দোহারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৩২০০০ টাকা জরিমানা

ঢাকার দোহার উপজেলায় জয়পাড়া বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে জয়পাড়া বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রয় ও মূল্য তালিকা প্রদর্শিত না থাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৩৮ ও ৪০ ধারা অনুযায়ী ৬ টি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩২,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়াও, আয়োজনের মোড় এবং রতন চত্বর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ১৪ জন মোটরসাইকেল আরোহীকে ৭,৭০০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ফজলে রাব্বি সে সময় তিনি বলেন,
যে সময় মোটরসাইকেল আরোহী প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি তাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে। এবং অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রয় ও মূল্য তালিকা প্রদর্শিত না থাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৩৮ ও ৪০ ধারা অনুযায়ী ৬ টি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩২,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে সহোযোগিতা করেন দোহার থান পুলিশ।

দেড় বছর আগের হত্যা মামলার মূল আসামি জাকির ২ দিনের রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টারঃ মোটর সাইকেল চালক হত্যা মামলার মূল আসামি ঢাকার নবাবগঞ্জের নয়নশ্রী ইউনিয়নের আফজাল নগরের মৃত শফি উদ্দীনের ছেলে জাকির হোসেনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। শনিবার পিবিআই চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করেন। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পিবিআই এর উপ পরিদর্শক মো. ইমরান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে শুক্রবার মধ্য রাতে নিজ বাসা থেকে জাকিরকে পিবিআই’র একটি টিম আটক করে।
পিবিআই এর উপ পরিদর্শক মো. ইমরান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত জাকির এই মামলার এজাহার নামীয় ২ নম্বর আসামি। মামলার এজাহার অনুযায়ী গ্রেপ্তারকৃত আসামি খাদ্য দ্রব্যর সায়থে নেশা জাতীয় কিছু খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগের অনুসন্ধানে তার নিজ বাসা থেকে আটক করে।
২০২০ সালের ১লা অক্টোবর নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের চর সৈল্যা এলাকার মোটরসাইকেল চালক মো. জাকিরকে (৪৫) পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরিবারের সদস্যদের দাবি তাকে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে চর শৈল্যার জাকিরের নেতৃত্বে হত্যা করা হয়। জাকির ওই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। নিহতের পিতা বলেন, আমার ছেলেকে ফোনে কল করেন স্থানীয় সফিক । ফোন পেয়ে আমার ছেলে মোটরসাইকেল নিয়ে রওনা দেন সফিকের বাড়ির দিকে। কিছুক্ষণ পর ছেলের মুঠোফোনে কল দিলে আর সংযোগ পাইনি। পরে বিকালে ওয়ার্ড মেম্বার আমাকে জানান, জাকির অসুস্থ অবস্থায় শফিকুলের বাড়িতে পড়ে আছে। আমি গিয়ে জাকিরকে শফিকের ঘরের সামনে পড়ে থাকতে দেখতে পাই। আরো দেখতে পাই তার শরীরে বালু মাখানো ছিল। পরে শফিকুলের বোন ঘরের দরজা খুলে জাকিরের শার্ট এবং মোটরসাইকেলের চাবি দেয় আমাকে।
নিহতের ঘটনায় ২০২০ সালে পুরান তুইতালের মো. রহিমের ছেলে শফিক (৪০) ও আফজাল নগরের মৃত শফি উদ্দিনের ছেলে মো. জাকির (৪২) সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামি করে নিহতের স্ত্রী মোকসেদা বেগম নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে আসামি শফিক মোবাইল ফোনে জাকিরকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর জাকিরকে নেশা জাতীয় বিষাক্ত দ্রব্য পান করিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় বসত ঘরের সামনে ফেলে রাখে। বিকেলে শফিকের প্রতিবেশী সজীব তালুকদার নিহতের পিতা আবুল কালামকে শফিকের বাড়িতে ডেকে নেন। এসময় আবুল কালাম সন্তানকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য উপস্থিত জুয়েল মাস্টার ও মামলার আসামি জাকিরকে সাহায্যের জন্য অনেক অনুরোধ করেন। কিন্ত তারা সাহায্য না করে উল্টো নিহতের পিতাকে হুমকি ধামকি দিয়ে তার কাছ থেকে একটি কাগজে স্বাক্ষর রাখেন। এরপর ১লা অক্টোবর ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড) চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাকির মারা যান।

আবারও দোহারে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু

নাদিম মাহমুদ, আশিকুল গাজী, নিউজ৩৯ঃ দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের সওজের ডাকবাংলোর সামনে একটি মোটরসাইকেল ও আরাম গণপরিবহনের সাথে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম আনোয়ার হোসেন (৫৫), পিতা- বান্দু বেপারী, বাড়ি – মুকসুদপুর।

সংর্ঘষের পর বাইক চালক আনোয়ার হোসেনকে দ্রুত ফুলতলা আবদুল রাজ্জাক হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আরাম পরিবহনের ড্রাইভার সুজন শেখ(২৮)কে আটক করা হয়েছে।

এবিষয়ে ফুলতলা ফাঁড়ির ইনর্চাজ জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার দুপুরে ডাকবাংলো রোডে আরাম পরিবহনের সাথে পালসার ব্র‍্যান্ডের বাইকের সাথে সংর্ঘষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাইকচালক আনোয়ার হোসেন (৫৫) মারা যায়। আমরা বাসের ড্রাইভার সুজন খানকে আটক করেছি।

মামালার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দোহারে সুন্দরবন কুরিয়ার থেকে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পার্সেল পাঠানো যাচ্ছে

0

দোহারে সুন্দরবন কুরিয়ারের শাখা থেকে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পার্সেল বা পণ্য পাঠানো যাচ্ছে। এই সেবাটিকে “কন্ডিশন” সার্ভিস বলা হয়। গত বছর অক্টোবরের ১ তারিখে সুন্দরবন কুরিয়ার দোহারের লটাখোলার করম আলীর মোড়ে নিজস্ব অফিস চালু করলেও শুরুতে সব সেবা ছিল না। ২০২২ সালে ১ ফেব্রুয়ারিতে দোহার শাখায় কন্ডিশন সার্ভিস চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দোহার শাখার ইনচার্জ আব্দুল মতিন।

কন্ডিশন সার্ভিস হল এক ধরণের ক্যাশ অন ডেলিভারি সার্ভিস যে পদ্ধতিতে অনলাইন শপগুলোর ক্রেতা কুরিয়ার অফিসে মূল্য প্রদান করে পার্সেল/পণ্য গ্রহণ করতে পারে। সুন্দরবন কুরিয়ার জেলা শহরগুলোতে একই চার্জে হোম ডেলিভারি দিচ্ছে।

গত ২০২০ সালে করোনাভাইরাস প্রকোপের পর থেকে সারা দেশে অনলাইন শপ বা ই-কমার্সে জোয়ার আসে। দোহার ও নবাবগঞ্জে বেশ কিছু উদ্যোক্তা অনলাইনে পণ্য বিক্রি শুরু করেন, কিন্তু শুরুতেই তারা ডেলিভারি সমস্যায় পড়েন। দোহার থেকে ঢাকা সহ সারা দেশে পণ্য পাঠানোর কোনো সহজ ব্যবস্থা ছিল না। এজেন্ট অফিসগুলো কন্ডিশনে পণ্য পাঠাতে পারে না, উপরন্তু নিয়মিত সেবাগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত চার্জ নিত। ২০২১ সালে সুন্দরবন কুরিয়ার নিজে অফিস খুললে ডেলিভারি সমস্যা কিছুটা কমে। আর এখন ক্যাশ অন ডেলিভারিতে দোহার-নবাবগঞ্জের ব্যবসায়ীরা পণ্য পাঠাতে পারবেন।

অপর দিকে স্থানীয় ক্রেতারা কন্ডিশনে পণ্য আনতে পারবেন, এতো দিন সুন্দরবনে পণ্য আনতে সম্পূর্ণ মূল্য অগ্রীম দিতে হত।

সারা দেশে সুন্দরবনের ১১৮টির বেশি শাখায় কন্ডিশনে পার্সেল পাঠানো যায়। ই-কমার্স পার্সেলের চার্জ ১৩০ টাকা (বর্তমানে ৩০ টাকা ডিসকাউন্ট চলছে), ও ৩০০০ টাকা মূল্যের পার্সেল পর্যন্ত কোনো বাড়তি চার্জ নেই, এর পর প্রথম হাজারে ২০ টাকা ও তার পর প্রতি হাজারে ১০ টাকা চার্জ নেবে।

মোটরসাইকেল চালক হত্যার দেড় বছর পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

নবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবাবগঞ্জের মোটর সাইকেল চালক হত্যা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেন ওরফে জঙ্গি জাকিরকে আটক করেছে পিবিআই। শুক্রবার মধ্য রাতে নিজ বাসা থেকে জাকিরকে পিটিআই’র একটি টিম আটক করেছে।
নিহত মোটর সাইকেল চালকের ছেলে মো. হৃদয় হোসেন বলেন, আমরা জানতে পেরেছি আজ রাতে পিবিআই আমার পিতার হত্যাকারী জাকিরকে আটক করেছে।
এর আগে ২০২০ সালের ২রা অক্টোবর নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের চর সৈল্যা এলাকার মোটরসাইকেল চালক মো. জাকিরকে (৪৫) পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরিবারের সদস্যদের দাবি তাকে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে চর শৈল্যার জাকিরের নেতৃত্বে হত্যা করা হয়। জাকির ওই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। নিহতের পিতা বলেন, আমার ছেলেকে ফোনে কল করেন স্থানীয় সফিক । ফোন পেয়ে আমার ছেলে মোটরসাইকেল নিয়ে রওনা দেন সফিকের বাড়ির দিকে। কিছুক্ষণ পর ছেলের মুঠোফোনে কল দিলে আর সংযোগ পাইনি। পরে বিকালে ওয়ার্ড মেম্বার আমাকে জানান, জাকির অসুস্থ অবস্থায় শফিকুলের বাড়িতে পড়ে আছে। আমি গিয়ে জাকিরকে শফিকের ঘরের সামনে পড়ে থাকতে দেখতে পাই। আরো দেখতে পাই তার শরীরে বালু মাখানো ছিল। পরে শফিকুলের বোন ঘরের দরজা খুলে জাকিরের শার্ট এবং মোটরসাইকেলের চাবি দেয় আমাকে।
নিহতের ঘটনায় ২০২০ সালপ পুরান তুইতালের মো. রহিমের ছেলে শফিক (৪০) ও আফজাল নগরের মৃত শফি উদ্দিনের ছেলে মো. জাকির (৪২) সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামি করে নিহতের স্ত্রী মোকসেদা বেগম নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে আসামি শফিক মোবাইল ফোনে জাকিরকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর জাকিরকে নেশা জাতীয় বিষাক্ত দ্রব্য পান করিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় বসত ঘরের সামনে ফেলে রাখে। বিকেলে শফিকের প্রতিবেশী সজীব তালুকদার নিহতের পিতা আবুল কালামকে শফিকের বাড়িতে ডেকে নেন। এসময় আবুল কালাম সন্তানকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য উপস্থিত জুয়েল মাস্টার ও মামলার আসামি জাকিরকে সাহায্যের জন্য অনেক অনুরোধ করেন। কিন্ত তারা সাহায্য না করে উল্টো নিহতের পিতাকে হুমকি ধামকি দিয়ে তার কাছ থেকে একটি কাগজে স্বাক্ষর রাখেন। এরপর ১লা অক্টোবর ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড) চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাকির মারা যান।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দোহার -নবাবগঞ্জের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

এম এইচ জয়, জবি প্রতিনিধি, news39.net: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের দোহার-নবাবগঞ্জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিলো দোহার-নবাবগঞ্জ ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

মংগলবার সকালে কেক কেটে এবং ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেয়া হয়। এসময় নবীন বরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দোহার-নবাবগঞ্জ ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি মিথুন হোসেন জয় এবং সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সরকার সবুজ।

ছাত্রকল্যাণের সভাপতি মিথুন হোসেন জয় নবীনদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের সাথে মিলেমিশে চলবে। তোমাদের প্রথম কাজই পড়াশোনা করা। বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মানুষকে চেনা। নিজেকে বিশ্বমানের মানুষরুপে করে তোলা।

সাধারণ সম্পাদক সবুজ বলেন, তোমারা বড়দের সম্মান করবে, দেখবে তারাই তোমাকে পথ দেখিয়ে দিবে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র কল্যাণের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান।

তিনি বলেন, তোমাদেরকে বড় হতে হবে। যে কোনো প্রয়োজনে সিনিয়রা তোমাদের পাশে আছে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নুর আলম, সৌরভ, সবুজ, কানিজ,আহাদ,নিলয়,সাবিহা,তুহিন,এশা,নুর,সাব্বির প্রমুখ।

দোহারে শ্বশুর বাড়িতে জামাইয়ের আত্মহত্যার অভিযোগ

শরিফ হাসান, স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: দোহার উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর বাড়িতে স্বামীর আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। স্বামীর নাম সোহাগ খান(২২)। বাবার নাম পলাশ খান। বাড়ী মানিকগঞ্জ জেলার সিংড়া উপজেলার আরমাড়া গ্রামে। তার স্ত্রীর নাম মুন আক্তার, বয়স ১৭। তার পিতার নাম মান্নান শেখ আর মাতা সাজেদা বেগম। মুকসুদপুর ইউনিয়নের পদ্মা কলেজ সংলগ্ন শান্তি নগরে তাদের বাসা।

ছেলের মা আন্না জানান, দুই থেকে আড়াই মাস পূর্বে সোহাগ খানের সাথে আমার ছেলে প্রেম করে বিয়ে করে মুনকে। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই বিয়ে মেনে নেয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই পরিবারের মাঝে পারিবারিক কলহ ছিলো। সোহাগ সোমবার পারিবারিক কলহের জেরে বিকেলে সাড়ে চারটায় মুনের বাবার বাড়ীতে ফ্যানের সাথে ফাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে শুনে আমরা চলে আসি।

মুনের মা সাজেদা বেগম জানান, ফ্যান থেকে সোহাগের ঝুলন্ত দেহ মুন ও আমি নামিয়ে দ্রুত ফুলতলা আবদুল রাজ্জাক হাসপাতালে নিলে, সেখান থেকে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেয়। এখানে আনা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

সোহাগের পরিবারের অভিযোগ, মুন বিভিন্ন ছেলের সাথে মোবাইলে কথা এবং চ্যাটিং করতো। এটা নিয়ে দুজনের মাঝে প্রায়ই কলহ হতো। তারই প্রেক্ষিতে এরকম ঘটনা ঘটতে পারে বলে তাদের আশংকা।

এই ব্যাপারে দোহার থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শন মোঃ শফিউল্লাহ জানান, ছেলে পক্ষ অভিযোগ করলে আমরা ব্যবস্থা নিব। আমরা প্রাথমিক ধারণা করছি সে গলায় দাড়ি দিয়েছে। আমরা ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকায় প্রেরণ করবো।

আড়িয়াল বিল শুধু বর্ষায় নয়; শুষ্ক মৌসুমেও মন কাড়ে

ধারণা করা হয়, অতি প্রাচীন কালে এ স্থানে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গমস্থল ছিল। পরবর্তিতে উভয় নদীর প্রবাহ পরিবর্তনের ফলে এই স্থান শুষ্ক হয়ে বিলে পরিণত হয়। এটি মূলত ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জ জেলার বর্ডারে অবস্থিত । যেটি আড়িয়াল বিল হিসেবে পরিচিত। এই বিলের সান্নিধ্যে গেলে কিছুটা হলেও ঋতুময় বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। বিলটি বেশিরভাগ সময় শুষ্ক থাকে। শীতকালে নানা ধরনের সবজির চাষ হয়। দেশের সবচেয়ে বড় জাতের মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয় এ বিলের মাটিতেই। গ্রীষ্মকালে চাষ করা হয় ধান। চারদিকে সবুজ ধানের চারা। ধানের পরিচর্যায় কৃষকের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। নিড়ানি, সার দেয়ার কাজ চলে সন্ধ্যা অবধি। একটু পর পর কৃষকের কন্ঠে গানের সুর। সে এক অন্য রকম অনুভূতি। বর্ষা এলে এর রূপ বদলে যায়। চারপাশে থৈ থৈ করে জলরাশি। ফুটে ওঠে রাশি রাশি শাপলা। বর্ষা এলেই আড়িয়াল বিল মূলত পরিপূর্ণতা পায়।

শুক্রবার ছুটির দিনে কৃষকের খোঁজে গিয়েছিলাম আরিয়ালবিলে। কথা হলো কর্ম ব্যস্ত কৃষকের সঙ্গে। সামনে আসছে বৃষ্টির মৌসুম। কৃষক বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন। বৃষ্টিতে মাঝ মধ্যেই হয় বজ্রপাত। জীবন বাঁচাতে বৃষ্টিতে কাজ করতে নিষেধ করা হয় তাদেরকে। সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টোর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের নানা সচেতনতা কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।

কৃষক বিলের কিছু অংশ আমাকে ঘুড়িয়ে দেখালেন। এক ঘন্টার মতো সময় কাটালাম। নজর কারা মন মাতানো সবুজ শ্যামল দৃশ্য। বিলের দিকে তাকালে সবুজ আর সবুজ। চোখ জুড়িয়ে যাবে। যারা জমির আইল দিয়ে হাঁটতে পারেন তারা হেটে বহুদূর যেতে পারেন।

এ সময় দেখতে পাবেন বাতাসে ফসলি জমির তরঙ্গ। এ এক অন্য রকম দৃশ্য। সন্ধ্যায় দেখতে পাবেন সূর্যাস্ত। মনে হবে সূর্য যেন পাশের গ্রামে লুকাচ্ছে।

ঢাকা থেকে প্রায় ৪২ কিলোমিটার দক্ষিণে মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্গত শ্রীনগর উপজেলায় অবস্থিত আড়িয়াল বিল। এর আয়তন ১৩৬ বর্গ কিলোমিটার।

রাজধানীর গুলিস্তান থেকে মাওয়াগামী যে কোনো বাসে চড়ে সিরাজদিখানে নামতে হবে। এরপর শ্রীনগরের হাসারা হয়ে আলমপুর হয়ে একটু সামনেই আড়িয়াল বিল।

লেখকঃ রাশিম মোল্লা
প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক
সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডাস্টোর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম

দোহারের হাবিব বিন আনোয়ারের “নীলাদ্রি নীলের আঁচল” বই একুশে বই মেলায়

এবার বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে দোহারের হাবিব বিন আনোয়ারের “নীলাদ্রি নীলের আঁচল” নামে বইটি। দোহারের লেখক হাবিব বিন আনোয়ারের বই নীলাদ্রি নীলের আঁচল প্রকাশিত হয়েছে একুশে বই মেলা – ২০২২ এ। একুশে বই মেলার ১৩৬ নং স্টল নবসাহিত্য স্টল থেকে পাঠকেরা বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া, ২০২২ সালের কলকাতা বইমেলায় থেকেও বইটি প্রকাশিত হয়েছে।

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মৌড়া গ্রামে হাবিব বিন আনোয়ার, পিতা মরহুম মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও মাতা মরহুমা আয়েশা খাতুন। তার জন্ম ১৯৮১ সালের ১৫ মে। তিনি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পরিবারে চার ভাই, দুই বোনের মধ্যে তিনি সর্ব কনিষ্ঠ। ব্যক্তি জীবনে তিনি বিবাহিত তার এক ছেলে ও এক মেয়ের আছে। তাঁর স্ত্রী (রুবিনা ইয়াছমিন) একজন সনামধন্য হাইস্কুলের শিক্ষিকা। হাবিব শিক্ষা জীবন ঐতিহ্য বাহি সরকারি মাদরাসা আলিয়া ঢাকা থেকে হাদিস বিভাগে কৃতত্বের সাথে কামিল পাশ করেন। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি এ (অনার্স) এম এ ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশা শিক্ষকতা( উপাধ্যক্ষ), সাহিত্যের প্রতি ভালবাসা থেকেই তিনি লেখালেখি করেন। তিনি ১৯৯০ সাল থেকে স্থানীয় এবং জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিভিন্ন বিভাগে গল্প, ফিচার, ছড়া, কবিতা লেখালেখি করে আসছেন। তাঁর এ পর্যন্ত তিনটি যৌথ কাব্য গ্রন্থ যথা ডাক বাংলা কাব্য কুঞ্জ,মানবতার দাবি এবং বিরহ গ্রন্থ বেড়িয়েছে। ২০২২ সালে অমর একুশে বই মেলা কলকাতা থেকে যৌথ কাব্য গ্রন্থ শব্দের ফেরিঘাট বের হচ্ছে। তিনি দুই বাংলার সনামধন্য সাহিত্য পরিষদ “পশ্চিম বঙ্গ সাহিত্য পরিষদ, সর্ব ভারতীয় সাহিত্য পরিষদ, ডাক বাংলা সাহিত্য একাডেমি, সাহিত্য বন্ধন আলোর পথে যাত্রা, আন্তর্জাতিক কবি সাহিত্য পরিষদ, শিকড় সাহিত্য পরিষদ, বিশ্ব সাহিত্য পরিষদ, আন্তর্জাতিক সাহিত্য অঙ্গন, দর্পণ সাহিত্য পরিষদ, বিশ্ব সাহিত্য ও সংস্কৃতি উদ্যান, বঙ্গসাহিত্য পত্রিকা,দুর্নিবার সাহিত্য পরিষদ, ময়ূরাক্ষী সাহিত্য পরিষদ, অচিন পুর এক্সপ্রেস, বনানী বাংলা সাহিত্য পরিষদসহ অসংখ্য সাহিত্য পরিষদ থেকে সেরা কবি ও লেখক হিসেবে সনদ পেয়েছেন। একাধারে তিনি নতুন প্রজন্মের উদীয়মান কবি, সাহিত্যিক, সাহিত্যপ্রেমী ও ছড়াকার। তাঁর একক কাব্যগ্রন্থের পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকটি কাব্য গ্রন্থ প্রকাশের পথে ও কাজ চলমানের অপেক্ষায় আছে। সে জন্য তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

দোহারে শামীম হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

ঢাকার দোহার উপজেলার বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শামীম হত্যাকান্ডের বিচার ও হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।

১লা মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাহ্রাঘাটে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করে নয়াবাড়ি এলাকাবাসীর সর্বস্তরের জনগন। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল করে খুনিদের ফাঁসি দাবি করেন তারা। এদিকে ঘটনার পর থেকে হত্যাকান্ডে জড়িতরা এলাকা থেকে পালিয়েছে বলেও তারা জানান।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, নুরুল্লাপুর মেলায় তুচ্ছ ঘটনার জেরে শামীমকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। যারা এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। হত্যার ন্যায় বিচার না পেলে সমাজে অপরাধ বেড়ে যাবে। এসময় তারা শামীমের হত্যাকারিদের দ্রুত গ্রেফতার করে ও ফাঁসির দাবি জানান। নিহত শামীম নয়াবাড়ি ইউনিয়নের আন্তার চক এলাকার ইয়ার আলীর ছেলে।

জানা যায়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারী উপজেলার নুরুল্লাপুর বার্ষিক ওরসের বাঁশ নাচানোকে কেন্দ্র করে কার্তিকপুর এলাকার সোহরারের ছেলে আলীর কথা কাটাকাটি হয় শামীমের। ঐ ঘটনার জেরে পরের দিন আলী ও রাতুল সহযোগিদের নিয়ে শামীমের উপর হামলা করে হাতুড়ি পেটা ও ছুরিকাঘাত করে। গুরুত্বর আহত শামীমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আই,সি,ইউতে ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শনিবার দুপুরে মারা যায়। এ ঘটনায় দোহার থানায় ছয়জনের নামে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে দোহার থানা (ওসি) মোস্তফা কামাল।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাখাওয়াৎ হোসেন নান্নু, নয়াবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বিল্লাল হোসেন, সাবেক সাধারন সম্পাদক শহিদ খান, মনির হোসেন ভূইয়া, জাতীয়পার্টি নেতা ডাঃ আলাউদ্দিন আল আজাদ, নিহতের বাবা-মা, আত্মীয় স্বজন সহ নয়াবাড়ি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগন।