এক প্যাকেট মিষ্টি আর একটি প্রতারণার গল্প: বাকপ্রতিবন্ধী রাহিমার সবটুকু কেড়ে নিল আপনজনরাই

নিজস্ব প্রতিবেদক, দোহার (ঢাকা) | ২ এপ্রিল, ২০২৬
বিধাতা তার কণ্ঠ থেকে শব্দ কেড়ে নিয়েছেন, শ্রবণেন্দ্রিয় ডুবিয়ে দিয়েছেন এক গভীর নীরবতায়। কিন্তু হৃদয়ের যে ভাষা আর চোখের যে আকুতি—তা বোঝার ক্ষমতা কি এই সমাজের আছে? ঢাকার দোহারের দক্ষিণ জয়পাড়া এলাকার বাকপ্রতিবন্ধী রাহিমা বেগম কোনোদিন কল্পনাও করেননি যে, তার সেই নীরবতার সুযোগ নিয়ে তার বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়টুকু কেড়ে নেবে তার নিজের জন্মদাতা ভাই আর জীবনসঙ্গী।

মিষ্টির প্যাকেটে মোড়ানো বিষাদের ছোয়া। দিনটি ছিল গত ৯ ফেব্রুয়ারি। রাহিমার তিন ভাই নুরুল, সিরাজুল আর জার্মান প্রবাসী সাইদুল। সকালে যখন দুই ভাই নুরুল এবং সিরাজুল এসে বোনকে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে নিয়ে যাচ্ছিলেন, রাহিমা হয়তো ভেবেছিলেন আপন রক্তের টানে ভাইয়েরা তাকে একটু সঙ্গ দিতে এসেছেন। বিকেলে যখন বাড়ি ফিরলেন, রাহিমার হাতে ছিল এক প্যাকেট মিষ্টি।
সন্তানরা যখন ইশারায় জিজ্ঞেস করলেন, “মা, কিসের মিষ্টি?”—রাহিমা তখন হাসি মুখে হাতের আঙুলের টিপসই দেখিয়ে বোঝাতে চাইলেন, কোনো এক কাগজে সই দিয়ে এসেছেন তিনি। সেই মুহূর্তের সেই হাসিটি ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি। তিনি জানতেন না, ওই আনন্দময় মিষ্টির প্যাকেটের আড়ালে লুকিয়ে ছিল তার নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু কেড়ে নেওয়ার এক নিষ্ঠুর নীল নকশা।

যখন রক্ষকই ভক্ষক হয় এবং সেই ভক্ষক হয় যদি আপনজন, তাহলে সেই মর্মযন্ত্রণা আজ সীমাহীন।
রাহিমার ছেলে ফয়সাল রনি আজ দিশেহারা। আক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, “আমার মা কথা বলতে পারেন না, শুনতেও পান না। বাবা আরেকটা বিয়ে করে আলাদা থাকেন। আমার তিন মামা বাবাকে হাত করে আর খালার সহযোগিতায় মায়ের ৩.২৫ শতাংশ জমি আত্মসাৎ করেছেন। আমরা কিছুই জানতে পারলাম না। আমার মা জানতেনও না যে তিনি ভূমিহীন হয়ে গেছেন।”

পারিবারিক সম্মতির দোহাই দিয়ে ভাই নুরুল ইসলাম দাবি করছেন, সব নিয়ম মেনেই জমি নেওয়া হয়েছে। অথচ খোদ রাহিমা বেগমের ইশারা বলছে অন্য কথা। তার চোখের জল আর হাতের আঙুল বারবার ইশারায় বলছে—তাকে দিয়ে সই নেওয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এর বিনিময়ে তার সবটুকু চলে যাবে, তা তিনি বুঝতে পারেননি।

আইনের ফাঁক নাকি মানবিকতার মৃত্যু? এই প্রশ্ন আজ জনমনে। সাধারণত বাকপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির জমি রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে কঠোর আইনি বিধান থাকলেও, এই ঘটনায় ‘প্রতিবন্ধী কার্ড’ ব্যবহারের এক অদ্ভুত যুক্তি সামনে এনেছেন সংশ্লিষ্টরা। সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দাবি, প্রতিবন্ধী কার্ড থাকলেই দলিল করা সম্ভব। কিন্তু একজন মানুষ যে তার জমি হস্তান্তরের পরিণাম বুঝতে পারছেন কি না, তা যাচাইয়ের নৈতিক দায়ভার কি রাষ্ট্র বা প্রশাসনের নেই?

রাহিমার বোন রজিফা আক্তার স্বীকার করেছেন, ভাইয়েরা তাদের ‘খুশি’ করেছে এবং রাহিমার ভাগের টাকা এখনো তার কাছেই জমা আছে। প্রশ্ন জাগে, যে জমির মালিক রাহিমা, সেই টাকা বোনের কাছে কেন? কেনই বা তার সন্তানদের অন্ধকার রাখা হলো?

প্রশাসনের দুয়ারে এক নীরব আর্তনাদ রহিমা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাহিমা বেগম ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন। তার দু’চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়া জল যেন সমাজের বিবেককে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে। তিনি আদালতে যাওয়ার ভাষা জানেন না, আইনি প্যাঁচ বোঝেন না। তিনি শুধু বোঝেন, তার বাবার দেওয়া সেই ভিটেটুকু আজ আর তার নেই।
প্রশাসনের কাছে সন্তানদের এখন একটাই আকুতি—তদন্তের মাধ্যমে এই জালিয়াতি চক্রের বিচার হোক। বাকপ্রতিবন্ধী এক মায়ের নীরব কান্না কি পৌঁছাবে ক্ষমতার কান পর্যন্ত? নাকি প্রভাবশালী ভাইদের চক্রান্তে একদিন নিঃস্ব হয়েই পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হবে অভাগী এই নারীকে? এই প্রতিবেদককে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন জার্মান প্রবাসী সাইদুল।

দোহারের আকাশ-বাতাস আজ রাহিমার সেই অব্যক্ত যন্ত্রণায় ভারাক্রান্ত। বিচার কি মিলবে?

জন্মদাতা-সহোদরই যখন সর্বনাশের কারণ—নীরব আর্তনাদে ভেঙে পড়ছে রাহিমার জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, দোহার (ঢাকা) ২ এপ্রিল, ২০২৬
জন্মের পর থেকেই তিনি শব্দহীন এক পৃথিবীতে বসবাস করছেন। না বলতে পারেন, না শুনতে পান। কিন্তু জীবনের এই নীরবতাই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল তার জন্য। যে ভাইদের কাঁধে ভর করে বড় হয়েছেন, যে স্বামীকে জীবনের ভরসা ভেবেছিলেন—তারাই আজ কেড়ে নিয়েছে তার শেষ আশ্রয়টুকু।
ঢাকার দোহারের দক্ষিণ জয়পাড়া গাংপার এলাকার বাসিন্দা বাকপ্রতিবন্ধী রাহিমা বেগম এখন এক জীবন্ত ট্র্যাজেডির নাম। অভিযোগ উঠেছে—তারই তিন আপন ভাই এবং স্বামী কৌশলে তার ৩.২৫ শতাংশ পৈত্রিক জমি হাতিয়ে নিয়েছেন। যে জমিই ছিল তার মাথা গোঁজার শেষ ঠিকানা।

মিষ্টির প্যাকেটে লুকানো প্রতারণা
ঘটনাটি ঘটে গত ৯ ফেব্রুয়ারি। সেদিন সকালে ভাইয়েরা আসেন হাতে এক প্যাকেট মিষ্টি নিয়ে। পরিবারের সদস্যরা ভেবেছিলেন—হয়তো কোনো সুখবর আছে।
কিন্তু না—সেই মিষ্টির আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক নির্মম প্রতারণা।
ইশারায় রাহিমা বোঝাতে চেষ্টা করেন—তার আঙুলের টিপসই নেওয়া হয়েছে কিছু কাগজে। কিন্তু তিনি বুঝতেই পারেননি, সেই টিপসই মানে তার জীবনের শেষ সম্বলটুকু হারানো।

সন্তানদের চোখে মায়ের নিঃশব্দ কান্না
রাহিমার ছেলে ফয়সাল রনি কাঁপা কণ্ঠে বলেন—“আমার মা কথা বলতে পারেন না, শুনতেও পান না। এই সুযোগটাই নিয়েছে সবাই। আমরা কিছুই জানতাম না। আমার বাবাও আরেকটা বিয়ে করে আলাদা থাকে। এখন আমার মা নিঃস্ব।”
তিনি জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে তারা জানতে পারেন—মায়ের অজান্তেই জমিটি রেজিস্ট্রি করে ফেলা হয়েছে।
আজ সন্তানদের সবচেয়ে বড় কষ্ট—মা কাঁদছেন, কিন্তু তার কান্নার ভাষা নেই। আর তারা অসহায়ের মতো সেই কান্না দেখেই যাচ্ছেন।

আইনি প্রশ্নে জটিলতা, ন্যায়বিচার অনিশ্চিত
আইনজীবীদের মতে, একজন বাকপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা এবং নিশ্চিত সম্মতি প্রয়োজন। কিন্তু এই ঘটনায় সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কিনা—তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
অন্যদিকে সাবরেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানানো হয়েছে—প্রতিবন্ধী কার্ড থাকলে দলিল করা সম্ভব। তবে এখন যদি প্রতারণার অভিযোগ ওঠে, তাহলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া উপায় নেই—যা সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং একজন অসহায় পরিবারের জন্য প্রায় অসম্ভব এক লড়াই।

নীরব চোখের জল—সমাজের বিবেকের সামনে প্রশ্ন
সরেজমিনে দেখা যায়—রাহিমা বেগম বারবার তার আঙুল দেখিয়ে বোঝাতে চান, কীভাবে তাকে দিয়ে সই নেওয়া হয়েছে। তার চোখ বেয়ে ঝরে পড়া অশ্রু যেন ভাষাহীন এক আর্তনাদ—“আমি জানতাম না… আমার সব নিয়ে যাবে…”
তার এই নীরব কান্না শুধু একটি পরিবারের নয়, বরং পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দেয়।

অভিযোগ ও পাল্টা দাবি—সত্য কোথায়?
অভিযুক্তরা এটিকে “পারিবারিক সমঝোতা” বলে দাবি করলেও, কেন রাহিমা বা তার সন্তানরা কিছু জানলেন না—তার সঠিক উত্তর মেলেনি।
রাহিমার বোন দাবি করেছেন—সবাই সম্মত ছিল এবং টাকা লেনদেন হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—রাহিমা নিজেই বলছেন, তিনি জমি দেননি।

প্রশাসনের কাছে আকুতি—ফিরে পাবে কি ন্যায্য অধিকার?
এখন রাহিমার সন্তানরা দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন—মায়ের অধিকার ফিরিয়ে আনার আশায়।তাদের একটাই দাবি—“সুষ্ঠু তদন্ত হোক, মায়ের জমি ফেরত চাই।”

শেষ প্রশ্ন
একজন বাকপ্রতিবন্ধী মায়ের নীরব কান্না—এটা কি শুধুই একটি পারিবারিক ঘটনা?নাকি এটি আমাদের সমাজের এক নির্মম প্রতিচ্ছবি?
রাহিমার চোখের জল কি পৌঁছাবে প্রশাসনের কানে?নাকি নীরবতার আড়ালেই চাপা পড়ে যাবে এক অসহায় মায়ের অধিকার?

এক প্যাকেট মিষ্টি আর একটি প্রতারণার গল্প: বাকপ্রতিবন্ধী রাহিমার সবটুকু কেড়ে নিল আপনজনরাই

নিজস্ব প্রতিবেদক, দোহার (ঢাকা) | ১১ মার্চ, ২০২৬
বিধাতা তার কণ্ঠ থেকে শব্দ কেড়ে নিয়েছেন, শ্রবণেন্দ্রিয় ডুবিয়ে দিয়েছেন এক গভীর নীরবতায়। কিন্তু হৃদয়ের যে ভাষা আর চোখের যে আকুতি—তা বোঝার ক্ষমতা কি এই সমাজের আছে? ঢাকার দোহারের দক্ষিণ জয়পাড়া এলাকার বাকপ্রতিবন্ধী রাহিমা বেগম কোনোদিন কল্পনাও করেননি যে, তার সেই নীরবতার সুযোগ নিয়ে তার বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়টুকু কেড়ে নেবে তার নিজের জন্মদাতা ভাই আর জীবনসঙ্গী।

মিষ্টির প্যাকেটে মোড়ানো বিষাদের ছোয়া। দিনটি ছিল গত ৯ ফেব্রুয়ারি। রাহিমার তিন ভাই নুরুল, সিরাজুল আর জার্মান প্রবাসী সাইদুল। সকালে যখন দুই ভাই নুরুল এবং সিরাজুল এসে বোনকে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে নিয়ে যাচ্ছিলেন, রাহিমা হয়তো ভেবেছিলেন আপন রক্তের টানে ভাইয়েরা তাকে একটু সঙ্গ দিতে এসেছেন। বিকেলে যখন বাড়ি ফিরলেন, রাহিমার হাতে ছিল এক প্যাকেট মিষ্টি।
সন্তানরা যখন ইশারায় জিজ্ঞেস করলেন, “মা, কিসের মিষ্টি?”—রাহিমা তখন হাসি মুখে হাতের আঙুলের টিপসই দেখিয়ে বোঝাতে চাইলেন, কোনো এক কাগজে সই দিয়ে এসেছেন তিনি। সেই মুহূর্তের সেই হাসিটি ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি। তিনি জানতেন না, ওই আনন্দময় মিষ্টির প্যাকেটের আড়ালে লুকিয়ে ছিল তার নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু কেড়ে নেওয়ার এক নিষ্ঠুর নীল নকশা।

যখন রক্ষকই ভক্ষক হয় এবং সেই ভক্ষক হয় যদি আপনজন, তাহলে সেই মর্মযন্ত্রণা আজ সীমাহীন।
রাহিমার ছেলে ফয়সাল রনি আজ দিশেহারা। আক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, “আমার মা কথা বলতে পারেন না, শুনতেও পান না। বাবা আরেকটা বিয়ে করে আলাদা থাকেন। আমার তিন মামা বাবাকে হাত করে আর খালার সহযোগিতায় মায়ের ৩.২৫ শতাংশ জমি আত্মসাৎ করেছেন। আমরা কিছুই জানতে পারলাম না। আমার মা জানতেনও না যে তিনি ভূমিহীন হয়ে গেছেন।”

পারিবারিক সম্মতির দোহাই দিয়ে ভাই নুরুল ইসলাম দাবি করছেন, সব নিয়ম মেনেই জমি নেওয়া হয়েছে। অথচ খোদ রাহিমা বেগমের ইশারা বলছে অন্য কথা। তার চোখের জল আর হাতের আঙুল বারবার ইশারায় বলছে—তাকে দিয়ে সই নেওয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এর বিনিময়ে তার সবটুকু চলে যাবে, তা তিনি বুঝতে পারেননি।

আইনের ফাঁক নাকি মানবিকতার মৃত্যু? এই প্রশ্ন আজ জনমনে। সাধারণত বাকপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির জমি রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে কঠোর আইনি বিধান থাকলেও, এই ঘটনায় ‘প্রতিবন্ধী কার্ড’ ব্যবহারের এক অদ্ভুত যুক্তি সামনে এনেছেন সংশ্লিষ্টরা। সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দাবি, প্রতিবন্ধী কার্ড থাকলেই দলিল করা সম্ভব। কিন্তু একজন মানুষ যে তার জমি হস্তান্তরের পরিণাম বুঝতে পারছেন কি না, তা যাচাইয়ের নৈতিক দায়ভার কি রাষ্ট্র বা প্রশাসনের নেই?

রাহিমার বোন রজিফা আক্তার স্বীকার করেছেন, ভাইয়েরা তাদের ‘খুশি’ করেছে এবং রাহিমার ভাগের টাকা এখনো তার কাছেই জমা আছে। প্রশ্ন জাগে, যে জমির মালিক রাহিমা, সেই টাকা বোনের কাছে কেন? কেনই বা তার সন্তানদের অন্ধকার রাখা হলো?

প্রশাসনের দুয়ারে এক নীরব আর্তনাদ রহিমা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাহিমা বেগম ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন। তার দু’চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়া জল যেন সমাজের বিবেককে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে। তিনি আদালতে যাওয়ার ভাষা জানেন না, আইনি প্যাঁচ বোঝেন না। তিনি শুধু বোঝেন, তার বাবার দেওয়া সেই ভিটেটুকু আজ আর তার নেই।
প্রশাসনের কাছে সন্তানদের এখন একটাই আকুতি—তদন্তের মাধ্যমে এই জালিয়াতি চক্রের বিচার হোক। বাকপ্রতিবন্ধী এক মায়ের নীরব কান্না কি পৌঁছাবে ক্ষমতার কান পর্যন্ত? নাকি প্রভাবশালী ভাইদের চক্রান্তে একদিন নিঃস্ব হয়েই পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হবে অভাগী এই নারীকে? এই প্রতিবেদককে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন জার্মান প্রবাসী সাইদুল।

দোহারের আকাশ-বাতাস আজ রাহিমার সেই অব্যক্ত যন্ত্রণায় ভারাক্রান্ত। বিচার কি মিলবে?

মেঘুলায় অবৈধ তেলের মজুদ: ব্যবসায়ীকে ৭ দিনের কারাদণ্ড

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলার মেঘুলা বাজারে অবৈধভাবে তেল মজুদ রাখার অভিযোগে মো. করিম মন্ডল নামে এক ব্যবসায়ীকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে দোহার উপজেলার মেঘুলা কবি নজরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসফিক সিবগাত উল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালতে দোহার থানা পুলিশের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী অবৈধভাবে তেল মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার চেষ্টা করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এ অপরাধের প্রমাণ পাওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে দণ্ড প্রদান করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসফিক সিবগাত উল্লাহ জানান, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

দোহারে ১৩৮ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

জিএন মাহমুদ: নিজস্ব প্রতিবেদক, দোহার ঢাকার দোহার উপজেলায় ১৩৮ পিস ইয়াবাসহ একটি মাদকচক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১০)। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে এক নারীও রয়েছেন।

শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের শান্তিনগর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১০-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার।

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়:
মোঃ রানা বেপারী (২৩): মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার মধ্য বাঘড়া গ্রামের মোঃ মামুন বেপারীর ছেলে।

মোঃ সজীব বেপারী (২৩): শ্রীনগরের বানিয়াবাড়ি চল্লিশঘর গ্রামের মোঃ আনু বেপারীর ছেলে।

মোঃ বিজয় সিকদার (১৯): একই গ্রামের মোঃ নান্নু সিকদারের ছেলে।

মোছাঃ নুরজাহান বেগম (২২): দোহারের মুকসুদপুর শান্তিনগর গ্রামের আনোয়ার সরদারের স্ত্রী।

অভিযানের বিবরণ
র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০, সিপিসি-২ (শ্রীনগর ক্যাম্প)-এর একটি আভিযানিক দল শান্তিনগর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ওই চারজনকে আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ১৩৮ পিস ইয়াবা এবং মাদক বিক্রির নগদ ১৫ হাজার ৪৪০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন যে, তারা একটি সংঘবদ্ধ মাদকচক্রের সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে দোহার ও শ্রীনগরসহ আশেপাশের এলাকায় মাদক সরবরাহ করে আসছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।

দোহারে “গুড নেইবারস বাংলাদেশ”-এর উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

News39.net: গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর দোহার কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (সিডিপি) উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২৬ মার্চ প্রকল্প প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে মোট ৭১ জন অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম করম আলী, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শিলা, দোহার সিডিপির প্রজেক্ট ম্যানেজার বিমল গোলদার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (প্রোগ্রাম) উৎসব বৈরাগী। এছাড়াও শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক, অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। এরপর একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে জাতীয় ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেন।

আলোচনা সভায় দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস ও গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেন।

পরবর্তীতে দেশাত্মবোধক গান ও আবৃত্তির মাধ্যমে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এতে শিক্ষার্থীরা বক্তব্য, কবিতা আবৃত্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে।

সবশেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

জয়পাড়া বাণিজ্যিক মার্কেট পরিদর্শনে এমপি খন্দকার আবু আশফাক

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাণিজ্যিক মার্কেট পরিদর্শন করেছেন। পণ্যমূল্য সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি এই পরিদর্শনে যান।

জানা যায়, তিন দিন আগে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির অভিযোগে ‘সামিয়া ফ্যাশন’ নামের একটি দোকানে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় কিছু দোকান মালিক স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। বিষয়টি জানার পর এমপি আশফাক ঘটনাস্থলসহ আশপাশের কয়েকটি মার্কেট ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে তিনি কাজী মার্কেট, চৌধুরী প্লাজাসহ বিভিন্ন দোকানে গিয়ে পণ্যের দাম ও মান যাচাই করেন। ব্যবসায়ীদের ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং ক্রেতাদের সঙ্গে সদাচরণ করার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ক্রেতারা এমপির এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, জনপ্রতিনিধির এ ধরনের সক্রিয় ভূমিকা বাজার ব্যবস্থায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে। ক্রেতা মুশফিকুর রহমান বলেন, “জনগণের পাশে থেকে কাজ করায় এমপি আশফাক আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। তার এ উদ্যোগ একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

এমপি আবু আশফাক বলেন, “জনগণের দুর্ভোগ বাড়ে এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া যাবে না। পণ্যের মান ও মূল্যের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকতে হবে।” তিনি আরও বলেন, ঈদকে সামনে রেখে বাজারে যেন কোনো ধরনের অনিয়ম, চাঁদাবাজি বা বিশৃঙ্খলা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসন ও বণিক সমিতিকে সতর্ক থাকতে হবে।

পরিদর্শন শেষে তিনি বাজারের ব্যবসায়ীদের আগাম ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং দোহার-নবাবগঞ্জে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে নিজের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়

ইফতারের আগে নবাবগঞ্জের কলাকোপায় নিজ বাসভবনে দোহার ও নবাবগঞ্জের গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এমপি আশফাক। এ সময় প্রায় ৬০ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। তিনি সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা কামনা করেন।

এমপি বলেন, “সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো কাজ কেউ করলে, সে দলের হোক বা বাইরের—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।” তিনি মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের ঘোষণা দেন।

ঈদ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা এমপির

ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক ঈদকে সামনে রেখে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেছেন।

বুধবার বিকেলে দোহার উপজেলা–র কলাকোপায় তার নিজ বাসভবনের প্রাঙ্গণে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা–এ কর্মরত বিভিন্ন টেলিভিশন, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন। পাশাপাশি নবাবগঞ্জ প্রেস ক্লাব ও দোহার প্রেস ক্লাবের সদস্য এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে খন্দকার আবু আশফাক মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে বলেন, সমাজকে সুস্থ রাখতে হলে মাদকের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রশাসনের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা দেখা দিলে তিনি নিজেই সরাসরি অভিযানে নামবেন।

এ সময় তিনি নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

ইটভাটার শ্রমিকদের সন্তানদের নিয়ে ‘মেহেদী উৎসব’—বর্ণমালা বিদ্যালয়ে আনন্দের দিন

ইটভাটায় কাজ করা শ্রমিকদের অসহায় ও নিরক্ষর সন্তানদের শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে গড়ে ওঠা ‘বর্ণমালা বিদ্যালয়’-এ ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আনন্দঘন ‘মেহেদী উৎসব’। গতকাল ১৮ মার্চ, বুধবার একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবীর উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে মেহেদী দিয়ে দিনটি রঙিন করে তোলা হয়।

উৎসবে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা। স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের হাতে নান্দনিক নকশায় মেহেদী এঁকে দেয়, যা শিশুদের মাঝে ভিন্নধর্মী উচ্ছ্বাস ও আনন্দের সৃষ্টি করে। অনেক শিশুই প্রথমবারের মতো এমন আয়োজনের অভিজ্ঞতা পায়, ফলে তাদের মুখে ফুটে ওঠে খুশির হাসি।

আয়োজকরা জানান, শুধু পড়াশোনাই নয়, শিশুদের মানসিক বিকাশ ও আনন্দ দেওয়ার লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। তারা বলেন, “এই শিশুরা সমাজের অবহেলিত অংশ। তাদের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য।”

স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং তাদের শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

উল্লেখ্য, ‘বর্ণমালা বিদ্যালয়’ দীর্ঘদিন ধরে ইটভাটার শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

নারিশায় ‘মানবতার সেবায় আমরা ২০২০’-এর ৮ম বার্ষিক ঈদ সামগ্রী বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, দোহার (ঢাকা): ঢাকার দোহার উপজেলার নারিশা পশ্চিম চরের একদল স্বপ্নবাজ তরুণের সেবামূলক সংগঠন ‘মানবতার সেবায় আমরা ২০২০’-এর উদ্যোগে ৮ম বার্ষিক ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

গত ১৭ রমজান দিবাগত রাতে স্থানীয় ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় অর্ধশতাধিক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে এই উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।

সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে নীরবে এলাকায় বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নেওয়া হয় এই বিশেষ উদ্যোগ। রাতের নিরবতায় ঘরে ঘরে গিয়ে উপহার পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সংগঠনটি মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

বিতরণকৃত ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল পোলাও চাল, সয়াবিন তেল, চিনি, লাচ্ছি সেমাই, বাংলা সেমাই, গুঁড়ো দুধ, নুডলস ও পেঁয়াজ।

উপহার সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সোহেল বেপারী, সাংগঠনিক সম্পাদক সজীব বাদশা, কার্যনির্বাহী সদস্য আশরাফুল ও সাইফসহ অন্যান্য সদস্যরা।

এ সময় সংগঠনের সভাপতি সোহেল বেপারী বলেন,

“আমরা একঝাঁক তরুণ একটি মানবিক সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখি। প্রতি বছরের মতো এবারও আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

সংগঠনটির ধারাবাহিক মানবিক কর্মকাণ্ডে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি হয়েছে এবং তাদের এই উদ্যোগকে সবাই প্রশংসা করেছেন।