সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের বিকল্প নেই: সালমা ইসলাম

দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই সেটা সম্ভব। সোমবার বিকালে ঢাকার নবাবগঞ্জের বর্ধনপাড়ায় জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে জয়কৃষ্ণপুর ও চুড়াইন ইউনিয়নের বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মীর জাতীয় পার্টিতে যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত সভায় সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি এ কথা বলেন।
এমপি সালমা ইসলাম বলেন, রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। দলীয় ভেদাভেদ ভুলে দোহার-নবাবগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের স্বার্থে কাজ করতে চাই। এজন্য প্রয়োজন দেশপ্রেম ও পারস্পরিক সহযোগিতা।
সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হচ্ছে। জনমানুষের কল্যাণে তিনি নিরলস কাজ করছেন।
দোহার-নবাবগঞ্জের রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। ঢাকা-কেরানীগঞ্জ-দোহার-নবাবগঞ্জের রাস্তা এখন অনেক উন্নত। এছাড়া পাড়াগ্রাম ব্রিজ, শোল্লা ব্রিজসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে রাস্তার উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ চলমান আছে।
অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম নেতাকর্মীদের বলেন, তৃণমূলের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে। অনুষ্ঠানে দুই ইউনিয়নের শতাধিক নেতাকর্মী সালমা ইসলাম এমপির হাতে ফুল দিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টি নেতা জুয়েল আহমেদ, খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর চোকদার প্রমুখ।

দালালদের উৎপাতে অতিষ্ঠ দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীরা

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দোহারের হত দরিদ্রদের চিকিৎসা সেবার এক নির্ভরতার নাম। কিন্তু দালালদের উৎপাতের কারনে চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এখানে। দালালদের উৎপাতে এখন অতিষ্ঠ দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা নিতে আসা রোগীরা। হাসপাতালে আসা রোগীদের নানা রকম ভয় ও প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও রোগনির্ণয় কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ দালালচক্র।
হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, প্রতিদিন জয়পাড়া এবং আশপাশের ক্লিনিক ও রোগনির্ণয় কেন্দ্রের ১৫-২০ জন দালালকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর জরুরি বিভাগ ও অর্ন্ত বিভাগে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এরা রোগীদের ভীরে চিকিৎসকের কক্ষে ঢুকে পড়েন। এরপর চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্র লেখা শেষ করলেই রোগীর হাত থেকে ব্যবস্থাপত্র নিয়ে নেয় তারা। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোগীদের সেসব রোগনির্ণয় কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করা হয়। এ ক্ষেত্রে রোগীদের দেখানো হয় নানা রকম প্রলোভন যেমন, উন্নত রোগ নির্ণয় যন্ত্রপাতি,নির্ভুলভাবে রোগ নির্ণয়, বিশেষ ছাড়সহ ইত্যাদি । অসুস্থ রোগী এলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে চিকিৎসা হয় না বলে দালালেরা ভয় দেখিয়ে তাঁদের প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে দালালচক্র।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার দিকে অটোরিকশায় করে অসুস্থ এক নারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন তার স্বজনেরা । এ সময় ফটকের সামনে ৪/৫ জন দালাল অটোরিকশাটিকে ঘিরে ধরে। এক পর্যায়ে তারা রোগীকে হাসপাতালের বাহিরে অন্য কোন ক্লিনিকে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ জসিম উদ্দিন দালালদের উৎপাত স্বীকার করে বলেন, ”আমি চাই আমাদের হাসপাতাল দালাল মুক্ত থাকুক । অসহায় গরিব দুঃখীরা বিনা খরচে স্বাস্থ্য সেবা পাক। কিন্তু দালালদের জন্য আমরা তা ভালভাবে করতে পারছি না । তবে আগের থেকে দালালদের উৎপাত অনেকাংশে কমে গেছে। অতি শীঘ্রই আমরা হাসপাতালকে সম্পূর্ন দালালমুক্ত করতে পারবো বলে আশা করছি ”।

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

0

বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএনডাব্লিউটিও) উদ্যোগে ১৯৮০ সাল থেকে প্রতিবছর ২৭ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালন করা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘সকলের জন্য পর্যটন: সার্বজনীন পর্যটনের অভিগম্যতা’। বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
পর্যটন সক্ষমতা-সংক্রান্ত ২০১৩ সালের আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে ১৪০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৩। ২০১২ সালে ১৪৪টি দেশের মধ্যে ১১৮ এবং ২০১১ সালে ১৩৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২৯। এই তালিকার শীর্ষে আছে সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ। এশিয়ার সিঙ্গাপুর, জাপানও আছে এই তালিকায়।
প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশ পর্যটন সংস্থা দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবসের প্রধান লক্ষ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভ্রমণকারীদের সঙ্গে পর্যটন কেন্দ্রের সেতুবন্ধন গড়ে তোলা। এছাড়া, পর্যটনের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক উপযোগিতাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া এ দিবসের লক্ষ্য।
১৯৭০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির বার্ষিক সম্মেলনের নাম, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য পুনর্মূল্যায়ণ করা হয়। তখন থেকে এর নাম ‘বিশ্ব পর্যটন সংস্থা’ করার বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হয়। নতুন নামে ১৯৭৪ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু করে সংস্থাটি। ১৯৮০ সালের বার্ষিক সম্মেলনে ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী পর্যটন দিবস পালনের বিষয়ে ঐক্যমত হয়।

বৃহস্পতির উপগ্রহকে ঘিরে চমকের অপেক্ষায় বিশ্ব

0

সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপায় সমুদ্র রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। তবে ইউরোপা নিয়ে আরো চমকপ্রদ তথ্য পেয়েছেন বলে তারা জানান, খুব শিগগিরই বিশ্বকে চমকে দেবেন তারা।
সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় ইউরোপা নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করবেন নভোচারীরা। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, ইউরোপার পৃষ্ঠেও সমুদ্র থাকতে পারে।এসময় নাসার জ্যোতিঃপদার্থবিদ্যার পরিচালক পল হার্টজ ও স্পেস টেলিস্কোপ সাইন্স ইনস্টিটিউট এর জ্যোতির্বিজ্ঞানী উইলিয়াম স্পার্কস উপস্থিত থাকবেন।
পাঁচ বছরের যাত্রার পর বৃহস্পতিতে পৌঁছায় নাসার মহাকাশযান জুনো। জুনো প্রকল্পের প্রধান স্কট বল্টন বলেন, ‘বৃহস্পতির দক্ষিণমেরুতে আমরা এমন কিছু দেখেছি যা কখনো ভাবতেও পারিনি।’
এর আগে জানানো হয়েছিল, বৃহস্পতির উপগ্রহ ‘ইউরোপা’-য় পাওয়া যে রহস্যজনক ঘন পদার্থ নিয়ে গবেষণা চলছিল তা আসলে সাগরের পানিতে থাকা লবন। এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই মহাকাশের অন্য গ্রহে জলের অস্তিস্ব থাকার বিষয়টি আবারো সামনে চলে আসে।
‘লাল গ্রহ’মঙ্গলে ইতিমধ্যেই পানির অস্তিত্ব ছিল বলে প্রমাণিত হয়েছে। এবার সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহের উপগ্রহেও পানির, সর্বোপরি প্রাণের অস্তিস্ব রয়েছে কিনা, নাসার ঘোষণা এরকম দাবিকেই উসকে দিল।
নাসার বিজ্ঞানী কার্ট নিইবার বলেছিলেন, ‘বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপা নিয়ে আমাদেরও নানা প্রশ্ন রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, সেখানে কি প্রাণের অস্তিস্ব রয়েছে?” তাঁর মতে, এই ধরনের গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন তথ্য সামনে এলেই মহাকাশে আর কোথাও প্রাণের অস্তিস্ব রয়েছে কিনা তা জানা সম্ভব হবে।
নাসা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক দশক ধরে বৃহস্পতির উপগ্রহ ‘ইউরোপা’ নিয়ে গবেষণা চালিয়ে গিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
২০১১ সালের ৫ আগস্ট যাত্রা শুরু করে জুনো। এরপর চলতি বছরের জুলাইয়ের ৪ তারিখ তা বৃহস্পতিতে পৌঁছায়।

মুকসুদপুরে আ’লীগ নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

0

ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আবুল হোসেনের ওপর হামলার প্রতিবাদে শীর্ষসন্ত্রাসী বিএনপি যুবদলের সভাপতি লিটন মাঝি বিরুদ্ধে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলও মানববন্ধন করেছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার ধুবলী বাজারে এ বিক্ষোভ মিছিলও মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, লিটন মাঝি বিএনপি নেতা সে জামায়াতের গুপ্তচর, সে এলাকায় বিভিন্ন সময় আইনবিরোধী কাজ করে তার ব্যাপারে কথা কেউ কথা বললে তার উপর নেমে আসে অমানবিক নির্যাতন এবং তার ব্যাপারে দোহার থানায় মামলা হলেও পুলিশ তার সঙ্গীসহ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

নবাবগঞ্জে সিআর মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সাজপ্রাপ্ত এক আসামিক গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হোসেন আলী (৪৬) উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের খতিয়া গ্রামের বাসিন্দা। রবিবার রাতে তার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, নবাবগঞ্জ থানার সিআর মামলার তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি হোসেন আলী দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। রবিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
নবাবগঞ্জ থানার এএসআই মহিরউদ্দিন বলেন, হোসেন আলীকে সোমবার দুপুরে কোর্টে পাঠানো হয়েছে।

দোহারে মাদকসহ ব্যবসায়ী আটক

0

ঢাকার দোহার উপজেলায় মো. জামান হোসেন (২৫) নামে এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে ১৮০পিস ইয়াবাসহ আটক করেছে দোহার থানা পুলিশ। রবিবার রাতে মৌড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী মুকসুদপুর ইউনিয়নের মৌড়া এলাকার মনু মোড়লের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুকসুদপুর এলাকায় মাদক বেচাকেনা হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে দোহার থানার পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ১৮০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী জামানকে আটক করে থানা নিয়ে আসে। পরে দোহার থানা মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে সোমবার সকালে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয় দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, আটককৃত জামান উপজেলার একজন শীর্ষ পর্যায়ের মাদক ব্যবসায়ী তার বিরুদ্ধে দোহার থানায় একাধিক অভিযোগসহ মামলা রয়েছে।

কোঠাবাড়ীর চকে কৃষি জমিতে অবৈধ ইটভাটা নির্মান বন্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ

0

ঢাকার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের শিলাকোঠা গ্রামের কোঠাবাড়ীর চকে সরকারী নিয়মনীতির  তোয়াক্কা না করে তিন ফসলি জমিতে ইটভাটা নির্মান করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে একটি মহল। সরকারী বিধান অনুযায়ী ইটভাটা নির্মান করতে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকের অনুমতি পত্র নিতে হয়। এর প্রতিবাদে গত ২৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকাল ৫ টায় শিলাকোঠা ঈদগাহ মাঠে “কৃষি জমি বাঁচাও, কৃষক বাঁচাও, দেশ বাঁচাও” স্লোগানকে সামনে নিয়ে কোঠাবাড়ী চক রক্ষা সামাজিক আন্দোলনের ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুসুমহাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুল ওয়াহাব দোহারী। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন আমীর হোসেন কোম্পানী, মুক্তিযোদ্ধা আ. ওহাব মিয়া, মোরাদ বেপারী, রাকিব মাহমুদ, লূৎফর রহমান মোল্লা, মোশারফ বেপারী, ইসরাফিল হোসেন প্রমূখ।

কোঠাবাড়ী চক রক্ষা সামাজিক আন্দোলনের আহ্বায়ক আবু সাইদ মিয়ার সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন এস,এম বিপ্লব হোসেন ও রবিউল আওয়াল।

সুপারি গাছ: আকাশ থেকে ছুড়ে দেয়া তীর

0

বিখ্যাত ইংরেজ উদ্ভিদবিদ ড্যাল্টন হুকার (১৮১৭-১৯১১) যিনি সাত খণ্ডে ভারতীয় উপমহাদেশের গাছপালার বিবরণ লিখেছেন, তিনি সুপারি গাছকে বলেছেন “আকাশ থেকে ছুড়ে দেয়া ঈশ্বরের তীর”। বেশ লাগসই উপমা। অনেকটা তেমনই দেখায়। একটা লম্বা কাঠি, গেঁথে আছে মাটিতে, পেছনে একগুচ্ছ পালক। সুপারি এসেছে মালয়শিয়া থেকে। বাংলাদেশের সব যায়গাতেই দেখা যায়।  লোকে বাগানে খুব ঘন করে লাগায় যাতে সুপারি পাড়ার সময় না নেমে এক গাছ থেকে আরেক গাছে সহজে যেতে পারে। তাছাড়া সুপারি গাছের সারিও খুব সুশ্রী।  গাছ প্রায় ২০-২৫ মিটার লম্বা হয় ; গোলাকার কাণ্ডের ব্যাস ৪ থেকে ৭ ইঞ্চি। চারা লাগানোর পর ৬-৭ বছরের মধ্যেই ফল ধরা শুরু করে। তবে বেশি ফল ধরে ১০-১২ বছরের পর থেকে।

ইংরেজী নাম : Betel Nut
দ্বিপদী নাম : Areca catechu

বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল। এক সময় বিশ্ববাজারে সুপারির বার্ষিক চাহিদা আগে ছিল ৫০ হাজার টন।

পাকলে সুপারি হলুদ-কমলা রঙের, থোকায় থোকায় গাছের মাথায় ধরে থাকে। ভাল ফলন হলে একেক গাছে ৩০০ সুপারি ফলে। অনেকে সুপারি চিবান। কাচা ফলের রঙ সবুজ, পাকলে হলুদ বা কমলা হয়ে যায়।  খোসা ছাড়িয়ে ভিতরে সুগোল যে বিচি থাকে সেটাই খাওয়া হয়। এই বিচি শুকিয়েও খাওয়া হয়।

ফল ছাড়াও গাছের অনেক ব্যবহার আছে। বর্ষাকালে সুপারি গাছ দিয়ে সাকোঁ তৈরী করা হয়, গৃহনির্মানের ব্যবহৃত হয়। সুপারি গাছের পাতার খোল শিশুদের খেলার উপকরণ। খোল সহ ডাল দিয়ে গ্রামাঞ্চলে বাড়ীরে আবডাল তৈরী করা হয়।

এক সময় সারা দেশের মত দোহার ও নবাবগঞ্জেও প্রচুর দেখা যেত। প্রায় প্রতিটি বাড়ীর সীমানা চিহ্নিত করা হত সুপারি গাছের সারি দিয়ে। বিভিন্ন উৎসব, অনুষ্ঠান, পার্বনে গাছের গোড়ায় দুই থেকে তিন ফুট চুনা দিয়ে সাদা রং করা হত। যদিও প্রচুর আছে তবু এখন সুপারি গাছের পরিমান আগের থেকে অনেক কমে গেছে। বাড়ীর সীমানায় এখন আর আগের মত সুপারি গাছ দেখা যায় না।

সুপারি গাছ
সুপারি গাছ : দোহারের উত্তর জয়পাড়া থেকে তোলা

প্রতি ১০০ গ্রাম সুপারিতে আছে ২৮৯ ক্যালরি শক্তি যোগানোর ক্ষমতা। সুপারির অনেক ভেষজ গুণও আছে। সুপারি ভেজে মিহি গুড়োঁ করে দাঁত মাজলে দাঁতের ব্যথা ও পায়োরিয়া সেরে যায়। ক্রিমি, রক্ত আমাশা, অজীর্ণ ইত্যাদি রোগ নিরাময়েও সুপারি উপকারী। তবে সুপারি এদেশবাসীর মুখের ক্যান্সারের অন্যতম কারণ, এর রসে এরিকোলিন নামে উপক্ষার মুখের ক্যান্সার সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্র:
দ্বিজেন শর্মা, গাছের কথা ফুলের কথা
উইকিপিডিয়া

দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজকে সরকারীকরণ করা হবে – নবাবগঞ্জে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

দোহার নবাবগঞ্জ কলেজকে সরকারীকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। গত ২৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার নবাবগঞ্জের বর্ধনপাড়া পিকেবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন ভবনের উদ্বোধন ও একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষা, খাদ্য ও যোগাযোগক্ষেত্রে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। এই উন্নয়ন এখন বিশ্বের রোলমডেল। এসব দেখে একটি মহল ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা ইসলামের নামে মানুষ হত্যা করছে। তবে আইনশৃংখলা বাহিনী ’৭১-এর মতো জীবনবাজি রেখে ওদের রুখে দিচ্ছে।

এছাড়াও তিনি বলেন, ‘দেশ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে দেশে কোনো সন্ত্রাসী চক্রই আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। বাংলাদেশের উন্নয়নে ও সন্ত্রাস নির্মূলে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনা আজ বিশ্ব স্বীকৃত নেত্রী। আজকের নবীনদেরও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

এ সময় মন্ত্রী দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজকে সরকারিকরণ, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, নদীপথে চলাচলের সুবিধার্থে একটি নৌযান দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।