করোনা সনাক্ত হারঃ দোহারে ৪৮%, নবাবগঞ্জে ৫০%

ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় আশংকাজনক হারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। শনিবারের নমুনায় দোহারে সনাক্তের হার প্রায় ৪৮% এবং নবাবগঞ্জে ৫০%। ইতঃমধ্যে নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা ফোকাল পার্সন ডাঃ হরগোবিন্দ সরকার অনুপ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

দোহার উপজেলায় নতুন করে আরও ১৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দোহার উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৯২৯ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ১৫ জন। দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন করোনা শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রবিবার(৪ জুলাই) দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন news39.net কে জানান, গত ৩ জুলাই ঢাকায় পাঠানো ৪৭ জনের নমুনা থেকে নতুন করে আরও ১৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়া ১৯ জনের চিকিৎসা-সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে আক্রান্তর স্বজনদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে নির্দেশ দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ নিয়ে দোহার উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৯২৯ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ১৫ জন।
নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৩রা জুলাই ৪৪ জনের মধ্যে থেকে মোট আক্রান্ত ২২ জন। এই নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২১১ জন।

দোহারে পরিবহণ শ্রমিকদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবক লীগের খাদ্য সহায়তা প্রদান

ঢাকার দোহার উপজেলায় বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে পরিবহণ শ্রমিকদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার ( ৪ জুলাই ) দুপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ’র নিজ বাড়িতে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এ সময় প্রত্যেক পরিবহণ শ্রমিকের মাঝে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেয়াজ, ১ কেজি ডাল ও ১ কেজি লবন সহ ১৫ কেজির প্যাকেট প্রদান করা হয়।

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনে অনেক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ে। অভাব অনটনে দিন পার করছে তারা, তাই তাদের কষ্ট লাঘবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবকলীগ ১ম পর্যায়ে ২’শ পরিবারের মাঝে এই খাদ্য সহায়তা প্রদান করে। এই খাদ্য ধারাবাহিকভাবে চলমান থাকবে বলে জানান বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ। এছাড়াও সমাজের বিত্তশালীরা যেন গরিবদের পাশে এসে দাড়ায় এই আহবান জানান তিনি। এ সময় দোহার নবাবগঞ্জে প্রায় ২৫ টি স্বাস্থ্য সুরক্ষা বুথ স্থাপন করেন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবকলীগ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ আজগর, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাহবুব বেপারী, দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি বাশার চোকদার, সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান বেপারী সহ অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ।

দোহারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ৩০ জনকে অর্থদণ্ড

ঢাকার দোহার উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় ৩০ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণআদালত।
শনিবার(৩ জুলাই) সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের ৩য় দিনে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার( ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলার আয়োজন মোড়, জয়পাড়া, লটাখোলা, থানার মোড়, দোহার বাজার, মেঘুলা বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করেন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য ও স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩০ জনকে ৫ হাজার ৮০০ শত টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এসময়ে দোহার থানার পুলিশ সদস্যগণ, সেনাবাহিনী সদস্যগণ, বিজিবি সদস্যগণ এবং উপজেলা আনসার সদস্যগণ অভিযানে সহযোগিতা করেন।
দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র জানান, লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

দোহার স্বাস্থ্যবিধি ও লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময়

ঢাকার দোহার উপজেলায় স্বাস্থ্যবিধি ও লকডাউন বাস্তবায়নে দায়িত্বরত পুলিশ বাহিনী, সেনাবাহিনী, বিজিবি, উপজেলা স্বাস্থ্য দপ্তর, আনসার বাহিনীর প্রতিনিধিদের সাথে উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজশনিবার দুপুরে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এফএম ফিরোজ মাহমুদ জানান, লকডাউন বাস্তবায়নে আরো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তাই জনগণকে লকডাউন মেনে চলার জন্য আহ্বান জানান।
সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মকর্তা ডাঃ জসিমউদদীন, সেনাবাহিনীর মেজর জাহিদ হাসান, দোহার থানা ওসি মোস্তফা কামাল, বিজিবি সুবেদার জনাব ইয়ার আলী ও উপজেলা আনসার কমান্ডার ( ভারপ্রাপ্ত) জনাব সালেহা আক্তার।

তথ্য-প্রযুক্তির সাহায্যে মোবাইল উদ্ধার করলো দোহার থানা পুলিশ

দোহার উপজেলায় আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য হারিয়ে যাওয়ার এক মাস পর মোবাইল উদ্ধার করেছে দোহার থানা পুলিশ। শুক্রবার (২ জুলাই) ওই মোবাইল টি উদ্ধার করেন এস আই মোঃ রবিউল ইসলাম।

মোঃ রবিউল ইসলাম জানায়, গত ১ এক মাস আগে সুতার পাড়া গ্রামে মোঃ হালিম (৬০) শিক্ষক নামে
আমাদের দোহার থানায় একটা জিডি করেন তার মোবাইল হারানো নিয়ে। তখন থেকে আমরা তার মোবাইল উদ্ধার করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাই। তারিধারাবিকতায় আজকে আমরা প্রযুক্তি মধ্যেমে তার মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করতে সক্ষম হই। তবে এতে কোন লোক আমরা ধরতে পারি নাই। যে ব্যক্তি মোবাইলটি নিয়েছে সে মোবাইলটি অন্য স্থানে রেখে পালিয়ে যায়। পরে আমাদের ওসি স্যার মোস্তফা কামাল তার হাতে মোবাইল ফোনটি তুলে দেন।

হারিয়ে যাওয়া এক মাস পর মোবাইল হাতে পেয়ে দোহার থানা ওসি মোস্তফা কামাল ও এসআই মোঃ রবিউল ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতাসহ পুলিশের সেবা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মোঃ হালিম।

নবাবগঞ্জে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে উপজেলা প্রশাসন

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ১জুলাই সকাল ৬.০০ ঘটিকা হতে ৭জুলাই ২০২১ খ্রি. তারিখ মধ্যরাত পর্যন্ত) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত নির্দেশনা বাস্তবায়নে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন মাঠে নামে।

কার্যক্রম তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব এইচ. এম. সালাউদ্দীন মনজু। এসময় তিনি বলেন, উপজেলা প্রশাসনের অভিযান চলছে। ঘরে থাকুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, করোনা মোকাবেলায় সহযোগিতা করুন।অপ্রয়োজনে কেউ ঘরের বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন। নিজে সুস্থ থাকুন এবং অপরকে সুস্থ রাখতে সহযোগিতা করুন। সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি কমিশনার (ভূমি) জনাব অরুন কৃষ্ণ পাল, নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব সিরাজুল ইসলাম শেখ সহ নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ, আনছার, সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ (বিজিবি) এর সদস্যগণ।

দোহারে লকডাউনের প্রথম দিনে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি

দোহারে কঠোর লকডাউন পালিত হচ্ছে। দোহার উপজেলা প্রশাসন সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক লকডাউন কার্যকরীভাবে বাস্তবায়নে মাঠে রয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে লকডাউনের প্রথমদিনে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। মুকসুদপুর থেকে বাহ্রাঘাট এলাকা পর্যন্ত টহল দিচ্ছে, দোহার উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাজারে হাট বসে। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ মাহমুদ নাঈম নিজে মাইকিং করেছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনা-কাটা করার জন্য। সকাল ৬টা থেকে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশকে অবস্থান নিতে দেখা যায়। এসময়ে সবজির বাজার দ্রুত ফাঁকা হয়ে যায়। পুলিশের টহল গাড়ীসহ লকডাউনের টহল দিতে দেখা যায়।

জয়পাড়া বাজারে ক্রেতাদের ভিড় তেমনটা দেখা যায়নি। কঠোর লকডাউনের প্রথম দিনে দোহার থানা প্রশাসন মাঠে নেমেছে। তদারকি করছে মানুষের গতিবিধি। অকারণে কেউ বাইরে যেন বের না হয় সেজন্য তারা অনেক রিক্সা ও ইজিবাইক যাত্রীদের জিজ্ঞেসা করছেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে দেখা গেছে অনেককে।
তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করতে যারা বাজারে যাচ্ছেন তাদের বাঁধা দেয়া হচ্ছে না। মেঘুলা বাজারের বেশিরভাগ দোকান বন্ধ রয়েছে। শুধু ঔষধের দোকান ও কাঁচামালের দোকান খোলা রয়েছে।সকল রাস্তা ফাঁকা ছিল।

এসময় কার্যক্রম তদারকি করেন দোহার উপজেলার নির্বাহী অফিসার এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ।এসময় তিনি বলেন, উপজেলা প্রশাসনের অভিযান চলছে। ঘরে থাকুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, করোনা মোকাবেলায় সহযোগিতা করুন।অপ্রয়োজনে কেউ ঘরের বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন। নিজে সুস্থ থাকুন এবং অপরকে সুস্থ রাখতে সহযোগিতা করুন। সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এসময় লকডাউন পালনে কঠোর অবস্থানে মাঠে ছিলেন,দোহার উপজেলার সহকারি কমিশনা( ভূমি)জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র,দোহার থানা পুলিশ ফোর্স সহ আনসার বাহিনী।

দোহারের পর্যটন শিল্প বিকাশে পর্যটন বোর্ডের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে বুধবার সাড়ে ১১টায় জুমের মাধ্যমে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী পর্যটন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। দোহারের পর্যটন শিল্প বিকাশে পর্যটন বোর্ডের এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পর্যটন শিল্প বিকাশে স্থানীয় মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দোহার উপজেলায় গ্রামীণ উন্নয়নে পর্যটন’ শীর্ষক অনলাইন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী দোহার উপজেলা। কৃষি ও প্রবাসী অধ্যুষিত উপজেলায় রয়েছে ঐতিহাসিক নিদর্শন ও স্থাপনা। ঢাকার নিকটবর্তী পদ্মা ও আড়িয়াল বিলসংলগ্ন দোহারে সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠতে পারে পর্যটন শিল্প এলাকা হিসেবে। এমনটাই প্রত্যাশা এ অঞ্চলের মানুষগুলোর। সঠিক সহযোগিতা পেলে দোহার হয়ে উঠবে পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময়ী শিল্প।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) জাবেদ আহমেদ। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এফএম ফিরোজ মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উপ-পরিচালক (সিনিয়র সহকারী সচিব) ইসরাত জাহান কেয়ার সঞ্চালনায় দোহার উপজেলার থেকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং দোহার প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা মো. আলমগীর হোসেন। এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, উপ-পরিচালক ডা. আবুল কাশেম মোহাম্মদ কবীর, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফজলুল হক, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদ আলী আহসান খোকন শিকদার,দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, দোহার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সাংবাদিক ও শিক্ষকবৃন্দ প্রমুখ।

অনলাইন কর্মশালায় বক্তারা বলেন, স্থানীয় উন্নয়নে পর্যটনকে সম্পৃক্তকরণ ও পর্যটন মহা পরিকল্পনা হিসেবে সারাদেশের ৬৪টি জেলায় এ কর্মশালার আওতায় অপার সম্ভাবনাময়ী ঢাকার দোহার উপজেলার পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে আজকের এই কর্মশালা। এ অনলাইন কর্মশালা সিরিজের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের পর্যটন অংশীদারদের সঙ্গে পর্যটন উন্নয়নে করণীয় বিষয়ে মতবি কর্মপরিকল্পনা শেয়ার করার সুযোগ তৈরি হবে।

”নবাবগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ (টিএসসি) স্হাপন” শীর্ষক প্রকল্পের ভবনসহ ও অন্যান্য অবকাঠোর নির্মাণ কাজ শুরু

দোহার-নবাবগঞ্জের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান উদ্যোগে নবাবগঞ্জের যন্ত্রাইলে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক মান সম্পন্ন “নবাবগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ।” জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সারাদেশে ১০০টি উপজেলায় ১টি করে কারিগরি স্কুল ও কলেজ নির্মাণের অনুমোদন দেয়। শীর্ষক প্রকল্পটি তারই আওতাভূক্ত।

ভৌগোলিক বিচারে, আঞ্চলিক,দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদার প্রেক্ষাপটে এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এবং সেই সাথে নবাবগঞ্জকে মডেল উপজেলায় উন্নীত করতে সালমান এফ রহমানের ব্যাপক কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে এ মেগা প্রকল্পটি।
এই টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কারগরী শিক্ষার সুযোগ পাবে এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা। ফলে একদিকে যেমন এই অঞ্চলে বাড়বে কারিগরি দক্ষ মানুষের ঠিক একই ভাবে এই অঞ্চলে তৈরি হবে নতুন নতুন উদ্যাক্তার। ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে এই অঞ্চলের মানুষেরা। দোহার ও নবাবগঞ্জকে সারা বাংলাদেশের মডেল উপজেলা হিসাবে পরিচয় করিয়ে দিতে সালমান এফ রহমান একের পর এক প্রকল্প হাতে নিচ্ছেন। তার দুরদর্শী পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন অতি দ্রুত এই দুই উপজেলাকে যে মডেল উপজেলায় রুপান্তরিত করবে সেটা নিশ্চিত ভাবে বলাই যায়।

নবাবগঞ্জে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আতংকে প্রশাসন ও চিকিৎসক বৃন্দ

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। করোনা মহামারিতে প্রতিদিনই বৃধি পাচ্ছে এই উপজেলার রোগীর সংখ্যা।  এ ভাবে করোনা বৃদ্ধি হওয়ার কারনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মকর্তা বৃন্দ।

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা ২৭ জুন সোমবার নতুন করে ১২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। এই ১২ জনের আক্রান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা, হরগোবিন্দ সরকার অনুপ। তিন জানান, গত ২৭ জুন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা পাঠালে, সেখান থেকে ১২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। নতুন আক্রান্ত এ ১২ জন নিয়ে এই উপজেলায় মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১১৩৬ জন। করোনায় মৃত্যু হয়েছে একনারীসহ ১৯ জন। নতুন আক্রান্ত এবং তাদের স্বজনদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ প্রদাণ করা হয়েছে। সেই সাথে তাদের চিকিৎসাসহ সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ্যা প্রহণ করা হয়েছে।

এর ফলে প্রচন্ড রকমের স্বাস্থ্যঝুকি নিয়ে নবাগঞ্জ উপজেলায় কাজ করছেন সরকারি কর্মকর্তারা। তারা একদিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে যেমন আতংকিত ঠিক একইভাবে সরকারি কাজও তারা করে যাচ্ছেন নিরলশ ভাবে।