নেত্রীর মনোনীত প্রার্থীকেই নির্বাচনে জয়ী করতে হবেঃ নবাবগঞ্জে সালমান এফ রহমান

রোববার ঢাকার নবাবগঞ্জ সদরে শহীদ মিনার চত্বরে যুবলীগের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়নবিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান বলেছেন, বিগত ৯ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার দেশে যে উন্নয়ন করেছে এর জন্য আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। এ জন্য দলীয় কোন্দল ভুলে এক হয়ে দলের জন্য কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন-উর-রশিদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের শত্রু আওয়ামী লীগই। এখন অনেক জায়গায় দেখা যায় নিজেদের মধ্যে গ্রুপিংয়ের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ক্ষতি হচ্ছে দলের ও প্রধানমন্ত্রীর। “জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগই জয়ী হবে দাবি করে সালমান এফ রহমান বলেন, “বাংলাদেশে উন্নয়নের ঢেউ এসে গেছে। গত নয় বছরে আওয়ামী লীগ সরকার যে উন্নয়ন করেছে তা অভাবনীয়। আর নয় বছরে বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেনি। অথচ নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তারা পাশ করবেন বলে ঢাক-ঢোল পিটাচ্ছে, বরং নিরপেক্ষ হলে আওয়ামী লীগই জয়ী হবে একশ পার্সেন্ট।”

আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী যাকে মনোনয়ন দেবেন তার পক্ষে কাজ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। নির্বাচনের প্রস্তুতির পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা জনগণের কাছে প্রচারের অনুরোধ জানিয়ে সালমান রহমান বলেন, “শুধু নিজেদের লোকদের কাছে নয়, ভোট চাইতে হবে সকল শ্রেণি পেশার ভোটারদের কাছে।”

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. সারোয়ার হোসেন খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নূর আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশিদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, ঢাকা জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক হালিমা আক্তার লাবণ্য, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহম্মেদ ঝিলু, সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম জালাল শিমু।

এর আগে বিকাল ৩টায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। রাতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা।

 

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর আদর্শে ছাত্রলীগকে এগিয়ে নিতে চাই: শরীফ হাসান

বঙ্গবন্ধুর ও প্রধানমন্ত্রীর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশ ছাতলীগকে এগিয়ে নিতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন শরীফ হাসান। ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের বর্তমান আইন বিষয়ক সম্পাদক ও আসন্ন ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিলে সভাপতি পদপ্রার্থী শরীফ হাসান নিউজ৩৯ এর কাছে আজ এই মন্তব্য করেছেন।

ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শরীফ হাসান বর্তমানে জেলা ছাত্রলীগের অন্যতম একটি পরিচিত মুখ। ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ সহ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম এই পরিচিত মুখ দোহারে সৎ, ভদ্র ও নম্র বলে তার একটা আলাদা সুনাম আছে দোহারের ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের মাঝে। তাছাড়া গরীব ও অসহায় ছাত্রছাত্রীদের আর্থিক ও মানসিক ভাবে সহায়তা করার জন্য তার রয়েছে আলাদা একটি সুনাম। সেই আলাদা একটা সুনামই শরীফ হাসানকে উৎসাহ জুগিয়েছে রাজনীতিতে আসার জন্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্র তাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যোগ দেন ছাত্রলীগে। তরুণ এই আইনজীবি নিউজ৩৯ কে বলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ছাত্র রাজনীতিতে এসেছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করে জীবন ধারন করছি, ঠিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সামনে রেখে ছাত্রলীগে থাকতে চাই। তিনি আরও বলেন ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ, সব খানেই ছাত্রলীগ তার ছাপ রেখে গেছে। ফলে এই দেশের জন্মের সাথে যে সংগঠনের সম্পর্ক, সেই সংগঠনই তো এই দেশকে সম্মৃদ্ধ বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে তাই এই সংগঠনের সাথে রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে আছি, সব সময় থাকতে চাই।

ছাত্রলীগের নেতৃত্ব হাতে আসলে কি করবেন এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ সব সময় মেধাবীদের সংগঠন। আমি এইসব মেধাবীদের নিয়েই সংগঠনকে শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ এর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। সবাইকে সাথে নিয়েই আমি ঢাকা জেলা ছাত্রলীগকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

দু;সময়ে যারা দলের সাথে ছিল তারাই মনোনয়ন পাবেঃ নির্মল রঞ্জন গুহ

দু;সময়ে যারা দলের সাথে ছিল, দলকে ভালবেসে দলের পাশে থেকেছে তারাই দল থেকে মনোনয়ন পাবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ। শনিবার বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

দোহার উপজেলা যুবলীগের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দোহার উপজেলা যুবলীগ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন। দলের বিপদের সময় যে দলের পাশে থেকেছে, দলের নেতা কর্মীদের পাশে থেকেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকেই মনোনয়ন দিবে। দলের বিপদের সময় দূরে থাকা, দলকে ব্যবহার করে আঁখের গোছানো কোন নেতাকে শেখ হাসিনা মনোনয়ন দেবে না। দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ নেতাকেই এই আসন থেকে মনোনয়ন দেয়া হবে।

ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের খেলা উপলক্ষে দোহার থেকে ৪০ থেকে ৪৫ টি বাস ঢাকায় পাঠানোর সমালোচনা করে নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, রাজনীতি দিয়ে রাজনীতি মোকাবেলা করতে হবে। অরাজনৈতিক প্রোগ্রাম দিয়ে রাজনৈতিক প্রোগ্রাম বানচাল করা যাবে না। ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের খেলা দেখানোর জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ও গ্ল্যাডিয়েটরসের মালিক যদি কোন উদ্দেশ্যে করে থাকেন তবে সে উদ্দেশ্য সংশোধন করবেন। তা নাহলে জনগন তা প্রতিহত করবে।

ঢাকা জেলা যুবদলের আবু আশফাকের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জ্ঞাপন

ঢাকা জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়কের স্বাক্ষরিত প্রতিবাদ লিপিতে ৭/১১/২০১৭ তারিখে নিউজ৩৯ এ প্রকাশিত সাক্ষাৎকারের প্রতিবাদ করেছে ঢাকা জেলা যুবদল। প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, খন্দকার আবু আশফাক জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে যে অশালীন মন্তব্য করেছেন তা ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক। তারা অভিযোগ করে বলেন, ৯০এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে আবু আশফাক সশস্ত্র হামলা করেছিলেন। তারা প্রতিবাদ লিপিতে আরও  বলেন, তার বিশ্বাসঘাতকতা ও বৈঈমানীর জন্য তিনি দল থেকে বহিষ্কৃত। এখনো কোন লিখিত প্রত্যাহার আদেশ তিনি পাননি।

ঢাকা জেলা যুবদল অভিযোগ করে বলেন, সরকারের সাথে আতাতের কারণে তার বিরুদ্ধে কোন মামলা হয়নি।তিনি ব্যবসায়িকভাবে আওয়ামীলীগ সরকারের সাথে সুসম্পর্ক রেখে চলছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এছাড়া  একই সাথে তারা ঢাকা জেলা বিএনপি থেকে তাকে প্রত্যাহারের আহবান জানান।

আবু আশফাকের বক্তব্যঃ

এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ এর পক্ষ থেকে আবু আশফাক প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি ১২নভেম্বর রবিবার বিএনপি’র সমাবেশের প্রস্তুতিতে ব্যাস্ত রয়েছে বলে জানিয়ে বলেন, ’৯০ এর গণ অভ্যুত্থানে আমার ভূমিকা কি তা দেশনেত্রি জানেন। ঢাকা জেলা বিএনপি’তে আমার সক্রিয়তা কি, তা বিবেচনা করেই আমাকে ঢাকা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন,  আমার ব্যাপারে কোন অভিযোগ বিএনপি থেকে আসেনি। কোন অংগসংগঠন-তো অভিযোগ করতে পারে না। নিজেরা আহবায়ক কমিটি করে, বিভিন্ন উপজেলায় আহবায়ক কমিটি করে তারা কিভাবে গণতন্ত্র ও দলের কথা বলে। তিনি বলেন, আমি দুই দুই বার আওয়ামীলীগ আমলে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি , এটা ম্যাডাম ও আমাদের নেতা তারেক রহমান জানেন ।

বিস্তারিত কথা পরে হবে বলে তিনি ফোনালাপ থেকে বিদায় নেন।

নিউজ৩৯ এর বক্তব্যঃ প্রতিবেদন করেছিলেন নিউজ৩৯ এর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আছিফুর রহমান সজল। নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আবু আশফাকের বক্তব্য যেমন নিউজ৩৯ তার রেকর্ড থেকে প্রকাশ করেছে, একই ভাবে প্রেস রিলিজ পেয়ে ঢাকা জেলা যুবদলের বক্তব্য ছেপেছে। নিউজ৩৯ যা দেখে , পাঠকের স্বার্থে তাই ই ছাপে।

দোহারের কয়েদির মৃত্যু

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরাণীগঞ্জ) আটক দোহারের শামীম ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে শামীমের বয়স হয়েছিল ৪৪ বছর। শুক্রবার গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শামীমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়।

শুক্রবার (১০ নভেম্বর) শামীমকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য কারা হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শামীম ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার দক্ষিণ শিমুলিয়া গ্রামের শওকত আলী মোড়লের ছেলে।

কারারক্ষী হানিফ মিয়া জানান, পারিবারিক মামলায় শামীম কারাগারে বন্দি ছিলো। তার কয়েদি নাম্বার ১২৫৯/এ।

শামীমের লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান হানিফ।

আব্দুল মান্নানের বাসায় পুলিশি তল্লাশির অভিযোগ

ঢাকা-১ আসনের বিএনপি নেতা, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নানের বাসায় পুলিশি তল্লাশির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ধানমন্ডিস্থ বাসা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে ২৫/৩০ জন পোষাকধারী পুলিশের একটি টিম বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নানের ধানমণ্ডি এলাকার বাসভবনে আসে। এসময় আব্দুল মান্নান বাসায় ছিলেন না। বর্তমানে তিনি স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে রয়েছেন।

তার বাসা থেকে নিউজ৩৯কে জানানো হয়, পুলিশ প্রথমে বাসায় ঢুকে বিএনপির সমাবেশের বিষয়ে জানতে চায়। বাসায় কোনো বৈঠক করা হচ্ছে কি না তাও জানতে চাওয়া হয় এসময়।এরপর বিভিন্ন রুমে তল্লাশী করা হয় ।

উল্লেখ্য আব্দুল মান্নান রোববার সকালে দেশে ফিরে সোহ্রাওয়ার্দি উদ্যানে বিএনপি সমাবেশে যোগ দিবেন।

 

দোহারে অমুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধা বানানোর চেষ্টা নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিবেদন

মুক্তিযুদ্ধের সময় কেউ ছিলেন শান্তি কমিটির সদস্যের দেহরক্ষী, কেউ পড়তেন ষষ্ঠ শ্রেণিতে। ৪৬ বছর পর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাঁদের নাম তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশের ওই তালিকায় ক্ষমতাসীন দলের নেতা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের আত্মীয়স্বজনও আছেন। আর এসব সুপারিশ করেছেন সরকারের একজন মন্ত্রী। ঢাকার দোহারে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় গুরুতর এই অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে, স্বজনপ্রীতি করে ও টাকার বিনিময়ে দোহারের ৭২ জন অমুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর চেষ্টা চলছে।

সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, কৃষক লীগের সহসভাপতি, ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের ভাই, শান্তি কমিটির দেহরক্ষীসহ অমুক্তিযোদ্ধাদের নাম অনিয়মের মাধ্যমে ঢোকানো হয়েছে যাচাই-বাছাইয়ের সুপারিশের তালিকায়।

যাঁদের নাম অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রতিবেদনে এসেছে তাঁদের বেশির ভাগই বলেছেন, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম তাঁদের নাম সুপারিশ করেছেন। কারণ, তিনিই ছিলেন যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি।

তবে খাদ্যমন্ত্রী প্রথম আলোকে বলেছেন, উপজেলা কমান্ডার ও কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষর দেখেই তিনি নামের তালিকায় সুপারিশ করেছেন। যদি কিছু হয়ে থাকে সে দায় তাঁর নয়। দোহারের কাউকে তিনি চেনেন না মন্তব্য করে বলেন, উপজেলা কমান্ডার ও কমিটির সদস্যরা যাঁদের নাম সুপারিশ করেছেন, তিনি শুধু ওই তালিকার ওপরে সই করেছেন। অনেক কিছুই হয়েছে তাঁর অনুপস্থিতিতে। ‘আমার অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে অন্য সদস্যরা অর্থ নিয়ে থাকতে পারেন’ বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

যদিও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলছেন, মূলত সভাপতির দায়িত্বই হলো নির্ভুলভাবে তালিকা করে সুপারিশ করার। কোনো অমুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধা করার সুপারিশ করা হলে যাঁরা স্বাক্ষর করেন, সবার দায় রয়েছে, তবে বেশি দায় সভাপতির।

গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনটি সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যরা অনৈতিকভাবে এবং আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছেন। যাচাই-বাছাই কমিটির বৈঠকের পরই বেশির ভাগ সদস্যের নাম ঢোকানো হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা সনদ যাচাই-বাছাই করার কথা থাকলেও তা বাছাই কমিটির সদস্যরা করেননি।

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ছাড়াও সাত সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে ছিলেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রজব আলী মোল্লা, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি আবুল কালাম, জেলা কমান্ডার ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) প্রতিনিধি আবু সাইদ, জেলা কমান্ডারের প্রতিনিধি শামসুদ্দিন খান। এ ছাড়া স্থানীয় ইউএনও সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে উপজেলা কমিটির সভাপতি যেকোনো সাংসদ হতে পারেন বলে মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রজব আলীর মোল্লার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক অনিয়মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রজব আলী তাঁর আপন ভাই সাদিকুর ইসলামের নাম তালিকাভুক্তির সুপারিশ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় সাদিকুরের বয়স খুব কম ছিল। নকল জন্মসনদ উপস্থাপন করায় তাঁর আবেদন বাতিলও হয়েছিল। এ ছাড়া রজব মোল্লা ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে এলাকার মোশাররফ হোসেনের নাম ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এ ছাড়া দোহারের সাতভিটার আওলাদ হোসেন খান, বজলুর রহমান সিকদারসহ নিজের মামাতো, চাচাতো ভাইকে মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার সুপারিশ করেছেন এই উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার।

জানতে চাইলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে রজব আলী প্রথম আলোকে বলেছেন, খাদ্যমন্ত্রীর সুপারিশেই সবার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অমুক্তিযোদ্ধাদের নাম তালিকাভুক্ত করার ব্যাপারেও তিনিই সুপারিশ করেছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ইউপি চেয়ারম্যানসহ অনেকের নাম ঢোকাতে তাঁকে বাধ্য করা হয়েছে। যা হয়েছে সভাপতির নির্দেশে ও প্রভাব খাটিয়ে হয়েছে। খাদ্যমন্ত্রী আওয়ামী লীগ ও জেলা পরিষদের নেতাদের বিষয়ে পক্ষপাতিত্ব করেছেন বলে দাবি করেন রজব আলী।

দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকার নাম যাচাই-বাছাইয়ের দিন বাতিল হলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজের নাম সুপারিশ করিয়ে নিয়েছেন তিনি। জানতে চাইলে আলী আহসান বলেন, ‘আমি এলাকায় অমুক্তিযোদ্ধা ও আর্থিক অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলেছি তাই আমাকেই অমুক্তিযোদ্ধা বলা হচ্ছে। খাদ্যমন্ত্রী (কমিটির সভাপতি) যাচাই-বাছাই করেই আমাদের নামের সুপারিশ করেছেন।’ কোথায়, কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে বলেন, ‘দোহারেই করেছি।’

স্থানীয় মুকসুদপুর ইউপির চেয়ারম্যান ও কৃষক লীগের সহসভাপতি আবদুল হান্নান মুক্তিযুদ্ধের সময় ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়তেন। আবদুল হান্নান বলেন, ‘আমার ওসমানী সনদ আছে। খাদ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’ তবে তিনি দাবি করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ষষ্ঠ শ্রেণির নয়, অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, ওসমানী সনদ গ্রহণযোগ্য নয়।

আওয়ামী লীগের থানা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনিও ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের সময় তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ এক নেতার আত্মীয় হওয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর নাম সুপারিশ করা হয়েছে। জানতে চাইলে গিয়াসউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘কেন উপজেলা কমান্ডার রজব আলী ও খাদ্যমন্ত্রী আমার নাম সুপারিশ করেছেন তাঁদের জিজ্ঞেস করেন।’ তাঁরও ওসমানী সনদ আছে বলে দাবি করেন গিয়াসউদ্দিন।

এদিকে মকবুল হোসেন মুক্তিযুদ্ধের সময় স্থানীয় শান্তি কমিটির প্রধান আলাউদ্দিন ব্যাপারীর দেহরক্ষী ছিলেন। তিনি রজব আলী মোল্লার মামাতো ভাই।

অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম আল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি শুধু সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেছি। যা করার কমিটি করেছে।’

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা দোহারের যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যদের অনিয়মের প্রতিবেদনটি পেয়েছি। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিবেদনটি পাঠানো হয়েছে। কমিটির সদস্য থেকে শুরু করে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে দোহারে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন

একটি জাতীয় দৈনিকে ‘দোহারে অমুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর চেষ্টা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের জের সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. রজ্জব আলী মোল্লা। শুক্রবার সন্ধ্যা ৫টায় উপজেলা সদরের রতন স্বাধীনতা চত্তর এলাকার একটি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। দোহার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ’র ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ৭ নভেম্বর দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় ‘দোহারে অমুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর চেষ্টা’ শিরোনামে সংবাদে স্বজনপ্রীতি ও টাকার বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর তথ্য ভুল ছিল দাবী করেন মো. রজ্জব আলী মোল্লা। তিনি বলেন, আওলাদ হোসেন, বজলুর রহমানসহ অজ্ঞাত মামাতো-চাচাতো, ফুপাতো কাউকে আমি স্বজনপ্রীতি করিনি। সংবাদটি একটি স্বার্থান্বেষী মহল চক্রান্ত করে মূল ঘটনাকে গোপন করেছে।

তবে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মো. রজ্জব আলী মোল্লা বলেন, যাচাই-বাছাইয়ের পর উপজেলা কার্যালয়ে আমাকে ডাকা হয়। সেখানে তিনজন অমুক্তিযোদ্ধাকে তালিকায় রেখে প্রভাবশালী কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা জোরপূর্বক স্বাক্ষর করান।

তালিকার অমুক্তিযোদ্ধারা হলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন সিকদার, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গিয়াসআল-মামুন ও ঢাকা জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি ও মুকসুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম এ হান্নান।

সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে, মো. রজ্জব আলী মোল্লা দুস্কৃতি কর্তৃক তাঁর জীবননাশের আশংঙ্কা প্রকাশ করেন। সেক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সজাগ দৃষ্টি রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবুল কালাম, মো. ফজুলুল হক, মহিউদ্দিন চৌধুরী অনু, মো. করম আলী, মো. মাসুম মিয়া, আইয়ুব আলী প্রমূখ।

দোহারে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে সহায়ক উপকরণ বিতরণ

দোহার উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে দোহার উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে দোহার উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের প্রতিবন্ধী সহায়ক উপকরন বিতরন করা হয়েছে। ৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিনা আক্তারের অফিসে এই উপকরণ বিতরণের আয়োজন করা হয়।

প্রথমে ১৫ জন শিক্ষার্থীর তালিকা করা হলেও পরবর্তীতে ৬ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে এই উপকরন বিতরন করা হয়। এর মাঝে আছে বৈটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর ছাত্র রিফাত হোসেন ও একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র মারজান ইসলাম, চরকুশাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার, কার্তিকপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণীর ছাত্র হিসাম উদ্দিনকে পায়ের সমস্যার কারনে হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়।

এছাড়া পালামগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী নাবিলা আক্তারকে শ্রবণ প্রতিবন্ধীর জন্য শ্রবণ সহায়ক যন্ত্র ও একই বিদ্যালয়ের একই সমস্যার কারনে ৩য় শ্রেণীর ছাত্র রাহিম হোসেনকে শ্রবণ সহায়ক যন্ত্র প্রদান করা হয়।

এর আগে অভিযোগ উঠে বিগত ৩ বছরের ন্যায় সরকার বরাদ্দ প্রতি অর্থবছরে ৫০ হাজার টাকা প্রতি উপজেলা প্রাথমিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর উপকরণ ক্রয়ের জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবর আসে।এই বছরেও প্রতিবন্ধী উপকরণ বিতরণ করা হবে না এবং আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কর্মকর্তা বিদায় নিয়ে জেলা অফিসে যোগদানের প্রস্ততি গ্রহণের এই সুত্রে মিডিয়ার চাপে শিক্ষক কর্মকর্তা উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেনকে অবহিত করলে তা আমলে এনে শিক্ষা কর্মকর্তাকে তলব করেন এবং বিলম্ব না করে উপকরণ বিতরণের নির্দেশ প্রদান করেন।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মাসুদ পারভেজ, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম.আল-আমীন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার, এটিও হিন্দোল বারী,প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম প্রমুখ।

নবাবগঞ্জে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সালমান এফ রহমান

নবাবগঞ্জে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন সালমান এফ রহমান। বাংলাদেশ আওয়ামী যূবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন নিউজ৩৯কে সালমান এফ রহমানের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ এক বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও সমাবেশ আয়োজন করেছে নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ। এই অনুষ্ঠানের উদ্ভোদন করবেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বানিজ্য বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। সকাল ৯ টায় ফিতা কেটে র‍্যালী উদ্ভোদন করবেন সালমান এফ রহমান। এই সময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুনসহ নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগের কেন্দ্রিয় ও উপজেলা পর্যায়ের নেতা কর্মীরা।

এদিকে দোহারে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান এবং স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ।