শিথিল হচ্ছে লকডাউন; চলবে গণপরিবহন লঞ্চ ও ট্রেন দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার পর আগামীকাল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশে শুরু হবে লঞ্চ ও ট্রেন চলাচল। এছাড়াও আগামী সোমবার থেকে শুরু হবে বাস সহ সকল গণপরিবহন চলাচল। দেশে চলমান লকডাউনের ফলে দীর্ঘ দিন যাবৎ বন্ধ রয়েছে বাস, ট্রেন, লঞ্চ সহ সকল গণপরিবহন। কিন্তু দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে খুলে দেওয়া হচ্ছে সকল গণপরিবহন। এছাড়াও অভ্যন্তরীন রুটে আগামী সোমবার থেকে সীমিত পরিসরে বিমান চলাচল শুরু হবে। আন্তজার্তিক রুটে ১৫ই জুন পর্যন্ত বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে সারা বিশ্ব প্রায় তিন মাস লকডাউনের আওতায় ছিল। বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাসের বিস্তার ও মৃত্যুর মিছিল কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গেলে শিথিল করা হয় লকডাউন। বিভিন্ন দেশের মত বাংলাদেশেও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ও পরিবহণ মালিক-শ্রমিকদের কথা বিবেচনা করে লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। বিআইডব্লিওটিএ জানায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামীকাল থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু হবে। এজন্য যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে বাস সহ সকল গণপরিবহনের ভাড়া বাড়তে পারে এবং ইঙ্গিত দিয়েছেন বাস মালিক সমিতি।
জিয়ার মৃত্যু বার্ষিকীতে শামীমা শিলার খাদ্য বিতরণ
ঢাকার দোহার উপজেলায় শামীমা রাহিম শিলার পক্ষ থেকে গরিব ও হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়। শনিবার (৩০ মে) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দলীয় নেতাকর্মীদের মাধম্যে দোহার বিভিন্ন স্থানে এ খাদ্য বিতরণ করেন তিনি। সম্প্রতি সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাস এক আতংকের নাম। করোনা ভাইরাসের প্রকোপে সারা দেশের মত দোহারের নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম বিপাকে পড়েছে। পরিবারের উপার্জনশীল ব্যক্তি করোনার ফলে কাজ হারিয়ে এক প্রকার অভাব অনাহারে দিন যাপন করছে। তাই এই অসহায় গরিবদের মুখে খাবার দেওয়ার লক্ষে এ খাদ্য বিতরণ করেন শামীমা শিলা। এ সময় শামীমা রাহিম শিলা বলেন, এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে আমরা কোনো জনসমাবেশ করছি না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মোতাবেক আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সামনেও গরিবদের সাথে থেকে কাজ করে যাবো
দোহারে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নির্মল গুহ
ঢাকার দোহার উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির ধান কেটে দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনটির সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ তার দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে ক্ষেতের ধান কেটে দেন । শনিবার (৩০ মে) সকাল থেকে সাথে নিয়ে ক্ষেত থেকে ধান কেটে দেওয়া থেকে শুরু করে ঘরে পৌঁছে দেন তিনি। উল্লেখ্য গত ২৪ মে দোহার উপজেলার বিলাসপুরে লাভলু শিকদার নামে এক ব্যক্তির করোনা সনাক্ত হয়। এর পর থেকে তিনি তার ক্ষেতের ধান কাটা নিয়ে নানা সমস্যার সম্মুখিন হয় । এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে ক্ষেতের পাকা ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির ধান কেটে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল গুহ। এ সময় নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সব সময় অসহায় মানুষের পাশে ছিল, এই করোনা সংকটকালে দোহারের মানুষের সেবা করে যাওয়াটাই এখন প্রধান লক্ষ। সামনে এই সেবামূলক কাজ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
সরকারি প্রণোদনা মসজিদের ঈমামদের হাতে তুলে দিলেন উপজেলা প্রশাসন
ঢাকার দোহার উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রণোদনা উপহার দোহারের ঈমামদের হাতে তুলে দি দিয়েছেন দোহার উপজেলা প্রশাসন। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা এ সরকারি প্রণোদনা তুলে দেন। এ সময় দোহার উপজেলা ও দোহার পৌরসভার ৩১৬ জন মসজিদের ঈমামের হাতে ৫০০০ টাকা করে সরকারি প্রণোদনা উপহার তুলে দেওয়া হয়।
আফরোজা আক্তার রিবা জানান, করোনা সংকটকালে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানা উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে এই প্রণোদনা দেওয়া হল
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র সহ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা।
প্রণোদনা উপহার পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান মসজিদের ঈমামগণ
নবাবগঞ্জে ৮৯ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৫২
নবাবগঞ্জে নতুন করে ৮৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। এতে করে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক লাফে বেড়ে দাড়িয়েছে ১৫২ জনে! নতুন আক্রান্ত ব্যক্তিরা নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার(রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ।
শনিবার রাতে পাওয়া পরিক্ষার ফলাফলে ৮৯ জন আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। এ সময় ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ নিউজ৩৯ কে জানান, আমরা গত রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ১৯৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষার জন্য পাঠাই। প্রেরিত ১৯৫ নমুনা হতে নতুন ৮৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়।
এই ১৯৫ জনের নমুনা হতে ভাইরাস শনাক্তের হার ৪৫.৬৪%
তিনি আরো জানান, নবাবগঞ্জে এখন পর্যন্ত ১৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এবং ইতিমধ্যে ২ জন মৃত্যুবরণ করেছে। করোনার বিস্তার ঠেকাতে আক্রান্ত ব্যক্তির স্বজনদের ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
১৯৫ নমুনা হতে নতুন ৮৯ জনের ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় এতে শনাক্তের হার ৪৫.৬৪%। উল্লেখ্য নবাবগঞ্জ উপজেলায় আক্রান্ত সংখ্যা এখন অনেক জেলার থেকে বেশি। গতকাল ৩০ মে পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট আক্রান্ত সংখ্যা ছিল ৪৪,৬০৮ জন। পাশের দোহার উপজেলায় এ যাবৎ আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪ জন।
এসএসসি’র ফল জানা যাবে তিন উপায়ে
২০২০ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে রোববার সকাল ১০ টায়।
গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ফলাফল ঘোষণা করবেন বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
করোনার কারণে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এবার এসএসসি ও সমমানের ফল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে জানার সুযোগ নেই। এ জন্য আগের মতো ওয়েবসাইটসহ প্রযুক্তির অন্যান্য পদ্ধতির পাশাপাশি আরও সহজে যাতে শিক্ষার্থীরা ফল পায়, সেই ব্যবস্থা করেছে শিক্ষা বোর্ড গুলো।
প্রথম পদ্ধতি:
এই ব্যবস্থায় এখন থেকে যেসব পরীক্ষার্থী প্রাক–নিবন্ধন (প্রি-রেজিস্ট্রেশন) করছে, তাদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফল দেওয়া হবে। প্রাক নিবন্ধনের জন্য যেকোনো মোবাইল অপারেটরের নম্বর থেকে SSC Board Name (প্রথম তিন অক্ষর) Roll Year লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। প্রতি এসএমএসের জন্য দুই টাকা চার্জ কাটা যাবে। গত ১৮ মে থেকে শুরু হয়েছে এই প্রাক–নিবন্ধন কার্যক্রম। ২৯ মে রাত ১২ টা পর্যন্ত তা চলবে।
দাখিলের ফল পেতে প্রাক–নিবন্ধন করতে যে কোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করতে হবে। এ জন্য Dakhil লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর অর্থাৎ Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে প্রাক–নিবন্ধন করতে হবে।
দ্বিতীয় পদ্ধতি:
রোববার (৩১ মে) দুপুর ১২টা থেকে ওয়েবসাইট থেকেও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পাওয়া যাবে। এ জন্য http://www.educationboardresults.gov.bd/ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ইনপুট দিয়ে ফল জানা যাবে।
তৃতীয় পদ্ধতি:
ফল প্রকাশের দিন এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে যে কোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করতে হবে। এ জন্য SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর অর্থাৎ ঢাকা বোর্ড হলে Dha লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার্থীর ফল জানানো হবে।
৩১ মে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ফলাফল পাবে না। ১ জুন বেলা ১২টা থেকে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ইআইআইএন নম্বর ব্যবহার করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপের করোনা নিয়ে ১৪ উপদেশ
করোনা আক্রান্ত বা উপসর্গ যুক্ত রোগীর জন্য নিয়মাবলিঃ
১. প্রতিদিন পরিমাণ মত মাছ,মাংস,ডিম,ডাল, সব্জি,লেবু, মাল্টা বা ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাবেন।
২. ঠান্ডা কিছু খাবেন না ও ঠান্ডা পানিতে গোসল করবেন না।
৩. কুসুম গরম পানি পান করবেন ও দুই বেলা আাদা চা খেতে পারেন।
৪. গলা ব্যাথা থাকলে লবণ ও আদা দিয়ে গরম পানি করে দুই বেলা গার্গল করবেন।
৫. বেশি টেনশন বা দুঃশ্চিন্তা করবেন না।
৬. সারাদিন করোনা সংক্রান্ত সংবাদ দেখা ও আলাপ চারিতা হতে বিরত থাকুন।
৭. চিত্ত বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারেন।
৮. প্রিয়জনদের সাথে মোবাইলে বা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে মন খুলে কথা বলুন।
৯. নেতিবাচক মনোভাব ও আলাপ এড়িয়ে চলুন।
১০. স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন।
১১. যার যার ধর্ম অনুযায়ী নিয়মিত নামাজ পড়ুন বা প্রার্থনা করুন।
১২. প্রতিদিন হালকা শারীরিক ব্যায়াম করুন।
১৩. শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।
১৪. প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
জনস্বার্থে
ডাঃ হরগোবিন্দ সরকার অনুপ
ফোকাল পারসন
করোনা কন্ট্রোল কর্ণার
নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঢাকা।
জরুরী প্রয়োজনে ০১৮১৯০২৬৯০২
দুই দিন পর স্বাভাবিক দোহার নবাবগঞ্জের বিদ্যুৎ সরবরাহ
কিছুদিন আগেই দেশে আঘাত হানে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। ২ দিন পার না হতেই পুনরায় দেশে আঘাত হানে কালবৈশাখী ঝড়। আর তাতেই ২ দিন পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা। দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে পল্লী বিদ্যুৎ বিতরন লাইনের ১৯ টি খুটি হেলে পড়ায় প্রায় ২ দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল এ দুই উপজেলায়। পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের প্রচেষ্টায় বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন মেরামত করে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়। এমনটি জানিয়েছেন ঢাকা পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২ এর উপ-ব্যবস্থাপনা প্রকৌশলী খুরশেদ আলম।
তিনি আরো জানান, টিকরপুর চকে ঢাকা হাসনাবাদ গ্রীড থেকে আসা পল্লী বিদ্যুৎ লাইনের ১৯টি খুটি গত মঙ্গলবার থেকে হেলে পড়ে থাকতে দেখা যায় । যার ফলে দোহার নবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি জানার পর পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের যৌথ প্রয়াসে খুঁটিগুলি মেরামত করে বৃহস্পতিবার দুপুরের পরে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।
এছাড়াও ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও কালবৈশাখী ঝড়ের প্রভাবে দোহার নবাবগঞ্জে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
কার্তিকপুর বাজারে অগ্নিকান্ড , ব্যাপক মালামালের ক্ষয়ক্ষতি
ঢাকার দোহার উপজেলার কার্তিকপুর বাজারে আগুনে পুরে গেছে দুটি দোকান। শুক্রবার ( ২৯মে) আনুমানিক ১ টার দিকে এ অগ্নিকান্ড ঘটে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রনে আসার পূর্বেই দুটি দোকানের ৪-৫ লক্ষ টাকার মালামাল পুরে ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কার্তিকপুর বাজারের কাপর ব্যবসায়ী মোঃ জামান ও জুতা ব্যবসায়ী মনির হোসেনের দোকানে এ অগ্নিকান্ড ঘটে। এ সময় কাপরের দোকানের ৬০% আগুনে পুরে যায় এবং জুতার দোকানের ৯০% আগুনে পুরে যায়।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা রিজভী আহমেদ জানান, আমাদের ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে কাজ করেছে। কিন্তু দেরিতে খবর দেওয়ার ফলে আমরা পৌছানোর পূর্বেই দুটি দোকানের অনেকটা ক্ষতি হয়ে যায়। এরপর এলাকার বাসীর সহযোগিতায় আমরা আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হই। এ সময় নগদ ১০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয় বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
দোহার-নাবাবগঞ্জে ঝড়ে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইনের খুটি হেলে পড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন
ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ লাইনের ১৯ টি খুটি হেলে পড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ দুই উপজেলার বিশাল এলাকায়। দুই দিনব্যপী পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের প্রচেষ্টায় বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন মেরামত করে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকাল থেকে চালু করা হয়েছে বলে জানান পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ- ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী খুরশীদ আলম। তিনি বলেন নিকড়া-বানাঘাটা সড়কের সংযোগ সড়ক টিকরপুর চকে ঢাকা হাসনাবাদ গ্রীড থেকে আসা পল্লী বিদ্যুৎ বিতরন লাইনের ১৯টি খুটি হেলে পড়ে গত মঙ্গলবার থেকে।
এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে দুই উপজেলায়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার বিকালে খুঁটিগুলি মেরামত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করেন।
এ ছাড়াও ঈদের আগে চলমান ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়েছে দুই উপজেলার প্রতিষ্ঠানসহ দুই শতাধিক কাঁচাপাকা ঘর-বাড়ি। ঝড়ো হাওয়ায় ও বৃষ্টির পানিতে শুয়ে পড়েছে ধান গাছ। শিলাবৃষ্টিতে গাছ থেকে ঝড়ে পড়েছে পাঁকা ধান। ফলে মাঠের ধান ঘরে তুলতেই ঈদের পরেও ব্যস্ত ছিলেন গ্রামাঞ্চলের লোকজন। বিশেষ করে দোহারের পদ্মাতীরবর্তী এলাকায় অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়।
