দোহারে আঙ্গুরের সফল চাষ

সোহেল বাবুঃ দোহার থানার লটাখোলা গ্রামের আমির হোসেন নিজ বাড়ীতে আঙ্গুর চাষে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছেন। আমির হোসেন নিউজ৩৯ এর প্রতিবেদক সোহেল বাবুকে বলেন, প্রায় ৩ বছর পূর্বে অনেকটা শখের বশে ২টি আঙ্গুর গাছের চারা তিনি ২০০ টাকায় লটাখোলা সিফাত নার্সারি থেকে কিনে আনেন। এর মাঝে একটি চারা মারা যায়। তিনি অপর চারাতিকে বাঁশের মাচা বানিয়ে উপরে উঠিয়ে দেন। এরপর কৃষি অফিসের পরামর্শ মোতাবেক তিনি নিয়মিত সার ও কীটনাশক স্প্রে করেন। প্রথম বছরেই তার গাছে প্রায় ১৫ কেজি আঙ্গুরের ফলন হয়। এ বছর তার উৎপাদিত আঙ্গুরের পরিমাণ প্রায় ২৭ কেজির মতো।

এলাকার সবাই বসত বাড়ীতে তার এ সাফল্য দেখার জন্য আসছেন।
শখের বশে যে কাজটি করে ছিলেন বাড়ির ফলের চাহিদা মেটানোর জন্য; সেই কাজটি তাকে প্রেরনা দিচ্ছে বাণিজ্যকভাবে ফলনের। আগামী বছর থেকে তিনি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আঙ্গুরের চাষ করবেন।

https://lh6.googleusercontent.com/-gqBqxTh6J7A/T6Eyj0Ml1ZI/AAAAAAAAA6s/9cGBHVyj3U4/s600/Babu%2520n97080.jpg

নবাবগঞ্জে মাদকব্যবসায়ীদের সাথে জনগনের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

নবাবগঞ্জ  উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ করায় গতকাল সোমবার গোবিন্দপুর বাজারে  মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে গ্রামবাসীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মোজাম্মেল হকের ছেলে  প্রিন্স (২২) ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ করায়  গত ৩০ এপ্রিল মোসলেমহাটি নামক স্থানে যাওয়ার পথে মাদক বিক্রয়কারী সন্ত্রাসীরা তার গতিরোধ করে। এসময় তার সাথে থাকা ৯০ হাজার টাকা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছিনিয়ে নেয়। তার আর্তচিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা প্রিন্সকে এলোপাতারি আঘাত করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়।

এর জের ধরে গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে প্রিন্স পক্ষের লোকজন ও মাদকব্যবসায়ীদের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র রামদা, চাপাতি ও লাঠিসোটা নিয়ে গোবিন্দপুর বাজারে ঘন্টাব্যাপি ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এব্যাপারে এস.আই মোশারফ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেফতারের প্রস্তুতি চলছে।

দোহার নবাবগঞ্জে ঢিলে ঢালা হরতাল পালিত

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে সারা দেশে চতুর্থ দিনের হরতাল শেষ হয়েছে রোববার। একই দাবিতে সোমবার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। তবে দোহার নবাবগঞ্জে স্থানীয় ভাবে কোন প্রভাব পড়েনি। ছিল না কোন মিটিং মিছিল বা পিকেটিং। তবে কোন বাস ই ঢাকা যাতায়াত করেনি। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুবদলের এক নেতা জানান, দাদা ( নাজমুল হুদা) বলেছেন আপাততঃ মাঠে থাকার দরকার নাই, সবাই পুলিশি হয়রানি এড়িয়ে নিরাপদে থাকো। আর যারা অগ্রিম জামিন নিয়েছে তারাও নিরাপদ অবস্থান নিবে। সময় হলে নির্দেশ দেওয়া হবে। 

তবে দ্বিধাবিভক্ত দোহার নবাবগঞ্জ বি এন পি এর অন্য আরেক নেতা আঃ মান্নান তার ধানমন্ডির বাসা থেকে হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশি বাধায় তা সম্ভন হয়নি।এখান থেকে পুলিশ ৬ জনকে আটক করে।

তবে বিএনপির নেতা এম ইলিয়াস আলী ‘নিখোঁজ’ হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল শনিবার ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপির দুই পক্ষ। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে তাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বেলা ১১টার দিকে ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আবদুল মান্নান পক্ষের নেতা-কর্মীরা নবাবগঞ্জের শুরগঞ্জ থেকে একটি মিছিল বের করে বাগমারা বাজার পর্যন্ত এলে পুলিশের বাধার মুখে ফিরে যায়। পরে তারা শুরগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে সমাবেশ করে।

আবেদ হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির একাংশের সাধারণ সম্পাদক (মান্নান গ্রুপ) হারুনুর রশিদ ওসমানী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম, আবদুল বাতেন, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মহসীন উদ্দিন (ভিপি পলাশ), সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন প্রমুখ।

অপরদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের পক্ষের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নবাবগঞ্জ সদর দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন নেতা-কর্মীরা। বাগমারা বাজার পর্যন্ত গেলে পুলিশের বাধার মুখে তাঁরা মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করেন।

সমাবেশে খন্দকার আবু আশফাক অভিযোগ করেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার হত্যা, গুম ও মামলা-হামলার রাজনীতিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ জুলুমবাজ সরকারের পতন ঘটাতে নেতা-কর্মীদের রাজপথে থাকতে হবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির অপর অংশের সহসভাপতি আবদুল ওয়াহিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকার, মো. আখতার হোসেন, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুজ্জামান, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

দোহারে ইয়াবাসহ যুবক আটক

ক্রাইম রিপোর্টারঃ
দোহার থানা পুলিশ ৬ পিস ইয়াবাসহ এক বিক্রেতাকে আটক করেছে। যুবকের নাম সুমন হোসেন। বয়স ১৮ । গ্রাম- চর জয়পাড়া। পিতা- আলম হোসেন। জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই নুর আলমের নেতৃত্বে দোহার থানা পুলিশের একটি টহল দল শনিবার জয়পাড়া অবকাশ সিনেমা হলের সামনে থেকে দুপুর ১.৩০ মিনিটে তাকে হাতে-নাতে গ্রেফতার করে। এ ব্যাপারে দোহার থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা হয়েছে। মামলা নং ২৬ । বাদী- এস আই নুর আলম।

নবাবগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে: আহত ৩০

স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ ৩৯ :: ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর নিমতলা এলাকায় শুক্রবার যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে কমপক্ষে ৩০ বাসযাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বান্দুরা থেকে ঢাকাগামী এন মল্লিক পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাস নবাবগঞ্জ সদর নিমতলা এলাকায় মোড় নিতে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে কমপক্ষে ৩০ বাসযাত্রী আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি করে।

গাড়ি চালক ও হেলাপার পলাতক রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

.

ছবি: ফেসবুক থেকে সংগৃহিত

নবাবগঞ্জে নবজাতক শিশুর লাশ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ ৩৯ ♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ মাঠের পাশে ইছামতি নদীর পাড় থেকে বুধবার এক নবজাতক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৫টার দিকে স্থানীয় যুবকরা দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ মাঠে ক্রিকেট খেলার সময় বল ব্যাটের আঘাতে ইছামতি নদীর ঘাটে যায়। এসময় এক যুবক বলটি আনতে গেলে শিশুর লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশে খবর দিলে ঘনাটনাস্থল থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নবাবগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহ্জাহান জানান, কে বা কারা নবজাতকের মৃতদেহ নদীর পাড়ে ফেলে রেখে যায়। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

নবাবগঞ্জে দিন-দুপুরে ফিল্মি কায়দায় স্কুল ছাত্রী অপহরণ

স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ ৩৯ ♦ নবাবগঞ্জ উপজেলার দশম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে জোড় করে অপহরণ করে নিল বখাটেরা। রবিবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ৩/৪জন উশৃঙ্খল যুবক চুড়াইন আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী রুনা (ছদ্মনাম) (১৫) কে জোর করে দিনদুপুরে সিএনজিতে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় গ্রামবাসী সুত্রে জানা যায়, একই এলাকার মিশু গাজী (২৫) নামে এক যুবক রুনার (১৫) সাথে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়তে দীর্ঘদিন চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়। মোবাইলে ও স্কুলে যাওয়ার পথে তাকে উত্যাক্ত করত। রুনার বিয়ে ঠিক হয়েছে জানতে পেরে রবিবার সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে মিশুসহ  ৩/৪জন যুবক ফিল্মি স্টাইলে দিন দুপুরে সকলের সামনে সিনজিতে তুলে নিয়ে যায়।

মেয়েটির আর্তচিৎকারে স্থানীয় জনতা মোটরসাইকেলে করে ধাওয়া করে শ্রীনগর থানার আলমপুর বাজার পৌঁছলে বাজারে অবস্থানরত জনতা রুনার চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে মিশু ও তার সঙ্গীরা পালিয়ে যায়। জনতা রুনাকে উদ্ধার করে তার অভিভাবকের নিকট পৌঁছে দেয়।

গ্রামবাসীর জানায়, বিদ্যালয়ের মেয়েরা মিশুর টিজিংয়ের শিকার হয়ে আসছে অনেকদিন ধরে। আগেও ইভটিজিং এর অভিযোগে তাকে গ্রাম্য শালিশে জুতা পেটা করা হয়।

বিদ্যালয়ের এক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই বিদ্যালয়ের ৪৮২ জন ছাত্রী গতকাল ভয়ে আতঙ্কে স্কুলে ক্লাস না করে বাড়ী ফিরে গেছে। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিসহ অভিভাবকরা রয়েছেন উদ্বেগ উৎকন্ঠায়। দোহার-নবাবগঞ্জে ইভটিজিং এর মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকেরা মেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে স্বস্তিতে নেই। অভিভাবকগণ স্কুল চলাকালে বখাটেদের নিয়ন্ত্রনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এব্যাপারে প্রেমিক মিশু বলে, “আমি তাকে ভালবাসি, তাকে যে কোন শর্তে বিয়ে করতে রাজি আছি।”

আগলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবেদ হোসেন বলেন, “বিষয়টি আমি জানার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছি। স্থানীয়নের নিয়ে থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। এলাকায় তারা চিহ্নিত বখাটে বলে পরিচিত। এরকম ঘটনার বিচার হওয়া উচিৎ।”

নবাবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) বলেন, “থানায় এসে মৌখিক ভাবে অবগত করেছে। মামলা দায়ের করেনি।”

দোহারে বিদ্যুৎ ভোগান্তি চরমে

সোহাগ ♦ দোহারে বিদ্যুৎ সঙ্কট ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। দৈনিক ন্যুনতম চার-পাচ ঘন্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছে গ্রাহকেরা। এছাড়াও প্রতি ঘন্টার লোডশেডিং তো আছেই; তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদুৎ বিতরণ ত্রুটিজনিত বিভ্রাট।  তীব্র গরমে বিদ্যুতের এ ভেল্কিবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে দোহারের জনজীবন। গতকালও কমপক্ষে ১ হাজার ৭শ(?) মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি নিয়ে লোডশেডিং করা হয়েছে যথেচ্ছভাবে।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দফায় দফায় আশ্বস্ত করেছিলেন এক বছরের মাথায় লোডশেডিং থাকবে না। ঘটা করে সংবাদ সম্মেলন করে স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল লোডশেডিংমুক্ত বাংলাদেশের। লোডশেডিং এর কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থী সহ সমাজের প্রতি শ্রেনীর মানুষ।

সুন্দরীপাড়া গ্রামের এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী আকাশ, আতাউর,রাকিব সহ আরো অনেক পরীক্ষার্থী নিউজ৩৯ কে জানান,পরীক্ষা চলছে;কিন্তু লোডশেডিং এর কারনে ভালভাবে পড়তে পারছি না। রাতে হ্যারিকেন অথবা মোমবাতি  জ্বালিয়ে পড়তে হয়।

শিলাকোঠা নিবাসী কৃষক আরজান শিকদার জানান, বিদ্যুতের অভাবে ঠিকমত জমিতে পানি দিতে পারছি না। এতে করে কৃষিকাজ হুমকির মাঝে পড়ে গিয়েছে। ঘরে ঘরে শিক্ষার্থী, শিশু ও বাড়ির মহিলারা  লোডশেডিংয়ের কারনে তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন। দেখা দিয়েছে সর্দি, কাশি, জ্বর ও ডাইরিয়ার প্রকোপ।

বিত্তবানরা আইপিএস ও জেনারেটর দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারলেও মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্নবিত্ত পরিবারের অবস্থা করুন । এমনিতেই জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে; তার ওপর জেনারেটরে ডিজেল ব্যবহারের সামর্থ্য হারিয়েছেন অনেকেই। এছাড়াও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে আইপিএসও ঠিকমত চার্জ হচ্ছে না।

গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিলের পাশাপাশি জেনারেটর বিল, কেরোসিন, মোমবাতির টাকা গুনতে হচ্ছে সমান তালে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের নিকট বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলেই তারা গ্রাহকদের উপর ক্ষীপ্ত হয়ে ওঠেন বলে গ্রাহকদের অভিযোগ।

দোহারে বিএনপির বিচ্ছিন্ন মিছিল: পুলিশের লাঠিচার্জে আহত ১৫

কামরুজ্জামান টুটুল, নিউজ ৩৯ :: বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আলীর নিখোঁজের প্রতিবাদে ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচীর অংশ হিসাবে আজ দোহারে বিএনপি মিছিল করেছে। এতে পুলিশি লাঠিচার্জে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।

সকাল ৯:৩০ টা থেকেই বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা জয়পাড়া কলেজ মার্কেটে, জয়পাড়া মডেল স্কুল মার্কেট, ওয়ান ব্যাংক মোড় ও লটাখোলা হালিম চেয়ারম্যানের বাড়িতে জড়ো হতে থাকে। কিন্তু এর আগেই দোহার থানা পুলিশ জয়পাড়া কলেজ মার্কেটে অবস্থান নেয়। এছাড়া দুপুরে ফুলতলাতেও পুলিশি অভিযান চলে।

এ ব্যাপারে দোহার থানার পিএসআই আলম বলেন, আগামীকালের হরতাল উপলক্ষ্যে যেন আইন শৃঙ্খলার কোন অবনতি না ঘটে এবং জনগণের জান মালের নিরাপত্তার রক্ষার জন্য তারা এই অবস্থান নেয়।

পুলিশি তৎপরতায় কোন স্থানেই বিএনপি নেতা-কর্মীরা দাঁড়াতে পারে নি। জয়পাড়া কলেজ মার্কেটে নজরুল ইসলাম ও আতিকুর রহমান সুয়েমের নেতৃত্বে একটি ঝটিকা মিছিল বের হলে পুলিশি ধাওয়ায় তা পণ্ড হয়ে যায়। এখান থেকে নজরুল ইসলাম মেছের চেয়ারম্যান, শফিক ও আবুল কাসেম নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে নজরুল ইসলাম মেছের চেয়ারম্যানকে ছেঁড়ে দেয়া হয়।

এদিকে জয়পাড়া বাজারে আরেকটি ঝটিকা মিছিল বের হলে পুলিশি ধাওয়ায় তাও পণ্ড হয়ে যায়। এতে অংশ নেয় জয়পাড়া কলেজ শাখা ছাত্রদল সভাপতি ও সেক্রেটারিসহ প্রায় ৬০/৭০ জন নেতা কর্মী । এখান থেকে আটক করা হয় মিলন, লিপন, আঃ রহীম ও যুবদল নেতা মিজান মোল্লা। এভাবে প্রায় দুপুর একটা পর্যন্ত উভয় পক্ষে ধাওয়া ও পাল্টা মিছিলের চেষ্টা চলে।

দোহারে আলোকিত মানুষ গড়তে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র

আলোকিত মানুষ চাই এই শ্লোগান নিয়ে আলোকিত মানুষ গড়তে প্রতি সোমবার দোহারে আসছে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের বইয়ের গাড়ি। জানা গেছে এখন থেকে নিয়মিত এই কার্যক্রম চলবে।

প্রতি সোমবার দুপুর ১২.৩০ টা থেকে ১.৩০ পর্যন্ত জয়পাড়া কলেজ মার্কেটে, ১.৩০ টা থেকে ২.০০ পর্যন্ত জয়পাড়া মডেল স্কুল মাঠে আর বেলা ২.০০ টা থেকে ২.৩০ টা পর্যন্ত মডেল স্কুল মার্কেটে এই গাড়ি অবস্থান করবে।

এ ব্যাপারে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের পাঠাগার সহকারি আব্দুল্লাহ আল কুরাইশি নিউজ ৩৯ কে জানান, আলোকিত মানুষ গড়তে আমাদের কার্যক্রম ধীরে ধীরে বাংলাদেশের প্রতিটি থানায় সমপ্রসারিত হবে।

তিনি আরও বলেন, যে কেউই আমাদের সদস্য হতে পারবে। ১০০ টাকার বিনিময়ে সাধারণ সদস্য ও ২০০ টাকার বিনিময়ে বিশেষ সদস্য হতে পারবে। আর একজন সাধারণ সদস্য এক মাসে ২০০ টাকা সম্মানের বই ও বিশেষ সদস্য ৪০০ টাকা সম মানের বই প্রাথমিক অবস্থায় নিতে পারবে।
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের এই উদ্যোগ দোহার থানায় ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। অভিভাবকদের আশা এতে ছেলে মেয়েরা সৃজনশীলতার পাশাপাশি, তাদের নৈতিকতারও বিকাশ ঘটাবে।