পদ্মায় নিখোঁজ দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের লাশ উদ্ধার

0

ঢাকার দোহারে পদ্মা নদীতে ডুবে এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রের ভাসমান লাশ পৃথক ভাবে উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।গত ১২ ফেব্রুয়ারি রবিবার রাতে মৈনটঘাট সংলগ্ন দুর্ঘটনাস্থলের পাশে ভাসমান অবস্থায় শাওন সরকার (২০) এবং আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে মিজানুর রহমান মিন্টুর (২২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র। জানা যায়,শাওন সরকার মানিকগঞ্জ সদর থানার রত্নাদিয়া গ্রামের নিতাই সরকারের ছেলে। একই দুর্ঘটনায় শাওনের সহপাঠী মিজানুর রহমান মিন্টু কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আহাম্মদপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।

 

এ বিষয়ে দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম শেখ নিউজ ৩৯ কে বলেন, “উদ্ধারকৃত লাশের পরিচয় নিশ্চিত করে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়”।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দোহারের মৈনট ঘাট এলাকায় বাস যোগে ঘুরতে আসে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫/৩০ জন শিক্ষার্থী। শেষ বিকালে তারা পদ্মার চরে ফুটবল খেলছিলেন। খেলার একপর্যায়ে বল নদীতে চলে যায়। মিজানুর রহমান মিন্টু ও শাওন সরকারসহ চার শিক্ষার্থী বল তুলে আনতে গেলে নদীর স্রোতে দুজন ডুবে যায়। সহপাঠীরা তাদের খুঁজে না পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে জানায়।

 

নবাবগঞ্জে নদী থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে অর্থদন্ড

ঢাকার নবাবগঞ্জে ইছামতি নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত ১২ ফেব্রুয়ারি রোববার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহনাজ মিথুন মুন্নীর আদালত এ অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এ সময় উপজেলা ও থানা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলা সদরের যন্ত্রাইল ব্রিজের মহিলা এতিমখানা সংলগ্ন ইছামতি নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটছিলেন একদল শ্রমিক। খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। এ সময় শ্রমিকরা পালানোর চেষ্টা করেন। অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত থাকায় মাদ্রাসা পরিচালক হাজী লুৎফুল করিমকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

মৈনটে পদ্মায় নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর এক ছাত্রের লাশ উদ্ধার

0

ঢাকার দোহারে মৈনটে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর শাওন সরকার নামে এক ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। আজ রবিবার সন্ধ্যায় মৈনটঘাট সংলগ্ন দুর্ঘটনাস্থলের পাশে ভাসমান অবস্থায় ছিল মরদেহটি। দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম শেখ লাশের পরিচয় নিশ্চিত করেন। এসময়ে নিহতের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধার করা ওই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি মানিকগঞ্জ সদর থানার রত্নাদিয়া গ্রামের নিতাই সরকারের ছেলে। একই দুর্ঘটনায় শাওনের সহপাঠী মিজানুর রহমান মিন্টু এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। মিন্টু কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আহাম্মদপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় দোহারের মৈনট ঘাট এলাকায় বাসযোগে ঘুরতে আসে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫/৩০ জন শিক্ষার্থী। শেষ বিকালে তারা পদ্মার চরে ফুটবল খেলছিল। খেলার একপর্যায় বল নদীতে চলে যায়। মিজানুর রহমান মিন্টু ও শাওন সরকারসহ চার শিক্ষার্থী বল তুলে আনতে গেলে নদীর স্রোতে দুজন ডুবে যায়। সহপাঠীরা তাদের খোঁজ না পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে জানায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুই দিন উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

 

গণমানুষের জন্যই আমার রাজনীতি;অ্যাডঃ সালমা ইসলাম এমপি

“নবাবগঞ্জের উন্নয়নে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ গণমানুষের জন্যই আমার রাজনীতি। তাই মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। আপনাদের সহযোগিতা পেলেই এ অঞ্চলের গ্রামীণ অবকাঠামো ও উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করতে পারব”। গত ১১ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকালে নবাবগঞ্জ উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের বারুয়াখালী ইউনিয়নের দীর্ঘগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে স্থানীয় জাতীয় পার্টির কর্মী সমাবেশ ও যোগদান অনুষ্ঠানে সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি এসব কথা বলেন। জাতীয় পার্টি নেতা আবদুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেন, আমি আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন চাই। তবেই এলাকার উন্নয়ন কাজ করতে পারব। অনুষ্ঠানে শত শত নারী-পুরুষ অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য সালমা ইসলামের উন্নয়নের রাজনীতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে আগামী নির্বাচনে তাকে সমর্থনের কথা জানান। সমাবেশে উপস্থিত এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বারুয়াখালী থেকে ভাঙ্গাপাড়া পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা দ্রুত পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এ সময় বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আতাহার আলীর নেতৃত্বে প্রায় দু’শ নেতাকর্মী সালমা ইসলাম এমপির হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-আহ্বায়ক জুয়েল আহমেদ, নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল, বারুয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আরিফুর রহমান শিকদার, জয়কৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান, জাহাঙ্গীর চোকদার, এমএ মজিদ, শিক্ষানুরাগী সিদ্দিকুর রহমান, আসাদুজ্জামান চৌধুরী রানা, আবদুল মালেক, আবদুল সালাম, কিরন খান, আবদুল গফুর, শ্রমিক পার্টির আবু নাইম, মো. ইয়াসিন, সফিকুল ইসলাম স্বপন, মো. ওয়াসিম, সাহাদাত হোসেন, সোলায়মান মেম্বার, আবুল হাশেম, মনির হোসেন, বাদশা মিয়া, আতাহার আলী, সালাম মোল্লা, মো. আব্বাস, নারী নেত্রী রেশমী হোসেন আজাদ, নিলুফার ইয়াসমিন লিলি, তাজনিনা আহমেদ, ছাত্রসমাজের খলিল দেওয়ান, পনির মণ্ডল, শ্রীকৃষ্ণ সাহা প্রমুখ।

 

নিখোঁজের দুই দিনেও সন্ধান মিলেনি পদ্মায় ডুবে যাওয়া দুই ছাত্রের

0

দোহারের মৈনটের পদ্মা নদীতে ডুবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র নিখোঁজের ২দিনেও খোঁজ মিলেনি। গত ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাত পৌনে ৯টা থেকে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে দোহার ও রাজধানীর ফুলবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

নিখোঁজ ছাত্ররা হলেন- কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আহাম্মদপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান মিন্টু ও মানিকগঞ্জ সদর থানার রত্নাদিয়া গ্রামের নিতাই সরকারের ছেলে শাওন সরকার। তারা দুজনই এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র।

এদিকে গতকাল মৈনট ঘাটে নিখোঁজ ছাত্রদের স্বজনদের খোঁজ খবর নিতে আসেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুল মান্নান খান। এ সময় তিনি শোকাহত দুই পরিবারের স্বজনদের খোঁজ খবর নেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দোহারের মৈনট ঘাট এলাকায় বাসযোগে ঘুরতে আসে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫/৩০ জন শিক্ষার্থী। শেষ বিকালে তারা পদ্মার চরে ফুটবল খেলছিল। খেলার একপর্যায় বল নদীতে চলে যায়। মিজানুর রহমান মিন্টু ও শাওন সরকারসহ চার শিক্ষার্থী বল তুলে আনতে গেলে নদীর স্রোতে দুজন ডুবে যায়। সহপাঠীরা তাদের খোঁজে না পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে জানায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল রাত পৌনে ৯টায় থেকে উদ্ধার অভিযান চালায়। পরে রাতে অন্ধকার ও স্রোতের কারণে অভিযান বন্ধ রাখে। পরে শনিবার সকাল থেকে আবারও তারা উদ্ধার অভিযান চালায়। সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালালেও গত ২দিনে তাদের সন্ধান পায়নি ডুবুরি দল।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মো. রাফিউজ্জামান নিউজ ৩৯ কে জানান, “নদীর পানির নিচের দিকে স্রোত বেশি। তবুও চিহ্নিত এলাকায় খোঁজ চলছে। উদ্ধারে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে”। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম.আল-আমীন জানান, “ডুবুরি দল সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন। মৈনট ঘাট এলাকায় পর্যটকদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার চিন্তা করা হচ্ছে”।

নুরুল্লাপুর মেলায় অশ্লীল যাত্রাপালা প্রদর্শনের অভিযোগ

দোহারের কার্তিকপুরের ফকিরবাড়ীতে শাহ স্যানালের ওরসে আবারও অশ্লীল যাত্রাপালা প্রদর্শনের অভিযোগ করেছে স্থানীয় জনসাধারণ ও দর্শনার্থী। যা ভ্যারাইটি শো নামে পরিচিত। সেখানে যাত্রার নামে নারী ও যুবতী মেয়েদের দিয়ে অশ্লীল, অর্ধনগ্ন নৃত্য প্রদর্শনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার দুপুরের পর থেকে তা প্রদর্শিত হচ্ছে। মেলার পিছনের ২টি অংশে অতি গোপনে তা প্রদর্শিত হচ্ছে। সাংবাদিক বা কেউ যেন ছবি তুলে বাইরে প্রদর্শন করতে না পারে সেজন্য ভিতরে ক্যামেরা বা মোবাইল ভিতরে নিষিদ্ধ। মুখে মুখোশ বেঁধে প্রায় ৫০/৬০ জনের যুবকদল প্রবেশ পথে পাহারায় নিয়োজত রয়েছে। এসব যুবকদের সাথে রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী যুবক ও ব্যাক্তি।
নিউজ৩৯ এর বিশেষ এক প্রতিবেদক শনিবার বিকাল ৫টায় পরিচয় গোপন করে সেখানে কথা বলেন পাহারায় নিয়োজিত যুবকদের সাথে। তারা জানান জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ২০০টাকা। বেশী টাকা দিলে আলাদা কামরা ও বসার আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। আর এরচেয়ে বেশি দিলে রয়েছে স্পেশাল সেবা। তারা আরো জানান, ঢাকা থেকে আরও অনেক সুন্দরী অনেক মেয়ে আসছে রাতে, যাদের শো শুরু হবে রাত ১২টার পরে।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম.আল-আমীন নিউজ৩৯ কে বলেন, “আমি পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় অশ্লীল যাত্রাপালা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব”।

নবাবগঞ্জে চলছে অবৈধভাবে মাটি বিক্রির মহোৎসব

নবাবগঞ্জ উপজেলার দত্তখন্ড গ্রামের প্রায় হাজার একর বসতবাড়ি, ফসলি জমি, ডাঙা, পুকুর সিএস, এসএ, আরএস রেকর্ডভুক্ত জমি স্থানীয় ভূমিদস্যুরা দখলে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভূমিদস্যুরা প্রভাবশালী হওয়ায় ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জমির প্রকৃত মালিকরা। ভূমিদস্যুরা জমির মাটি কেটে সাবাড় করছে। বাধা দিতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও ভুক্তভোগীরা জানায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় হাজার একর জমি দখলকারি প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে জমির মালিকরা থানায় একাধিক অভিযোগ করার পরও দখল ছাড়ছে না। জমির বিষয় কথা বললেই প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে উল্টো চাপে রেখেছেন জমির প্রকৃত মালিকদের। অভিযুক্তরা হলেন, দত্তখন্ড গ্রামের তোতা সরকার @ মজবুত আলী (৭৫), কাউছার (৫০), সাধু মিয়া (৭৫), কালু মিয়া (৭৮), হানিফার (৬০), চাঁন মিয়া (৫৮), ফরহাদ (৫৬), খেজমত আলী (৬৫), হাবু (৪৫), শফি (৫০), বাদল ( ৪৮)। এদের বিরুদ্ধে জমি দখল ও হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়।
রেকর্ডভুক্ত ও ক্রয়কৃত জমির ওয়ারিশ আবু সাইদ বলেন, থানা পুলিশে অভিযোগ দিয়েও কোনো কাজে আসছে না। তাদের অত্যাচারে এলাকায় বসবাস করাই কঠিন। জমির বিষয়ে কেউ কথা বললে তাকে মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানি করে ভূমিদস্যুরা। এমনকি মালিকরা জমির কাছে গেলে হত্যার হুমকি দেয় ওরা। ফলে ঐ চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে আছে এলাকাবাসী।
একই ধরনের অভিযোগ ঐ এলাকার জমির মালিক মজিবর মৃধার ছেলে ফারুক মৃধা, খলিল মৃধা, অলি মৃধার। ফারুক মৃধা অভিযোগ করেন, আমার দাদার বাবা সফুর মৃধা এলাকার জমিদার ছিলেন। ভূমিদস্যুরা আমাদের বিপুল পরিমাণ জমি গ্রাস করে আছেন। সিএস ও এসএ রেকর্ডও রয়েছে তার নামে। তারা আমাদের কয়েক একর ফসলি জমির মাটি বিক্রি করে ঐ টাকায় আমাদের বিরুদ্ধে মামলা চালাচ্ছেন। হামলার ভয়ে দখলদারদের কিছু বলার সাহস পাই না।
ভূমি দখলদার কাউছার বেপারী বলেন, কারো জমি দখলের প্রশ্নই উঠে না। তারা কাগজ কলমে প্রমাণ করতে পারলে জমি ফেরত দিয়ে দেবো। আরএস রেকর্ডের ভিত্তিতে জমির মালিকানা হয়ে ভোগদখলে আছি। তবে ফসলি জমির মাটি কাটা এবং বিক্রির বিষয়টি তিনি অবৈধ বলে স্বীকার করেন। এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তফা কামাল নিউজ ৩৯ কে বলেন, এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নির্দেশ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনাজ মিথুন মুন্নি বলেন, “সরজমিনে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে”।

 

দোহারের মৈনটঘাটে পদ্মায় ২ ছাত্র নিখোঁজ

0

দোহার উপজেলার মৈনটঘাট এলাকার বালুচরে ফুটবল খেলতে গিয়ে নদীতে ডুবে বেসরকরি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ ছাত্ররা হলেন মিজানুর রহমান মিন্টু ও শাওন সরকার। উভয়েই ইউনিভার্সসিটি অব এশিয়ান প্যাসিফিকের কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাত ৯টা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দোহারের মৈনট ঘাট এলাকায় ঘুরতে আসে ইউনিভার্সসিটি অব এশিয়ান প্যাসিফিকের ২৫-৩০ জন শিক্ষার্থী। শেষ বিকালে তারা পদ্মার চরে ফুটবল খেলছিল। খেলার একপর্যায় বল নদীতে চলে যায়। মিজানুর রহমান মিন্টু ও শাওন সরকার বল তুলতে নদীতে নামলে তারা দুজন ডুবে যায়। সহপাঠীরা তাদের খুজে না পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে জানায়। নিখোঁজ দুজনের সহপাঠী রিফাত হোসেন নিউজ ৩৯ কে জানান, “অনেক খোঁজা খুজির পরও তাদের পাওয়া যাচ্ছে না”। এ বিষয়ে দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম শেখ নিউজ৩৯ কে বলেন,”ঘটনাস্থলটি চরভদ্রাসন থানা এলাকায় হওয়ার কথা”। কিন্তু এ ব্যাপারে চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ রাম প্রসাদ ভক্ত বলেন,”ঘটনা দোহার থানা এলাকায়। তবে আমাদের পুলিশও ঘটনাস্থলে রয়েছে”।

 

দোহারের নুরুল্লাহপুরে মেলার নামে গাঁজার রমরমা বাণিজ্য;চলছে ভ্যারাইটি শো’র প্রস্তুতি

 

দোহারের নুরুল্লাহপু্রের মেলার নাম শুনেনি এমন লোক হয়তো দোহার নবাবগঞ্জ কেরানীগঞ্জে পাওয়া যাবেনা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মিলেছে মেলা। তার সাথে শুরু হয়েছে সাধু সন্ন্যাসী নামধারী গাঁজা ব্যবসায়ীদের উৎপাত। অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল মেলায় পুতুল নাচ এবং যাত্রাপালার নামে প্রস্তুতি নিচ্ছে ভ্যারাইটি শো’র নামক অশ্লীল নিত্য পরিবেশনের। ইতিমধ্যে তারা ক্ষমতাসীন বিভিন্ন নেতাদের দ্বারস্থ হয়েছেন অনুমতির জন্য। ওরশ ১০ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার হলেও চার পাঁচদিন আগে থেকেই নানা ধরনের অবৈধ ব্যবসার বিস্তার ঘটেছে মেলা প্রাঙ্গনে।

ওরশের আয়োজক সূত্রে জানা গেছে তারা এসব অবৈধ ও অশ্লীল কর্মকান্ড বন্ধের দাবী জানিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছে। সরেজমিনে গত বৃহস্পতিবার সকালে গিয়ে দেখা যায়, মেলায় বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সাধু সন্ন্যাসীদের আস্তানায় প্রকাশ্যে চলছে গাঁজা সেবন । আর এসব মাদক সেবনের সাথে যুক্ত হচ্ছে এলাকার উঠতি বয়সের কিশোর-যুবকরা। বিভিন্ন স্থান থেকে আগত গাজা ব্যবসায়ীরা এখানে এসে স্থানীয়দের সঙ্গে জমিয়ে তুলেছে গাজার রমরমা ব্যবস্যা। এখানে গাঁজা এতটাই সস্থা যে,হাত বাড়ালে মাত্র দশ টাকা থেকে শুরু করে হাজারো টাকায় মিলছে গাঁজা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়,”ওরশকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত মেলায় চলছে গাঁজার রমরমা ব্যবস্যা। সাথে নাকি মদ ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য অতি সহজেই মিলছে এখানে। রাত যত গভীর হয় মাদকের ব্যবস্যা নাকি তত বেশি জমে উঠে। আর এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এলাকার কিশোরেরা। তারা আরোও বলেন,”এ বছর মেলাকে কেন্দ্র করে এলাকার কিছু অসাধু লোক ভ্যারাইটি শো ও সার্কাসের নামে অশ্লীল নৃত্যে আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে”। তারা প্রশাসনের কাছে এসব অপকর্ম বন্ধ করার আবেদন জানান।

এ ব্যাপারে ওরশ উদযাপন ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহ আলম চিশতী নিউজ ৩৯ কে বলেন,”ওরশকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে আইন বিরোধী ও অশ্লীল কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে সেজন্য আমরা সহযোগীতা চেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও থানাকে আগেই অবহিত করেছি”।  এ ব্যাপারে দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম শেখ নিউজ৩৯ কে বলেন,” আমরা কোন ধরনের লিখিত আবেদন পাইনি। তবে কারো বিরুদ্ধে মেলায় কিংবা ওরশে অবৈধ কিছু প্রদর্শন বা মাদক বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে তাকে গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

দেশনেত্রীকে বাদ দিয়ে নির্বাচনের ষড়যন্ত্র সফল হবে না – ভিপি কামাল

দোহারের সন্তান ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ভিপি কামাল বলেছেন, দেশনেত্রী ম্যাডাম খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে নির্বাচনের ষড়যন্ত্র সফল হবে না। বিএনপির ভ্যানগার্ড ছাত্রদল এবার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে। গতকাল খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরা প্রসংগে ভিপি কামাল নিউজ৩৯কে এই কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, হত্যা, গুম জেল জুলুম পুলিশের অমানুষিক এবং অমানবিক নির্যাতন সহ্য করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুন্যের অহংকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে চলছি আমরা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের অনুসারী আমরা, আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না , এগিয়ে চলবোই ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন মামলায় জর্জড়িত তিনবারের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দুর্নীতি, সহিংসতা ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে বহু মামলায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম খুব দ্রুততার সঙ্গে চলছে। প্রতি সপ্তাহেই খালেদা জিয়াকে বকশিবাজারের বিশেষ আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। মামলার কার্যক্রমও নাটকীয় দ্রুততায় শেষের দিকে চলে আসছে। অপরদিকে সুবিচার পাবেন না এমন আশঙ্কায় চলমান আদালতেই বচোরকের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করার পরেও আদালত শুনানী করায় সরকারের ষড়যন্ত্র সবার সামনে প্রকাশ হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করছেন যে, সরকার পরিকল্পিতভাবে খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়ার চেষ্টা করছে। কমপক্ষে দুই বছরের শাস্তি আদালতের মাধ্যমে করানো যায় কি’না সে চেষ্টা করছে। ম্যাডাম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে আদালতের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করে নির্বাচনের বাইরে রাখা গেলে ক্ষমতাসীন দলের আবার ক্ষমতায় আসা সহজ হবে। তাই সরকার এই ষড়যন্ত্র করছে।
বিএনপি ও এদেশের জনগণ এই ষড়যন্ত্র কে প্রতিহত করে দেশনেত্রী ম্যাডাম জিয়াকে নির্বাচনের মাধ্যমে আবারো ক্ষমতায় বসাবে।আগামী নির্বাচনে বিএনপির বিজয় সুনিশ্চিত এই আশঙ্কা করে আওয়ামী লীগ আরও গোঁয়ারভাবে একতরফা নির্বাচনের চেষ্টাও করছে।
তিনি সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো সাজা দেয়া হলে সারাদেশে আন্দোলনের দাবানল জ্বলে উঠবে।