইসলাম তানিম, যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ স্কাউটস, দোহার উপজেলা।

দিনব্যাপী এই কর্মসূচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে। এতে মোট ৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে— এর মধ্যে দোহার উপজেলার ২০টি এবং নবাবগঞ্জ উপজেলার ১০টি বিদ্যালয়।

প্রতিটি বিদ্যালয় থেকে ৬ জন করে কাব স্কাউট অংশগ্রহণ করে, ফলে মোট ১৮০ জন কাব স্কাউট সদস্য ও ৩০ জন শিক্ষক এই উৎসবে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “স্কাউট আন্দোলন শিশুদের মধ্যে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

দিনব্যাপী বিভিন্ন স্কাউট কার্যক্রম, দলীয় প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং শিক্ষা-অনুশীলনের মাধ্যমে কাব স্কাউটরা তাদের দক্ষতা প্রদর্শন করে।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ ও সনদ প্রদান করা হয়।

সৌদিতে গত এক সপ্তাহে সাড়ে ২২ হাজারের বেশি অবৈধ প্রবাসী গ্রেপ্তার

0

সৌদি আরব গত এক সপ্তাহে অবৈধ অভিবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২২,৬১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আরব নিউজের।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩,৬৫২ জন বাসস্থান আইন লঙ্ঘনকারী, ৪,৩৯৪ জন অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করছিলেন। এবং ৪,৫৬৭ জন শ্রম আইন সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত ছিলেন।

এসপিএ জানায়, অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ধরা পড়া ১,৬৯৯ জনের মধ্যে ৫৪ শতাংশ ইথিওপিয়ান, ৪৫ শতাংশ ইয়েমেনি, এবং ১ শতাংশ অন্যান্য জাতীয়তার নাগরিক।

এছাড়া, প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালানোর চেষ্টা করার সময় আরও ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২৩ জন সৌদি নাগরিক ও বিদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা অবৈধ অভিবাসীদের পরিবহন বা আশ্রয় দেওয়ার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে জানিয়েছে, অবৈধভাবে রাজ্যে প্রবেশে সহযোগিতা করলে—যেমন পরিবহন বা আশ্রয় দেওয়া—দোষী ব্যক্তির ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, ১ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল (প্রায় ২.৬৭ লাখ মার্কিন ডলার) পর্যন্ত জরিমানা, এবং যানবাহন ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের শাস্তি হতে পারে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের অনুরোধ করেছে, অবৈধ অভিবাসন বা এর সঙ্গে জড়িত যেকোনো কার্যকলাপের খবর দিতে। অভিযোগ জানাতে মক্কা ও রিয়াদ অঞ্চলে ৯১১ এবং রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলে ৯৯৯ বা ৯৯৬ নম্বরে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সৌদি আরবে অবৈধ অভিবাসন ও শ্রম আইন ভঙ্গের বিরুদ্ধে এই ধরপাকড় অভিযান চলমান, যা রাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও শ্রমবাজারের শৃঙ্খলা রক্ষার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞা শেষে বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা আড়াই কেজির ইলিশ, বিক্রি ৯২০০ টাকায়

0

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দিনেই বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে আড়াই কেজি ওজনের একটি বড় ইলিশ। শনিবার রাতে ভোলার জেলে সাদ্দাম হোসেন ও তার ১৫ জন সঙ্গী মাছ ধরতে গিয়ে মাছটি পান।

রোববার সকালে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের মতিরহাট মাছঘাটে মাছটি নিলামে বিক্রি হয় ৯ হাজার ২০০ টাকায়। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী আমির হোসেন ইলিশটি ক্রয় করেন বলে জানান আড়তদার মো. বাবুল।

তিনি বলেন, “সচরাচর এত বড় ইলিশ ধরা পড়ে না। তাছাড়া মেঘনা নদীতে মাছের ঘাটতি থাকায় নিলামে চড়া দাম পেয়েছেন সাদ্দাম।”

ব্যবসায়ী আমির হোসেন জানান, “ঢাকার মোকামে বড় ইলিশের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। আড়াই কেজির এই মাছটি ঢাকায় পাঠানো হবে, আশা করছি সেখানে অন্তত ১১ থেকে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি হবে।”

খেজুর উৎপাদনে মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষে উঠছে ফিলিস্তিন

চলতি ২০২৫ কৃষি মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ খেজুর উৎপাদন করেছে ফিলিস্তিন। দেশটিতে এ বছর প্রায় ২৫ হাজার ৩০০ টন খেজুর উৎপাদিত হয়েছে, যা গত বছরের ২২ হাজার টন থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

সম্প্রতি খেজুর উৎপাদন মূল্যায়ন বিষয়ক সর্বোচ্চ কমিটি জানায়, টানা ২১ দিনের মাঠ পর্যায়ের সমীক্ষার পর এই হিসাব চূড়ান্ত করা হয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৮৯৩টি বাগানে মোট ৩ লাখ ৫১ হাজার খেজুর গাছ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ২২ হাজার গাছ ফলন দিচ্ছে। নতুন করে রোপণ করা ১২ হাজার ৩০০ গাছ এখনো উৎপাদনে আসেনি।

কমিটির চেয়ারম্যান আশরাফ বারাকাত বলেন, “খেজুর খাত এখন ফিলিস্তিনের অন্যতম কৌশলগত কৃষি সম্পদে পরিণত হয়েছে। সরকার, বেসরকারি খাত ও কৃষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উৎপাদন ও রপ্তানিতে বড় অগ্রগতি হয়েছে।”

ফিলিস্তিনের কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত বছর ৩৫টিরও বেশি দেশে ১৬ হাজার টন খেজুর রপ্তানি করা হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ‘ফিলিস্তিনি খেজুর’ একটি স্বতন্ত্র ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

মূল্যায়ন কমিটিতে কৃষি মন্ত্রণালয়, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ দপ্তর, কৃষক ইউনিয়ন, খেজুর চাষি সমবায়, জেরিকো ও জর্ডান উপত্যকা প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থার প্রতিনিধিরা রয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রপ্তানির পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও ফিলিস্তিনি খেজুরের চাহিদা বেড়েছে। উচ্চমান বজায় রাখতে সরকারের নজরদারি ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও জোরদার করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ফিলিস্তিন মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ খেজুর রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হতে পারে।

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ, মধ্য রাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু

0

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাত ১২টায়।নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে হাজারো জেলে। এর আগে গত ৪ অক্টোবর থেকে ইলিশ শিকারে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

এবার আশ্বিনী পূর্ণিমার আগের চার দিন এবং অমাবস্যার পরের তিন দিনকে অন্তর্ভুক্ত করে মোট ২২ দিন মা ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান চলে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা, বিশেষ করে মৎস্যজীবীদের মতামত অনুযায়ী এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।

প্রজনন মৌসুমের পূর্ণিমা ও অমাবস্যা উভয় সময়ই ডিম পাড়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দুটি পর্যায় অন্তর্ভুক্ত করে সর্বোচ্চ প্রজনন নিশ্চিত করা হয়।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের নিষেধাজ্ঞার ফলে ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ মা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ পায়। এর ফলে ৪৪ দশমিক ২৫ হাজার কোটি জাটকা বা রেণু ইলিশ পরিবারে যুক্ত হয়। এই ডিম থেকে উৎপন্ন রেণু বা পোনা (জাটকা) ভবিষ্যতে পরিপক্ব ইলিশে পরিণত হবে।

রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে প্রার্থী নবাবগঞ্জের রাশিম মোল্লা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পেশাদার সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আসন্ন কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাংবাদিক মো. রাশিম (রাশিম মোল্লা)।

দৈনিক মানবজমিনের সিনিয়র রিপোর্টার মো. রাশিম মোল্লা (রাশিম) ডিআরইউ সদস্যদের কাছে তাঁর প্রার্থিতার বিষয়টি জানিয়ে ভোট, দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন।

তিনি জানান, এর আগে তিনি ডিআরইউ-এর তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময়ে তিনি সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতায় সফলভাবে ওয়েবসাইটের ডাটাবেজে সদস্যদের ছবিসহ তথ্য ইনপুটের কাজ সম্পন্ন করেন।

সাংবাদিক রাশিম মোল্লা বর্তমানে রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশনের (র‍্যাক) দপ্তর সম্পাদক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জবিসাস) সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আসন্ন নির্বাচনে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে ডিআরইউ সদস্যদের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

তিনি news39.net এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।