দোহারে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি

দোহারে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধা ৬ টায়  উপজেলা পদ্মা নদীতে  বন্যার পানি বিপদসীমার ৩৩ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে ভাগ্যকুল পাউবো সূত্র জানিয়েছেন। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বেরিবাধের বাইরে স্কুলগুলোতে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। একই সাথে নয়াবাড়ি, বিলাশপুর, মাহমুদপুর ইউনিয়নের ফসলী মাঠ বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।  গত দু’দিনে অন্ততঃ ৪০ একর জমির ফসল নদীতে বিলীন হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া পানি বৃদ্ধির ফলে পদ্মা নদীর পাড় এলাকার বসি দের দুর্ভোগ আরও বেড়ে চলেছে।

ধসে পড়ার উপক্রম ইছামতির পাড়

ঢাকার অদূরে নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাঙ্গাভিটা ও এপার মাইলাইল এলাকায় ইছামতী নদী থেকে অবৈধভাবে খননযন্ত্র বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় প্রভাবশালী কয়েকটি চক্র। এ কারণে নদীর দুই পাড় ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইছামতীর এপার মাইলাইল এলাকায় একটি ও ভাঙ্গাভিটা এলাকায় চারটি খননযন্ত্র বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করছে প্রভাবশালী চক্র। এ ছাড়া নদীর তীরেও খননযন্ত্র ও কোদাল দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। এখান থেকে উত্তোলনকৃত বালু নিয়ে অন্যত্রে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অবাধে আবাদি জমিতে জলাশয়ের সৃষ্টি হচ্ছে। এভাবে এলাকার অন্তত কয়েক শ বিঘা আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। মাটি কাটায় ও বালু উত্তোলনে কয়েকবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেও এলাকাবাসী ব্যর্থ হন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, এ চক্রের ক্ষমতা আর টাকার কাছে এলাকাবাসী জিম্মি হয়ে পড়েছে।

নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ পলাশ বলেন, অত্র এলাকায় অবৈধ খনন কাজ বন্ধ করার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, যাতে এসব কাজে বাধা না থাকে সেজন্যই একটি চক্র সুপরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। মনে হচ্ছে যুবলীগ কমিটিতে যাতে পলাশ কোন পদ না পায় সেজন্য আমাকে বালু উত্তোলন কাজে জড়ানোর চেষ্টা করছে একটি গ্রুপ। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা আমার বিষয়ে অবগত আছে। তিনি আরো বলেন, পলাশ নয়- বরং যারা পলাশকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে বিতারিত করতে চেয়েছে সেই কুচক্রি মহলই- দীর্ঘদিন ধরে ইছামতী নদীর কৈলাইল শালিকা, মাইলাইল পয়েন্টে নদী থেকে বালু উত্তোলন ও পাড় থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছেন।

নবাবগঞ্জে সরকারি ধান ক্রয়ে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের শুরুতেই কৃষকের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয় ১ মণে ৪২ কেজি ধান সংগ্রহ করছে খাদ্য গুদামে। এতে করে ধানের ন্যায্য দাম পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। ফলে প্রান্তিক চাষিরা মহাজন ও পাওনাদারদের টাকা পরিশোধের ব্যাপারে পড়েছেন দুশ্চিন্তায়।

উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের মরমন্দি গ্রামের কৃষী অফিসের কার্ড ধারী কৃষক রুবেল মাদবর বলেন , কৃষকের উৎপাদিত ধান বাজারে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় সরকারিভাবে খাদ্য গুদামে মণ প্রতি ৯২০ টাকায় সংগ্রহ শুরু করা হয়। কিন্তু কৃষকরা গুদামে ধান বিক্রি করতে গেলে কৃষকদের কাছে নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপা খাদ্য গুদামের কর্মরত তাদের কাছে ৫ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করেন এবং ১ মণে ৪২ কেজি ধান দিতে হবে বলে ঐ কৃষককে জানান। আর ঐ টাকা না দিলে কৃষক রুবেল মাদবর ধান বিক্রি করতে পারবে না সাফ জানিয়ে দেয়। পরে রুবেল মাদবর কোন উপায় অন্ত না পেয়ে বাধ্য হয়ে ৫ হাজার টাকা ঐ খাদ্য পরির্দশককে দেন বলে জানান।

ছোট গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক মুক্তার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সরকারিভাবে ধান বিক্রি করতে গেলে তার কাছেও নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপা খাদ্য গুদামের পরির্দশক ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি টাকা না দেওয়ায় আমার ধান ক্রয় করছে না।

উপজেলার কলাকোপা খাদ্য গুদামের খাদ্য পরির্দশক মো. ইমরান হোসেন কৃষকের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নেয়া বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, সরকারিভাবে গুদামে শ্রমিকদের যে টাকা মজুরি দেওয়া হয় তাতে কেউ কাজ করতে চায় না। তাই কৃষকরে কাছ থেকে তাদের জন্য মজুরি হিসেবে কিছু টাকা নেওয়া হচ্ছে।

নবাবগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. আকবর হোসেন উৎকোচ নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ধান কৃষকের বাড়ি থেকে খাদ্য গুদামে পেঁৗছানো খরচ, বস্ত এবং শ্রমিকের মজুরি বাবদ কৃষকের কাছ থেকে সামান্য কিছু টাকা নেয়া হয়।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাকিল আহম্মেদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে ঐ খাদ্য পরির্দশক মো. ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে নেয়া হবে।

নবাবগঞ্জে আল্লাহর নামের ড্রেজার দিয়ে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

নবাবগঞ্জ উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত ইছামতি নদীর শালিকা-ভাঙ্গাভিটা ও মাইলাইল এলাকায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে প্রভাবশালী বালুচোর চক্র। শত শত একর আবাদী কৃষি জমির মাটি কেটে গভীর জলাশয়ে রুপান্তরিত করছে। নদী হারিয়ে ফেলছে তার স্বাভাবিক গতি পথ। এছারা রাতের আধারে কেটে নিয়ে যাচ্ছে তীরবর্তী পাশ্ববর্তী জমির মাটি। চক্রটির কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে ঐ এলাকার  কৃষি জমির মালিকরা। প্রভাবশালীদের ভয়ে এলাকাবাসী মুখ খোলার সাহস পাচ্ছে না তারা।

বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এ বলা হয়েছে, বিপণনের উদ্দেশ্যে কোন উন্মুক্ত স্থান, চা বাগানের ছড়া বা নদীর তলদেশ হইতে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাইবে না।

করিলে , (১) এই আইনের ধারা ৪ এ বর্ণিত কতিপয় ক্ষেত্রে বালু বা মাটি উত্তোলন নিষিদ্ধ সংক্রান্ত বিধানসহ অন্য কোন বিধান কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অমান্য করিলে অনূর্ধ্ব ২(দুই) বৎসর কারাদন্ড বা সর্বনিম্ন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা হইতে ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঢাকার দোহার উপজেলায় বাড়ি এক প্রভাবশালী  মন্ত্রীর নাম ভাংগিয়ে ও দোহাই দিয়ে  এ অপকর্ম করছে অর্থলোভী কয়েকজন। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মিরাও এদের কাছে অসহায়। মূলত আওয়ামী লীগের এক প্রবীন নেতার পরিবার এ চক্রে সক্রিয়।এদিকে জানা গেছে, মিথ্যা প্রভাব খাটিয়ে তারা বালু উত্তোলন করছে।

এলাকাবাসী জানায়, ইছামতি নদীর মাইলাইল এলাকায় একটি ও ভাঙাভিটা এলাকায় ৪টি ড্রেজার বসিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে দিনরাত অবাধে বালু উত্তোলণ করে চলছে স্থানীয় কয়েকটি বালুদস্যুরা । প্রথমে জমিটিতে ভেক্যু মেশিন বা কুদাল দিয়ে মাটি কেটে বিক্রি করা হয়। পরে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু কেটে বাল্কহেডের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। এতে আবাদী জমি গভীর জলাশয়ে রুপান্তরিত হয়। কৈলাইলে কয়েক শত বিঘা আবাদী জমি মিশে গেছে শত ফুট পানির নিচে।

মৎস্য খামার করার কথা বলে আবাদী জমির মাটি বিক্রি করছে ইটভাটায়। এ কর্মকা- চলে  রাত১২ টা থেকে ফজরের আযান হওয়া পর্যন্ত। মাঝে মাঝে উপজেলা প্রশাসন লোক দেখানো অভিযান চালালেও  ১/২ দিন পর আবার একই কায়দায় চলে মাটি লুন্ঠনের উৎসব। কিন্তু এলাকাবাসীর কিছুই করার থাকে না। মাঝে মাঝে প্রতিরোধের চেষ্টা করেও এলাকাবাসী ব্যর্থ হয়েছে; কিছু সশস্ত্র ক্যাডার এর কারণে।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সম্প্রতি এলাকাবাসীর মধ্যে ভীতি সঞ্চার করতে প্রায় অর্ধশত রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে মাটি কাটার উদ্বোধন করা হয়।

ভাংগাভিটা গ্রামের বাসিন্দা সুশীল চন্দ্র বলেন, আমাদের গ্রামের ৯৮ভাগ অধিবাসী হিন্দু সম্প্রদায়। তাদের ভয়ে কেউ মুখ খোলে না। কারো জমি কেটে নিয়ে গেলেও কিছু করার থাকে না। কেউ বাধা দিতে গেলে তাকে  প্রকাশ্যে অস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেয়া হয়।

খুদু মেম্বার, এ্যাপেলো মেম্বার, নজরুল, রাজ্জাক ও  মিথুনসহ অন্তত ১০টি সিন্ডিকেট নদী থেকে মাটি ও বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে খুদু মেম্বার বলেন, আমি কারো জমিতে মাটি কাটি না। জমি কিনে মাটি কেটে পুকুর তৈরী করি। কৃষি জমির মাটি কেটে বিক্রির বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল আমিন বলেন এ বিষয় টি আমি শুনেছি। নবাবগঞ্জের বাসিন্দা, সাবেক গণপরিষদ সদস্য আবু মো. সুবিদ আলী টিপু বলেন, শত শত একর জমি কেটে লুটপাটের মহোৎসব চলছে। দেখার কেউ নেই। একদিকে যেমন প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটছে। অপরদিকে কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে।
নবাবগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সড়ক দূর্ঘটনায় আহত মুকসুদপুরের মোতালেব মেম্বার মারা গেলেন

বুধবার শ্রীনগরের রাড়ীখালে আরাম পরিবহনের সড়ক দূর্ঘটনায় আহত মুকসুদপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মোতালেব হোসেন মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৫০। রবিবার রাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সোমবার সকাল ১০টায় মুকসুদপুরে তার নামাজের জানাযা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ২ মেয়ে ও ১ ছেলে রেখে গেছেন।

খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সংবাদ ও প্রতিবাদ প্রসঙ্গে

0

গত ১৯ জুলাই, ২০১৬ তারিখে “খানেপুর স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।  সংবাদ প্রকাশের পর খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন ফোন করে সংবাদের প্রতিবাদ জানান কিন্তু কোনো লিখিত প্রতিবাদ লিপি পাঠান নি। সেই সংবাদের ভেতরে বক্তব্যও উল্লেখিত ছিল। তিনি সংবাদের নিচে তার বক্তব্য মন্তব্য করেন। 

তার মন্তব্যের মূল অংশ-

“নিউজ৩৯ বি.এন.পি.-র এক মিথ্যা মামলাবাজ বাবুল হোসেন গং কে ছায়া দিয়ে রাখছেন। বাবুল বরাবরই এ বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধাচরণ করে থাকে৷ সে বিগত ২০০২ সালে বিয়ে করার আগেই শিক্ষার্থীর অভিভাবক সেজে রাজনৈতিক নেতাদের যোগসাজসে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক, এ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে৷ বিদ্যালয়টিকে অঙ্কুরে ধ্বংস করার হীন উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়েও সত্যের কাছে তখন মিথ্যা পরাজিত হয়৷ বিদ্যালয়টি নবাবগঞ্জ উপজেলায় এখন ২য় স্হান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে৷ তাই আবার নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে৷ সবাইকে সত্য জানতে হবে৷ বাবুল হোসেন এ বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে করা মামলার বাদী হওয়ার কারণে ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা, ২০০৯ -এর ১১(গ) ধারামতে সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছে।”

এর প্রেক্ষিতে নিউজ৩৯.নেট এর ব্যাক্ষ্যা দেয়া প্রয়োজন। প্রথমত, উক্ত বাবুল হোসেনের সাথে নিউজ৩৯.নেট এর কারো সাথে পরিচয় বা যোগাযোগ নেই যে তাকে সমর্থনে রিপোর্ট লিখবে। দ্বিতীয়ত, নিউজ৩৯ শুধু নিজেই প্রতিবেদন করে না, অন্যান্য পত্রিকার সাংবাদিকদের সাথে সংবাদ বিনিময় করে ও গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে জাতীয় কোনো পত্রিকা থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে। এই সংবাদটি নিউজ৩৯.নেট এর নিজস্ব নয়। দৈনিক আমারদেশ এর অনলাইন ভার্শন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং সূত্রও সংরক্ষিত আছে। এছাড়া সংবাদটি স্থানীয় প্রিন্টেড সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তা প্রকাশ করেছে। যেহেতু জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ তাই নিউজ৩৯.নেট এর সত্যতার ব্যাপারে সন্দেহ করে নি। এবং যেহেতু সংবাদটি নিউজ৩৯.নেটের নিজস্ব নয় তাই নিউজ৩৯.নেট এর দায় বহন করে না এবং এজন্য সংবাদটি পত্রিকার ওয়েব সাইট থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই অনাকাঙ্খিত বিষয়টির জন্য নিউজ৩৯.নেট খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও পাঠকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছে।

দোহারে সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক

বৃহস্পতিবার রাতে দোহার থানার পুলিশ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে মাদক মামলার ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি উপজেলার পূর্ব সুতারপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. রুবেলকে এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামি বিলাসপুর হাজারবিঘা গ্রামের মোতালেব খন্দকার, রোকেয়া বেগম, রাইপাড়া গ্রামের মো. মিরাজ, মধুরখোলা গ্রামের এরশাদ আলী, মো. হাসিম ও লোকমান হোসেনকে আটক করে।
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম শেখ জানান, আটকদের শুক্রবার সকালে কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে।

ডিরেক্টরস গিল্ড-এর নির্বাচন-২০১৬ঃ নতুন সভাপতি দোহারের গাজী রাকায়েত

0

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গতকাল দিনভর টিভি নাটক নির্মাতাদের সংঘটন ডিরেক্টরস গিল্ড-এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অনেক অপেক্ষার পর অবশেষে আজ ভোর চারটায় ফলাফলও ঘোষনা করা হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতির পদে জয়ী হয়েছেন দোহারের মুকসুদপুরের কৃতি সন্তান ও জাতীয় চলচিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা এবং পরিচালক গাজী রাকায়েত।তিনি ও তার পরিবার পদ্মা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।  তিনি পেয়েছেন ১৮৪ ভোট। এতে তার আর দুই প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন জাহিদ হাসান ও কায়েস চৌধুরী। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মুহাম্মাদ মোস্তফা কামাল রাজকে হারিয়ে জয়লাভ করেছেন এসএ হক অলিক। তিনি পেয়েছেন ২০৩ ভোট। এ নির্বাচনে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কচি খন্দকার (১৮৯ ভোট), সকাল আহমেদ(১৫৮ ভোট) ও সৈয়দ শাকিল (২১৬ ভোট)। সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যৌথভাবে নির্বাচিত হয়েছেন হৃদি হক (২০২ ভোট) ও মাসুদ মহিউদ্দিন (১৯৪ ভোট)। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান সাগর, অর্থ সম্পাদক নঈম ইমতিয়াজ নেয়মূল এবং প্রচার সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন জুয়েল মাহমুদ। পাশাপাশি ১০জন কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন আহমেদ ইউসুফ সাবের, ফজলুল হক, মিলন ভট্টাচার্য্য, মারুফ মিঠু, সাজ্জাদ সনি, কায়সার আহমেদ, কৌশিক শংকর দাশ, ফিরোজ খান ও শামীমা শাম্মী। উল্লেখ্য, গতকাল  রাজধানীর  সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সাততলার চার নম্বর কক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সকাল ৯টায় শুরু হয়ে মাঝে এক ঘণ্টার বিরতি ছাড়া বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়েছে। সংগঠনটির ৩৮৪ জন ভোটারের মধ্যে ৩৫৪ জন ভোট প্রদান করেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ভোটগণনা শুরু করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন ড. ইনামুল হক। কমিশনার পদে দায়িত্ব পালন করেন এসএম মহসীন ও খায়রুল আলম সবুজ।

তারেক রহমানের সাজা কার্যকরের দাবিতে নবাবগঞ্জে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকর করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করেছে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা ও দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ শাখা ছাত্রলীগ। শুক্রবার বেলা ১২টায় উপজেলা সদরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু করে কায়কোবাদ চত্বর হয়ে দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ ঘুরে উপজেলা ফটক হয়ে বাগমারা কোর্ট বিল্ডিং পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে এসে পথ সভা করে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন এতে নেতৃত্ব দেন।

মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইকরামুল নবী ইমু, সহ-সভাপতি আজাদ মাহমুদ, সহ-সম্পাদক এ্যাড. ইমরান হোসেন, মোকলেছুর রহমান, নবাবগঞ্জ উপজেলা সভাপতি এসএম সাইফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান সবুজ, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রনি, কলেজ শাখার সভাপতি শোভন সিকদার, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুল আলম নাদিম প্রমুখ।

দোহারে পদ্মার ভাঙন অব্যাহত

দোহার উপজেলায় পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে কয়েকটি গ্রাম। সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে প্রতিনিয়ত অসংখ্য পরিবার। নদী পারের ভাঙন কবলিত অসহায় পরিবারগুলোর আশ্রয় এখন আত্মীয়-স্বজনের বাসা-বাড়ি, আশ্রয় কেন্দ্রে, ও বিভিন্ন সড়ক স্থাপনার পাশে।  উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের রানীপুর গ্রাম সম্পূর্ণ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে মেঘুলা বাজারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মন্ত্রী-এমপি ও শিল্পপতিরা আসলো কিন্তু নদী শাসনের কোনো পদক্ষেপ হল না আজো। গত ২ বছরে প্রায় ২ হাজার ৩০টি পরিবারের বসত বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সর্বস্ব হারিয়ে দুঃখে কষ্টে জীবন কাটছে অসহায় পরিবারগুলো। রানীপুরের কামাল মিয়া জানান, গত বছর ধরে মন্ত্রী এমপিরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। কোনো পদক্ষেপ নেন না।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নেতারা তাদের প্রয়োজনে আসেন। সান্তনা দিয়ে চলে যান। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না।  মাহ্মুদপুরের পুরুলিয়া থেকে নারিশা ইউনিয়নের পূর্বচর পর্যন্ত নদী পারের প্রায় ২টি গ্রাম পদ্মা ভাঙনের কবলে পড়েছে। এলাকাবাসী সরকারের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপের অনুরোধ জানিয়েছেন।

দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম আরা নিপা বলেন, ‘নদীভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে জরুরিভিত্তিতে কাজের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হওয়ার কথা। এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা প্রশাসক মহোদয়কেও জানানো হয়েছে।

নারিশা ইউপি চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন দরানী বলেন, ‘জরুরি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। শিগগিরই কাজ শুরু করার কথা। পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন এলাকা পরিদর্শনও করেছে।’