আমাদের সবাইকে গণমানুষের পাশে দাড়াতে হবে : সালমা ইসলাম এমপি

0

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, শুধু নিজে ভালো থাকলেই হবে না, সবসময় গণমানুষের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করতে হবে আমাদের। যারা আমাদের আশেপাশের লোকজন আছে তাদেরও ভালো রাখতে হবে। তাদের ভালমন্দ দেখার দায়িত্ব আমাদের সকলের ।

ঢাকার নবাবগঞ্জে গত মঙ্গলবার শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। সে দিন উপজেলার চুড়াইন, বক্সনগর, বাহ্রা, গালিমপুর, কৈলাইল, শোল্লা, আগলা ইউনিয়নে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কয়েক হাজার পরিবারের শীতার্ত মানুষের মাঝে সালমা ইসলাম এমপি কম্বল বিতরণ করেন।

এ সময় অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম বলেন, করোনায় যখন সারা বিশ্বের অর্থনীতি বিধ্বস্ত, তখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে সচল রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে রাতদিন কাজ করছেন। মানবতার সেবা করা আমাদের সবারই উচিত। প্রত্যেক ধর্ম মানবতার সেবা করতে বলেছে। তাই আসুন- শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই। কোনো মানুষ যাতে শীতে কষ্ট না পায়; সেদিকে খেয়াল রাখি ও মানুষের জন্য কাজ করি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতীয় পার্টির প্রতিটি নেতাকর্মীকে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। মনে রাখতে হবে আমরা জনগণ ও দেশের উন্নয়নের জন্য রাজনীতি করি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জুয়েল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বোরহান উদ্দিন, জাতীয় পার্টির নেতা, আলী খান, এমএ মজিদ, আসাদুজ্জামান চৌধুরী রানা, মুরাদ মিয়া, মো. কফিল উদ্দিন, মান্নান মাস্টার, সেলিম সিকদার, মো. টিপু, সাবুল হোসেন, আক্তার মেম্বার, আইনুল হোসেন চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, গিয়াস উদ্দিন, আব্দুল মতিন মেম্বার, হালিম, মিথুন, আব্দুর রহমান, তাজুল ইসলাম, তোফিক মো. মহসিন মো. ফরিদ, বাহার, ইউনুছ, যুব নেতা সাহাদাত হোসেন, মো. সেলিম নারী নেত্রী আসমা আক্তার রুমি, তানজিন আহমেদ নিনা, রুমা আক্তার সেলিনা আক্তারসহ জাতীয় পার্টি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

নির্মল রঞ্জন গুহের পরিবারের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ

ঢাকার দোহার উপজেলায় সাবেক কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের পরিবার থেকে অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেল ৩ টার দিকে কুসুমহাটি ইউনিয়নের বাস্তা গ্রামে নির্মল রঞ্জন গুহের নিজ বাড়িতে তার পরিবারের পক্ষ থেকে ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে এ শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

শীতবস্ত্র বিতরণের সময় সাবেক কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের স্ত্রী নন্দিনী গুহ আলো উপস্থিত থেকে বলেন, আপনাদের দাদা বাচাঁ থাকতে প্রতিবছর অসহায় পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করতেন । তার ধারাবাহিকতায় আমরাও তাকে স্মরণ করে এবার কম্বল বিতরণ করেছি। আগামিতেও আমরা এই শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যহত রাখবো।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাহাবুব বেপারী, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি শফিকুল তালুকদার, নাসির উদ্দিন খান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মোহাম্মদ হাসান, মোহাম্মদ মিন্টু চোকদার, দোহার পৌরসভার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ মেহেদী সহ আরো অনেকে।

নবাবগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় মোটরসাইকেল ও ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আহরী মোঃ তাকবির হোসেন (২২) নামে এক কলেজ ছাত্রের সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার মাঝিরকান্দা এলাকার নিসকান্দা ব্রিজের ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দূর্ঘটনা ঘটার সাথে সাথে যুবক ঘটনা স্থলেই মারা যায়।

জানা যায়, নিহত তাকবির হোসেনের বাড়ি নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা গ্রামের মোঃ আব্দুল কাদেরের ছেলে। সে রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্র ছিল এবং পাশাপাশি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি বাংলালিংকের বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে মোটরসাইকেল নিয়ে বাংলালিংক কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধির কাজে বের হয় তাকবির। বেলা সাড়ে ১১টায় দিকে বান্দুরা ইউনিয়নের মাঝিরকান্দা ব্রিজের ঢালে এলে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অটোবাইকের সাথে ধাক্কা লেগে পরে যায়। এসময় অপর দিক থেকে আসা শাহ্ সিমেন্ট কোম্পানির একটি কাভার্ড ভ্যানের চাকায় মাথা উপর দিয়ে উঠে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। খবর পেয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, অভিযোগ না থাকায় লাশ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যান থানা পুলিশের জিম্মিতে রাখা হয়েছে।

দোহারে বিদ্যুৎ স্পর্শে ২ জন রং মিস্ত্রি নিহত

ঢাকার দোহার উপজেলায় বিদ্যুৎ স্পর্শ হয়ে ২ জন রং মিস্ত্রি নিহত হয়েছেন। বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯ দিকে জয়পাড়া বড় মাঠ সংলগ্ন দোতলা এক বিল্ডিংয়ে সানি ও মনির নামে ২ জন রং মিস্ত্রি রঙের কাজ করতে গিয়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

সানির ভাই জুয়েল জানান, নিহত সানি (২৮) ইকরাশী গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা মৃতঃ মুছলেম উদ্দিন । সানির ২ বছরের একটি মেয়ে ও স্ত্রী রেখে গেছেন। তার খরচের টাকা দিয়েই চলছিলো পুরো পরিবার।

মনিরের স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০) বলেন, নিহত মনির (৩৫) দক্ষিণ জয়পাড়া মাঝি পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতাঃ আর্শেদ আলী (৭৮)। মনিরের ১ ছেলে, ১ মেয়ে ও স্ত্রী সহ পরিবার রেখে গেছেন । মনিরের পুরো পরিবারটিও চলছিল তার টাকায় ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে জয়পাড়া বড় মাঠ সংলগ্ন সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ মুছা ভিলার বাড়িতে দোতলা এক বিল্ডিংয়ে রং করার সময় হঠাৎ ১১ হাজার ভোল্টেজ তারের সংস্পর্শে গেলে মনির ও সানি হঠাৎ ছিটকে পড়ে যান।

পরে স্থানীয়রা দোহার ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সানি ও মনির কে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করে। পরে লাশ দোহার থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস লিডার আব্দুল হাজী বলেন,আমরা এ ঘটনাটির আনুমানিক ৯ঃ৩০ মিনিটে সংবাদ পাই। পরে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি নিহত সানি ও মনিরের ৩০% পুরে যায়। পরে আমরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। পরে আমরা লাশ দোহার থানায় হস্তান্তর করি।

এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি (তদন্ত) কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম বলেন,আমরা মরদেহ উদ্ধার করে থানায় এনেছি। ঘটনাটি তদন্ত করে আমরা আইগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপিকে নিবন্ধন দেয়ার নির্দেশ আপিল বিভাগের

0
ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন ‘তৃণমূল বিএনপি’কে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
রোববার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি এ নির্দেশ দেন।
আদালতে নাজমুল হুদার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক। ইসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ ইয়াছিন। অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাইকোর্ট তৃণমূল বিএনপিকে নিবন্ধন দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে নির্বাচন কমিশন। আজ ইসির লিভ টু আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে তৃণমূল বিএনপিকে নিবন্ধন দিতে হবে।
২০১৮ সালের ১৪ জুন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য আবেদন ও চালান জমা না দেয়াসহ কয়েকটি কারণে তৃণমূল বিএনপিকে নিবন্ধন না দেয়ার কথা জানিয়ে নোটিশ দেয় নির্বাচন কমিশন। পরে ওই নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ১৪ আগস্ট রাজনৈতিক দল হিসেবে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন ‘তৃণমূল বিএনপি’কে নিবন্ধন দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
একই সাথে তৃণমূল বিএনপির নিবন্ধন বাতিলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চান আদালত। সেই রুলের নিষ্পত্তি করে ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর ‘তৃণমূল বিএনপি’কে নিবন্ধন দিতে ইসিকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এর চার বছর পর একই নির্দেশ দিলেন আপিল বিভাগ।

দোহারে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই

ঢাকার দোহার উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায় শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টায় উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের কবরস্থানের পাশের সারোয়ার হোসেনের চাচা মৃত. মুক্তার হোসেনের বসতবাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শি সাইফুল ইসলাম, মোস্তফা, সাকিব ও সোভন জানায়, আমরা কবরস্থানে গফুর নামের একজনের মৃতদেহ দাফনের জন্য কবর খুঁড়তে ছিলাম। হাঠাৎ পাশের এ বাড়ি থেকে একজন মহিলার চিৎকারের শব্দ পেয়ে এগিয়ে গিয়ে দেখি ঘরে আগুন লেগেছে। আগুনে আটকা পড়া একমহিলা ও তার দুই মেয়েকে টিনের ঘরের বেঁড়া ভেঙে উদ্ধার করি। তবে উদ্ধারকৃত ঐ মহিলার শরীরের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। পরে দোহার ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

মৃত. মুক্তার হোসেনের ভাতিজা সারোয়ার হোসেন জানান, আগুনে আমার চাচার যা কিছু ছিল সব পুড়ে গেছে। পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই উদ্ধার করা যায়নি। মুক্তার কাকার দুইটি বসতঘর ও অন্যচাচার বিল্ডিং পুড়ছে। এতে প্রায় দশ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এবিষয়ে দোহার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার তামিম হাওলাদার জানান, আমরা সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে পৌঁছে আনুমানিক ১৫-২০ মিনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক সকসার্কিট হয়ে আগুনের সূত্রপাত ঘটে পরে গ্যাস সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুন দ্রুত ছরিয়ে পরে। আগুনে দুই টিনের ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে এবং একটি বিল্ডিংয়ের কিছু অংশ পুড়েছে।

দোহারে বিজয় দিবস উপলক্ষ্য কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহার উপজেলায় ৫১তম জাতীয় বিজয় দিবস উপলক্ষ্য সাধারণ ছাত্রদের পক্ষ থেকে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এতে দোহার উপজেলার স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার ৬০ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। সেখান থেকে মোট ১৪ জন পুরষ্কৃত করা হয়।

শুক্রবার বিকাল সাড়ে চারটায় দোহার উপজেলার বাটিয়া কাশেম উলূম মাদ্রাসায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরণ করা হয়। তরিকুল ইসলাম রাসেলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীফ হাসান। সে সময় তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে বিজয় দিবসের ইতিহাস জানাতে হবে। যারা দেশকে স্বাধীন করতে গিয়ে তাদের বুকের তাজা রক্ত বিলিয়ে দিয়েছে আল্লাহ তাদেরকে যেন শহীদের মর্যাদা দান করে।

সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, হাফেজ ওমর ফারুক , ইলিয়াস হোসেন, মোঃ রাফি,হাফেজ খাব্বাব প্রমুখ।

বিজয় দিবস ইনডোর রোইং প্রতিযোগিতা

0

বিজয় দিবস উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে ইনডোর রোইং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাংলাদেশ রোইং ফেডারেশন এ আয়োজন করে।
সকালে জাতীয় স্টেডিয়ামের ১ নং গেইটের সামনে থেকে বিজয় র‌্যালি বের হয়। এরপর হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ইনডোর রোইং প্রতিযোগিতা। এতে টঙ্গী রোইং ক্লাব, শাহীনবাগ রোইং ক্লাব, নারয়নগঞ্জ রোইং ক্লাব, ইউনিভার্সেল রোইং ক্লাব, ইয়ং স্টার রোইং ক্লাব, আলী নগর রোইং ক্লাব, বরিশাল রোইং ক্লাব, গোপালগঞ্জ রোইং ক্লাব ও নবাবগঞ্জ রোইং ক্লাবসহ ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত ক্লাবের বিভিন্ন বয়সের ছেলে মেয়েরা অংশ গ্রহণ করে।
পরে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এডভোকেট মোল্লা মো. আবু কাওছার। বিজয়ীদের হাতে তিনি সম্মাননা ক্রেস্ট ও পুরস্কার তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুজ্জামান টপছি, মোবারক হোসেন, কোষাধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন মন্টু, কার্যনির্বাহী সদস্য নাসিরুজ্জামান চৌধুরী , মাকসুদ আলম, মো. জাকির হোসেন পারভেজ, মো. হামিদ আলীসহ কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্ধ।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে দোহারে বিজয় দিবস পালিত

ঢাকার দোহার উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোরে তোপধ্বনির মধ্যেমে দোহারে বিজয় দিবস উদযাপন শুরু করা হয়। পরে সকাল সাড়ে ৮টায় দোহার উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্প অপর্ণ করেন দোহার উপজেলা পরিষদ ও দোহার উপজেলার প্রসাশন এরপর পুষ্প অর্পণ করেন, থানা পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন, জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন, প্রেসক্লাব ও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

পরে সকাল ১০টা থেকে জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোবাশ্বের আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তেব্য আলমগীর হোসেন বলেন, বিজয়ে এই দিনে মনে পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে। যার ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে ছিল মুক্তিযুদ্ধরা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার এই জমিনে করতে হবে। অপশক্তিকে এই মাটিতে আর ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না।


সে সময় উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুস্তাফিজুর রহমান, দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল, দোহার উপজেলার সকল মুক্তিযুদ্ধাবিন্দু,দোহার পৌরসভার মেয়র আলমাছ উদ্দিন, দোহার উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জসিমউদদীন, দোহার উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রমুখ।

এটি আমার বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ : মেসি

0

ব্রাজিলকে কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারিয়ে প্রথম শিরোপা নিয়েছেন মেসি। অপেক্ষা করছে এখন বিশ্বকাপ জেতা। এজন্যেই মেসি বলেছেন, এটি আমার বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ। পরশু রাতে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে সেমিফইনাল নিশ্চিত করার পর ১৮ ডিসেম্বরের ফাইনাল ঘিরে এ মন্তব্য করেছেন লিওনেল মেসি।

বিশ্বাকাপ কী হাতে নিতে পারবেন এই ফুটবলের মহা তারকা? সে উত্তরই মেলবে লুসাইল স্টেডিয়ামে।

মেসির বয়স ৩৫। ২০২৬ সালের যুক্তরাস্ট্র-কানাডা-মেক্সিকো বিশ্বকাপে যদি তাকে দলে রাখাও হয় তাহলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ব্রাজিলের দানি আলভেজের মতো উপেক্ষিতই থাকতে হবে দলে। তাই চার বছর পর বুড়ো বয়সে আর বিশ্বকাপ খেলতে চান না এই আর্জেন্টনাই অধিনায়ক। যার অর্থ কাতারেই তিন দিন পর শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নামছেন এই গ্রেট ফুটবলার।

তার নেতৃত্বে এবং নৈপূণ্যে আর্জেন্টিনা এখন ফাইনালে। ক্লাব ফুটবলে সব অর্জনই মেসির দখলে। বাকি ছিল জাতীয় দলের হয়ে টুর্নামেন্ট জেতা। সেটারও অবসান হয়েছে গত বছর মারাকানা স্টেডিয়ামে। বেশ কয়েকটি রেকর্ড অর্জনের মিশন নিয়েই মেসির কাতার আসা। ক্যারিয়ারে এক হাজার তম ম্যাচ খেলা। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করা, বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা। সবই হয়েছে তার।

পরশু রাতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেই স্পর্শ করেছেন জার্মানির লোথার ম্যাথিউজের খেলা ২৫ বিশ্বকাপ ম্যাচ। ফাইনালে নামলেও তিনি হবেন সবচেয়ে বেশি ২৬ ম্যাচ খেলা ফুটবলার। আর পেনাল্টিতে গোল করে টপকে গেছেন আর্জেন্টিনার বাতিস্তুতার ১০ গোলকে।

২০২২ বিশ্বকাপে পাঁচ গোল দিয়ে মেসি এখন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট জেতার লড়াইয়ে। ছয় ম্যাচের চারটিতে হয়েছেন ম্যাচ সেরা। গোলও করিয়েছেন। সব মিলিয়ে গোল্ডেন বল যে তিনি জিততে যাচ্ছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। অবশ্য এই ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে পাওয়া হলুদ কার্ড অন্তরায় হতে পারে। তবে গোল্ডেন বুট বা গোল্ডেন বল যাই জেতা হোক না কেনো বিশ্বকাপ জেতা না হলে সবই পানসে হয়ে যাবে।

২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল মেসিই জিতেছিলেন। কিন্তু আনন্দ তিনি উপভোগই করতে পারেননি ফাইনালে জার্মানির কাছে হারের কারণে। এখন পর্যন্ত কাতার বিশ্বকাপটা মেসির একক আসরই। তার ফর্ম দিয়েই। এখন সবকিছুরই পূর্ণতা মেলবে বিশ্বকাপটা জিততে পারলে। তাহলে দিয়েগো আরমান্ডো ম্যারাডোনার সমতুল্য হতে পারবেন। চার বিশ্বকাপে খেলে ম্যারাডোনা ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন। ১৯৯০ সালে ফাইনালে তুলেছেন। ম্যারাডোনার মতোই মেসি দ্বিতীয় বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে যাচ্ছেন। ২০১৪ সালে তার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা শিরোপার বদলে রানার্সআপের কষ্ট নিয়ে ব্রাজিল ছেড়েছিল। এবার সাবেক বার্সেলোনার এই তারকা ফুটবলারের শেষ সুযোগ বিশ্বকাপ জিতে সবার প্রত্যাশা পূরণ করা।

আর্জেন্টিনা দলের কাতার বিশ্বকাপে সব কিছুই পাওয়া হয়েছে। হারের লজ্জ্বা। নক আউটে উঠতে না পারার শঙ্কা, ২ গোলে লিড নিয়েও শেষ পর্যন্ত ড্র করতে বাধ্য হওয়া। পরে টাইব্রেকারে জেতা। সেমিফাইনালে অপরাজিত থাকার রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখা। এখন মেসি যদি দেশকে তৃতীয় বিশ্বকাপ এনে দেন তাহলে তা হবে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পাওয়া। পারবেন কি ড্যানিয়েল প্যাসারেলা, দিয়েগো ম্যারাডোনার মতো নিজেও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপে সফল অধিনায়ক হতে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক ছিলেন প্যাসারেল। যিনি ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কোচ ছিলেন। রাশিয়া বা ব্রাজিল বিশ্বকাপেও মেসিকে এই রূপে দেখা যায়নি, যা দেখা যাচ্ছে কাতারের মাঠে। যেন দশ বছর আগের বা ২০ থেকে ২২ বছরের টগবগে যুবকের মাঠ দাবড়িয়ে বেড়ানোটা। তাকে যেন আটকাতেই পারছেন না কোনো ফুটবলার। তাকে রুখতে যতো কৌশলই বিপক্ষ কোচ এবং ফুটবলাররা নেন না কেনো ঠিকই তা ছিন্নভিন্ন করে ফেলেন তিনি। যার সর্বশেষ উদাহারণ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দলের তৃতীয় গোলে তার ভূমিকা। মাঝ মাঠে বল পেয়ে গায়ে গায়ে লেগে থাকা বিপক্ষ ডিফেন্ডারকে ডজে একে বারেই আউট প্লে করেন মেসি। এরপর গতিতে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের নিখুঁত কাট ব্যাক জুলিয়ান আলভারেজকে। আর তাতেই আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত হওয়া তৃতীয় গেল। এখন এই পিএসজির স্টার যদি ফাইনালেও স্বরূপে আবিভূত হতে পারেন তাহলে বিশ্বকাপ হাতে নিতে পারবেন।