ঢাকা জেলা বিএনপি’র প্রেস রিলিজঃ সুজনের দ্রুত মুক্তি দাবী

ঢাকা জেলা বিএনপি’র দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনির হোসেন রানা  স্বাক্ষরিত এক প্রেস রিলিজে বলা হয়, দোহারের গর্ব নারিশা বেপারী বাড়ীর কৃতি সন্তান আন্দোলনের ভ্যানগার্ড ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি, ভিপি আরিফুর রহমান সুজনকে পরিকল্পিত ভাবে জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছি।রাজপথের সাহসী যোদ্বা সুজনের দ্রুত মুক্তি দাবী করছি।

স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলবে পদ্মার টোলের দরজা

টোল দেওয়ার জন্য গাড়ি নিয়ে দাঁড়াতে হবে না। স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে টোল প্লাজার দরজা। এ পদ্ধতি চালু করা হবে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায়। দুটি টোল প্লাজার ১২টি কক্ষের মধ্যে ৬টিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায় হবে। টোল আদায়ে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা ও মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ায় দুটি টোল প্লাজা নির্মাণ করা হয়েছে।

দুটি টোল প্লাজায় ছয়টি করে বুথ নির্মাণ করা হয়েছে। এর তিনটি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির। আর তিনটি মানুষ চালিত ডিজিটাল পদ্ধতির।

স্বয়ংক্রিয় বুথগুলোর একটিতে রয়েছে ৫০ মিটার দূর থেকে দরজা খুলে যাওয়ার পদ্ধতি। এ সেবা নিতে চাইলে গাড়িতে একটি যন্ত্র (ডিভাইস) স্থাপন করতে হবে। যন্ত্রে একটি কার্ড দেওয়া হবে। কার্ডে টোলের অর্থ রিচার্জ করতে হবে। এরপরই গাড়ি টোল প্লাজায় ৫০ মিটার দূরে থাকতেই খুলে যাবে দরজা।

দুটিতে রয়েছে কার্ড পাঞ্চের পদ্ধতি। গাড়ির চালকেরা নির্ধারিত স্থান থেকে কার্ড সংগ্রহ করে রিচার্জ করে রাখবেন। ওই কার্ড টোলপ্লাজার যন্ত্রে পাঞ্চ করলেই গাড়ি নিয়ে চলে যেতে পারবেন।

নবাবগঞ্জের ৫৩ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার ৫৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। বিদ্যালয়গুলো চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলো অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্র জানায়, উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে ১৩০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের রাজাপুর, কঠুরী; বারুয়াখালী ইউনিয়নের কুমার বাড়িল্যা, আলালপুর, করপাড়া, কান্দাবাড়িলা, রায়পুর; শিকারীপাড়া ইউনিয়নের হাগ্রাদী-গরীবপুর, চারাখালী, পাঞ্জিপহরী, শিবপুর; নয়নশ্রী ইউনিয়নের ঘোষপাড়া, ডিগনারা, বকচর, শান্তিনগর, বিলপল্লী; বান্দুরা ইউনিয়নের মৌলভীডাঙ্গী, সৈয়দপুর; যন্ত্রাইল ইউনিয়নের গোবিন্দপুর, কিরঞ্চী, চন্দ্রখোলা, হরিষকুল, নলগোড়া, হরিষকুল, জালালচর-ময়মন্দি; শোল্লা ইউনিয়নের কো-া, সুলতানপুর, দক্ষিণ বালুখ-, আটকাহনিয়া, কুমল্লী, চকোরিয়া চকবাড়ি, আবদানী, শোলানগর, দত্তখ-, দুধঘাটা; কৈলাইল ইউনিয়নের কৈলাইল, দড়িকান্দা, ভাঙ্গাভিটা, পাড়াগ্রাম, মধুপুর, দক্ষিণ মেলেং, মালিকান্দা, মোল্লাকান্দা; বাহ্রা ইউনিয়নের বাহ্রা পশ্চিম, উত্তর বাহ্রা, আগলা, আলগীচর; বক্সনগর ইউনিয়নের বক্সনগর বালক, বক্সনগর; আগলা ইউনিয়নের নাওপাড়া, মাঝপাড়া; চুড়াইন ইউনিয়নের মরিচপট্টি, কামারখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই।

৪৮নং মৌলভীডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, বিদ্যালয়ে ৩শ শিক্ষার্থী রয়েছে। পাঠদানে প্রধান শিক্ষকসহ সাতটি পদ রয়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় ছয়জন শিক্ষক দিয়ে কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ৫৭নং গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম বলেন, এই বিদ্যালয়ে ৩৫০ শিক্ষার্থী রয়েছে। পাঠদানে প্রধান শিক্ষকসহ আটটি পদ রয়েছে। দুই বছর ধরে প্রধান শিক্ষক না থাকায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. বাবু বলেন, আমার মেয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ছে। আগামী বছর সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেবে। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হচ্ছেন অভিভাবক। এই বিদ্যালয়ে তা নেই। এতে কোমলমতি শিশুরা শিক্ষার বিকাশে পিছিয়ে পড়ছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেসমিন আহমেদ বলেন, প্রধান শিক্ষক নেই, এ রকমের বিদ্যালয়গুলোয় সহকারী শিক্ষকই প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে খুব শিগগিরই বেশ কিছু বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

দোহার-নবাবগঞ্জের তিন সেতুতে বাতি জ্বলে না!

ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় তিনটি সেতুর প্রায় সব বাতি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট। সন্ধ্যার পর সেতুগুলো অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। সেতুতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। কখনো সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে, কখনো পথচারীরা ছিনতাইয়ের শিকার হয়। মাদকসেবীরা সেতুতে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ আছে।

ঢাকা-নবাবগঞ্জ-দোহার সড়কের নবাবগঞ্জের মরিচা এলাকায় ইছামতী নদীতে ও তুলসীখালী এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এবং দোহারের জয়পাড়ার লটাখোলা এলাকায় ইছামতীতে এই সেতু তিনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়ককে ইতিমধ্যে পদ্মা সেতুর বাইপাস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লোকজন সড়কপথে যাতায়াতের জন্য এই সেতুগুলো ব্যবহার করে থাকে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৫ সালের ১২ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নবাবগঞ্জের মরিচা ও তুলসীখালী এলাকার সেতু দুটি উদ্বোধন করেন। এর কয়েক বছর পর থেকে একটি-দুটি করে বাতি নষ্ট হতে থাকে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ২০০৭ সাল নাগাদ সেতু দুটির সব বাতি নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়া ৭-৮ বছর ধরে দোহারের জয়পাড়া লটাখোলা সেতুর প্রায় সব বাতি নষ্ট।

গত শুক্রবার সরেজমিনে দেখা গেছে, নবাবগঞ্জের মরিচা ও তুলসীখালী এবং দোহারের জয়পাড়া লটাখোলা সেতুর সংযোগ সড়কের অনেক জায়গায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও ল্যাম্পপোস্টের খুঁটির গোড়ার মাটি সরে গেছে। খুঁটিগুলো হেলে পড়ছে। ল্যাম্পপোস্টের বাতিগুলো হয় ঝুলে আছে, নয়তো ভেঙে পড়ে গেছে।

স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, নবাবগঞ্জের মরিচা ও তুলসীখালী এলাকার সেতু দুটির বাতি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সন্ধ্যা নামলে ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সেতু এলাকা ফাঁকা থাকায় এবং সড়কের বাতি না জ্বলায় সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলকারীরা প্রায়ই ছিনতাইয়ের শিকার হয়। এ ছাড়া সেতুতে বাতি না থাকায় মাঝেমধ্যে যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে সেতু দুটিতে বাতি না জ্বললেও কর্তৃপক্ষের কোনো মাথাব্যথা নেই।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন স্কুলশিক্ষক বলেন, সন্ধ্যার পর এই সেতুগুলো মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত হয়। এই মাদকসেবীরাই অনেক সময় পথচারীদের টাকাপয়সা, মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেয়।

মরিচা এলাকার বাসিন্দা আবদুল সালাম ব্যাপারী বলেন, সড়ক বিভাগের লোকজন ইচ্ছা করলেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। সেতুর সংযোগ সড়কের কাছে মাঝেমধ্যে পুলিশ তল্লাশিচৌকি বসালেও ওই এলাকায় কোনো বাতির ব্যবস্থা নেই। রাতের অন্ধকারের সুযোগে প্রায়ই যাত্রীরা ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে সর্বস্ব খোয়ান।

দোহার পৌরসভার মেয়র আ. রহিম মিয়া বলেন, দোহারের জয়পাড়া লটাখোলা সেতু দিয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত যাওয়া-আসা করেন। অথচ তাঁরা এগুলো খেয়াল করেন না।

সওজ মুন্সিগঞ্জ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী সৈয়দ আলম বলেন, ‘সেতুগুলোতে বাতি লাগানোর ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তবে তাঁরা যে বাজেট দিয়েছেন, তা আমাদের সাধ্যের বাইরে। তবু আশা করছি, শিগগিরই বাতিগুলো আবার জ্বলতে শুরু করবে।’

সিদ্দিক মাস্টারের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

0

মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক মাস্টারের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ ১২ নভেম্বর। ১৯৭২ সালের এই দিনে তিনি কর্মস্থলে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান খান (অলি) ঢাকার অদূরে নবাবগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক ছিলেন। ছাত্রলীগের একনিষ্ঠকর্মী সিদ্দিক ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং ৭ নভেম্বর তিনি  অন্যান্য নেতাকর্মীর সাথে প্রথম কারাবরণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি জাসদের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ভারতে গিয়ে তিনি মুজিব বাহিনীতে প্রশিক্ষণ নেন এবং দেশের অভ্যন্তরে সাফল্যের সাথে বেশ কয়েকটি হানাদারবিরোধী অভিযানে নেতৃত্ব দেন। নবাবগঞ্জ, দোহার এবং কেরানীগঞ্জ থানার তিনি কমান্ডার ছিলেন।

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানার চারিগ্রামে জন্মগ্রহণকারী সিদ্দিক মাস্টার একজন সুলেখক এবং নাট্যশিল্পী ছিলেন। সামাজিককর্মী হিসেবেও তিনি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। মাঝিদের জীবনমান উন্নয়নে তিনি নবাবগঞ্জ এলাকায় ‘বৈঠা সমিতি’ গঠন করেছিলেন।

মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছোট বোন দিলরুবা খান ও ভাই শাহেদুর রহমান খান সবার দোয়া চেয়েছেন।

দোহার-নবাবগঞ্জে কোনো ধর্মীয় সহিংসতা নেই: সালমা ইসলাম

কোনো ধর্মীয় সহিংসতা নেই। শান্তি আর নিরাপদে বাস করছেন দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষ। আমাকে আপনারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের সার্বিক উন্নয়নে আমি পাশে থেকে কাজ করতে চাই। সোমবার বিকালে ঢাকার দোহারে লটাখোলা চরজয়পাড়া হরিসভা মন্দিরে ১৫ দিনব্যাপী হিন্দু সম্প্রদায়ের বার্ষিক সভার সমাপনী দিনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি একথা বলেন।

তিনি বলেন, দোহার ও নবাবগঞ্জে বসবাসরত হিন্দু, মুসলমান ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজন যুগ যুগ ধরে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বসবাস করছেন। এ অঞ্চলে অবস্থিত বিভিন্ন প্রাচীন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তারই স্বাক্ষর বহন করে। আমি দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষের শান্তির জন্য সব কিছু করব।

সালমা ইসলাম এমপি বলেন, আমি আপনাদের ভোটে এ এলাকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বসতবাড়ি ও জমিজমা দখলের ঘটনা অনেকটা কমেছে। আমি আপনাদের পাশে আছি, যে কোনো প্রয়োজনে আপনারা আমাকে পাশে পাবেন ইনশাআল্লাহ। শাসক নয়, সেবক হিসেবে দোহার-নবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষের সেবা করতে চাই। এ অঞ্চলের সব রাস্তাঘাট উন্নয়নে ব্যাপক কর্মকাণ্ড চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

সালমা ইসলাম বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জে দুটি করে স্কুল ও কলেজ সরকারি হয়েছে। পদ্মা রক্ষা বাঁধের কাজ চলছে। জনজীবনের প্রয়োজনে খুব দ্রুত অন্যসব কাজ চলবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা আগের তুলনায় এখন অনেক ভালো। সাধারণ মানুষ হয়রানি থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আশা করি দলমত নির্বিশেষে সবাই আমাকে সহযোগিতা করলে কোনো অপশক্তিই এ পরিবেশ বিনষ্ট করতে পারবে না।

সালমা ইসলাম এমপি এ সময় মন্দির কমিটির সভাপতির হাতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন। এছাড়া পাশেই জয়পাড়া চরলটাখোলা পুরনো মন্দির পরিদর্শন করে নগদ ৫০ হাজার টাকা দেন সংস্কারের জন্য।

খালেদা জিয়ার জনসভায় ভিপি কামাল

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপি আয়োজিত সোহরাওয়ারদি উদ্যানে দোহার-নবাবগঞ্জসহ ঢাকা জেলা ছাত্রদল ও ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের সাথে উপস্থিত ছিলেন দোহারের সন্তান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি কামাল হোসেইন খান। সকাল থেকেই ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের সাথে সোহরাওয়ারদি উদ্যানে ভিপি কামালের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।

খালেদা জিয়ার জনসভায় ভিপি কামাল

সোহরাওয়ারদি উদ্যানে ঢাকা জেলা ছাত্রদল ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল ছাড়াও ঢাকা জেলা ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা। এছাড়া ভিপি কামালসহ ছাত্রদলের নেতা কর্মী দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে সমাবেশ স্থলে প্রবেশ করেন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিনের সভাপতি হাবিবুন নবী খান সোহেল।

খালেদা জিয়ার জনসভায় ভিপি কামাল

খালেদা জিয়ার জনসভায় ভিপি কামাল

খালেদা জিয়ার জনসভায় খন্দকার আবু আশফাক

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপি আয়োজিত সোহরাওয়ারদি উদ্যানে দোহার-নবাবগঞ্জসহ ঢাকা জেলার বিএনপি নেতা কর্মীদের সাথে সরব উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক। সকাল থেকেই দোহার-নবাবগঞ্জসহ ঢাকা জেলা বিএনপির নেতা কর্মীদের নিয়ে তিনি প্রবেশ করেন সোহরাওয়ারদি উদ্যানে।

খালেদা জিয়ার জনসভায় খন্দকার আবু আশফাক

সোহরাওয়ারদি উদ্যানে ঢাকা জেলা সাধারন সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম পল ছাড়া ঢাকা জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

খালেদা জিয়ার জনসভায় দোহার-নবাবগঞ্জ বিএনপির অংশ গ্রহন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপি আয়োজিত সোহরাওয়ারদি উদ্যানে দোহার-নবাবগঞ্জ বিএনপির উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। গাড়ি বন্ধ থাকার পরও বিএনপি আয়োজিত এই সভায় দোহার-নবাবগঞ্জ থেকে শত বাধা বিপত্তি পেড়িয়ে ঢাকায় উপস্থিত ছিলেন দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলার বিএনপি নেতা কর্মীরা। দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও মূল দলের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ডাকা এই মহা সমাবেশে।

খালেদা জিয়ার জনসভায় দোহার-নবাবগঞ্জ বিএনপির অংশ গ্রহন

দুপুর  ১২টার সময় থেকেই দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা ধীরে ধীরে মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ারদী উদ্যানে প্রবেশ শুরু করে।

খালেদা জিয়ার জনসভায় দোহার-নবাবগঞ্জ বিএনপির অংশ গ্রহন

ছবিঃ যুবদল

সারা দেশের মতো কাল দোহার-নবাবগঞ্জেও পরিবহন সীমিত ছিল। দোহার নবাবগঞ্জের অধিকাংশ গাড়িই ছাড়ে নি। ফলে দোহার ও নবাবগঞ্জের অধিকাংশ নেতা কর্মী বাস ছাড়াই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ঢাকায় উপস্থিত হয়। তাছাড়া অনেক নেতা কর্মী আগের দিনই ঢাকায় উপস্থিত থাকায় ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে সোহরাওয়ারদি উদ্যান বা হাইকোর্টের সামনে উপস্থিত হয়ে সম্মেলিত ভাবে সোহরাওয়ারদি উদ্যানে প্রবেশ করে।

খালেদা জিয়ার জনসভায় দোহার-নবাবগঞ্জ বিএনপির অংশ গ্রহন

ছবিঃ ছাত্রদল

খালেদা জিয়ার জনসভায় দোহার-নবাবগঞ্জ বিএনপির অংশ গ্রহন

ছবিঃ যুবদল

নির্বাচনে ক্ষমতার রং পাল্টালেও, পাল্টেনি গ্রহণ-বর্জনের রেওয়াজ

0

সব দলের অংশগ্রহণে আগামী জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। দেশগুলোর সংসদ সদস্যরা মনে করেন, গণতন্ত্রকে অর্থপূর্ণ করতে সব রাজনৈতিক দলের যেমন নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত, তেমনি নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক একটি সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকায় আসা সংসদ সদস্যরা সময় সংবাদের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, অর্থনৈতিক উন্নতির যে ধারায় হাঁটছে বাংলাদেশ, কার্যকর গণতন্ত্রই পারে তা ধরে রাখতে।

নির্বাচন কেন্দ্রিক অস্থিরতা যেন এ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই অংশ। নির্বাচন হয়, একপক্ষ জয় উদযাপন করেন, অন্যপক্ষ কারচুপির অভিযোগে তা বর্জনের ঘোষণা দেন। স্বৈরাচার বিরোধী দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরেছে প্রায় দুই দশক ধরে। এরপর অনুষ্ঠিত হয়েছে ৬টি জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচনের পদ্ধতি আর ক্ষমতার রং পাল্টেছে, পাল্টেনি শুধু গ্রহণ আর বর্জনের রেওয়াজ।

নিয়ম অনুযায়ী একবছরের ব্যবধানে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। দেশবাসীর পাশাপাশি আগ্রহী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও। ১৯৯১ সালে নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে বাংলাদেশে আসা যুক্তরাজ্যের বর্তমান এই উচ্চ-কক্ষের সদস্যের প্রত্যাশা একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের।

যুক্তরাজ্য হাউজ অব লর্ডস সদস্য জর্জ ফুকস বলেন, ‘নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করবো সরকার এটিকে সম্ভব করবে, বিশেষ করে অন্যতম প্রধান দল বিএনপি যাতে নির্বাচনে অংশ নেয়। আমি বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানাবো তবে নির্বাচনের রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির দায়িত্বটি সরকারের।’

এক্ষেত্রে দেশের জনগণের প্রতি রাজনৈতিক দলগুলোর দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন তারা।

দক্ষিণ আফ্রিকা ডেপুটি স্পিকার লিসিসা টেনোলি বলেন,‘কারা তাদের দেশটি পরিচালনা করবে, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণের সেটা নির্ধারণের অধিকার রয়েছে। নির্বাচন হতে হবে অংশগ্রহণমূলক, এবং নির্বাচনের ব্যবস্থাটি হতে হবে আগে থেকেই গ্রহণযোগ্য। এছাড়া নির্বাচন যারা পরিচালনা করবেন, তাদেরও গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে।’

কানাডা সংসদ সদস্য থমাস মালকেয়ার বলেন, ‘গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হলো জনগণের ভোট দেয়ার সুযোগ থাকতে হবে, এবং তারাই ঠিক করবেন কারা তাদের নেতা হবেন। সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব হলো সে পদ্ধতিটা স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ করা।’

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যরা মনে করছেন, সংসদকে কার্যকর রাখতে এবং একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে শক্তিশালী বিরোধীদল গঠন এবং তাদের রাজনৈতিক অধিকার চর্চার ব্যাপারেও সরকারকেই পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

উৎসঃ   somoynews