সালমান রহমানের উদ্যোগে দোহার-নবাবগঞ্জের জন্য ৫২ কোটি টাকা পাশ

নিউজ৩৯;তারেক রাজীবঃ রবিবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেক ( ECNEC – Executive Committee of National Economic Council) এর বৈঠকে দোহার-নবাবগঞ্জ তথা ঢাকা-১ আসনের আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য  প্রার্থী সালমান এফ রহমানের বিশেষ সুপারিশে দোহার নবাবগঞ্জের ৭২ টি রাস্তার জন্য ৫২ কোটি টাকা পাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এই ব্যাপারে নিউজ৩৯কে দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগির হোসেন জানান, একনেক এর বৈঠকে সালমান এফ রহমানের বিশেষ চেষ্টায় দোহার নবাবগঞ্জের ৭২ টি রাস্তার জন্য ৫২ কোটি টাকা পাশ হয়েছে। এগুলো হলো মূল রাস্তা থেকে বিভিন্ন শাখা রাস্তা। দোহারের জন্য প্রায় সাড়ে ছাব্বিশ আর নবাবগঞ্জের জন্য প্রায় সাড়ে পচিশ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। যথাসম্ভব অতিদ্রুত এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। তিনি আরও বলেন, এজন্য প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ঢাকা-১ আসনের আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকার সম্ভাব্য প্রার্থী সালমান এফ রহমান কে দোহার নবাবগঞ্জ বাসীর পক্ষ থেকে আমরা জানাই আন্তরিক অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা।

যৌন হয়রানীর দায়ে দোহারে ফকিরকে গনপিটুনী

দোহার উপজেলায় একগৃহবধুকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে গনপিটুনী খেল লম্পট ফকির আসলাম বেপারী(৪৭)।এ ঘটনায় দোহার থানা পুলিশ লম্পট ফকির আসলামসহ চারজনকে আটক করেছে।প্রভাবশালীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার পায়তারা করছে বলে অভিযোগ কাঠমিস্ত্রির পরিবারের দাবী। ফকির আসলাম উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চরকুশাইচর গ্রামের মৃত ইসমাইল বেপারীর ছেলে এবং উপজেলার কার্তিকপুর বাজারে চাউলের বড় আড়ৎদার।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে চরকুশাইচর গ্রামের কাঠমিস্ত্রি শহিদুলের স্ত্রী মুক্তার ঘরে ফকির আসলাম প্রবেশ করলে গৃহকর্তা শহিদুলের মা তারাবানু বিষয়টি টের পেয়ে আর্তচিৎকার দিলে বাড়ির লোকজন আসলামকে আটক করে গনপিটুনী দেয়।এতে লম্পট আসলামের বাম হাতের কব্জির হাড় ভেঙ্গে যায়। এ ঘটনা ফকির আসলামের লোকজন জানতে পেরে রাত্রেই কাঠমিস্ত্রি শহিদুলের বাড়িতে আসলামের চাচা লালন ছোট ভাই মোসলেমের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি দল লাঠি-সোটা নিয়ে হামলা চালিয়ে বাড়ি-ঘর ভাংচুর করেন। এ ঘটনায় কাঠমিস্ত্রি শহিদুলসহ মা তারাবানু,ভাতিজি মুন্নি,ভাই জালাল,ভাগিনা শাহজাহান আহত হন।

সংবাদ পেয়ে রাত্রেই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ফকির আসলামসহ তার চাচা লালন,জালাল ও শাহজাহানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে থানা হেফাজতে রাখেন।

কর্তব্যরত আবাসিক ডা. ইয়াহিয়া লম্পট ফকির আসলামকে ভোররাত্রেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরন করেন।

গৃহবধু মুক্তা জানান,লম্পট ফকির আসলামের বাড়িতে ওরশ উপলক্ষে তার স্বামীর সাথে গেলে পরিচয় ঘটে। এছাড়াও আসলাম কার্তিকপুর বাজারের বড় চাউলের ব্যবসায়ী। প্রতিবেশী হওয়াতে দীর্ঘদিন যাবৎ সে আমাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হয়রানী করে আসছিলো। বিষয়টি আমি আমার স্বামীকে জানালে ফকির ও আমার স্বামীর সাথে ঝগড়া বাধেঁ। পরবর্তীতে সে আমার অনুপস্থিতে রাত্রে আমার বাড়িতে ঢুকলে এ ঘটনার সুত্রপাত ঘটে।

কাঠমিস্ত্রির ভাতিজি মুন্নি ও মৌসুমী জানান,ফকির আসলাম প্রভাবশালী হওয়াতে সে আমাদের বাড়িতে প্রায়ই আসতো আমার চাচার অনুপস্থিতে। তাকে আমরা নিষেধ করলেও তিনি বিষয়টি আমল দিতেন না। পরবর্তীতে ঘটনাটি আমার চাচাকে জানালে তিনি ফকির আসলামকে বাড়িতে আসতে নিষেধ করেন। ফকির আসলামের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হাসপাতালে গেলে তার চাচা লালনকে হাসপাতালে পাওয়া যায়নি। অথচ হাসপাতাল রেজিষ্টার অনুযায়ী লালন গুরুত্বর ভর্তি রয়েছেন বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে মাহমুদপুর পুলিশ ফাড়ির এস আই নুরুল হুদা জানান, আমরা সংবাদ পেয়ে রাত-২টার দিকে কাঠমিস্ত্রি শহিদুলের বাড়িতে উৎসুক জনতার সামনে থেকে গুরুত্ব আহত অবস্থায় ফকির আসলাম ও তার চাচা লালনকে উদ্ধার করি। এ সময়ে কাঠমিস্ত্রি শহিদুলের বাড়ি-ঘরে হামলার তান্ডব দেখতে পাই।

এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।

নবাবগঞ্জে ৪ মাদকসেবীর কারাদন্ড

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৪ মাদকসেবীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার বক্সনগর ইউনিয়নের বালুরচর টুকনীকান্দা এলাকার লতিফ মিস্ত্রীর ছেলে মকবুল হোসেন (৪০), কলাকোপা ইউনিয়নের সমসাবাদ এলাকার মো. নুর হোসেনের ছেলে মো. রাকিব (২০), পানালিয়া এলাকার আলী আকমলের ছেলে আলমগীর (২০) ও ময়মনসিং জেলার বালকি গ্রামের গোপালের ছেলে বুলবুল (৩৫)। বুলবুল নবাবগঞ্জ উপজেলার  গোল্লা এলাকায় বসবাস করে আসছিলো বলে জানা গেছে।

শনিবার দুপুর ২ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট মো. তোফাজ্জল হোসেনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে চার মাদকসেবীকে ১ মাস করে কারাদণ্ড দেন।

নবাবগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এ,এস,আাই) আবু সাঈদ জানান, শনিবার সকালে মকবুল ও বুলবুলকে উপজেলার দিঘীরপাড় এলাকা থেকে এবং রাকিব ও আলমগীরকে বড় রাজপাড়া থেকে আটক করে পুলিশ । দুপুরে তাদেরকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হাজির করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে ১মাস করে কারাদণ্ড দিয়ে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দোহারের উত্তর শিমুলিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ঢাকার দোহার উপজেলায় এ্যানি আক্তার (২৬) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত এ্যানি আক্তার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের মো. আলম মোল্লা ও রেহানা বেগমের মেয়ে।

নিহতের পিতা মো. আলম মোল্লা জানান, আমি ও আমার স্ত্রী বাড়িতে ছিলাম না। সকাল ১০টায় বাড়িতে ফিরে এসে দেখি এ্যানির ঘরের দরজা খোলা। অনেক বার ডাকাডাকি করার পরেও এ্যানি ঘর থেকে বের না হলে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে দেখতে পাই এ্যানি সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় উড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছে। ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এসে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে দোহার থানায় নিয়ে আসে। আমার মেয়ের সাথে আগে পরে কারো কোন ঝগড়া ছিল না। এমনকি স্বামীর সাথেও না।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৮ বছর আগে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের রশিদ মাদবরের ছেলে সৌদি প্রবাসী মো. আক্কাস মাদবরের সাথে এ্যানির বিয়ে হয়। ১ বছর পর এ্যানি আফরোজা আক্তার (৭) নামে কন্যা সন্তানের মা হয়। বর্তমানে আফরোজা স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ২য় শেনিতে পড়ে। আফরোজার পড়াশোনার জন্য এ্যানি বাবার বাড়িতেই থাকতো। মো. আলম মোল্লা ও রেহানা বেগমের ৩ মেয়ের মধ্যে এ্যানি ছিল দ্বিতীয়।

এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যায়নি। সুরহাতাল শেষে লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

দোহার-নবাবগঞ্জকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণা

ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুই উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন ঘোষনা করেন।

নবাবগঞ্জের ৯৯৬৬৮টি গ্রাহক  ও দোহার উপজেলার ৬৭০০৯ টি গ্রাহক বিদ্যুতের সুবিধা পাবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। দুই উপজেলার জন্য এই প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৬৪ কোটি  ২ লাখ টাকা।

নবাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সদর অফিসের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১ আসনের এমপি এ্যাড. সালমা ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার অসীম কুমার সরকার, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন, ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক জুয়েল আহমেদ, নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি গাজী জাকির হোসেন, সহ-সভাপতি সাংবাদিক খালেদ হোসেন সুমন প্রমূখ।

দোহারে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সামছুন্œাহার খান, ঢাকা পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ডিজিএম মো. খুরশীদ আলম, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর পরিচালক মো. আওলাদ হোসেন ও আব্দুল আলীম বিশ্বাস।

নবাবগঞ্জে কাপড়ের দোকানে ডাকাতি: নৈশপ্রহরী আহত

ঢাকার নবাবগঞ্জে কলাকোপা পোদ্দার বাজারে শিল্পী বস্ত্র বিতানে নামে একটি কাপড়ের দোকানে ডাকাতি হয়েছে। বুধবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে এঘটনা ঘটে। সকালে এলাকাবাসী বাজারের নৈশপ্রহরী বিল্লালকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এতে দোকানীর প্রায় সাড়ে ৩লাখ টাকার কাপড় নিয়ে গেছে ডাকাতরা। থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

আহত নৈশ প্রহরী বিল্লাল হোসেন জানান, বুধবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে ৭/৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল পিকআপ ভ্যানে করে বাজারে প্রবেশ করে। কিছু বুঝে উঠার আগে ডাকাতরা তাকে ছুরিকাঘাত করে আহত করে। পরে হাত-পা, মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে ফেলে রাখে। পরে ভোর হয়ে এলে ডাকাতরা মালামাল নিয়ে চলে যায়। সকালে এলাকাবাসী আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এতে আমার হাতের আঙ্গুল কেটে শারিরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

শিল্পী বস্ত্র বিতানের মালিক দিলিপ দাস জানান, রাতে দোকানে কেউ ছিল না। সকালে জানতে পেয়ে দোকানে আসেন। ডাকাতরা তার প্রায় সাড়ে ৩লাখ টাকার মালামাল লুটে নিয়ে গেছে। থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নবাবগঞ্জে শতভাগ বিদ্যুতায়ন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক দেশের ১০৬টি উপজেলার মধ্যে ঢাকার নবাবগঞ্জকেও শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আতশবাজি প্রদর্শন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টা থেকে নবাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর শিল্পীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশিল সমাজের লোকজন।

অনুষ্ঠান উপভোগ করেন- বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মো. জাফর সাদেক, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সিনিয়র জিএম অসীম কুমার দাস, ডিজিএম ইকবাল হোসেন, নবাবগঞ্জ থানার ওসি মোস্তফা কামাল, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর এজিএম- মো. আব্দুল মতিন, মো. সামছুদ্দিন, মো. মমিনুল ইসলাম, মো. জিয়াউর রহমান, মো. কামাল হোসেন, এলাকা পরিচালক খালিদ হোসেন মৃধা প্রমূখ।

রাত ১০টায় নবাবগঞ্জ পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে মনোমুগ্ধকর আতশবাজি প্রদর্শন করা হয়।

সম্ভাবনায় সালমা বার্ধক্যে মান্নান, তারুণ্যে আশফাক

ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনটি একসময় বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু নানা কারণে বিএনপির সেই অবস্থানে অনেকটা চিড় ধরেছে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের কারণে সারাদেশের অনেক আসনের মতো এই আসনেও বিএনপির অস্তিত্ব কিছুটা সংকটে পড়েছে।

সংসদীয় এ আসনে দলের হারানো মর্যাদা পুনরুদ্ধারে নির্বাচনের মাঠে শোনা যাচ্ছে তিন সম্ভাব্যপ্রার্থীর নাম। তবে, কাঙ্ক্ষিত জাতীয় মেরুকরণ করতে পারলে দলের বাইরের কাউকে এই আসনে ছাড় দিতে পারে বিএনপি।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের আলোচনায় আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে ঢাকা-১ আসন থেকে ধানের শীষের প্রতীক পেতে পারেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান। এছাড়া আব্দুল মান্নানের মেয়ে মেহনাজ মান্নান এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নবাবগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাকের নামও শোনা যাচ্ছে।

তবে ভেতরের খবর হলো, জোট রাজনীতির যোগ-বিয়োগে জাতীয় পার্টির সালমা ইসলামও এই আসন থেকে বিএনপির সমর্থন পেতে পারেন।

ঢাকা-১ আসনটি দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত। ২০০৮ সালের সীমানা পুনর্বিন্যাসের কারণে সাবেক ঢাকা-১ ও ঢাকা-২ আসন সংযুক্ত করে ঢাকা-১ আসন করা হয়। এর আগে দোহার উপজেলা ঢাকা-১ এবং নবাবগঞ্জ উপজেলা ঢাকা-২ সংসদীয় আসনে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বিএনপি অধ্যুষিত এই আসন ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে দলটির হাতছাড়া। ওই নির্বাচনে বিএনপিপ্রার্থী সাবেক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান হেরে যান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটপ্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খানের কাছে।

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি ও তার মিত্র জোট। সীমানা পুনর্বিন্যাসের আগে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে এই অঞ্চলের নির্বাচনী এলাকা তৎকালীন ঢাকা-১ (দোহার) থেকে বিএনপিপ্রার্থী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা এবং তৎকালীন ঢাকা-২ (নবাবগঞ্জ) থেকে বিএনপিপ্রার্থী আবদুল মান্নান টানা চারবার এমপি নির্বাচিত হন।

বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, এই আসনে আগামী নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় আব্দুল মান্নান ও আবু আশফাকের নাম রয়েছে সবার ওপরে।

দলের জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে হাইকমান্ডের কাছে বিশেষ কদর রয়েছে আব্দুল মান্নানের। বিশ্বস্ত আর অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত তিনি। অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে দলে তার সুখ্যাতিও রয়েছে। তবে বয়সের কারণে সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান নির্বাচনে অংশ না নিলে তার মেয়ে ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। মেহনাজ মান্নান বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীমের সহধর্মিনী। যুক্তরাজ্যের লিঙ্কনস ইন থেকে বার অ্যাট ল ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। দেশে ফিরে এসে বাবার রাজনৈতিক ও অন্যান্য কাজে সহযোগিতা করছেন মেহনাজ। তবে বর্তমানে তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন।

এদিকে, নবাবগঞ্জ উপজেলার টানা দুবারের চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাকও বিএনপির শক্তিশালী সম্ভাব্যপ্রার্থী হিসেবে রয়েছেন। মান্নান পরিবারের বাইরের প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন এলাকায় কাজ করছেন তিনি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এই নেতাকে নিয়ে এলাকার তরুণ নেতাকর্মীরা অনেকটা উজ্জীবিত। নেতাকর্মীদের যেকোনো বিপদেও পাশে দাঁড়ান তিনি।

ঢাকা-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রসঙ্গে কথা হয় দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদের। তিনি বলেন, ‘অত্র এলাকায় দুজনের নামই সবার মুখেমুখে। তারা হলেন- আব্দুল মান্নান ও আবু আশফাক। তবে দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি নির্ভর করবে মনোনয়ন বোর্ডের ওপর।’

‘আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো, যিনি সর্বদা তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে রয়েছেন তারই মনোনয়ন পাওয়া উচিত। এক্ষেত্রে আবু আশফাকের নাম আসে সবার আগে। মান্নান ভাইয়ের বয়স হয়েছে, এছাড়া নেতাকর্মীদের সঙ্গেও ওনার যোগাযোগ নেই। এলাকার কোনো কর্মসূচিতে তাকে পাওয়া যায় না। মান্নান ভাইয়ের মেয়ের সঙ্গেও এলাকার নেতাকর্মীদের যোগাযোগ নেই। এসব দিক বিবেচনায় আশফাক এগিয়ে আছেন।’

সাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এখানে শক্তিশালী কোনো প্রার্থী নেই। যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে কোনোভাবেই আওয়ামী লীগ এ আসনে পাস করবে না। আর যদি জোর করে ছিনিয়ে নেয়া হয়, সেটা ভিন্ন কথা। তারপরও যারা মূল প্রতিদ্বন্দ্বী, তাদের মধ্যে গ্রুপিং রয়েছে। প্রত্যেক গ্রুপেরই আবার একজন করে নেতা রয়েছেন। আওয়ামী লীগের রয়েছেন সালমান এফ রহমান, মান্নান খান, মাহাবুবুর রহমান। জাতীয় পার্টির রয়েছেন সালমা ইসলাম। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে সালমা ইসলাম এগিয়ে আছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘একসময় এখানকার ভোটারদের মধ্যে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার প্রভাব ছিল। কিন্তু এখন তার ভক্ত-সমর্থক নেই বললেই চলে।’

নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজাদুল ইসলাম হাই বলেন, ‘প্রাক্তন মন্ত্রী আব্দুল মান্নান। তিনি আমদের সম্মানিত ব্যক্তি ও নেতা। উনি অসুস্থ কিন্তু বিএনপির প্রতি ওনার যে অবদান, তারই ফলশ্রুতিতে ওনাকে সুন্দর একটা অবস্থানে রাখা হয়েছে। আশা করি সুন্দরভাবে ওনার রাজনীতির ইতি হবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্বাভাবিক রাজনীতি তার পক্ষে করা সম্ভব নয়। অপরদিকে, খন্দকার আবু আশফাককে ৯০ ভাগ মানুষ সমর্থন করেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থী অত্র এলাকায় নেই।’

আব্দুল মান্নানের মেয়ে মেহনাজ মান্নান সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আসলাম, দেখলাম আর হয়ে গেলাম; এমন তো নয়। গ্রাউন্ড ওয়ার্ক তো করা প্রয়োজন। তিনি ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন। কারণ রাজনীতির মাঠ তো কারও একার নয়। কর্মীদের আস্থায় আনতে হবে।’

বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের ভাবী সালমা ইসলাম রয়েছেন। দেশের শীর্ষ ধনী সালমান এফ রহমানও এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। ওনাদের জাতীয় পর্যায়ে ইমেজ রয়েছে। এর প্রভাব স্থানীয় পর্যায়েও পড়তে পারে। তবে এখানে যে-ই নির্বাচন করুক ভোটের রাজনীতিতে বিএনপি এগিয়ে আছে।’

ইসলাম প্রচার ও প্রসারে শেখ হাসিনা সরকার কাজ করে যাচ্ছে: নবাবগঞ্জে সালমান এফ রহমান

আওয়ামী লীগ সরকার একটি ধর্ম নিরপেক্ষ সরকার। এই সরকার ইসলাম বিরোধী নয় বরং ইসলাম প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে শেখ হাসিনা সরকার কাজ করে যাচ্ছে।শনিবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার নবাবগঞ্জ ও দোহার থানা কমিউনিটি পুলিশিং সেল আয়োজিত মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশে আলেম ওলামা ও ইসলামী চিন্তাবিদদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকোর সহ-সভাপতি সালমান এফ রহমান এসব কথা বলেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানার উন্নয়ন হচ্ছে। ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে নানা প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক ভাবে সাহায্য সহযোগীতা দেওয়া হচ্ছে।

সালমান এফ রহমান আলেমদের উদ্দেশ্যে বলেন, মাদক ও জঙ্গীবাদের বিরোদ্ধে আপনারা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারেন। আপনারা যদি আপনাদের বয়ানে মাদক ও জঙ্গীবাদের কুফল তুলে ধরেন তাহলে অনেকেই এই আপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বেরিয়ে আসবে। সেই সাথে সমাজ জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ্ মিজান শাফিউর রহমানের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভুঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তোফাজ্জল হোসেন, জেলা চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন প্রমুখ।

সালমান এফ রহমান

উক্ত আলোচনা সভা এবং সমাবেশে দোহার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আলমাস উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান আকন্দ সহ দোহার উপজেলা যুবলীগের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন এবং মাদক ও জঙ্গীবাদের বিরোদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থানসহ মাদক প্রতিরোধে জনসচেতনামূলক প্রমান্য চিত্র দেখানো হয়। এবং শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া করা হয়।

প্রতিদিনের হাদিস: আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস(পর্ব-১৫)

0

হাদিস নং ২৯: মু’আয ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন: আমি নিবেদন করি: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কাজ বলুন যা আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে দেবে।

তিনি বললেন: তুমি এক বৃহৎ বিষয়ে প্রশ্ন করেছ। এটা তার জন্য খুবই সহজ আল্লাহ্ যার জন্য সহজ করে দেন। তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করো না, নামায প্রতিষ্ঠা কর, যাকাত দাও, রমযানে রোযা রাখ এবং (কা’বা) ঘরে হজ্জ কর।

তারপর তিনি বলেন: আমি কি তোমাদের কল্যাণের দরজা দেখাব না? রোযা হচ্ছে ঢাল, সাদকাহ্ গোনাহকে নিঃশেষ করে দেয় যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়; আর কোন ব্যক্তির গভীর রাতের নামায।

তারপর তিনি পড়েন: تتجافي جنوبهم عن المضاجع হতে يعلمون পর্যন্ত। যার অর্থ হলো: তারা শয্যা পরিত্যাগ করে তাদের রবকে ভয়ে ও আশায় ডাকে এবং আমরা তাদেরকে যে রিয্‌ক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে। তাদের কর্মের জন্য যে চক্ষু শীতলকারী প্রতিফল রক্ষিত আছে তা তাদের কেউই জানে না। [সূরা আস্-সাজদাহ্: ১৬-১৭]

তিনি আবার বলেন: আমি তোমাদের কর্মের মূল এবং তার স্তম্ভ ও তার সর্বোচ্চ চূড়া বলবো কি?

আমি নিবেদন করি: হে আল্লাহর রাসূল! অবশ্যই বলুন।

তিনি বললেন: কর্মের মূল হচ্ছে ইসলাম, তার স্তম্ভ হচ্ছে নামায এবং তার সর্বোচ্চ চূড়া হচ্ছে জিহাদ।

তারপর তিনি বলেন: আমি কি তোমাকে এসব কিছু আয়ত্তে রাখার জিনিস বলবো না?

আমি নিবেদন করি: হে আল্লাহর রাসূল! অবশ্যই বলুন।

তিনি নিজের জিভ ধরে বললেন: এটাকে সংযত কর।

আমি জিজ্ঞেস করি: হে আল্লাহর নবী! আমরা যা বলি তার হিসাব হবে কি?

তিনি বললেন: তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক, হে মু’আয! জিভের উৎপন্ন ফসল ব্যতীত আর কিছু এমন আছে কি যা মানুষকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করে?

[তিরমিযী: ২৬১৬ এবং তিনি বলেছেন: এটা হাসান (সহীহ্) হাদীস।]

হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)

হাদিস নং ৩০: আবূ সা’লাবাহ্ আল-খুশানী জুরসূম ইবনু নাশিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ তা‘আলা ফরযসমূহকে অবশ্য পালনীয় করে দিয়েছেন, সুতরাং তা অবহেলা করো না। তিনি সীমা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, সুতরাং তা লঙ্ঘন করো না। এবং কিছু জিনিস হারাম করেছেন, সুতরাং তা অমান্য করো না। আর তিনি কিছু জিনিসের ব্যাপারে নিরবতা অবলম্বন করেছেন-তোমাদের জন্য রহমত হিসেবে; ভুলে গিয়ে নয়-সুতরাং সেসব বিষয়ে বেশী অনুসন্ধান করো না।”

[হাদীসটি হাসান (সহীহ্), আদ্-দারা কুতনী: ৪/১৮৪ ও অন্যান্য কয়েকজন বর্ণনা করেছেন।]

হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)

গ্রন্থঃ আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস

পাবলিশারঃ ইসলাম হাউস