দোহারে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

পদ্মায় ক্রমাগত পানি বৃদ্ধির ফলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে দোহারে। পদ্মার পানি বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট বন্যায় পানি বন্দি হয়ে পড়েছে দোহারের ২০ হাজার মানুষ। বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে বেশ কিছু বিদ্যালয়।

দোহারে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির ফলে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে নতুন বেশ কিছু অঞ্চল। দোহারের সর্ব পশ্চিমের ইউনিয়ন নয়াবাড়ির এক তৃতীয়াংশ বন্যা কবলিত। বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় নয়াবাড়ির ধোয়াইর ও বাহ্রা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষনা করা হয়েছে। বন্যার পানি দিনে দিনে বৃদ্ধি পাওয়ায় যেকোন সময় বন্ধ ঘোষনা করা হতে বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়।

এদিকে কুসুমহাটি ইউনিয়নের বেরিবাধের বাইরের অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বন্যার পানিতে। এরই মাঝে বন্যার পানি প্লাবিত হওয়ায় বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে সুন্দরীপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়। পানি বন্দি হয়ে পড়েছে এই ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবার।

এদিকে চর মাহমুদপুর ইউনিয়ন ও বিলাশপুর ইউনিয়নের নতুন নতুন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

বন্যা ও ভাঙ্গনে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ধারন করেছে নারিশা ইউনিয়নে। পদ্মার ভাঙ্গনে হুমকির মুখে মেঘুলা বাজার। আর ক্রমাগত পানির চাপ বাড়ার কারনে হুমকির মুখে রয়েছে দোহার থেকে ঢাকার সড়ক পথ। কিছু কিছু জায়গায় পানি প্রায় বেড়িবাধের সমান হয়েগেছে। ফলে যেকোন সময় বেরিবাধের উপর দিয়ে পানি উপচে পড়ে প্লাবিত হতে পারে নতুন নতুন অঞ্চল।

বন্যা দূর্গতদের ত্রান সহায়তা নিয়ে এখনও উপজেলা প্রশাসন কোন উদ্যোগ দেয় নি।

বিশ্ব বাঘ দিবস: সঙ্কটে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার

জলবায়ু পরিবর্তন, শিকারিদের দৌরাত্ম্য, অবাধ চলাচলে বাধা সৃষ্টি ও খাদ্য সঙ্কটসহ প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট ত্রিবিধ হুমকিতে (থ্রেটের কারণে) বাঘের বাসযোগ্য প্রতিবেশ ধ্বংস হচ্ছে।  প্রাকৃতিক দুর্যোগ, গণপিটুনি, চোরা শিকারিসহ নানা কারণে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। আর এ কারণে সঙ্কটে পড়েছে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। তাই সুন্দরবনে বাঘের আবাসস্থলকে নির্বিঘ্ন করা না গেলে সংরক্ষণ, প্রজনন প্রক্রিয়া ও প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত’ হয়ে বিলুপ্তির আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

সুন্দরবনে বাঘের অবাধ বিচরণ ও যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব বাধা চিহ্নিত করে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন বনবিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

এদিকে, সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার সংরক্ষণে বনবিভাগের নানা প্রক্রিয়া কাজে আসছে না। সর্বশেষ গত ২১ জুলাই সুন্দরবনের বাঘের ১৫ পিস হাড়সহ দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৬। কিছুদিন পর পর খুলনাঞ্চল থেকে বাঘের চামড়া ও হাড় উদ্ধার করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এভাবে ক্রমেই বাঘশূন্য হতে চলেছে সুন্দরবন। এ অবস্থায় আজ (২৯ জুলাই) পালিত হচ্ছে বিশ্ব বাঘ দিবস।

পৃথিবীতে বাঘ রয়েছে এমন ১৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। কিন্তু সুন্দরবনের বাঘ রক্ষায় যথাযথ পরিকল্পনা ও উদ্যোগ না থাকায় আশঙ্কাজনকভাবে কমছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা। ৬ হাজার ১৭ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের সুন্দরবনে ১৯৮২ সালে বাঘ ছিল ৪৫৩টি। ২০০৪ সালে শুমারি অনুযায়ী তা কমে দাঁড়ায় ৪৪০টিতে। আর সর্বশেষ ২০১৫ সালের জরিপে সুন্দরবনের ভারত অংশে বাড়লেও বাংলাদেশ অংশে বাঘের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১০৬টিতে।

বিশ্বখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রধান আবাসস্থল সুন্দরবন হলেও জলবায়ু পরিবর্তনে পানি-মাটিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, শিকারি ও দস্যুদের দৌরাত্ম, অবাধ চলাচলে বাধা সৃষ্টি ও খাদ্য সঙ্কটসহ প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট বেশকিছু কারণে বাঘের বাসযোগ্য প্রতিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। ফলে সুন্দরবনে বাঘের আবাসস্থল, জীবনাচারণ ও প্রজনন প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তাহীণতার সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সুন্দরবনের বাঘ রক্ষায় যথাযথ পরিকল্পনা ও উদ্যোগ না থাকায় বেড়েছে বাঘের মৃত্যুর হার। গত তিন দশকে সুন্দরবন ও সংলগ্ন এলাকায় চোরা শিকারি ও বনদস্যুদের হানা, গণপিটুনি আর প্রাকৃতিক দুর্যোগে ৬৭টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. দিলীপ কুমার দত্ত বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন, আইলা ও সিডরের আঘাতে সুন্দরবন লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়ায় বন্যপ্রাণীর খাদ্যসঙ্কট দেখা দিয়েছে। যে কারণে হিংস্র বাঘ খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে এবং গ্রামবাসীর গণপিটুনির শিকার হচ্ছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত সুন্দরবন গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক সরদার শফিকুল ইসলাম জানান, বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রধান প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগারের অস্তিত্ব ও প্রবৃদ্ধি হুমকির মুখে পড়েছে। তাই সুন্দরবনে বাঘের আবাসস্থলকে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করা না গেলে সংরক্ষণ, প্রজনন প্রক্রিয়া ও বংশবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়ে বিলুপ্তির আশঙ্কা রয়েছে।

বন সংরক্ষক জহির উদ্দিন আহমেদ জানান, সুন্দরবনের বাঘের সুষ্ঠু সংরক্ষণ ও প্রবৃদ্ধির প্রধান অন্তরায় বাধাগুলোকে চিহ্নিত করে অবাধ বিচরণ ও আবাসস্থলকে নির্বিঘ্ন করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরাপদ প্রজনন পরিবেশ তৈরির কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ানের (র‌্যাব-৬) পরিচালক খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, সুন্দরবনের বাঘসহ বন্যপ্রাণী রক্ষায় চোরাশিকারি, বনদস্যু ও তাদের আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে র‌্যাবের অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে বনদস্যু ও জলদস্যুদের আটক করা হয়েছে। র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়াশি অভিযানের মুখে সুন্দরবনের বনদস্যু মাস্টার বাহিনী, মজনু ও ইলিয়াস বাহিনীর সদস্যরা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করেছে।

দোহার বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাজার প্রতিবাদে ঢাকার দোহার উপজেলা বিএনপি বুধবার সকালে এক বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। উপজেলার লটাখোলা করম আলী মোড়ে বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, তারেক রহমানকে অন্যায়ভাবে সাজা দেয়া হয়েছে। দেশের জনগণ এ রায়কে কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

আওয়ামী লীগ নিজেদের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানোর জন্যই কৌশল করে একের পর এক অন্যায় করে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন নির্বাচন দেয়া ছাড়া এই সরকারের আর কোনো রাস্তা খোলা নেই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ ওসমানী, মহসিন উদ্দিন পলাশ, আবুল কালাম আজাদ, লিটন আহমেদ সেন্টু, শামীম আহমেদ টগর, জিল্লুর রহমান, রাসেল মাহমুদ, দিদার শেখ সিফাত হোসেন, খলিলুর রহমান, মামুনুর রহমান প্রমুখ।

দোহারে সবাইকে নিয়ে জঙ্গিবাদকে প্রতিরোধঃ মাথাচাড়া দিতে দেয়া হবে না

0

দেশের মাটিতে ধর্মের নামে মানুষ হত্যাকারী জঙ্গিগোষ্ঠীকে কখনোই মাথাচাড়া দিয়ে দাঁড়াতে দেয়া যাবে না। এদের প্রতিহত করতে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার দোহার থানা পুলিশ আয়োজিত জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী সুধী সমাবেশে এসব কথা বলেন বক্তারা। ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে থানা চত্বরে এ সমাবেশে  অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল হবেই। দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে দেশী-বিদেশী চক্র ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাদের এ ষড়যন্ত্র কোনো দিনই সফল হবে না। তিনি সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক নেতাসহ নানা শ্রেণীপেশার মানুষকে সচেতন হয়ে এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় মহিলা পার্টির সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি আরও বলেন, দেশ যখন উন্নয়নের দিকে যাচ্ছে ঠিক সেই মুহূর্তে বাধা সৃষ্টি করতে একটি মহল ধর্মের দোহাই দিয়ে বিভিন্ন স্থানে হত্যা ও নাশকতায় মেতে উঠেছে। দেশের এ ক্রান্তিলগ্নে দিশেহারা হলে চলবে না। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব শক্তিকে দৃঢ় মনোবল ও সাহস নিয়ে ’৭১-র মতো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই কুচক্রী মহলের অপতৎপরতা থেমে যাবে। ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান বলেন, জঙ্গিবাদ রোধে পুলিশের পাশাপাশি সমাজের দায়িত্বশীল ও সচেতন মহলকে এগিয়ে আসতে হবে। তরুণদের নিয়ে নতুন করে চিন্তা করতে হবে। তারা যেন পরিবার বা সমাজের চোখ ফাঁকি দিয়ে কখনও সন্ত্রাসবাদের দিকে না ঝুঁকে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইজিআর (ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিস্ট্রার) খান আবদুল মান্নান, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নির্মল রঞ্জন গুহ, দোহার পৌর মেয়র আবদুর রহিম মিয়া, উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা কেএম আল আমিন, এএসপি মিনহাজুল ইসলাম, ওসি শেখ সিরাজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক সুরুজ আলম, ভাইস চেয়ারম্যান মাসুদ পারভেজ, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আলি আহসান খোকন শিকদার, আনার কলি পুতুল, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রজ্জব আলী মোল্লা, ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লা, সাবেক এএসপি মজিবুর রহমান, তোফাজ্জল হোসেন, অধ্যক্ষ তপন নন্দী, রহিম কমিশনার, জাতীয় পার্টি নেতা খন্দকার নুরুল আনোয়ার বেলাল, জুয়েল আহমেদ, ডা. আলাউদ্দিন আল আজাদ, আবদুল আলীম, মশিউর রহমান, বশির আহমেদ, লোকমান হোসেন, হায়দার বেপারি, হাজী মনির হোসেন, যুবলীগ নেতা আলমাছ উদ্দিন, আবদুর রহমান আকন্দ, নারী নেত্রী আসমা আক্তার রুমি, শিল্পী ইসলাম, ছাত্র সমাজ নেতা রাজিব খান, জুবায়ের হোসেন, নজরুল ইসলাম, মনির হোসেন প্রমুখ।

সোনালি ব্যংক নিলাম ডেকেছে সালমান এফ রহমানের বাড়ীর

0

জিএমজি এয়ারলাইন্সের নামে সোনালী ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় নিলামে উঠছে ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানের ধানমণ্ডির বাড়ি। ১২ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকে নিলাম বিজ্ঞপ্তি দেয় সোনালী ব্যাংক। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে চলতি বছরের ৩০ মে পর্যন্ত জিএমজির কাছে ব্যাংকের মোট পাওনা ২২৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আগামী ৩ আগস্ট ব্যাংকের লোকাল অফিস ৩৫-৪২ মতিঝিলে এ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এ নিয়ে চলতি বছরের ২২ মে দৈনিক যুগান্তরে একটি প্রতিবেদন ছাপা হলে নড়েচড়ে বসে সোনালী ব্যাংক। সিদ্ধান্ত নেয় টাকা আদায়ের। আর এর অংশ হিসেবে শেষ পর্যন্ত পাওনা টাকা না পেয়ে নিলাম ডাকতে বাধ্য হয়েছে ব্যাংকটি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের লোকাল অফিসের মহাব্যবস্থাপক ফনীন্দ্র ত্রিবেদী যুগান্তরকে বলেন, নিলাম ডাকার আগে পাওনা আদায়ে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে চূড়ান্ত তাগাদা এবং উকিল নোটিশসহ যা যা করার সবই করা হয়েছে। কিন্তু তারা টাকা না দেয়ায় শেষ পর্যন্ত বন্ধকি সম্পত্তি নিলাম করে টাকা আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তিনি বলেন, এর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে তারা অর্থঋণ আদালতে মামলা করবেন। আর মামলার ভিত্তি হল দুটি। প্রথমত, নিলামে জমি বিক্রি করে ব্যাংকের ঋণের পুরো টাকা পাওয়া না গেলে অথবা বিডিংয়ে কেউ অংশ না নিলে। এই দুই অবস্থায় সাধারণত অর্থঋণ আদালতে মামলা করা হয়। এরপর আদালতের রায়ের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসবে। এদিকে ঋণখেলাপি হয়েও আইন লংঘন করে সম্প্রতি বেসরকারি খাতের আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন সালমান এফ রহমান।

উল্লেখিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সালমান এফ রহমানের বক্তব্য নেয়ার জন্য যুগান্তরের পক্ষ থেকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাড়া দেননি। পরবর্তী সময়ে মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু জানানো হলে তিনি মঙ্গলবার জানান, বুধবার তিনি কথা বলবেন। গতকাল বিকালে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মিটিংয়ে আছেন, পরে কথা বলবেন। কিন্তু এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে দ্বিতীয় দফায় তাকে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকের নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ব্যাংকের টাকা পরিশোধ না করায় জিএমজি এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, পিতা মরহুম ফজলুর রহমান, মাতা মরহুমা সৈয়দা ফাতিনা রহমানের বন্ধকি সম্পত্তি নিলামের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ধানমণ্ডির ২ নম্বর রোডের ১৭ নম্বর প্লটের (নতুন) ১ বিঘা (৩৩ শতাংশ) জমি ও তার ওপরের ভবন এবং নির্মাণাদিসহ নিলামে তোলা হবে। আগামী ৩ আগস্ট বুধবার এ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। অর্থঋণ আদালত আইন-২০০৩ এর ১২ (৩)-এর বিধান অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জানা গেছে, ধানমণ্ডির এ ভবনটির সামনের বামপাশে বেক্সিমকো গ্রুপের কর্পোরেট অফিস, ডানপাশে বেক্সিমকোর নিজস্ব ব্র্যান্ডের পণ্য ইয়োলোর শোরুম এবং পেছনে সালমান এফ রহমানের আবাসিক বাড়ি।

এদিকে ২০১৬ সালের ৩০ মে পর্যন্ত জিএমজি এয়ারলাইন্সের কাছে অনারোপিত সুদসহ ব্যাংকের পাওনা ২২৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা। সূত্র জানায়, ২০০৬ সালে এ ঋণ নেয়া হয়। ওই সময়ে ঋণের পরিমাণ ছিল ১৬৫ কোটি টাকা। পরবর্তীকালে সুদ ও ঋণের স্থিতি বেড়ে যায়।
ঋণখেলাপি হয়েও আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন সালমান এফ রহমান। ১৪ জুলাই আইএফআইসি ব্যাংকের ৩৯তম বোর্ডসভায় তাকে চেয়ারম্যান পদে পুনর্নির্বাচিত করা হয়। কিন্তু ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর (সংশোধিত ২০১৩) ১৫ ধারা ৬ উপধারার (ঊ) বলা হয়েছে, ‘কোনো ব্যক্তি তাহার নিজের কিংবা স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে গৃহীত ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ বা খেলাপি হলে ব্যাংক-কোম্পানি কর্তৃক পরিচালক নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য হইবেন না।’

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ সোমবার যুগান্তরকে বলেন, আইন অনুসারে কোনো ঋণখেলাপি ব্যাংকের পরিচালক বা চেয়ারম্যান হতে পারেন না। তার মতে, এ ধরনের ঘটনা ঘটলে তার দায় বাংলাদেশ ব্যাংকের। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা যুগান্তরকে বলেন, পাওনা আদায়ে নিলাম ডেকেছে কিনা তা আমার জানা নেই। তবে সোনালী ব্যাংক থেকে খেলাপি ঋণের যে তথ্য পাঠানো হয়েছে তাতে সালমান এফ রহমানের নাম নেই। আর সোনালী ব্যাংক তথ্য না দিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু করার নেই।

এদিকে শুধু মুদ্রাবাজারে নয়, পুঁজিবাজারেও সংকট সৃষ্টি করেছে জিএমজি। আর্থিক প্রতিবেদন জালিয়াতি করে শেয়ারবাজার থেকে নেয়া ৩শ’ কোটি টাকা ৭ বছরেও ফেরত দেয়নি কোম্পানিটি। ২০০৯ সালে প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে এই টাকা নেয়া হয়। পরে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে কোম্পানিকে বাজারে তালিকাভুক্ত করেনি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ওদিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পথে বসতে হয়েছে। কেননা তারা আজও টাকা ফেরত পাননি।

জানা গেছে, আইপিওর (প্রাথমিক শেয়ার) আগে মূলধন বাড়াতে নির্দিষ্ট কিছু বিনিয়োগকারীর কাছে শেয়ার বিক্রি করতে পারে কোম্পানি। শেয়ারবাজারের পরিভাষায় একে প্রাইভেট প্লেসমেন্ট বলা হয়। কিন্তু কোম্পানিটি শেষ পর্যন্ত বাজারে তালিকাভুক্তির সুযোগ না পেলে প্লেসমেন্টের টাকা ফেরত দিতে হয়। একই সঙ্গে যতদিন টাকা আটকে রাখা হল, বিনিয়োগকারীদের তার লভ্যাংশ দিতে হয়। সূত্র জানায়, ২০০৯ সালে প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে জিএমজি। এতে ১০ টাকার প্রতিটি শেয়ার ৪০ টাকা প্রিমিয়ামসহ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা নেয়া হয়। এ প্রক্রিয়ায় বাজার থেকে ৩০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে প্রতিষ্ঠানটি।

সূত্র জানায়, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় জিএমজি এয়ারলাইন্স। পরের বছর থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী পরিবহন শুরু করে। ১৯৯৮ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত টানা ৭ বছর প্রতিষ্ঠানটি লোকসানি ছিল। এ সময়ে মোট লোকসানের পরিমাণ ৪২ কোটি টাকা। ২০০৬ ও ২০০৭ সালে ১ কোটি টাকা মুনাফা দেখায়। কিন্তু ২০১০ সালে অলৌলিকভাবে বেড়ে যায় প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা। ওই বছরের প্রথম ৯ মাসে প্রতিষ্ঠানটি ৭৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকা মুনাফা দেখায়।

শেয়ারবাজারে কারসাজি নিয়ে গঠিত খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত রিপোর্টে এ বিষয়ে উল্লেখ করা হয়, ২০০৮ সালের স্থিতিপত্রে হঠাৎ করে ৩৩ কোটি টাকার পুনর্মূল্যায়ন উদ্বৃত্ত দেখানো হয়। এর ব্যাখ্যায় জিএমজি বলেছে, তাদের দুটি বিমানের সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে। তবে বিমান দুটি বেশ পুরনো। স্বাভাবিক নিয়মে পুরনো বিমানের সম্পদের দাম আরও কমার কথা। কিন্তু দাম বাড়িয়ে দেখিয়েছে জিএমজি। এভাবে ১৬৬ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের এ প্রতিষ্ঠানটি প্রিমিয়ামসহ আরও ৩০০ কোটি টাকা সংগ্রহের আবেদন করে। কিন্তু কোম্পানির আর্থিক রিপোর্টে জালিয়াতি ধরা পড়ায় ২০১২ সালে আইপিও আবেদনটি বাতিল করে বিএসইসি। নিয়মানুসারে আইপিও আবেদন বাতিল করার পর বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত দিতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে টাকা আটকে রেখেছে জিএমজি।

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর

 

দোহার বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

0

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাজার প্রতিবাদে ঢাকার দোহার উপজেলা বিএনপি আজ বুধবার সকালে এক বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। উপজেলার লটাখোলা করম আলী মোড়ে বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, তারেক রহমানকে অন্যায়ভাবে সাজা দেয়া হয়েছে। দেশের জনগণ এ রায়কে কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

আওয়ামী লীগ নিজেদের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানোর জন্যই কৌশল করে একের পর এক অন্যায় করে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন নির্বাচন দেয়া ছাড়া এই সরকারের আর কোনো রাস্তা খোলা নেই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ ওসমানী, মহসিন উদ্দিন পলাশ, আবুল কালাম আজাদ, লিটন আহমেদ সেন্টু, শামীম আহমেদ টগর, জিল্লুর রহমান, রাসেল মাহমুদ, দিদার শেখ সিফাত হোসেন, খলিলুর রহমান, মামুনুর রহমান প্রমুখ।

সড়ক দূর্ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন নির্মল রঞ্জন গুহ

0

বুধবার দোহার থানায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে আগমনের সময় সড়ক দূর্ঘটনায় অল্পের জন্য ভয়াবহ দূর্ঘটনায় থেকে রক্ষা পেয়েছে দোহার নবাবগঞ্জের খ্যাতিমান রাজনীতিবীদ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ ও তার স্ত্রী আলো গুহ। কিন্তু তার ব্যাক্তিগত গাড়িটির সামনের অংশ পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়। এতে তার ড্রাইভার আহত হন, নির্মল রঞ্জন গুহ ও তার স্ত্রী পিছনের সিটে থাকায় রক্ষা পান। বিনয়ী এই রাজনীতিবীদ নগর পরিবহনের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি।
এ ব্যাপারে বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ নিউজ৩৯ কে জানান, তিনি ও তার স্ত্রী ঢাকা থেকে দোহার থানার প্রোগ্রামে আসার সময় দোহারের শাইন পুকুরের নিকটবর্তী আসলে বিপরীত থেকে ঢাকাগামী নগর পরিবহনের একটি বাস সরাসরি সামনে ধাক্কা দেয়, এতে আমার ড্রাইভার তাৎক্ষণিক ব্রেক কষলে আমরা বেঁচে যাই, কিন্তু গাড়িটির সামনের অংশ সম্পূর্ণ রুপে বিধ্বস্ত হয়। ভয়াবহ এই দূর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়ায় তিনি স্রিষ্টিকর্তা ও জনগণের দোয়াকে আশীর্বাদ মনে করেন।

প্রিজমায় দোহার-নবাবগঞ্জের আকর্ষণীয় স্থানসমূহের ছবি

0

বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান ‘ক্রেজ’ বা আলোচিত বিষয় হল প্রিজমা। একটি আইওএস ভিত্তিক এপ যা দিয়ে সহজেই ছবিকে হস্তচিত্রে পরিণত করা যায়। প্রথমে শুধু আইওএস এর জন্য বেরুলেও এখন এন্ড্রয়েডের জন্যেও বেরিয়েছে প্রিজমা। নিউজ৩৯.নেট পাঠকের জন্য দোহার ও নবাবগঞ্জের কিছু প্রধান ও আকর্ষণীয় স্থানের ছবিকে প্রিজমা এ্যাপ দিয়ে রুপান্তর করেছে।

ছবির উপর স্লাইড করে এডিট করা ছবির পাশাপাশি মূল ছবি দেখতে পাবেন।

[bafg id=”36321″]

[bafg id=”36323″]

[bafg id=”36324″]

[bafg id=”36325″]

[bafg id=”36326″]

[bafg id=”36328″]

[bafg id=”36329″]

[bafg id=”36330″]

[bafg id=”36331″]

[bafg id=”36332″]

[bafg id=”36333″]

 

দোহারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ অভিযান

ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া বড় বাজার ও পূর্ব বাজারে সোমবার বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ অভিযান হয়েছে। এতে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরা নিপা। বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরের পৌর এলাকাসহ সকল পৌর এলাকার খেলার মাঠ উম্মুক্ত স্থান উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০৪ ও পণ্য পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০-এ তাদেরকে এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

দোহারে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

ঢাকার দোহার উপজেলায় পদ্মা নদী ভাঙন এলাকায় ঢাকা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন পরিদর্শন করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে নারিশা পশ্চিম চর এলাকা থেকে মেঘুলা ঘাট, মধুরচর, বিলাশপুর, মাহমুদপুর হয়ে মৈনট ঘাট পর্যন্ত স্পিডবোট যোগে ঘুরে ভাঙ্গণ এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, পদ্মার ভাঙন কেউ স্বচক্ষে না দেখলে, এটা যে কত ভয়াবহ তা বুঝানো সম্ভব নয়। আমি নিজের চোখে দেখে হতভম্ম হয়েছি। তাই অতি শীঘ্রই পদ্মা নদী ভাঙন কবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য ত্রাণ সামগ্রী প্রেরণ করা হবে। এ ছাড়া তিনি দোহারে পাঁচ শতাধিক ভূমিহীন পরিবার যাতে মাথা গুজার ঠাঁয় পায় সেই ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং দোহারের লটাখোলা করম আলী মোড় সংলগ্ন মাহমুদপুর সংযোগ সড়কের ওপর অকেজো ব্রিজটি সংস্কারের প্রক্রিয়া শেষের দিকে জনস্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে জানান।

এর আগে তিনি দোহার থানা ও ভূমি অফিসের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে স্ব-স্ব কর্মকর্তার সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি দোহার পৌরসভার ডিজিটাল সেন্টারের শুভ উদ্বোধন করেন, জয়পাড়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে জাতীয় মৎস সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন এবং র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।