আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা তা দুদকের তদন্তেই প্রমান হবে: মান্নান খান

0

অবৈধ সম্পদের অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান বলেছেন, “আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তে সত্য উদঘাটিত হবে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় তিনি দুদক কার্যালয়ে এলে সকাল পৌনে ৯টায় তার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়।
সকাল সোয়া ১১টায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুদকে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি যা বলার দুদককে বলেছি। তারা আমার বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয়েছে বলে আশা করছি। দুদকের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।

১২ জানুয়ারি সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খানসহ ৭ জনের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। মূলত হলফনামায় যাদের অস্বাভাবিক সম্পদ বেড়েছে দুদক তাদের ওপর অনুসন্ধান করছে। প্রাথমিক পর্যায়ে সাতজনের অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যদেরও সম্পদের অনুসন্ধান করা হবে।

হলফনামার তথ্যানুযায়ী, পাঁচ বছর আগে আব্দুল মান্নান খানের সম্পত্তি ছিল ১০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। পাঁচ বছরের ব্যবধানে তা ফুলে ফেঁপে হয়েছে ১১ কোটি তিন লাখ টাকা। আগে তার বার্ষিক আয় ছিল তিন লাখ ৮৫ হাজার টাকা। সেই আয়  বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন কোটি ২৮ লাখ টাকায়। পাঁচ বছরের মন্ত্রিত্বকালে তার সম্পত্তি ১০৭ গুণ বেড়েছে। কীভাবে তিনি এ পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন তা দুদক খতিয়ে দেখছে।
এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি তাকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি সেদিন হাজির হননি।

কলেজ ছাত্র দেলোয়ার চারদিন যাবৎ নিখোঁজ

0

গত শনিবার থেকে নিখোঁজ আছেন দোহারের সন্তান ও ঢাকা সিটি কলেজের মেধাবী ছাত্র দেলোয়ার। সে দোহার উপজেলার শিলাকোঠা গ্রামের শেখ বদর উদ্দিন ছেলে। পারিবারিক সূত্র নিউজ৩৯কে জানানো হয়, শেখ মোহাম্মদ দেলোয়ার গত ২২ ফেব্রুয়ারী শনিবার সকাল ৮ টায় তার দোহারের বাসা থেকে কলেজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। সে ঢাকা সিটি কলেজে ব্যবসায় শিক্ষা শাখার প্রথম বর্ষের ছাত্র। দুপুর ১২টার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তার পরনে ছিল ব্লেজার, জিন্স প্যান্ট ও চেক শার্ট। উচ্চতা ৫ফুট ৭ ইঞ্চি। গায়ের রং ফর্সা। তার সকল আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের বাসা খোজ করেও কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে দোহার থানায় শনিবার সন্ধায় একটি জিডি করা হয়েছে, নং- ৮৭৫/২২-০২-২০১৪। পুত্রের সন্ধান চেয়েছেন পিতা- বদর উদ্দিন। যোগাযোগ-০১৭১২২২৮৯৩০দোহার থানা থেকে জানানো, সবভাব্য সকল পদক্ষেপ ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে। 

মান্নান খানের দুর্নীতিই নবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের ভরাডুবির কারন

0

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১ মাস ১৪ দিন পর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। সংসদ নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ না করলেও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সব দল স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহম্মেদের মধ্যে ভোটযুদ্ধ হয়। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল মন্ত্রী মান্নান খানের দুর্নীতি, ব্যর্থতা ও নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়নের কারণে চরম ভরাডুবি হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহম্মেদ ঝিলু নিজ কেন্দ্রেও পরাজিত হওয়ায় তার প্রতি নেতাকর্মীরা বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন। হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা যন্ত্রাইল ও নয়নশ্রী এলাকায় স্বাধীনতার পর বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী পাস করলেও এ নির্বাচনে অবমূল্যায়ন ও অদক্ষতার কারণে নিশ্চিত পরাজয় বরণ করতে হয়েছে বলে তৃর্ণমূল নেতাকর্মীরা মনে করেছেন।

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুল মান্নান খান পাস করলেও পরবর্তীতে তিনি জনগণের ইচ্ছা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছেন। আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুল মান্নান খান মন্ত্রী হওয়ার পর ২০০৯ সালে উপজেলা নির্বাচনে গ্র“পিং তৈরি করে একক প্রার্থী না দিয়ে দুজন প্রার্থী দাঁড় করান। ফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দুজনই হেরে যান। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হয়। এ নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল সৃষ্টি হলে নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ে। দলীয় নেতাকর্মীরা হতাশ হয়ে পড়েন। এছাড়া মন্ত্রীর পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি পত্র-পত্রিকা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশ পাওয়ায় আওয়ামী লীগের ওপর স্থানীয় জনসাধারণ আস্থা হারিয়ে ফেলে। মন্ত্রীর অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ভোটের সংখ্যা কমতে থাকে। দশম সংসদ নির্বাচনে আবদুল মান্নানকে ভোট না দিয়ে তারা তার প্রতিপক্ষকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন। এছাড়া উপজেলা নির্বাচনে নাসির উদ্দিন ঝিলু, দলীয় লোকজনদের মূল্যায়ন না করা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় না রাখাকে আবদুল মান্নানের পরাজয়ের মূল কারণ বলে স্থানীয় ভোটাররা মনে করেন। ২০০৮ সালে সংসদ নির্বাচনে যন্ত্রাইল ইউনিয়নে ৫ হাজার, নয়নশ্রী ইউনিয়নে ৩ হাজার ভোট বেশি পেয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী পাস করেন। এ বছর হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে ভোট দেয়নি বলে কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়। নামপ্রকাশ্যে অনিচ্ছুক হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন নেতা বলেন, ত্রাস সৃষ্টিকারী ও সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয়ায় এবং হিন্দু সম্প্রদায়কে যথাযথ মূল্যায়ন না করায় হিন্দুরা তাকে ভোট দেননি।

এবার উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুজন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দলের সমর্থিত নাসিরউদ্দিন আহমেদ ঝিলু ও বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা প্রচার সম্পাদক শেখ হান্নান উদ্দিন।
ঝিলুর পক্ষে ভোটের দুই-একদিন আগে মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দেখা যায়। কিন্তু অনেক নামি-দামি নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি। নেতাকর্মীদের গণসংযোগেও তেমন তৎপর দেখা যায়নি। নিজে বিজয় নিশ্চিত মনে করে সহকর্মী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে বলে মাঠ পর্যায় থেকে অভিযোগ ওঠে।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহম্মেদ ঝিলু উপজেলা নির্বাচনে ২৬ হাজার ৪১০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হওয়ায় নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়া দুটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত না হলে প্রায় ৩০ হাজার ভোটে ব্যবধানে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। এবারের পরাজয় থেকে আওয়ামী লীগের শিক্ষা নেয়া উচিত বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।

শীঘ্রয়ী বিএনপিতে প্রত্যাবর্তন নয়: নাজমুল হুদা

0

গত ১৯ তারিখের প্রথম দফা উপজেলা নির্বাচনে নাজমুল হুদার নির্বাচনী এলাকায় তার ছোট ভাই কামরুল হুদা দোহার উপজেলায় স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়। আর তাতে একটু নড়েচড়েই বসে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। বিজয় লাভের পর বুধবার রাতে তাৎক্ষনিক এক প্রতিক্রিয়ায় কামরুল হুদা জয়পাড়া কলেজ মোড়ে আভাস দিয়েছিলেন তারা বিএনপি চেয়ারপারসন  খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে যাবেন চলতি সপ্তাহে এবং তাদের সেই অভিষ্ট ইচ্ছার কথা জানাবেন নেত্রীকে।

এদিকে ভুল স্বীকার করে আবার বিএনপিতেই ফিরছেন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা  এবং চলতি মাসেই যেকোনো সময় বিএনপি চেয়ারপারসন  খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করে তিনি দলটিতে যোগ দেবেন বলে বিএনপির দপ্তর সূত্র বিষয়টি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছে বলে সংবাদ প্রকাশ হলেও তা ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। শনিবার রাতে নিউজ৩৯কে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন তার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। বলেছেন তার ৩ দফার কথা।
তবে নাজমুল হুদার বরাবরের মতো নিউজ৩৯ এর কে জানান, তিনি বিএনপিতেই ছিলেন এতোদিন, বিএনপিতেই আছেন।তবে তিনি তোষামোদকারীদের সাথে নেই। যে দলের তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সে দলে যদি সিদ্ধান্ত দিতে তিনি না পারেন তবে সে দলের সাথে সক্রিয় রাজনীতি করা যায় না।
তিনি বলেন তিনি তার মানবাধিকার সংস্থা কে নিয়ে ৩টি দফা নিয়ে সারাদেশ প্রচারে নামছেন। সে ক্ষেত্রে সকল জাতীয়তাবাদী শক্তি ও পক্ষকে এক করে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জোট’ নামে একটি নতুন জোটের জন্মও হতে পারে বলে তিনি জানান। এই দফাগুলোতে রয়েছে ; এক- সুস্থ রাজনীতির মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। আর সুস্থ রাজনীতি মানে হানাহানি ও গালাগালি বন্ধ করে পরমত সহিষ্ণু রাজনীতি। দুই- দূর্নীতি ও দলীয় রাজনীতির উর্ধে উঠে দেশপ্রেমের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করা। প্রশাসনকে দলীয় করণ মুক্ত করা। তিন- ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য নিরাপদ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য অগ্রসর হওয়া।

তিনি বলেন, তিনি আগামী পাচ বছর তার দলকে শক্তিশালী করবেন এবং দোহার বাদে বাকি ২৯৯ আসনে নির্বসাচনের জন্য প্রার্থী বাছাই করবেন। তবে যদি বিএনপি’তে ফিরে যাবার মতো পরিবেশ হয় সেক্ষেত্রে তিনি চিন্তা করে দেখবেন বলে জানান। আর দোহারে তার মনের মতো বিএনপি প্রার্থী দিতে না পারলে এখানেও তিনি প্রার্থী দিবেন বলে জানান নিউজ৩৯কে।
উপজেলা নির্বাচনে কামরুল হুদা দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৩৮ হাজার ৭৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রাথী ইঞ্জিনিয়ার মেহেবুব আনারস প্রতীকে পেয়েছিলেন ২৬ হাজার ৫৮৫ ভোট। ফলে স্থানীয় বিএনপি পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকেই প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাচ্ছে।
উল্লেখ্য, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ২০১০ সালে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন স্থায়ী কমিটির সদস্য নাজমুল হুদা। পরে ২০১২ সালের আগাস্ট মাসে তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) নামের একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দেন। এরপর ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিজেই ওই দল থেকে নিজের নাম সরিয়ে নেন।

নির্বাচনি সহিংসতা : নবাবগঞ্জে হিন্দুপাড়ায় হামলা

0

নিউজ৩৯ ডেস্ক: প্রথম দফা উপজেলা নির্বাচন শেষ হলেও এই নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা এখনও অব্যাহত রয়েছে। গতকালও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। ঢাকার নবাবগঞ্জের শিকারীপাড়া ইউনিয়নের আনন্দনগর ও মনিকান্দা এলাকার হিন্দুপাড়ায় হামলা চালিয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ায় ঢাকার নবাবগঞ্জের শিকারীপাড়া ইউনিয়নের আনন্দনগর ও মনিকান্দা এলাকার হিন্দুপাড়ায় হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির খোন্দকার আবু আশফাকের পক্ষে বিজয় মিছিল নিয়ে দোয়াত-কলমের পক্ষে স্লোগান দিতে থাকে । এ সময় কে বা কারা মিছিল চলে যাওয়ার পর  শিকারীপাড়া ইউনিয়নের আনন্দনগর এলাকার হিন্দুপাড়ায় হামলা চালায়। এ সময় তারা এলাকার নিতাই দাস, কালীদাস দত্ত ও বিশ্বজিত্ হালদারের বাড়িতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘরের বেড়া কোপাতে থাকে। কয়েক যুবক ঘরে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। এরপর মনিকান্দা গ্রামের আওয়ামী লীগ কর্মী মাসুদ দেওয়ানের বাড়িতে হামলা চালায়। ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ওসি জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

দোহারের আওলিয়াবাদে দুর্ধষ চুরি

0

গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে সবাই যখন ভাষা দিবস উৎযাপনে ব্যস্ত, তখন সুযোগ বুঝে দোহারের আওলিয়াবাদে দূর্ধষ চুরি সংগঠিত হয়েছে। সৌদি প্রবাসী মোঃ কিরনের হোসেনের বাড়িতে এই চুরি সংঘঠিত হয়। এসময় তার বাড়ি থেকে ১৫ ভরি স্বর্ণ ও ১২ হাজার সৌদি রিয়ালসহ প্রায় লক্ষাধিক টাকার কসমেটিক সামগ্রী(যা সৌদি থেকে প্রবাসীরা তাদের আত্মীয়-স্বজনদের জন্য পাঠিয়েছিল) নিয়ে যায়।

সকালে কিরন হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া জানালার গ্রীল কাটা দেখে  তাকে খবর দিলে তিনি ঘরে ঢুকে তার আলমারী ওয়াড্রবের তালা ভাঙ্গা দেখতে পান। উল্লেখ্য: ২১ ফেব্রুয়ারী তিনি শাইনপুকুরস্থ তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন।
দোহার থানা পুলিশের এস.আই সিকেন্দার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং জানিয়েছেন এই চুরির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি চলছে।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন: আবু আশফাক, মহসিন, মরিয়ম নির্বাচিত

0

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নবাবগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে দোয়াত কলাম প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক। তিনি পেয়েছেন ৭১ হাজার ৫৪৬ ভোট; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু মটর-সাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ১৩৬ ভোট।  খন্দকার আবু আশফাক ২৬ হাজার ৪১০ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

অন্যান্যদের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা:

মাকসুদ খান মজলিস (কাপ পিরিচ)- ১০,৬৯৬ ভোট
শেখ হান্নান (ঘোড়া)- ২,৬১২ ভোট

 

ভাইস-চেয়ারম্যান পদে মহসিন রহমান আকবর মাইক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৩৬ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নূরুল আলম আতিকী বৈদ্যুতিক বাল্প প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪২২ ভোট। ফলাফল- মহসিন রহমান আকবর ১৯ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

অন্যান্যদের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা:
হুমায়ন কবির (সিংহ)- ১২৬০৯ ভোট
নাসির আহম্মেদ পলাশ (জাহাজ)- ১০১৪৮ ভোট
মো:আজিজুর রহমান ভূইয়া (তালা)- ৯৭৩০ ভোট
এড.দিপঙ্কর সরকার (চশমা)-৯,২৯৫ ভোট
মনিরুজ্জামান মনির (টিউবওয়েল)- ৮৬৮০ ভোট
বোরহান হোসেন (টাইপ রাইটার)- ৬০৮৪ ভোট
শাহীন ইকবাল (বই)- ৫৭৬১
মো: মাসুদ মোল্লা (উড়ো জাহাজ)- ৪৪৫১ ভোট
সাগর (দাবা বোর্ড)- ৩৫৮২ ভোট
আব্দুল সামাদ (টিয়া)- ১৭৩৪ ভোট

মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে অ্যাড মরিয়ম জালাল কলস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৮৬২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইয়াসমিন আক্তার প্রজাপ্রতি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ২৮৫ ভোট। ফলাফল- অ্যাড মরিয়ম জালাল ১০ হাজার ৫৭৭ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

দোহারে শামিমা রাহিম মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত

0

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দোহারে উপজেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে বেসরকারী ভাবে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন শামিমা রাহিম, তিনি হাঁস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪১,৮৮৩ ভোট। অন্যান্যদের প্রাপ্ত ভোট:

শামিমা আক্তার বিথী বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক নিয়ে ১৮০৫৭ ভোট

উম্মে সালমা সীমা ১০,০২৪ ভোট

বেগম রাহিমা কলস প্রতীক নিয়ে ৭,৫৭৫ ভোট

পলি বেগম ফুটবল প্রতীক নিয়ে ৪,৭৩৪ ভোট

দোহারে মাসুদ পারভেজ ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত

0

দোহারে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাসুদ পারভেজ, তিনি ২৫,৯৬১ টি ভোট পেয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ সালাহউদ্দিন পেয়েছেন ১৫২৩২ ভোট। অন্যান্যদের প্রাপ্ত ভোট:

ফজলুল হাসান বেলায়েতি উজাহাজ প্রতীক নিয়ে ৮৬৮৪ ভোট

ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন সমর্থিত প্রার্থী কামাল হোসেন ঘড়ি প্রতিক নিয়ে ৭৭৯৭ ভোট

সাংবাদিক কামরুল ইসলাম জাহাজ প্রতীক নিয়ে ৫২৮৬ ভোট

বাশার হোসেন টাইপ রাইটার প্রতীক নিয়ে ৪০০২ ভোট

বই আব্দুল আওয়াল আকন্দ বই প্রতীক নিয়ে ৩৮৯৬ ভোট

জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান পান পাতা প্রতীক নিয়ে ৩৩২৪ ভোট

বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা মহম্মদ আলী ৩০৩৩ ভোট

আব্দুল হাকিম বৈদ্যুতিক বাল্ব প্রতীক নিয়ে ১২৭১ ভোট

আব্দুল মান্নান সমর্থিত প্রার্থী জিয়াউদ্দিন ভুইয়া রাজু ১২২৯ ভোট পেয়েছেন।

দোহারে বেসরকারীভাবে কামরুল হুদা জয়ী

0

দোহার উপজেলার সবক’টি (৭৫টি) কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী বেসরকারী ভাবে চেয়ারম্যান পদে কামরুল হুদা কামাল বিজয়ী হয়েছেন।

কামাল দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৮,৭৫৪টি ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইঞ্জিনিয়ার মেহেবুব আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৬,৪৮৫ টি ভোট, সালাহউদ্দিন মোল্লা মটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭,৮৮৬ টি ভোট, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আলী আহসান খোকন শিকদার পেয়েছেন ৭,৭৪৬ টি ভোট ও আব্দুল কাদের মাস্টার ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩,৩০৯ টি ভোট।