দোহারের কুতুবপুর পুলিশ ফাঁড়ির শ্রেষ্ঠ ইনচার্জ নির্বাচিত

0

ঢাকার জেলার দোহার উপজেলার কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মো. শামছুল আলমকে ও এএসআই মো. জসিম উদ্দিনকে ঢাকা অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে বিশেষ অবদান রাখার পাশাপাশি পদ্মা নদীর দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী নৌ ডাকাত গ্রেফতার ও মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের মধ্যে ব্যপক সচেতনতা তৈরিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসাব এ পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়।

ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় অতিরিক্ত ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম বিপিএম (বার) পিপিএম (বার) ও ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খন্দকার ফরিদুল ইসলামের হাত থেকে মো. শামছুল আলম ও মো. জসিম উদ্দিন ক্রেস্ট ও পুরষ্কার গ্রহণ করেন।

সেসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সুলাইমান মিয়া, সহকারী পুলিশ সুপার হাসান ইনামসহ ঢাকা অঞ্চলের পুলিশের উধ্বর্তন কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ।
সম্মাননা স্মারক গ্রহণের পর কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মো. শামছুল আলম ও এএসআই মো. জসিম উদ্দিন সবার কাছে নিজের জন্য দোয়া চান এবং পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। কর্মক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তার এ প্রাপ্তিতে পেশাদারিত্ব ও কর্ম উদ্দীপনা আরও বাড়িয়ে দিবে বলপ তারা মনে করেন। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় আমার এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে এজন্য সকলের দোয়া ও সহায়তা এবং পাশাপাশি নৌ-অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

বিকাশে সেরা হলেন দোহার উপজেলা এজেণ্ট ওমর

0

শরিফ হাসান ও মোঃ আল-আমিন, স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: বিকাশ লিমিটেডের স্টার এজেন্ট ক্যাম্পেইনে ঢাকা দক্ষিণে সামগ্রিকভাবে বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিচারে সেরা হয়েছেন ঢাকার দোহারের মোঃ ওমর। তিনি দোহার-নবাবগঞ্জের ডিস্ট্রিবিউশন হাউজ এমএস প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে এজেণ্ট সেবা নিয়ে থাকেন।
সেরার পুরস্কার হিসেবে সারাদেশে ১০ জন এজেন্টকে মোটরসাইকেল উপহার দেয়া হয়। এই উপহার প্রদানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মেহেদী আরিফ, বিকাশের এরিয়া ম্যানেজার সাদেকুল মাজিদ, টেরিটরি ম্যানেজার মোঃ শাহজাহানসহ আরও অনেকে। একইসাথে এজেন্ট মোঃ ওমরকে একটি ছবির ফ্রেমও উপহার দেন বিকাশ লিমিটেড।

মাসুম মিয়া গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার কাঠালীঘাটা গ্রামে “ বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুম মিয়া গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ”এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে । শুক্রবার বিকালে কাঠালীঘাটা মাসুম মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী ম্যাচে দুটি দল অংশগ্রহণ করে কাটাখালি যুব সংঘ বনাম রেইনবো ক্রিকেট একাদশ (তুইতাল)।

উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীম হোসেন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ.এম.সালাউদ্দিন মঞ্জু।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন রাজু আহমেদ রাজিব এবং সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন জয়পাড়া ডিগ্রি কলেজের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান শান্ত।

উক্ত খেলায় ১৩৫ রান এর টার্গেট এ ৪ রান ব্যাবধানে কাটাখালি যুব সংঘকে হারিয়ে,রেইনবো ক্রিকেটএকাদশ (তুইতাল)’ দলটি জয়লাভ করেন।

সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সহকারি কমিশনার (ভুমি) ফজলে রাব্বি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, মোঃ সোহরাব উদ্দিন, নুরুল হক, গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, রনি মিয়া, মোঃ ডাঃ বোরহান উদ্দিন, একলাল উদ্দিন আহমেদ, মজিবর রহমান বেপারী, মোঃ রজ্জব আলী মোল্লা,আমজাদ হোসেন, এছাড়াও দোহার নবাবগঞ্জের আরো অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিগর্গ উপস্থিত ছিলেন।

দোহার নবাবগঞ্জের ১৮ ইউপি চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণ

ষষ্ঠ ধাপে নির্বাচিত ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৮ জন ইউপি চেয়ারম্যান গতকাল বৃহস্পতিবার শপথ নিয়েছেন। এর মধ্যে চুড়াইন ইউপির চেয়ারম্যান জলিল ব্যাপারী হাসপাতালে ভর্তি থাকায় শপথ নিতে পারেননি।

চেয়ারম্যানদের শপথবাক্য পাঠ করান ঢাকার জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠান করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইলিয়াস মেহেদী।

এ সময় শপথ গ্রহণ করেন দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউপির অধ্যাপক এমএ হান্নান, বিলাশপুরের রাশেদ চোকদার, নয়াবাড়ির তৈয়বুর রহমান তরুণ, কুসুমহাটির আব্দুল কাদের মণ্ডল ও নারিশার আলমগীর হোসেন।

এ ছাড়া নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউপির মিজানুর রহমান ভূঁইয়া কিসমত, কলাকোপার ইব্রাহীম খলিল, বক্সনগরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া, শিকারীপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলীমোর রহমান খান পিয়ারা, জয়কৃষ্ণপুরের রেশমা আক্তার, বান্দুরার হুমায়ন কবির, বাহ্রার সাফিল উদ্দিন মিয়া, বারুয়াখালীর এম এ বারী বাবুল মোল্লা, নয়নশ্রীর পলাশ চৌধুরী, যন্ত্রাইলের মনিরুজ্জামান তুহিন, কৈলাইলের বসির আহমেদ, আগলা ইউপির শিরিন চৌধুরী, গালিমপুর ইউপির আজিজুর রহমান ভূঁইয়া শপথ নেন।

পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রথম কোন বিসিএস কর্মকর্তাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান

0

ঢাকা দোহার উপজেলার পৌরসভার রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ দোহার উপজেলার নির্বাহী অফিসার এ এফএম ফিরোজ মাহমুদকে সম্মাননা স্মারক প্রদান।
শুক্রবার সকাল ১১ঃ৩০ মিনিটে পৌরসভার সভাকক্ষে তাকে এই সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুর রহিম মিয়া সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সেসময় তিনি বলেন, পৌরসভার নির্বাচন অতিদ্রুত হবে। আমরা অনেক কষ্ট করেছি দোহার পৌরসভার সীমানা জটিলতা নিয়ে। যার কারনে বিশ বছর নির্বাচন হয়নি। এই পৌরসভা নিয়ে আমাদের এমপির অনেক উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। যারা এই সীমানা জটিলতা নিরসনে কাজ করেছে আপনারা তাদের জন্য দোয়া করবেন।

সম্মাননা স্মারক গ্রহণের সময় এ এফএম ফিরোজ মাহমুদ বলেন, আমি দোহারে আসি কাজ করার সময় পেয়েছি আঠারো মাস এই আঠারো মাসের সব চেয়ে বড় কাজটি করতে পেরেছি দোহার পৌরসভা সীমানা জটিলতা নিরসন। এই সীমানা জটিলতা নিরসনে জন্য আমাকে অনেক বার মন্ত্রলায়ে যেতে হয়েছে। কেয়েক বার সীমানার নকশা পরিবর্তন করতে হয়েছে। আমাদের রাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়েছে এটি নিয়ে।

এ এফএম ফিরোজ মাহমুদ আরো বলেন, এটি প্রথম দোহার পৌরসভার পক্ষ থেকে কোন বিসিএস কর্মকর্তাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান ও বিদায় দেওয়া।

অনুষ্ঠান শেষে এ এফএম ফিরোজ মাহমুদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন দোহার পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব আব্দুর রহিম মিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান সুজাহার বেপারী ও দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার( ভূমি) ফজলে রাব্বি।

সে-সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দোহার পৌরসভার কাউন্সিল,কর্মচারী ও কর্মকর্তা প্রমুখ।

দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের আনুষ্ঠানিক বিদায়

0

ঢাকার দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) এ এফএম ফিরোজ মাহমুদের বদলি জনিত কারণে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল হতে শুরু হয়ে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত বিদায়ী অতিথি (ইউএনও) এ এফএম ফিরোজ মাহমুদকে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও তাকে বিদায় সংবর্ধনা দেয়।

ফিরোজ মাহমুদকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদন্নোতি করেছে। গতকাল বুধবার প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আবু ফতেহ শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনের আদেশ জারীতে গত কাল বৃহস্পতিবার ছিল তার শেষ কর্মস্থল দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে।

তিনি গত ২০২০ সালের ১৮ জুলাই দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দোহারে যোগদান করে ছিলেন। তিনি এর আগে মানিকগঞ্জ শিবালয় উপজেলার ইউএনও হিসেবে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে অনেক সুনাম অর্জন করেন। সম্প্রতি তিনি দোহার উপজেলায় তার কাজের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। যার ফলস্রুতিতে দোহারের মানুষের ভালবাসার অস্রুজল ও ফুলের সুভাষে ভাসলেন।
তার কর্মস্থলে শেষ কর্ম দিবসের পর দোহার উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এ এফএম ফিরোজ মাহমুদ বিদায় সংবর্ধনা দেন ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন, মুক্তিয়োদ্ধা কমান্ড, দোহার পৌরসভা, আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবিন্দ, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক সংগঠন ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দগণ।

তার বিদায়তে দোহার উপজেলায় চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, আমি তাকে খুব কাছে থেকে চিনেছি। সে যখন দোহারে আসে তখন মানিকগঞ্জের উপজেলা চেয়ারম্যান আমাকে ফোন দিয়ে ফিরোজ মাহমুদের কথা বলে তিনি বলেন ফিরোজ মাহমুদ আমার সন্তানেরমত ছিল তাকে দেখে রাখবেন। আমি তার জন্য এমপি মহোদয় কাছে রিকুয়েষ্ট করেছিলাম তাকে দোহারে রাখার জন্য কিন্তু এমপি মহোদয় বলেন তার সময় হয়ে গিয়েছে চলে যেতে হবে।

বিদায় বেলায় এ এফএম ফিরোজ মাহমুদ বলেন, আমি দোহারে এসেছি এমন সময় যে সময় করোনা ছিল আমি আঠারো মাস কাজ করতে পারেছি দোহারের জন্য। আমি দোহারে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করেছি। দোহারের মানুষ আমাকে অনেক ভালবাসা দিয়ে যা ভুলারমত নয়।

দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) মো.ফজলে রাব্বি’র সঞ্চালনায় এবং দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে বিদায়ী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রজ্জব আলী মোল্লা,দোহার উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান মোঃ সুজাহার বেপারী, মোঃ সুরুজ আলম সুরুজ দোহারের ৫ টি ইউনিয়ন পরিষদের নবাগত চেয়ারম্যান, জয়পাড়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক,মালিকান্দা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যাক্ষ অজয় কুমার, ইসলামাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরে আলম সিদ্দিকী, জয়পাড়া বেগম আয়েশা পাইলট বালিকা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ কুলসুম বেগম, ড্যাফোডিলস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.এরশাদ হোসেন,প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম মিয়া, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ইকরাশি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একলাল উদ্দিন আহম্মেদ,প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি নিরুপম গুহ চঞ্চল, কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক-ই-আজম,ইউসুফপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিলুফা ইয়াসমিন,দোহার উপজেলা আনসার ও ভিডিপির কমান্ডার সালেহা খাতুন সহ দোহার উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দু। পরে তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা হিসেবে তার হাতে ক্রেস্ট তুলেদেন।

দোহারে সরকারি হাসপাতালে নতুন এম্বুলেন্স সংযুক্ত

0

ঢাকা দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আরও একধাপ স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন এম্বুলেন্স উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে এ নতুন এম্বুলেন্স‘র উদ্বোধন করেন। সে সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও রোগিদের খোঁজ-খরব নেন।

সে সময় তিনি আরো বলেন, দোহার উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে মামনীয় সংসদ সালমান এফ রহমান চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি স্বাস্থ্য সেরাব মান বাড়াতে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এম্বুলেন্স উদ্বোধন উপলক্ষে সভাপতিত্ব করেন দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পণা কর্মকর্তা ডাঃ জসীমউদ্দিন।

সে সময় তিনি জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আমাদের একটি মিটিং হয়েছে। সেখানে আমি দাবি জানিয়েছি দোহারের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিসিউ ও আইসিইউ জন্য। আমি সেখানে বলেছি আমাদের দোহারে ৬০ শতাংশ লোক বিদেশে থাকে তাই মহিলাদের কোন সমস্যা হলে তারা ঢাকা যেতে সমস্যা হয় সাথে যাওয়ার জন্য কেউ থাকেন না। সে জন্য আমাদের দোহারে সিসিইউ ও আইসিইউ দরকার। আশা করি এটি বাস্তবায়িত হলে আমাদের দোহারে মানুষদের আর ঢাকা গিয়ে চিৎসা নিতে হবে না। আর এ সবাই সম্ভব হচ্ছে আমাদের সংসদ সালমান এফ রহমানের জন্য।

পরে তারা সবাই বিডি ক্লিনের শপথ পাঠ প্রোগ্রামে যোগদান করেন।

দোহার উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এম্বুলেন্সের দায়িত্ব থাকা ড্রাইভার মোঃ হানিফ বলেন আমি সব সময় দোহারের মানুষের পাশে থাকবো। আমাকে ডাকা মাত্র আমি এম্বুলেন্স নিয়ে তাদের দাঁড়ে চলে যাবো।

সে বিষয়ও কর্মরত ডাক্তার ও কর্মচারীসহ অন্য অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

নবাবগঞ্জে বোরখা পড়ে স্কুলে আসায় শিক্ষকের হেনস্তার শিকার ছাত্রীরা

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়ার টিকেএম উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রীরা বোরখা পড়ে স্কুলে আসার কারণে দীর্ঘদিন যাবত ছাত্রীদের নানা রকম কথা, বাজে ব্যবহার, গালাগালি, প্রহারের হুমকি ও বিদ্যালয় থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দিয়ে আসছে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক কাজী আব্দুল মুন্নাফ।

একাধিক ছাত্রীর সাথে কথা বলে জানা যায় ছাত্রীদের নানাভাবে বিরক্ত করে আসছেন তিনি। ছাত্রীদের হাতধরা ও চুলে হাত দেয়া থেকে শুরু করে নানা ভাবে হেনস্তা করছেন তিনি। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ প্রভাবশালী চেয়ারম্যান সাহেবের বোনের জামাতা হওয়ার কারণে অবিভাবক ও ছাত্রছাত্রীরা ভয়ে এতদিন কিছুই বলেননি। তারা কেউ ঝামেলায় পরতে চাননি বলে জানা যাচ্ছে। এলাকায় ইতোমধ্যে ব্যাপক কথা চলছে বিষয়টি নিয়ে। একাধিক ছাত্রী বলেছে এই টিচার স্কুলে থাকলে তারা আর স্কুলে যাবে না। কারণ প্রতি সপ্তাহে যখন ছাত্রীরা স্কুলে যায় তিনি অনেক ঝামেলা করেন যা ছাত্রীরা লজ্জায় কিছু বলতে পারে না।

কয়েকজন অভিভাবক বলেন, আমাদের হাতপা বাঁধা। তারা প্রভাবশালী, এজন্য কিছু বলতে সাহস পাই না। অভিযুক্ত শিক্ষক কাজী আব্দুল মুন্নাফ ছাত্রীদের বলেন, বোরখা পড়ে আসতে চাইলে একটা স্কুল বানিয়ে তারপর সেই স্কুলে বোরখা পড়ে যেতে। তিনি আরো বলেন, প্রয়োজনে চাকরি ছেড়ে দেবো তবুও তোদের বোরখা পড়ে ক্লাসে ঢুকতে দেবো না। ছাত্রীরা ভয় পাচ্ছে যদি টেস্ট পরিক্ষায় তাদের আটকে দেয়া হয় এজন্য তারা এতদিন কিছু বলে নি বলেও জানা যায়। বোরখা পড়ে যারা আসবে তাদের নামের তালিকায় লাল চিহ্ন দিয়ে রাখবে বলে হুশিয়ারি দেন উক্ত শিক্ষক। তিনি ছাত্রীদের আরো বলেন, বোরখা পড়ে আসলে ছাত্রদের সামনে দাঁড় করিয়ে রাখবেন।

ছাত্রীরা একটা রুমে গিয়ে বোরখা খোলারঅনুমতি চাইলে তার সামনেই খোলার নির্দেশ দেন। অন্যদিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, ছাত্ররা প্রতিদিন স্কুল ড্রেস ছাড়া স্কুলে আসলেও তাদের কিছু বলা হয় না। উক্ত শিক্ষকের নজর শুধু মেয়েদের দিকে। যেখানে শুধু এসাইনমেন্ট জমা নেয়া হয় কোভিড ১৯ এর কারণে।
গতকাল মঙ্গলবার উক্ত শিক্ষক নিজ হাতে ছাত্রীদের বোরখা খোলতে যায় ও মীম নামের এক ছাত্রীকে থাপ্পড় দিতে এগিয়ে যায়। ছাত্রীরা ব্যাপক উৎকন্ঠিত হয়ে পড়েছে শিক্ষকের এমন খারাপ আচরণের কারণে। তারা তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শংকা প্রকাশ করছে। একাধিক ছাত্রছাত্রী তার এই আচরণের বিচার দাবি করছেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিক নূরে আলম গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযোগ আসা ওই শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি এ ঘটনার জন্য অনুতপ্ত হয়েছেন। তারপরেও আমরা এ ঘটনার তদন্ত করব এবং শিক্ষক মোন্নাফের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সার্চ কমিটির ৩২২ জনে আইজিআর জজ মান্নান

0

নিউজ৩৯ স্পেশালঃ দোহারের কৃতি সন্তান, সাবেক আইজিআর, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ খান মোঃ আব্দুল মান্নানের নাম এসেছে। সার্চ কমিটির প্রকাশিত ৩২২ জনের তালিকার ৬১ নম্বরে স্থান পেয়েছেন তিনি। একজন দক্ষ আমলা ও বিচারক হিসেবে তিনি প্রশাসনে সমাদৃত। তাই নির্বাচন কমিশনার হিসেবে তার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক জোড়ালো।
তার গ্রামার বাড়ি দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নে। তার আপন ছোট ভাই অধ্যাপক আব্দুল হান্নান মুকসুদপুর ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। তিনি পদ্মা সরকারি কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
উল্লেখ্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য গঠিত অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটির কাছে আসা ৩২২টি নাম প্রকাশ করা হয় সোমবার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসব নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব শফিউল আজিম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সার্চ কমিটির কাছে আসা ৩২২টি নাম প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

এবিষয়ে খান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান নিউজ৩৯কে বলেন, প্রথমই আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই আমরা এই সাক্ষাৎ নেওয়া জন্য আপনি আমাকে সকালে ফোন দিয়ে সাক্ষাৎ নিয়েছেন। আমার নাম সার্চ কমিটিতে ৬১ নম্বর এ এসেছে। আমি যখন জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ছিলাম তখন সততার সাথে কাজ করেছি এবং জনগণের জন্য কাজ করেছি। আমি নিরপেক্ষ ও সাহসিকতার সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করছি। আমরা কাজ কারার সুযোগ পেলে সুন্দর একটা নির্বাচন উপহার দিব। জাতির জন্য আমাদের কাজ করতে হবে।আমরা সত সাহসের সাথে কাজ করবো।

সার্চ কমিটিতে নাম আসার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনুসন্ধান যারা করেছে তারাই ভাল বলতে পারবে আমি এ বিষয় কিছু বলতে পারতেসি না।

এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হারঃ দোহারে ৯৪.৩৪ শতাংশ; নবাবগঞ্জে ৯৮.১৮ শতাংশ

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট থেকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ফলাফলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করি এ মাসের শেষের দিকে করোনা সংক্রমণ কমে যাবে। সে সময়ই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেবো।

দোহারে প্রকাশিত ফলাফলে ৪টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে গড় পাসের হার ৯৪দশমিক ৩৪ শতাংশ। মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৬দশমিক ৬৬ শতাংশ। টেকনিক্যাল পাশের হার ৭৬ দশমিক ৯২ শতাংশ।

এবারে ৪টি সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ১৬৬০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।মোট এ+ ৪৪টি এর মধ্যে পদ্মা সরকারি কলেজ সর্বোচ্চ ২৭টি এ+ পেয়েছে। কিন্তু পাশের হারে এগিয়ে জয়পাড়া কলেজ। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৯৫.৭৭ শতাংশ।

এদিকে নবাবগঞ্জ উপজেলা এইচএসসি পরিক্ষার ফলাফলের হার ৯৮.১৮শতাংশ। মোট পরিক্ষার্থী ২৫২৮ জন, পাশ করে ২৪৮১জন,ফেল করে ৪৭জন। এ+ পেয়েছে ১৩৯জন। ৮টি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর মাঝে সেন্ট ইউফ্রেজিস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং ডিএন কলেজে পাশের হার শতভাগ। এর মাঝে ডিএন কলেজে এ+ পেয়েছে ৮১জন। সোনাহাজরা মাদ্রাসার মোট শিক্ষার্থী ৪২ জন, পাশ করেছে ৩৮জন, পাশের গড় ৯০.৪৮শতাংশ।