বেকারত্ব বাড়ায় এমন শিক্ষা ব্যবস্থা বাদ দিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

0

বাংলা ভাষাকে সর্বক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বেকারত্ব বাড়ায় এমন শিক্ষা ব্যবস্থা বাদ দিয়ে কার্যকরী ও বাস্তবমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুরে মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলা ভাষাকে সব জায়গায় গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্ব দরবারে করতে হবে প্রতিষ্ঠিত। প্রাথমিক শিক্ষায় পাঠদান পদ্ধতি আরও যুক্তিযুক্ত করতে হবে। শিশুদের হাতে-কলমে শিক্ষার ওপর দিতে হবে গুরুত্ব। যে শিক্ষা ব্যবস্থা বেকারত্ব বাড়ায় তা বাদ দিয়ে কার্যকরী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

এ সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষা ঠিকমত দিতে না পারলে দেশ গঠন সম্ভব নয়। বিশ্বমানের শিক্ষা সারাদেশে ধারাবাহিকভাবে চালু করতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে যতগুলো দফতর রয়েছে, সবগুলো দুর্নীতিমুক্ত দেখতে চান বলেও জানান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসা সরকারের এই দুই প্রতিনিধি।

একুশে বইমেলা ২০২৬ শুরু ২৫ ফেব্রুয়ারি, চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত

0

অমর একুশে বইমেলার তারিখ পিছিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে প্রকাশকদের এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

অমর একুশে বইমেলার তারিখ পিছিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে প্রকাশকদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বইমেলা ২৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। বৈঠকে এবারের মেলায় স্টল ভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যেসব প্রকাশক আগে স্টল বরাদ্দ নেননি তারা আজ বেলা ৩টার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। আজ সন্ধ্যা ৬টায় লটারির ভিত্তিতে স্টল বরাদ্দ দেয়া হবে। আগে যারা আবেদন করেছেন, তাদের নতুন করে আবেদন করা লাগবে না বলেও জানিয়েছে মেলা কর্তৃপক্ষ।

বাংলা একাডেমিতে সভা শেষে নতুন সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘এবারের বইমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্টল ভাড়া মওকুফ করা হবে।’ সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে প্রকাশকরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বইমেলায় সবাইকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সম্মিলিত উদ্যোগেই এবারের মেলাকে সফল করে তুলতে হবে।’

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বইমেলার উদ্বোধন করবেন। পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রদান করা হবে দেশের অন্যতম রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে পহেলা ফেব্রুয়ারি এবার বইমেলা শুরু হয়নি। তবে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা জানিয়েছিল।

মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ

0

আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এইদিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর তৎকালীন পুলিশ নির্মমভাবে গুলিবর্ষণ করে। এতে কয়েকজন ছাত্র শহীদ হন। তাদের মধ্যে সালাম, বরকত, রফিক, শফিউর, জব্বার অন্যতম। তাই দিনটিকে শহীদ দিবস বলা হয়ে থাকে।

একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তৎকালীন পূর্ব বাংলার রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরের দিকে প্রথম ভাষা-বিক্ষোভ শুরু হয়। ১৯৪৮ সালের মার্চে এ নিয়ে সীমিত পর্যায়ে আন্দোলন হয় এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি এর চরম প্রকাশ ঘটে। ওইদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাজপথে বেরিয়ে এলে পুলিশ তাদের ওপর নির্বিকারে গুলি চালায়। এতে কিছু ছাত্র শহীদ হন। এ ঘটনায় নানা নির্যাতন সত্ত্বেও ছাত্রদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরা প্রতিবাদ জানাতে পরের দিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় রাজপথে নেমে আসেন।

শহীদদের সম্মানে ভাষা আন্দোলনের স্মরণে জনসমুদ্র.

তারা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে শহীদদের জন্য অনুষ্ঠিত গায়েবি জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। ভাষা শহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি এক রাতের মধ্যে মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে গড়ে ওঠে একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যা সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি গুঁড়িয়ে দেয়। একুশে ফেব্রুয়ারির এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়।

১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৭ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয় ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। ১৯৮৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন বিল’ পাস হয়। যা কার্যকর করা হয় ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ থেকে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারিকে সারাবিশ্বে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক-এর সঙ্গে দোহার প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা বিনিময়

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন দোহার প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপা ইউনিয়নে তাঁর নিজ বাসভবনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দোহার প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাঁর সার্বিক সফলতা কামনা করা হয়।

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দোহার প্রেসক্লাবের সভাপতি তারেক রাজিব, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান সানি, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান টিপু এবং প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক মতবিনিময়ে স্থানীয় উন্নয়ন, গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং দোহার-নবাবগঞ্জের বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং এলাকার উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কে কোন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হলেন

0
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের চুড়ান্ত তালিকা
মন্ত্রী ২৫ জন:
১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মন্ত্রণালয়: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
মন্ত্রণালয়: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
৩. সালাহউদ্দিন আহমদ
মন্ত্রণালয়: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ
মন্ত্রণালয়: বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
৫. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম
মন্ত্রণালয়: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
৬. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন
মন্ত্রণালয়: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
৭. ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট)
মন্ত্রণালয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
৮. আব্দুল আউয়াল মিন্টু
মন্ত্রণালয়: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
৯. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ
মন্ত্রণালয়: ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
১০. মিজানুর রহমান মিনু
মন্ত্রণালয়: ভূমি মন্ত্রণালয়
১১. নিতাই রায় চৌধুরী
মন্ত্রণালয়: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
১২. খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর
মন্ত্রণালয়: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; শিল্প মন্ত্রণালয়; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
১৩. আরিফুল হক চৌধুরী
মন্ত্রণালয়: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
১৪. জহির উদ্দিন স্বপন
মন্ত্রণালয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
১৫. মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ (টেকনোক্র্যাট)
মন্ত্রণালয়: কৃষি মন্ত্রণালয়; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়
১৬. আফরোজা খানম (রিতা)
মন্ত্রণালয়: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
১৭. মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
মন্ত্রণালয়: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়
১৮. আসাদুল হাবিব দুলু
মন্ত্রণালয়: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
১৯. মো. আসাদুজ্জামান
মন্ত্রণালয়: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
২০. জাকারিয়া তাহের
মন্ত্রণালয়: গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
২১. দীপেন দেওয়ান
মন্ত্রণালয়: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
২২. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
মন্ত্রণালয়: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
২৩. সরদার সাখাওয়াত হোসেন (বকুল)
মন্ত্রণালয়: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়
২৪. ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন)
মন্ত্রণালয়: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
২৫. শেখ রবিউল আলম
মন্ত্রণালয়: সড়ক ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়
——
প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন:
১. এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
মন্ত্রণালয়: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
২. অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
মন্ত্রণালয়: বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
৩. মো. শরিফুল আলম
মন্ত্রণালয়: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; শিল্প মন্ত্রণালয়; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
৪. শামা ওবায়েদ ইসলাম
মন্ত্রণালয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
৫. সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
মন্ত্রণালয়: কৃষি মন্ত্রণালয়; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়
৬. ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
মন্ত্রণালয়: ভূমি মন্ত্রণালয়
৭. ফরহাদ হোসেন আজাদ
মন্ত্রণালয়: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়
৮. মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট)
মন্ত্রণালয়: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
৯. মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন
মন্ত্রণালয়: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
১০. হাবিবুর রশিদ
মন্ত্রণালয়: সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
১১. মো. রাজিব আহসান
মন্ত্রণালয়: রেলপথ মন্ত্রণালয়; নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়
১২. মোঃ আব্দুল বারী
মন্ত্রণালয়: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
১৩. মীর শাহে আলম
মন্ত্রণালয়: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
১৪. মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি
মন্ত্রণালয়: অর্থ মন্ত্রণালয়; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
১৫. ইশরাক হোসেন
মন্ত্রণালয়: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
১৬. ফারজানা শারমীন
মন্ত্রণালয়: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
১৭. শেখ ফরিদুল ইসলাম
মন্ত্রণালয়: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
১৮. মো. নুরুল হক নুর
মন্ত্রণালয়: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
১৯. ইয়াসের খান চৌধুরী
মন্ত্রণালয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
২০. এম ইকবাল হোসেইন
মন্ত্রণালয়: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
২১. এম এ মুহিত
মন্ত্রণালয়: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
২২. আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর
মন্ত্রণালয়: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
২৩. ববি হাজ্জাজ
মন্ত্রণালয়: শিক্ষা মন্ত্রণালয়; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
২৪. আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম
মন্ত্রণালয়: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়

ঢাকা জেলাবাসী ঢাকা জেলার মন্ত্রী চায়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়েছে। নতুন এই মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হওয়া অনেকেই জায়গা পেয়েছেন। ৫০ জনের ৪০ জনই নতুন।

কিন্তু দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত গয়েশ্বর রায়, আমানউল্লাহ আমান, দেওয়ান সালাহউদ্দিন বাবুসহ ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। সবার প্রত্যাশা খন্দকার আবু আশফাকসহ গয়েশ্বর রায়, আমানউল্লাহ আমান মন্ত্রীসভায় স্থান পাবেন। খন্দকার আবু আশফাকের জন্য ঢাকা -১ বাসী নতুন প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের নিকট সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

ঢাকা জেলার দোহার, নবাবগঞ্জ, সাভার, কেরাণিগঞ্জ ও ধামরাইয়ে অতীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের বেশির ভাগ সময় জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অতীতে নাজমুল হুদা, আবদুল মান্নানসহ অনেকেই ঢাকা জেলা থেকে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু এবার ঢাকা জেলার পাঁচটি আসনে জয়ী হওয়ার পরও বিএনপির কেউ মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।

নবাবগঞ্জের সন্তান ড. খলিলুর রহমান: অর্থনীতিবিদ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার কাইলাইল ইউনিয়নের পাড়াগ্রামে জন্ম নেওয়া ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

জন্ম ও শিকড়:
ড. খলিলুর রহমান নবাবগঞ্জ উপজেলার কাইলাইল ইউনিয়নের পাড়াগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মেধা, অধ্যবসায় ও পেশাগত অর্জনের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

একাডেমিক রেকর্ড:
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নিয়মিত বিসিএস পরীক্ষা (১৯৭৭)–এ প্রথম স্থান অর্জনের কথাও বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের Fletcher School থেকে আইন ও কূটনীতিতে এমএ এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।

কূটনৈতিক ও পেশাগত পথচলা:
ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে কাজসহ আন্তর্জাতিক পরিসরে নানা দায়িত্ব পালন করেছেন—এমন তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি তিনি দেশের উচ্চশিক্ষা খাতেও যুক্ত ছিলেন—বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে সম্পৃক্ততার কথাও বিভিন্ন বর্ণনায় আসে (এ অংশগুলো সাধারণ পরিচিতিমূলক তথ্য হিসেবে ব্যবহৃত)।

সাম্প্রতিক দায়িত্ব: রোহিঙ্গা প্রতিনিধি থেকে এনএসএ:
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি রোহিঙ্গা সংকট ও অগ্রাধিকার বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে ১৯ নভেম্বর ২০২৪-এ নিয়োগ পান। এরপর ৯ এপ্রিল ২০২৫-এ তাকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) হিসেবে পুনর্নিয়োগ/পুনর্নির্ধারণ করা হয় এবং একই সঙ্গে রোহিঙ্গা বিষয়ক দায়িত্ব বহাল থাকে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে অভিষেক (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬):
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ গঠিত নতুন মন্ত্রিসভায় ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও ওইদিনের শপথ ও মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের মধ্যে তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঢাকা–১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা

ঢাকা–১ (দোহার–নবাবগঞ্জ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খন্দকার আবু আশফাকের নির্বাচনী সফরসঙ্গী নাহিদ হাসানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নেতাকর্মীরা বলেন, এলাকার উন্নয়ন, জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং তরুণদের কর্মসংস্থানে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশাই তাদের।

সংক্ষিপ্ত এ আয়োজনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে নবনির্বাচিত প্রতিনিধির প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস ব্যক্ত করেন তারা।

যারা হচ্ছেন নতুন সরকারের মন্ত্রী

0

ডেস্ক রিপোর্ট: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করে শীঘ্রই সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১৬ ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন প্রধান বিচারপতি। এরপর ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার হাল ধরবেন তারেক রহমান। শোনা যাচ্ছে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুর সরকারের শপথ হতে পারে।

সুত্র জানায়, রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালনে এবার অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের পাশাপাশি একঝাঁক তরুণ ও মেধাবী মুখকে সামনে আনার পরিকল্পনা করছেন তারেক রহমান। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় যেমন— স্বরাষ্ট্র, আইন, অর্থ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন এমন সম্ভাব্য কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সিনিয়র নেতাদের নাম অবধারিতভাবেই আলোচনায় রয়েছে। সাবেক মন্ত্রী ও অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ানদের মধ্যে যারা বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তাদের বড় একটি অংশ মন্ত্রিসভায় ডাক পেতে পারেন। বিশেষ করে এবার বিজয়ী উচ্চশিক্ষিত ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী ৭ জনের মধ্যে কয়েকজন আলোচনায় আছেন।

বিএনপি’র দলীয় উচ্চ পর্যায়ের সূত্র বলছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে ডাক পেতে যাচ্ছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির। তিনি বিএনপির চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন পরে তাকে কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক বিষয়ক) করা হয়। দলটির বৈশ্বিক সম্পর্ক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন তিনি। অর্থমন্ত্রী পদে নাম আছে ড. রেজা কিবরিয়ার। তিনি একজন বিশ্বমানের অর্থনীতিবিদ এবং নীতিনির্ধারক। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এ একজন জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ২০০১-২০০৪ মেয়াদে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য হলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম আছে। তিনি বিএনপির ইতিহাসে দীর্ঘ সময় ধরে মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। দলের কঠিন সময়ে নেতৃত্ব এবং নীতিনির্ধারণে তার ভূমিকা ছিল। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আইন মন্ত্রণালয়ে ডাক পেতে যাচ্ছেন মো. আসাদুজ্জামান। তিনি সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এবং সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল। আইনি ব্যাখ্যা ও সংবিধান বিশ্লেষণে তার অগাধ পাণ্ডিত্য রয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে সালাউদ্দিন আহমেদ। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় তিনি যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

এদের মধ্যে কেবল হুমায়ুন কবির টেকনোক্র্যাট কোটায়। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মির্জা আব্বাস ও টেকনোক্র্যাট কোটায় ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসিম আলোচনায় আছেন।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ তথ্য মন্ত্রণালয় পেতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।

এ পর্যন্ত বিএনপির হাইকমান্ড থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী মন্ত্রীত্বের জন্য আরো ডাক পেতে যাচ্ছেন নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান (টেকনোক্রেট) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, আন্দালিব রহমান পার্থ, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, শামা ওবায়েদ, জহির উদ্দিন স্বপন, হাবিবুন নবী খান সোহেল (টেকনোক্র্যাট) , ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল, নওশাদ জমির, মীর হেলাল, আসাদুল হাবিব দুলু , রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মো. শরীফুল আলম।

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি শপথবাক্য পাঠ করাতে পারেন তিনি। জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফল ‘সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত’ হতে হবে এবং এরপর ‘তিন দিনের মধ্যে’ নির্বাচিতদের শপথ গ্রহণ হবে। যেহেতু শুক্রবার রাতেই সরকারি গেজেট প্রকাশিত হয়েছে সেহেতু ১৫ অথবা ১৬ ফেব্রুয়ারি শপথ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে নতুন সংসদ ও নতুন সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতিও পরিবর্তন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে এক নম্বরে রাখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেকরা। অপরদিকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে যদি রাষ্ট্রপতির পদে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে সালাহউদ্দিন আহমেদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় পেতে পারেন।

এদিকে অন্য একটি সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে কিছু নাম পাওয়া গেছে। তবে সব কিছু নির্ভর করছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও দলীয় চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের ওপর।

সূত্র জানায়, মন্ত্রী হিসেবে সম্ভাব্য তালিকায় যারা আছেন তারা হলেন- স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (তার নাম রাষ্ট্রপতির তালিকায়ও আছে) আইন বিষয়ক মন্ত্রণালয়: সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আইনজীবী আসাদুজ্জামান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ মন্ত্রণালয়: ড. রেজা কিবরিয়া।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়: সালাউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়: আব্দুল আউয়াল মিন্টু, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়: শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়: আ ন ম এহছানুল হক মিলন (২০০১-২০০৬ শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এখানে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুকের নামও আছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়: শামা ওবায়েদ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়: ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, তথ্য মন্ত্রণালয়: অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী (টেকনোক্রেট), যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়: বরকত উল্লাহ বুলু/ আলী আসগর লবি/ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: মির্জা আব্বাস (২০০১-২০০৬ এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছিলেন) কৃষি মন্ত্রণালয়: আন্দালিব রহমান পার্থ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়: ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহমিনা রুশদির লুনা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: আমান উল্লাহ আমান (এই মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন), ধর্ম মন্ত্রণালয়: শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: অ্যাড. ফজলুর রহমান, সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: রাষ্ট্রপতি পদ না পেলে ড. আব্দুল মঈন খান এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন। চীফ হুইফ: জয়নাল আবেদিন ফারুক (সাবেক বিরোধী দলের চিফ হুইপ) এবং হুইপ: আশরাফ উদ্দিন নিজান (সাবেক হুইপ) হুইপ পদে আরও কয়েকজন থাকবেন।

সবকিছু নির্ভর করছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর। কারণ তিনিই হবেন এই মন্ত্রিপরিষদের প্রধানমন্ত্রী। আর প্রধানমন্ত্রী যে কাউকে যেকোনো মন্ত্রণালয় দিতে পারেন।

আজ পহেলা ফাল্গুন, বসন্তের প্রথম দিন

0

শীতের রিক্ততা ভুলিয়ে আবহমান বাংলার প্রকৃতিতে এসেছে ফাগুনের ছোঁয়া, আগুনরাঙা বসন্তের সুর। গাছে গাছে ফুটছে লাল পলাশ ফুল। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, গাছের ডালে ডালে যেন লেগেছে আগুন। দখিনা বাতাস আর নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার মধ্যে ঋতুরাজ বসন্তের আগমন ঘটল আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এর সাথে সাথে আমাদের মাঝে শুকনো পাতায় ভর করে এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত। বাসন্তী ফুলের পরশ আর সৌরভে কেটে যাবে শীতের জরাজীর্ণতা।

এদিন বিশেষ করে তরুণীরা বাসন্তি রঙের শাড়ি আর মাথায় হলুদ ফুল দিয়ে নিজেরদের নুতন করে সাজিয়ে তোলে। অন্যদিকে ছেলেরা সাজে হলুদ রঙের পাঞ্জাবিতে। গ্রাম-বাংলায় বিশেষ আয়োজনে চলে পিঠা উৎসব। আর শহরে এটি পায় বিশেষ আনুষ্ঠানিকতা।

বসন্ত ঋতু লুকিয়ে আছে ফাল্গুন ও চৈত্র মাসের ভিতর। তবে অনুভবের জায়গা থেকে বলতে গেলে শুধু ফাল্গুন মাসের কথাই বলতে হবে। বাংলা বছর গণনায় ফাল্গুন ১১তম মাস হলেও কালের আবর্তনে এবং ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এটি শুধু একটি মাসের নামের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

পৃথিবী সূর্যের দিকে ঢলে পড়ে বলেই শীত তার ইতিটানতে বাধ্য হয়। এই সময়টাতে প্রাণিকুলের প্রজননের মোক্ষম সময়। পৃথিবীজুড়ে নুতন নুতন প্রাণের সঞ্চার হতে থাকে। তারা প্রকৃতির সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির পাশাপাশি টিকিয়ে রাখে পরিবেশ ও প্রতিবেশ।

এই ফাল্গুন মাসকে নিয়ে আমাদের লোক গানের পাশাপাশি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় রয়েছে নানা রচনা। যেমন বাউল সুরে গাওয়া হয় নারী হয় লজ্জাতে লাল, ফাল্গুনে লাল শিমুল বন, এ কোন রঙে রঙিন হলো বাউল মন..মন রে….এ কোন রঙে রঙিন হলো বাউল মন।