দোহারে ১৭ ও ২৬ শে মার্চ উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহার উপজেলায় ১৭ মার্চ  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শত-বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ২০২১ উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা দোহার উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সোমবার ৮ই মার্চ দুপুরে দোহার উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা নিবার্হী অফিসার এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা টি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠান শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শত-বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস কি করে সুন্দর ও সাফল্য মন্ডিত করা যায় সে লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোকপাত করা হয়। এ সময় সহকারী কমিশনার ভূমি জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুজাহার বেপারী, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক সভাপতি রজ্জব আলী মোল্লা,  ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.ফজলুল হক, দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মো জসিমউদ্দীন, জয়পাড়া কলেজ অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য সুরুজ আলম সুরুজ, কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ, মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ হান্নান,  দোহার থানা এসআই নয়ন মিয়া, দোহার উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার রাহিমা বেগম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার  মোঃ রকিব হাসান, আনসার ভিডিপির অফিসার সালেহা বেগম।

এন মল্লিক ও আরামের চাপায় মেয়ের সামনে মা নিহত

ঢাকার গুলিস্তানে দোহারের আরাম পরিবহন ও নবাবগঞ্জের এন মল্লিক পরিবহনের দুই বাসের চাপায় পারভীন বেগম নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। রবিবার দুপুর ১টার দিকে গুলিস্তানে মাজারের সামনে ঘটনাটি ঘটে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর পৌনে ২টার দিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রেডক্রিসেন্টের কর্মী জান-ই আলম জাহিদ জানান, তারা কয়েকজন গুলিস্তানে স্বেচ্ছাসেবীর কাজ করছিলেন। দুপুর ১টার দিকে মাজারের সামনে এন মল্লিক ও আরাম পরিবহনের দুটি বাস চাপায় এক নারী আহত হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে মারা যান।

নিহতের মেয়ে সুরাইয়া আক্তার জানান, তাদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার রাজদিয়া গ্রামে। নিজে বাতজ্বরে ভুগছেন। চিকিৎসার জন্য মাকে নিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে গিয়েছিলেন। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরবার পথে চোখের সামনে মাকে দুই বাসের মাঝে পিষ্ট হতে দেখলেন।

সুরাইয়া আরও জানায়, হাসপাতালের সামনে থেকে বাসে উঠে তারা গুলিস্তান নেমেছিলেন। মাজারের সামনে রাস্তা পার হচ্ছিল তারা। মা সামনে ছিলেন। এ সময় দুইটি বাসের মাঝে চাপা পড়েন। সেখানে থাকা কয়েকজন পারভীনকে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

নবাবগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচ ডাকাত আটক

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচজন সদস্যকে আটক করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার গালিমপুর বাজারের খান মার্কেটে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদেরকে আটক করা হয়। শনিবার বেলা ১১টার দিকে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, আটকৃত আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্যরা দীর্ঘ দিন ধরে দোহার ও নবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গালিমপুর বাজারের খান মার্কেট এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচজন সদস্যকে আটক করা হয়।

তিনি আরো জানান, আটককৃত ডাকাতদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকাআপভ্যান, চাপাতি, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার দুপুরে আদালতে নেয়া হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, মুন্সিগঞ্জ জেলার বাদল মিয়ার ছেলে মো. জুম্মন হোসেন (২৪), শেখ হৃদয়ের ছেলে মো. শাহ আলম (৩৫), নারায়ণগঞ্জ জেলার আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. ইমন (১৯), জমসের আলীর ছেলে মো. ইউসুফ (৪২) এবং মো. শহিদুল্লাহর ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (৪৫)।

এলাকাবাসী জানায়, গালিমপুর, টিকরপুরসহ ঢাকা, বান্দুরা, নবাবগঞ্জর আঞ্চলিক মহাসড়কে দীর্ঘ দিন ধরে এ চক্রটি ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল। শুক্রবার রাতে পুলিশ তাদের আটক করায় জনমনে ডাকাত আতঙ্ক কিছুটা হলেও কমেছে।

বেপরোয়া এন মল্লিক, ছুড়ে ফেললো যাত্রীকে (ভিডিও সহ)

0

আশিক শেখ, নিউজ৩৯: দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে নবাবগঞ্জের এন মল্লিক পরিবহন। কোন আইনগত বা শাস্তিগত ব্যবস্থা না নেয়ায় তারা আচরণে স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছে। রবিবার সকাল ৮:৪৫ এর দিকে ‘এন মল্লিক’ পরিবহন থেকে চলন্ত অবস্থায় এক যাত্রীকে ছুড়ে ফেলা হয়। এতে উক্ত বাকপ্রতিবন্ধী যাত্রী মাথা এবং কোমরে প্রচন্ড আঘাত পান। তিনি উঠে দাঁড়াতে পারছিলেন না। ঘটনাটি ঘটে কেরাণিগঞ্জের রামেরকান্দা বাজারের ডাচ-বাংলা ব্যাংক সংলগ্ন রাস্তায়। লিংক

পরবর্তীতে বাজারের স্থানীয় মানুষজন এগিয়ে এসে সেই মহিলাকে উদ্ধার করে। পরে সেই বাকপ্রতিবন্ধী নারী পুরো ঘটনা লিখে জানায় ।

তিনি লিখিতভাবে জানান, তিনি কোনাখোলা বাসস্ট্যান্ড  থেকে এই বাসে উঠেন। কিছু রাস্তা অতিক্রম করার পর তার কাছে ভাড়া চাওয়া হয়। তিনি বাসের হেল্পারকে জানান, তাকে এন মল্লিকের কোনো এক কর্মকর্তা বিনা ভাড়ায় চলাচলের অনুমতি দিয়েছেন। তার কাছে কোনো ভাড়া নেই। সে এই কথা কাগজে লিখে জানায়, হেল্পার এই কথা বুঝতে না পেরে তার সাথে এমন ঘটনা ঘটান। তিনি তার সাথে এমন আচরণের ব্যাপারে প্রশাসনিক ব্যবস্থার দাবী করেন। কেননা, এতে তার মৃত্যুও হতে পারতো।

এ লজ্জা আমাদের ; মুখ ঢাকবো কিসে? শূণ্য থালায় শিক্ষক যখন দোহার উপজেলায়

৭ই মার্চ বংগবন্ধু শোষণের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। আর এই ২০২১ সালে এসে, সেদিনই দোহার উপজেলাবাসী দেখলো শূণ্য থালা নিয়ে এক শিক্ষকের নিরব প্রতিবাদ। আজ আমরা লজ্জ্বিত। কিসে ঢাকবো এই লজ্জ্বা?
দোহার উপজেলা প্রশাসনের সাবরেজিস্টার অফিসের সামনে হঠাৎ চোখে পড়ে এক শ্বেত-শুভ্র দাড়ির একজন স্কুল শিক্ষক শত যন্ত্রণায়, অপমানে মাথা নিচু করে এক শূণ্য থালা সামনে নিয়ে করছেন নিরব প্রতিবাদ। মুখে তার কোন ভাষা নেই, নেই কোন কথা। শুধু জানা গেলো, জয়পাড়া সরকারি মডেলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক হটাৎ করেই কোন নোটিশ না দিয়ে স্কুল শিক্ষক শামসুদ্দিনের বেতন বন্ধ করে দিয়েছেন। উক্ত শিক্ষকের বেতন বন্ধ, তাই বাড়িতে খাবার ও সংসার বন্ধ।

এসময় সহকারি শিক্ষক শামসুদ্দিন বলেন- আমি যদি কোন অন্যায় করে থাকি, তাহলে প্রধান শিক্ষক প্রথমে আমাকে সে বিষয় সতর্ক করবেন । তা না করে এমনকি আমাকে কোন নোটিশ না দিয়ে, আত্বপক্ষ সমার্থন করার সুযোগ না দিয়ে, হঠাৎ আমার বেতন বন্ধ করে দেয়। এমনিতেই করোনা মহামারির দোহাই দিয়ে গত জুলাই থেকে বেতন ভাতা অর্ধেক করে দিয়ে আসছে । এখন বাকি অর্ধেক বেতন দেয়া যদি বন্ধ করে দেয়, তাহলে আমি ৫০ উর্ধ্বে এ বয়সে কিভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে বাচবো। তাই, আমি প্রধান শিক্ষকের এই ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা ও তার অনিয়মের প্রতিবাদে অনশন করতে আসি । আমি সরকার ও প্রশাসনের কাছে এর সুরাহা দাবী করছি।

পরবর্তীতে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ফিরোজ মাহমুদ নাঈম এর হস্তক্ষেপে ও আশ্বাসে এবং মানবিক বিবেচনায় আশ্বস্ত হয়ে, শিক্ষক শামসুদ্দিন অনশণ প্রত্যাহার করেন। একইসাথে নির্বাহী কর্মকর্তাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান ও স্কুলের অনিয়মের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেন।

আতঙ্কিত গ্রামবাসীর হাতেই মারা পড়লো বিরল বাগডাশ, দায় কার?

ঢাকার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামে উদ্ধারকৃত একটি বিরল বাগডাশ পিটিয়ে মেরে ফেলেছে গ্রামবাসী। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, দোহার উপজেলা প্রশাসনকে বারবার ফোন করেও যখন আতঙ্কিত গ্রামবাসীকে কোন সহায়তা করতে রাজি হন নি, তখনই গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে এই বাঘডাশটি খুজে বের করে এবং পিটিয়ে হত্যা করে।  এখনো ধারনা করা হচ্ছে দুটি ছানাসহ একটি বাঘডাশ অবস্থান করছে মাহমুদপুর ইউনিয়নে। একদিকে এলাকাবাসী যেমন আতঙ্কিত, ঠিক একইভাবে হুমকির মুখে রয়েছে বিলুপ্ত প্রায় ৩টি প্রাণী।

একসময় গ্রাম অঞ্চলে সচরাচর দেখা যাওয়া বিড়াল জাতীয় এই শিকারী প্রাণীটি এলাকাভেদে গন্ধগোকুল ও খাটাশ নামেও পরিচিত (Large Indian civet)। হাস-মুরগী ও ছোটখাট গৃহপালিত পশু শিকার করে থাকে এই প্রাণীটি

বুধবার দিন থেকেই মাহমুদপুরে এই বাঘডাশ আতংক ছড়িইয়ে পড়ে। মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল মিয়াকে এই ব্যাপারটা জানানো হলে তিনি তাচ্ছিল্য ভরে বিরল এই বাঘডাশটির ছবি তুলে আনতে বলেন, এবং ছবি তুলে আনলে এই ব্যাপারটা বন্য প্রানী অধিদপ্তরে তিনি জানাবেন বলে জানান। এরই মাঝে আতংক বাড়তে থাকায় শুক্রবার সকালে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে জানানো হয় যে, বাঘ এসেছে মুন্সী বাড়ি পুরাতন ক্লাবের পাশে ছোট কাশ বনে তাই বাঘ কে ধরা হবে সকাল ১০টায়।

এ মাইকিং শুনে গ্রামের সবাই ১০টার দিকে নেমে যায় বাঘডাশ শিকারে।  এই সময় কাশবনে কিছুক্ষন খোজাখুজির  পর বাগডাশার ছানার সন্ধান মিলে। তখন আতঙ্কিত একটি বাঘডাশ আঘাত করে ও একজনকে আচর কেটে আবার বনে লুকিয়ে পড়ে।

এক পর্যায়ে বনে আগুন লাগিয়ে ও সারা বন তল্লাশি করে একটি বাঘদাশ আটক করা হয় এবং টেটা দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে বাঘডাশটি হত্যা করা হয়।

সবাই ধারণা করছে ওখানে বাচ্চা সহ আরো তিনটি বাঘডাশ আছে। চারদিন ধরে বাগডাশ এর আওয়াজ শুনতে ও দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।

বিরল বাগডাশ টি হত্যার পর মাহমুদপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ঘটনা স্থলে এসে পরিদর্শন করেন এবং বন্যপ্রাণী বিভাগ ও প্রশাসন কে ফোন দেন।

দোহারে গাজা সেবন অবস্থায় ২ জন আটক

ঢাকার দোহার মেঘুলা বাজার এলাকা হতে ২ জনকে গাজা সেবনরত অবস্থায় আটক করেছে র‍্যাব-১১।

বৃহস্পতিবার দুপুরে র‍্যাব-১১দোহার উপজেলা ভ্রাম্যমাণ আদালত সহকারি কমিশনার(ভূমি) ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র কাছে নিয়ে আসে র‍্যাব-১১। প্রথম জিঙ্গেসায় জানা জায় মোঃ মিশা(২৮) বিলাসপুর, লিটন বেপারি (৪০)নারিশা

এসময় ২জন কে সহকারি কমিশনার(ভূমি) ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬ এর ২১(৩) ধারায় ৩ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১০০০/- টাকা অর্থদন্ড আরোপ করা হয়।

নবাবগঞ্জ – দোহারে লাইসেন্সবিহীন চলছে ট্রাক-পিকআপঃ দরকার প্রশাসনের অভিযান

নিউজ৩৯ঃ নবাবগঞ্জ – দোহারে নিত্যদিনই চলছে ইট-বালু বোঝাই -লাইসেন্সবিহীন ট্রাক ও পিকআপ। আর এসব যানবাহনের কারোরই নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স। তাই প্রতিমাসেই ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। মৃত্যু হচ্ছে ২/৩ জনের। এরা কেউই মানছে না পরিবহন নিয়মবিধি। বেপরোয়া এসব বালুর ট্রাক, পিকআপ এবং মাহেন্দ্রর কারণে সড়কে চলাচল অসাধ্য হয়ে উঠেছে। এসব যানবাহনের চালকেরা বেশি ও দ্রুত আয়ের আকাঙ্ক্ষায় বেপরোয়াভাভে যানবাহন চালান।

পরিবহন চালকদের ট্রাফিক নিয়ম থাকলেও মানছে না ট্রাক চালকরা। নবাবগঞ্জ – দোহারে নানান ধরনের বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত এসব চালকদের নেই কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স বা প্রশিক্ষণ। মূলতঃ হেল্পার থেকে এরা রাস্তায় এসব যানবাহন চালিয়ে ড্রাইভার হচ্ছেন। এদের অধিকাংশই অল্প বয়সী, অল্প শিক্ষিত এবং শিক্ষানবিশ চালক।

দোহারে বিভিন্নস্থান যেমন বাহ্রা, মৈনট, কার্তিকপুর, মাহমুদপুর, বিলাসপুর, নারিশা, মুকসুদপুর এবং নবাবগঞ্জের শিকারিপাড়া, বারুয়াখালী, বান্দুরা, শোল্লা, যন্ত্রাইলসহ বিভিন্নস্থানে চলছে এসব লাইসেন্সবিহীন যানবাহন।

এতে ঘটছে ছোট-বড় দূর্ঘটনা। এদের কারণে সড়ক আজ অনিরাপদ। এ এক মরণফাঁদ। বিশেষ করে ইট- বালুর ব্যাবসায়ীদের ট্রাক, মাহিন্দ্রাগুলো যেন সাক্ষাৎ যমদূত। আতংকে রয়েছে জনসাধারণ। জনসাধারণ সকলেরই দাবী, প্রশাসন যেন এই ব্যাপারে আইনের কঠোর আইন প্রয়োগ করে। এসব যানবাহন পরিবেশও নষ্ট করছে বিধায় পরিবেশ গত ঝুকিও যেন প্রশাসন বিবেচনা করে।

স্থানীয় জনসাধারণের অভিযোগ, দোহার – নবাবগঞ্জে প্রশাসন বিভিন্ন বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করলেও লাইসেন্সবিহীন ট্রাক – পিকআপ, মাহেন্দ্রর চালক বা গাড়ির বিরুদ্ধে আইনগত কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

তারা অভিযোগ করে আরো বলেন, যারা এসব লাইসেন্সবিহীন যান চালায়, এদেরকে বড় বড় নেতারা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই এদের কিছু বলা যায় না। তাই আমরা সব সময় ভয়ে থাকি। আমরা এসব থেকে পরিত্রাণ চাই।

দোহারে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বিক্রয় প্রতিনিধি

ঢাকার দোহার উপজেলায় বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় আল-ইমরান নামে এক বিক্রয় প্রতিনিধি নিহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাঁশতলা-মৈনট সড়কের করিমগঞ্জ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই নিহত হন বিক্রয় প্রতিনিধি আল-ইমরান। নিহত আল ইমরান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা যায়। তিনি রিদিসা কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আল-ইমরান বাইসাইকেলে করে কার্তিকপুর বাজার থেকে রওনা দেন। করিমগঞ্জ পৌঁছালে পিছন থেকে একটি মালবাহী ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এসময় ট্রাকটি পালিয়ে যায়।

দোহার থানার এস. আই রাকিবুল ইসলাম জানান, লাশ থানায় আনা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দোহারে প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের অভিজানে ১৩ জন কে অর্থদণ্ড

ঢাকার দোহার উপজেলা বাসতলা পালামগন্জ এলাকায় ড্রাইভিং লাইলেন্স ও হেলমেট না থাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে ১৩ জন কে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সোমবার ১মার্চ বিকালে দোহার উপজেলার বাসতলা পালামগন্জ এলাকায় সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮ এর ৬৬ ও ৯২ ধারায় ড্রাইভিং লাইলেন্স ও হেলমেট না থাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ১৩ জনকে ৪হাজার ৯শত টাকা অর্থদন্ড দেয়া হয়।

এসময় অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

এসময় তিনি বলেন দোহারে বেশিরভাগ বাইকারগণ হেলমেট সহ লাইসেন্স ব্যবহার করে না। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে রাস্তায় দূর্ঘটনায় জীবন বিপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এধরনের অভিজান দোহারে চলমান থাকবে।

অভিযানে সহযোগীতা করেন দোহার থানা পুলিশের সদস্যগণ।