নবাবগঞ্জে বালিকাদের মাঝে সালমান এফ রহমানের সাইকেল বিতরন

স্থানীয় সরকার বিভাগের লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট-৩ এর অর্থায়ন নারী ক্ষমতায়নের লক্ষে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের বালিকাদের মাঝে ৮০ টি সাইকেল বিতরন করেছেন ঢাকা-১ সংসদীয় আসনের সাংসদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। ৪ সেপ্টেম্বর বুধবার নবাবগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। এই সময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, নবাবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জালাল উদ্দিনসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অংগসংগঠনের নেতা কর্মীরা।

পুলিশ যদি দোহার নবাবগঞ্জের কাউকে হয়রানি করে, সেক্ষেত্রে আমি জিরো টলারেন্সঃ সালমান এফ রহমান

পুলিশ যদি দোহার নবাবগঞ্জের কাউকে হয়রানি করে, সেক্ষেত্রে আমি জিরো টলারেন্স। আমার এলাকায় এই ধরনের কোন কাজ আমি বরদাস্থ করবো না বলে মন্তব্য করেছেন তথা ঢাকা -১ আসনের সাংসদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।  ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান ডিআইজি পদে পদ্দোন্নতি এবং বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

দোহার নবাবগঞ্জ তথা ঢাকা -১ আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমান এমপি বলেছেন, পুলিশের চাদাবাজির দুর্নাম রয়েছে। যদিও দিন দিন তারা সেই ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠেছে। কিন্তু তবুও যদি দোহার নবাবগঞ্জের কোন মানুষকে পুলিশ অহেতুক হয়রানি করে আর আমি জানতে পারি, সেক্ষেত্রে আমার অবস্থান জিরো টলারেন্স।কোন পুলিশ কোন অন্যায় করলে আর আমি জানতে পারলে, সে ব্যাপারে কঠোর ভাবে তা দমন করা হবে।  বর্তমান এসপি অনেক কর্মদক্ষতা এবং মেধাবী মানুষ। তিনি আমাদের বিভিন্নভাবে আইন শৃংখলা ঠিক রেখেছেন। তার ব্যাচের মাত্র ৮ জনের এই পদোন্নতি হয়েছে।সেই ৮ জনের একজন মেধাবী তিনি। দোহারে খুব শীঘ্রতা এএসপি সার্কেলের ভবন উদ্বোধন হবে। আমার পক্ষ থেকে দুটি অত্যাধুনিক গাড়ি সহ ৬০ টি গাড়ি ঢাকা জেলায় সংগ্রহ করেছেন এই চৌকস এসপি। তিনি বলেন, নবাবগঞ্জকে ভাগ করে কোমরগঞ্জ থানা করার প্রক্রিয়া দ্রুত চলমান আছে। তিনি বক্তব্যে তার নির্বাচনী পূরন ওয়াদাসহ, পুলিশ বাহিনীকে জনগণের সেবক হওয়ার পরামর্শ দেন।

দোহার-নবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষের সাথে সালমান এফ রহমানের গণ-সাক্ষাৎ

দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় জনসাধারনের দূর্ভোগ লাঘবের সার্থে ঢাকা-১(দোহার-নবাবগঞ্জ)আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান গন-সাক্ষাৎ করেছেন। শনিবার সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ও বিকালে দোহার উপজেলা সভাকক্ষে তিনি সাধারণ মানুষের এই গণ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

এ সময়ে দোহার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত প্রায় একশত তের জনের অভিযোগ শুনেন এবং তা আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া নবাবগঞ্জ উপজেলার অভিযোগকারীর সংখ্যা ১৮৭ জন।

এসময় সালমান এফ রহমান বলেন, “আমি চাই আমার এলাকার সকলে সুখে শান্তিতে বসবাস করবে। তাই আমি জনসাধারণের সাথে সাক্ষাৎ করতে এসেছি তাদের দুঃখের সুখের কথা শুনতে এসেছি।”

সালমান এফ রহমান

সালমান এফ রহমান বলেন,আমি চাই আমার নির্বাচনী এলাকার সকল জনগন সুখে-শান্তিতে থাকতে পারে আমি সে চেষ্ঠাই করবো ইনশাল্লাহ।দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে দোহার উপজেলার জনগনের দূর্ভোগ লাঘবের জন্য এ গন সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন দোহারের উপজেলার ইউএনও আফরোজা আক্তার রিবা,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুজাহার বেপারী,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবুল,সাধারন-সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার,বেক্সিমকো গ্রুপের জিএম মো.আব্দুর রউফ মোল্লা প্রমুখ।

সালমান এফ রহমান এমপি প্রতি শনিবার দোহার নবাবগঞ্জের সাধারণ জনগণের সাথে দেখা করেন তার এমন ব্যতিক্রম উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন দোহার ও নবাবগঞ্জের সাধারণ জনগণ।

উপজেলা-পৌরসভা-ইউপিতে আওয়ামীলীগের প্রার্থীর নাম ঘোষণাঃ দোহারে নজরুল ইসলাম বাবুল

শনিবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা । এই সভায় দেশের ৭টি উপজেলা পরিষদ ও ২২টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং ৩টি পৌরসভার মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মাঝে দোহার পৌরসভার জন্য মেয়র পদে নজরুল ইসলাম বাবুলকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত এই সভায় আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডে সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়। গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় বোর্ড সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা-পৌরসভা-ইউপি ছাড়াও রংপুর-৩ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন রেজাউল করিম রাজু। তিনি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুকে আসনটি শূন্য হয়েছে। এই আসনের উপ-নির্বাচন আগামী ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলায় যারা মনোনয়ন পেলেন: উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ঝিনাইদহের কোর্টচাঁদপুরে শরিফুন্নেছা মিকি ও মহেশপুরে ময়জদ্দীন হামীদ, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মুনসুর আহমেদ, শেরপুরের সদর উপজেলায় রফিকুল ইসলাম, নেত্রকোণার আটপাড়ায় খায়রুল ইসলাম এবং চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আবদুল মোতালেব।

পৌরসভায় দলীয় প্রার্থীরা: পৌরসভা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পেয়েছেন ভোলার লালমোহনে এমদাদুল ইসলাম (তুহিন), ঢাকার দোহারে নজরুল ইসলাম বাবুল এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শিব শংকর দাস।

ইউনিয়ন পরিষদে দলীয় প্রার্থীরা: ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার গড়গড়ি ইউনিয়নে রবিউল ইসলাম, বাজুবাঘায় ফজলুর রহমান, পাকুড়িয়ায় মেরাজুল ইসলাম ও মনিগ্রামে সাইফুল ইসলাম; সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোরজানায় জাহিদুল ইসলাম মুকুল, হাবিবুল্লাহনগরে মিজানুর রহমান বাচ্চু, নাটোরের সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর খালাবাড়িয়ায় আলতাব হোসেন, নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ইসবপুরে ইমরুল কায়েশ, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়ায় জাহিদুর রহমান, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়নে ছালাউদ্দিন ভূঞা, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লিতে মো. মুরছালিন, জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দিতে জুবাইদুর রহমান, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুরে আবদুল কাদির, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়ায় শেখ মোজাহিদ বিন ইসলাম, নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়ায় আবদুল মোহিত চৌধুরী, চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কধুরখীলে শফিউল আজম, নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পাঁচগাঁওয়ে সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, ফেনীর দাগনভূঁঞা উপজেলার রামনগরে এ. কে. এম কামাল উদ্দিন ও দাগনভূঁঞা সদর ইউনিয়নে বেলায়েত উল্যাহ এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নে তসলিম ইকবাল চৌধুরী, ঘুমধুমে এ কে এম জাহাঙ্গীর আজিজ ও সোনাইছড়িতে এ্যানিং মার্মা।

নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্র সংগঠন ইছামতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

ঢাকার নবাবগঞ্জের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন ‘ইছামতি-নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্র সংগঠন’ এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। গত রবিবার (১লা সেপ্টেম্বর) সকালে সরকারি দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে কেক কাটার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বার্ষিক আনন্দ ভ্রমনের আয়োজন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উক্ত সংগঠনের সিনেট সদস্য কামরুজ্জামান রতন, এম. এস জামিল হোসেন, মো. জামান, রিফাত কাজী, নেছার আহমেদ নাহিদ, সভাপতি মো. ফয়সাল, সহ-সভাপতি তুষার আহমেদ ইমন,  নাসির আহমেদ, কাজী শুভ, মো. শাহ্ আলম, সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত মিয়া, সদস্য সবুজ আহমেদ ধ্রুবসহ সংগঠনের বর্তমান সক্রিয় প্রায় ২০০ জন সদস্য।

বিদ্রোহীদের ভয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা

0

তৃণমূল নেতারা সবসময়ই কেন্দ্রীয় নেতাদের এক ধরনের চাপে থাকেন। তবে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের বিদ্রোহী প্রার্থী ইস্যুতে এখন উল্টো চাপ ও ভয়ে আছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। আতঙ্কে রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলটির সংসদ সদস্যরাও। কারণ দলীয় প্রতীকে পাঁচ ধাপে শেষ হওয়া এ নির্বাচনে দল মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ প্রকাশ করে যারা প্রার্থী হয়েছেন তারাও আওয়ামী লীগেরই। আর পদধারী নেতারা বহু স্থানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দল মনোনীত প্রার্থীদের পরাজিতও করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে শুরুতে বিদ্রোহীদের নিয়ে কঠোর কোনো অবস্থানে না গেলেও নির্বাচন শেষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্র থেকে ‘সিরিয়াস’ হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ। এরই অংশ হিসেবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিদ্রোহী প্রার্থীদের শোকজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। আগামী রবিবার থেকে এ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, শোকজের এ সিদ্ধান্তে দলের ভেতরে অনেক কেন্দ্রীয় নেতা অস্বস্তিতে পড়ে গেছেন। কারণ বিদ্রোহীদের আশকারা ও মদদ দিয়েছেন কমপক্ষে একডজন কেন্দ্রীয় নেতা। দলের শতাধিক সংসদ সদস্য সরাসরি বিদ্রোহীদের পক্ষে মাঠে কাজ করেন। কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রীও বিদ্রোহীদের পক্ষে ছিলেন। এখন কেন্দ্র থেকে সেসব বিদ্রোহীকে শোকজ করা হলে তারাও ফেঁসে যেতে পারেন, দাঁড়াতে হতে পারে কাঠগড়ায়Ñ এই শঙ্কা পেয়ে বসেছে তাদের ভেতরে। কেন্দ্রীয় ওই নেতারা বলেন, সভাপতিম-লীর সদস্য, সম্পাদকম-লীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় সদস্যসহ অন্তত একডজন নেতা উপজেলায় বিদ্রোহীদের পক্ষে কাজ করেছেন। শুধু তাই নয়, বিদ্রোহীদের পক্ষে ডিসি, এসপিসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগও করেছেন কেন্দ্রীয় ওই নেতারা। এর সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্যরা মদদ দিয়েছেন বিদ্রোহীদের। মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত মনঃপূত না হওয়ায় এ কাজ করেছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে বিজয়ী চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহউদ্দিন টিপু দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা যখন উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোট করি তখন কেন্দ্র থেকে বা জেলা থেকে দায়িত্বশীলরা কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেননি। তখন ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এতদূর গড়াত না। বরং কেন্দ্র থেকে তখন উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যখন অপরাধ করতে যাচ্ছি, তখন বাধা দিল না বরং উৎসাহ দিল। এখন শাস্তির সিদ্ধান্ত কেন?’ টিপু এ সময় প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘শুধু উপজেলা নির্বাচনে শাস্তি কেন? যারা জাতীয় নির্বাচনে দলের বিরুদ্ধে কাজ করেছে তাদের কী হবে?’

টিপুর মতো প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আরও অনেক বিদ্রোহী প্রার্থী এবং তাদের মদদদাতারা। আওয়ামী লীগের সম্পাদকম-লীর দুই সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, এদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে গেলে অনেক এলাকায় মারামারির ঘটনাও ঘটবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর এক সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থীদের চেয়ে যেসব কেন্দ্রীয় নেতা ও সংসদ সদস্য, এমনকি মন্ত্রী রয়েছেনÑ আশকারা ও মদদদানকারী সেসব নেতারা এখন ভয়ে আছেন। তাদের আশঙ্কা, শোকজের জবাবে তাদের নাম প্রকাশ করে দিলে পরিণতি কী হবে? এমন পরিস্থিতিতে অনেক বিদ্রোহী প্রার্থীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতা ও সংসদ সদস্যরা যোগাযোগ করছেন যেন তারা শোকজের জবাবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ না আনেন। কোনো কোনো কেন্দ্রীয় নেতা তাদের শিষ্যদের ভয়ও দেখাচ্ছেন, যাতে শোকজের জবাবে বিদ্রোহে তাদের উসকানি বা মদদ দেওয়ার বিষয় উঠে না আসে।

আওয়ামী লীগের সম্পাদকম-লীর এক সদস্য দেশ রূপান্তরকে জানান, দলটির ভেতরে প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা চান বিদ্রোহীদের ব্যাপারে কড়া কোনো সিদ্ধান্তে না যেতে। কারণ এতে আসন্ন সম্মেলন নিয়ে দলের তৃণমূলে অনৈক্য দেখা দেবে; মারামারির ঘটনা আরও বাড়বে। এসব যুক্তি দেখিয়ে এবারের মতো বিদ্রোহী ইস্যুটি চেপে যাওয়ার পক্ষে মত তাদের।

সম্পাদকম-লীর আরেক সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, শোকজ করে ক্ষ্যান্ত দেওয়া হবে বিদ্রোহী ইস্যুটি। কারণ এখানে দলের অনেক বড় বড় নেতা বিদ্রোহীদের আশকারা দিয়েছেন, দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দাঁড় করিয়েছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে মন্ত্রীরা পর্যন্ত দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। ফলে ব্যাপারটি নিয়ে ‘কাদা ছোড়াছুড়ি’ করলে ক্ষতি হবে দলেরই বেশি। কারণ বিদ্রোহীদের শাস্তি দেওয়ার আগে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে যেসব নেতা মদদ দিয়েছেন তাদেরকেই।

এ প্রসঙ্গে ক্ষমতাসীন দলটির সভাপতিম-লীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ দেশ রূপান্তরকে বলেন, উপজেলা নির্বাচনে অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতারা নির্বাচন করেছেন এবং বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বলেন, অনেক উপজেলায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপ ছিল বিদ্রোহীদের জেতানোর ব্যাপারে। তবুও দলের শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য শোকজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শোকজের পরে বিদ্রোহীদের জবাব পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সভাপতিম-লীর আরেক সদস্য ফারুক খান বলেন, ইস্যুটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে।

ছাত্রদলের ‘সুপার সিক্স’ যারা

0

বিএনপির ছাত্রসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের শীর্ষ দুই নেতা দীর্ঘ ২৭ বছর পর এবারই প্রথম কাউন্সিলে কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। ১৪ সেপ্টেম্বরের এই নির্বাচন সামনে রেখে কাউন্সিলরদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা। গত ৩ আগস্ট বিলুপ্ত ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নেতারাও এসব প্রার্থীর পক্ষে-বিপক্ষে কাজ করছেন। কাউন্সিলের মাত্র ৮ দিন বাকি থাকতেই বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধেও পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশ রূপান্তরকে এসব কথা জানান নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এবং বিলুপ্ত কমিটির নেতারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ছাত্রদল নেতার সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, সভাপতি পদে প্রার্থী রয়েছেন ৬ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১৯ জন। সভাপতি পদে ‘শক্তিশালী’ হিসেবে তিনজনের নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, হাফিজুর রহমান হাফিজ ও মো. ফজলুর রহমান খোকন। আর সাধারণ সম্পাদক পদে ‘শক্তিশালী’ প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম এসেছে তারা হলেন সাইফ মাহমুদ জুয়েল, আমিনুর রহমান ও শাহনেওয়াজ।

বিলুপ্ত ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি ইকতিয়ার কবিরকে নতুন কমিটি গঠনে বয়সসীমা প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনের কারণে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের কথা থাকলেও গতকাল পর্যন্ত করা হয়নি। কবির দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা বয়সসীমার কারণে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে লড়তে না পারলেও নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে নেমেছি। নিজেদের মধ্যে বৈঠক করছি। কাউন্সিল পর্যন্ত আমরা কাজ করব।’

বিলুপ্ত কমিটির নেতা মফিজুর রহমান আশিক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা বসে নেই। নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি। আমরা নেতা হতে না পারলেও পছন্দের প্রার্থীকে নেতা বানানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

‘শক্তিশালী’ প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসা ওই ৬ প্রার্থী সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সভাপতি প্রার্থী কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের বাড়ি যশোরের কেশবপুরে। তিনি বিলুপ্ত কমিটির বৃত্তি ও কল্যাণ সম্পাদক। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুসহ বিএনপির একটি অংশ। আরেক সভাপতি প্রার্থী হাফিজুর রহমান হাফিজের বাড়ি বাগেরহাটে। তিনিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তার পক্ষে লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘হাওয়া ভবনের’ সাবেক কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম বকুল সক্রিয় রয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। মো. ফজলুর রহমান খোকনের বাড়ি বগুড়ার শেরপুরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীর পক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন এক সদস্য কাজ করছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী সাইফ মাহমুদ জুয়েলের গ্রামের বাড়ি বরিশাল। শোনা যাচ্ছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীর পক্ষে যুবদলের এক নেতা জোরেশোরে নেমেছেন। একই পদে লড়ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী আমিনুর রহমান আমিন। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের এই ছেলের পেছনেও ‘হাওয়া ভবনের’ ওই কর্মকর্তা রয়েছেন বলে জানা গেছে। সাধারণ সম্পাদক পদের ‘শক্তিশালী’ আরেক প্রার্থী শাহনেওয়াজের বাড়ি নোয়াখালীর হাতিয়ায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীর পক্ষে বিএনপির একাধিক ভাইস চেয়ারম্যান রয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে; যারা নোয়াখালী অঞ্চলে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত।

২ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন। সভাপতি আট ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১৯ জন প্রার্থীকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন তিনি।  বৈধ আট সভাপতি প্রার্থী হচ্ছেন কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, মাহমুদুল হাসান বাপ্পি, হাফিজুর রহমান, রিয়াদ মো. তানভীর রেজা রুবেল, মো. এরশাদ খান, মো. ফজলুর রহমান খোকন, এস এম সাজিদ হাসান বাবু, এ বি এম মাহমুদ আলম সরদার। বৈধ ১৯ জন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির, মোহাম্মদ কারিমুল হাই (নাঈম), মাজেদুল ইসলাম রুমন, ডালিয়া রহমান, মো. আমিনুর রহমান, শেখ আবু তাহের, শাহনেওয়াজ, সাদিকুর রহমান, কে এম সাখাওয়াত হোসাইন, সিরাজুল ইসলাম, মো. ইকবাল হোসেন শ্যামল, মো. জুয়েল হাওলাদার (সাইফ মাহমুদ জুয়েল), মো. হাসান (তানজিল হাসান), মুন্সি আনিসুর রহমান, মো. মিজানুর রহমান শরিফ, শেখ মো. মশিউর রহমান রনি, মোস্তাফিজুর রহমান, সোহেল রানা ও কাজী মাজহারুল ইসলাম।

শনিবার নবাবগঞ্জে ‘হ্যালো এমপি’:সালমান রহমানের গণ সাক্ষাৎকার

0

দোহার-নবাবগঞ্জের মাননীয় সাংসদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জননেতা জনাব সালমান এফ রহমান আগামী ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার ১১:৩০ এ নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অডিটোরিয়াম ও বিকেল ৫ টার দিকে দোহার উপজেলা পরিষদে দোহার-নবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এসময় তিনি দোহার-নবাবগঞ্জ বাসী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের যেকোনো সমস্যার কথা শুনবেন এবং প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার তা গ্রহণ করবেন।

অতএব, যারা জননেতা জনাব সালমান এফ রহমান এমপি’র সাথে সাক্ষাৎ করতে ইচ্ছুক তাদের নির্দিষ্ট স্থানে যথাসময়ে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।

দেশীয় ঐতিহ্যের সুস্থ বিনোদন সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে – সালমান এফ রহমান

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান বলেছেন,  নৌকাবাইচ বাঙালির জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। হাজার বছরের গ্রামবাংলার সংস্কৃতির অংশ হিসেবে ধারাবাহিক ভাবে সুস্থ বিনোদন হিসেবে চলে আসছে, এসব ছড়িয়ে দিতে হবে। তাই এই নৌকা বাইচকে ধরে রাখতে হবে। হারাতে দেয়া যাবে না।
গতকাল বিকালে  ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার খানেপুর, আলালপুর ও শৈল্ল্যা গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।   নৌকাবাইচ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল আজিজ ব্যাপারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি বলেন, দোহার নবাবগঞ্জে অনেক নদী রয়েছে। যার বেশির ভাগই বিলীনের পথে। এসব নদীর তালিকা তৈরি করে শিগগিরই খনন করা হবে। তিনি বলেন, যুগের সঙ্গে তাল মিলাতে গিয়ে বাংলার হাজার বছরের অনেক ঐতিহ্যই আজ বিলীনের পথে।

https://www.facebook.com/niloy.Iqbal.549221/videos/1764448647034658/

গ্রামবাংলার ঐতিহ্য এভাবে হারিয়ে যেতে দেয়া ঠিক হবে না। তাই আমাদের যেকোনো মূল্যে বাংলার সকল ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে হবে। ইছামতি ও পদ্মা নদীর সংযোগস্থল কাশিয়াখালী বেড়িবাঁধ এলাকায় জলকপাট নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে। পাল্টে যাবে ইছামতি নদীর চেহারা, ফিরে পাবে তার হারানো যৌবন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নাসিরউদ্দিন আহমেদ ঝিলু, পিএমও তোফাজ্জল হোসেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম সালাহউদ্দীন মনজু, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়   বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া কিসমত,  ব্যবসায়ী এম.এ বারী বাবুল মোল্লা, মো. কামাল হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান রিপন মোল্লা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাড. নান্নু মিয়া ও মোশারফ হোসেন মোল্লা প্রমুখ।
এসময় নৌকাবাইচ দেখতে ইছামতি নদীর দুই পাড়ে ছিল উপচে পড়া দর্শক। নদীর দু’পাড়ে শিশু, নারী, পুরুষসহ উপস্থিত প্রায় অর্ধ-লক্ষাধিক মানুষ। ইঞ্জিনচালিত ও পানসি নৌকা নিয়ে নদীতেও ছিল মানুষের সরব উপস্থিতি। দর্শকের টান টান উত্তেজনার মধ্যেই বাইচের নৌকার মাঝিরা হাঁক দিলেন হেঁইয়ো-রে হেঁইয়ো। দর্শকদের হর্ষধ্বনি আর হাততালি বাড়তি উৎসাহ দিলো মাঝি-মাল্লাদের। নৌকাবাইচকে ঘিরে নদীর দুই পাড়ে বসে হরেক রকমের দোকান। দর্শকদের আনন্দ দিতে বিভিন্ন নৌকা বর্ণিল সাজে সাজানো হয়। নৌকাগুলোতে এ অঞ্চলের সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়।

সীমানা পুনঃনির্ধারণ কার্যক্রম সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত দোহার পৌর নির্বাচন স্থগিত

0

স্থানীয় সরকার মন্ত্রাণালয়ের উপসচিব আ ন ম ফায়জুল হকের স্বাক্ষরিত এক আদেশে নির্বাচন কমিশনকে এক আদেশে বলা হয়েছে দোহার পৌরসভার সীমানা সংক্রান্ত সম্প্রসারণ ও সংকোচন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই কার্যক্রম সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত দোহার পৌরসভার নির্বাচনের উপর স্থগিত আদেশ দেয়া হয়েছে।

এই আদেশের ফলে নির্বাচন নিয়ে নতুন করে জটিলতা ও আশংকা তৈরি হলো বলে মনে করে দোহার পৌরবাসী।