পশুর দাম চড়া: তাই ক্রেতা কম

0

তারেক রাজীবঃ দোহার-নবাবগঞ্জ ও কেরাণীগঞ্জের এখনো গতবারের মতো পুরোপুরি জমে ওঠেনি কোরবানি পশুর হাট। মূলতঃ প্রবাসীদের অর্থনৈতিক সংকট-ই এ অবস্থার জন্য দায়ী। ভাগ দেয়ার দিকে অধিকাংশদের নজর। এদিকে পশু সরবরাহেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তাই পশু বিক্রি না হওয়ার কারণ হিসেবে দেখা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। বিক্রেতারা পশুর চড়া দাম হাকছেন অভিযোগ করছেন ক্রেতারা। বিক্রেতাদের দাবি—এখনো হাটে পর্যাপ্ত ক্রেতা আসেনি। উপজেলা তিনটির জয়পাড়া, মেঘুলা, ফুলতলা, বারুয়াখালী, কোমরগঞ্জ, জিনজিরা, আগানগর, হাসনাবাদ, দড়িগাঁওসহ বেশ কয়েকটি হাট ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

দোহারের ফুলতলা হাট ও জয়পাড়া হাটে গরুর সংখ্যা অপ্রতুল। সেই তুলনায় মেঘুলাতে পর্যাপ্ত গরু রয়েছে। তবে দাম হাকাহাকির কোন নির্দিষ্টতা নেই। যার কাছে যেমন পারা যায়, সেভাবেই দাম আদায় হচ্ছে।

নবাবগঞ্জের সাদাপুর এলাকা থেকে দোহারের হাটে গরু কিনতে আসা কালাম বেপারী বলেন, গত বছর যে গরু ৪০ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি। এ বছর ওই সাইজের গরুর দাম চাচ্ছে ৭০ হাজার টাকা। বাজেট কম বলে তিন-চার ঘণ্টা ঘুরেও গরু কিনতে না পেরে বাড়ি চলে যাচ্ছি।

আগানগর গরুর হাটের গরু বিক্রেতা ঠান্ডু মোল্লা বলেন, এখনো হাটে ক্রেতা নামেনি, তাই বেচাকেনা কম। বেশিরভাগ লোক হাটে গরু দেখতে এসেছে। আগানগর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর শাহ খুশী বলেন, ‘বিক্রেতারা গরুর দ্বিগুণ দাম চাচ্ছে। তাই হাটে বেচাকেনা কম।’

হাসনাবাদ হাটের হাছিল কাউন্টার ম্যানেজার আমিন বলেন, ‘হাটে পর্যাপ্ত গরু আছে। কিন্তু বেচা-কেনা কম। তবে আজ দিনে হবে।’

এদিকে দোহারের ফুলতলা ও জয়পাড়া হাটের ইজারাদাররা ইজারার টাকা উঠবে কি’না, তাই নিয়েই দুশ্চিন্তা তে আছেন।

নবাবগঞ্জের হাট ইজারাদাররাও একই সমস্যাতে আছে। এদিকে দোহার নবাবগঞ্জে গরুর সর্বোচ্চ বিক্রি মূল্য ছিল সাদাপুর হাটে। সেখানে বিক্রীত গরুর মূল্য ছিল ৫লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা ।

দোহারে ছাত্রদল কমিটি বাতিলের দাবিতে মিছিল সমাবেশ

0

ঢাকার দোহারে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের থানা কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে থানা ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। গত ৮ই সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে উপজেলার সুতারপাড়া এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করেছেন পদবঞ্চিতরা।
পথসভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে দোহারের নেতা-কর্মীরা সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন। ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাজী মো.দেলোয়ার হোসেন মাছুম ও রেজাউল করিম জুয়েল এর স্বাক্ষরিত প্যাঠে এ পকেট কমিটি করা হয়েছে।কমিটি অতিদ্রুত বাতিল করে ত্যাগী ও সরকার বিরোধী আন্দোলনের পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের দিয়ে ছাত্রদলের এই কমিটি পুর্নগঠন করতে হবে এবং বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা।
দোহার থানা ছাত্রদল নেতা মো.দিদার শেখের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জিল্লুর রহমান,সাবেক এজিএস মাহবুব, লিমন, মো: আলামিন, মানিক শিকাদার, ও চঞ্চল প্রমূখ।

নবাবগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়ন থেকে ২০০ পিছ ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী সারোয়ারকে গ্রেপ্তার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোরে এস আই সুমন ও এস আই আরাফাতের নেত্রীত্বে কোন্ডা গ্রামে অভিযান চালিয়ে এই মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে এস আই সুমন জানান, “সারোয়ার অনেক দিন ধরেই মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত ছিলো। সারোয়ারের বিরদ্ধে নিয়মিত মাদক আইনে মামলা করে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।”
সারোয়ার সোনাপুর গ্রামের সুমন আহামেদের ছেলে।

অবশেষে বর্ষাকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় জনগণ

0

অবশেষে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮ টায় নিখোঁজের ২০ ঘন্টা পর দোহার উপজেলার ইসলামপুর কোমের পার এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় বর্ষা(১১)কে।উদ্ধারের পর রাত ১০টায় জানাজা শেষে স্থানীয় করবস্থানে দাফন করা হয় বর্ষাকে।
নিখোঁজের পর স্থানীয় লোকজন এবং ফায়ার সার্ভিসে ডুবুরীরা অনেক খোঁজাখুঁজির করে নিখোঁজের ৪ ঘণ্টা পর সন্ধায় দমকল বাহিনীর প্রচেষ্টায় ভাই আরাফাত রহমানের লাশ উদ্ধার করলেও নিখোঁজ থাকে বর্ষা।
উল্লেখ্য গত ৭ সেপ্টেমর বুধবার দুপুরে দাদী এবং চাচাতো ভাই বোন্দের সাথে বাড়ীর পাশের নদীতে গোসল করতে নামে বর্ষা। প্রচন্ড স্রোতে দাদীর হাত থেকে ছুটে যায় বর্ষা এবং তার চাচাতো ভাই আরাফাত(১০)।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ধ্যায় আরাফাতের মরদেহ উদ্ধার করে।
বর্ষা দোহার উপজেলার চর মাহমুদপুর ইউনিয়নের আঃ সোবাহানের বড় মেয়ে।

নবাবগঞ্জে খন্দকার আবু আশফাককে সংবর্ধনা

ঢাকা জেলা বি,এন,পির নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাককে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপা পুকুরপাড় গ্রামে এক অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা দেওয়া হয় । ঢাকা জেলা বিএনপির সহ সভাপতি খান ইফতেখার আল ফারুকীর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দোহার,নবাবগঞ্জ এবং কেরানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি এবং এর সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ।
অনুষ্ঠানে খন্দকার আবু আশফাক নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন,”ক্ষমতা কারোই চিরস্থায়ী নয়,আপনারা প্রস্তুতি নিন। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসছেন। আমাদের প্রতি যে অন্যায় অত্যাচার করা হচ্ছে সময় এলে তার সঠিক জবাব নেব আমরা।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সহ সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহামেদ,যুগ্ন সম্পাদক সৈয়দ আগমেন খান,সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল কবির পল,তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নজরুল ইসলাম,বিএনপি নেতা খন্দকার আবুল কালাম,মহিলা নেত্রী রুনা ইসলাম,ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাজী মাসুম সহ বিএনপির অন্যান্য নেতা কর্মীরা।

নবাবগঞ্জে ছয় হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ধ্বংস

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ছাতিয়া এলাকা থেকে ছয় হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশ এসব জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ছাতিয়া ব্রিজে একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এসব কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
পরে নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাকিল আহম্মেদ ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা জামানের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এসব জাল ধ্বংসের নির্দেশ দেয়। পরে জালগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়।
এ সময় ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা সাইয়্যেদুল ইসলাম ভূইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  মো. জালাল উদ্দিন, নবাবগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলহাজ মো. ইব্রাহীম খলিল ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকতার বিপর্যয় ঘটেছে হলুদ ও অপসাংবাদিকতার কাছে

0

ছাত্র জীবন থেকেই শুনে আসছি একটি সত্য কথা তা হলো সাংবাদিকতা একটি মহৎ পেশা। এখানে যে কোন মহৎ লোক নাই তাও বলা যাবে না। তবে এ ধরনের কথা বা অলংকার যে শুধু স্বার্থগত তা একবারও ভেবে দেখার সুযোগ হয়নি।কারো প্রতি ব্যক্তিগত ঈর্শ্বা বা অশ্রদ্ধা থেকে আমার লেখার উদ্দেশ্য নয়। ঘাত প্রতিঘাতে মানুষ যখন কোন সমস্যায় পড়ে আশ্রয় নেয় আইন আদালত,পুলিশ ও সমাজের নেত্বত দেয় এমন কারো কাছে। সব শেষে যখন কোন সমাধানই তাকে আশার বানী শোনাতে পারেনা তখন দ্বারস্থ হয় কোন সংবাদকর্মী বা সংবাদ মাধ্যমের অফিসে। গ্রামের ভাষায় একটি প্রবাদ আছে,”শৃগালের ধাওয়া খেয়ে বাঘের গুহায় আশ্রয়”। আমি একটু শক্তভাবেই কথাগুলো বলার চেষ্টা করছি। কারণ যদি তাতে কিছু বোধ উদর হয় আমার সতীর্থদের। সংবাদ কর্মীর কাছে প্রথমে যে ভিকটিম যায় সে ভাবে একটি সমাধান হয়তো জুটবে। একদিন,দুদিন ভালোই যায়। তৃতীয় দিন ভুক্তভোগী মানুষটাকে নানা আইনের মারপ্যাঁচের কথা বলে সমস্যা সমাধানের লালসা দেখিয়ে কিছু টাকা সম্মানের সাথেই নেন সাংবাদিক বন্ধুরা।তবে সবাই যে এ কাজটি করেন তা বলার সুযোগ নেই। কারণ সাংবাদিকতা তো মহান পেশা,কিছু ভালো লোকের যদি এখানে উপস্থিতি না থাকে তাহলে মূল খুঁটিটা একটু নড়বড়ে হয়ে যাবে নয় কি ? কিছু সাংবাদিকের ভালো কাজকে পুঁজি করেই হলুদ সাংবাদিকতা ও অপসাংবাদিকতা আজ ব্যাপক প্রসার লাভ করেছে। এতে সমাজের কারো কোন লাভ না হলেও নামধারী,অপেশাদার,অর্ধশিক্ষিত কিছু মানুষ সাংবাদিকতাকে পুঁজি করে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হচ্ছে। সেই সাথে সাংবাদিকতা পেশাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। কোন একটি পত্রিকার পরিচয় পত্র নিতে পারলেই হলো। তখন তারা থানা পুলিশ,অফিস আদালত,স্থানীয় প্রশাসন,জমির দালালি,গ্রাম গঞ্জের সহজ সরল মানুষগুলোকে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কেউ কিছু বলছে না। কারণ তিনি সাংবাদিক। সংবাদ ছাপুক আর না ছাপুক কার্ডতো আছে। আমাদের দেশে সাধারণ মানুষ গুলোর মাঝেও সচেতনতার কিছু অভাব রয়েছে। সাংবাদিক পরিচয় পেলেই ভয়ে কুপোকাত। যাচাই করার চেষ্টা ও করেনা কোন পত্রিকা বা চ্যানেলে কাজ করে। কি তার পদবী। কিছু সুবিধাবাদী সাংবাদিক আছে তাদের পরিচিয় হলো আমি প্রেস ক্লাবের অমুক। সমাজে আজ সুসাংবাদিকতার অনেক সংকট তৈরি হয়েছে। এমন কি হলুদ সাংবাদিকতারও ছাড়িয়ে গেছে। হলুদ সাংবাদিকতাও এক ধরনের সাংবাদিকতা। যেখানে তথ্য পরিবেশনের ক্ষেত্রে রঙ লাগানো হয়। কিন্তু যারা নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে টাকার বিনিময়ে পত্রিকা অফিস কর্তৃক পুরানা পল্টন অথবা নীল ক্ষেত থেকে নামধারী কিছু মানবাধীকার সংস্থার কার্ড বানিয়ে নিজেকে রিপোর্টার বা সাংবাদিক পরিচয় দেন তারা কি সংবাদের সংজ্ঞা জানেন ? হটাত যদি জনতা তাকে ধরেই উত্তম মধ্যম দেয় তবে কি বলব সাংবাদিক গণধোলাই খেয়েছে। সাধারণ মানুষ না জেনে বললেও সচেতন কোন মানুষ তা বলবে এটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য। কারণ সত্তিকার সাংবাদিক মার খেলে খুব কম। সেটা হতে পারে সংঘবদ্ধ কোন সন্ত্রাসী বা অপরাধী চক্রের হাতে। কোনো অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদনের জন্য। প্রশাসন ও জনতার চোখে ধোঁয়াশা দিয়ে মটর সাইকেল,প্রাইভেট কার, ও মাইক্রোবাসে প্রেস বা সংবাদপত্র লাগিয়ে সারাদেশ দাপিয়ে চলছে নামধারী অপসাংবাদিকরা। আবার অনেকে নিজেই জেলা প্রশাসক থেকে একটি পত্রিকার নিবন্ধন নিয় বা ভাড়ায় পত্রিকা এনে সম্পাদক প্রকাশক সেজে বসেন। এরপর শুরু হয় চাঁদাবাজির কাজ। ইদানিংকালে কিছু স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক বা রিপোর্টাররা কলার দোকান,রুটির কারখানাগুলোতেও হানা দিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন নগত টাকা। তবে তাদের লেখা সংবাদ কখনো কোন পত্রিকায় ছাপা হয়েছে এমন নজির নেই। এটাই হচ্ছে বর্তমান সময় সাংবাদিকতার আসল চেহারা। কিন্তু বর্তমান শিক্ষিত সমাজে এ ধরণের অপসাংবাদিকতার প্রতিকার না করতে পারলে সৎ,দায়িত্বশীল,পেশাদারিত্ব সাংবাদিকতার মৃত্যু ঘটবে, উৎসাহ নিয়ে শিক্ষিত কোন ছেলে মেয়ে এ পেশায় আসবে না। কারণ তেল আর জলে যদি মিশে যায় তবে ভাল কিছুর মূল্যায়ন রইলো কোথায় ? এ ধরণের অপবাদ থেকে রক্ষা পেতে হলে দায়িত্বশীল ও পেশাদার সংবাদ কর্মীকে আরো সক্রিয় হয়ে মোকাবেলায় নামতে হবে। তা না হলে একদিন অপসাংবাদিকতার কাছে জিম্মি হবে দেশ, জনতা। উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার। একজন সামান্য সংবাদকর্মী হিসেবে আমার পেশার বয়সও প্রায় দেড়যুগ পার হচ্ছে। কিন্তু যা পেলাম বা দেখলাম তাতে বর্তমান সমাজে ক্ষেত্র বিশেষে সাংবাদিক পরিচয় দেয়াটা লজ্জা পেতে হয়। দেশের সেরা একটি দৈনিকে কাজ করেও কখনো দাম্ভিকতা করতে শিখিনী।
কিন্তু স্টুডিও চালিয়ে।ভিডিও এডিটিং করে,বেবী চালক,মুদী দোকানী,সবজী বিক্রেতা হয়ে কিছু সাপ্তাহিক বা দৈনিক পত্রিকার কার্ড নিয়েই দাপটের সাথে মন্ত্রী।এমপি,প্রশাসন,জন প্রতিনিধি,রাজনীতিকদের সাথে ঘাড়ে মাথা রেখে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত দাবী করছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন যারা ধরাকে সরা জ্ঞান করে সমাজে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে।এদের বিরুধে রুখে দাড়াতে হবে। সমাজ পরিবর্তনে,গণতন্ত্র বিকাশে সংবাদপত্রের গুরুত্বকে জাগিয়ে রাখতে হবে। এদিকে বর্তমান সময়ে কিছু মানবাধিকার সংস্থার নামে কেউ কেউ পরিবেশ সাংবাদিক বা ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে পরিচয় দেন। তারা জমির বিচার,স্বামী স্ত্রীর পারিবারিক কলহের বিচারেও মানবাধিকার খাটান। আদৌ এতা ঠিক কিনা তা নিজেও জানেন না। জনগণ,প্রশাসন ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

লেখক: আজহারুল হক

সাংবাদিক

দোহার উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠন

0

অতীতের সকল ব্যর্থতাকে ধুয়ে মুছে নতুন উদ্যমে রাজপথ ও দোহারের ছাত্ররাজনীতিতে প্রাণ আনার লক্ষ্যে ঘোষনা করা হয়েছে দোহার উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি। নতুন এই কমিটিতে সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে দোহার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সেন্টু ভুইয়া। সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন শামীম আহমেদ টগর। ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক কতৃক সাক্ষরিত এই কমিটিতে ১৯ জনের নাম ঘোষনা করা হয়েছে।

কমিটিতে দোহার উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন সেন্টু ভুইয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন সোহেল রানা। সহ-সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন তানভীর রহমান নিশু, মোহাম্মদ হাসান, মনির মোল্লা, আরিফুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম সজিব, পলাশ হোসেন, শেখ মানিক।

সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন শামীম আহমেদ টগর, যুগ্ম সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন মো: সেলিম, মিরাজ হোসেন, মিলন মুন্সি, নজরুল ইসলাম, দিদার শেখ, সহ সাধারন সম্পাদক হয়েছেন মো: মিলন।

সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন অমিত হাসান ও শাকিল মাহমুদ জেকি। কমিটিতে প্রচার সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন কাজী মাসুদ।

দীর্ঘ দিন পর দোহার উপজেলা নবীন ও অভিজ্ঞ নেতৃবৃন্দদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটি হলো।  দোহারের যেকোন আন্দোলন তারা মাঠে থাকবেন বলে জানিয়েছেন নতুন কমিটির ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

দোহার পরিবেশক সমিতির সভাপতির প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

0

দোহার পরিবেশক সমিতির সভাপতি লুতফর রহমান নিউজ৩৯ এ প্রকাশিত দোহার পরিবেশক সমিতির সভাপতি হাতে পরিবার জিম্মি সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নিউজ৩৯ এ প্রকাশিত এই সংবাদের জন্য পাঠানো তার প্রতিবাদ লিপিতে তিনি বলেন, নিমাই চন্দ্র দাশ একজন প্রতারক। তিনি তার প্রতিষ্ঠানে চাকরী করার সময় বিভিন্ন দোকান থেকে তার প্রতিষ্ঠানের মাল দেয়ার কথা বলে অগ্রীম টাকা সংগ্রহ করে দোহার থেকে পলায়ন করেছে। এরপরে সং্খ্যালঘুর কথা বলে বরিশাল প্রেসক্লাব ও ঢাকা প্রেসক্লাব থেকে বিভিন্ন সময় সময় মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক ঘুড়ে গেছে এবং তার অভিযোগের কোন ভিত্তি পায় নি। উল্টো নিমাই চন্দ্র দাশের প্রতারনার বিভিন্ন প্রমান তারা দোহার থেকেই সংগ্রহ করেছে। সুতরাং এই নিউজ সম্পুরণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি এই নিউজের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
তিনি আরো বলেন দোহার থানার এসআই হাবিবের মাধ্যমে গলাচিপায় করা মামলায় তদন্ত হয়েছে। সেখানে এসআই হাবিব নিমাই চন্দ্র দাশের স্ত্রী ও তার শ্যালকের সাথে কথা বলেছেন। তারা জানিয়েছেন তারা জিম্মি নয়। বরং নিমাই চন্দ্র দাস বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার নাম করে তাদের এখানে রেখে গেছে।
এছাড়া বিভিন্ন সংবাদকর্মী ও মানবাধিকার কর্মী তাদের সাথে কথা বলেও একই উত্তর পেয়েছেন। নিমাই চন্দ্র দাসের শ্যালকও বলেছেন তারা জিম্মি নন। বরং তার দুলাভাই এই খানে বিভিন্ন মানুষের যে টাকা নিয়ে গেছে তা শোধ করার জন্য গলাচিপা থেকে টাকা আনতে তার দুলাভাই তাদের এই খানে রেখে গেছে।

সেরা ধনীদের ৭ মানসিক বৈশিষ্ট্য

0

এটা ঠিক যে এক শতাংশ মানুষ অন্যদের চেয়ে আলাদাভাবে চিন্তা ও কাজ করেন। ২০১৫ সালের এক গবেষণায় ফিনানসিয়াল সাইকোলজিস্ট ব্র্যাডলি ক্লোন্তজ জানান, সুপার ধনবান মানুষদের মানসিকতা অন্যদের থেকে ভিন্ন থাকে। তাদের উপার্জন অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি। কিন্তু সংখ্যায় তারা মাত্র ১ শতাংশ।

১০৯৬ জন উপার্জনকারীর ওপর গবেষণা পরিচালিত হয়। এরা বছরে ৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার গড়ে উপার্জন করেন। এসব মানুষের মানসিক বৈশিষ্ট্য অন্যদের থেকে পুরাই আলাদা। এখানে জেনে নিন এমন মানুষদের অনন্য ৭ বৈশিষ্ট্যের কথা।

১.  অর্থ যে অনর্থের মূল তা খুব একটা বিশ্বাস করেন না বিপুল ধনীরা। এ ধরনের মানুষরা অন্যের সম্পদ দখল করে তারা ধনী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন না। তারা নিজের জীবন চালাতে খুব অল্প খরচ করেন।

২. তাদের মাঝে দারুণভাবে আত্মনিয়ন্ত্রণ কাজ করে। জীবনের অধিকাংশ সমস্যা সামলাতে তারা খুব বেশি পেরেশানিতে থাকেন না। সফল হতে অনেক বেশি দায়িত্ব গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। লক্ষ্য অর্জনে যেকোনো সমস্যার সমাধানে তারা দারুণ সমর্থ। যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার গুণ রয়েছে তাদের।

৩. অর্থ বিষয়ে সবাই যেভাবে চিন্তা করেন, তারা সে পথে হাঁটেন না। তারা নিজের আবেগকে প্রাধান্য দেন। যেটা করতে পছন্দ করেন তার মাধ্যমেই সফল হতে চান। এটাই তাদের সফল হওয়ার পেছনে অন্যতম অনুপ্রেরণা।

৪. তারা যত সম্পদেরই মালিক হন না কেন, তার মূল্যের সঙ্গে নিজের মূল্যটাও দেখার চেষ্টা করেন। মূল্যবোধ সমুন্নত রেখেই তারা অর্থ কামাই করেন। তারা শুধু অর্থই কামান না। তারা ভালো ও জনকল্যাণকর কাজে সময় দেন।

৫. অর্থনৈতিক সফলতা অনেকেরই আসতে পারে। কিন্তু তা ধরে রাখা বেশ কঠিন হয়ে যায়। সুপার সফল মানুষরা এর ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন। তারা কখনো অর্থনৈতিক সফলতা নষ্ট হতে দেন না। ফলে সম্পদের পাহাড় বাড়তেই থাকে অনায়াসে।

৬. বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তারা আত্মবিশ্বাসী থাকেন। যে খাতে বিনিয়োগ করেন, তা নিয়ে এতো দুশ্চিন্তা করেন না। বরং আত্মবিশ্বাসী থাকেন। যে সমস্যাই আসুক না কেন,  তারা তা নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রস্তুতি রাখেন।

৭. তারা অর্থ বিষয়ে দারুণ সজাগ থাকেন। তারা বিশ্বাস করেন অর্থ সঞ্চয় করতে হয়। আর খরচ বেহিসাবী হলেও চলবে না। অর্থের বিষয়ে তারা যথেষ্ট বিনয়ী বটে।