হালকা বৃষ্টিতে মুকসুদপুরের মৌড়ার রাস্তার বেহাল দশা, সংষ্কারের উদ্যোগ নেই

হালকা বৃষ্টি হলেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের মৌড়া বাজারের রাস্তা।

মুকসুদপুর ইউনিয়ন ঢাকার দোহার উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হলেও সামান্য বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় মৌড়া বাজার। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় হালকা বৃষ্টিতেই চরম দুর্ভোগে থাকতে হয় এই গ্রামের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষকে। প্রয়োজনীয় কাজে বাইরে এলেই হাঁটুপানি মাড়িয়ে বাজারে যেতে হয় তাদের। এর মধ্যে রাস্তায় গর্ত তো আছেই। একাধিক বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়-সমৃদ্ধ এলাকা হওয়ায় এই দুর্ভোগ নিত্যদিনের । অন্যদিকে পানিবাহিত রোগে ভুগছেন স্থানীয় অনেকে।

অটো রিকশাচালকদের থেকে জানা যায়, রাস্তার এই বেহাল অবস্থা বহুদিনের। রাস্তার বেহাল দশার কারনে আমাদের গাড়ির নানান সমস্যা দেখা দেয়। দিনে ৫০০ টাকা উপার্জন করে ৩০০ টাকা দিতে হয় মালিক কে। অথচ কিছুদিন পর পরই এ রাস্তায় চলাচল করার কারনে ১০০০ টাকা যায় গ্যারেজে গাড়ি ঠিক করতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মৌড়া অধিকাংশ রাস্তাঘাট কাঁচা ও নিচু। সামান্য বৃষ্টি হলেই তা হাঁটু পানিতে পরিণত হয়। তলিয়ে থাকে রাস্তাগুলো। মৌড়া বাজারে আসে পাশের এলাকাতেই রয়েছে মৌড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও মৌড়া নুরানী হাফেজে মাদ্রাসা ও এমদাদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়, ৩১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি কিন্ডারগার্টেন, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। এখানে যাতায়াতের রাস্তাগুলো পানিতে নিমজ্জিত থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ভর্তিতে অনাগ্রহ দেখায় অনেকে।

হালকা বৃষ্টিতে মুকসুদপুরের মৌড়ার রাস্তার বেহাল দশা

বাসিন্দারা অভিযোগ করে অনেকবার মেম্বার ও চেয়ারম্যানকে জানানো হয়। কিন্তু চেয়ারম্যান মেম্বারদের থেকে সান্ত্বনা ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায় না। রাস্তা উঁচু কিংবা পয়োনিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ করা হলে জলাবদ্ধতার হাত থেকে প্রতিকার মিলবে বলে জানান মৌড়া গ্রামের বাসিন্দারা।

এ সময় নিউজ ৩৯ কে বলেন স্থায়ী বাসিন্দা আজিম মৃধা ও শেখ সম্রাট সারাদেশ যখন উন্নয়নের জোয়ারে ভাসে, তখন মৌড়াবাসী সেই উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। প্রায় ১৩ বছরেও হয়নি মৌড়া বাজারের এই রাস্তার সংস্কারের কাজ জনপ্রতিনিধিদের অবহেলায়, চরম দূর্ভোগে এলাকার প্রায় ৫ হাজার মানুষ। মৌড়াবাসী আর কত অপেক্ষা করবে তাদের সপ্নের রাস্তার জন্য।

দোহারে প্রিয়বাংলা পত্রিকা অফিসে ভাংচুর

news39.net: দোহারে প্রিয়বাংলা পত্রিকা অফিস ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। দোহার উপজেলার লটাখোলার আজাহার আলী – মোজাহার আলী শপিং কমপ্লেক্সে প্রিয় বাংলার অফিস অবস্থিত। দোহার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এই সময় দোহার থানা পুলিশ ভাংচুরে ব্যবহৃত ইটের টুকরোসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করেছে।

প্রিয়বাংলা কতৃপক্ষ সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) রাত দশটার দিকে কাজ শেষে কার্যালয় বন্ধ করা হয়। শুক্রবার অর্ধবেলা বন্ধ থাকায় বিকেলে সাংবাদিকরা কার্যালয়ে এলে সেখানে গ্লাস ভাংচুর করা দেখা যায়। কার্যালয়টির সামনের সড়ক থেকে দুর্বৃত্তরা বড় আকারের দুটি পাটকেল নিক্ষেপ করে, সামনের গ্লাসের পুরো অংশ ভেঙে ফেলেছে।

এ বিষয়ে প্রিয়বাংলা সম্পাদক অমিতাভ পাল অপু জানান, যারাই ঘটনাটি ঘটিয়েছে তাঁরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বিষয়টি দোহার থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে। এ ঘটনায় দোহার থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি (তদন্ত) কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিসিভোয়া নির্বাচন উপলক্ষে দোহারে মাহবুব-কবির প্যানেলের নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহার উপজেলায় বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশনের (বিসিভোয়া) আসন্ন দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২১ উপলক্ষে মাহবুব উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) ও ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির নেতৃত্বাধীন নৌ-যান ব্যবসা সমৃদ্ধি ঐক্য পরিষদের ২৫ জন বিশিষ্ট প্যানেলের উদ্যোগে নির্বাচনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘পরিবর্তনের দৃঢ়প্রত্যয়ে আসুন-সামনে এগিয়ে যাই’ এই প্রতিপাদ্যে শনিবার (১২ জুন) দুপুরে উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবিরের বাসভবন প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মাহবুব উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কোস্টাল শিপ ওনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির। এসময়ে জাহাজ ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘জাহাজ মালিকদের নিকট আমি দোয়া ও ভোট প্রার্থী। জাহাজ ব্যবসাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরিয়ে আনতে হলে আপনারা জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়ে পর্যালোচনা করে আমাদের প্যানেলকে ভোট দিবেন। আমি আশাবাদী আসন্ন নির্বাচনে আপনারা আমাদের ২৫ জনের প্যানেলকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন ইনশাআল্লাহ।’

সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা তারিক আলম জাহাজ ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তার বক্তব্যে বলেন, ‘আপনারা নুরুল হকের ধোকাবাজিতে পরবেন না। এই নুরুল হক মাডার কেসের আসামি থাকা অবস্থায় আমাকে অনুরোধ করাতে তার নাম পরিবর্তন করে কামাল হোসেন নামে আমি তাকে কুয়েতে নিয়ে গিয়েছিলাম। কুয়েতে গিয়েও সে আমাকে ধোকা দিয়ে পালিয়ে যায়। আর আমি দীর্ঘ ৫ বছর কুয়েতে তার জন্য ভোগান্তির শিকার হয়। এই ধোকাবাজ যদি ক্ষমতায় থাকে তাহলে জাহাজ ব্যবসায়ারে অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাবে। আপনাদের সৌভাগ্য যে আপনারা মাহবুব উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) ও ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির নেতৃত্বাধীন প্যানেল পেয়েছেন। এই প্যানেলকে আপনারা ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। আপনাদের ভাগ্য সুপ্রশন্ন হবে ইনশাআল্লাহ।’

বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট খুরশিদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. মহিউদ্দিন, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাহাজ ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন, মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম.এ হান্নান খান, জাহাজ ব্যবসায়ী মহসিন শিকদার চঞ্চল, মাহবুব উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) ও ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির নেতৃত্বাধীন নৌ-যান ব্যবসা সমৃদ্ধি ঐক্য পরিষদ প্যানেলের সদস্য শ্রী লক্ষণ চন্দ্র ধর, মো. মাসুদ করিম, মোহাম্মদ আলী, রেজাউল করিম, মো. রকিবুল আলম (দিপু), মো. আলী হেসাইন, এ.কে.এম সামসুজ্জামান, মো. মশিউর রহমান, আব্দুল মতিন তালুকদার, ইঞ্জিনিয়ার মো. বোরহান উদ্দিন শিকদার, মো. মোশারফ হোসেন, আ. বাতেন রনি, মো. আনিসুর রহমান, মো. মিলন শিকদার, মো. আলমগীর হোসেন, আকন্দ মো. সোহরাব হোসেন, মো. শামিমুর রহমান শিপন, আলহাজ্ব মো. আব্দুর রহমান, হাজী মো. আলমগীর হোসেন, মো. আক্তার ফারুক, মোড়ল আবু বকর সিদ্দিক, মো. সোহাগ-সহ প্রায় তিন শতাধিক জাহাজ ব্যবসায়ীবৃন্দ।

SAMS’92 সদস্য বরগুনার ডিসি হাবিবুর রহমানকে সংবর্ধনা

শরিফ হাসান ও তৌহিদ ইসলাম, news39.net: দোহার উপজেলার মালিকান্দা গ্রামের কৃতি সন্তান বরগুনার ডিসি হাবিবুর রহমান। হাবিবুর রহমান ছিলেন মেঘুলা – মালিকান্দা স্কুলের ১৯৯২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী। এবার সেসব বন্ধুদের নিয়ে সংগঠন SAMS 92 শুক্রবার বিকালে দোহারের এই কৃতি সন্তানকে সংবর্ধনা দিলো। এই সংবর্ধনায় ও নিজ স্কুল এবং এলাকার স্বজনদের সংবর্ধনায় তিনি আবেগে আপ্লুত। বরগুনা জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, তিনি নিজেও SAMS 92এর সাবেক সভাপতি।

উদ্বোধনী বক্তবে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডাঃ কে এম মাহবুবুর রহমান বলেন, দোহারে আমারা সাধারণ মানুষের মাঝে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আমাদের সংগঠনের মাধ্যমে করোনার সময় দোহারে ত্রান দিয়েছি। শিক্ষা ক্ষেত্রে দোহারে শিক্ষার হার বৃদ্ধির জন্য আমরা অসহায় ছাত্রদের সাহায্য করছি। চিকিৎসা ক্ষেত্রেও ফ্রি ফ্রাইডে মেডিকেল ক্যাম্প চলমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, আমি যত দূর জানি এটি ৩০ বছর আগে ১৯৯২ সালের মেঘুলা -মালিকান্দা ব্যাচ নিয়ে সংগঠনটি গঠিত হয়। এই সংগঠনের মাধ্যমে দোহারে অনেক সেবামূলক কাজ হয়েছে। করোনা মহামারী সময় তারা তাদের সংগঠনের মাধ্যমে অসহায়দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে আমিও সেখানে গিয়েছি ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে। বাংলাদেশে ৬৪ টি জেলা আছে তার মধ্যে বরগুনা জেলা একটি আর এই জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে এই SAEM 92 সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও দোহারের কৃতি সন্তান হাবিবুর রহমান স্যার। তিনি সাফল্য ও দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আমি এই সংগঠনের মত অন্য কোন উপজেলায়ও যদি এমন সংগঠন পাই তাহলে তাদের খোঁজ খবর নিবো। সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য সহযোগিতা করবো সেই সংগঠনকে।

নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি লেবু খান বলেন, SAMS- 92 দোহারে ইতিহাস তৈরি করেছে। তারা নিজেদের গড়ে তুলেছেন তার সাথে সাথে তারা SAMS 92 নামে সংগঠনকেও গড়ে তুলেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ হাবিবুর রহমান বরগুনার জেলা প্রশাসক ও অধ্যাপক কবিরুল বাসার জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান। তিনি মশা ও মশাবাহিত রোগ এবং প্রতিষেধক নিয়ে গবেষণা করছেন। যা আন্তর্জাতিকভাবে নন্দিত।

প্রধান অতিথির বক্তবে বরগুনা জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা যখন ১৯৯২ সালে এক সাথে সবাই পড়াশোনা করতাম তখন আমরা সবাই মিলে একটা সংগঠন করি যার নাম দেওয়া হয় SAMS 92। এখন আমরা সরকারি চাকরিজীবি। আমরা সরকারের হয়ে কাজ করি। তাই আমি দোহারের সবাইকে আহ্বান জানাই তারা যাতে শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করে। আমরা জানি, ঘুমিয়ে থেকে স্বপ্ন দেখার নাম স্বপ্ন নয়; বাস্তবে স্বপ্ন পূরণ করার নামই স্বপ্ন। আজকে যারা এখানে উপস্থিত হয়েছেন আমি সবাইকে আমরা পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন SAMS 92 বর্তমান সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ডাঃ কাজী মাহবুবুর রহমান, ডঃ কবিরুল বাসার, আলমগীর হোসেন, করিম বেপারী, মোশাররফ হোসেন, মোক্তার হোসেন, শওকত হোসেন, ফজলুর রহমান বখতিয়ার উদ্দিন লেবু খানসহ SAMS 92 এর সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পংকজ কুমার ঘোষ।

আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশিদের জন্যে ৫০টি শিক্ষা-বৃত্তির সুযোগ

মিশরের বিশ্বখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী বছর থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০টি শিক্ষা-বৃত্তি দেওয়া হবে। এ ছাড়া, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট দূর করতে ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্য ক্যাম্পাসে নিজস্ব জমি বরাদ্দের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানী কায়রোতে মিশরের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ও আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান আল-ইমামুল আকবার শাইখুল আযহার আল শরিফ আহমাদ আত তায়্যিবের সঙ্গে মিশরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলামের বৈঠকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

দীর্ঘ বৈঠকে উভয়পক্ষ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অধ্যয়ন সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি কোটা বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান তা ১৫ থেকে ৫০ জনে বাড়ানোর অনুমোদন দেন।

রাষ্ট্রদূতের অনুরোধে জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্যে নিজস্ব জমি বরাদ্দের অনুমোদন দেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বাংলা ভাষা সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বাংলা ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার আবেদন করলে তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন।

করোনা মহামারি পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ইমাম প্রশিক্ষণ, ইসলামী স্কলার ও শিক্ষা বিভাগ থেকে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি সফর বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা করেন রাষ্ট্রদূত।

অন্যদিকে, আল-আজহারের আদর্শকে ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশে আল-আজহার ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে বলেও জানিয়েছেন মিসরের এই সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।

শাইখুল আযহার আল শরিফ আহমাদ বলেন, ‘আল-আজহার ইসলামের উদার আদর্শকে প্রচার করে, ভ্রান্ত চিন্তা-দর্শনকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করে, সমস্ত ধর্মে স্বীকৃত শান্তির বাণী প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে।’

রাষ্ট্রদূত মনিরুল ইসলামের আমন্ত্রণে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাংলাদেশ সফর করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় বাঙালি জাতিকে সম্মান ও শ্রদ্ধার সঙ্গে মূল্যায়ন করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিদেশি শিক্ষার্থীরা মেধা-মনন বিকাশ ও সামগ্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ইসলামের সঠিক দাওয়াত প্রচারের জন্য নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলেন। নিজ দেশে ফিরে গিয়ে তারা ইসলামী চিন্তা প্রচার ও প্রসারে নিবেদিত হন।’

বিশ্বে আরবি সাহিত্যের ও ইসলামী শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র আল–আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে পাঁচ লাখের বেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০ শতাংশ বিদেশি।

সেখানে প্রায় ১০২টি দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪০০-র মতো বাংলাদেশি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছেন। পাঁচ হাজার ১৫৫টি শ্রেণিকক্ষের বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষক আছেন।

নবাবগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে প্রাণ গেল দুই নির্মাণ শ্রমিকের

ঢাকার নবাবগঞ্জের দিঘীরপাড় এলাকায় নির্মাণধীন একটি সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে লুৎফর (৩৫) এবং সঞ্জিত দাস (২২) নামের দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে দিঘীরপাড় এলাকার সুমনের বাড়িতে নির্মাণধীন সেফটিক ট্যাংকের ভীতর থেকে তাদের দুজমের লাশ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, ট্যাংকটি বেশকিছুদিন আগে নির্মাণ করার পর উপরে ছাদ ঢালাই দেওয়া হয়। রবিবার ঢালাই কাজে ব্যববহৃত কাঠ-বাশ খুলতে ভীতরে প্রবেশ করেন দুই শ্রমিক। প্রবেশ করার পর দীর্ঘসময়ে বের না হওয়ায় ঠিকাদার শমসের আলী নিজে এসে ভীতরে ঢুকলে দুজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। ভীতরে অক্সিজেন না পেয়ে এবং বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। তবে, বাড়ির মালিক সুমন বাসায় ছিলেন না৷ তিনি ঢাকায় থাকেন বলে জানা গেছে। লাশ ময়নাতদন্ততের জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ। এমন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান ডিউটিরত থাকা এসআই মিন্টু লস্কর৷

দোহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুর্ধ্ব ১৭ বালক ২০২১ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ৮ই জুন বিকেলে দোহার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দোহারের নুরপুর মাঠে এ ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ফাইনাল খেলায় কুসুমহাটি ইউনিয়ন ও দোহার পৌরসভা মুখোমুখি হয়।

খেলায় কুসুমহাটি ইউনিয়ন দলের হয়ে সুব্রত রাজবংশীর একমাত্র গোলে দোহার পৌরসভাকে পরাজিত করে টুর্নামেন্টের ট্রফি জিতে নেয় কুসুমহাটি ইউনিয়ন।

খেলায় রেফারির দায়িত্ব পালন করেন আবুল বাশার এবং সহকারী রেফারির দায়িত্ব পালন করেন মোঃ ইছাহাক ও সঞ্জয় বিশ্বাস। খেলাটির শুরু থেকে সঞ্চালনায় ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা সুরুজ আলম সুরুজ। সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয় কুসুমহাটি ইউনিয়ন দলের অয়ন চক্রবর্তী।

দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ মাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ফজলুর রহমান, দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, দোহার থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তফা কামাল,  জাফর ইকবাল লাভলু,সাইফুর রহমান টুটুল, জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম আব্দুল খালেক, কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ, নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নান, বিলাশপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রাশেদ চোকদার, কুসুমহাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি কাদের মন্ডল, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন সোহাগ সহ আরো অনেকে।

দোহারে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

ঢাকা জেলা দোহার উপজেলায় বজ্রপাতে পদ্মার তীরবর্তী এলাকায় সোমবার ফরিদুল ইসলাম (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুরে বিলাসপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফরিদুল পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা। তিনি বিলাসপুরে বাল্কহেডে কাজ করতেন ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে ভারী বর্ষণের সময় নদীতে একটি বাল্কহেডে কাজ করছিল ফরিদুলসহ আরও কয়েকজন। এসময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয় সে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয় দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাঃ জসিমউদদীন বলেন, সোমবার বিলাসপুর থেকে ফরিদুল নামে এক জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।মৃত্যু অবস্থায়। তিনি বজ্রপাতে মৃত্যু বরন করেছে।

দোহার প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত উপদেষ্টাকে দোহার প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার দোহার প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা নির্বাচিত হওয়ায় দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ‘আনন্দভুবন’ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ও বেক্সিমকো মিডিয়া লিমিটেডের পরিচালক প্রবীণ সাংবাদিক আলমগীর হোসেন কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন  দোহার প্রেসক্লাবের অন্তর্ভূক্ত সকল সাংবাদিকবৃন্দ। সোমবার বিকেলে দোহার উপজেলা সভাকক্ষে তাকে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় সকল সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সত্যের পক্ষে কলম চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানান আলমগীর হোসেন।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন দোহার প্রেসক্লাবের আহবায়ক তারেক রাজিব,সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কামরুল হাসান, দৈনিক যায়যায় দিনের প্রতিনিধি শেখ সোহেল রানা,দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি মো.শাহজাহান, বিজয় টিভির প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক নববাংলা’র সম্পাদক  মো. আতাউর রহমান সানী, এশিয়ান টেলিভিশনের দোহার নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি আবু নাঈম মেহাম্মাদ তাইমিয়া, দৈনিক গণকন্ঠের প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক নববাংলার নির্বাহী সম্পাদক কাজী জোবায়ের আহমেদ, দৈনিক বাংলাদেশের খবরের প্রতিনিধি মো.জোবায়ের, দৈনিক আলোকিত সময়ের প্রতিনিধি সুজন হোসেন, দৈনিক খবরের আলোর প্রতিনিধি আয়ান মাহমুদ কেটিভির প্রতিনিধি কামাল হোসেন।

দোহার পৌরসভা এখন ময়লার ভাগার

ঢাকার দোহার উপজেলা ও দোহার পৌরসভার  প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়া খাল এখন আর খাল নেই, খালটি পরিনত হয়েছে দোহার উপজেলা ও পৌরসভার ময়লার ভাগারে। ফলে এক সময়ের দৃষ্টিনন্দন এই খালটি এখন পরিনত হয়েছে  রোগসৃষ্টিকারী জীবানুর প্রজননক্ষেত্র হিসাবে। শুধু খাল নয়, পুরো পৌরসভা জুড়েই যত্রতত্র ময়লা ফেলে পুরো পৌরসভাটাকে পরিনত করা হয়েছে উন্মুক্ত ময়লার ভাগারে।

বৃহস্পতিবার (৩ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও উপজেলা পরিষদের মাঝামাঝি রতনচত্তরের সামনে দোহার প্রেসক্লাবে যাওয়ার সড়কের পাশেই সৃষ্টি হয়েছে এ ময়লার ভাগাড় তাছাড়া জয়পাড়া খালেও এ চিত্র দেখা যায়। ময়লার ভাগাড়টি পরিবেশ দূষণসহ মানুষের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির কারখানায় পরিনত হয়েছে।

এছাড়া দেখা যায় জয়পাড়া বাজার বড় ব্রিজের দু’পাশে দোহার উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিকের বর্জ, বাজারের ময়লা, আবর্জনা ফেলে যেন, জয়পাড়া খাল ভরাট করার প্রতিযোগিতা চলছে  ব্যাবসায়ীদের মাঝে। এ যেন এক দীর্ঘ দিনের সমস্যা নেই কোন প্রতিকার।

এসকল ময়লা, আবর্জনা পঁচে সৃষ্টি হচ্ছে দূর্গন্ধ। বাতাসের সাথে মিশে বায়ুকে করছে দূষিত। ফলে মানুষের শরীরে সৃষ্টি হচ্ছে বায়ু দূষিত ও ফুসফুসজনিত নানা রোগ। তাই পথচারী, ক্রেতা, ব্যবসায়ী ও পৌরবাসী কর্তৃপক্ষের কাছে ময়লা আবর্জনা ফেলার একটি নির্দিষ্ট স্থান তৈরী করে এই ময়লার ভাগাড় অন্যত্র সরিয়ে নেয়াসহ এর একটি সঠিক সমাধানের দাবি রাখে।

ময়লা পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে বাতাসে। নাকে কাপড় চেপে লোকজন জয়পাড়া ব্রিজ পার হচ্ছেন।পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে এ রকম ময়লা-আবর্জনার অসংখ্য স্তূপ রয়েছে। দুর্গন্ধে পৌরবাসীর পথ চলা দায় হয়ে পড়েছে। তাদের অভিযোগ, ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থান ও ডাস্টবিন না থাকায় লোকজন যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলছেন। পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করেন না। তবে পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, ব্যবসায়ীরা যথাযথ স্থানে ময়লা না ফেলায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

দোহার পৌরসভা এখন ময়লার ভাগার

যেখানে সেখান ময়লা, আবর্জনা ফেলে ময়লার ভাগাড় তৈরী হয়েছে। সেখান থেকে দুর্গন্ধ ছরিয়ে পরচ্ছে নানা জায়গায়। পথচারী, ক্রেতা, বিক্রেতা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ এলাকার লোকজন দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পেতে নাক চেপে ধরে চলাচল করছে।

এ বিষয় দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর ডাঃ জসিমউদদীন এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, এ ময়লা আমাদের হাসপাতালে না এটা জয়পাড়া বাজারে চাইনিজ রেস্টুরেন্টের ও আশে পাশের দোকান দারদের ময়লা। আমাদের হাসপাতালে যে ময়লা আছে সেগুলো আমরা আমাদের ডাস্টবিন এ রাখি সেখান থেকে পৌরসভার লোক এসে সে ময়লা নিয়ে যায়। আমরা মানুষ না বলে এমন অবস্থায় আছি।  আর সে জন্য আমরা এর প্রতিকার চাই। এ বিষয় নিয়ে আমরা এমপি মহোদয় সালমান এফ রহমানকে জানিয়েছি যে সে যেন আমাদের হাসপাতালে জন্য একটি ডাম্পিং ব্যবস্থা করে দেয়।

এ বিষয় নিয়ে জয়পাড়া ক্লিনিক এর পরিচালক দেলোয়ার হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমাদের ক্লিনিক এর যে ময়লা আছে সেগুলো পৌরসভার লোকজন এসে সকালে নিয়ে যায় এরপর তারা কোথায় ফেলে বা কি করে সে বিষয়  আমরা কিছু জানি না।

এ বিষয় জয়পাড়া বাজারে কশাই পট্টির ফারুক বলেন, জয়পাড়া বাজারের যত ময়লা আছে সব ময়লা এই খালে এনে ফেলে যায় পৌরসভার লোকজন। এখানে আমরা ময়লা ফেলি না আমরা ময়লা অন্য কোথাও নিয়ে ফালাই। পৌরসভার লোকজন এখানে যে ময়লা ফেলায় তাতে আমরা এর দূর গন্ধে থাকতে পারি না এবং জয়পাড়া ব্রিজ দিয়ে যারা আসা যাওয়া করে তাদেরও কষ্ট হয়। এর একটি সঠিক সমাধান চাই পৌরসভার কাছে।

জয়পাড়া বাজার দেবী নগর গুরুর হাটের পাশে কামার রবি বলেন, সকালে এসে পৌরসভার লোক এসে এই খালের ময়লা ফেলে যায়। আর এতে আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে। আমরা এখানে বসে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। আর জয়পাড়া বাজারের যত হাসপাতালের ময়লা আছে সব ময়লা এখানে ফালানো হয়। এতে করে আমরা যেমন দূর গন্ধে ভক্তেছি তেমন সমস্যাও পরিতেছি।

দোহার পৌরসভা এখন ময়লার ভাগার

এ বিষয়ে দোহার পৌরসভার প্রকৌশলী মশিউর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ক্লিনিকের বর্জ্যর ব্যাপারে পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো দায়িত্ব নেই, সেটা হেল্থ ডিপার্টমেন্টের দায়িত্ব। এছাড়া পৌরসভা আওতাধীন সাধারণ বর্জ্য আমরা মেইনটেন্ট করি। এখনো আমরা সরকারিভাবে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট জমি পাই নি। তবে গতকাল ভূমি অফিস থেকে পৌর কর্তৃপক্ষকে কাজিরচর এলাকায় একটি জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে আমাদের কার্যক্রম শুরু হবে।