নবাবগঞ্জে স্কুলের দাবীতে মানববন্ধন

নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারি জমিতে স্কুল ও খেলার মাঠ তৈরীর দাবীতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় জনগন । আজ ১৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা প্রশাসন ভবনের মূল ফটকের সামনে দাড়িয়ে উপজেলার কলাকোপা ইউনিয়নের কাশিমপুর, পীরমামুদিয়া ও রাজপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা এ মানববন্ধনে অংশগ্রহন করে। মানববন্ধন শেষে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন ও কলাকোপা ইউপি চেয়ারম্যান  হাজী ইব্রাহীম খলিল  ৩ গ্রামের জনসাধারণের পক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত দাবী পেশ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামীগ নেতা মো. হান্নান উদ্দিন, জাতীয় শ্রমিক লীগের উপজেলা আহবায়ক আমির হোসেন কুটি, ব্যবসায়ী  মো.আব্দুর রশিদ, কৃষকলীগ নেতা শেখ আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ।

 

 

নবাবগঞ্জে চার পুলিশ সদস্য আহতের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামী করে মামলা

নবাবগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় শিকারীপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলিমোর রহমান খান পিয়ারাকে প্রধান আসামী মামলা করেছে পুলিশ।

জানা যায়, সংঘর্ষের সময় অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন ও পুলিশের উপর হামলায় ঘটনায় বুধবার দুপুরে পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আশরাফুল আলম তালুকদার ঐ মামলার বাদী হন।  মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান আলিমোর রহমান খান পিয়ারাকে প্রধান আসামী করে ২০ জনের নামসহ অজ্ঞাত ৪০/৫০ জনকে আসামী করা হয়।

উল্লেখ্য, এলাকার আধিপত্য নিয়ে গত মঙ্গলবার সকালে ব্যবসায়ী বাদলের মালিকানাধীন সাহেবগঞ্জের ইটভাটায় হামলা চালায় ইউপি চেয়ারম্যান সমর্থকরা। এই সময় চেয়ারম্যান সমর্থকরা অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে অন্তত ৫০ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। ব্যবসায়ী বাদল দুপুরের দিকে পুলিশ পাহাড়ায় বাড়ি ফেরার পথে চেয়ারম্যান সমর্থক হামলা করে। এতে ৪ পুলিশ সদস্যসহ ২০জন আহত হয়। এবিষয়ে ব্যবসায়ী বাদল মিয়ার পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

অপরদিকে, এঘটনার পর থেকে বুধবার বিকাল পর্যন্ত এলাকাবাসীর মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। এলাকাবাসী গুলিবর্ষনের ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও শিকারীপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোজাম্মেল হক টিপু দাবী জানান, হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত ৮/১০টি অস্ত্র কোথা থেকে এলো কোথায় গেলো এ বিষয়ে প্রশাসনের তদন্ত করা উচিৎ। এঘটনায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তফা কামাল মামলার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

 

নবাবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে চার পুলিশসহ আহত ২০

নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের  সংঘর্ষে ৪ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১ জনকে আটক করেছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য নিয়ে শিকারীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলিমোর রহমান খান পিয়ারার সাথে গরিবপুর গ্রামের ব্যবসায়ী বাদলের দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। সকালে পিয়ারা চেয়ারম্যান প্রায় ২শ’ লোকজন নিয়ে বাদলের মালিকানাধীন সাহেবগঞ্জের ইটভাটায় হামলা চালায়। সেখানে চেয়ারম্যানের লোকজন অন্তত ৫০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরে দুপুরের দিকে বাদল তার লোকজন নিয়ে চেয়ারম্যান বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় চেয়ারম্যানের লোকজন তাদের উপর হামলা করে। এসময় দু’পক্ষে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আশরাফুল আলম তালুকদারসহ কনস্টেবল সাইফুল, সাত্তার ও শরিফুল আহত হয়। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষে পিয়ারা চেয়ারম্যান, প্রতিপক্ষ বাদলসহ অন্যরা আহত হন। পরে নবাবগঞ্জ থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই শফিকুল ইসলাম সুমন বলেন, বাদলকে পুলিশ পাহারায় বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার সময় চেয়ারম্যানের লোকজন ইটপাটকেল ছুড়লে পুলিশ সদস্যরা আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

 

গরমে পান করুন ঠাণ্ডা শসা-লেবুর পানীয়

চৈত্র মাসের প্রচণ্ড দাবদাহ চলছে এখন প্রকৃতিতে। শরীর ঠাণ্ডা রাখার জন্য শসা খেতে পারেন এ সময়। তীব্র গরমে এক গ্লাস ঠাণ্ডা শসার পানীয়ও সতেজ রাখতে পারে আপনাকে। ঝটপট বানিয়ে ফেলুন শসা-লেবুর পানীয়। অতিথি আপ্যায়নে ঠাণ্ডা এ পানীয় পরিবেশন করতে পারেন।

জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন-
যা যা লাগবে
টুকরা করে কাটা শসা
পুদিনা পাতা কয়েকটি
২ কাপ স্প্রাইট
লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
লবণ ১ চা চামচ
প্রস্তুত প্রণালি
শসা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। মিশ্রণ ছেঁকে রস সংগ্রহ করুন। একটি গভীর পাত্রে লেবুর রস, শসার রস ও লবণ, স্প্রাইট, পুদিনা পাতা কুচি একসঙ্গে মেশান। গ্লাসে ঢেলে বরফের কুচি মিশিয়ে পরিবেশন করুন ঠাণ্ডা শসা-লেবুর পানীয়।

 

 

চিংড়ি মাছের মালাইকারি রান্নার নিয়ম

আসছে পহেলা বৈশাখ। বাংলা বছরের প্রথম দিন। নববর্ষের আনন্দে সবাই চায় মেতে উঠতে। তাই নানা আয়োজনের পাশাপাশি খাবারের থালায়ও থাকে বৈচিত্র্য। এদিন সবকিছুতেই বাঙালিয়ানার ষোলআনা ফুটিয়ে তুলতে চায় সবাই। বৈশাখের খাবারের আয়োজনে তাই রাখতে পারেন চিংড়ি মাছের মালাইকারি। রইলো রেসিপি-
উপকরণ : বড় চিংড়ি ১ কেজি, সবুজ কাঁচা মরিচ ৫ টি, হলুদ গুঁড়ো সিকি চা-চামচ, মরিচ গুঁড়ো ১ চা-চামচ, লবণ আধা চা-চামচ অথবা স্বাদ অনুযায়ী, চিনি ১ চা-চামচ, নারকেলের দুধ ২ কাপ, জিরা বাটা ১ চা-চামচ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, ধনেগুঁড়ো সিকি চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি কাপ, সয়াবিন তেল কাপ, ৩-৪ টি এলাচ, ২-৩ টি দারুচিনি।

প্রণালি : ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে সামান্য লবণ ও হলুদ মাখিয়ে মাছগুলো ভেজে তেল ছেঁকে উঠিয়ে রাখুন। মাছ ভাজা একই তেলে পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, লবণ, জিরা বাটা, আদা বাটা, ধনেগুঁড়ো ও ১ কাপ নারকেলের দুধ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন। তারপর মাছগুলো ঢেলে দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন এবং বাকি ১ কাপ নারকেলের দুধ দিয়ে দিন। এখন চিনি, এলাচ, দারুচিনি, সবুজ কাঁচা মরিচ দিয়ে চুলার আঁচ সামান্য বাড়িয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। পাঁচ মিনিট পর ঢাকনা খুলে নাড়ুন। পাঁচ মিনিট পর ঢাকনা খুলে যখন মাছের গায়ে ঝোল মাখা মাখা হবে তখন নামিয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

 

৪৬ বছরেও স্বীকৃতি পায়নি মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ২নং সেক্টরে কমান্ডার খালেদ মোশারফ কর্তৃক নিযুক্ত গ্রুপ কমান্ডার ও পরবর্তী সময়ে ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শওকত হোসেন আঙ্গুরের সঙ্গে আগলা জয়নগর ক্যাম্পে  যুদ্ধ করেন মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধের ৪৬ বছরেও তার নাম গেজেট বইয়ে উঠেনি। বর্তমানে তার মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি চায় তার পরিবার। তিনি ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের মৃত আবদুল বারেকের ছেলে।

নবাবগঞ্জের আগলা গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ (দারু) জানান, নবাবগঞ্জ থানাকে পাক-হানাদার মুক্ত করতে ৭১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শওকত হোসেন ও তার সহযোদ্ধা আবদুল হামিদ যুদ্ধ করেন। ইছামতি নদীর গালিমপুুর, আগলা ও চুড়াইনের উত্তর-পূর্ব বাঁকে আমাদের সাথে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে সম¥ুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যা নবাবগঞ্জ অঞ্চলে গালিমপুরের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এ যুদ্ধে বেনুখালী গ্রামের রহিম নামে এক মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদের বড় ছেলে আবদুল সালাম বলেন, আমার বাবা একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।  আমার পরিবারের দাবি বাবার রাষ্টীয় সুবিধা চায় না। চাই শুধু রাষ্টীয় স্বীকৃতি।

নবাবগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শাহ্ আবু বক্কর সিদ্দিকী আবু জানান, কোমরগঞ্জ, বক্সনগর চুড়াইনসহ নবাবগঞ্জের বিভিন্ন প্রান্তে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন আবদুল হামিদ। তার নাম রাষ্ট্রীয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধা গেজেট ভোক্ত করা উচিত।

দোহারের বটিয়ায় খাল থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন

দোহার উপজেলার বটিয়াখালে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করছে একজন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি। এতে খালের দুই পারের রাস্তায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। পার্শ্ববর্তী বসতিতে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

জানা গেছে, উপজেলার কার্তিকপুর থেকে জয়পাড়ায় প্রবাহমান খালের বটিয়া এলাকায় ৩টি ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে প্রভাবশালী চক্রটি। তারা উত্তোলন করা মাটি পাইপের মাধ্যমে পাশ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহ করছে। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ এ কাজ করছেন বলে এলাকাবাসী জানান।

সরেজমিন দেখা গেছে, খালের বটিয়া অংশে কয়েক যুবক মাটি কাটার মেশিন তদারকিতে ব্যস্ত। অন্যরা ভরাট কাজ দেখাশোনা করছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ক্ষমতাসীন দলের পরিচয়ে গত দুই মাস যাবৎ খালে ড্রেজার লাগিয়ে মাটি উত্তোলন করছেন। প্রভাবশালী হওয়ায় বাধা দেওয়ার সাহস পাচ্ছেন না তারা।

স্থানীয়রা ক্ষোভের সঙ্গে জানান, গতবছর মাটি উত্তোলনের ফলে জয়পাড়া-বিলাশপুর রাস্তাটি ভেঙে যায়। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সারা বছরই এ খাল থেকে কোনো না কোনো প্রভাবশালী মাটি উত্তোলন করে থাকে। কিন্তু এর ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। এ বছরও খালের পাড়ে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাড়ের বেশ কয়েকটি বসতবাড়িসহ রাস্তাটিও মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ বিষয়ে মাটি উত্তোলনকারী জানান, মাটি উত্তোলনের বিষয়ে তিনি প্রশাসনের অনুমতি নেননি।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আল আমিন বলেন, বিষয়টি আমি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জয়পাড়া কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হলেন সালমা ইসলাম

 

শিক্ষাই দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে পারে। এর বিকল্প নেই। নেপোলিয়ন বলেছিলেন, আমাকে শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদের একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দেব। শনিবার ঢাকার দোহারে জয়পাড়া কলেজ গভর্নিং বডির সভায় সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি এসব কথা বলেন।

অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি কলেজ গভর্নিং বডিতে দ্বিতীয়বার সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এটা ছিল নতুন কমিটির প্রথম বৈঠক। দ্রুত কমিটির অনুমোদন দেয়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেও সভার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।

কলেজ অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সদস্য সচিব তাপস কুমার নন্দীর সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কলেজের হিতৈষী সদস্য মো. ফজলুল হক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যোৎসাহী সদস্য সুরুজ আলম, অভিভাবক সদস্য হেসাম উদ্দিন, মো. রমজান আলী মল্লিক, মো. মোক্তার হোসেন, কো-অপ্ট সদস্য ডা. রামকৃষ্ণ সাহা, শিক্ষক প্রতিনিধি আবদুল মুতালিব আহমেদ, মাকসুদা আক্তার, মো. সুমন আলী মল্লিক, জাতীয় পার্টির নবাবগঞ্জ উপজেলার যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জুয়েল আহম্মেদ, জাতীয় পার্টি দোহার উপজেলার আহ্বায়ক ডা. আলাউদ্দিন আল আজাদ ও সদস্য সচিব মো. আলীম, কলেজের আইসিটি ইন্সট্রাকটর মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

বক্তারা সভাপতিকে কলেজের নানা সমস্যা অবহিত করেন। কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা তিন সহস াধিক। তীব্র শ্রেণীকক্ষ সংকট বিরাজ করছে। তাই নতুন ভবন নির্মাণে উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানান।

গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি কলেজটিকে দোহারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কলেজে উন্নীত করার লক্ষ্যে শিক্ষক-অভিভাবক-শিক্ষার্থী সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, এ কলেজ ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও সে তুলনায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি, অবকাঠামোসহ নানা সমস্যা রয়েছে। ইনশাআল্লাহ্ অচিরেই এসব সমস্যার নিরসন হবে। জয়পাড়া কলেজকে একটি আধুনিক কলেজে রূপান্তরিত করা হবে। এজন্য সবার আন্তরিক সহযোগিতা দরকার।

তিনি আরও বলেন, সময়ের মূল্য দিতে হবে। সময়কে ঠিকমতো কাজে লাগাতে হবে। আসুন দলমত নির্বিশেষে দোহারের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ জয়পাড়া কলেজকে আদর্শ কলেজে পরিণত করি।

দোহারের বৈটা খালে অবৈধ বালু উত্তোলন

 

ঢাকার দোহার উপজেলার বৈটা খালে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করায় দুই পাড়ে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে খালপাড়ের রাস্তা, বাড়িঘর হুমকিতে পড়েছে। এলাকার প্রভাবশালী মহল পরিবেশ বিপর্যয়ের তোয়াক্কা না করেই এ কাজ করলেও প্রশাসন নিশ্চুপ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দোহারের কার্তিকপুর-জয়পাড়া প্রবহমান খালের বৈটার অংশে দীর্ঘ দিন ধরে তিনটি ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে পাইপের মাধ্যমে তা সরবরাহ করা হচ্ছে পাশের এলাকায়। খালের বালু তুলে নিচু ডোবা ও জলাশয় ভরে ফেলা হয়েছে। গতকাল দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, কয়েক যুবক তিনটি ড্রেজার মেশিন চালানোর তদারকির কাজে ব্যস্ত। আরো কয়েকজন ভরাট কাজ দেখাশোনা করছেন। তারা জানান জনৈক আওলাদ হোসেনের নাম ব্যবহার করে দুই মাস ধরে তারা এ বালু উত্তোলন করছেন।

গত বছর বর্ষা মওসুমে এই খাল থেকে ড্রেজারের সাহায্যে বালু উত্তোলনের ফলে জয়পাড়া থেকে বিলাসপুর ইউনিয়নের একমাত্র রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় যানবাহনসহ পথচারীদের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সারা বছরই এ খাল থেকে কেউ না কেউ মাটি উত্তোলন করেন, কিন্তু এর ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। তারা বিভিন্ন সময় এর প্রতিবাদ জানালেও কোনো ফল হয়নি।

পরে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় খালের পাড় বেঁধে নতুনভাবে রাস্তা নির্মাণ করে দেয়া হলে পুনরায় চালু হয় রাস্তাটি। এ বছর ড্রেজার লাগানোর কারণে খালের পাড়ে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে বেশ কয়েকটি বসতবাড়িও ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে আওলাদ হোসেন জানান, রাস্তাটি যাতে ভেঙে না যায় সেজন্য মাটি উত্তোলন করছি। এতে খালের কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে এম আল-আমিন বলেন, বিষয়টি আমি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। অবৈধ কোনো কাজ হলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দোহারে র‍্যাবের হাতে ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

রবিবার অপরাহ্নে দোহারে র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ১৫০ পিছ ইয়াবা দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। এ সময় তাদের কাছে থেকে নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।  আটককৃতরা হলেন দোহার উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের মাহাবুব ও সাইফুল ইসলাম।