দোহারে আগুনে পুড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

আল-আমিন, স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ৩৯: দোহার উপজেলায় উত্তর শিমুলিয়া গ্রামে আগুন লেগে যুবরাজ নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আগুনের কারণ অজ্ঞাত। এছাড়া ১লক্ষ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এলাকাবাসীর বক্তব্যে জানা যায়, কিভাবে আগুন লাগলো তা কেউ বলতে পারে না। আগুনে পুড়ে মারা যান যুবরাজ (৩০) পিতাঃ রমজান মাঝি। যুবরাজের মৃর্গি রোগ ছিলো। সে একটু নেশা করতো।

এ বিষয়ে দোহার ফায়ার সার্ভিস মোঃ আবু হানিফের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,গত বুধবার উত্তর শিমুলিয়া রাত ৩টার দিকে অজ্ঞাত ভাবে আগুন লেগে যায় । এতে এক ব্যক্তি আগুনে পুড়ে মারা যান, তার নাম যুবরাজ(৩০)। আমরা খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ আগুন নিভানোর চেষ্টা করি। এতে এক জনের মৃত্যুসহ প্রায় ১ লক্ষ টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

দোহারে দাতের ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় এক নারীর মৃত্যু

0

আল-আমিন, স্টাফ রিপোর্টার; নিউজ৩৯: ঢাকার দোহার উপজেলায় কথিত দাতের ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় নাসিমা বেগম (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আটক হয়েছেন সেই ডাক্তার ও তার সহযোগী।

বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) বিকেলে জয়পাড়ার উপজেলা মাকের্টের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত সবুজ ডেন্টাল কেয়ারে এ ঘটনা ঘটে। দোহার উপজেলার কার্তিকপুর গ্রামে তার বসবাস। নাসিমা বেগমের স্বামীর নাম শেখ ইয়াছিন মিয়া। সবুজ ডেন্টাল কেয়ারের টেকনিশিয়ান শেখর রায় ইনজেকশন পুশ করার পর পর নাসিমা বেগমের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার পরিবার। এ ঘটনায় তাৎক্ষনিকভাবে, দোহার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুই জনকে আটক করেছে। সবুজ ডেন্টাল কেয়ারের সত্বাধিকারী সবুজ হোসেন (৩২) ও মানিকগঞ্জের শেখর রায় (৩২)পিতাঃ মুকূন্দ রায়।

নাসিমা বেগমের পুত্রবধূ সুমি আক্তার জানায়, আমার শাশুড়ির দাঁতের ব্যাথার কারণে সবুজ ডেন্টাল কেয়ারে চিকিৎসা নিতে আসি। ডাক্তার দাঁত দেখার পরে বলে, রোগীর দাঁতে কোনো সমস্যা নেই, দাঁত ভালো আছে, দাঁত ওঠানোর প্রয়োজন নেই। তবে দাঁতে ক্যাপ পরাতে হবে। এরপর আমি ডাক্তারকে বললাম, তাহলে ক্যাপ বসিয়ে দেন এবং ডাক্তারের সাথে দাঁতে ক্যাপ বসানোর জন্য টাকার চুক্তি হয়। তারপর আমি বাসায় ফোনে যোগাযোগ করতে বের হই। ফিরে এসে দেখি আমার শাশুড়িকে দাঁত অবস করার জন্য দাঁতের গোড়ায় সুঁই দিয়েছে। সুঁই দেওয়ার পরে আমার শাশুড়ির অস্থিরতা বেড়ে যায় এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। ডাক্তারের পরামর্শে আমার শাশুড়িকে চেম্বারের বাইরে বারান্দায় আলো-বাতাসে নিয়ে আসি। কিন্তু তখনই তার নাক-মুখ দিয়ে ফেনা বেড়িয়ে আসে। আমি দ্রুত তাকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই, তিনি মারা গিয়েছেন বলে জানায় সরকারি হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আল-আমিন নিউজ৩৯কে জানায়, জাসোকাইন নামক ইনজেকশন পুশ করার আগে অবশ্যই রোগীর তিনটি পরীক্ষা করে নিতে হয়। টেকনিসিয়ান শেখর রায় রোগীর কোনো প্রকার পরীক্ষা না করেই এবং ডেন্টিস্টের পরামর্শ ছাড়াই ইনজেকশন পুশ করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে, জাসোকাইন ইনজেকশন পুশ করার ফলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শেখর রায় একজন টেকনিশিয়ান। সে মোটেও ডেন্টিস নয়, এমনকি রোগীকে চিকিৎসা দেওয়ার এখতিয়ার নেই তার।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ বিষয়ে দোহার থানায় একটি অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার। লাশ ময়না তদন্তের জন্যে মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কেরানীগঞ্জে মধ্য বয়স্ক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

ঢাকার কেরানীগঞ্জের নতুন বক্তারচর এলাকা থেকে মধ্যবয়স্ক এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। নিহতের নাম আবু হোসেন (৫০)। পেশায় কৃষিজীবি ও চার সন্তানের জনক আবু হোসেন তেঘরিয়া ইউনিয়নের মজিদ বেয়ারা গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের পুত্র।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে ফজরের নামাজ শেষে আবু হোসেন অপরিচিত দুজন লোকের সাথে কথা বলতে বলতে কোথায় যেন চলে যায়। এরপর থেকে তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি, মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি জিডি করা হয়। পরবর্তীতে লোক মারফত আজ সকাল ৯টার দিকে জানতে পারি নতুন বক্তার তার এলাকায় একটি মধ্য বয়স্ক লোকের লাশ পাওয়া গেছে। আমরা সেখানে গিয়ে আবু হোসেনের লাশ শনাক্ত করি।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই তরিকুল ইসলাম জানান, লোক মারফত খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি, ময়নাতদন্তের পরে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

দোহারে প্রশাসনের নির্দেশের পরও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি পৌর কাউন্সিলর

দোহারের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরে পৌর কাউন্সিলর কর্তৃক দখলকৃত সরকারি খালের উপর নির্মিতব্য অবৈধ স্থাপনার কাজ স্থগিত করে। একইসাথে পৌর কাউন্সিলর খালেদা আক্তারকে নির্দিষ্ট সময়ে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়াসহ কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেয়।

কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে সরকারি খালের উপর থেকে স্থাপনা এখনো সরিয়ে নেননি অভিযুক্ত দোহার পৌরসভার ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর সানজিদা সুলতানা খালেদা আক্তার এবং গং।

জানা যায়, ইমারত নির্মাণ নীতিমালার তোয়াক্কা না করে এবং সরকারি খাল দখল করে উত্তর জয়পাড়া (কুঠিরপাড় মসজিদ সংলগ্ন) এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ করেন দোহার পৌরসভার ১,২ ও ৩নং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলর খালেদা আক্তার এবং গং। সংবাদ প্রকাশের পরে, কাজ বন্ধ করে স্থাপনা ভেঙে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেয় দোহার উপজেলা প্রশাসন।

এছাড়া, দোহার পৌরসভার অনুমোদন না নিয়ে স্থাপনা করার অপরাধে কাজ বন্ধ রেখে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, বিষয়টি আমি জানার পরে সাথে সাথে সরেজমিনে গিয়ে স্থাপনা ভেঙে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। এছাড়া এক থেকে দুই দিনের মধ্যে স্থাপনা ভেঙে সব সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছি। যদি তারা আইন অমান্য করে স্থাপনা ভেঙে সরিয়ে না নেয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে হবে।

এ বিষয়ে কাউন্সিলর সানজিদা সুলতানা খালেদা আক্তারের নিকট মুঠোফোনে স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ার কারন জানতে চাইলে তিনি কোন প্রকার সদুত্তর না দিয়ে; এড়িয়ে যান এবং সামনাসামনি কথা বলতে বলেন।

দোহার-নবাবগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় প্রশাসনের অভিযান

নিজে সুস্থ থাকুন, অন্যকেও সুস্থ রাখুন এ কথা কে ধারন করে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি  নিশ্চিত করতে দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে।

১৬ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে দোহার উপজেলায় জয়পাড়া এলাকায় জনসচেতনতা মূলক প্রচার, মাস্ক বিতরন ও ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে ৮ জন কে ১২শত টাকা অর্থদন্ড করা হয়।

এসময় অভিযান পরিচালনা করেন,সহকারি কমিশনার ( ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। এসময় তিনি বলেন,স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় এ অভিজান চলমান থাকবে।

নবাবগঞ্জ উপজেলায় মহাকবি কায়কোবাদ চত্তরে জনসচেতনতা মূলক প্রচার, মাস্ক বিতরন ও মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে মাস্ক পরিধান না করার অপরাধে ১৫জন কে অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এইচ. এম. সালাউদ্দীন মনজু। এসময় তিনি বলেন,মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে এ অভিযান চালানো হয় আর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে জনস্বার্থে এ অভিযান চলমান থাকবে।

উক্ত অভিযানে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন, দোহার-নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ।

দোহারে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার পন্য বিক্রি শুরু করেছে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। তারই ধারাবাহিকতায় ১৫ মার্চ থেকে দোহারের জয়পাড়া বাজারের ভিতরে ভ্রম্যমান ট্রাকের মাধ্যমে এই পন্য বিক্রি শুরু হয়। টিসিবির মাধ্যমে চিনি, মসুরি ডাল, তেল, পিয়াজ স্বল্পমূল্য বিক্রি করা হয়।

টিসিবি জানিয়েছে, আমরা দোহারে আমাদের পণ্য বিক্রি শুরু করেছে। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ স্যার আমাদেরকে আজকে দোহার উপজেলার ভিতরে পণ্য বিক্রি করতে বলেছে এবং পরবর্তিতে তিনি আমাদেরকে যে ভাবে যেখানে পণ্য বিক্রি করতে বলবেন আমরা সেই ভাবে কাজ করবো। আমাদের এখানে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি করা হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। মসুর ডাল বিক্রি করা হচ্ছে কেজি প্রতি ৫৫ টাকায়। এ ছাড়া সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ৯০ টাকা ও পেঁয়াজ ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। আজকে আমাদের এখান থেকে প্রায় ২০০/২৫০ জন পণ্য ক্রয় করতে পারবে।

উল্লেখ্যঃ সাধারণ মানুষের জন্য তুলনামূলক কম দামে পণ্য বিক্রি করে থাকে।

মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে সরকারের ১১ নির্দেশনা

করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ সংক্রমণের বিস্তার রোধ করতে বাড়ির বাইরে সর্বত্র মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

করোনা রোগীর সংখ্যা ও এই রোগে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে মাস্ক ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সংখ্যা গত তিন মাসে সর্বোচ্চ। আর মোট মৃত্যু আট হাজার ৫৭১ জন। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৭৭৩ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৫৯ হাজার ১৬৮ জনে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত ১৩ মার্চ সবার মাস্ক পরা নিশ্চিতে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) চিঠি দিয়েছে।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি করোনা সংক্রমণের হার এবং মৃত্যুর হার গত কয়েক মাসের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। সংক্রমণের হার রোধের জন্য সর্বক্ষেত্রে সবার মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এমতাবস্থায় সবার মাস্ক পরা নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়টি মনিটরিং করার জন্য বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি ও ইউএনওদের অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।

সোমবার (১৫ মার্চ) সরকারি তথ্য বিবরণীতে মাস্ক পরার ক্ষেত্রে সরকারের কিছু নির্দেশনা প্রতিপালনের জন্য নাগরিকদের অনুরোধ করা হয়েছে।

>সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট অফিসে আগত সেবা গ্রহীতারা বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহার করবেন। সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

>সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালসহ সব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে আগত সেবা গ্রহীতা আবশ্যিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করবেন। সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির ও গির্জাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটি বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

>শপিংমল, বিপণিবিতান ও দোকানের ক্রেতা-বিক্রেতারা আবশ্যিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করবেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও মার্কেট ব্যবস্থাপনা কমিটি বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

>হাট-বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতারা মাস্ক ব্যবহার করবেন। মাস্ক পরা ছাড়া ক্রেতা-বিক্রেতারা কোনো পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করবেন না। স্থানীয় প্রশাসন ও হাট-বাজার কমিটি বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

>গণপরিবহনের (সড়ক, নৌ, রেল, আকাশপথ) চালক, চালকের সহকারী ও যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। গণপরিবহনে আরোহণের আগে যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মালিক সমিতি বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

>গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিসহ সব শিল্পকারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মালিকরা বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

>হকার, রিকশা ও ভ্যানচালকসহ সব পথচারীর মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্চিত করবেন।

>হোটেল ও রেস্টুরেন্টে কর্মরত ব্যক্তি ও জনসমাবেশ চলাকালীন আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরবেন। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মালিক সমিতি নিশ্চিত করবেন।

>সব ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানে আগত ব্যক্তিদের মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান নিশ্চিত করবেন।

>বাড়িতে করোনা উপসর্গসহ কোনো রোগী থাকলে পরিবারের সুস্থ সদস্যরা মাস্ক ব্যবহার করবেন।

দোহার প্রেসক্লাব পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মাহাবুবুর রহমান

ঢাকার দোহার প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ও পরিদর্শন করেছেন ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযােদ্ধা মাে. মাহবুবুর রহমান।

১৪ই মার্চ রবিবার দুপুর ১২টার দিকে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়া হয়।

এসময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বলেন, দোহার উপজেলায় ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা কলম ধরে আসছে, তাদের ডাকে সারা দিয়ে সাংবাদিকদের দাবি শুরুপ দোহার প্রেসক্লাবের নির্ধারিত স্থানে একটি ভবন নির্মাণ করে দেয়ার জন্য আমি উপস্থিত হয়েছি তাই দোহার প্রেসক্লাবের ভবন নির্মান করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবাে।

এসময় মাহবুবুর রহমানের নির্দেশে দোহার প্রেসক্লাবের ভবন তৈরির জন্য জমির সিমানা ও পরিমাপের জন্য দায়িত্ব পালন করেন জেলা পরিষদের প্রকৌশলী মাে. মােতালেব।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযােদ্ধা ইব্রাহীম খলিল সবুজ, সুতারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম খােকা, পৌরসভা যুবলীগের আহ্বায়ক দেওয়ান মােশারফ হােসেন, যুবলীগ নেতা আলিম, মাে. মােহয়া, মােজ্তার হােসেন, সাজ্জাদ হােসেন সাজু।

এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন- দোহার প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টিপু, সহ-সভাপতি ওলি আহমেদ, যুগা সাধারণ সম্পাদক শেখ সােহেল রানা, প্রেসক্লাবের সদস্য- সাপ্তাহিক নব-বাংলার সম্পাদক মাে. আতাউর রহমান সানী, চ্যানেল এস এর প্রতিনিধি কাজী জোবায়ের আহমেদ, দৈনিক আগামীর সময়ের সহ-সম্পাদক আবুল হাশেম ফকির, দৈনিক বাংলাদেশের খবরের প্রতিনিধি শেখ জুবায়ের আহমেদ, দৈনিক জনতা পত্রিকার প্রতিনিধি মহিউল ইসলাম পলাশ প্রমুখ।

সংবাদ প্রকাশের পর উদ্ধার হলো জয়পাড়া খাল

দোহারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে দোহার পৌরসভার ইমারত নির্মাণ নীতিমালার তোয়াক্কা না করে এবং সরকারি খাল দখল করে উত্তর জয়পাড়া (কুঠিরপাড় মসজিদ সংলগ্ন) এলাকায় স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার ১,২ ও ৩ নং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলর খালেদা আক্তার গংদের বিরুদ্ধে। এমন সংবাদ প্রকাশের পরে কাজ বন্ধ করে স্থাপনা ভেঙে সরকারি খাল দখলমুক্ত করলো দোহার উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।  বৃহস্পতিবার (১১মার্চ) দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র এ অভিযান পরিচালনা করেন।

বৃহস্পতিবার (১১মার্চ) দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় তিনি স্থাপনার কিছু অংশ ভেঙে দেয় এবং এক দিনের মধ্যে বাকি স্থাপনা সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন। এছাড়া দোহার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান পৌর কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে ইমারত নির্মাণের কাজ করার অপরাধে, কাজ  বন্ধ রেখে সকল কাগজপত্রসহ পৌরসভা হাজির হতে নোটিশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বুধবার (১০ মার্চ) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার উত্তর জয়পাড়া সরকারি খালের বেশ কিছু অংশ দখল করে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন পৌরসভার ১, ২, ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর খালেদা আক্তার ও তার বোন কুলসুম বেগম গং।

এ বিষয়ে দোহার পৌরসভার ১,২ ও ৩ নং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলর খালেদা আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, জয়পাড়া মৌজার এস.এ ৩২২ নং দাগে ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেছিলেন আমার মা। আমার মায়ের মৃত্যুর পরে ওয়ারিশ সূত্রে ঐ জমির মালিক হয়েছি- আমি-সহ ওমর ফারুক, আমের আলী, কুলসুম বেগম ও সাজেদা। এসময়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রতিবেদককে অনুরোধ করেন তিনি।

উক্ত জমির ওয়ারিশদের একজন বেগম আয়েশা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ কুলসুম বেগম বলেন, আমরা কোনো সরকারি জমি দখল করিনি। তবে কতটুকু জমিতে আমাদের নির্মাণ কাজ চলছে সে সম্পর্কে আমি জানি না। তিনি আরও বলেন, আপনারা সাংবাদিকরা আমার পেছনে লেগেছেন। সরকারকে নিয়ে সরকারি খালের সীমানা নির্ধারণ করেন। এসময় তিনি সাংবাদিকদের কোনোও প্রশ্নে উত্তর না দিয়েই স্থান ত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, কেউ যদি ১ ফুটও সরকারি খাল দখল করে কোনোরূপ স্থাপনা নির্মাণ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এ বিষয়টি আমি জানার পরে সাথে সাথে সরেজমিনে গিয়ে স্থাপনা ভেঙে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি এবং একদিনের মধ্যে সব সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছি।

দোহার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান জানান, পৌরসভার অনুমতি ছাড়াই তারা বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ কাজ করছে। তারা এর আগে পৌরসভায় ইমারত নির্মাণের জন্য আবেদন করেছিলো। পৌর কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা আছে সরকারি খালের পাশ দিয়ে ২০ ফুট চওড়া রাস্তা হবে। নিয়ম অনুযায়ী সরকারি রাস্তার পাশে স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে অনুমোদন সাপেক্ষ রাস্তার দু’পাশে ১০ ফুট করে অতিরিক্ত জায়গা রেখে স্থাপনা নির্মাণ করতে হবে। কিন্তু উক্ত জমিটি সরকারি রাস্তা ও খাল সংলগ্ন হওয়ায় পৌর কর্তৃপক্ষ তখন সেখানে কাজ করার অনুমোদন দেয় নি। বর্তমানে তারা পৌরসভার অনুমোদন ছাড়াই স্থাপনা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অনতিবিলম্বে তাদেরকে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পৌরসভায় আসার জন্য নোটিশ দিয়েছি।

দোহারে তরুন উদ্যোক্তার ২ দিন ব্যাপি হাট-বাজার উদ্বোধন

ঢাকার দোহার বেগম আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স এর নিচ তলায় তরুন উদ্যোক্তার আয়োজনে  ২ দিন ব্যাপি হাট-বাজারের মেলার উদ্বোধন হয়েছে।  শুক্রবার ১২ই ফেব্রুয়ারী  সকাল ১০ টায় ৫০ টি স্টল নিয়ে বেগম আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সে শুরু হয় এই মেলা।তার মধ্য৩০ টির বেশী ছিলো নারীদের স্টল।

বেগম আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স এর সভাপতি মোঃ কুতুবউদ্দিন(মেসার্স তোয়া ফ্যাশন) এর সভাপতিত্বে ও দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ আল-আমিন হোসেনের সঞ্চালনায় উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার নির্বাহী অফিসার এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ।

এ সময় তিনি বলেন, এটি একটি ভালো উদ্যোগ।এমন উদ্যোগের সাথে প্রত্যক তরুনের জড়িত থাকা আবশ্যক।তাই তরুন উদ্যোক্তাদের যদি কোন সাহায্য বা টাকার প্রয়োজন হয় তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন।আমি সরকারী ভাবে ৪০-৫০ হাজার টাকা ঋণ নিতে সহোযোগীতা করবো।তিনি দোহার তরুন উদ্যোক্তার সকল সদস্যদের এমন উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ জানান।

বেগম আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স এর সভাপতি দোহার উপজেলা প্রশাসনের কাছে এই দাবী জানান যে এই হাট-বাজার যদি প্রতি মাসে একবার করে প্রত্যেক স্কুল মাঠে করা যেতো তাহলে আরো উদ্যোক্তা বেড়ে যেতো।

বিক্রেতারা জানান আমরা বিক্রি করে খুশী। আমরা ধন্যবাদ জানাই বেগম আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স ম্যানেজিং কমিটিকে।

বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন দোহার উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র , প্রতিষ্ঠা মন্ডলীর সদস্য মোঃ ইব্রাহিম খলিল(সবুজ) , দোহার অর্গানিক এগ্রোর এডমিন ও জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নজরুল ইসলাম,দোহার তরুন উদ্যোক্তার প্রতিষ্ঠাতা রাহিম মোল্লা, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সাবিহা তানজিম, সাদ্দাম হোসেন লিটন,মোঃজাহিদ,মোঃইয়াছিন,মোঃরেহান,সোহাগ হোসেন প্রমুখ।