কর আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব হলেন দোহারের আজিজুর রহমান বাবুল

অ্যাডভোকেট মো. আব্বাস উদ্দিনকে সভাপতি ও অ্যাডভোকেট এ কে এম আজিজুর রহমানকে মহাসচিব করে কর আইনজীবী ফোরামের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ট্যাক্সেস আইনজীবী সমিতি (বার এসোসিয়েশনের) হলরুমে সংগঠনের সাধারণ সভায় ১১১ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।কমিটিতে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে প্রধান উপদেষ্টা করে সাত সদস্যের উপদেষ্টা কমিটিও ঘোষণা দেয়া হয়। কমিটিতে ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি মো. হুমায়ুন কবিরকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, অ্যাডভোকেট মো. মাহাতাব আলমকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, অ্যাডভোকেট দেওয়ান জাকির হোসেন লোবানকে কোষাধ্যক্ষ, অ্যাডভোকেট মো. নূর নবী পাটোয়ারীকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

সংগঠনের বিদায়ী মহাসচিব মো. হুমায়ুন কবির এসব কথা জানান।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম অংগ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দোহার-নবাবগঞ্জের কৃতি সন্তান ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ। স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউছার রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশে যাওয়ার কারনে বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ এই দায়িত্ব পান। বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ এই দায়িত্ব পাওয়ার কারনে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও আওয়ামী লীগের অংগ সংগঠনের নেতা কর্মিরা।

১৯ বছর পর দোহার পৌরসভার নির্বাচন ১৪ই অক্টোবর

0

তারেক রাজীব,নিউজ৩৯ঃ সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সাংসদ সালমান এফ রহমানের আন্তরিক উদ্যোগে মামলা তুলে নেয়ার পর ৩ মাসের মধ্যে পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিলো উচ্চ আদালত। এরই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন মংগলবার দীর্ঘ ১৯ বছর পর দোহার পৌরসভার নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছেন।  তফসিল নিম্নরুপঃ

রিটার্নিং অফিসারের নিকট মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখঃ ১২ই সেপ্টেম্বর,২০১৯

রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখঃ ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯

প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষ তারিখঃ ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ভোটগ্রহণের তারিখঃ ১৪ই অক্টোবর, ২০১৯, সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকাল ৫.০০ পর্যন্ত

উল্লেখ্য দোহার উপজেলার জয়পাড়া, রাইপাড়া, সুতারপাড়া ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের আংশিক নিয়ে ২০০০ সালে গঠিত হয় দোহার পৌরসভা। ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর সীমানা ও ভোটার তালিকা নিয়ে মামলা হওয়ায় দীর্ঘ ১৯ বছর পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। সম্প্রতি পৌরসভা নিয়ে করা মামলা বাদীরা তুলে নেয়ায় ৩ মাসের মধ্যে পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর গঠিত বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

দোহার উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানায়, দীর্ঘ সময় দোহার পৌরসভার নাগরিকরা তাদের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। অন্য কোনো জটিলতা না থাকলে উচ্চ আদালতের নির্দেশে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মী যুগান্তরকে বলেন, আমাদের দোহার-নবাবগঞ্জ ঢাকা-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সার্বিক উন্নয়ন প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, দোহার পৌর এলাকার ভোটাররা তাদের দীর্ঘদিনের হারানো ভোটাধিকার ফিরে পাচ্ছেন। যা অনেক আনন্দের বিষয়। দোহার উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে এ নির্বাচন একটি মাইল ফলক হিসেবে কাজ করবে বলে তারা মনে করেন।

পৌরসভার নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০০০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর সীমানা জটিলতা, কতিপয় দুর্নীতিবাজ জনপ্রতিনিধি এবং অভ্যন্তরীণ বিভেদে লিপ্ত কতিপয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার হস্তক্ষেপে দীর্ঘ ১৯ বছর তারা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন।

পৌরবাসীর অভিযোগ, নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ভয়ে কতিপয় জনবিচ্ছিন্ন জনপ্রতিনিধিরা তাদের দুর্নীতিকে আড়াল করতে বিভিন্ন উপায়ে ১৯ বছর নির্বাচন হতে দেননি। ফলে পৌরসভার জনপ্রতিনিধিদের কোনো জবাবদিহিতা ছিল না। কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন পৌরবাসী।

২০১৩ সালে দোহার পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের ৩ দিন পূর্বে চরলটাখোলা গ্রামের মৃত আবদুল হালিমের ছেলে আবদুস সোবাহান ও কাঁঠালিঘাটা গ্রামের মৃত ফায়জদ্দিন বেপারীর ছেলে মজিবর রহমান পৌর এলাকার সীমানা নির্ধারণ নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন। ফলে নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়। মুঠোফোনে আবদুস সোবাহানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, দোহার পৌর এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে তিনি মামলা তুলে নিয়েছেন।

এছাড়া কাঠালিঘাটা গ্রামের মৃত ফায়জদ্দিন বেপারীর ছেলে মজিবর রহমান ভোটার তালিকা ও পৌরসভার সীমানা নিয়ে মামলা করায় দোহার পৌরসভা নির্বাচনের পথে এগিয়ে যেতে পারেনি বলে পৌরবাসীদের অভিযোগ।
পৌরসভার বর্তমান মেয়র আলহাজ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, পৌর এলাকার সীমানা নিয়ে আমার জানামতে ৪টি মামলা হয়। যথাসময়ে নির্বাচন হলেও বয়স হয়েছে। এখন আর ভালো লাগে না। প্রতি অর্থবছরে লোক দেখানো কোটি কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হলেও বাস্তবের সঙ্গে তার কোন মিল নেই। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি দেখানো হয়। জনগণ পৌরসভার সাথে থাকতে চায় না। তারা নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করে না। আমি তাহলে কিভাবে উন্নয়ন করবো।

দোহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশের কপি গত ৭ আগস্ট আমরা হাতে পেয়েছি। নির্দেশ হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হবে।

দোহার নির্বাচন কার্যালয় জানায়, ২০১৩ সালের ১৮ এপ্রিল দোহার পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ২৫ মে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তফসিল ঘোষণার পরপর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে মেয়র পদে ১৫ জন ও নয়টি সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৭৬ জন ও তিনটি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা বাতিল ও প্রত্যাহারের পর প্রতীক বরাদ্দ পান ৭৪ জন প্রার্থী। নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছিলেন প্রার্থীরা। এক যুগ পর নির্বাচন হওয়ায় ভোটাররাও ছিলেন নতুন জনপ্রতিনিধিকে বেছে নেওয়ার অপেক্ষায়। সেই মুহূর্তে ৭ মে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড মাহমুদপুর ইউনিয়নের চর লটাখোলার বাসিন্দা আবদুস সোবহান বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদন করেন।

‘যে কাউকে ঠেলে দেবে আর আমরা নিয়ে নেবো, এ ধরনের পরিস্থিতি হয়নি’

0

আসাম থেকে ১৫ লাখ লোককে বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিতে বলা হবে, রাজ্যটির অর্থমন্ত্রী বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্ব শর্মার এই মন্তব্য প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘প্রশ্নই আসে না। আমাদের দেশের যদি নাগরিক না হয়ে থাকে, তাহলে আমরা কেন আনতে যাবো তাদের। প্রথম কথা হলো, আমাদের দেশ থেকে গিয়েছে কিনা, সেটা তাদের প্রমাণ করতে হবে। আরও প্রমাণ করতে হবে এরা ৭১-পর আমাদের এ দেশ থেকে গিয়েছে। প্রমাণ করতে হবে, তারা বাংলাদেশি মানুষ। যে কাউকে ঠেলে দেবে আর আমরা নিয়ে নেবো, এ ধরনের সিচুয়েশন হয়নি, আমি মনে করি হবে না।’

আসামের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকায় ১৯ লাখ লোক বাদ পড়ার একদিন পর রাজ্যটির অর্থমন্ত্রী বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘১৪-১৫ লাখ বিদেশিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশকে তাদের এই ১৪-১৫ লাখ লোককে ফিরিয়ে নিতে বলা হবে।’ সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ‘একাত্তর জার্নাল’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিক মীর মাসরুর জামান এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে আমি ভারতে গিয়েছিলাম। এই বিষয়ে কোনও কথাই তিনি বলেননি। আমাদের কথা স্পষ্ট, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তও তাই, আমরা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করবো না। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা এই বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কথা না বলে। ৭১-এর পর আমাদের বাংলাদেশ থেকে কেউ গেছে বলে আমাদের ধারণা নেই। পাকিস্তান যখন স্বাধীন হলো—এখানে আসছে, আমাদের দেশ থেকেও ওখানে গিয়েছে। ছিটমহল বিনিময়ের সময়ও কিন্তু সবাই যাননি। যারা যাওয়ার জন্য চূড়ান্ত তালিকায় নাম দিয়েছিলেন, তাদের থেকেও কয়েকশ আবার ফিরে এসেছেন। আমাদের দেশ থেকে ৭১-এর পর কেউ ভারতে যাননি। হয়তো চিকিৎসার জন্য গিয়েছেন। চাকরি-বাকরি পান কিনা, সেজন্য গেছেন। অবস্থানের জন্য কেউ যাননি। ভারত সরকার তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কী করতে চান, যখন আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইবে, তখন মন্তব্য করা যাবে। এখন আমাদের কিছু বলার নেই।’

রোহিঙ্গাদের মতো আসাম থেকেও মানুষকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে কিনা, ‘একাত্তর জার্নাল’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক মিথিলা ফারজানার এই প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের একটা চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। আমি মনে করি না, এ ধরনের একটা অবস্থান সৃষ্টি করবে, সৃষ্টি হবে। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তারা নিজেরাই এটা সলভ (সমাধান) করবে। আমাদের এখানে কোনও যুক্ত হওয়ার কিংবা আমাদের এখানে পথ পাওয়ার কোনও অবস্থান সৃষ্টি হবে না।’

দোহারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ

ঢাকার দোহার উপজেলার প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেল নাদিয়া আক্তার নদী (১৬) নামে এক ছাত্রী। সোমবার উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের ঘারমোড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নাদিয়া আক্তার নদী ঘাড়মোড়া গ্রামের শেখ আলাউদ্দিনের মেয়ে এবং উপজেলার ইসলামবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘারমোড়া গ্রামের বাসিন্দা শেখ আলাউদ্দিনের নাবালিকা মেয়ে নাদিয়া আক্তার নদীর সাথে পাশ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার এক ছেলের বিয়ে ঠিক হয়। সোমবার গায়ে হলুদের আয়োজনের ব্যস্ত ছিল মেয়ের পরিবার। স্থানীয়রা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানালে দ্রুত আলাউদ্দিনের বাড়িতে আসেন দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। বিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রেশন কপি অনুযায়ী মেয়েটির বয়স ১৬ বছর হওয়ায় জন্ম সনদ চান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। জন্ম সনদ না দেখিয়ে একটি নোটারী কপি দেখান নদীর পরিবার। মেয়েটি নাবালিকা হওয়ায় বাধ্য বিবাহ বন্ধ করে দেন প্রশাসন। বিষয়টি আইনের পরিপন্থী হওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে মেয়েটির পরিবারকে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ৫(১) ধারায় অপরাধ ও (৩) ধারায় শাস্তি হিসেবে ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও মুচলেকার মাধ্যমে বিয়ে বন্ধ করে দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে বাধ্য বিবাহের প্রতিবাদ করেন। পরে মেয়ের বাবা আলাউদ্দিন অঙ্গিকার করেন প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তার মেয়েকে বিয়ে দিবেন না। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র সাংবাদিকদের বলেন, আমরা খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছি। কিন্তু কিছু অসাধু আইনজীবিরা অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়েদের বয়স নোটারীর মাধ্যমে বৃদ্ধি করে প্রাপ্ত বয়স্ক বানিয়ে দেন যা আইনের পরিপন্থী। এদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কোথাও কোন বাল্যবিবাহকে প্রশ্রয় দেয়া হবেনা বলেও জানান তিনি।

রাস্তাঘাট উন্নয়নের জন্য দোহার-নবাবগঞ্জে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে – সালমান রফমান এমপি

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে কমিউনিটি পুলিশিং সেল নবাবগঞ্জ থানা রোববার সন্ধ্যা ৭টায় “সন্ত্রাস, জঙ্গি ও মাদক বিরোধী সমাবেশ ও নবাবগঞ্জ থানার ১০০ জন মাদক ব্যবসায়ীর স্বাভাবিক জীবনে প্রত্যাবর্তন” সমাবেশের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে যে ওয়াদা দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা হবে। গ্রামীণ রাস্তাঘাট উন্নয়নের জন্য এ অঞ্চলে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।বিসিক শিল্প নগরীর জন্য ১০০০ একর জমির জন্য সাইট খোজা হচ্ছে।
সালমান এফ রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ভোটারদের কাছে যেসব ওয়াদা দিয়েছিলাম, এখন আমি সেসব ওয়াদা পূরণ করতে চাই। মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স থাকবে। নবাবগঞ্জ ও দোহারে কোনও দুর্নতি, সন্ত্রাস থাকবে না এবং ভূমি দস্যুদেরও কোনও জায়গা হবে না।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ হাবিবুর রহমান, ঢাকা জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান, ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান। স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, জেলা দক্ষিণ অপরাধ (তদন্ত) এএসপি মাসুম ভূঁইয়ার এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

জাতীয় মহিলা পার্টির সভানেত্রী সালমা ইসলাম, সম্পাদিকা নাজমা আকতার

সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপিকে জাতীয় মহিলা পার্টির সভানেত্রী মনোনীত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদিকা করা হয়েছে সংসদ সদস্য নাজমা আকতারকে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার সুপারিশের ভিত্তিতে দলটির চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী জিএম কাদের এমপি রোববার এই কমিটির অনুমোদন দেন। আগের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি করা হয়।

জাতীয় মহিলা পার্টির ২৪১ সদস্যের নতুন এ নির্বাহী কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে রাখা হয়েছে ১৮ জনকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরী, শেরিফা কাদের, মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী এমপি, মেরিনা রহমান, মাহজাবীন মোর্শেদ, খুরশীদ আরা হক, শাহানারা বেগম, ফরিদা শিকদার, পারভীন তারেক, অ্যাডভোকেট লাকি বেগম, হেনা খান পন্নী, রাজিয়া সুলতানা, পারভীন ওসমান, আলেয়া বেগম, কাজী সুফিয়া বেগম ও সফুরা বেগম।

কমিটির সিনিয়র সহ-সভানেত্রী রওশন আরা মান্নান এমপি। সহ-সভানেত্রীদের মধ্যে রয়েছেন রীতু নূর, ডা. সেলিমা খান, মাহমুদা রহমান মুন্নী, মনোয়ারা তাহের মানু, আমিনা হাসান, জাহানারা মুকুল, শারমীন পারভীন লিজা, নুরুন নাহার বেগম, শারমীন আক্তার, নিগার সুলতানা রানী, অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, মিনি খান, পারভীন হোসেন, হাসনা হেনা, বিউটি বেগম, শিরিন চৌধুরী, ইয়াসমিন চৌধুরী, তৌফিকুননেছা লাকী, চিনু বেগম প্রমুখ।

যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদিকার মধ্যে রয়েছেন- জোৎস্না আক্তার, তাসলিমা আকবর রুনা, লাবণী হাসনা চৌধুরী, মনোয়ারা বেগম ইতি, শামীমা হক, শাহানাজ পারভীন, মনোয়ারাই খোদা চৌধুরী মন্টি, লায়লা নূর, সায়মা শাহানাজ পিংকি, সুলতানা রহমান, সাদিয়া ইসলাম সিমি, নারগিস কামাল।

সাংগঠনিক সম্পাদক জোসনা আক্তার (ঢাকা), তাজলিনা আক্তার মনি (চট্টগ্রাম), মনিকা আলম (খুলনা), মাহবুবা বেগম (রাজশাহী), মরিয়ম বেগম (বরিশাল) ও নাহিদা আক্তার (সিলেট)।

কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট আলীয়া খান প্রিয়াংকা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদিকা মোমেনা বেগম, দফতর সম্পাদিকা তাসলিমা আকবর রুনা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত), সমবায়বিষয়ক সম্পাদিকা রিনা বেগম, কৃষিবিষয়ক সম্পাদিকা শামীমা সুলতানা, ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদিকা সৈয়দা আছিয়া বেবী, সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদিকা সূরভী আক্তার, তথ্য গবেষণাবিষয়ক সম্পাদিকা ফাতেমা খান নিশি, আইনবিষয়ক সম্পাদিকা অ্যাডভোকেট আলীয়া খান প্রিয়াংকা, যুববিষয়ক সম্পাদিকা তানিশা তাহের, শিল্পবিষয়ক সম্পাদিকা নিগার সুলতানা, পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদিকা মিসেস রীলু বেগম, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদিকা ফারহানা আইরিন, এনজিওবিষয়ক সম্পাদিকা কবিতা চাকমা, শ্রম ও সমাজকল্যাণ সম্পাদিকা ফেরদৌসি বেগম মালা, সাহিত্য ও কৃষ্টিবিষয়ক সম্পাদিকা শিরিন আক্তার, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদিকা নাছিমা বেগম (শিক্ষিকা), যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদিকা প্রিয়া আক্তার (চট্টগ্রাম), সিদ্দীকা বেগম (খুলনা), সফুরা বেগম (রাজশাহী), অ্যাডভোকেট নারগিস আক্তার (বরিশাল), শিউলী আক্তার (সিলেট), আফরোজা ইসলাম জেলি (রংপুর), যুগ্ম-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদিকা রেহেনা বেগম, যুগ্ম-সমবায়বিষয়ক সম্পাদিকা রওশন আরা বেবী, যুগ্ম-কৃষিবিষয়ক সম্পাদিকা রোকেয়া আক্তার স্বপ্না, যুগ্ম-ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদিকা লাইলি বেগম, যুগ্ম-সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা আফরোজা পারভীন, যুগ্ম-তথ্য গবেষণাবিষয়ক সম্পাদিকা আফরোজা পারভিন মুক্তি, যুগ্ম-আইনবিষয়ক সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন, যুগ্ম-যুববিষয়ক সম্পাদিকা তাবাসসুম বক্স মুমু, যুগ্ম-শিল্পবিষয়ক সম্পাদিকা সামসুন্নাহার, যুগ্ম-ধর্মবিষয়ক সম্পাদিকা আকতারী বেগম মিনা, যুগ্ম-পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদিকা লিজা আক্তার, যুগ্ম-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদিকা রোকেয়া বেগম লাইজু, যুগ্ম-এনজিওবিষয়ক সম্পাদিকা বকুল বিবি, যুগ্ম-শ্রম ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদিকা মনোয়ারা বেগম নাছিমা, যুগ্ম-সাহিত্য ও কৃষ্টিবিষয়ক সম্পাদিকা রেহেনা আলী নিপা, যুগ্ম-শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদিকা রাবেয়া খাতুন, যুগ্ম-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদিকা শায়লা আক্তার।

সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- কুলসুম বেগম, সৈয়দ হাসনা হেনা রেখা, রেবেকা সুলতানা, রিনা বেগম, নাসরিন বেগম, রাশিদা বেগম, ফাতেমা খাতুন, কেয়া মাসুদ, মমতা বেগম, সুফিয়া বেগম, শাহানাজ আক্তার, তাহমিনা বেগম, মোছা. ফাতেমা আক্তার, ফেরদৌসি আরা, মাফিয়া বেগম, মিতালী আক্তার, শামীমা আক্তার রিমি, লাবনী আক্তার, ফরিদা ইয়াসমিন, মোছা. রেহেনা বেগম, আনজু মানারা, ইশমাতারা মনি, মিতু শিকদার, মুস্তারী খোদা চৌধুরী লিজা, তাহমিনা আক্তার নূপুর, মাহাবুবে খোদা চৌধুরী শিল্পী, সুফিয়া বেগম, সাহিদা আক্তার, সাবেরা বেগম, শাহনাজ আক্তার, সামিয়া আক্তার, দুলারী বেগম, আয়শা আক্তার আশা, রিনা আক্তার, মনি আক্তার, তানিয়া আক্তার, মাধবী আক্তার, নাসরিন আক্তার, ইভা আক্তার, নাজমুন নাহার, কল্পনা আক্তার, সুমি আক্তার, জোসনা আক্তার, শিল্পী আক্তার, জায়েদা বেগম, বকুল বিবি, তানিয়া ফেরদৌস, মনোয়ারা বেগম, লাইজু বেগম, মেহেরুন নেছা, নারগীস আক্তার, সালমা আকতার, শিরিন শিলা, জাহানারা বেগম রেনু, হালিমা বেগম, সামসুন্নাহার, শামিমা আক্তার রিমি, তাছলিমা আক্তার, হালিমা আক্তার, কানন আক্তার, রিলু বেগম, মাফিয়া খাতুন, সুফিয়া বেগম, ফারজানা আফরিন জোনাকী, ইয়াছমিন আলম, আখতারী বেগম মিনা, সপ্তমী, ফারজানা সুলতানা ঝর্ণা, সামসুন্নাহার সেলিনা, রিনা আক্তার, মনি আক্তার, রোকসানা, আক্তার সিমু, মাধবী আক্তার, নাসরিন বেগম, শিউলী আক্তার, সুমি আক্তার, পলি বেগম, জানু আক্তার, মিনু ইয়াছমিন, জোসনা আক্তার, হ্যাপি বেগম, হাসিনা আক্তার, লাকী বেগম, মর্জিনা বেগম, রোকসানা সুলতানা শিমু, লায়ন শাহিনা খান, ইভা আক্তার, শাহানাজ বেগম, মমতাজ বেগম, নুসরাত জাহান বেনজীর, মাহমুদা খাতুন, শিমা আক্তার, নাহিদা আক্তার, শাহিনা আক্তার, সেলিনা আক্তার রতনা, বকুল, মাহফুজা বেগম, সুফিয়া বেগম, লাকী বেগম, মোর্শেদা বেগম, হেনা বেগম, সুমাইয়া সুলতানা হ্যাপি, নাছিমা বেগম, নূরী বেগম, সিমা আক্তার, রিমা আক্তার, গোলাপি আক্তার, আজ্জুমান আরা রিমি।

কমিটির অন্য নেত্রীদের নাম ও পদবী পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সব দলের কার্যক্রমে বঙ্গবন্ধুর ছবি বাধ্যতামূলক করা উচিতঃ সালমান এফ রহমান

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি কেবল আওয়ামী লীগ নয়, সব দলের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করা উচিৎ। এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। শনিবার বিকেলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মতিঝিলের ফেডারেশন ভবনে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেহেতু জাতির পিতা তাই শুধু আওয়ামী লীগই নয়, বরং দেশের সকল রাজনৈতিক দলেরই তাদের কার্যক্রমে যথাযথ সম্মানের সাথে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ব্যবহার করা উচিত। বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা হিসেবে যদি কোনও দলের না হয়ে দেশের ১৬ কোটি মানুষের হয় তাহলে সকল রাজনৈতিক দলের পোষ্টারে বঙ্গবন্ধুর ছবি ছাপাতে হবে।”

এফবিসিসিআইয়ের সম্মেলন কক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এফবিসিসিআইয়ের সম্মেলন কক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি একে আজাদের একটি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। এ কে আজাদ বঙ্গবন্ধুকে একক দলের না করে জাতির পিতা হিসেবে দেশের সবার বঙ্গবন্ধু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার আহ্বান জানান।

সবার প্রতি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সালমান এফ রহমান বলেন, “জয় বাংলা কোনো দলের স্লোগান ছিল না। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এটি জাতীয় স্লোগান ছিল। এ স্লোগান দিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। তাই এটি কোনও দলীয় স্লোগান নয়।

এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যদের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এম এ কাশেম, মাহবুবুর রহমান, কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ ও মীর নাসির হোসেন বক্তব্য দেন।

সভায় বক্তব্য রাখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সভায় বক্তব্য রাখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধুর দেখানো অর্থনৈতিক পথে এগোচ্ছেন বলেই শেখ হাসিনার সরকার অভাবনীয় সফলতা পাচ্ছে।”

তিনি বলেন, “দেশের খুবই সাধারণ ও গরিব মানুষের সেবা করা বঙ্গবন্ধুর প্রধান গুণ ও লক্ষ্য ছিল। তার সরকারের সময় তিনি গরিব মানুষের জন্য বিভিন্ন ধরনের ভাতা ব্যবস্থা চালু করেন। এ ধরনের উন্নয়নের মাধ্যমে মূলত তিনি (বঙ্গবন্ধু) দেশের দরিদ্র মানুষকে দারিদ্র্যসীমার উপরে তুলে আনতে চাইছিলেন। আর খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের সাথে সাথে শিল্পায়ন করতে চেয়েছিলেন।”

মন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকারও তার সেই দেখানো পথে এগিয়ে গিয়ে উন্নয়ন শুরু করে। এখন জেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক সেবা প্রদান চালু করে সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। বর্তমান বিশ্ব বাংলাদেশের উন্নয়নকে মানবিক উন্নয়ন বলে অভিহিত করছে।”

এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এফবিসিসিআই সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, “বঙ্গবন্ধু তার দূরদর্শী নীতিমালা ও প্রচেষ্টায় দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন।পঁচাত্তরের ১৫ অগাস্টের নৃশংস ঘটনা না ঘটলে বাংলাদেশ আরও অনেক আগেই তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারত।”

আলোচনা সভা শেষে বঙ্গবন্ধুর ‘জীবন ও কর্ম’ নিয়ে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এফবিসিসিআই সম্মেলন কক্ষে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

‘সরিষায় ভূত’ দেখছেন ছাত্রদলের প্রার্থীরা

0

ছাত্রদের হাতেই থাকুক ছাত্রদলের রাজনীতি— এমন চিন্তা-ভাবনা থেকেই দীর্ঘ ২৭ বছর পর কাউন্সিলের মাধ্যমে ছাত্রদলের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। বেঁধে দিয়েছে বয়সসীমা। প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না বিবাহিত ছাত্রনেতাদের। কিন্তু এই সিদ্ধান্তগুলো যারা বাস্তবায়ন করবেন তাদের মধ্যেই রয়েছে সমস্যা। নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাত্রদলের সাবেক নেতদের অধিকাংশেরই রয়েছে ব্যক্তিগত পছন্দ। প্রত্যেকেই চাচ্ছেন তার অনুসারীরা ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসুক। বড় দুই পদে তার পছন্দের লোকটিই থাকুক।

ছাত্রদলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে রয়েছেন— ডাকসুর সাবেক জিএস বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি (১৯৯৬-৯৮) বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি (১৯৯৮-২০০০) বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবীব-উন-নবী-খান সোহেল, ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক (২০০২) বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (২০০৫-২০০৯) স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (২০০৯-১২) বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি (২০১৪-২০১৯) বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রাজিব আহসান।

অন্যদিকে, বাছাই কমিটিতে রয়েছেন— ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি (১৯৯৩-১৯৯৬) বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি (২০০৫-২০০৯) বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি (২০০৯-১২) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি (২০১২-১৪) স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (২০১২-২০১৪) ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (২০১৪-১৯) বিএনপির নির্বাহী সদস্য আকরামুল হাসান।

আপিল কমিটিতে রয়েছেন— ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি (১৯৮৩-৮৬) বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি (১৯৮৭-৯০) ও বিএনপির বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক (১৯৯০-৯২) বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, বাছাই কমিটি ও আপিল কমিটিতে যে ১৬ জন নেতা নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দায়িত্ব পালন করছেন, এদের মধ্যে শামসুজ্জামান দুদু, আসাদুজ্জামান রিপন ও খায়রুল কবির খোকন ছাড়া বাকি ১৩ জনেরই রয়েছে পছন্দের প্রার্থী। এই ১৩ জনই চান তাদের অনুসারীরা ছাত্রদলের নেতৃত্বে বসুক। আর সে কারণেই ইলেকশনের নামে সিলেকশনের মধ্য দিয়ে নেতা নির্বাচন সম্ভবনাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না প্রার্থীরা।

১৯৯২ সালে অনুষ্ঠিত ছাত্রদলের সর্বশেষ কাউন্সিলে সভাপতি হন রুহুল কবির রিজভী, সাধারণ সম্পাদক হন এম ইলিয়াস আলী। এরপর ছাত্রদলের যে ১০টি কমিটি গঠন করা হয়, তার মধ্যে অন্তত চারটি কমিটিতে এম ইলিয়াস আলীর অনুসারীরা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সভাপতি হাবীব-উন-নবী খান সোহেল, আজিজুল বারী হেলাল, আব্দুর কাদির ভূঁইয়া জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান।

আসন্ন কাউন্সিলে এরা প্রত্যেকেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। এদের রয়েছে একাধিক পছন্দের প্রার্থী। এই গ্রুপের পছন্দের তালিকায় আছেন সভাপতি প্রার্থী আল মেহেদী তালুকদার, হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আমিনুর রহমান, শাহ নেওয়াজ ও ইকবাল হাসান শ্যামল।

একাধিক প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীর অনুসারীরা যাদের চাইবেন, তারাই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হবেন। সে কারণেই একপদের জন্য একাধিক প্রার্থী রেখেছেন তারা। বিয়ে, বয়স, ছাত্রত্ব ইস্যুতে একজন বাদ পড়লে, অন্যজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

ছাত্রদলের সাবেক আবাহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সাবেক সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, রাজিব আহসানের পছন্দের সভাপতি প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, আশরাফুল আলম ফকির লিংকন, মো. আব্দুল মাজেদ, তানভীর রেজা রুবেল, ফজলুর রহমান খোকন। এই গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা হলেন— তানজিল হাসান, মো. মহিউদ্দিন রাজু, জোবায়ের আল মাহমুদ রিজভী, আরিফুল হক ও আব্দুল মোমেন মিয়া।

অর্থাৎ নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে যাদের দায়িত্ব পালন করার কথা, তাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে পছন্দের প্রার্থী এবং প্রত্যেকেই চেষ্টা করছেন পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে। ফলে ‘বড় ভাই’দের পছন্দের তালিকার বাইরে থাকা প্রার্থীরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সন্দিহান।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সভাপতি প্রার্থী মো. আরজ আলী শান্ত বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান চেয়েছেন ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করতে। তবে অনেকেই চাচ্ছেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে জয়ী করতে।  কিন্তু নিয়মের ব্যাত্যয় হলে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’

সভাপতি প্রার্থী তানভীর রেজা রুবেল বলেন, ‘গত ২৭ বছর ধরে সিলেকশনের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন হচ্ছে। সে কারণেই হয়তো ইলেকশন নিয়ে নানা কথা উঠছে। অর্থাৎ আমাদেরকে সিলেকশন থেকে ইলেকশনে অভ্যস্ত হতে সময় লাগবে।’

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক খায়রুল কবির খোকন বলেন, ‘আমি যতক্ষণ পর্যন্ত আছি, ততক্ষণ পর্যন্ত কেউ কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, শেষ বিন্দু দিয়ে চেষ্টা করব, সেটা ঠিকমতো পালন করতে।’

‘নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন, তাদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ থাকতে পারে। তবে দায়িত্ব পালনের সময় সেই পছন্দ, অপছন্দ এখানে প্রাধান্য পাবে না, এই গ্যারান্টি আমি দিতে পারি,’— বলেন খায়রুল কবির খোকন।

কনস্টেবলে নির্বাচিত নবাবগঞ্জের ১৩২ জনকে সংবর্ধনা

মে,২০১৯ ব্যাচে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে চুড়ান্তভাবে নির্বাচিত ও ৬ মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণার্থী ঢাকার নবাবগঞ্জের ১৩২জন নারী/পুরুষকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নবাবগঞ্জ থানা প্রাঙ্গনে নির্বাচিতদেরকে ফুল আর মিষ্টি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। কনস্টেবল পদে নির্বাচিত কয়েকজন জানান, তারা অধিকাংশ দরিদ্র ও সাধারণ পরিবারের সন্তান। ১০৩ টাকার বিনিময়ে, এতো সহজে তারা চাকুরি পাবেন চিন্তা করতে পারেনি। তারা বর্তমান সরকার ও ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এসময় অনেকে আবেগ আপ্লুতও হয়ে পড়েন। নির্বাচিতদের সংবর্ধনা জানান, ঢাকা-১ আসনের এমপির প্রতিনিধি ইফতেখার আহমেদ হৃদয়, দোহার সার্কেলের এএসপি জহিরুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ থানার ওসি মোস্তফা কামাল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো জালাল উদ্দিন, কলাকোপা ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহীম খলিল, গালিমপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক আব্দুর রাশিদ, থানার সেকেন্ড অফিসার এস.আই মুন্সি আশিকুর রহমান প্রমূখ।