নির্বাচনে ক্ষমতার রং পাল্টালেও, পাল্টেনি গ্রহণ-বর্জনের রেওয়াজ

প্রকাশ:

শেয়ার করুন:

সব দলের অংশগ্রহণে আগামী জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। দেশগুলোর সংসদ সদস্যরা মনে করেন, গণতন্ত্রকে অর্থপূর্ণ করতে সব রাজনৈতিক দলের যেমন নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত, তেমনি নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক একটি সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকায় আসা সংসদ সদস্যরা সময় সংবাদের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, অর্থনৈতিক উন্নতির যে ধারায় হাঁটছে বাংলাদেশ, কার্যকর গণতন্ত্রই পারে তা ধরে রাখতে।

নির্বাচন কেন্দ্রিক অস্থিরতা যেন এ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই অংশ। নির্বাচন হয়, একপক্ষ জয় উদযাপন করেন, অন্যপক্ষ কারচুপির অভিযোগে তা বর্জনের ঘোষণা দেন। স্বৈরাচার বিরোধী দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরেছে প্রায় দুই দশক ধরে। এরপর অনুষ্ঠিত হয়েছে ৬টি জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচনের পদ্ধতি আর ক্ষমতার রং পাল্টেছে, পাল্টেনি শুধু গ্রহণ আর বর্জনের রেওয়াজ।

নিয়ম অনুযায়ী একবছরের ব্যবধানে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। দেশবাসীর পাশাপাশি আগ্রহী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও। ১৯৯১ সালে নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে বাংলাদেশে আসা যুক্তরাজ্যের বর্তমান এই উচ্চ-কক্ষের সদস্যের প্রত্যাশা একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের।

যুক্তরাজ্য হাউজ অব লর্ডস সদস্য জর্জ ফুকস বলেন, ‘নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করবো সরকার এটিকে সম্ভব করবে, বিশেষ করে অন্যতম প্রধান দল বিএনপি যাতে নির্বাচনে অংশ নেয়। আমি বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানাবো তবে নির্বাচনের রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির দায়িত্বটি সরকারের।’

এক্ষেত্রে দেশের জনগণের প্রতি রাজনৈতিক দলগুলোর দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন তারা।

দক্ষিণ আফ্রিকা ডেপুটি স্পিকার লিসিসা টেনোলি বলেন,‘কারা তাদের দেশটি পরিচালনা করবে, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণের সেটা নির্ধারণের অধিকার রয়েছে। নির্বাচন হতে হবে অংশগ্রহণমূলক, এবং নির্বাচনের ব্যবস্থাটি হতে হবে আগে থেকেই গ্রহণযোগ্য। এছাড়া নির্বাচন যারা পরিচালনা করবেন, তাদেরও গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে।’

কানাডা সংসদ সদস্য থমাস মালকেয়ার বলেন, ‘গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হলো জনগণের ভোট দেয়ার সুযোগ থাকতে হবে, এবং তারাই ঠিক করবেন কারা তাদের নেতা হবেন। সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব হলো সে পদ্ধতিটা স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ করা।’

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যরা মনে করছেন, সংসদকে কার্যকর রাখতে এবং একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে শক্তিশালী বিরোধীদল গঠন এবং তাদের রাজনৈতিক অধিকার চর্চার ব্যাপারেও সরকারকেই পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

উৎসঃ   somoynews
আপনার মতামত দিন

সর্বশেষ সংবাদ

এই রকম আরও

কঠিন অবস্থানে প্রশাসন: ডাকবাংলোর বালু সরাতে ৩ দিনের আল্টিমেটাম

গাজী নাদিম,news39.net: মুকসুদপুর ডাকবাংলোতে রাস্তার পাশে বালু স্তূপ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির দায়ে দুই ব্যবসায়ি প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩ দিনের...

ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ঢাকা জেলার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের...

দোহার – নবাবগঞ্জ নিয়ে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা: এমপি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বদ্ধপরিকর

আশিক / রাকিব: নিজস্ব প্রতিবেদক, নবাবগঞ্জ: শনিবার ঢাকার নবাবগঞ্জে উপজেলা ডাকবাংলো এবং জেলা পরিষদ মার্কেট পরিদর্শন করেছেন ঢাকা...

দোহার নবাবগঞ্জে বিকাশে চাকরির সুযোগ

ঢাকার দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিকাশ লিমিটেডের মার্চেন্ট পয়েন্টের জন্য মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের অধীনে মার্চেন্ট ডেভলপমেন্ট অফিসারের চাকরির সুযোগ। চাকরি...