দোহারে মাদক সেবন অবস্থায় ৪ জন আটক

ঢাকার দোহার উপজেলায় গাজা সেবনের দায়ে ৪ জনকে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। সাজা প্রাপ্ত চার ব্যাক্তি হলেন সোহাগ শরিফ (২৫) পিতাঃ হাসেম শরিফ, গ্রামঃ বানাঘাটা দোহার; মোঃ রনি পিতাঃ মোঃ সোহেল,বারুয়াখালী, নবাবগঞ্জ; জলিল ওরফে করিম(৫৫) পিতাঃ আক্কেল আলি মৃর্ধা, গ্রাম চরকুশাই, দোহার; জাহাঙ্গীর(৪০)পিতাঃ ফয়জল বেপারি, গ্রাম মেঘুলা।জয়পাড়া বাজারের নাইটগার্ড গাজা সেবন অবস্থায় তাদের হাতেনাতে ধরেন।

দোহার উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোহার থানা পুলিশ উপজেলার জয়পাড়া ওয়ান ব্যাংকের মোড় থেকে মাদক সেবন অবস্থায় জলিল ওরফে করিমকে আটক করে, মেঘুলা বাজার থেকে জাহাঙ্গীর কে এবং রাতে জয়পাড়া বাজারে হরিকমল দোকানের সামনে থেকে জয়পাড়া বাজার নাইটগার্ড হাতেনাতে সোহাগ শরিফ ও মোঃ রনি কে গাজা সেবন অবস্থায় আটক করে।

দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোহাগ শরিফ, মোঃ রনি, জলিল ওরফে করিম কে হাজির করলে তাদের কে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৪২ ধারায় ১ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫শত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিতসহ অনাদায়ে আরো ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত। জলিলকে  আদালত মাদক সেবনের দায়ে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচশত টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন। জাহাঙ্গীর (৪০)পিতাঃ ফয়জল বেপারি কে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬১৬ধারায় ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫শত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করে অনাদায়ে আরো ৩দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দণ্ডিত করে।

দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, দোহারে মাদক দ্রব্য বহন, পরিবহন, সেবন, ব্যবসা সম্পূর্ণ রুপে নিষিদ্ধ। আমরা যদি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বা কোন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কাউকে আটক করতে পারি তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির প্রদান করা হবে। এ ব্যাপারে কোন ছাড় নেই।

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ দোহার পৌরবাসি

শীতের আমেজ শেষ হতে না হতেই  মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন জয়পাড়া পৌরবাসী। স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও মশার উপদ্রব বেড়েছে চার গুণ। বদ্ধ জলাশয় ও ড্রেনের আবর্জনার স্তূপ ঠিক মতো পরিষ্কার না করায় কিউলেক্স মশার রাজত্ব চলছে।  দিনরাত মশার কামড়ে অতিষ্ঠ দোহার পৌরবাসী।বাসাবাড়ি-কর্মস্থল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সবখানেই মশার দাপট, কোথাও নিস্তার পাওয়া যাচ্ছে না মশার কামড়ে।

অনেকেই  বলছেন, শীতের পর হঠাৎ গরম কিউলেক্স মশার প্রজননের খুবই উপযোগী। আবহাওয়ার কারণে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারী, মার্চে কিউলেক্স মশা বাড়ে। এ সময় বদ্ধ জলাশয়, কাভার্ড ড্রেন, বক্সকালভার্ট, প্লাস্টিক বর্জ্য ও ডাবের খোসায় জমে থাকা পানিতে কিউলেক্স মশার বংশবিস্তার ঘটছে। বর সেই কারনে আমাদের বাসা বাড়ি স্থান জমে থাকা পানি ফেলে দিতে হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে,দোহার পৌরসভার বিভিন্ন ওয়াডে সড়কের আশপাশে যত্রতত্র উন্মুক্ত  ময়লা-আর্বজনার স্তুপ। সময়মতো রাস্তাঘাট ও খোলা জায়গা থেকে ময়লা তুলে না নেওয়ায় বাড়ছে মশার উৎপাত। বিভিন্ন এলাকায় পঙ্গপালের মতো মশা উতরে দেখা যায়। দিন নেই,রাত নেই চলছে এদের অত্যাচার। বাসাবাড়ি, অফিস, খেলা মাঠসহ সর্বত্রই মশার উপদ্রব। মশা অত্যাচার বাদ যাচ্ছে না হাসপাতালগুলোও। মশার উৎপাত এত বেশী যে কয়েল, স্প্রে বা মশা মারার ব্যাট কোন কিছুই কাজ হচ্ছে না। মশার অত্যাচার অতিষ্ঠ জনগণ। তেমনি বাড়ছে মশা বাহিত রোগের ঝুঁকিও। গতবছর  আশঙ্কাজনকভাবে দেখা দিয়েছিল চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব ফলে জনমনে বিরাজ করছে আতঙ্ক।

দক্ষিন জয়পাড়া রাসেল বলেন, কার্যকারী পদক্ষেপের অভাবে দোহার পৌরসভায়  মশার উপদ্রব অনেক বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবে কাজ করা যাচ্ছে না। কয়েল জ্বালিয়ে বা অ্যারোসল স্প্রে করেও রেহাই পাচ্ছি না। রাত বা সন্ধ্যায়ই নয়, দিনের বেলায়ও এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে মশা নিধনে কতৃপক্ষের  কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।

স্থানীয় বাসিন্দা ফারজানা বেগম বলেন, সন্ধ্যার আগেই বাসার দরজা-জানালা বন্ধ করা হয়। তার পরও মশার কামড় থেকে রক্ষা নেই। ছেলেমেয়েরা পড়তে বসলে মশার কামড়ে হাত-পা, মুখে রক্ত বিন্দু জমে থাকে। রান্নাঘরে কাজ করতে গেলে কানের মধ্যে ভোঁ ভোঁ করে মশা। রাতে  মশারি টানিয়েও রেহাই পাওয়া যায় না।মশা মারতে কয়েল, স্প্রে, বৈদ্যুতিক ব্যাট সবই কিনেছি, কিন্তু তাতেও মশার উপদ্রব থেমে রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে পৌরসভার পক্ষ থেকে যে ওষুধ দেয় তাতে তো মশা মরে না, খালি ধোঁয়া হয়। এভাবে নামমাত্র স্প্রে না করে মশা মারার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ আরও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবে এটাই প্রত্যাশা।

এ বিষয় তিন নং ওয়ার্ডে বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, মশার তীব্র যন্ত্রনায় খুবই বিরক্তিকর অবস্থায় সবাই, ঘরের আনাচে কানাচে মশা দিয়ে ভর্তি, জানালা খুললেই ঢুকছে ঝাঁকে ঝাঁকে মশা। জানালায় থাই ফ্রেমের নেট থাকা অবস্থায় মশা আসতেছে। সন্ধ্যার পরেতো কথাই নাই। প্রত্যেক ঘরে কয়েল, এরসল দিয়েও শান্তি নাই। সদর দরজার বাইরেও দিতে হচ্ছে কয়েল, যাতে পরিবারের কোন সদস্যের সাথে মশা না ঢুকে পড়ে। আরো আছে মশা বাহিত রোগের ভয়। এতো এতো ভয়, যন্ত্রণার এর কোন সমাধান নেই। আমি দেখছি না পৌরসভা থেকে মশা নিধনের কোন ব্যবস্থা। এতে করে আমাদের জনজীবন আছে হুমকির মুখে। তাই প্রশাসনের দৃস্টি আকষন করছি তারা যেন এই সমস্যার একটা সমাধান করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দোহার পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান বলেন ,১৭ মার্চ থেকে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে  আমরা পৌরসভার প্রতেকটি ওর্য়াডে কাউন্সিলরদেরকে অবহিত করে মশা নিধনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমরা বর্তমানে চারটি ফগার মেশিন ও তিনটি স্পে দিয়ে মশা নিধনের কাজ করছি। আমরা এই কর্মসূচি মাস ব্যাপি করবো এবং পর্যায়ক্রমে আমরা এই মশা নিধনের কার্যক্রম বছর ব্যাপি করবো সেই প্লানিং করেছি। তবে আমরা আমাদের পৌরসভার অর্থায়নে এই মশা মারার ওষুধ দিচ্ছি। আমরা ওয়ার্ড ভিত্তিক দিয়ে আসছি তবে এক নং ও দুই নং ওয়ার্ডে আমরা এখন পর্যন্ত দিতে পারিনি তবে কয়েদিনের মধ্যে হয়তো দিতে পারবো।

শিকারীপাড়ায় গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নে ইয়ৎ ক্লাব আয়োজিত মুজিব জন্মশত বার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে SIX A SIDE ডে – নাইট গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুনামেন্ট ২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ মার্চ শনিবার রাত ১০ টা থেকে ২১ মার্চ রবিবার  ভোর ৫ টা পর্যন্ত ৮ টি ম্যাচের মধ্যকার খেলায় ৫ ওভার করে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। গত ৩ বছর যাবৎ এ খেলা জমজমাট ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

খেলায় অংশ গ্রহণকারী টিম গুলো হলো হাবিব সুপার সিক্স তুইতাল, সোনাবাজু ইয়ুথ ক্লাব, মিরা মুসকান ক্রিকেট একাডেমি, মুরাদ আলী শিকদার একাডেমি, হরিরামপুর নাইট রাইডার্স, অর্নিবান সংঘ বাংলাবাজার, তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমি, কুঠুরী জনকল্যান ও সমাজ কল্যান সংঘ।

টূর্নামেন্টে কুঠুরি জনকল্যান ও সমাজ কল্যান সংঘ চ্যাম্পিয়ন হয়। এই সময় চ্যাম্পিয়ন হিসাবে তারা চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ও নগদ ১ লক্ষ টাকা অর্জন করে। ফাইনালে রানার্স আপ তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমি রানার্সআপ ট্রফি ও নগদ ৪০ হাজার টাকা অর্জন করে।

আলীমোর রহমান খান পিয়ারা এর সভাপতিত্বে খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর  মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান।

খেলায় উদ্ভোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিকারীপাড়া টি.কে.এম উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা পর্ষদ ও ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগ সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী শওকত হোসেন শাহীন।

টূর্নামেন্ট সার্বিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন আল মামুন।

পদ্মায় ধরা পড়ল ১৭ কেজির কাতলা

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পদ্মা নদীতে ১৭ কেজি ওজনের একটি কাতলা মাছ ধরা পড়েছে। সোমবার (২২ মার্চ) ভোররাতের দিকে রফিক মাদবর নামের এক জেলের জালে মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি মাওয়া মাছের আড়তের মৎস্য ব্যবসায়ী মো. জুয়েল মিয়া কিনে নেন। মাছটির মূল্য ধরা হয়েছে ২১ হাজার ৪২০ টাকা।

গভীর রাতে কয়েকজন মিলে মাঝ পদ্মার লৌহজং উপজেলার শরীয়তপুর টানিং পয়েন্ট এলাকা থেকে জেলে রফিক মাছটি ধরেন। তিনি বলেন, জাল ফেলার কিছু সময় পার হলে জালে ধাক্কা অনুভব করি। তখন বুঝতে পারি জালে বড় কোনো মাছ ধরা পড়েছে। জাল তুলে দেখি প্রায় ১৭-১৮ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ। মাওয়া আড়ত ঘাট এলাকার মাছ ব্যবসায়ী জুয়েল ১ হাজার ২৬০ টাকা কেজি দরে ২১ হাজার ৪২০ টাকায় মাছটি কিনে নেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, নদীতে এখন মাঝেমধ্যে বড় ধরনের মাছ পাওয়া যাচ্ছে। তবে ১৭-১৮ কেজি ওজনের কাতলা মাছ খুব বেশি ধরা পড়ে না। এটি অবশ্যই ভালো খবর।

দোহারে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার দক্ষিণ জয়পাড়া গাংপাড় এলাকার মো. মুসলেম (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার রাত আনুমানিক সোয়া আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, দক্ষিণ জয়পাড়া গাংপাড় এলাকার ব্যবসায়ী মুসলেমের উপর রাত সোয়া আটটার দিকে আক্রমন চালায় দুর্বৃত্তরা। এই সময় তাকে এলোপাথারি কুপিয়ে তাকে ফেলে পালিয়ে যায়। এই সময় আশংকাজনক অবস্থায় তার স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে। উদ্ধার করে তারা দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরন করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃত কারন জানা যায়নি।

আগলা থেকে অটোসহ চালক নিখোঁজ

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা থেকে আব্দুল আলী (৫০) নামের এক অটোচালক অটোসহ ২ দিন ধরে নিখোঁজ হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিখোঁজ আলী আকবর উপজেলার আগলা কালুয়াহাটি এলাকার মৃত সোনামুদ্দিনের ছেলে।

গত শনিবার সকালে উপজেলার আগলা কালুয়াহাটির নিজ বাড়ি থেকে অটোরিকশা নিয়ে চালানোর উদ্দেশ্যে বের হন আব্দুল আলী। এরপর তিনি আর বাসায় ফিরে আসেননি। এঘটনায় রোববার সকালে নবাবগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী করেছেন তার স্ত্রী রেখা আক্তার।

আলী আকবরের স্ত্রী রেখা আক্তার বলেন, প্রতিদিনের মত শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় অটো রিকশা নিয়ে বের হন আলী আকবর। দুপুরে খাবার খেতে না আসায় আমরা তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করি। এসময় তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। রাতেও তিনি বাসায় ফিরে আসেনি। রোববার সকালে থানায় নিখোঁজ ডায়েরী করেছি।

এই ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, পরিবারের একমাত্র উপার্জন ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ায় আতঙ্কিত তার পরিবার। নিখোঁজের পড়নে লুঙ্গি ও নীল রঙের শার্ট ছিল বলে জানান পরিবারের লোকজন।

দোহারে তারুন্যের বঙ্গবন্ধু -মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙ্গালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতার ৫০ বছর সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা জনতার সম্প্রীতি বাংলাদেশ এর আয়োজনে তারুণ্যের ব্ঙ্গবন্ধু -মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার থানার মোড়ে বেগম আয়শা শপিং কমপ্লেক্স এর ২য় তলায় ২০শে মার্চ শনিবার সকাল ১১টায় এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের পক্ষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা জনতার সম্প্রীতি বাংলাদেশ এর মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা জিন্নাতুল ইসলাম জিন্নাহ।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ফজলুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক শাহিন-উল-ইসলাম, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট ফিরোজ আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ (আবুল খালাসী) প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে  মুক্তিযোদ্ধা জনতার সম্প্রীতি বাংলাদেশ (কেন্দ্রীয় কমিটি) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. ইব্রাহিম খলিল সবুজ এর সভাপতিত্বে বিশিষ্ট সাংবাদিক কাজী জুবায়ের আহম্মেদ এর সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কেরানীগঞ্জে কিশোরগ্যং এর ৫ জন আটক

শরীফ হাসান নিউজ৩৯ স্টাফ রিপোর্টারঃ ঢাকা অদূরে কেরানীগঞ্জের শাক্তা ইউনিয়নের আটিপাচদোনা টেবার গ্রাম এলাকায় বন্ধুর হাতে বন্ধু খুনের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১৯ মার্চ) রাতে এ ঘটনা ঘটে।  নিহত কিশোরের নাম তালহা ইসলাম আলভী (১৫), তার পিতার নাম আমিনুল ইসলাম সে পুরান ঢাকার নবাবপুরে ইলেকট্রনিকস দোকানে কাজ করতো।

রক্তাক্ত জখম আলভীকে আহত অবস্থায় সাথে থাকা বন্ধুরাই আটিভাজার ল্যাব ফোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত তার সাথে থাকা ৫ কিশোরকে আটক করেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। হত্যার দায় স্বীকার করেছে আসামিরা।

নিহত কিশোরের পিতা জানান, খুনে জড়িত ৬ জনই আমার ছেলের বন্ধু! তারা একই সাথে ওঠাবসা করতো। শুনেছি ঘটনার দিন সন্ধ্যায় তারা সকলে মিলে হানিফ ব্যাপারীর গ্রামের ফায়েজের ঘাটে আড্ডা দিচ্ছিলো। আড্ডার এক পর্যায় টাকা পাওয়া না পাওয়ার জেরে একজন আমার ছেলেকে রড দিয়ে বুকে আঘাত করে। রড়টি আমার ছেলের ফুসফুসে আঘাত করলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। আমি হত্যায় জড়িত সকলের ফাঁসি চাই।

এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, আমরা খবর শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হত্যায় জড়িত ৫ কিশোরকে আটক করেছি। হত্যায় জড়িত অপর আসামি পলাতক রয়েছে। তাকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। নিহত আলভীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। হত্যার ঘটনায় ইতোমধ্যেই নিহতের পিতা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। কিশোর হত্যায় এলাকায় শোক ও আতংক বিরাজ করছে।

নবাবগঞ্জে তাঁতীলীগের ১৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

শরীফ হাসান নিউজ৩৯ স্টাফ রিপোর্টারঃ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ তাঁতীলীগের ১৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা, কেককাটা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা। এই অনুষ্ঠানটি নবাবগঞ্জ উপজেলা তাঁতী লীগ এর আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় নবাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে উপজেলা প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে র‍্যালী শেষ হয়। নবাবগঞ্জ উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সে সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন আহমেদ ঝিলু, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, উপ-প্রচার সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান আওলাদ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন, কলাকোপা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহীম খলীল, জেলা দক্ষিণ তাঁতীলীগের সভাপতি রমজান মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান পলাশ, সহ-সভাপতি মো. জামাল উদ্দীন আহমেদ, কার্জন আহমেদ।

উপজেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিবের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান রনি, এস এম সাইফুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা আশিকুজ্জামান হিরন, উপজেলা তাঁতী লীগের সহ-সভাপতি সাইফুর রহমান সজিব, সহ-সভাপতি শামীমুল আহাদ রনক, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মো. নূর আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি শেখ সুজন বাবু, উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ রাশেদ খান, উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি ফারুক মোল্লা, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদি হাসান রানা, কলেজ শাখার সভাপতি নাসির উদ্দীন প্রমুখ।

দোহারে ছুটির দিনেও অভিযানে প্রশাসনঃ ১০ জনকে অর্থদণ্ড

আল-আমিন, স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ৩৯: শুক্রবার ছুটির দিনেও করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে অভিযান চালিয়েছে দোহার উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। এসময় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় তিনি ১০ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

শুক্রবার ১৯মার্চ দুপুরে কার্তিকপুর বাজার, মৈনটঘাট (মিনি কক্সবাজার) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাস্ক ব্যবহার না করার দায়ে ১০টি মামলায় ২হাজার ৯ শত ৫০ টাকা  জরিমানা করা হয়।

জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, ঘরের বাহিরে বের হতে হলে মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারিভাবে এমন নির্দেশনা দেওয়া থাকলেও সচেতনতার অভাবে অনেকেই তা মানছেন না। তাই, জনসচেতনতা বাড়াতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আজ ১০ জনকে জরিমানা করেছি। জনসাধারণের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেছি। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ময়নট ঘাটে শিপন নামে এক দর্শনার্থী বলেন, মোবাইল কোর্ট আসার খবর পাইনি, বলে মাস্ক পড়িনি।  হাসান নামে একজন বলেন, দম ছাড়তে পারিনা বলে মাস্ক পড়ি না।

কেউ কেউ বলেন, মাস্ক পড়তে ভুলে গেছি।

অভিযান চলার সময় মৈনট ঘাটে আসা দর্শনার্থীদের মাস্ক  ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হয়। অভিযানে  সহযোগিতা করেন দোহার থানা পুলিশ ফোর্স।