বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম হোসেনের ইন্তেকাল

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি : ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্তমান সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন(৭৩) ক্যান্সার জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২ টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না.. রাজিউন)।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন ৭৫ পরবর্তী আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত প্রাণ বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে দোহার উপজেলায় আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে রাত দিন কাজ করেছেন। তিনি মাহমুদপুর ইউনিয়নের একাধিক বার নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেনের ছোট ভাই। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, গুনাগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। বুধবার বাদ যোহর উপজেলার মাহমুদপুর বিএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে তার নামাজে জানাযা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন মৃত্যুতে ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, গুনাগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

চলার অনুপযোগী রাস্তা, অবহেলার শেষ কোথায়?

স্টাফ রিপোর্টার: সত্যিই এক নিরব অবহেলার মধ্য দিয়ে চলছে শিকারীপাড়া ইউনিয়নের সকল রাস্তা। বছরের পর বছর অতিবাহিত হলেও কোন কাজ হচ্ছে না। নির্বাচনের সময় কথার ফুলঝুরি থাকলেও পরে তাদের দেখা মেলে না আর।

ভুক্তভোগী জনসাধারণের কষ্টের কথা শুনার যেন কেউ নেই। শিকারীপাড়া ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি গ্রামেই রয়েছে এমন চিত্র। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ওয়ার্ড মেম্বার বলেন,  “তিনি নিজে একাই সব কাজ করেন। আমাদের সকোন কাজে সংশ্লিষ্ট করতে চান না, শুধু এতটুকুই বললাম”। শিকারীপাড়া ইউনিয়নের একাধিক লোকের অভিযোগ পাশের ইউনিয়ন বারুয়াখালীতে কোন কাঁচা রাস্তা নেই। তাহলে আমাদের এখানে কাজ না হওয়ার কারণ আমরা বুঝতে পারছি না।

একাধিক ভুক্তভোগী জানান, নির্বাচনের আগে এই করবো সেই করবো বললেও পরে কোন কাজ করেননি চেয়ারম্যান সাহেব। যেখানে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে সেই জায়গায় নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের দৃশ্য একটু ভিন্ন। প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের যেন অভিযোগের শেষ নেই। বাধ্য হয়ে অনেকে নিজ অর্থায়নে রাস্তা সংস্কারের কাজ করছেন নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে। না হলে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না লোকজন।

অনেকে বলেন, শিকারীপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহেব প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জননেতা সালমান এফ রহমানের ইজ্জত নষ্ট করেছেন কারণ সর্বশেষ সাধারণ জনগণ এই সরকারকেই দোষ দিবেন যে এখানে কোন কাজ করেননি। এই ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তা জনরোষের জন্ম দিতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

দোহারে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে স্বর্ণালংকার হারালো ৬ নারী

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে স্বর্ণালংকার হারিয়েছে ৬ নারী। গত রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেবা নিতে আসা হাসপাতালের বহির্বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। দোহার থানা পুলিশ চোর শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছেন।
ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে তারা তাদের স্বর্ণালংকার হারিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে উপজেলার লটাখোলা গ্রামের রিনা আক্তারের আট আনা ওজনের চেইন, করম আলী মোড়ের হালিমনের সাড়ে আট আনা ওজনের চেইন, নারিশা পশ্চিমচর গ্রামের সামিরা বেগমের ১০ আনা ওজনের দুল ও চেইন, বিলাশপুর ইউনিয়নের কুতুবপুরের কমলা বেগমের সাড়ে আট আনা ওজনের চেইন ও পুষ্পখালীর শারমিন আক্তারের আট আনা ওজনের গলার চেইন খোয়া গেছে। অন্য এক নারী আগেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে বাড়ি চলে যাওয়ায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী নারিশা পশ্চিমচর গ্রামের সামিরা বেগম জানান, তিনি তার দেড় বছর বয়সী ছেলে সায়মনকে কোলে নিয়ে চিকিৎসকের অপেক্ষায় লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ভিড়ের চাপে তার গলা থেকে চেইন ও কানের দুল নিয়ে যায় কে বা কারা। ছেলেকে বুকের দুধ খাওয়াতে গেলে তখন তিনি বিষয়টি টের পান।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন জানান, রোগীদের কাছ থেকে ইতোপূর্বেও তিনি এমন অভিযোগ পেয়েছেন। এরপর থেকেই গোটা হাসপাতাল এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
দোহার থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে আগেও তিনি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ নেওয়া হয়েছে এবং হাসপাতালে স্থাপন করা সকল সিসি ক্যামেরার ছবি ও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রুত অপরাধীদের আটক করতে পারবেন বলে তিনি জানান

দোহারে নানার বাড়িতে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

হাসান বিন আমজাদ: বুধবার (২৯ আগস্ট ) দোহারে সকালে মর্মান্তিকভাবে পুকুরে ডুবে মৃত্যু হয়েছে রাফিয়া ইসলাম নামে ৪ বছর বয়সী এক শিশুর। তার মায়ের নাম শাহিদা খানম। তিনি লালমাটিয়া মহিলা কলেজের গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান। রাফিয়ার নানা বাড়ি দোহারের নারিশা ইউনিয়নের নারিশা খালপাড়ে। আর দাদার বাড়ী পিরোজপুর শহরে। ঢাকার মোহাম্মদপুর সে বাবা মা’র সাথে থাকতো। ঘুরতে সে নানী বাড়ি এসেছিলো।

এলাকাবাসী জানায়, সকালে রাফিয়ার মামা নারিশা বাজারে গিয়েছিলো। সেসময় তার নানী ঘরের কাজে ব্যাস্ত ছিলো। এসময় ছোট্ট রাফিয়া খেলতে খেলতে নারিশা খালপাড়ের খান বাড়ির পুকুর ধারে চলে আসে। ধারণা করা হচ্ছে, খেলতে গিয়ে সে পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। এসময় আরেক শিশু দৌড়ে এসে আধো আধো কথায় তার বাড়ীতে তার ডুবে যাওয়ার কথা জানায়৷ পরে, বাড়ী থেকে লোকজন এসে পুকুরে কিছু দেখতে না পেয়ে পানিতে নেমে তল্লাশি চালায়। এসময় তারা রাফিয়াকে পুকুরের তলদেশ থেকে উদ্ধার করে। দ্রুত তাকে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে, এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। খবর পেয়ে রাফিয়ার মা তার নিজ কর্মস্থল থেকে বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

প্বার্শবর্তী মসজিদের ইমাম আবু হানিফা রাফিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে জানান, হজরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, শহীদ পাঁচ প্রকার। যেমন—১. প্লেগ বা মহামারিতে মৃত্যুবরণকারী, ২. পেটের পীড়ায় মৃত্যুবরণকারী, ৩. পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণকারী, ৪. কুপে পড়ে মৃত্যুবরণকারী ও ৫. আল্লাহর রাস্তায় শহীদ। আল্লাহ সুবহানুতায়ালা এই শিশুকে জান্নাতুল ফেরদৌসের জন্য কবুল করুন। তার পরিবারের জান্নাতের ওসিলা এই শিশুকে করে দিন, আমীন।

নবাবগঞ্জের ইছামতি নদীতে নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত

0

ঢাকার নবাবগঞ্জের দিঘীরপাড় নওমোজাহীদ ক্লাবের উদ্যোগে ইছামতি নদীতে নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়। বৃষ্টি উপেক্ষা করে এ সময় বাইচ দেখতে নদীর দুইপাড়ে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

সরেজমিন দেখা যায়, গ্রামবাংলার প্রাচীনতম এ উৎসব উপভোগ করতে শিশু-কিশোর, নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ নির্বিশেষে সবাই মেতে ওঠেন আনন্দে-উল্লাসে। নদীর পাড়ে বসে গ্রাম্য মেলা। ঢাকাসহ আশপাশের মুন্সীগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার দর্শনার্থীরা তাদের পরিবার নিয়ে এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে উপস্থিত হন।

স্থানীয়রা বলেন, নৌকাবাইচ উপলক্ষে তাদের বাড়িতে এসেছে নতুন অতিথি। বাড়িতে বাড়িতে আয়োজন করা হয়েছে নানা মুখরোচক খাবারের। এমন আয়োজনে খুশি তারা।

দিঘীরপাড় নওমোজাহীদ ক্লাবের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম লিটনের সভাপতিত্বে এ সময় প্রধান অতিথি ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ বলেন, আবহমান গ্রামবাংলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে নৌকাবাইচ ঐতিহ্য ও বাঙালির সংস্কৃতির অংশ।

               

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুবেদুজ্জামান সুবেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তাবির হোসেন পাভেল প্রমুখ।

পরে বাইচে অংশগ্রহণকারী সব নৌকাকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। নবাবগঞ্জ থানার পুলিশ, নৌকাবাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটি এই বাইচে সহযোগিতা করেন। নৌকাবাইচে ঢাকা, মানিকগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৬টি নৌকা অংশগ্রহণ করে।

 

রুহিতপুর বাইপাস নির্মাণে সালমান রহমানের উদ্যোগে ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প পাশ

মুশতাক হোসেন, news39.net: দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলার সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমানের উদ্যোগে রুহিতপুর বাইপাস নির্মাণে ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প পাশ হয়েছে। বুধবার ২৯ আগস্ট অনুষ্ঠেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে অনুমোদনের জন্য পাশ হয় ২৫টি প্রকল্প। এটি চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংখ্যা।এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দোহার নবাবগঞ্জ এর এমপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমান দোহার নবাবগঞ্জবাসীর জন্য রুহিতপুর বাজারে উন্নয়ন সড়ক তথা বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে ঘন্টার পড় ঘন্টার যানজট থেকে মুক্তি মিলবে বলে আনন্দিত এলাকাবাসী।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, দ্রুততম সময় বাইপাস রোডের কাজ চালু হতে যাচ্ছে। রুহিতপুর বাইপাস নির্মাণে সালমান রহমানের উদ্যোগে ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প পাশ

দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলার সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমানের উদ্যোগে রুহিতপুর বাইপাস নির্মাণে ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প পাশ হয়েছে। বুধবার ২৯ আগস্ট অনুষ্ঠেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে অনুমোদনের জন্য পাশ হয়৩২টি প্রকল্প। এটি চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংখ্যা।এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দোহার নবাবগঞ্জ এর উন্নয়ন এর রুপকার,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমান এমপি মহোদয় কে,দোহার নবাবগঞ্জ বাসির জন্য আর্শিবাদ রুহিতপুর বাজারে ঘন্টার পড় ঘন্টার যানজট থেকে মুক্তি মিলতে চলেছে খুব শীঘ্রই।

আজ (একনেকে)পাঁচশত কোটি টাকার উপরে পাশ হয়েছে,দ্রুততম সময় বাইপাস রোডের কাজ চালু হতে যাচ্ছে,আমাদের বাইপাস রোড সম্পন্ন হলে সকল ভোগান্তি মুক্তি পাবে,কম সময়ের মধ্যে ঢাকা যাতায়াত করা যাবে।

জয়পাড়া পরিবহনের একজন ড্রাইভার বলেন, আমাদের বাইপাস রোড সম্পন্ন হলে সকলেই ভোগান্তি মুক্তি পাবে। কম সময়ের মধ্যে ঢাকা যাতায়াত করা যাবে। পণ্য পরিবহনে এবং যাত্রী পরিবহনে সময় সাশ্রয় হবে ।

দোহারে কৃষক দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ঠাঁই পেলেন যারা

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি কেন্দ্র কর্তৃক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

শনিবার ২৬ আগষ্ট দুপুরে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত প্যাডে কাজী রুবেলকে দোহার উপজেলার কৃষক দলের সভাপতি ও মো: রফিক কবিরাজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্য এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলার জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সভাপতি কাজী রুবেল বলেন, আমাদের কমিটি ঘসনা করা হয়েছে আমি বিশ্বাস করি আগামী যুগপথ আন্দোলনে আমাদের এই কমিটি অনেক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি

এছাড়াও কমিটিতে সিনিয়ার সহ সভাপতি পদে শেখ কবির হোসেন, সহ সভাপতি পদে ৮ জন, সিনিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে হেলাল মাঝি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ৩ জন,সহ সাধারণ সম্পাদক পদে ৫ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৪ জন, দপ্তর সম্পাদক পদে পারভেজ দেওয়ান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে মোঃ ফারুক তালুকদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে জুলহাস মাদবর,সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে শামীম বিশ্বাস, শিক্ষা ও গবেষণা পদে মোঃ শরিফুল ইসলাম, যুব সম্পাদক পদে আজিজুল হাওলাদার ও সদস্য পদে ৪১জনে নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

 

দোহারে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট চলবে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত

দোহার ঢাকা প্রতিনিধি: ঢাকার দোহারে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট চলবে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। মাঝে কিট না থাকায় উপজেলার ১০০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনদিন (সোমবার – বুধবার) বন্ধ ছিল ডেঙ্গু পরীক্ষা । এতে জ্বরে আক্রান্তদের বেসরকারি হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিকে অতিরিক্ত টাকায় ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হয়ে ছিল।

গতকাল শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল।

তিনি নিউজ৩৯কে বলেন, ‘সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত ডেঙ্গু টেস্টের কিট আমাদের হাসপাতালে ছিল না। কিট না থাকায় ঐ তিনদিন ডেঙ্গু টেস্ট করা হয়নি।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার ১১২০টি কিট পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একবার ৪০০ ও পরবর্তী সময়ে আরও ৩২০ এবং সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার সকালে ৪০০ কিট পাওয়া যায়। এদিকে প্রতিদিন এই হাসপাতালে ৪০-৫০টি কিটের প্রয়োজন হয় ডেঙ্গু পরীক্ষায়।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বর, বমি ও ঠান্ডা নিয়ে অনেক রোগী আসছেন। তাঁদের অনেককেই ডেঙ্গু টেস্ট দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাই তারা দ্রুত পরীক্ষার ফলাফল পেত ছুটছেন হাসপাতালসংলগ্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডেঙ্গু টেস্ট করাতে।

জয়পাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কথা হয় রাহিমা আক্তার নামে এক নারীর সঙ্গে। তিনি নিউজ৩৯কে বলেন, ‘বাচ্চাকে ডাক্তার দেখালে ডেঙ্গু টেস্ট করাতে বলেন। হাসপাতালে টেস্ট করাতে না পেরে এখানে আসছি।’

দোহার উপজেলার দুবলী গ্রামের সুমন হোসেন বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে ডাক্তার ডেঙ্গু টেস্ট করাতে বলেন। তাই আমি কম টাকায় জন্য এই সরকারি হাসপাতালে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য।

উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জসিমউদদীন নিউজ৩৯কে বলেন, ‘কিটের চাহিদা অনেক। তিন দিন আমাদের কিট শেষ হয়ে গিয়েছিল। ফের চাহিদাপত্র পাঠালে দ্রুত তার ব্যবস্থা হয়। আমাদের এই কিট শেষ হলে আবারো পাবো বলে আশাবাদী। আমাদের হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে ৫০ টাকা লাগে এবং বাহিরের হাসপাতালে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা লাগে। তবে আমরা সব হাসপাতাল গুলোকে বলেছি ৩০০ টাকা করে রাখতে।

তিনি আরো বলেন, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আমাদের হাসপাতালে ২২ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। তাদেরকে আমরা সব ধরনের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের দোহারে এমাসে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত করা হয়েছে।

অর্থ সচিব নিয়োগ পেলেন দোহারের সন্তান মো. খাইরুজ্জামান

শরিফ হাসান, নিউজ৩৯: জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. খায়রুজ্জামান মজুমদারকে অর্থসচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তিনি দোহারের কৃতি সন্তান। দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের মইতপাড়া গ্রামে তার জন্ম। গ্রামের সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। দোহারের যে কোন সামাজিক ও মানবিক কাজে তিনি সম্পৃক্ত থাকতে সচেষ্ট । বর্তমান সাংসদ সালমান এফ রহমানের স্নেহধন্য একজন মানুষ তিনি। বুধবার ১১ বিসিএস ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে অর্থসচিব নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

তিনি দেশের প্রথম নারী অর্থসচিব ফাতিমা ইয়াসমিনের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

বর্তমানে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব ছিলেন ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার একজন দক্ষ পেশাজীবী। তাঁর রয়েছে অর্থ, সামষ্টিক অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক অর্থনীতি, শুল্ক, বাণিজ্য ফ্যাসিলিটেশন সংক্রান্ত বিষয়াদি, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যসহ বিবিধ বিষয়ে দীর্ঘ 30 বছরের অভিজ্ঞতা। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে যোগদানের অব্যবহিত পূর্বে তিনি অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সামষ্টিক অর্থনীতি অনুবিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য, 1993 সালের এপ্রিল মাসে 11তম ব্যাচে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগদানের মাধ্যমে ড. মজুমদার তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন । পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) কর্মকর্তা হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

ড. মজুমদার যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকার (রাজনৈতিক অর্থনীতি) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। এছাড়া তিনি কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনৈতিক অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। এর পূর্বে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে প্রথম শ্রেণীতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে এমএসএস ডিগ্রী এবং প্রথম স্থান অর্জন করে একই বিষয়ে বিএসএস (সম্মান) ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ফরাসি ভাষায় একটি এডভান্স সার্টিফিকেট কোর্সও সম্পন্ন করেছে। দীর্ঘ পেশাগত কর্মজীবনে তিনি রাজস্ব, অর্থ, বাণিজ্য এবং উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে দেশ-বিদেশে অসংখ্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন।

ড. মজুমদার অর্থ বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ইউএসএআইডি প্রোগ্রাম (আইবিআই প্রকল্পের চীফ অফ পার্টি হিসাবে), বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট -এ সরকারি ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অঙ্গনে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করেছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইজিএম) -এ adjunct ফ্যাকাল্টি হিসেবে ডব্লিউটিও ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, সামষ্টিক অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতি নামে মাস্টার্স পর্যায়ের তিনটি কোর্সে অধ্যাপনা করেছেন।

অর্থ বিভাগে তিনি সরকারের সামষ্টিক অর্থনৈতিক কৌশল নির্ধারণ, রাজস্ব-নীতির পরিকল্পনা ও বিশ্লেষণ, মধ্যমেয়াদী সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি-বিবৃতি প্রণয়ন এবং বাজেট সহায়তাসহ দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক কাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে সমন্বয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাথে সম্প্রতি গৃহীত ৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর সাথে অনেক বাজেট সহায়তা কর্মসূচির সফল সমাপ্তিতে ভূমিকা পালন করেছেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে তিনি দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং বহুপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনা পরিচালনা, বাণিজ্য-সুবিধা বিষয়ক কার্যসমূহ সম্পাদন এবং ডব্লিউটিও’র সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ করেন। ড. মজুমদার বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের সমন্বয়কের দায়িত্বও পালন করেন, যেখানে তিনি বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাকের উপর অত্যধিক নির্ভরতা কমাতে দেশের রপ্তানি-পণ্যের ভিত্তি বহুমুখীকরণ সংক্রান্ত সরকারি নীতি বাস্তবায়নে কাজ করেন। এভাবে তিনি উৎপাদন খাতের সাপ্লাই সাইডের বাঁধাসমূহ অপসারণের মাধ্যমে বেসরকারী খাতের, বিশেষত: চামড়া, কৃষি পণ্য, আইসিটি, মৎস্য, হালকা প্রকৌশল এবং ঔষধি গাছ ও ভেষজ পণ্যের মতো ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের বিকাশে ভূমিকা রাখেন।

ইউএসএআইডি’র অর্থায়নে পরিচালিত ‘বাংলাদেশ ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন অ্যাক্টিভিটি (বিটিএফএ)’ প্রোগ্রামে তাঁর প্রায় পাঁচ বছর ব্যাপী কর্মকালে তিনি ডব্লিউটিও ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন এগ্রিমেন্ট -এর অধীনে বেশ কয়েকটি বাণিজ্য সহজীকরণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জড়িত ছিলেন, যেমন- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য প্রকাশ, ইনকোয়ারি পয়েন্ট, এডভান্স রুলিং, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট, অথরাইজড অপারেটর, এবং কুরিয়ার কার্গোর দ্রুত ছাড়পত্র প্রদান। ড. মজুমদার বিটিএফএ-এর আন্তর্জাতিক উন্নয়ন কর্মসূচির কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনার পাশাপাশি একটি শক্তিশালী এবং বৈচিত্র্যময় নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হন। ড. মজুমদার UNCTAD এবং OECD-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিতে ন্যাশনাল কনসালটেন্ট হিসেবেও সংক্ষিপ্ত মেয়াদে কাজ করেন। এছাড়াও স্বল্প-আয়ের দেশগুলিতে বেসরকারী উদ্যোগের বিকাশে গৃহীত যুক্তরাজ্যের CEPR গবেষণা প্রোগ্রামের ‘প্রোগ্রাম ইভ্যালুয়েশন কমিটি’ এর সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন।

ড. মজুমদারের বেশ কিছু আন্তর্জাতিক প্রকাশনা রয়েছে। পড়াশুনার প্রতি তাঁর চির-অতৃপ্ত নেশা রয়েছে এবং তিনি গান শুনতেও পছন্দ করেন।

ড. মজুমদার বিবাহিত এবং দুই কন্যা সন্তানের গর্বিত পিতা।

দোহারে ডাবের পিছ দুই,শ টাকা

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি শরীফ হাসান : ঢাকার দোহার উপজেলায় বড় সাইজের প্রতিটি ডাব বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা করে। এছাড়া ছোট সাইজের ডাব ১৫০ টাকার কমে মেলে না।

বিক্রেতাদের দাবি, দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতির কারণে রোগীর অন্যতম পথ্য ডাবের চাহিদা বেড়েছে। আর এতে ডাবের বাজারে সরবরাহ সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এছাড়াও এখন ডাবের সিজন না থাকায় এবং গাছে ডাব কম সে কারণে দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।

দোহার উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাজার ও হাসপাতালের সামনের সড়ক ঘুরে দেখা যায়, অস্থায়ী ডাবের দোকানগুলোতে ছোট ও মাঝারি সাইজের ডাব ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বড় ডাব বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকায়।

জয়পাড়ার পাইকারি ও খুচরা ডাব বিক্রেতারা জানান, দোহারের বেশির ভাগ ডাব আসে গ্রামের গাছগুলো থেকে। আষাড়-শ্রাবণ মাসে গাছে ডাব কম থাকে। এছাড়া টানা কয়েকদিন বৃষ্টির কারণে গাছে উঠে ডাব নামানো যাচ্ছেন না। এসব কারণে বর্তমান বাজারে চাহিদার তুলনায় ডাবের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে ডেঙ্গু পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় ডাবের চাহিদা অন্য সময়ের চেয়ে আরও কয়েকগুন বেড়েছে। আমরা প্রতি পিস ডাব আকার ভেদে ৭০-১৫০ টাকা করে কিনি। মোবাইলের টাওয়ারের কারণেও সুন্দর ভালমানের ডাব পাওয়া দুষ্কর হয়ে পরেছে।

জয়পাড়া ক্লিনিকের সামনে ডাব বিক্রি করেন মানিক কাজী । তিনি বলেন, আগে কখনো ২০০ টাকায় একটি ডাব বিক্রি করিনি। এখন বাজারে ডাবের সরবরাহ কম। শ্রাবণ মাসে ডাব খুব কম হয়। এছাড়া দেশে ডেঙ্গু রোগী বেড়ে যাওয়ায় সচেতন মানুষরা বেশি বেশি ডাব কিনছেন। তাই চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। দাম বাড়ার পেছনে এটাও একটা কারণ।
তিনি আরো বলেন, যখন ডাব না পাওয়া যায় তখন আমরা খুলনা,ঢাকা,বরিশাল, ফরিদপুর থেকে ডাব আমদানি করে থাকি। তবে আগামী ২/১ মাসে ডাবের দাম আরো কমে যাবে।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাশে ডাব বিক্রেতা এরশাদ আলী বলেন, ‘অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন ডাব আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারেই একটি ডাবের দাম পড়ে যাচ্ছে ৮০-১৫০ টাকা। এরপর পরিবহন খরচ, রাস্তা খরচ, সারা দিনে ভ্যান খরচসহ সব মিলে ডাব ২০০ টাকাতেও বিক্রি করলে বেশি লাভ থাকে না।

তিনি বলেন, ‘এছাড়া মাঝারি ডাব পাইকারি বাজারে এখন প্রতি ১০০ পিস কিনিতে হচ্ছে ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকায়। সেই সঙ্গে ছোট ডাব ১০০ পিস বিক্রি হচ্ছে ১০ হাজার টাকায়। এত দাম দিয়ে আগে কখনই আমরা ডাব কিনিনি। যেহেতু বাজারে ডাবের সরবরাহ কম তাই বাধ্য হয়েই বেশি দাম দিয়ে পাইকারি কিনতে হচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।’

জয়পাড়া খারাকান্দা এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেনের বাবার শরীরের পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণে প্রতিদিন ডাব খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। যে কারণে কিছু দিন ধরে নিয়মিত ডাব কিনছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন আগে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় প্রতি পিস ডাব কিনলাম। এরপর বেড়ে দাম হলো ১৮০ টাকা। এখন সেই ডাব কিনতে হচ্ছে প্রতি পিস ২০০-২২০ টাকায়। হঠাৎ করে কীভাবে ডাবের দাম অতিরিক্ত বেড়ে গেল। এ রকম চলতে থাকলে আমাদের মত সাধারণ ক্রেতারা কিভাবে কিনবো?