দৈনিক সকালের সময় থেকে শুভেচ্ছা স্মারক পেলেন আল-আমিন

২৮ শে ফেব্রুয়ারী দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী প্যান-ফ্যাসিপিক সোনারগাঁও হোটেলে উদযাপিত হয়েছে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে। দৈনিক সকালের সময়ের সম্পাদক মোঃ নূর হাকিম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড.দীপু মনি। আরো উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল এম পি, মাননীয় তথ্য সচিব মোঃ মকবুল হোসেন সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দিন ব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠান মালায় আলোচনা সভা,কেক কেটে ৬ষ্ঠ বর্ষ বরণ, সংগীতানুষ্ঠান, বস্তুনিষ্ঠ তথ্য নির্ভর সংবাদ, লেখনিতে অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর ও দৈনিক সকালের সময় পরিবারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ২০২১ সালের বর্ষসেরা সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।

এ বছর বিশেষ কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা প্রতিনিধি মোঃআল-আমিন হোসাইন কে বর্ষসেরা সাংবাদিক-২০২১, শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান ও পুরস্কৃত করা হয়।

শুভেচ্ছা স্মারক পেয়ে সাংবাদিক মোঃআল-আমিন হোসাইন বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত, অভিভূত। অনুষ্ঠানে মাধ্যমে সম্পাদক সহ প্রধান অতিথি হাত থেকে পুরস্কারটি নিতে পেরে। সংক্ষিপ্ত সময়ে এ অর্জন আমার কাছে স্বপ্নের মতো। আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সম্পাদক মহোদয় সহ, সকালের সময় পরিবারের সকলের প্রতি এবং দোহার উপজেলার সকল সাংবাদিক ভাই ও আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি, যারা সব সময় আমার পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন। আমি সত্য এবং নিষ্ঠার প্রতি অনুগত থেকে কাজ করে যাবো ও আগামীতে কাজ করতে সকল সহকর্মীর সহযোগিতা আশা করি।

দোহার উপজেলায় এডিবি অর্থায়নে সেলাই মেশিন বিতরণ

ঢাকার দোহার উপজেলায় ৪৫ জন নারীকে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে। দোহার উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন তহবিল (এডিবি) অর্থায়নে সোমবার বিকালে উপজেলার চেয়ারম্যানের বাসভবন প্রাঙ্গনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়।

দোহার উপজেলায় চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন উপস্থিত থেকে এ সেলাই মেশিন বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান সুজাহার বেপারী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা ইসলাম বীথী, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, নয়াবাড়ি ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান তৈয়ব রহমান তরুণ প্রমুখ।

সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানের উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, এর আগে আমাদের প্রতেকটি ইউনিয়ন পরিষদের সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। আজকে আমরা ৪৫ জনকে সেলাই মেশিন প্রদান করবো।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দরিদ্র নারীদের ভাগ্য উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের ভিশন হচ্ছে দেশের প্রতিটি জনপদে কোন নারীকে অবহেলায় থাকতে দেওয়া হবে না। তারাও নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে সেজন্য বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তেমনিভাবে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সমাজে নানাভাবে পিছিয়ে থাকা অচ্ছল ও দুস্থ নারীদের ভাগ্য উন্নয়নে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

নবাবগঞ্জে মহাকবি কায়কোবাদের জন্মদিন পালিত; বেদখলে বসতভিটা উদ্ধারের দাবি

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় কায়কোবাদের ১৬৫তম জন্মদিন উপলক্ষে নানা আয়োজনে তাকে স্মরণ করা হয়েছে। মহাকবি কায়কোবাদের ১৬৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকার নবাবগঞ্জে শুক্রবার সন্ধ্যায় আগলা চৌকিঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় নানা আয়োজনে কবিকে স্মরণ করেন বক্তারা।

আলোচনা সভায় বক্তারা কবির নিজ গ্রাম নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়ায় বেদখল হওয়া বসতভিটা উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদ ঢাকা-১ সালমান এফ রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরে মহাকবির জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহাকবি কায়কোবাদ স্মৃতি পরিষদের সভাপতি নাজিম আল কোরাইশী। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ সিরাজুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে, মোঃ সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, বাংলাদেশ যতদিন আছে, তার নামও থাকবে ততদিন এবং তার যে কাব্য কবিতা লেখা সেই লেখা দেশের অনেক কল্যান মূল্যক কজে এসেছে।

পরে বক্তব্য রাখেন কলাকোপা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব ইব্রাহিম খলিল। তার বক্তব্য তিনি বলেন, দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলার গৌরব যে আমাদের একজন মহাকবি রয়েছে। কিন্তু আজ এই প্রোগ্রাম দেখে খুব কষ্ট লাগে এই ভেবে যে এত সুন্দর একটা প্রোগ্রামে দুই চারজন নেই কোন আগলা বাশি। আমি মনে করি এই কবিকে অপেক্ষা করে অনেকে অনেক বড় হয়েছে, কিন্তু ভূলে গেছে কবির স্মৃতি। কবির স্মৃতি ধরে রাখতে কবির নামে করা হয়েছে কায়কোবাদ সেতু, কায়কোবাদ গেইট, কায়কোবাদ চত্বর।

তিনি আরো বলেন, আমাদের মাসিক সমনয় সভায় আলোচনা করবো কায়কোবাদের জমি কি ভাবে উদ্ধার করা যায়। আমি ঢাকা-১ আসনের সংসদ সালমান ফজলুর রহমানের সাথে কথা বলবো এই বিষয় নিয়ে।

মহাকবি কায়কোবাদ স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীনের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, ঢাকা মিল্লাত উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক গাজী বখতিয়ার হোসেন শ্যামল, মহাকবি কায়কোবাদ স্মৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আরশাদ আলী, মো. আজাদ প্রমুখ।

সাভারে প্রতিবন্ধী বৃদ্ধা নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

সাভারে আম্বিয়া বেগম (৭৫) নামের এক প্রতিবন্ধী বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ভরারী বটতলা এলাকার তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আম্বিয়া বেগম ওই এলাকার মৃত আব্দুল লতিফ খাঁনের মেয়ে। সে তার নিজ বাড়িতে ভাই সালাউদ্দিনের সাথে বসবাস করতো।

এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, বাক প্রতিবন্ধী ওই নারী নিজ বাড়িতে ভাইয়ের সাথে বসবাস করতো। পরে সকালে ফ্ল্যাটের ভিতরে তার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পায় বাড়ির লোকজন। তখন সাভার মডেল থানা পুলিশকে খবর দেয় তারা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আইয়ুব আলী জানান, ওই নারীর গলাকাটা মরদেহের খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি মনে করেন, বিষয়টি তদন্ত করলে তার মৃত্যুর রহস্য উৎঘাটন হতে পারে।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ট্যানারি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এস আই) জাহিদুল ইসলাম বলেন, নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মৃত্যুর বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এখনো কাউকে আটক করা হয়নি। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ধারলো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

দোহারে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল ছাত্রী নিহত

ঢাকার দোহার উপজেলায় ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় বন্যা আক্তার (১৭) নামে এক স্কুল ছাত্রী নিহত হয়েছে। রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের ডাকবাংলো এলাকায় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে।  নিহত বন্যা উপজেলার নুরপুর এলাকার মো. আবুল কালামের মেয়ে। সে বেগম আয়েশা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকালে বন্যা তার বন্ধু সোহাগের সাথে মোটরসাইকেল যোগে নারিশা ইউনিয়নের ডাকবাংলো এলাকায় ঘুরতে যায়। সেখানেই মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাড়ির গেটের সাথে ধাক্কা লেগে দুজনেই গুরুতর আহত হয়। পরে আহত অবস্থায় সোহাগ তাকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বন্যাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে প্রেরণ করেন। আর সেখানেই তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে নিহতের পরিবার থানায় কোনো অভিযোগ করেননি। পরে পারিবারিকভাবে স্থানীয় একটি কবরস্থানে বন্যার লাশ দাফন করা হয়।

রেলিং ভাঙা, স্ল্যাবে গর্ত; সেতুতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

0

ঢাকার দোহার উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের ডায়ের গজারিয়া গ্রামে খালের ওপর সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ। ঝুঁকি নিয়েই ছোট-বড় এলাকার হাজারো মানুষ সেতুটি দিয়ে যাতায়াত করে। মাঝেমধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা। সেতুটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ঢাকা-দোহার-শ্রীনগর সড়কের মুকসুদপুর পদ্মা কলেজ থেকে সড়কটি শুরু হয়ে আল-আমীন বাজার হয়ে নিকড়া এলাকার জয়পাড়া-গালিমপুর-টিকরপুর সড়কের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। ১৯৮৯ সালে ডায়ারকুমের খালের ওপর এলজিইডি সেতুটি নির্মাণ করে। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ব্রিজের দুই পাশের সড়কটির সংস্কার কাজ করা হয় কিন্তু ব্রিজটি মেরামত করা হয়নি। এরপর থেকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট দফতরে জানানো হলেও সেতুটি মেরামতে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। ডায়ারকুম গ্রামের রতন চোকদার বলেন, সেতুটি খুবই জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে আছে। ইতোমধ্যে সেতুটির দুই পাশের রেলিংও ভেঙে গেছে। গতবছর সেতুর মাঝের অংশের পলেস্তারা খসে যাওয়া চলাচল বন্ধ ছিল। পরে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মেরামত করা হয়। এক সপ্তাহ আগে আবার সেতুর মাঝের কিছু অংশের পলেস্তারা ধসে পড়ে। পরে আমরা এলাকাবাসী ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে দেই। তাতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ছোট যানবাহন।

পার্শ্ববর্তী বোয়ালী গ্রামের গৃহবধূ শিউলী আক্তার বলেন, কয়েক বছরে বর্ষা মৌসুমে পদ্মা নদীর সঙ্গে যুক্ত ডায়ারকুম খালের স্রোতে সড়কটির এ অংশের গাইড ওয়াল ভেঙে সড়কের একপাশ ভেঙে যায়। এখন সেতুটির অবস্থাও নাজুক। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে পথচারীরা।

ঐ এলাকার কৃষক মাসুদ রানা বলেন, সুতারপাড়া গ্রাম থেকে আমরা কয়েকজন কৃষক আরিয়াল বিলে ঘাস কাটতে আসি। এখান দিয়ে গেলে আল্লাহকে স্মরণ করি। ব্রিজটা ভেঙে গেলে পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হবে।

ঐ এলাকার আরেক ব্যক্তি চান মোল্লা (৫৫) বলেন, এই ব্রিজটা খুবই ঝুঁকি মধ্যে রয়েছে। কয়েক বার ভেঙ্গেও গিয়েছে। পাশের রেলিংও ভেঙ্গে গিয়েছে। এই সেতুটি ঝুঁকির মধ্যে দিয়েই আমরা চালাচল করি না জানি কোন সময় ভেঙ্গে পরে যায় সেই চিন্তায় থাকি যাওয়া সময়। এই ব্রিজটি দিয়ে আমাদের চেয়ারম্যান যায়না এমন কোন দিন মনে হয় নাই। তবুও তিনি এটি মেরামত করতেছে না। এই ব্রিজটি পরিবর্তে অন্য একটা ব্রিজ করার কথা ছিল কিন্তু সেটও বন্ধ হয়ে আছে।

এবিষয়ে, মোঃ সুরুজ বেপারী(ভারপ্রাপ্ত) ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ব্রিজটি আগেও একবার ভেঙ্গেছে এলাকাবাসী ঠিক করেছে। গতকাল আমাকে এলাকার লোক বলেছে ব্রিজটার এক পাশ ভেঙ্গে গিয়েছে। আমি বলেছি আমি গিয়ে দেখবো তবে এখন শুনেছি সেটি না আবার তারা টিক করেছে। পাশের ব্রিজের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, করেয়ে বার লোক এসেছে এসে মেপেও নিয়ে গিয়েছে কিন্তু কেন হচ্ছে না সেটা আমিও জানি না। তবে মনে হয় এটা একটা বড় পজেক্ট সে সময় দেরি হচ্ছে। তবে আমি কয়েকদিনের মধ্যে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার এর সাথে কথা বলবো এ বিষয়ে তারপর দেখি করি করা যায়।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর মুন্সীগঞ্জ রেঞ্জের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী ফাহিম রহমান খান  বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা আছে। এ সড়ক ও সেতুর সমস্যা সমাধানে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

জবির শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

0

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থী নিজ বিভাগের শিক্ষক আবু শাহেদ ইমনের বিরুদ্ধে হয়রানি ও মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছেন ২০১৭-১৮ সেশনের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী ফারজানা।  বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে দাড়িয়ে  বিচার দাবি করেন ঐ শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীর অভিযোগ ২০১৯ সালের ৮ নভেম্বর শিক্ষক জনাব আবু শাহেদ ইমন নিকতনের নিজ বাসায় অবস্থিত ব্যক্তিগত অফিস কার্যালয়ে তাকে ডেকে নিয়ে ফ্রেন্ডশিপের প্রস্তাব দেয়। তাকে শারীরিকভাবে নিগৃহীত করেন।

ফারজানার আরো জানায় শিক্ষক আবু শাহেদ ইমন তার শরীরে হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বলেন, আমাকে দেখে তোমার কি কখনও কিছু অনুভব হয়নি?  তিনি নানা ভাবে তার যৌন তাড়না প্রকাশ করে বলতে থাকেন ভয় পেয়ো না। এখানে কেউ দেখতে পাবে না, কেউ শুনতেও পাবে না। উনার আচরণে আমি ভয় পেয়ে যাই এবং তৎক্ষণাৎ আমার চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াতেই আবারও আমাকে জোরপূর্বক শক্ত করে জড়িয়ে ধরেন। আমাকে তার সাথে নোংরা কাজে লিপ্ত হওয়ার প্রস্তাব দিয়ে জোর করার চেষ্টা করেন । আমি চিৎকার করে বলতে থাকি স্যার আপনি যা চাচ্ছেন আমি তা চাচ্ছিনা। আমি তেমন মেয়ে না।  আমি পুলিশ ডাকার ভয় দেখালে তিনি আমাকে ছাড়তে বাধ্য হোন।

ফারজানা  নিউজ৩৯ কে জানান, “আমি তার পরের দিন এক সহপাঠীসহ বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে এই ঘটনা জানাই। তিনি জানান উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়া বিচার করা সম্ভব না। উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া উপাচার্য বরাবর অভিযোগ করলে তা প্রমাণ করতে না পারলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে ছাত্রত্ব বাতিল হতে পারে।”

এই শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন তাকে পরবর্তীতে ক্লাসে লাঞ্চনা, এসাইনমেন্ট ও উপস্থিতিতে বৈষম্যের স্বীকার এবং পরীক্ষার স্বল্প মার্কসের ঘটনা ঘটলে ফারজানা উপাচার্যের কাছে এই বিষয়ে বিচারের জন্যে লিখিত অভিযোগ করেন। তার অভিযোগ অন্যান্য সহপাঠীদের প্রলোভন দেখিয়ে এবং ভয় দেখিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়। এমনকি যৌন হয়রানির অভিযোগ সেলেও ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নেয়া হয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে। সুপরিচিত  হিসেবে পরিচিত এই শিক্ষক প্রশাসনের আস্থাভাজন হওয়ায় বিভাগীয় চেয়ারম্যান এই বিষয়ে কোন উদ্যোগ নেয়নি। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদেরকেও সংবাদ না করার চাপ দেয়া হয়। বিচার না পেয়ে শিক্ষার্থী ফেসবুকে প্রতিকার চেয়ে পোষ্ট দেয়।    একাই এই শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করতে দাঁড়ান।

কুলসুম বেগম শ্রেষ্ঠ জয়িতা রত্নগর্ভা মা নির্বাচিত

0

ঢাকা দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের মালিকান্দা গ্রামের কুলসুম বেগমের জীবনের গল্পটা অন্যদের থেকে একটু আলাদা। একজন নারী হয়ে সমাজ সচেতনতা ও সন্তানদের লেখাপড়ার প্রতি তিনি ছিলেন সচেতন। সাংসারিক কাজের পাশাপাশি সন্তানদের লেখাপড়া শিখিয়ে করেছেন সুশিক্ষিত। তাই স্বীকৃতি মিলেছে রত্নগর্ভা মায়ের। তার জন্ম ঢাকার দোহার উপজেলার মালিকান্দা গ্রামের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে। পরিবারের সিদ্ধান্তে কিশোরী ১৪ বছর বয়সে বিয়ে হয় তার। বিয়ের কারণে সংসারের হাল ধরতে বন্ধ হয়ে যায় তার লেখাপড়া। শিক্ষা ছাড়া মুক্তি নাই-এ কথা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন তিনি। সেজন্যই সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করেছেন তিনি।

তার স্বামী দোহার উপজেলার সুতারপাড়া এলাকার আইয়ুব আলী চৌকদার। তারা গৃহস্থ পরিবার। জমিজমা, ফসল এসব নিয়ে থাকতে হয় বারো মাস। কিশোরী কুলসুম বেগমকেও সব সামলাতে হয়। ঘরসংসারের পাশাপাশি সন্তানদের লেখাপড়ার কথাও ভাবতেন তিনি। তার স্বামী সন্তানদের কৃষিকাজ করতে বলতেন আর কুলসুম ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চাইতেন। এ নিয়েও সংসারে অশান্তি চলতো।

এ বিষয়ে কুলসুম বেগম বলেন, যে গ্রামে আমার  বিয়ে হয় সেসময় সেখানে কোনো মসজিদ, মাদ্রাসা ও স্কুল ছিল না। সেসময় আমি ভাবতাম যে কি ভাবে  সন্তানদের মানুষ করব। একপর্যায়ে নিজের গহনা বিক্রি করে মালিকান্দা এলাকায় জমি কিনে বাড়ি করে বসবাস শুরু করি। সন্তানদের ভর্তি করিয়ে দিই বাড়ির কাছের স্কুলে। বাড়িতে কৃষাণ কৃষাণী আর পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রতিদিন ১০ কেজি চালের ভাত রান্না করেছি। মানুষের কষ্ট সহ্য করতে পারি না, যেসময় শুনেছি কারও ঘরে খাবার নেই সেসময় আমি খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আবার টাকার জন্য লেখাপড়া করতে পারছেন না তাদেরকেও আমি সহযোগিতা করেছি। নিজের সন্তানদের মতো এলাকার শিশুদেরও দেখার চেষ্টা করেছি। ঘর গৃহস্থালির কাজ সামলিয়ে এলাকার শিশুদের কথাও চিন্তা বাবনা করেছি। সে জন্য বিনা পয়সায় বাড়িতে মক্তবে কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। এলাকার শিশুদের স্কুলে পাঠানোর জন্য তাগিদ দিয়েছি। যাতে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয় কেউ।

ওই সময়ে পুঁথি পাঠের প্রচলন ছিল। তাই কুলসুম বেগম পুঁথি পাঠে পারদর্শী ছিলেন। সন্ধ্যার পর বাড়ির উঠোনে পুঁথি পাঠের আসর বসাতেন। গাজী কালু চম্পাবতী, বিষাদ সিন্ধু ও রঙিন রূপবানের মতো জনপ্রিয় সব কাহিনি পড়ে শুনিয়ে মানুষকে আনন্দ দিতেন। পুঁথি পাঠে শ্রোতা ছিলেন এলাকার নারী-পুরুষেরা।

বড় ছেলে আবুল বাশার ঢাকার তেজগাঁও পলিটেকনিক্যালে সুযোগ পায়। কৃষিকাজের ব্যাঘাত ঘটবে বলে তার স্বামী ছেলেকে ভর্তি করাবে না। কিন্তু মায়ের (কুলসুম বেগম) প্রবল আগ্রহ ছেলেকে কলেজে ভর্তি করাবে। অবশেষে নিজের জমানো টাকা-পয়সা ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কুলসুম বেগম ছেলেকে ভর্তি করান। গোপনে ছেলের জন্য চাল সরিয়ে রেখে হোস্টেলে পাঠাতেন। সেখান থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে চাকরি হয় আবুল বাশারের। পরে নতুন চাকরি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলে যান। এভাবে ৭ সন্তানকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন কুলসুম বেগম। সন্তানদের মধ্যে বড় ছেলে আবুল বাশার সিভিল ইঞ্জিনিয়ার (অবসরপ্রাপ্ত), বাবুল চৌকদার ব্যবসায়ী, আব্দুল আওলাদ হোসাইন এমদাদ আলী উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক, এমারত হোসেন পদ্মা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক, কবিরুল বাশার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও ছোট ছেলে শিমুল বাশার ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের চিফ রিপোর্টার হিসাবে কর্মরত এবং একমাত্র মেয়ে কহিনুর বেগম স্বামী-সংসার নিয়ে সুখেই দিন কাটাচ্ছেন। সংগ্রামী এ নারী কুলসুম বেগমের হাতে ১ ফেব্রুয়ারি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জয়িতা রত্নগর্ভা মা (সফল জননী) হিসাবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। ২০১৯ সালেও কুলসুম বেগম ঢাকার দোহার উপজেলার শ্রেষ্ঠ জয়িতা রত্নগর্ভা মা নির্বাচিত হন।

আজ দোহারে কোভিড ভ্যাক্সিনের আওতায় আনা হবে ৫০৮৯০ জনকে

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২ তারিখে ‘এক দিনে এক কোটি’ কোভিড ভ্যাক্সিন দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেই লক্ষে দোহার উপজেলায় ভ্যাক্সিন দেয়া হবে ৫০৮৯০ জনকে। দোহার উপজেলাইয় এই ভ্যাক্সিন দেয়ার কথা নিশ্চিত করেছে দোহার উপজেলা প্রশাসন।

এই গন ভ্যাক্সিন প্রদান কর্মসূচির সফল করার জন্য ২৬ ফেব্রুয়ারি দোহার উপজেলার ভ্যাকসিন গ্রহন ১০০% নিশ্চিত করার জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাঝে ১২ বছরের উর্ধ্বে সকল নাগরিক প্রথম গ্রহণ ১০০% নিশ্চিত করতে বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করা হবে। আর এটি প্রত্যেক কর্মী বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করে প্রথম ডোজ প্রদান করার ব্যবস্থা করবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তথ্য মতে এখনো দোহারে ৫০৮৯০ জন (12 বছর ঊর্ধ্ব সকল নাগরিক) প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণ করেননি। তাই সকল নাগরিককে টিকার আওতায় আনতে হবে। ১২-১৭ সকল কিশোর কিশোরী কে জন্ম নিবন্ধন অথবা মোবাইল নাম্বার দিয়ে ফাইজার ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। প্রতি ইউনিয়নে সাড়ে পাঁচ হাজার লোক (১২ বছর ঊর্ধ্ব সকল নাগরিক) ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ প্রদান করা হবে। আগামী ২৫ শে ফেব্রুয়ারি সকল ইউনিয়ন পরিষদে সকাল ৮-১২টা পর্যন্ত সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকাল ৮-১২ টা পর্যন্ত ফাইজার ও সিনোভ্যাক ভেকসিন ১ম ডোজ প্রদান করা হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারি মধ্যে দোহার উপজেলায় বারো বছর ঊর্ধ্বে ৫০৮৯০ জন নাগরিককে প্রথম ডোজ প্রদান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। টিকা প্রদান করার জন্য অ্যাম্বুলেন্সের এসি ব্যবহার করে ফাইজার ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। টিকা প্রদান কালীন সময়ে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সটি সংশ্লিষ্ট টিকাকেন্দ্রে নিয়োজিত থাকবে বিধায় এ সময়ে সাধারণ রোগী পরিবহন করা সম্ভব হবে না।

দোহারের কুতুবপুর পুলিশ ফাঁড়ির শ্রেষ্ঠ ইনচার্জ নির্বাচিত

0

ঢাকার জেলার দোহার উপজেলার কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মো. শামছুল আলমকে ও এএসআই মো. জসিম উদ্দিনকে ঢাকা অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে বিশেষ অবদান রাখার পাশাপাশি পদ্মা নদীর দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী নৌ ডাকাত গ্রেফতার ও মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের মধ্যে ব্যপক সচেতনতা তৈরিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসাব এ পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়।

ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় অতিরিক্ত ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম বিপিএম (বার) পিপিএম (বার) ও ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খন্দকার ফরিদুল ইসলামের হাত থেকে মো. শামছুল আলম ও মো. জসিম উদ্দিন ক্রেস্ট ও পুরষ্কার গ্রহণ করেন।

সেসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সুলাইমান মিয়া, সহকারী পুলিশ সুপার হাসান ইনামসহ ঢাকা অঞ্চলের পুলিশের উধ্বর্তন কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ।
সম্মাননা স্মারক গ্রহণের পর কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মো. শামছুল আলম ও এএসআই মো. জসিম উদ্দিন সবার কাছে নিজের জন্য দোয়া চান এবং পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। কর্মক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তার এ প্রাপ্তিতে পেশাদারিত্ব ও কর্ম উদ্দীপনা আরও বাড়িয়ে দিবে বলপ তারা মনে করেন। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় আমার এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে এজন্য সকলের দোয়া ও সহায়তা এবং পাশাপাশি নৌ-অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।