সড়কে ঘুরে ঘুরে মাহবুবুর রহমানের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

দোহারে ঢাকা জেলা পরিষদের পক্ষ হতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দোহার উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ঘুরে এসব স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহবুবুর রহমান।

মাহবুবুর রহমান news39.net কে বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। আমার নিজ উপজেলার জনসাধারণ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীর অভাবে ভুগবে, সেটা আমি মানতে পারি না। তাই, সকাল থেকে ঢাকা জেলা পরিষদের পক্ষ হতে ৫০ জননের মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ করেছি। এতে রয়েছে একটি হ্যান্ড স্যানিটাইজার, একটি সাবান, দুটি মাস্ক এবং একটি তরল স্যাভলন।

তিনি বলেন, দোহার প্রশাসনকেও ২০টি স্বাস্থ্যসেবা প্যাকেট দিয়েছি।তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই কারণ করোনার শুরু থেকে তারা মাঠে পর্যায়ে কঠোর পরিশ্রম করে চলেছে। ঢাকার প্রতেকটি উপজেলায় ৫০০টি স্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবার প্যাকেট শীঘ্রই বিতরণ করা হবে।

দোহারে করোনায় নতুন সনাক্ত ৪১, হার ৬৬%, মৃত্যু ১

শরিফ হাসান, news39.net: দোহারে উপজেলায় করোনা সনাক্তকরণ আশংকাজনক পর্যায়ে রয়েছে। যেখানে জাতীয়ভাবে করোনা সনাক্তকরণ হার ৩১%, সেখানে দোহারে সনাক্তের হার ৬৬%। বুধবার নতুন করে আরও ৪১ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন।এ নিয়ে উপজেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯৮২ জনে। এদিকে বুধবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে করোনা আক্রান্ত পশ্চিম চরের আব্দুল ওহাব মারা গিয়েছেন।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার (৬ জুলাই) পাঠানো ৬২ টি নমুনা থেকে ৪১ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সনাক্তের হার ৬৬% ।

আক্রান্তরা দোহার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

এ নিয়ে উপজেলায় এ পর্যন্ত মোট সুস্থ্য হয়েছেন ৭৭৫ জন। এ পর্যন্ত মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৫৭৯৫ জনের। এর মধ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৮২ জন।এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ১৬ জন।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: জসিম উদ্দিন বলেন, দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন করানোভাইরাস পরীক্ষার জন্যে নমুনা নেওয়া হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রান পেতে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। একইসাথে টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

দোহারে মসজিদ ও মন্দিরে সরকারি অনুদান প্রদান

আল-আমিন ও শরিফ হাসান, news39.net: দোহারে বুধবার সকালে উপজেলা সভাকক্ষে ধর্ম মন্ত্রনালয় হতে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপির অনুকূলে প্রদত্ত দোহার উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরের অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। দোহার উপজেলার ১৭টি মসজিদ ও ৪টি মন্দিরে ১০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।
দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম ফিরোজ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, বর্তমানে করোনা মহামারি অতিমারি আকার ধারন করেছে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এজন্য মসজিদগুলোতে বিশেষ করে ঈমামরা মুসল্লিদের সতর্ক করবেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অনুদান প্রাপ্ত মসজিদ ও মন্দির কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ আরও অনেকে।

দোহারে করোনায় একজনের মৃত্যু

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ঢাকার দোহার উপজেলার নারিশা পশ্চিমচর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল ওহাব (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি নারিশা পশ্চিমচর এলাকার মৃত বাছের মাদবরের মেঝু ছেলে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বুধবার (০৭ জুলাই) সকালে তিনি দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন, তার ছোট ভাই মুক্তিযোদ্ধা জনতার সম্প্রীতি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. ইব্রাহীম খলিল সবুজ।

তিনি জানান, আব্দুল ওহাব করোনা আক্রান্ত হবার পর নিজ বাড়িতেই হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। আজ (বুধবার) সকালে তার হঠাৎ শ্বাস কষ্ট দেখা দিলে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। আর সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। আজ বাদ জোহর জানাজা শেষে উপজেলার নারিশা কবরস্থানে আব্দুল ওহাবের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে

দোহারে পাঁচ জাল কারখানায় পুলিশের অভিযান

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাজারে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত নিষিদ্ধ ‘চায়না দোয়ারি’ তৈরির পাঁচটি কারখানায় একযোগে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে নৌ পুলিশের একটি বিশেষ দল। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন নৌ পুলিশের এডিশনাল আইজি আতিকুল ইসলাম।  এসময় কারখানাগুলো থেকে ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার মূল্যের জাল জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) মঙ্গলবার বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত উপজেলার লটাখোলা নতুন বাজার ও জয়পাড়া বাজারের পাঁচটি কারখানায় অভিযান চালায় নৌ-পুলিশ। অভিযানে নৌ পুলিশ ও পুলিশের শতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন। রাত আটটার দিকে জব্দকৃত জালগুলো ট্রাকে তোলা হলে এসময় কারাখানাগুলোর শ্রমিকরা পুলিশের উপর চড়াও হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তাদের কয়েকদফা ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

দোহারে পাঁচ জাল কারখানায় পুলিশের অভিযান

জয়পাড়া বাজারে ‘চায়না দোয়ারি’ কারখানা মালিক দোলোয়ার হোসেন মাঝি ও লটাখোলা নতুন বাজারের কারখানা মালিক আরিফ হোসেনের দাবি, এ জাল ইলিশ, জাটকা বা দেশি প্রজাতির মাছ ধ্বংস করে না। তাছাড়া এ জাল তৈরি অবৈধ এমন কোন আইনি নির্দেশনা তাদের জানা নেই। তারা বলেন, এ কারখানাগুলোর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

নৌ পুলিশের ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার খন্দকার ফরিদুল ইসলাম জানান, লটাখোলা নতুন বাজারে তিনটি ও জয়পাড়া বাজারে দুটি কারখানায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১ হাজার ২৫০ বস্তা জাল জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

দোহারে পাঁচ জাল কারখানায় পুলিশের অভিযান

নৌ-পুলিশের এডিশনাল আইজি আতিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন যাবত এ ধরণের জাল দিয়ে মাছ ধরার ফলে আমাদের মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযানের ফলে কারেন্ট জাল এখন কমে গেছে। কিন্ত ‘চায়না ধোয়াইর’ একটি নতুন প্রযুক্তি। এটা ব্যবহারের ফলে মাছের পোনা থেকে শুরু করে ডিমও ধ্বংস হচ্ছে। যে কারণে আইনে এ ধরণের জাল ব্যবহার নিষিদ্ধ আছে। দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরণের অভিযান চলমান থাকবে।

দোহারে পাঁচ জাল কারখানায় পুলিশের অভিযান

মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ দোহার পৌরবাসী

দীর্ঘ দিন ধরে বৃষ্টি আর এই বৃষ্টি শেষ হতে না হতেই  মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন দোহার পৌরবাসী। স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও মশার উপদ্রব বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন । বৃষ্টির পানিতে বদ্ধ জলাশয় ও ড্রেনের আবর্জনার স্তূপ ঠিক মতো পরিষ্কার না করায় কিউলেক্স মশার রাজত্ব চলছে।  দিনরাত মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে পরছে দোহার পৌরবাসী। বাসাবাড়ি-কর্মস্থল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সবখানেই মশার দাপট, কোথাও নিস্তার পাওয়া যাচ্ছে না মশার হাত থেকে।

প্রায় প্রতি দিনই বৃষ্টি হওয়ার কারনে  বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকার জন্য  কিউলেক্স ও ডেঙ্গু  মশার প্রজননের খুবই উপযোগী সময় এখন । আবহাওয়ার কারণে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারী, মার্চে  কিউলেক্স মশা এবং জুন ও জুলাই মাসে বাড়ে ডেঙ্গু । এ সময় বদ্ধ জলাশয়, কাভার্ড ড্রেন, বক্সকালভার্ট, প্লাস্টিক বর্জ্য ও ডাবের খোসায় জমে থাকা পানিতে কিউলেক্স মশার বংশবিস্তার ঘটছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে,দোহার পৌরসভার বিভিন্ন ওয়াডে সড়কের আশপাশে যত্রতত্র উন্মুক্ত অবস্থায়  ময়লা-আর্বজনার স্তুপ। সময়মতো রাস্তাঘাট ও খোলা জায়গা থেকে ময়লা তুলে না নেওয়ায় বাড়ছে মশার উৎপাত। দিন নেই,রাত নেই চলছে এদের অত্যাচার। বাসাবাড়ি, অফিস, খেলা মাঠসহ সর্বত্রই মশার উপদ্রব। মশা অত্যাচার বাদ যাচ্ছে না হাসপাতালগুলোও। মশার উৎপাত এত বেশী যে কয়েল, স্প্রে বা মশা মারার ব্যাট কোন কিছুই কাজ হচ্ছে না। মশার অত্যাচার অতিষ্ঠ জনগণ। তেমনি বাড়ছে মশা বাহিত রোগের ঝুঁকিও। গতবছর  আশঙ্কাজনকভাবে দেখা দিয়েছিল চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব। মশা নিয়ন্ত্রন করতে না পারলে করোনার সাথে এই ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে জনমনে বিরাজ করছে আতঙ্ক।

দক্ষিন জয়পাড়া রাসেল বলেন, কার্যকারী পদক্ষেপের অভাবে দোহার পৌরসভায়  মশার উপদ্রব অনেক বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবে কাজ করা যাচ্ছে না। কয়েল জ্বালিয়ে বা অ্যারোসল স্প্রে করেও রেহাই পাচ্ছি না। রাত বা সন্ধ্যায়ই নয়, দিনের বেলায়ও এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে মশা নিধনে কতৃপক্ষের  কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। আর তাছাড়া ধীর্ঘ দিন বৃষ্টির কারণে যেনে মশা আরো বেশি বেড়েছে। একেকেটা মশা যেন মনে হয় বল্লার মত বড়।

স্থানীয় বাসিন্দা ফারজানা বেগম বলেন, সন্ধ্যার আগেই বাসার দরজা-জানালা বন্ধ করা হয়। তার পরও মশার কামড় থেকে রক্ষা নেই। ছেলেমেয়েরা লোকডাউনে তেমন পড়তে বসে না যদিও বসে তাও আবার মশার কামড়ে উঠে যায়। রান্নাঘরে কাজ করতে গেলে কানের মধ্যে ভোঁ ভোঁ করে মশা। রাতে  মশারি টানিয়েও রেহাই পাওয়া যায় না।মশা মারতে কয়েল, স্প্রে, বৈদ্যুতিক ব্যাট সবই কিনেছি, কিন্তু তাতেও মশার উপদ্রব থেমে রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে পৌরসভার পক্ষ থেকে যে ওষুধ দেয় তাতে তো মশা মরে না, খালি ধোঁয়া হয়। এভাবে নামমাত্র স্প্রে না করে মশা মারার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ আরও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবে এটাই প্রত্যাশা।

এ বিষয় ৩নং ওয়ার্ডে বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, মশার তীব্র যন্ত্রনায় খুবই বিরক্তিকর অবস্থায় সবাই, ঘরের আনাচে কানাচে মশা দিয়ে ভর্তি, জানালা খুললেই ঢুকছে ঝাঁকে ঝাঁকে মশা। জানালায় থাই ফ্রেমের নেট থাকা অবস্থায় মশা আসতেছে। সন্ধ্যার পরেতো কথাই নাই। প্রত্যেক ঘরে কয়েল, এরসল দিয়েও শান্তি নাই। সদর দরজার বাইরেও দিতে হচ্ছে কয়েল, যাতে পরিবারের কোন সদস্যের সাথে মশা না ঢুকে পড়ে। আরো আছে মশা বাহিত রোগের ভয়। এতো এতো ভয়, যন্ত্রণার এর কোন সমাধান নেই। আমি দেখছি না পৌরসভা থেকে মশা নিধনের কোন ব্যবস্থা। এতে করে আমাদের জনজীবন আছে হুমকির মুখে। তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্শন করছি তারা যেন এই সমস্যার একটা সমাধান করেন।

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা মোঃ আবুল গনি বলেন, দেশে লকডাউন চলতেছে। তাই বাহিরে যেতে পারিনা  আবার অন্য দিকে ঘরে থেকে মশার কামড় খেতে হয়। মশা গুলো যেন বল্লারমত একেকটা বড় বড় কয়েল বা স্পের দিয়েও কাজ হয় না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দোহার পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান বলেন ,১৭ মার্চ থেকে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে  আমরা পৌরসভার প্রতিটি ওর্য়াডে কাউন্সিলরদেরকে অবহিত করে মশা নিধনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমরা বর্তমানে চারটি ফগার মেশিন ও তিনটি স্পে দিয়ে মশা নিধনের কাজ করছি। আমরা এই কর্মসূচি মাস ব্যাপি করেছি এবং পর্যায়ক্রমে আমরা এই মশা নিধনের কার্যক্রম বছর ব্যাপি করবো সেই প্লানিং করেছি। আর এখন যেহেতু বৃষ্টির মৌসুম বৃষ্টি হচ্ছে তার জন্য আমার মশার নিধনের কাজ বন্ধ রেখেছি। কারন বৃষ্টিতে মশার ঔষধ কাজ করে না। বৃষ্টি কমলে আমরা আবার মশা নিধনের কাজ শুরু করবো আবার এখন লকডাউন চলতেছে আমাদের কাছে যে ঔষধ ছিল তা শেষ হয়ে গিয়েছে। লকডাউন শেষ হলে দোকান খুললে আমরা ঔষধ এনে পূর্নরায় নিধনের কাজ চালু করবো।

দোহারে লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে ৩১জনকে অর্থদণ্ড

ঢাকার দোহার উপজেলায় কঠোর লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে সরকার ঘোষিত লকডাউনের নির্দেশনা অমান্য করায় ৩১ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (০৬ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফএম ফিরোজ মাহমুদ নাঈম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র এ অভিযান পরিচালনা করেন।

এসময় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় ৩১ জনকে ৬ হাজার ৬শত টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফএম ফিরোজ মাহমুদ নাঈম বলেন, সরকার ঘোষিত লকডাউনের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। লকডাউনের বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাই আপনারা ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দোহার থানা ওসি মোস্তফা কামাল,সেনাবাহিনী, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

দোহারে এডিসি’র ভূমি অফিস পরিদর্শন

সোমবার (৫ জুলাই) সকালে দোহার উপজেলার ইউনিয়নসমূহের ভূমি অফিস ও দুইটি নির্মাণাধীন ভূমি অফিসের চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এডিসি (রাজস্ব) ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি। বিশেষ করে মুকসুদপুর ও নয়াবাড়ি ইউনিয়নের নির্মাণাধীন ভূমি অফিসের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এডিসি(রাজস্ব) ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি।

পরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হিসেবে দোহার উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এফ.এম ফিরোজ মাহমুদ নাঈম, দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রসহ সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।

দোহারে ৪র্থদিন সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ২৪ জনকে অর্থদণ্ড

ঢাকার দোহার উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় ২৪ টি মামলায় ২৪ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণআদালত।
রবিবার(৪ জুলাই) সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের ৩য় দিনে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার( ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করেন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য ও স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ২৪ জনকে ২৪টি মামলায় পাঁচ হাজার ৭০০ শত টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এসময়ে দোহার থানার পুলিশ সদস্যগণ, সেনাবাহিনী সদস্যগণ, বিজিবি সদস্যগণ এবং উপজেলা আনসার সদস্যগণ অভিযানে সহযোগিতা করেন।
দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র জানান, লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

করোনা সনাক্ত হারঃ দোহারে ৪৮%, নবাবগঞ্জে ৫০%

ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় আশংকাজনক হারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। শনিবারের নমুনায় দোহারে সনাক্তের হার প্রায় ৪৮% এবং নবাবগঞ্জে ৫০%। ইতঃমধ্যে নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা ফোকাল পার্সন ডাঃ হরগোবিন্দ সরকার অনুপ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

দোহার উপজেলায় নতুন করে আরও ১৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দোহার উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৯২৯ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ১৫ জন। দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন করোনা শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রবিবার(৪ জুলাই) দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন news39.net কে জানান, গত ৩ জুলাই ঢাকায় পাঠানো ৪৭ জনের নমুনা থেকে নতুন করে আরও ১৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়া ১৯ জনের চিকিৎসা-সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে আক্রান্তর স্বজনদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে নির্দেশ দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ নিয়ে দোহার উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৯২৯ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ১৫ জন।
নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৩রা জুলাই ৪৪ জনের মধ্যে থেকে মোট আক্রান্ত ২২ জন। এই নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২১১ জন।